Empac Electrical Engineering Family

Empac Electrical Engineering Family এটি একটি শিক্ষামূলক পেজ।

22/12/2020
30/09/2019

আমরা প্রায় সকলেই জানি রিলে মূলত একটি ইলেক্ট্রিক্যাল যন্ত্র বিশেষ । তবে ইলেক্ট্রনিক্স এ রিলের ব্যবহার রয়েছে ব্যা....

17/02/2018

হঠাৎ করে ০ নিয়ে মনে ভিতর বিভিন্ন প্রশ্ন!নিজে জানার চেষ্ঠা করেছি, এবং আপনাদের সাথে শেয়ার করছি।
^_^ ০ (উচ্চারণ: শূন্য) হলো একাধারে একটি সংখ্যা এবংঅঙ্ক। [১] এটি এককভাবে মানের অস্তিত্বহীনতা ও অন্যান্য সংখ্যার পিছনে বসে তাদের যুত পরিচয় প্রদান করে। এছাড়াও দশমিকের ডানে বসে এটি বিভিন্ন সংখ্যার দশমাংশ প্রকাশ করে। অঙ্ক হিসেবে ০ (শূন্য) একটি নিরপেক্ষ অংক এবং সংখ্যার স্থানধারক হিসেবে কাজ করে।।শূন্য(০) একটি স্বাভাবিক পূর্ণ সংখ্যা।
উৎপত্তি
ইংরেজিতে জিরো (ইং: zero ) শব্দটি এসেছে ভেনিশিয় শব্দ জিরো ( zero) থেকে যা আবার ইতালিয় জিফাইরো ( zefiro জেফিরো) থেকে পরিবর্তিত হয়ে এসেছিল। ইতালীয় জিফাইরো শব্দটি এসেছে আরবি শব্দ "সাফাইর" বা "সাফাইরা" ( ﺻﻔﺮ) থেকে যার অর্থ "সেখানে কিছু ছিল না"। এই শব্দটিই পরবর্তীতে ভারতীয় সংস্কৃতে অনুদিত হয়েছে শ্যুন্যেয়া (শ্যূন্য) যার অর্থ খালি বা ফাঁকা। ইংরেজি শব্দ জিরোর প্রথম ব্যবহার পাওয়া যায় ১৫৯৮ খ্রিস্টাব্দে।
[২][৩][৪][৫]
৯৭৬ খ্রিস্টাব্দে পারস্যের মুসলিম বিজ্ঞানি মোহাম্মদ ইবন আহমাদ আল-খাওয়ারিজমি তাঁর বিজ্ঞানগ্রন্থ "বিজ্ঞানের চাবি"-তে বলেন,
সেই ছোট বৃত্তকে তিনি সিফার ( ﺻﻔﺮ) নামে অবিহিত করেন। তার উল্লিখিত এই সিফারই বর্তমান যুগের জিরো বা শূন্য।
[৬]
ইতিহাস
প্রাচীন মিশর
প্রাচীন মিশরীয় সংখ্যাগুলো ছিল দশ ভিত্তিক। তাদের সংখ্যাগুলো স্থানভিত্তিক না হয়ে চিত্র ভিত্তিক ছিল। খ্রিস্টপূর্ব ১৭৪০ সালের দিকে মিশরিয়রা আয়কর ও হিসাবরক্ষণের জন্য শূন্যের ব্যবহার করত। তাদের চিত্রলিপিতে একটি প্রতীক ছিল যাকে "নেফর" বলা হতো, যার অর্থ হল "সুন্দর"। এই প্রতীকটি তাঁরা শূন্য এবং দশকের ভিত্তি হিসেবে ব্যবহার করত। প্রাচীন মিশরীয় পিরামিড ও অন্যান্য স্থাপনায় এধরনের সংখ্যার ব্যবহার পাওয়া যায়।
[৭]
মেসোপটেমীয় সভ্যতা
