Engr. Masudul Hasan Sohel

Engr. Masudul Hasan Sohel B.Sc in Civil Engineer, MIEB
Member at the Institution of Engineers, Bangladesh -IEB

নতুন বিল্ডিং বা কাঠামো নির্মাণ করার ক্ষেত্রে করণীয়:১। যে কোন বিল্ডিং-এর নকশা তৈরি করার পূর্বেই স্ট্রাকচারাল নকশার বিধিগু...
08/08/2024

নতুন বিল্ডিং বা কাঠামো নির্মাণ করার ক্ষেত্রে করণীয়:

১। যে কোন বিল্ডিং-এর নকশা তৈরি করার পূর্বেই স্ট্রাকচারাল নকশার বিধিগুলোর অনুসরণ করতে হবে। মনে রাখতে হবে সঠিক স্ট্রাকচারাল নকশা না হলে ভূমিকম্পরোধক বিল্ডিং হবে না।
২। বিল্ডিং ডিজাইনের আগেই অভিজ্ঞ ইঞ্জিনিয়ার দ্বারা মাটির গুনাগুণ বিশ্লেষণ ও মাটির ধারণক্ষমতা নির্ভুলভাবে নির্ণয়পূর্বক রিপোর্ট তৈরি করতে হবে।
৩। বিল্ডিং নির্মাণের সময় অভিজ্ঞ প্রকৌশলীদের (সিভিল ইঞ্জিনিয়ার) তদারকি রাখতে হবে যাতে গুণগত মান ঠিক থাকে।
৪। সঠিক অনুপাতে গুনগতমানের সিমেন্ট, রড, বালির ব্যবহার হচ্ছে কিনা দেখতে হবে। কংক্রিটের চাপ বহন ক্ষমতা কোনো অবস্থাতেই ৩০০০ পিএসআই-এর নিচে নামানো যাবেনা । তার জন্য সার্বক্ষণিকভাবে নির্মানাধীন সাইটে দায়িত্বে নিয়োজিত সিভিল ইঞ্জিনিয়ারদেরকে কিউব অথবা সিলিন্ডার টেস্ট করতে হবে। কংক্রিটের মিক্সাচারে অতিরিক্ত পানি ব্যবহার থেকে বিরত থাকুন। ঢালাইর পরে পানির ব্যবহার করে কংক্রিটের কিউরিং করতে হবে।৫। উচ্চ ক্ষমতা সম্পন্ন রড পরীক্ষাপুর্বক ব্যবহার করতে হবে। রডের বহন ক্ষমতা ৬০ হাজার পিএসআই-এর কাছাকাছি থাকতে হবে। স্ক্র্যাপ বা গার্বেজ থেকে প্রস্তুতকৃত রড ব্যবহার থেকে বিরত থাকতে হবে ।
৬। বিল্ডিং-এর প্ল্যান ও এলিভেশান দুই দিকই সামাঞ্জ্য থাকতে হবে।
৭। নির্ধারিত ডিজাইনের বাইরে গিয়ে অতিরিক্ত ফ্লোর নির্মাণ করবেন না। বিল্ডিং কোড অনুসারে এক্সপানশান ফাঁক রাখতে হবে।
৮। বেশি পরিমান সরু ও উঁচু বিল্ডিং-এর পাশ হঠাৎ করে কমাবেন না। যদি কমাতে হয় তাহলে ত্রিমাত্রিক ডাইনামিক বিশ্লেষণ করে ডিজাইন করতে হবে।
৯। বিল্ডিং-এর উচ্চতা যদি ভবনের প্রস্থের ৪ (চার) গুণের অধিক হয় তাহলে ত্রিমাত্রিক ডাইমানশন বিশ্লেষণ করে ডিজাইন করতে হবে।
১০। সেটব্যাক বা হঠাৎ করে বিল্ডিং-এর পাশের মাপঝোপ কমানো যাবেনা। যদি কমাতেই হয় তাহলে ত্রিমাত্রিক বিশ্লেষণ করে সাইট অ্যাফেক্ট জেনে ডিজাইন করতে হবে।
১১। জটিল কাঠামোগত প্লানের জন্য অবশ্যই ত্রিমাত্রিক ভূমিকম্প বিশ্লেষণ করে ডিজাইন করতে হবে।
১২। শেয়ার ওয়াল বা কংক্রিটের দেয়াল সঠিক স্থানে বসিয়ে ভূমিকম্পরোধ শক্তির পরিমাণ বাড়াতে হবে।

