Thermo Engineering

Thermo Engineering testing service and proper installation provider

Electrical services:
• As built Single Line Diagram(SLD).
> Proposed Single Line Diagram(SLD).
> Electrical Layout Drawing.
• Complete Electrical wiring.
• Annual Inspection.
• Installation.
> All Testing Related Service.

     Thermo Engineering
24/04/2026






Thermo Engineering

14/04/2026



20/03/2026

🌙✨ EID MUBARAK ✨🌙

May this holy Eid bring peace, happiness, and prosperity to your life.
Allah bless you and your family with endless joy.

💼 Thermo Engineering
📍 Your Trusted Engineering Partner

Eid Greetings to Everyone! 🤲

24/02/2026
24/02/2026
Lightning Protection (LPS) কেন টেস্ট করা হয়? ⚡লাইটনিং প্রোটেকশন সিস্টেম টেস্ট করা হয় এটা নিশ্চিত করার জন্য যে—বজ্রপাত হল...
02/02/2026

Lightning Protection (LPS) কেন টেস্ট করা হয়? ⚡
লাইটনিং প্রোটেকশন সিস্টেম টেস্ট করা হয় এটা নিশ্চিত করার জন্য যে—বজ্রপাত হলে বিদ্যুৎ নিরাপদভাবে মাটিতে (earth) চলে যেতে পারবে এবং মানুষ, বিল্ডিং ও যন্ত্রপাতি নিরাপদ থাকবে।
সহজ করে কারণগুলো বলছি👇
1️⃣ Earth Resistance ঠিক আছে কিনা
আর্থিংয়ের রেজিস্ট্যান্স বেশি হলে বজ্রপাতের কারেন্ট মাটিতে যেতে পারবে না
সাধারণত মান রাখা হয় ≤ 10 Ohm (স্ট্যান্ডার্ড অনুযায়ী)
2️⃣ ডাউন কন্ডাক্টর ও কানেকশন ঠিক আছে কিনা
কোথাও ঢিলা, জং ধরা বা কাট আছে কিনা বোঝা যায়
3️⃣ বিল্ডিং ও ইকুইপমেন্ট সুরক্ষা নিশ্চিত করা
ট্রান্সফরমার, প্যানেল, PLC, CCTV ইত্যাদি বজ্রপাত থেকে বাঁচে
4️⃣ মানুষের নিরাপত্তা (Shock Risk কমানো)
বজ্রপাতের সময় শর্ট পাথ তৈরি হলে বড় দুর্ঘটনা হতে পারে
5️⃣ স্ট্যান্ডার্ড ও ইন্সপেকশন পাস করার জন্য
IEC, IEEE, BNBC, Insurance ও Govt inspection এ টেস্ট রিপোর্ট লাগে
6️⃣ পুরনো সিস্টেম এখনো কাজ করছে কিনা
সময়ের সাথে আর্থ পিট শুকিয়ে যায়, রড ক্ষয় হয়
🔧 কি কি টেস্ট করা হয়?
Earth Resistance Test
Continuity Test
Visual Inspection
সংক্ষেপে 👉
Lightning Protection টেস্ট না করলে বজ্রপাত হলে সিস্টেম থাকলেও সেটা কাজ নাও করতে পারে।

Thermo Engineering

🔹 পি এল সি কি? (PLC কী?)📌 PLC এর পূর্ণরূপ Programmable Logic Controllerবাংলায়: প্রোগ্রামেবল লজিক কন্ট্রোলারPLC হলো একটি ...
20/01/2026

