Thikana Construction Consultancy

Thikana Construction Consultancy স্বপ্ন আপনার, বাস্তবায়নের দায়িত্ব আমাদের....

📊 অফিসে প্রতিদিন যে Excel ফর্মুলাগুলো লাগে।অফিসে কাজ করেন আর Excel লাগে না—এমন মানুষ খুব কমই আছে।কিন্তু সমস্যা হলো, বেশি...
09/12/2025

📊 অফিসে প্রতিদিন যে Excel ফর্মুলাগুলো লাগে।

অফিসে কাজ করেন আর Excel লাগে না—এমন মানুষ খুব কমই আছে।
কিন্তু সমস্যা হলো, বেশিরভাগেই কিছু বেসিক ফর্মুলা জানেন না, যেগুলো জানলেই কাজ অনেক দ্রুত হয়।
আজ আপনাদের জন্য দিলাম—অফিসে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত Excel ফর্মুলা 👇

1) SUM

একসাথে অনেক সংখ্যাকে যোগ করতে
=SUM(A1:A10)

2) AVERAGE

কোনো সংখ্যার গড় বের করতে
=AVERAGE(B1:B10)

3) COUNT & COUNTA

কয়টা সেল পূরণ আছে তা জানতে
=COUNT(A1:A20) (শুধু সংখ্যা)
=COUNTA(A1:A20) (সংখ্যা + টেক্সট)

4) IF

শর্ত অনুযায়ী ফলাফল পেতে
=IF(C2>=60,"Pass","Fail")

5) MAX & MIN

সবচেয়ে বড় বা ছোট মান খুঁজে বের করতে
=MAX(D1:D50)
=MIN(D1:D50)

6) CONCAT / CONCATENATE

দুইটা টেক্সট একসাথে করতে
=CONCAT(A2," ",B2)

7) VLOOKUP (সবচেয়ে দরকারি)

এক শীট থেকে আরেক শীটে ডাটা খুঁজে আনতে
=VLOOKUP(E2, A2:C100, 3, FALSE)

8) TEXT ফর্মুলা

তারিখ বা নম্বর নির্দিষ্ট ফরম্যাটে দেখাতে
=TEXT(TODAY(),"dd-mm-yyyy")

9) TODAY & NOW

আজকের তারিখ বা বর্তমান সময়
=TODAY()
=NOW()

10) TRIM

অতিরিক্ত স্পেস দূর করতে
=TRIM(A2)

কংক্রিটের শক্তি পরীক্ষার ৫টি ঘরোয়া পদ্ধতিঃ-বিনা যন্ত্রে কিভাবে বুঝবেন কংক্রিট মজবুত কিনা!-------------------------------...
08/12/2025

কংক্রিটের শক্তি পরীক্ষার ৫টি ঘরোয়া পদ্ধতিঃ-
বিনা যন্ত্রে কিভাবে বুঝবেন কংক্রিট মজবুত কিনা!
---------------------------------------------------------------------
১। হাতুড়ি টেস্ট (সর্বাধিক জনপ্রিয়)
পদ্ধতি সমূহঃ-
- ৭ দিন পর কংক্রিটে হালকা হাতুড়ি দিয়ে টোকা দিন
- ভালো ফলাফলঃ- ধাতব শব্দ (টিং-টিং)
- খারাপ ফলাফলঃ- ভোঁটা শব্দ (ঠুক-ঠুক)

ব্যাখ্যাঃ-
শব্দ যত তীক্ষ্ণ, কংক্রিট তত শক্তিশালী!

২। নখের আঁচড় টেস্ট
পদ্ধতি সমুহঃ-
- কংক্রিট শুকানোর পর (৩ দিন) নখ দিয়ে আঁচড় কাটুন
- ভালো ফলাফলঃ- কোন দাগ পড়বে না
- খারাপ ফলাফলঃ- গভীর দাগ বা গুড়া বের হবে

৩। পানি শোষণ টেস্ট
পদ্ধতি সমুহঃ-
১। কংক্রিটের টুকরা ২৪ ঘন্টা পানিতে ভেজান
২। ওজন নিন → শুকান → আবার ওজন নিন
- ভালো ফলাফলঃ- ওজন ৫% এর কম বাড়বে
- খারাপ ফলাফলঃ- ওজন ১০%+ বাড়লে দুর্বল

৪। ফাটল পর্যবেক্ষণ
কখন দেখবেনঃ- কিউরিংয়ের ৩-৭ দিনের মধ্যে
- ভালো ফলাফলঃ- চুলের মতো সূক্ষ্ম ফাটল (স্বাভাবিক)
- খারাপ ফলাফলঃ- ১ মিমি+ চওড়া ফাটল

৫। ড্রপ টেস্ট (সিম্পলেস্ট মেথড)
পদ্ধতি সমুহঃ-
১। কংক্রিটের টুকরা (১০x১০ সেমি) ১ মিটার উচ্চতা থেকে ফেলুন
২। ভালো ফলাফল:- ভাঙবে না/অল্প ভাঙবে
৩। খারাপ ফলাফল:- সম্পূর্ণ গুড়া হয়ে গেলে

শক্তি অনুযায়ী কিউরিং সময়
| শক্তি (%) | প্রয়োজনীয় সময় |
| ৩০-৪০% | ৩ দিন |
| ৫০-৬০% | ৭ দিন |
| ৯০-১০০% | ২৮ দিন

কংক্রিট_পরীক্ষা নির্মাণ টিপস ঘরোয়া পদ্ধতি!
আপনার বাড়ির কংক্রিটে কি ফাটল দেখা গিয়েছিল?