১৩। সাপ্রতিক সময়ে যে হারে বিল্ডিং তৈরি হচ্ছে, তা মাঝারি ধরনের ভূমিকম্প হলেই ধ্বসে যাবে। সুতরাং বিম, কলাম ও স্ল্যাব বিশিষ্ট বিল্ডিং তৈরি করতে হবে।
১৪। দায়িত্বরত ইঞ্জিনিয়ারকে বাংলাদেশ জাতীয় বিল্ডিং কোড অনুসরণ করে বিল্ডিং-এর প্ল্যান/ ডিজাইন করে ভূমিকম্প রোধক বিল্ডিং নির্মাণ করতে হবে।
১৫। নিচের তলা পার্কিং-এর জন্য খালি রাখতে হলে, ঐ তলার পিলারগুলো বিশেষভাবে ডিজাইন করতে হবে। প্রয়োজনমতো কংক্রিটের দেওয়াল দিয়ে পিলারগুলোতে বেষ্টনীবদ্ধ করতে হবে।
১৬। বিল্ডিং-এর বিমের থেকে পিলারের শক্তি বেশি করে ডিজাইন করতে হবে। কমপক্ষে ২০% বেশি করতে হবে।
১৭। মাটির গুণাগুণের ওপর ভিত্তি করে যথাযথ ফাউন্ডেশন প্রকৌশলগতভাবে যাচাই বাছাই করে ডিজাইন করতে হবে।
১৮। ৫ ইঞ্চি ইটের দেয়ালগুলো ভূমিকম্পের জন্য আদৌ নিরাপদ নয়। তাই এই দেয়ালগুলো ছিদ্রযুক্ত ইটের ভিতরে চিকন রড দিয়ে আড়াআড়ি ও লম্বালম্বিভাবে তৈরি করে লিন্টেলের সাথে যুক্ত করে দিতে হবে। সবদিকে লিন্টেল দিতে হবে। বিশেষ করে দরজা বা জানালার খোলা জায়গায় চিকন রড দিয়ে ৫ ইঞ্চি ইটের দেয়াল যুক্ত করতে হবে।
১৯। মনে রাখতে হবে, নতুন বিল্ডিং নির্মাণে ভূমিকম্প-প্রতিরোধক নিয়মাবলি প্রয়োগ করলে, শুধুমাত্র ২-৩% নির্মাণ খরচ বৃদ্ধি পায়।

28/05/2024

how to calculate pile Estimating with bangla # পাইলের সিমেন্ট বালি পাথর এর হিসাব। in situ pile Estimate # pile Estimate # pile calculation # কিভাবে পাইল...

বালি পরীক্ষা........... - শুকনা বালি এক হাতের তালুতে রেখে অন্য হাতের বৃদ্ধা আঙ্গুল কয়েক বার ঘসে হাতের বালি ফেলে দেই। যদি...
15/05/2024

বালি পরীক্ষা...........
- শুকনা বালি এক হাতের তালুতে রেখে অন্য হাতের বৃদ্ধা আঙ্গুল কয়েক বার ঘসে হাতের বালি ফেলে দেই। যদি হাতের তালুতে বালি লেগে থাকে তাহলে বালিতে মাটির উপস্থিতি বুঝা যায়।
- কাচের গ্লাসে এক ভাগ বালি ও তিন ভাগ মিশালে ৩০ সেকেন্ডের মধ্যে সব বালি নিচে পরে যায় এবং উপরে স্বচ্ছ পানি থাকে তাহলে বালি ভালো।
- বালির স্তুপের উপরে পানি স্প্রে করলে কাদা বা জৈব পদার্থের উপস্থিতি বুঝা যায় ।
- প্রথমে ৩% সোডিয়াম হাইড্রো অক্সাইড (৩ গ্রাম সোডিয়াম হাইড্রো অক্সাইড কচের গ্লাসে রেখে পানি দিতে দিতে ১০০ মিলি দাগ পর্যন্ত ) এর সলিউশন ও বালি উত্তমরুপে মিশিয়ে ২৪ ঘণ্টা রেখে দিতে হবে । যদি পানির রঙ গাড় হলুদ বর্ণ হয় তবে বালিতে জৈব পদার্থের উপস্থিতি আছে বুজতে হবে ।

Wishing you a Prosperous and Successful New year! May all your dreams come true.❤️❤️❤️
31/12/2023

Wishing you a Prosperous and Successful New year! May all your dreams come true.❤️❤️❤️