🔹 পি এল সি কি? (PLC কী?)
📌 PLC এর পূর্ণরূপ Programmable Logic Controller
বাংলায়: প্রোগ্রামেবল লজিক কন্ট্রোলার
PLC হলো একটি বিশেষায়িত শিল্পমানের ডিজিটাল কন্ট্রোল ডিভাইস, যা বিভিন্ন মেশিন ও অটোমেশন সিস্টেমকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে নিয়ন্ত্রণ করার জন্য ব্যবহার করা হয়।
PLC মূলত তৈরি করা হয়েছে পুরনো রিলে লজিক সিস্টেমের পরিবর্তে, যেখানে সফটওয়্যার ভিত্তিক প্রোগ্রাম ব্যবহার করে মেশিন কন্ট্রোল করা যায়।
➡️ PLC সাধারণ কম্পিউটারের মতো ইনপুট ও আউটপুট সিগন্যাল নিয়ে কাজ করে, তবে এটি
ধুলা, তাপ, কম্পন, আর্দ্রতা ও ইলেকট্রিক্যাল নয়েজের মধ্যেও দীর্ঘ সময় নির্ভরযোগ্যভাবে কাজ করতে পারে।
🧠 পি এল সি কেন ব্যবহার করা হয়?
PLC ব্যবহারের প্রধান কারণগুলো হলো:
🔹 অটোমেশন:
PLC ব্যবহার করে মেশিন ও ইন্ডাস্ট্রিয়াল প্রক্রিয়াগুলো স্বয়ংক্রিয় করা যায়, ফলে মানুষের কাজ কমে যায়।
🔹 নির্ভরযোগ্য কন্ট্রোল:
কঠিন ইন্ডাস্ট্রিয়াল পরিবেশেও PLC স্থায়ী ও নির্ভুলভাবে কাজ করতে পারে।
🔹 সহজ প্রোগ্রামিং:
PLC-তে ল্যাডার লজিক, ফাংশন ব্লক, স্ট্রাকচার্ড টেক্সট ইত্যাদি ভাষায় সহজে প্রোগ্রাম করা যায়।
🔹 বহুমুখী ব্যবহার:
PLC দিয়ে উৎপাদন শিল্প, চিকিৎসা যন্ত্র, ট্রাফিক কন্ট্রোল, বিল্ডিং অটোমেশনসহ বহু সিস্টেম নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব।
👉 সহজভাবে বললে, PLC হলো মেশিনের মস্তিষ্ক, যা প্রোগ্রামের নির্দেশ অনুযায়ী সব কাজ পরিচালনা করে।
✔️ PLC ব্যবহারের সুবিধা (Advantages)
✅ উচ্চ নির্ভরযোগ্যতা:
দীর্ঘ সময় ধরে কম ত্রুটিতে কাজ করে।
✅ প্রোগ্রাম পরিবর্তন সহজ:
কন্ট্রোল পরিবর্তন করতে নতুন করে ওয়্যারিং করার দরকার হয় না।
✅ ছোট আকার ও সহজ ইনস্টলেশন:
কম জায়গায় ইনস্টল করা যায়।
✅ ডায়াগনস্টিক সুবিধা:
PLC নিজেই ত্রুটি শনাক্ত করতে পারে, ফলে সমস্যা দ্রুত সমাধান করা যায়।
✅ মডুলার ডিজাইন:
প্রয়োজনে নতুন ইনপুট/আউটপুট বা এক্সপানশন মডিউল যোগ করা যায়।
❗ PLC ব্যবহারের অসুবিধা (Disadvantages)
⚠️ প্রাথমিক খরচ বেশি:
PLC ও এর সফটওয়্যার তুলনামূলকভাবে ব্যয়বহুল।
⚠️ বিশেষ প্রশিক্ষণ প্রয়োজন:
PLC প্রোগ্রামিং শিখতে আলাদা ট্রেনিং দরকার।
⚠️ ডাটা প্রসেসিং সীমাবদ্ধতা:
খুব জটিল ডাটা বা হাই-লেভেল কম্পিউটিং কাজের জন্য PLC উপযুক্ত নয়।
⚠️ ব্র্যান্ডভিত্তিক সফটওয়্যার:
একেক কোম্পানির PLC-র জন্য আলাদা প্রোগ্রামিং সফটওয়্যার লাগে।
🧩 PLC দিয়ে মানুষ কতটা ডেভেলপ করেছে?
PLC প্রযুক্তির কারণে শিল্পখাতে বিশাল পরিবর্তন এসেছে।
✔️ বড় বড় ফ্যাক্টরিতে স্বয়ংক্রিয় উৎপাদন লাইন তৈরি হয়েছে
✔️ কাজের গতি বেড়েছে এবং মানুষের ঝুঁকি কমেছে
✔️ রিমোট মনিটরিং ও ডাটা লগিং সম্ভব হয়েছে
✔️ উৎপাদন খরচ কমে গিয়ে লাভ বৃদ্ধি পেয়েছে
👉 বলা যায়, আধুনিক শিল্প বিপ্লবের অন্যতম প্রধান হাতিয়ার হলো PLC।
📌 PLC কোথায় কোথায় ব্যবহার হয়? (Applications)
🔸 কনভেয়ার বেল্ট, মোটর, পাম্প কন্ট্রোল
🔸 উৎপাদন ও প্যাকেজিং লাইন
🔸 রাইস মিল, ফুড প্রসেসিং, কেমিক্যাল প্ল্যান্ট
🔸 বিল্ডিং অটোমেশন (লিফট, HVAC, সিকিউরিটি)
🔸 পানির ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট
🔸 ট্রাফিক সিগন্যাল কন্ট্রোল সিস্টেম
📦 PLC-এর মডেল বা টাইপ (Popular PLC Models)
🔹 Siemens (SIMATIC Series)
LOGO!
S7-1200
S7-1500
S7-300 / S7-400
🔹 Allen-Bradley (Rockwell)
MicroLogix
CompactLogix
ControlLogix
🔹 Mitsubishi
FX Series
Q Series
iQ-R Series
🔹 Schneider Electric
Modicon M-Series
🔹 Omron
CP Series
CJ Series
NX Series
🔹 ABB
AC500 Series
👉 এছাড়াও PLC সাধারণত Nano, Micro, Medium ও Large PLC ক্যাটাগরিতে ভাগ করা হয়।

