AAR - JV enterprise

AAR - JV enterprise LPG supply and
LPG Reticulated system for Residential, HoReCa and Commercial projects. Serving as Outlet store area in Ramna and its outskirts.

Gradually extending our capabilities to the greater Dhaka.

এলপিজি (LPG) র দাম নিয়ন্ত্রণ /কমানো এবং সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে সরকারের সাম্প্রতিক নেয়া দুটো নীতি (LC and VAT) কিভাবে কাজ...
21/02/2026

এলপিজি (LPG) র দাম নিয়ন্ত্রণ /কমানো এবং সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে সরকারের সাম্প্রতিক নেয়া দুটো নীতি (LC and VAT) কিভাবে কাজ করবে, চলুন দেখে নেয়া যাক।

০১.LC সুবিধা (১২ জানুয়ারী ২০২৬ থেকে কার্যকর) ::

এলপিজি (LPG) সরবরাহে সংকট নিরসন এবং আমদানিতে গতি আনতে বাংলাদেশ ব্যাংক একটি নতুন এলসি (LC) নীতি জারি করেছে। মূলত এলপিজি-কে "শিল্প কাঁচামাল" (Industrial Raw Materials) হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার মাধ্যমেই এই পরিবর্তন আনা হয়েছে।

​কিভাবে এই নীতি সরবরাহ ত্বরান্বিত করতে পারে:
​১. দীর্ঘমেয়াদী বাকিতে আমদানির সুবিধা (Deferred Payment)-
​আমদানিকারকরা এখন থেকে এলপিজি আমদানির ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ২৭০ দিন পর্যন্ত বাকিতে বা ঋণে (Usance Period) মূল্য পরিশোধের সুযোগ পাবেন। আগে এই সময়সীমা অনেক কম (১৮০ দিন) ছিল। এলপিজি আমদানির পর তা মজুদ, সিলিন্ডারজাতকরণ এবং বাজারজাত করতে বেশ সময় লাগে, তাই ২৭০ দিনের এই সুযোগ ব্যবসায়ীদের নগদ অর্থের প্রবাহ (Cash Flow) স্বাভাবিক রাখতে সাহায্য করবে।
​২. ডলার সংকটের চাপ হ্রাস-
​সরাসরি নগদে ডলার পরিশোধের পরিবর্তে 'সাপ্লায়ার্স ক্রেডিট' বা 'বায়ার্স ক্রেডিট'-এর আওতায় বাকিতে আমদানির সুযোগ থাকায় বাজারে ডলারের তাৎক্ষণিক চাহিদা ও চাপ কমছে। এটি আমদানিকারকদের বড় বড় এলপিজি কার্গো আমদানিতে উৎসাহিত করছে, যা বাজারে বড় আকারের সরবরাহ নিশ্চিত করে।
​৩. অগ্রাধিকার ভিত্তিতে এলসি খোলার সুযোগ-
​বাংলাদেশ ব্যাংক বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোকে নির্দেশ দিয়েছে যেন এলপিজি আমদানির এলসি বা ঋণের আবেদনগুলো অগ্রাধিকার ভিত্তিতে (Priority Basis) দ্রুত নিষ্পত্তি করা হয়। এতে আমদানির প্রশাসনিক জটিলতা ও সময় কমে আসছে।
​৪. অফশোর ব্যাংকিং সুবিধা-
​নতুন নীতিতে স্থানীয় ব্যাংকগুলোর অফশোর ব্যাংকিং ইউনিট (OBU-ব্যাংক গুলোর সাধারন শাখা থেকে আলাদা এবং নিয়মও ভিন্ন, আন্তর্জাতিক ব্যাংকিং করে, বৈদেশিক মুদ্রায় পরিচালিত), থেকে 'বিল ডিসকাউন্টিং' সুবিধা গ্রহণের সুযোগ দেওয়া হয়েছে। এর ফলে আমদানিকারকরা বিদেশি ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে সহজে ঋণ সুবিধা পাবেন, যা আমদানির প্রক্রিয়াকে আরও নিরবচ্ছিন্ন করবে আশা করা যায়।
​৫. ভ্যাট ও ট্যাক্স সমন্বয়-
​সরকার এলপিজি আমদানিতে ভ্যাটের হার কমিয়ে ১০ শতাংশের নিচে নামানোর এবং স্থানীয় উৎপাদন পর্যায়ে ভ্যাট ছাড়ের পদক্ষেপ নিয়েছে (১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ থেকে নতুন নীতি, যা আমরা নিচে আলোচনায় দেখবো)
​সংক্ষেপে প্রভাব:
এই নীতির ফলে আমদানিকারকরা এখন নগদ ডলার এড়িয়ে, অগ্রাধিকার ভিত্তিতে অনেক বেশি সময় হাতে রেখে পণ্য আনতে পারছেন, যা বাজারে হুট করে তৈরি হওয়া কৃত্রিম সংকট বা সরবরাহের ঘাটতি দূর করতে সহায়ক হবে।