Ongoing Project
16/12/2023

Ongoing Project

02/05/2023

FAR” কিভাবে বের করবেন ? এখুনি হিসাবটা
শিখে নিন .আমরা যারা ইঞ্জিনিয়ারিং এ পড়ালেখা করি তাদের ফার জানা
খুব দরকার ।
ধরুন, আপনার ৫ কাঠা জমি রয়েছে। ভেবে
রেখেছেন ৮-১০ তলা উঁচু বাড়ি বানাবেন । টাকা- পয়সা
নিয়েও ঝামেলা নেই । কিন্তু আপনি জানেন কি ?
আপনি চাইলেও ৫ কাঠা জমিতে ১০ তলা বানাতে
পারবেন না রাজউকের নিয়মানুযায়ী । কারন একটা ভবন
বানানোর সময় বিল্ডিং এর চারপাশে কিছু জায়গা ছেড়ে
দিয়ে তারপর ডিজাইন করতে হয় । সেটাকে
সেটব্যাক বলে । আমরা শুধুমাত্র ফার নিয়ে
আলোচনা করবো আজকে।
FAR জানার সুবিধাঃ
১. ফার জানলে যেকোনো ভালো অফিসে
চাকরির গ্যারান্টি অনেকখানি বেড়ে যায় ।
২. বাড়ি কত তলা করতে পারবেন সেটা নিজেই হিসাব
করতে পারবেন অংক করে ।
FAR এর হিসাব করবেন যেভাবেঃ
মনে করি,
ভূমি- ৫ কাঠা,
রোড- ২০ ফুট,
ফার- ৩.৫ ( ইঞ্জিনিয়ারিং বইগুলোতে শুধুমাত্র ফার
লিখে কত কাঠার জন্য কত ফার সেটা উল্লেখ থাকে
কিন্তু হিসাব থাকে না) ।

ফারের হিসাব :

Maximum Build Area (M.B.A)= Land x Far
= 5 katha x 3.5 (far 3.5)
= 5x(720)x3.5 ( 1 katha=720square ft)
= 3600×3.5
=12600 sqft

Maximum Ground Coverage(M.G.C)- 62.5%
( এটাও লেখা থাকে বইতে কিন্তু যারা পারে না তারা
এইসব লেখাকে অনর্থক ভেবে বসে থাকে।)
= 5 katha x 62.5%
= (5x 720) x 62.5%
= 2250 sqft

Number of Floor (N.O.F)= MBA / MGC
= 12600 / 2250
= 5.6 Floor
Total Floor = Ground floor + 5.6 floor
= 1+ 5.6 floor
= 6.6 floor ( ৬ তলা বাড়ি এবং চিলেকোঠা) ।

💠ইটের গাথুনি💠-------------------------------------------একজন সিভিল ইঞ্জিনিয়ারের জন্য অন্যান্য সাধারণ কাজগুলোর মধ্যে ব্র...
13/03/2023