Thermo Engineering

Friday work Thermo Engineering
02/01/2026

Friday work
Thermo Engineering

  কোনো বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম বা যন্ত্রপাতির ধাতব অংশকে অত্যন্ত কম রোধবিশিষ্ট (Very low resistance) তার দিয়ে মাটির সাথে বৈদ্...
09/12/2025


কোনো বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম বা যন্ত্রপাতির ধাতব অংশকে অত্যন্ত কম রোধবিশিষ্ট (Very low resistance) তার দিয়ে মাটির সাথে বৈদ্যুতিক সংযোগ স্থাপন করাকে আর্থিং বলে। অনাকাঙ্খিত বিদ্যুতের প্রভাব থেকে বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতি ও মানুষকে রক্ষা করার উদ্দেশ্যে বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতির ধাতু নির্মিত বহিরাবরণ বা অন্য কোন ধাতব অংশ হতে বিদ্যুত প্রবাহকে পরিবাহী তারের সাহায্যে নিরাপদে মাটিতে প্রেরণের ব্যবস্থাই আর্থিং ।

২.১.১ আর্থিং এর প্রয়োজনীয়তা
আর্থিং বৈদ্যুতিক সিস্টেমের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। মানুষের জীবন ও মূল্যবান যন্ত্রপাতি রক্ষার জন্য আর্থিং একটি অপরিহার্য বিষয়। আর্থিং এর প্রয়োজনীয়তা নিচে উল্লেখ করা হলো। ১। বজ্রপাত, শর্ট সার্কিট, ইনসুলেশন নষ্ট হয়ে বা অন্য যে কোন কারণে ইলেকট্রিক্যাল ইকুইপমেন্ট বা সিস্টেমের ভোল্টেজ বেড়ে গেলে তা মাটিতে পৌঁছে দেওয়ার জন্য ।

২। অতিরিক্ত লিকেজ কারেন্ট আর্থিং তারের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়ে আর্থ লিকেজ সার্কিট ব্রেকার (ELCB) এর সাহায্যে অল্টারনেটর, ট্রান্সফরমার ও অন্যান্য বৈদ্যুতিক মেশিনারিজ ধ্বংসের হাত থেকে রক্ষা পায়।

৩| ট্রান্সফরমারের লাইন ত্রুটি যুক্ত হলে হাই ভোল্টেজ উৎপত্তি হয়। এই হাই ভোল্টেজকে মাটিতে প্রেরণ করার জন্য আর্থিং প্রয়োজন।

৪। কখনো কখনো বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতি বা সরঞ্জামাদির কাঠামো ও বহিরাবরণ বিদ্যুতায়িত হয়ে পড়ে। এসব বিদ্যুতায়িত যন্ত্রপাতি বা সরঞ্জামের সংস্পর্শে মানুষ বা কোনো প্রাণী এলে শরীর বিদ্যুতায়িত হয়ে মৃত্যু বা পঙ্গুত্বের সম্ভাবনা থাকে। আর্থিং বৈদ্যুতিক শকের প্রাবল্য কমিয়ে দেয়।