খৃষ্টপূর্ব দ্বিতীয় সহস্রাব্দের মাঝামাঝি সময়ে ব্যাবিলনীয় গণিতবিদরা ছয়ভিত্তিক সংখ্যা ব্যবস্থার প্রবর্তন ও উন্নয়ন করে। শূন্য সংখ্যাটির অভাব তারা ছয়ভিত্তিক সংখ্যার মধ্যে একটি খালি ঘর রেখে পূরণ করত। খৃষ্টপূর্ব ৩০০ অব্দের দিকে দুটি যতিচিহ্ন প্রতীক এই ফাঁকা যায়গা দখল করে নেয়। প্রাচীন মেসোপটেমীয় শহর সুমের থেকে প্রাপ্ত একত্ব শিলা লিপি থেকে প্রাপ্ত তথ্য থেকে জানা যায় যে প্রাচীন লেখক বেল বেন আপ্লু তার লিখায় দুটি যতিচিহ্ন প্রতীক ব্যবহারের বদলে একই "হুক" দিয়ে শূন্যকে প্রকাশ করেছেন।[৮]
ব্যাবিলনীয় শূন্যটি প্রকৃতপক্ষে শূন্য হিসেবে গন্য করা সমীচীন হবে না কারণ এই প্রতীকটিকে স্বাধীনভাবে লিখা সম্ভব ছিল না কিংবা এটি কোন সংখ্যার পিছনে বসে কোন দুই অঙ্ক বিশিষ্ট অর্থবোধক সংখ্যা প্রকাশ করত না।
ভারত
শূন্যকে (শ্যূন্য) কোন সংকেত বা প্রতীক হিসেবে ব্যবহার না-করে সরাসরি সংখ্যা হিসেবে সফলভাবে ব্যবহারের অবিমিশ্র কৃতিত্ব প্রাচীন ভারতীয় গণিতবিদদের। খৃষ্টপূর্ব নবম শতাব্দীর দিকে ভারতে বাস্তব সংখ্যা দ্বারা হিসাব নিকাশ করার সময় শ্যূন্য ব্যবহৃত হত। এমনকি শ্যূন্যকে ব্যবহার করে যোগ, বিয়োগ, গুন ও ভাগও করা হত। [৯][১০] খৃষ্টপূর্ব পঞ্চম থেকে দ্বিতীয় শতকের মধ্যে ভারতীয় গণিতবিদ পিঙ্গলা "বাইনারি সংখ্যা" দিয়ে হিসাব-নিকাশ করার পদ্ধতি বের করেন। তিনি একটি ছোট অক্ষর এবং একটি বড় অক্ষরের সমন্বয়ে তা করতেন যা আধুনিক কালের
মোর্স কোডের মত। [১১][১২] তাঁর সমসাময়িক গণিতবিদরা সংস্কৃত শব্দ
শ্যূন্যেয়া থেকে বাংলা শূন্য শব্দটি গ্রহণ করেন।
ভারতীয় উপমহাদেশের গণিতবিদ আর্যভট্টের একটি বই-এ পাওয়া যায়,
স্থানম স্থানম দশ গুণম। এখানে হয়তবা তিনি বুঝাতে চেয়েছিলেন, স্থানে স্থানে দশ গুণের কথা। তবে এখানেও শুন্যের কথা লুকায়িত ছিল। শেষ পর্যন্ত শুন্যকে সংখ্যার পরিচয় দেন ব্রহ্মগুপ্ত। তার ব্রহ্মস্ফুটসিদ্ধান্ত নামক বই-এ প্রথম শুন্যকে সংখ্যা হিসেবে মর্যাদা দেয়া হয়। শূন্যের সাথে যোগ , বিয়োগ , গুণের কথা এই বই-এ সঠিকভাবে দেয়া হয়। এছাড়া মহাবীর এবং ভাস্কর শুন্য নিয়ে কাজ করেন। তবে দুঃখের বিষয় এদের কেউ শুন্য দিয়ে কোন কিছু ভাগের কথা উল্লেখ করেনি।
তথ্যসূত্র

^_^স্টিকার লাগানো ফল কিনছেন, সেই স্টিকারের মানে জানেন তো ?আমাদের নিত্য ব্যবহার্য কিছু কিছু পণ্যের গায়ে স্টিকার দেখে সে প...
15/02/2018

^_^স্টিকার লাগানো ফল কিনছেন, সেই স্টিকারের মানে জানেন তো ?