💠ইটের গাথুনি💠
-------------------------------------------
একজন সিভিল ইঞ্জিনিয়ারের জন্য অন্যান্য সাধারণ কাজগুলোর মধ্যে ব্রিক ওর্য়াক হচ্ছে অন্যতম একটি।
আমাদের দেশে আমরা সাধারণত দুই ধরনের ব্রিক ওয়ার্ক করে থাকি।
🔹Ordinary Brick Work:
যা আমাদের দেশে সবচেয়ে বেশি প্রচলিত, এই ধরনের কাজে ইট দিয়ে গাথুনি তৈরির পর গাথুনি পৃষ্ঠকে ড্যাম্প ও আবহাওয়ার ক্ষতিকর প্রভাব থেকে রক্ষা এবং সৌন্দর্যবর্ধনের জন্য প্লাস্টার দিয়ে ঢেকে দেওয়া হয়।
🔸Pointing Brick Work:
যেখানে ব্রিক ওয়ালের জয়েন্টগুলোর সৌন্দর্য
প্রদর্শনের জন্য ইহার উপরে কোন আস্তর বা প্লাস্টার প্রদান করা হয়না, গাথুনি পরবর্তীতে জয়েন্টগুলোকে পয়েন্টিং করে দেওয়া হয়। পয়েন্টিং ব্রিক ওয়ার্ক সচরাচর ১০ ইঞ্চির হয়ে থাকে।
🔹ব্রিক ওয়ালের প্রকারভেদ:
বিভিন্ন দেশে বিভিন্ন ধরনের ব্রিক ওয়াল প্রচলিত
হয়েছে, তন্মধ্যে আমাদের দেশে মূলতঃ দুই ধরনের ব্রিক ওয়ালের বেশি প্রচলন রয়েছে;
🔸Stretcher Bond:
যা আমাদের দেশে ৫” ব্রিক ওয়াল নামে পরিচিত, ইহা পার্টিশন ওয়াল, ইন্টারনাল বা এক্সটার্নাল উভয় ক্ষেত্রেই হয়ে থাকে।
🔹English Bond:
যা ১০ “ ব্রিক ওয়াল নামে পরিচিত, সচরাচর ইহা বহি:স্থ বা আউটার দেওয়াল হিসেবে প্রদান করা হয়। এ ছাড়াও যেসব ব্রিক ওয়াল হয়ে থাকে:
ফ্লেমিশ বন্ড, হেডার বন্ড, ফেসিং বন্ড, রেকিং বন্ড, হেরিং বোন বন্ড, জিকজ্যাক বন্ড, Stack Bond, Dutch Bond
ইত্যাদি।
◾তো চলুন জেনে নেওয়া যাক গাথুনির কাজ শুরুর পূর্বেই
আমাদেকে যা যা করতে হবে:-
🔸ইট ভিজানো:
ইটকে ভালভাবে ভিজাতে হবে এবং কাজ শুরুর ২৪ ঘন্টা পূর্বে পানি থেকে তুলে ফেলতে হবে। মনে রাখবেন ইট যদি শুষ্ক থাকে তবে সিমেন্ট মসলার পানি শুষে নিবে, ফলশ্রুতিতে পানির অভাবে সিমেন্টের হাইড্রেশন ক্রিয়া ব্যহত হবে, যার দরুন গাথুনি দূর্বল হবে। একই ভাবে
🔻ইটের মধ্যে অত্যাধিক পানি থাকার কারণে যা হতে পারে;
১. সিমেন্ট মসলা নরম হয়ে জয়েন্ট থেকে ইটের গা বেয়ে পড়ে যাবে। যার দরুন জয়েন্টের মসলার পুরুত্ব খুবই কম থাকবে।
২. গাথুনি ভার্টিক্যালি শল আউটের প্রবল সম্ভাবনা থাকবে।
৩.মিস্ত্রি কাজ করতে অনীহা প্রকাশ করবে, সাধারণত
অত্যাধিক ভিজা ইটের কারণে তাদের হাতের স্কিন ক্ষয় হয়ে যায়।
🔹বালি চালা এবং ভিজানো:
যদিও সময় এবং আর্থিক দিক বিবেচনা করে সচরাচর আমরা এই দুটো কাজ করিনা, তবে উত্তম কোয়ালিটি পেতে হলে বালিকেও ইটের মত ভিজিয়ে নিতে হবে, সেই সাথে
চেলেও নিতে হবে।
🔸চিপিং:
অবশ্যই, অবশ্যই এবং অবশ্যই আপনাকে ব্রিক ওয়ার্ক শুরুর পূর্বে পুরাতন/ নতুন সকল RCC সারফেস কে ভালভাবে
চিপিং [ 2-3 mm deep & 3/4 to 1” c/c distance] করে নিতে হবে। সেই সাথে তা ভাল করে ভিজিয়ে ও পরিস্কার করে কাজ শুরু করতে হবে।
🔹সিমেন্ট স্যান্ড মসলা:
পানি দেওয়ার পূর্বে শুষ্ক সিমেন্ট ও বালিকে ভালভাবে মিক্সিং করে নিতে হবে, ভাল ফল পেতে আমরা সাধারনত শুষ্ক মিশ্রনকে তিন ধাপে নেড়ে নেই, যাকে মিস্ত্রির ভাষায় তিন কাটা বলে, তবে কখনোই দুই কাটার কম হবেনা। মনে রাখতে কেবল মাত্র সমসত্ত্ব মিশ্রনের ফলেই মসলার সর্বোচ্চ ফলাফল পাওয়া সম্ভব।
১.আমরা সাধারণত ৫” গাথুনিতে ১:৪ অথবা ১:৫ এ মসলা প্রস্তুত করে থাকি।
২. ১০” এর জন্য ১:৬ অথবা ১:৫ এ মসলা প্রস্তুত করে থাকি।
🔺বি.দ্র: মসলা প্রস্তুতের ৪৫ মিনিট থেকে ১ ঘন্টার মধ্যে শেষ করে ফেলা উত্তম।
🔻কাজ চলাকালীন সতর্কতা সমূহ:
🔹লে আউট:
এ ক্ষেত্রে আমরা সাধারণত ড্রইং এর মাপ অনুযায়ী দরজার জন্য নির্দিষ্ট ফাকা রেখে প্রতি রুমে এক ইট করে লে-আউট গাথুনি করে থাকি।
যেটা আগেই বলেছি, চিপিং এর পর ফ্লোরকে
ভালভাবে পানি দিয়ে ভিজিয়ে নিয়ে পরিষ্কার করে গাথুনির কাজ শুরু করতে হবে।
যদিও এটা বই পুস্তকে কোথাও দেখিনি, তবে অধিকাংশ ইঞ্জিনিয়ারগনই পুরাতন RCC সারফেসে নতুন গাথুনি বা ঢালাই শুরুর পূর্বে সিমেন্টের গ্রাউটিং সাজেস্ট করে