৫। বড় বড় ইমারতকে বজ্রপাত হতে রক্ষা করার জন্য আর্থিং প্রয়োজন ।

২.১.২ বৈদ্যুতিক সিস্টেমে ব্যবহৃত সরঞ্জাম ও যন্ত্রপাতি সঠিকভাবে আর্থিং করার গুরুত্ব
১। ত্রুটিযুক্ত সার্কিটের কারেন্টকে আর্থিং সহজে মাটির অভ্যন্তরে প্রেরণ করে। এর ফলে ফিউজ, সার্কিট ব্রেকার প্রভৃতি রক্ষণযন্ত্র খুলে যায় এবং ত্রুটিযুক্ত অংশ সহজে উৎস হতে আলাদা হয়ে পড়ে।

২। ওয়্যারিংয়ের যে কোন অংশের ভোল্টেজকে আর্থের সাপেক্ষে কোনো নির্দিষ্ট মানে বজায় রাখার জন্য সঠিকভাবে আর্থিং করা প্রয়োজন।

৩। অনেক সময় আমাদের অজান্তে বিদ্যুৎ সিস্টেমে ত্রুটি থেকে যেতে পারে। এই ধরনের পরিস্থিতিতে যেন বৈদ্যুতিক সরঞ্জামাদি উচ্চ ভোল্টেজ এর প্রভাবে নষ্ট না হয়ে যায় সেজন্য সঠিকভাবে আর্থিং করা জরুরি।

২.১.৩ আর্থিং সিস্টেমে ব্যবহৃত উপাদানসমূহ
আর্থিং এর প্রধান উপাদান তিনটি, যথা-

১। আর্থ প্লেট বা আর্থ ইলেকট্রোড,

২। মেইন আর্থিং লিড বা আর্থ তার

৩। আর্থের নিরবিচ্ছিন্ন (Continuity) তার।

চিত্র-২.১ আর্থিং এর উপাদান সমূহ
১। আর্থ-ইলেকট্রোড (Earth-Electrode ) : মাটির তলায় পোতা ধাতব পদার্থকে আর্থ ইলেকট্রোড বলে। আমরা জানি পৃথিবীর সব অংশের মাটি অবিচ্ছিন্ন বা সংযুক্ত। ফলে যেখানেই স্থাপন করা হোকনা কেন আর্থ-ইলেকট্রোড পৃথিবীর সব মাটির সাথে ইলেকট্রিক্যালি সংযুক্ত হয়ে যায়। আর্থিং এর কাজে বেশির ভাগ সময় নিম্নলিখিত পাঁচ ধরনের অর্থ ইলেট্রোডের ব্যবহার লক্ষ্য করা যায়-

(ক) পাইপ ইলেকট্রোড

(খ) রঙ ইলেকট্রোড

(প) প্লেট ইলেকট্রোড

(ঘ) ফ্লিপ বা কন্ডাকটর ইলেকট্রোড

(খ) শিট ইলেকট্রোড।

নিচে বিভিন্ন ধরনের আর্থ ইলেট্রোডের বর্ণনা দেওয়া হলো।
(ক) পাইপ ইলেকট্রোড: এটি এক ধরনের গ্যালভানাইজ করা লোহা বা ইস্পাতের তৈরি পাইপ যার ভিতর দিকের সর্বনিম্ন ব্যাস ৩৮.১ মিমি. এবং ঢালাই লোহার তৈরি পাইপ হলে সর্ব নিম্নব্যাস ১০০ মিমি.। পাইপের দৈর্ঘ্য কখনোই ২.৫ মিটার (৯ ফুট) এর কম হলে চলবে না। পাইপ ইলেকট্রোড মাটিতে খাড়া করে এমনভাবে পুঁততে হবে যেন পাইপের উপরি ভাগ কমপক্ষে ১.২৫ মিটার মাটির তলায় থাকে। শুকনো মাটির তুলনায় ভেজামাটির রোধ কম হয়। একারণে কার্যকর আর্থিং এর জন্য অবশ্যই মাটির আর্দ্র র পর্যন্ত আর্থ ইলেকট্রোড পৌঁছাতে হবে। ইলেট্রোডের চারপাশে এক স্তরের পর আরেক স্তর কাঠ-কয়লা এবং লবণ দিয়ে ঠেলে মাটি ভরাট করলে ভাল ফল পাওয়া যায়। পাইপকে ৭.৫ সেমি. অন্তর ব্যাস বরাবর এফোর ওফোর ১২ মিমি. ব্যাস বিশিষ্ট ছিদ্র করা হয়। ওপরের ফানেল দিয়ে পাইপের ভিতরে মাঝে মাঝে পানি ঢাললে ঐ ছিদ্রের মাধ্যমে ইলেকট্রোডের চারপাশের পানি ছড়িয়ে পড়ে। ফলে মাটি ভেচ্ছা থাকে। ইমারত থেকে পাইপ ইলেকট্রোডের দূরত্ব ১.৫ মিটার (৫ ফুট) এর কম রাখা যাবে না।