০২. ভ্যাট কাঠামোর নতুন পরিবর্তন (১৬.০২.২০২৬ থেকে কার্যকর)::

​জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (NBR) দুটি আলাদা প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে ভ্যাট আদায়ের স্তর কমিয়েছে। এখন থেকে উৎপাদন ও বিক্রয় পর্যায়ে কোনো ভ্যাট দিতে হবে না, শুধুমাত্র আমদানি পর্যায়ে ভ্যাট আদায় করা হবে।

এর ফলে আমাদের কী লাভ হবে?
​কর হ্রাস:- আগে তিন স্তরে ভ্যাট দিতে হতো, এখন মাত্র এক স্তরে দিব। যাতে ভোক্তাদের ওপর করের বোঝা প্রায় ২০% কমে আসবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
​মূল্য সমন্বয়:- বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (BERC) ফেব্রুয়ারি মাসের জন্য ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম ১,৩৫৬ টাকা নির্ধারণ করেছে। এই ভ্যাট ছাড়ের ফলে সিলিন্ডার প্রতি প্রায় ১৫ টাকার মতো দাম কমতে পারে। এটা একটা উদাহরন মাত্র যে এভাবে সামনে মূল্য সমন্বয় হবে।
​মেয়াদ: এই বিশেষ সুবিধাটি আগামী ৩০ জুন ২০২৬ পর্যন্ত কার্যকর থাকবে।

​কেন এই সিদ্ধান্ত?
​দেশের এলপিজি চাহিদার প্রায় ৯৮% বেসরকারি আমদানিকারকরা পূরণ করে। বিশ্ববাজারে অস্থিতিশীলতা (বিভিন্ন নিষেধাজ্ঞা, ভিন্ন ভিন্ন আর্থিক নীতি ইত্যাদি) এবং ডলার সংকটের কারণে এলপিজি'র দাম বেড়ে গিয়েছিল। তাই সাধারণ মানুষের দামের বোঝা কমাতে এবং সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে সরকারের এই 'সিঙ্গেল পয়েন্ট ভ্যাট' ব্যবস্থা চালুকরণ।
​সতর্কতা: বিইআরসি (BERC) যদি কোম্পানিগুলোর আমদানি, উৎপাদন, বিক্রয় এই তিন প্রক্রিয়া যথাযথ মনিটরিং করেন এবং সে অনুযায়ী বাজার তদারকি করেন তবে সরবরাহ এবং দাম, দুটোই সাধারণ মামুষের নাগালে থাকাবে আশা করা যায়।