আমাদের নিত্য ব্যবহার্য কিছু কিছু পণ্যের গায়ে স্টিকার দেখে সে পণ্যটি সম্পর্কে আমরা কিছুটা ধারণা পেতে পারি। সুপারমার্কেট বা কোনো ফলের বাজার থেকে আপেল, আঙ্গুর, নাশপাতি বা অন্য যে কোনো ফল কেনার সময় নিশ্চয়ই খেয়াল করেছেন ফলের গায়ে স্টিকার লাগানো থাকে। বিভিন্ন ফলের ওপর থাকা স্টিকারগুলো দেখে আমরা ফলটির মান ও উৎপাদন সম্পর্কে অবগত হতে পারি।

ফলের গায়ে মারা স্টিকারে কী লেখা থাকে, ভালো করে হয়তো সেটা অনেকেই দেখেন না। যদি দেখেও থাকেন, তাহলে এর মানেটা বোধগম্য করতে পারেন নাই। আমাদের আজকের এই প্রতিবেদন থেকে আসুন জেনে নেন, ফলের গায়ে লেগে থাকা সেই স্টিকারের মানেগুলো-

১. স্টিকারে যদি দেখেন ৪ সংখ্যার কোড নম্বর রয়েছে এবং সেটা শুরু হচ্ছে ৩ বা ৪ দিয়ে, এর মানে হলো, কোনো ফার্মে ওই প্রোডাক্টির চাষ হচ্ছে বিংশ শতকের মাঝামাঝি সময় থেকে। যার অর্থ, কৃত্রিম সার ব্যবহারের মাধ্যমেই চাষ হয়েছে।

২. যদি কোনো ফলের গায়ে ৫ সংখ্যার কোড দেওয়া স্টিকার দেখেন, যার শুরুটা ৯ দিয়ে, অর্থ, চিরাচরিত প্রথাতেই চাষ হচ্ছে। হাজার হাজার বছর আগেও যেভাবে চাষ হত, সে ভাবেই। মানে সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক পদ্ধতিতে, জৈব সার প্রয়োগের মাধ্যমে চাষ হয়।

৩. স্টিকারে যদি ৫ ডিজিটের কোড থাকে এবং শুরুটা যদি ৮ সংখ্যা দিয়ে হয়, তার মানে ওই ফলটি GMO বা জেনেটিক্যালি মডিফায়েড। সোজা বাংলায় এটা হাইব্রিড ফল। তবে রাসায়নিক সার দিয়েই সচরাচর এই হাইব্রিড ফলগুলোর চাষ হয়।

30/01/2018
07/12/2017

^_^এ পেজের জন্য একজন এডিটর প্রয়োজন।আগ্রহী মেসেজ পাঠাবেন।

জানার আছে অনেক কিছু!প্রসঙ্গ:জাতীয় পতাকা।প্রশ্নঃ বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা প্রথম উত্তোলন করা হয় কবে?উত্তরঃ ২ মার্চ, ১৯৭১সালে...
07/12/2017