(খ) রড ইলেকট্রোড: গ্যালভানাইজ করা লোহার বা ইস্পাত রঙ (যার সর্বনিম্ন ব্যাস ১৬ মি.মি. বা ৫/৮ ইঞ্চি) অথবা তামার রঙ (বার সর্বনিম্ন ব্যাস ১২.৫ মি.মি.) কে ইলেকট্রোড হিসেবে ব্যবহার করা হয়। তবে রঙের সর্বনিম্ন দৈর্ঘ্য ২ মিটার হতে হবে। কাঙ্খিত অর্থ রেজিট্যাল পাওয়ার জন্য রঙের দৈর্ঘ্য বাড়তে পারে।

(গ) প্লেট ইলেকট্রোড: গ্যালভানাইজ করা লোহার বা ইস্পাতের প্লেট, যার সাইজ ৬০ সে. মি. x ৬সে. মি.×৬.৩৫ মি.মি. এবং তামার আর্থ প্লেটের সাইজ ৬০ সে. মি. x ৬০ সে. মি. x ৩১৫ মি.মি. কে প্লেট ইলেকট্রোড হিসেবে ব্যবহার করা হয়। চালাই লোহার প্লেটের ক্ষেত্রে পুরুত্ব ১.৪৫ মি.মি। উভয়ক্ষেত্রে প্লেটকে দাঁড় করিয়ে মাটিতে এমনভাবে পুঁততে হবে, যাতে প্লেটের উপরের অংশ ভূমির অন্তত তিন মিটার নিচে থাকে (চিত্র-২.৩)। আর্থ রেজিস্ট্যান্স সন্তোষজনক পাওয়া না গেলে একাদিক প্লেট প্যারালাল-এ সংযুক্ত করে ব্যবহার করা হয়।

চিত্র-২.৩ প্লেট ইলেকট্রোড
(ঘ) স্ট্রিপ বা কন্ডাকটর ইলেকট্রোড: গ্যালভানাইজ করা লোহা বা ইস্পাতের পাত (যার সর্বনিম্ন প্রস্থচ্ছেদ ২৫ মি. মি. × ৪ মি. মি.) কিংবা তামার পাত (যার সর্বনিম্ন প্রস্থচ্ছেদ ২৫ মি. মি. x ১.৬ মি. মি.) কে ইলেকট্রোড হিসেবে ব্যবহার করা হয়। গোলাকার তামার কন্ডাকটর হলে সর্বনিম্ন প্রস্থচ্ছেদ ৩ বর্গ মি. মি. এবং গ্যালভানাইজ করা লোহা বা ইস্পাতের হলে ৬ বর্গ মি. মি. হওয়া উচিত। স্ট্রিপ বা কন্ডাকটরের দৈর্ঘ্য ১৫ মিটারের কম হওয়া উচিত নয়। কাঙ্খিত আর্থ রেজিস্ট্যান্স পাওয়ার জন্য প্রয়োজনে কন্ডাক্টরের দৈর্ঘ্য বাড়াতে হয়।

(ঙ) শীট ইলেকট্রোড : গ্যালভানাইজ করা লোহার শিট, যার পুরুত্ব কমপক্ষে ১.৬৩ মি. মি. (১৬ গেজ) এবং সাইজ ২ হতে ৬ বর্গমিটার হওয়া উচিত।

২। মেইন আর্থিং লিড (Main Earthing Lead)
আর্থ ইলেকট্রোডের সঙ্গে মেইন সুইচের বডি, আর্থবাস বার প্রভৃতির সংযোগ করার জন্য যে তার ব্যবহার করা হয় তাকে মেইন আর্থিং লিড বা আর্থ তার বলে। ইলেকট্রোড যে ধাতুর তৈরি হবে আর্থ তারও সেই ধাতুর তৈরি হতে হবে। আর্থের তারে যেন কোন আঘাত না লাগে সেজন্য আর্থিং তার মেঝেতে এবং দেয়ালে ঢুকিয়ে দিলে ভাল হয়। মাটির তলা দিয়ে নেয়ার সময় তার যেন কমপক্ষে ৬০ সেমি. (২ ফুট) মাটির নিচে থাকে। ক্ষতি এড়ানোর জন্য আর্থের তারটিকে একটি ১২ মিমি. জিআই পাইপের ভেতর দিয়ে নেয়া যেতে পারে। আর্থ তারকে নাট-বল্টু দিয়ে আটকিয়ে, প্রয়োজনে ঝালাই করে আর্থ ইলেকট্রোডের সঙ্গে সংযোগ দিতে হয়।