থাকেন [আমিও ফলো করি]। গ্রাউটিং এর বেলায় লক্ষ্য রাখতে হবে ইহা যেন শুকিয়ে না যায়, আদ্র থাকা অবস্থাতেই মসলা ফেলতে হবে।
বিশেষ ভাবে লক্ষ্য রাখতে হবে ডায়াগোনাল মাপ যেন ঠিক থাকে যদি রুমগুলো স্কয়ার টাইপের হয়, রুম সাইজ
একটু কম বেশি করে হলেও দেওয়ালকে কলাম এবং বিম ফ্ল্যাশে রাখতে হবে, না হলে রুমের ভিতর ১/২” বা ১” অফসেট বের হবে যা দেখতে দৃষ্টিকটু হবে।
🔸গাথুনির হাইট:
৫” হলে একদিনে বুক সমান উচ্চতায় বা সর্বোচ্চ ৪.৫ ফিট করতে পারবে, ১০” হলে ৫ ফিট পর্যন্ত করা যাবে। এর বেশি হলে গাথুনি শল আউট কিংবা যে কোন এক দিকে হেলে পড়তে পারে।
🔹উলম্ব শল:
কাজ শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত যে কোন একটি ইটকে ধরে শল চেক করতে হবে, নচেৎ গাথুনি শলে থাকবেনা। দেখা যায় অনেক মিস্ত্রি এক সময় এক ইটে শল ধরে, এতে করে গাথুনি বাকা হবার সম্ভাবনা থাকে। এখানে যেটা করা
যেতে পারে, প্রথম ধাপে সবার নিচের ইটকে শলে রেখে পরবর্তীতে ৪.৫ ফিটের মাথায় আরেকটিকে স্থির করে অবশিষ্ট গাথুনি শেষ করতে হবে।
🔸মসলার জয়েন্ট:
মসলার জয়েন্টে হরিজনটালি এবং ভার্টিক্যালি ১/২” বা
12 mm করে মসলা বা মর্টার দিতে হবে এবং ইহা সর্বত্র একই থাকবে।
🔹লেভেল:
যদি মসলার জয়েন্টে একই পুরুত্বের মসলা দেওয়া হয় তবে গাথুনি লেভেলে থাকবে, বিশেষ করে ৭ ফিটে গিয়ে অবশ্যই গাথুনির লেভেল করে নিতে হবে, না হলে লিল্টেন বসাতে অসুবিধে হবে। জয়েন্টে মসলার ছিদ্র বা ভয়েড:
গাথুনির কাজে এটা কোন ভাবেই এলাউ না, অনেক সময় দেখা যায় মসলা দেওয়ার পরও জয়েন্টের ভিতরের ছিদ্র দিয়ে এপাশ থেকে ওপাশের সব দেখা যায়। মনে রাখবেন
ইহা অবশ্যই পরিহার করতে হবে, না হলে যা হবে;
১.গাথুনি দূর্বল হবে।
২. প্লাস্টারের পরও ফাঁকা দিয়ে পানি প্রবেশ করে
দেওয়ালকে আদ্র করবে, ফলশ্রুতিতে পেইন্ট নষ্ট হয়ে যাবে। সুতরাং এই ফাঁকা বা ছিদ্র বন্ধের জন্য ঠেলা গাথুনি Allow করবেন না, মিস্ত্রিকে অবশ্যই জয়েন্টে কর্নি দিয়ে মসলা কুপিয় দিতে বলবেন এবং ইটের উপরে ও পার্শ্বে কর্নি দিয়ে হালকা আঘাত করে গাথুনি করতে বলবেন।
🔸ফ্ল্যাশ সাইড:
আউটার দেওয়ালের ক্ষেত্রে বাহিরের দিকে ফ্লাশ
রাখা উত্তম, এতে করে প্লাস্টারের পুরুত্ব ঠিক রাখা যায়, সর্বপরি বাহির থেকে দেখতেও সুন্দর লাগে।
🔹ফ্রগমার্ক:
ইটের ফ্রগমার্ক বা সিল সব সময় উপরের দিকে থাকবে,এতে করে দুই ইটের মাঝে উত্তম বন্ডের সৃষ্টি হয়।
🔸বিমের নিচের গাথুনি বা সর্বশেষ গাথুনি:
সর্বশেষ গাথুনি বা বিমের নিচের গাথুনিকে করার সময় খেয়াল রাখতে হবে যাতে ফাকা না থাকে, যদি খুব বেশি ফাকা থাকে তবে মসলার সাথে ইটের টুকরা ঢুকিয়ে দিবেন। না হলে পরবর্ততে RCC এর সাথে
প্লাস্টার ছেড়ে দিয়ে বিমের নিচে ফাটলের ন্যায়
দেখাবে।
🔹মাটাম বা টুথিং:
কোন দেওয়ালে সাথে আড়াআড়ি বা 90 ডিগ্রি
এ্যাংগেলে নতুন গাথুনি করার জন্য প্রতি এক ইট পর পর ইটকে কিছুটা বর্ধিত রাখাকে টুথিং বলে, যাকে মিস্ত্রিরা মাটাম বলে। উত্তম বন্ডিং এর জন্য ইহার বিকল্প নেই।
🔸পুটলগ বা ডগনার ছিদ্র:
৫ ফিটের উপরে গাথুনি কিংবা ছাদ ও দেওয়ালের প্লাস্টারের জন্য মিস্ত্রিরা ১২/১৩ ইটের লেয়ারে কিছু দূর পর পর যে ফাকা রাখে তাকে পুটলগ বলে, মিস্ত্রিদের ভাষায় যাকে ডগনার ছিদ্র বলে। ‌উপরের কিংবা
বাহিরের কাজ শেষ হলে প্লাস্টারের পূর্বে অবশ্যই ইহাকে ব্রিক দ্বারা ভালভাবে ভরাট করে দিতে হবে, না হলে এখান দিয়ে লিকেজের সম্ভাবনা থাকে।
🔹ঝাড়ু বা পরিষ্কার:
খুব সুন্দর করে ঝাড়ুর মাথাকে চেপে ধরে জয়েন্টগুলো হরিজনটালি এবং ভার্টক্যালি ঝাড়ু দিয়ে দিবেন, তাতে করে দেখতে সুন্দর লাগবে ও ফাকা বা ছিদ্র থাকলে তা ভরাট হয়ে যাবে।
🔸লিন্টেল ও দরজার সাটারিং:
কখনোই গাথুনি শক্ত হবার পূর্বে তার সাথে সাটারিং করতে দিবেন না, তাতে করে গাথুনিতে ফাটল দেখা দিতে পারে।
🔹কিউরিং:
প্রতিদিন দুইবেলা করে ৭ থেকে ১৪ দিন কিউরিং করবেন।
Engr. Masudul Hasan Sohel