চলুন আরো একটা ছোট আলোচনার মাধ্যমে দাম কিভাবে ২০% কমার আশা করছে, তা বুঝে আসা যাক।
আপাতদৃষ্টিতে মনে হতে পারে যে এক জায়গায় ভ্যাট বাড়িয়ে অন্য জায়গায় কমানো হয়েছে, তাহলে ২০% কমছে কীভাবে?
এর মূল বিষয় লুকিয়ে আছে ভ্যাট আদায়ের পদ্ধতির (Multiple Stage vs. Single Stage) মধ্যে।
​নিচে সহজভাবে কারণগুলো দেওয়া হলো:
​১. 'ক্যাসকেডিং ইফেক্ট' বা করের ওপর কর দূর হওয়া-
​আগে এলপিজি যখন আমদানিকারকের কাছ থেকে বোটলিং স্টেশনে /স্যাটেলাইট এ যেত এবং সেখান থেকে ডিলারের কাছে যেত, তখন প্রতি স্তরে ৭.৫% ভ্যাট যোগ হতো। অর্থাৎ, আগের স্তরের ভ্যাটসহ মূল্যের ওপর আবার নতুন করে ভ্যাট বসত। একে বলা হয় 'ক্যাসকেডিং ইফেক্ট'।
​এখন শুধুমাত্র আমদানি পর্যায়ে (Import Stage) একবার ভ্যাট দেওয়া হবে।
​২. উৎপাদন ও ট্রেডিং পর্যায়ে পূর্ণ অব্যাহতি
​আগে এলপিজি সিলিন্ডারজাতকরণ (Bottling) এবং খুচরা বিক্রয়—উভয় ক্ষেত্রেই ভ্যাট দিতে হতো। এনবিআর (NBR) এখন এই দুই স্তরের ভ্যাট সম্পূর্ণ ০% করে দিয়েছে।
​উৎপাদন পর্যায়ে ভ্যাট না থাকায় বোটলিং স্টেশনগুলোর খরচ কমবে।
​ট্রেডিং পর্যায়ে ভ্যাট না থাকায় (যে, যেখান থেকেই, যতবারই নিক না কেন) ডিলার বা খুচরা বিক্রেতার লাভ বা মার্জিন অপরিবর্তিত রেখেও কেম্পানি কমদামে ভোক্তাকে গ্যাস দেওয়া ব্যবস্থা করতে পারে/ দাম কমে আসবে।
​৩. ভ্যাট হিসাবের ভিত্তি (Base Value) পরিবর্তন
​আগে প্রতিটি স্তরে যে মূল্য সংযোজন (Value Addition) হতো, তার ওপর ভ্যাট দিতে হতো। বর্তমানে এটি শুধুমাত্র আমদানিকৃত মূল্যের ওপর নির্ধারিত। ফলে খুচরা পর্যায়ে যখন পরিবহন খরচ বা লভ্যাংশ যোগ হয়, তখন সেই বাড়তি টাকার ওপর আর ভ্যাট দিতে হচ্ছে না। তথা Base Value একটাই থাকবে।
​৪. এনবিআর-এর হিসেব
​জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (NBR) তাদের গাণিতিক মডেলে দেখেছে যে, ৩-৪টি স্তরে ভেঙে ভেঙে ভ্যাট আদায়ের চেয়ে শুরুতে একবার ৭.৫% আদায় করলে ভোক্তাদের পকেট থেকে যাওয়া মোট ভ্যাটের পরিমাণ আগের তুলনায় প্রায় ২০% কম হবে।
​উদাহরণ:
ধরা যাক, আগে ধাপে ধাপে ভ্যাট দিতে গিয়ে একটি সিলিন্ডারে মোট ভ্যাট জমা হতো ১০০ টাকা। এখন নতুন নিয়মে শুধুমাত্র শুরুতে ভ্যাট দেওয়ায় সেই মোট ভ্যাটের পরিমাণ দাঁড়াবে প্রায় ৮০ টাকার আশেপাশে। এই ২০ টাকার সাশ্রয়ই মূলত গ্রাহক পর্যায়ে দাম কমাতে সাহায্য করবে।
​নিচের ছকটিতে দেখুন কীভাবে আগের নিয়মে বারবার ভ্যাট যোগ হয়ে দাম বাড়ত, আর এখন একবারে ভ্যাট দেওয়ায় খরচ কমছে:
ধরে নেই একটি এলপিজি সিলিন্ডারের আমদানি মূল্য ১,০০০ টাকা।