৩। আর্থ কন্টিনিউয়িটি (Continuity) কন্ডাকটর যে কন্ডাকটরের সাহায্যে বৈদ্যুতিক আসবাব, যন্ত্রপাতি কিংবা ওয়্যারিংয়ের ধাতুর আবরণ বা খোলের সঙ্গে আর্থ তার এর কানেকশন করা হয় তার নাম আর্থ কন্টিনিউটি কন্ডাকটর। এ তারের সাহায্যে সমস্ত ওয়্যারিং ও আসবাবপত্রে আর্থের কন্টিনিউটি বজায় থাকে।

২.১.৪ আর্থিং করার পদ্ধতি
সঠিক আর্থিং করতে সঠিক উপাদান সমূহ ব্যবহার করে নিয়ম মোতাবেক আর্থিং করতে হয়। ব্যবহৃত আর্থ ইলেকট্রোডের উপর ভিত্তি করে আর্থিং পাঁচ প্রকার হয়ে থাকে। যথা-

১। পাইপ আর্থিং

২। প্লেট আর্থিং

৩। রড আর্থিং

৪। শিট আর্থিং এবং

৫। স্ট্রিপ আর্থিং ।

নিচে আর্থিং করার বিভিন্ন ধরনের পদ্ধতির বর্ণনা দেওয়া হলো।

১। পাইপ আর্থিং: গ্যালভানাইজ করা লোহার বা ইস্পাতের পাইপ ইলেকট্রোড হিসেবে ব্যবহার করা হয়। পাইপের দৈর্ঘ্য কমপক্ষে ২.৫ মিটার আর ভিতরের ব্যাস ৩৮.১ মি. মি. হতে হবে। মাটি যদি শুকনা এবং খুব শক্ত হয়, তবে পাইপের দৈর্ঘ্য ২.৭৫ মিটার নিতে হবে। পাইপকে লম্বালম্বিভাবে ৭.৫ সে. মি. অন্তর ১২ মি. মি. ব্যাস বিশিষ্ট ছিদ্র করা হয়। একটি ছিদ্র পরবর্তী ছিদ্রের আড়াআড়ি হবে যেন উপর হতে পানি ঢাললে ছিদ্রের মাধ্যমে পানি গিয়ে ইলেকট্রোডের চারপাশে মাটি ভেজা রাখে। বিল্ডিং হতে ১.৫ মিটার ব্যবধানে সাধারণত ৩.৭৫ মিটার গভীর গর্ত করা হয়। তবে মাটির ভিতর যতটা গভীরে ভেজা মাটি পাওয়া যায়, ততদূর পর্যন্ত গর্ত খোড়া প্রয়োজন । পাইপের নিচের দিকে চারপার্শ্বে ১৫ সে. মি. পর্যন্ত জায়গা কাঠকয়লার ও লবণ দিয়ে ঘিরে দিতে হয়। এর ফলে পাইপ আর মাটির মধ্যে সংযোগের আয়তন বাড়ে এবং লবণ সে আর্থেও রেজিস্ট্যান্স কমিয়ে দেয়। গর্তের মধ্যে প্রথম স্তরে লবণ আর দ্বিতীয় স্তরে কাঠ কয়লা আবার তৃতীয় স্তরে লবণ এবং চতুর্থ স্তরে কাঠ কয়লা এভাবে স্তর থাকে। গ্রীষ্মকালে যখন মাটির আর্দ্রতা কমে গিয়ে মাটির রেজিস্ট্যান্স বৃদ্ধি পায়, তখন যেন গর্তের মধ্যে কয়েক বালতি পানি ঢেলে দিয়ে মাটিকে স্যাঁত স্যাঁতে রাখা যায়, সে জন্য ইলেকট্রোডের মাথায় সকেটের সাহায্যে একটি ২.৫ মি. মি. ব্যাসের লোহার পাইপ বসিয়ে তার উপর একটি ফানেল বসানো হয়। ফানেলের মুখ তারের জালি দিয়ে ঢেকে দিতে হয় যেন কোন শক্ত জিনিস ঢুকে পাইপের মুখটা বন্ধ করে ফেলতে না পারে (চিত্র- ২.৪)। বৈদ্যুতিক স্থাপনার কোথাও কোন দোষত্রুটি দেখা দিলে সর্বাপেক্ষা বেশি কারেন্ট আর্থে যাবে, তা হিসেব করে সে অনুসারে আর্থের তারের আয়তন নির্ণয় করা হয়। বৈদ্যুতিক স্থাপনার কোথাও কোন দোষত্রুটি দেখা দিলে সর্বাপেক্ষা বেশি যত কারেন্ট আর্থে যাবে, তা হিসেব করে সে অনুসারে আর্থের তারের আয়তন নির্ণয় করা হয়। তবে সচরাচর ৮ নং এসডব্লিউজি গেজের গ্যালভানাইজকরা লোহার তার আর্থ তার হিসেবে ব্যবহার করা হয়। আর্থ ইলেকট্রোডের উপরে ১৯.০৫ মি. মি. ব্যাসের যে লোহার পাইপ বসান থাকে, তার সঙ্গে আর্থ তার সংযোগ করে ভূমির প্রায় ৬০ সে. মি. নিচ দিয়ে ১২.৭ মি. মি. ব্যাসযুক্ত গ্যালভানাইজ করা লোহার পাইপের মধ্য দিয়ে আর্থের তারকে আর্থিং বাসবার বা মেইন সুইচ পর্যন্ত নেয়া হয়। অতঃপর আর্থ কন্টিনিউয়িটি তারের মাধ্যমে সকল যন্ত্রপাতি ও সরঞ্জামে সংযোগ দিতে হয়। উল্লিখিত কার্যক্রমে আর্থিং সঠিকভাবে সম্পন্ন হবে।