কলাম ঢালাইয়ের ক্ষেত্রে করনীয়:-সমস্যাঃ- আপনি যখন বিল্ডিং নির্মান করিবেন তখন অপচয় রোধ করার জন্য আপনাকে একটু সচেতন হতে হবে।...
12/03/2023

কলাম ঢালাইয়ের ক্ষেত্রে করনীয়:-
সমস্যাঃ- আপনি যখন বিল্ডিং নির্মান করিবেন তখন অপচয় রোধ করার জন্য আপনাকে একটু সচেতন হতে হবে।
1. কলামের ক্ষেত্রে প্রথম আসে কলাম কিকার। গ্রীড লাইনের সুতার সাথে কলামের প্লেসমেন্ট ঠিক করে কিকার ঢালাই দিয়ে নিতে হবে, কিকারের ঢালাই অবশ্যই নিচ্ছিদ্র ও টাইট হতে হবে। পারলে কিকারের অংশের ভিতরে কলামে একটি রিং পরিয়ে ঢালাই দিবেন। কিকারের সাইজ মূল কলামের সাইজ হতে উভয় দিকে 6 মিঃমিঃ কম হবে।
2. পরের দিন কিকারের সাটার খুলে ফেলতে পারেন। তবে কিউরিংটা (পানি দেয়া) মিস করবেন না।
3. এইবার রড মিস্ত্রিকে ডেকে কলামের মেইন রড ও রিং গুলো বাধতে নির্দেশ দিন। তাকে ড্রইং মোতাবেক রড বাধতে সহায়তা করুন।
4. সাটার সেট করার আগে কিকারের ঢালাইয়ের আউট বরাবর চারপার্শ্বে ফোম লাগিয়ে নিন ডাকু গাম দিয়ে।
5. সাটার সেট করার আগেই আপনি কলামের রড, রিং, ল্যাপিং প্রভৃতি চেক করে নিবেন।
6. মিস্ত্রিরা সাটার সেট করার পর আপনাকে ডাকবে কলামের উল্লম্বতা চেক করার জন্য। আপনি ওলন কিংবা ইটের আধলা কিংবা ব্লক ঝুলিয়ে দিয়ে উল্লম্বতা চেক করবেন। সর্বচ্চ দুই মিঃমিঃ পর্যন্ত ছাড় দিতে পারেন।
7. এরপর কলামের টানা ও ঠেলা গুলো মজবুত আছে কিনা দেখে নিবেন। সাথে কলামের সাটার লিকেজ মুক্ত আছে কিনা দেখবেন। কলামের কভারিং ঠিক করে নিবেন।
8. ঢালাই দেওয়ার জন্য প্রস্তুতি নিবেন। ধরুন আজ আপনার সাইটে মোট 14 টি কলাম ঢালাই হবে, যার সাইজ 12"x 16" আর উচ্চতা 9'-6". উচ্চতা 5'-0" এর বেশি হলে দুই লিফটে ঢালাই করা উচিৎ। রডের বর্ণনা ড্রইং এ দেওয়া আছে। অনুপাত হবে (1:1.5:3) পাথরের ঢালাই, সাথে 100% সিলেট বালি।
9. ঢালাই টানার লেবারেরর গতির সাথেসম্পর্ক রেখে ঢালাই তৈরি করতেহবে। ঢালাই ঢালার আগে কলামেরভিতরে পানি স্প্রে করতে হবে। এবংকিছুক্ষন পরেই সিমেন্ট গ্রাউটিংঢেলে দিতে হবে।
10. ঢালাই ঢালতে থাকবে আরপর্যায়ক্রমে ভাইব্রেটর করতেথাকবে। তবে শুধুমাত্র ঢালাই সমান হওয়াও বাতাসের বুদবুদ বের হয়ে আসাপর্যন্তই ভাইব্রেটর করা উচিৎ।বেশিক্ষন ধরে রাখলে খোয়ানীচে চলে যাবে আর বালি, সিমেন্টউপরে চলে আসবে।
11. একই ভাবে সমস্ত কলাম ঢালাইকরবেন। ঢালাইয়ের সাথে সাথেইকলাম সোজা আছে কিনা চোখেরনজরে ও ওলন দিয়ে দেখে নিবেন।ঢালাইয়ের পর কভারিং আবার দেখবেন।
12. পরের দিন সাটার খুলবেন না। 1 দিনসময় দিন শক্ত হতে। তবে সকালেইকলামের মাথার উপর পানির পাইপ দিয়ে পানিদিবেন।
13. তৃতীয় দিন সাটার খোলার পরে যদিদেখেন পরিস্কার একটা সারফেসহয়েছে। তখন আপনার নিজেরকাছেই ভালো লাগবে। আমারোওভালো লাগতো।
14. এরপর কলামের গায়ে চটপেচিয়ে কিউরিং করুন।

