19/01/2023
বিদ্যুতের পর বাড়ানো হলো এবার গ্যাসের দাম।
সরকারের নির্বাহী আদেশে বিদ্যুতের পর বাড়ানো হলো এবার গ্যাসের দাম। বুধবার (১৮ জানুয়ারি) দুপুরে দাম বৃদ্ধির প্রজ্ঞাপন জারি করেছে জ্বালানি মন্ত্রণালয়। বিল মাস ফেব্রুয়ারি থেকেই নতুন এই দাম কার্যকর হবে। তবে আবাসিক, সিএনজি ও চা শিল্পের গ্যাসের দাম বাড়েনি, এসব খাতে গ্যাসের দাম আগের মতোই রাখা হয়েছে। দাম বেড়েছে বিদ্যুৎ, শিল্প ও বাণিজ্যিক খাতে।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, বিদ্যুত খাতে সরবরাহ করা প্রতি ঘনমিটার গ্যাসের দাম ৫ টাকা ২ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ১৪ টাকা করা হয়েছে। আর শিল্পখাতে ১৬ টাকার গ্যাসের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৩০ টাকা।
এছাড়াও ক্যাভটিভ পাওয়ার (শিল্প কারখানার নিজস্ব বিদ্যুৎ উৎপাদনে) খাতে গ্যাস প্রতি ঘনমিটারে দাম ১৬ টাকা থেকে বেড়ে ৩০ টাকা, বৃহৎ শিল্পে ১১ টাকা ৯৮ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ৩০ টাকা, মাঝারি শিল্পে ১১ টাকা ৭৮ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ৩০ টাকা এবং ক্ষুদ্র শিল্পে ১০ দশমিক ৭৮ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৩০ টাকা করা হয়েছে।
এছাড়াও বাণিজ্যিক গ্যাস সংযোগে প্রতি ঘনমিটারের দাম ২৬ টাকা ৬৪ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ৩০ টাকা ৫০ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে।
বিসিআই সভাপতি আনোয়ার-উল আলম চৌধুরী বণিক বার্তাকে বলেন, নানামুখী ব্যয়ভারে শিল্প এমনিতেই বিপর্যস্ত। পাশাপাশি আছে করোনার মতো বৈশ্বিক প্রেক্ষাপট। এ রকম অবস্থায় বিদ্যুতের দাম বাড়ায় প্রতিযোগিতা সক্ষমতা নিয়ে মারাত্মক সংকটের মধ্যে পড়বে রফতানিমুখী শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলো। আর স্থানীয় বাজারনির্ভর শিল্পগুলো রুগ্ণ হয়ে যাবে।
এদিকে বিদ্যুতের মূল্য বৃদ্ধির মতো ব্যয়ভারগুলো বহন করা এখন শিল্পের জন্য কষ্টকর বলে মন্তব্য জানিয়েছেন বিজিএমইএ সভাপতি ড. রুবানা হক। বণিক বার্তাকে তিনি বলেন, গত চার বছরে আমাদের ব্যয় বেড়েছে ২৯ দশমিক ৪০ শতাংশ। যেহেতু নিয়মিতভাবে মূল্য বৃদ্ধি পেয়েছে, কাজেই কোনো ধরনের ব্যয় বৃদ্ধির ভার বহন করার অবস্থা নেই। সিদ্ধান্তটি শিল্প সহায়ক নয়।
এমন অবস্থায় আপনার শিল্পকরখানায় উৎপাদন ব্যায় স্বাভাবিক রাখতে, এবং বৈশিক ব্যাবসায়িক প্রতিযোগিতায় আপনার শিল্পকরখানাকে এগিয়ে রাখতে ব্যাবহার করুন জ্বালানি বিহীন পাওয়ার প্লান্ট
ভবিষ্যৎ সংকট ও জ্বালিনি তেলের উদ্ধগতির বাজারের কথা চিনতা করে আমরা, (SFB POWER HOUSE) এমন এক প্রযুক্তি বিদ্যুত প্লান্ট উদ্ভাবন করেছি, ফুয়েল কিলার প্রযুক্তির পাওয়ার প্লান্ট!
আমাদের বিদ্যুত পাওয়ার প্লান্ট সুবিধা হল>
★কোন প্রকার জ্বালানি তেলের প্রয়োজন হয় না। ফলে জ্বালানি তেল আমদানী বাবদ কোন টাকা খরচ করতে হবে না!
★রিজার্ভ এর উপর চাপ কমাতে সহায়ক ভমিকা রাখবে!
★কোন প্রকার ধোয়া উৎপন্ন করে করেনা!
★কার্বন নিশ্বরন করেনা!
★শব্দ দূষন করে না!
★জলবায়ু মেকাবিলায় বিশেষ ভূমিকা রাখবে!
★আমাদের প্লান্টে যেহেতু জ্বালিনি প্রয়োজন হয় না,তাই বিদ্যুত এর দাম কমাতে বিশেষ ভূমিকা রাখবে!
★বাংলাদেশর প্রতি বছর প্রায় ২৬ লক্ষ মেট্রিকটন জ্বালানি তেলের প্রয়োজন, এ কারনে বাজেটর বড় একটা অংশ চলে বিদেশে! যেহেতু আমাদের প্রযুক্তিতে বিদ্যুত উৎপন্ন করতে জ্বালিনি প্রয়োজন হয় না! তাই বাংলাদেশর রিজার্ভ এর উপর চাপ কমাতে বিশেষ ভুমিকা রাখবে!!!!
★টেকসই উন্নয়নে লক্ষ্যমাত্রা ও জ্বালানি নিরাপত্তা অর্জনে ভূমিকা রাখবে!!!!
ক্লিন এনার্জির মাধ্যমে জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এই প্রকল্প বাংলাদেশেকে নতুন পথ দেখাবে।