২। গ্যালভানাইজ করা লোহার প্লেট বা তামার প্লেটের সাহায্যে আর্থিং:

গ্যালভানাইজ করা লোহার প্লেট, যার সাইজ কমপক্ষে ৬০ সে. মি. x ৬০ সে. মি. x ৬.৩৫ মি.মি. কিংবা ডামার প্লেট, যার সাইজ কমপক্ষে ৬০ সে: মি: x ৬০ সে. মি. x ৩.১৮ মি. মি. কে আর্থ ইলেকট্রাড হিসেবে ব্যবহার করতে হয়। উভয় ক্ষেত্রে প্লেটকে দাড় করিয়ে মাটিতে পুঁততে হবে, যাতে তার উপরের দিকটা ভূ-পৃষ্ঠের অন্তত ৩ মিটার নিচে থাকে। এমন মাটিতে আর্থ প্লেট রাখতে হবে, যেখানে অনবরত ভিজে থাকে। প্লেটের চারিদিকে কাঠ-কয়লা কিংবা কার্বনের টুকরা ঠেসে দিয়ে লবণ মিশ্রিত পানি ঢেলে গর্ত ভরাট করতে হবে। প্লেটের উপর থেকে সাধারণত দুইটি গ্যালভানাইজ করা লোহার পাইপ উঠে আসে। একটি পাইপের ব্যাস ১২.৭ মিলিমিটার। এই পাইপের মধ্য দিয়েই আর্থেও তার ভূমির প্রায় ৬০ সে. মি. নিচ দিয়ে মেইন সুইচ বোর্ড কিংবা আর্থিং বাস বার পর্যন্ত আনা হয়। অন্য পাইপটির ব্যাস ১৯.০৫ মি. মি., যার উপর মাথায় একটি ফানেল থাকে। ফানেলের মুখ তারের জালি দিয়ে ঢেকে দেওয়া হয় যেন কোনো শক্ত জিনিস ভিতরে ঢুকে মুখ বন্ধ করে ফেলতে না পারে। শুষ্ক মৌসুমে মাঝে মাঝে পানি ঢেলে আর্থ প্লেটের পার্শ্ব ভিজে রাখার জন্য এরূপ বন্দোবস্ত করা হয়। ফানেলসহ পাইপের উপরের মাথায় চারদিকে ৩০ সে. মি. x ৩০ সে. মি. x ৩০ সে. মি. মাপের ইটের চৌবাচ্চা গাঁথা থাকবে। চৌবাচ্চাটির একটি ঢাকনা থাকবে যেটা প্রয়োজনে খুলে পানি ঢালা যায়। চিত্র ২.৫-এ প্লেট আর্থিং দেখানো হয়েছে।