সাবধানঃ
1. ঢালাই শেষ না হওয়া পর্যন্ত সরেপড়বেন না। তাহলে লেবাররা আপনাকেফাসাইতে, কলামের ভিতরে মাটিও দিতেপারে।
2. কলামের ল্যাপিং এর রড উপর থেকেসরিয়ে দিয়ে, আপনার নামে বসেরকাছে নালিশ করতে পারে।
3. ইচ্ছা করেই ভাইব্রেটর করবেনা।এবং ঢালাইয়ের পরেই সাটার বাকা করেদিবে ইত্যাদি। তবে সবাই সমান নয়।
Engr. Masudul Hasan Sohel

11/03/2023

মাটি পরিক্ষার রিপোর্ট চেনার সহজ উপায়।
খুব সহজেই Soil Test এর N ভেল্যু দেখে জেনে নিন মাটির অবস্থা....

* N value 2 বা এর কম হলে Very Soft মাটি বুঝতে হবে , যার ভার বহন ক্ষমতা প্রতি বর্গমিটারে মাত্র 2 টন।
*N value 2-5 হলে Soft মাটি, ভারবহন ক্ষমতা 2-5 Ton/ Sqm.
* N value 5-9 হলে Medium মাটি, ভারবহন ক্ষমতা 5-10 T/ Sqm
*N value 9-17 হলে Stiff বা শক্ত মাটি, ভারবহন ক্ষমতা 10-20T/ Sqm
*N value 17-33, Very Stiff বা খুবই শক্ত মাটি, ভারবহন ক্ষমতা 20-40 T/ Sqm
*N value 33 এর উপরে হলে Hard বা খুবই কঠিন মাটি বুঝতে হবে, যার ভার বহন ক্ষমতা বর্গমিটার 40 Ton এর উপরে
(Reff.......BNBC, Soil & Foundation)

কতটুকু জমির জন্য কতটি বোরহোল করতে হবে❓
**৩ কাঠা পর্যন্ত জমির জন্য ৩ টি।
**৩-৫ কাঠার জন্য ৫টি।
**৫-১০ কাঠার জন্য ৮ টি বোরহোল প্রযোজ্য।
(Reff..BUET, TESTING OF MATERIALS AND SERVICES.)