জানার আছে অনেক কিছু!
প্রসঙ্গ:জাতীয় পতাকা।
প্রশ্নঃ বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা প্রথম উত্তোলন করা হয় কবে?
উত্তরঃ ২ মার্চ, ১৯৭১সালে।
প্রশ্নঃ বাংলাদেশে জ্তীয় পতাকা দিবস কবে পালিত হয়?
উত্তরঃ ২ রা মার্চ।
প্রশ্নঃ বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা প্রথম কোথায় উত্তোলন করা হয়?
উত্তরঃ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বটতলায় এক ছাএ সভায়।
প্রশ্নঃ কে প্রথম বাংলাদেশের পতাকা উত্তোলন করেছিলেন?
উত্তরঃ ডাকসু ভি পি আ স ম আবদুল রব।
প্রশ্নঃ শেখ মুজিবুর রহমান কোথায় প্রথম বাংলাদেশের পতাকা উত্তোলন করেন?
উত্তরঃ ধানমন্ডিস্থ নিজ বাস ভবনে ২৩ মার্চ, ১৯৭১।
প্রশ্নঃ বাংলাদেশের বাইরে কোথায় সর্ব প্রথম বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়?
উত্তরঃ কলকাতা' পাকিস্তানের ডেপুটি হাইকমিশনে।
প্রশ্নঃ কলকাতা হাইকমিশনে কে কবে বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন?
উত্তরঃ ১৯৭১ সালের ১৮ই এপ্রিল কলকাতা পাকিস্তানের ডেপুটি হাইকমিশনারের প্রধান জনাব এম, হোসেন আলী।
প্রশ্নঃ বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার রঙ কি?
উত্তরঃ গাঢ় সবুজের মাঝে লাল বৃত্ত।
প্রশ্নঃ প্রথম দিকে বাংলাদেশের পতাকার লাল বৃত্তের মধ্যে কিসের প্রতীক?
উত্তরঃ রসানালী রঙের বাংলাদেশের মানচিএ।
প্রশ্নঃ জাতীয় পতাকার রং এবং বৃত্তের তাৎপর্য কি?
উত্তরঃ লাল রঙের ভরাট বৃত্তটি রক্তক্ষয়ী সংগ্রামের মাধ্যমে ছিনিয়ে আনা স্বাধীনতার নতুন সূর্যের প্রতীক । উজ্জল ঘন সবুজ তারুণ্যের উদ্দীপনা ও বিস্তৃত গ্রাম বাংলার প্রতীক।
প্রশ্নঃ বাংলাদেশের পতাকার সাথে কোন দেশের পতাকার মিল রয়েছে ?
উত্তরঃ জাপন ও পালাউ।
প্রশ্নঃ আমার সোনার বাংলা প্রথম গাওয়ার সাথে জাতীয় পতাকা কবে ও কোথায় উত্তোলন করা হয়?
উত্তরঃ ৩রা, মার্চ ১৯৭১ , পল্টন ৯ঢাকা)।
প্রশ্নঃ মানচিএ খচিত বাংলাদেশের প্রথম জাতীয় পতাকার ডিজাইনার কে ছিলেন?
উত্তরঃ শিব নারায়ণ দাস।
প্রশ্নঃ বাংলাদেশের মানচিএ প্রথম কে আঁকেন?
উত্তরঃ মেজর জেমস রেনেল।
প্রশ্নঃ জাতীয় পতাকা সর্ব প্রথম কবে আনুষ্ঠানিকভাবে উত্তোলন করা হয়?
উত্তরঃ ২৩শে মার্চ ১৯৭১।
প্রশ্নঃ কোন কোন দিবসে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়?
উত্তরঃ স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস , বিজয় দিবস, বিপ্লব ও সংহিত দিবস, গণপ্রজাতন্তী বাংলাদেশে সরকার কর্তৃকঘোষিত অন্য যে কোন দিবসে।
প্রশ্নঃ বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার দৈর্ঘ ও প্রস্তের অনুপাত কত?
উত্তরঃ ১০: ৬।
প্রশ্নঃ বাস ভবন ,নৌযান, গাড়ি ও বিমানে কে কে জাতীয় পতাকা ব্যবহার করতে পারেন?
উত্তরঃ রাষ্ট্রপ্রতি ও প্রধানমন্ত্রী।
প্রশ্নঃ বাংলাদেশের কতটি মর্যাদাসমপন্ন পদে অধিষ্ঠিত ব্যক্তিদের বাসভবনে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়?
উত্তরঃ ১৫টি।
প্রশ্নঃ কোন মর্যাদা সমপন্ন পদে অধিষ্ঠিত ব্যাক্তিদের বাস ভবনে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়?
উত্তরঃ রাষ্ট্রপ্রতি, প্রধান মন্তী ,স্পিকার, প্রধান বিচারপ্রতি, মন্তী চিপহুইপ, ডেপটি স্পিকার, বিরোধী দলের নেতা, মন্তীর মর্যাদা সমপন্ন ব্যাক্তি, প্রতিমন্তী, প্রতিমন্তীর মর্যাদা সমপন্ন ব্যাক্তি, উপমন্তী, উপমন্তীর মর্যাদা সমপন্ন ব্যাক্তি, বিদেশে বাংলাদেশের কুটনীতিক এবং তিন পার্বত্য জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ।
প্রশ্নঃ বাংলাদেশে কতটি মর্যাদা সমপন্ন পদে অধিষ্ঠিত ব্যাক্তি গাড়ি ও জলযানে জাতীয় পতাকা ব্যবহার করতে পারে?
উত্তঃ ১০টি।
প্রশ্নঃ কোন কোন মর্যাদা সমপন্ন পদে ব্যাক্তিগণ গাড়ি বা জলযানে পতাকা ব্যবহার করতে পারে?
উত্তরঃ রাষ্ট্রপ্রতি, প্রধানমন্তী , স্পিকার, প্রধান বিচারপ্রতি, মন্তী, বিরোধী দলীয় নেতা, চীপহুইপ, ডেপুটি স্পিকার, মন্তীর মর্যাদা সমপন্ন ব্যাক্তি, বিদেশে নিযুক্ত বাংলাদেশের কুটনীতিকগন।