​১. আগের নিয়ম (মাল্টি-স্টেজ ভ্যাট)
​আগে আমদানিকারক, ফিলিং/বোটলিং স্টেশন এবং ডিলার—প্রত্যেক ধাপে ভ্যাট দিতে হতো।
​আমদানি পর্যায়ে: ১,০০০ টাকার ওপর ২% অগ্রিম কর = ২০ টাকা।
​ফিলিং/বোটলিং স্টেশন (উৎপাদন): যখন গ্যাস বোতলজাত করে ডিলারের কাছে বিক্রি করত, তখন তারা তাদের খরচ ও লাভ যোগ করত (ধরি ১০০ টাকা)। ফলে ১,১০০ টাকার ওপর ৭.৫% ভ্যাট আসত প্রায় ৮২.৫ টাকা।
​ডিলার/খুচরা বিক্রেতা/বিইআরসি (BERC) দাম নির্ধারণ: ডিলার যখন সাধারণ মানুষের কাছে বিক্রি করত, তখন তার লভ্যাংশ যোগ করার পর চূড়ান্ত মূল্যের ওপর আবার ৭.৫% ভ্যাট যোগ হতো।
​ফলাফল: এভাবে ধাপে ধাপে ভ্যাট যোগ হওয়ায় মোট ভ্যাটের পরিমাণ এবং গ্যাসের দাম দুটিই বেড়ে যেত।
​২. বর্তমান নিয়ম (সিঙ্গেল-পয়েন্ট ভ্যাট)
​এখন এনবিআর মাঝখানের সব ভ্যাট তুলে দিয়েছে। শুধু শুরুতে একবার ভ্যাট নেওয়া হচ্ছে।
​আমদানি পর্যায়ে: ১,০০০ টাকার ওপর ৭.৫% ভ্যাট = ৭৫ টাকা।
​বোটলিং স্টেশন: এখন বোতলজাত করার সময় বা ডিলারের কাছে বিক্রির সময় ভ্যাট ০% (অব্যাহতি)। অর্থাৎ, এখানে নতুন কোনো কর যোগ হচ্ছে না।
​খুচরা বিক্রয়: দোকানদার যখন আপনার কাছে বিক্রি করছেন, সেখানেও ভ্যাট ০%।

​ফলাফল:
০১. যদিও শুরুতে ৭.৫% ভ্যাট নেওয়া হচ্ছে, কিন্তু পরের বড় বড় ধাপগুলোতে কোনো ভ্যাট না থাকায় চূড়ান্ত দাম আগের চেয়ে কমে আসছে।
০২. আগে যেখানে কোম্পানিগুলো তাদের খরচ, লাভ, পরিবেশক এর দাম সহ সবগুলোর উপর ভ্যাট দিত এবং সর্বশেষ সরকার আরেক দফা দাম নির্ধারন করতো, এখন সেখানে আমদানীর উপর একক ভ্যাট দিয়ে, বাকীগুলোর উপর নূন্যতম লাভ - খরচ হিসেবে সরকার দাম নির্ধারন করবে।
০৩. আমদানী দাম কম থাকে, সুতরাং কমের উপর ভ্যাট আর বেশীর উপর ভ্যাট, এই দুইয়ের পার্থক্যও দাম কমাবে

(দুটো উদাহরণে দুটো ছক ব্যবহার করেছি, যা সংযুক্ত করা আছে।)

দ্রষ্টব্য: এই সংখ্যাগুলো শুধুমাত্র উদাহরণ হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে। বাস্তবে এলপিজির বেস প্রাইজ এবং অন্যান্য খরচ অনুযায়ী এই অংক কিছুটা ভিন্ন হতে পারে। তবে মূল বিষয়টি হলো—আগে কয়েকবার ভ্যাট দিতে হতো বলে মোট টাকার পরিমাণ অনেক বেশি হয়ে যেত, যা এখন একবার দেওয়ায় কমে এসেছে। আর বিইআরসি (BERC) র ২০% খরচ কমানো টা তাদের গানিতিক পরিমাপের একটা প্রয়াস, যা কম-বেশি হলেও আবশ্যিকভাবে কমে যাওয়ার নির্দেশনা দেয়।