৩। রড আর্থিং বর্তমানে পল্লীবিদ্যুৎ সমিতি গ্যালভানাইজ করা ২.৫ মিটার লম্বা ১৬ মি. মি. ব্যাসের লোহার বা জিআই পাইপকে আর্থিং ইলেকট্রোড হিসেবে ব্যবহার করছে। পাথরের জায়গায় এ রকম রড অনুভূমিকভাবে রাখলে ভালো ফল পাওয়া যায়। প্রয়োজনে রডের দৈর্ঘ্য বাড়ানো যেতে পারে।

৪। কন্ডাকটর বা স্ট্রিপ আর্থিং

এতে গ্যালভনাইজ করা লোহা বা ইস্পাতের পাত (যার সর্বনিম্ন প্রস্থচ্ছেদ ২৫ মি. মি. x ৪ মি. মি.) অথবা তামার পাত (যার সর্বনিম্ন প্রস্থচ্ছেদ ২৫ মি. মি. x ১.৬ মি. মি.)-কে ইলেকট্রোড হিসেবে ব্যবহার করা হয়। এই ইলেকট্রোডের দৈর্ঘ্য ১৫ মিটারের কম নেয়া উচিত নয়। কমপক্ষে ৫০ সে. মি. মাটির নিচে একটি বা একাধিক নালা খনন করে তার মধ্যে ইলেকট্রোড শুইয়ে রাখা হয়।

৫। শিট ইলেকট্রোড

এতে গ্যালভানাইজ করা লোহার পাত (যার সাইজ ২ বর্গমিটার থেকে ৬ বর্গমিটার এবং পুরুত্ব কমপক্ষে ১.৬৩ মি. মি.) কে ইলেকট্রোড হিসেবে ব্যবহার করা হয়। সাধারণত পাহাড়ের ঢালে পরিখা খনন করে শিট ইলেকট্রোড বসাতে হয়। এছাড়া ভূ-গর্ভস্থ জিআই পাইপের পানির লাইনের সাহায্যেও আর্থিং করা যায়। এক্ষেত্রে বিশেষ ধরনের আর্থিং ক্যাম্পের সাহায্যে পাইপের কাছে আর্থিং তার এমনভাবে এটে দেওয়া হয়, যাতে সংযোগস্থলের রেজিস্ট্যান্স খুবই সামান্য থাকে। পানির লাইন নিজস্ব সম্পত্তি না হয়ে মিউনিসিপ্যালিটি কিংবা অন্য কারো সম্পত্তি হলে যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমতি ব্যতিত আর্থিং করা যাবে না।

২.২. আর্থ রেজিস্ট্যান্স
আর্থ ইলেকট্রোড ও আর্থ লিড এর সমন্বিত রেজিস্ট্যান্সকে আর্থ রেজিস্ট্যান্স বলে। বাসা-বাড়ি, কল-কারখানায় ব্যবহৃত সরঞ্জামাদি নিরাপদে ব্যবহার করার জন্য, আর্থিং টার্মিনাল থেকে ১টি আর্থের তার টেনে নিয়মানুযায়ী মাটির নিচে স্থাপিত ইলেকট্রোডের সাথে সংযোগ থাকে। আর্থিং এর রেজিস্ট্যান্স খুব কম হওয়া বাঞ্ছনীয়। সামান্য কারেন্টও যদি কোনো সরঞ্জামাদির বডিতে আসে তা যেন সাথে সাথে আর্থিং এর মাধ্যমে খুব সহজেই মাটির নিচে যেতে পারে সে জন্য আর্থ রেজিস্ট্যান্স কম হওয়া দরকার। বড় বড় মিল ফ্যাক্টরিতে ১ ওহম এর কম এবং বাসাবাড়ির আর্থ রেজিস্ট্যান্স ৫ ওহম এর কম হওয়া উচিত।
Thermo Engineering

07/12/2025

Accessories
Thermo Engineering

07/12/2025

Lightening Protection System Accessories
Thermo Engineering

Address

1st Floor, House-11, Lane-06, Road-01, Block-A, Near Water Tank, North Halisahar Housing Estate
Chittagong
4216

Telephone

+8801819533046

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Thermo Engineering posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Thermo Engineering:

Share