24/10/2017
" মেধা হেরে যায় নেংটির কাছে "ঢাবির মাইক্রোবায়োলজীর এক মেধাবী শিক্ষার্থী micro organism নিয়ে একটু রিসার্চ করতে চায় - বহু ...
18/10/2017

" মেধা হেরে যায় নেংটির কাছে "
ঢাবির মাইক্রোবায়োলজীর এক মেধাবী শিক্ষার্থী micro organism নিয়ে একটু রিসার্চ করতে চায় - বহু মানুষের জীবন বাঁচাতে পারে তার আবিষ্কৃত পদ্ধতি ! আহা বাংলাদেশ.....দিশেহারা হয়ে মেধাবী ছাত্র ঘুরতে থাকে রাস্তায় রাস্তায় - একটা স্পন্সরের জন্য । শেষমেষ জোগাড় করতে না পেরে ফরেন এ্যাম্বাসীতে ধরনা দেয় ...... ভিসা পেয়ে উড়াল দেয় । দেশের মেধাবী সন্তানটা বিদেশে পাচার হয়ে যায় ।
মেডিকেলের এক মেধাবী doctor কোনো disease নিয়ে একটু গবেষণা করতে চায় , একটা স্পন্সর পায়না ! অবশেষে বাধ্য হয়ে - চেম্বারে মাছি মারে । কিছুদিন পর অবাক হয়ে দেখে ইন্ডিয়ান এক doctor তার রোগ নিয়ে গবেষণা করে নতুন কোনো পদ্ধতি আবিষ্কার করে ফেলেছে ।
বুয়েটের মেকানিকাল বা ইলেক্ট্রিকালে পড়ুয়া ছেলেটা টিউশনির টাকায় জিন্জিরা থেকে লোহা কিনে , ধোলাইখাল থেকে মটর কিনে ! তার পদ্ধতিতে বানানো রোবট টা খটখট শব্দ করে ! ধোলাইখালের টিউশনির টাকায় কেনা মাল , খটর খটর ই তো করবে ! আর অন্যদিকে বিকিনি পরা নারীদের পণ্য বানানোর জন্য আয়োজন করা হয় ' মিস ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশ ! ' কোটি কোটি টাকা স্পন্সর ! মেধা হেরে যায় নেংটির কাছে !
রাস্তায় ঘুরতে ঘুরতে ক্লান্ত মেধাবী মুখগুলো পাচার হয়ে যায় , আমরাও অপেক্ষায় থাকি - নেংটি আর ব্রা এর শোভা দেখবো বলে !
শাবাস !!!! বাংলাদেশ ।
আসেন shout করে কোরাস গান গাই -
' নাচ্ আমার ময়না ....... তুই পয়সা পাবি রে ! '

'কপি'

Address

Chittagong

Telephone

01516117612

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Empac Electrical Engineering Family posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Empac Electrical Engineering Family:

Share