Soil Test কী
সয়েল টেস্ট’ এর বাংলা অর্থ হলো মাটি পরীক্ষা, তবে ইঞ্জিনিয়ারিং ভাষায় স্থাপনা বা বিল্ডিং এর ভূনিন্মস্থ মাটির পরীক্ষা করাকে ‘সয়েল টেস্ট’ বা ‘সাব-সয়েল ইনভেস্টিগেশন’ বলে।

Soil Test কেন করা হয়?
ভূনিন্মস্থ মাটির নিরাপদ ভারবহন ক্ষমতা নিরুপণের জন্য সয়েল টেস্ট করা হয়। মনে রাখবেন যে কোন ধরনের স্থাপনা যেমন, আবাসিক ভবন, বাণিজ্যিক ভবন, স্কুল-কলেজ, মসজিদ-মন্দির, হাসপাতাল, শপিং কমপ্লেক্স, ব্রিজ-কালভার্ট, সড়ক-মহাসড়ক, রেললাইন, এয়ারপোর্ট, পাওয়ার প্লান্ট ইত্যাদি ডিজাইনের জন্য সয়েল টেস্ট অপরিহার্য।

তবে আমাদের দেশের মাটির নিরাপদ ভার বহন ক্ষমতা বর্গমিটারে ৯-১০ টন থাকে বলে প্রকৌশলীগন সাধারনত Light Structure (এক দুইতলা ভবন) এর জন্য সয়েল টেস্ট রেফার করেন না, এই হালকা ভবনগুলোর ফাউন্ডেশনে এর থেকে বেশি লোড আসে না। তবে অবশ্যই তিনের অধিক ভবনের জন্য সয়েল টেস্ট জরুরী।

মনে রাখবেন সয়েলটেস্ট ছাড়া ডিজাইন করা আর ডাক্তারের প্রেসক্রিপশন ছাড়া ঔষধ খাওয়া একই কথা। ইহা ছাড়া ভূনিন্মস্থ মাটির বৈশিষ্ট্য জানা কারও পক্ষে সম্ভব নয়, একমাত্র সয়েল টেস্ট রিপোর্ট দেখেই একজন প্রকৌশলীর পক্ষে বলা সম্ভব স্থাপনা সুরক্ষার জন্য কি ধরনের ফাউন্ডেশন প্রয়োজন ।

Soil Test কিভাবে করা হয়?
আমাদের দেশে সাধারনত ওয়াশ বোরিং পদ্ধতিতে সয়েল ইনভেস্টিগেশনের কাজ করা হয়। এই পদ্ধতিতে পানির সাহায্যে ২” ব্যাসের পাইপকে হ্যামারিং করে মাটির অভ্যন্তরে প্রবেশ করানো হয়। প্রতি ৫ ফুট বা ১.৫ মিটার পর পর মাটির নমুনা এবং ঘাতের সংখ্যা (N কাউন্ট করা হয়।

প্রতি ৫ ফুট পর পর পরবর্তী ১.৫ ফুট বা ১৮ ইঞ্চি পাইপ মাটির অভ্যন্তরে প্রবেশ করানো সময় N এর মান লিপিবদ্ধ করতে হয়, তবে এই ১৮ ইঞ্চির মধ্যে প্রথম ৬ ইঞ্চির জন্য ঘাত সংখ্যা বিবেচনায় নেওয়া হয়না।
অর্থাৎ পরবর্তী ১২ ইঞ্চি প্রবেশের জন্য যতগুলো আঘাতের প্রয়োজন হয় সেই সংখ্যাই হলো N এর মান। যদি ১২ ইঞ্চি ঢুকাতে ১৫ বার ঘাতের প্রয়োজন হয় তবে N এর মান হবে ১৫। এই N এর মান মাটির লেয়ার ভেদে ভিন্ন ভিন্ন হয়, যেমন প্রথম ১০-১৫ ফুটের মধ্যে N এর মান থাকে খুবই কম হয়।
N এর মান ১৫ এর উপরে পেলে বুঝতে হবে শক্ত মাটি লেয়ার⏪

Soil Test করার সময় সর্তকতা সমূহ কি কি?
১) হ্যামারের ওজন ৬৩.৫ কেজি কিনা নিশ্চিত করতে হবে এবং ইহা ৩০ ইঞ্চি উচ্চতা থেকে ড্রপিং হচ্ছে কিনা?
২)প্রতি ৫ ফুট পর পর আলাদা আলাদ প্যাকেটে নমুনা মাটি সংরক্ষন করছে কিনা?
৩)N Value সঠিকভাবে কাউন্ট এবং লিপিবদ্ধ করা হচ্ছে কিনা?
⏩ মাটি ভাল থাকলেও কমপক্ষে ৭০ ফুট পর্যন্ত স্যাম্পল কালেকশন করা উত্তম ⏪
Engr. Masudul Hasan Sohel

Address

Asgar Billa (4th Floor), Baby Super Market, 2no. Gate, Chattogram
Chittagong

Telephone

+8801837586062

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Engr. Masudul Hasan Sohel posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Engr. Masudul Hasan Sohel:

Share