21/02/2026

আর (জেবি) এন্টারপ্রাইজ
পরিবেশক: মেঘনা ফ্রেশ এলপিজি এবং পেট্রোম্যাক্স এলপিজি
এরিয়া: বৃহত্তর রমনা, হাতিরপুল, কলাবাগান, হাতিরঝিল, তেজগাও, ডিআইটি রোড, গুলশান এবং তৎসংলগ্ন এলাকা সমূহ।
(আমাদের সেবা এরিয়া সম্প্রসারণের কাজ চলমান)

একটি সনামধন্য এলপিজি পরিবেশক এবং বিক্রেতা প্রতিষ্ঠান, যা ফ্রেশ এবং পেট্রোম্যাক্স এলপিজি সহ অন্যান্য এলপিজি রিফিল (১২ কেজি ২২ কেজি, ৩৩ কেজি, ৩৫ কেজি এবং ৪৫ কেজি) , সিলিন্ডার, তদসংশ্লিষ্ট যন্ত্রাংশ এবং এলপিজি সম্পর্কিত যে কোন পরামর্শ এবং সাপোর্ট দিয়ে থাকে।

আপনার প্রশ্ন গুলো যদি এরকম হয়,

০১. আমার বাসায় কি এলপিজি (রিফিল এবং সিলিন্ডার) পৌছে দিতে পারবেন?
০২. আমার হোটেল/রেস্টুরেন্ট/ কেন্টিন এ কি এলপিজি দিতে পারবেন?
০৩. আমার বিল্ডিং এ এলপিজি লাইন করা দরকার, বাসার রেটিকুলশন /গ্যাস ব্যাংক করবো, করে দিতে পারবেন?
০৪. আমার ফ্যাক্টরিতে (ছোট - বড়) এলপিজি দরকার (বোতল, বাল্ক), দিতে পারবেন?
০৫. আমার অটো গ্যাস স্টেশন এ এলপিজি লাগবে, ব্যবস্থা করতে পারবেন?
০৬. আমি এলপিজি অটো গ্যাস স্টেশন করবো, কনসালটেন্সি সহ যাবতীয় সেট আপ এর তথ্য দরকার, দেয়া সম্ভব?
০৭. এলপিজি শিল্পে বিনিয়োগ করতে চাই, এই শিল্পের বর্তমান সুযোগ, ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা এবং যাবতীয় বিষয়ে জানতে চাই, জানাতে পারবেন?

তবে, আপনার জন্যই আমরা এবং আপনি সঠিক পেজ এ আসছেন। আমাদের পেজ এর এ্যাকশান বাটন এ ক্লিক করুন বা নিম্নোক্ত নাম্বার গুলোতে ফোন করুন, আপনি ইনশাআল্লাহ সর্বোচ্চ মানের সঠিক তথ্য এবং সমাধান পেয়ে যাবেন।

আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহি ওয়াবারকাতুহু।

আপনাদের সবার সুস্বাস্থ্য এবং সফলতা কামনায়।

আর (জেবি) এন্টারপ্রাইজ
০১৮১৮ ৭২৮৭৭৩
০১৭১২ ২২০৭৪১

সকল শহীদের প্রতি জানাই বিনম্র শ্রদ্ধা।
21/02/2026

সকল শহীদের প্রতি জানাই বিনম্র শ্রদ্ধা।

AAR JV ENTERPRISES Distribution: Fresh and Petromax Locution: 698, Shaheed Tajuddin Ahmed Avenue, Mogbazar
11/02/2026

AAR JV ENTERPRISES
Distribution: Fresh and Petromax
Locution: 698, Shaheed Tajuddin Ahmed Avenue, Mogbazar

Address

698, Shaheed Tajuddin Ahmed Avenue, Mogbazar
Dhaka
1217

Opening Hours

Monday 08:30 - 14:30
16:00 - 21:30
Tuesday 08:30 - 14:30
16:00 - 21:30
Wednesday 08:30 - 14:30
16:00 - 21:30
Thursday 08:30 - 14:30
16:00 - 21:30
Friday 09:00 - 12:30
15:30 - 21:00
Saturday 08:30 - 14:30
16:00 - 21:30
Sunday 08:30 - 14:30
16:00 - 21:30

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when AAR - JV enterprise posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share