সতর্কতাঃ- এই পরীক্ষাগুলো শুধু প্রাথমিক ধারণা দেয়, ল্যাব টেস্ট সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য।
"ভালো কংক্রিট = সঠিক মিশ্রণ + সঠিক কিউরিং

Design concept: judgmental house
08/12/2025

Design concept: judgmental house

বিল্ডিং-এর বেস ডিজাইন করার পদ্ধতি কী?বিল্ডিং এর বেইজ ডিজাইন করার আগেঅবশ্যই বিল্ডিং এ আগত লোড সম্পর্কে অবগত হতে হয় ।যেসব ...
08/12/2025

বিল্ডিং-এর বেস ডিজাইন করার পদ্ধতি কী?
বিল্ডিং এর বেইজ ডিজাইন করার আগে

অবশ্যই বিল্ডিং এ আগত লোড সম্পর্কে অবগত হতে হয় ।

যেসব লোডগুলো অবশ্যই হিসাব করা উচিত,

সেগুলো নিয়েই আজকের আলোচনাঃ

১। ডেড লোডঃ কাঠামোর উপর স্থায়ীভাবে চাপানো লোডই হলো ডেড লোড।

যেমন- ছাদ, বীম, দেয়াল, কলাম, স্থায়ী যন্ত্রপাতি ইত্যাদি ।

কাঠামো, মালামালের আকার-আকৃতির মাধ্যমে এ লোডের হিসাব করা হয় ।

২। লাইভ লোডঃ কাঠামোর উপর অস্থায়ীভাবে চাপানো লোডই হলো সচল লোড । যেমন- লোকজন, আসবাবপত্র, যন্ত্রপাতি ইত্যাদি ।

সঠিকভাবে এ লোডের হিসাব করা কঠিন ।

তাই বিল্ডিং কোড অনুযায়ী এসব লোড হিসাব করা হয় ।

৩। উইন্ড লোডঃ কাঠামোর বাইরের পৃষ্ঠে ঝড়, বাতাস ইত্যাদির কারনে

উদ্ভুত লোডই, উইন্ড লোড ।

কাঠামোর যেদিকে বাতাস লাগে, সেদিকে ভিত্তির উপর চাপ কমে যায়

এবং অপরদিকে চাপ বেড়ে যায় ।

এ লোডও বিল্ডিং কোড অনুযায়ী হিসাব করা হয় ।

৪। মাটির চাপঃ কাঠামোর উপর মাটি কর্তৃক প্রদত্ত চাপকেই মাটির চাপ বলে ।

র‌্যানকিনের সূত্র অনুযায়ী এ চাপ হিসাব করা হয় ।

৫। পানির চাপঃ যখন কোন ভিত্তি পানি তলের নিচে অবস্থিত থাকে,

তখন পানি ঐ ভিত্তিকে আনুভূমিক ও উর্দ্ধমুখী চাপ প্রয়োগ করে ।

এটাই পানির চাপ ।

৬। ভূকম্পন লোডঃ ভূ-কম্পন জনিত কারনে সৃষ্ট বল

সাধারনত ভিত্তিতে উলম্ব নিচের দিকে বা

মোচড়ানোভাবে যে কোন দিকে কাজ করে ।

ভূ-কম্পন বল বাংলাদেশের জন্য খুবই হুমকি সরূপ ।

তাই এটিকে অধিক গুরুত্ব দেয়া উচিত ।

৭। তুষার লোডঃ শীত প্রধান দেশে সমতল পৃষ্ঠে বা ছাদে প্রচন্ড বরফ পড়ে ।

তাই এসব দেশে এই লোডেরও হিসাব করা হয় । ভূমিকম্পের ক্ষয়ক্ষতি থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য নির্দেশনা গুলো মেনে চলার চেষ্টা করবেন।

নতুন বিল্ডিং বা কাঠামো নির্মাণ করার ক্ষেত্রে করণীয়:

১। যে কোন বিল্ডিং-এর নকশা তৈরি করার পূর্বেই স্ট্রাকচারাল নকশার বিধিগুলোর অনুসরণ করতে হবে। মনে রাখতে হবে সঠিক স্ট্রাকচারাল নকশা না হলে ভূমিকম্পরোধক বিল্ডিং হবে না।

২। বিল্ডিং ডিজাইনের আগেই অভিজ্ঞ ইঞ্জিনিয়ার দ্বারা মাটির গুনাগুণ বিশ্লেষণ ও মাটির ধারণক্ষমতা নির্ভুলভাবে নির্ণয়পূর্বক রিপোর্ট তৈরি করতে হবে।

৩। বিল্ডিং নির্মাণের সময় অভিজ্ঞ প্রকৌশলীদের (সিভিল ইঞ্জিনিয়ার) তদারকি রাখতে হবে যাতে গুণগত মান ঠিক থাকে।

৪। সঠিক অনুপাতে গুনগতমানের সিমেন্ট, রড, বালির ব্যবহার হচ্ছে কিনা দেখতে হবে। কংক্রিটের চাপ বহন ক্ষমতা কোনো অবস্থাতেই ৩০০০ পিএসআই-এর নিচে নামানো যাবেনা । তার জন্য সার্বক্ষণিকভাবে নির্মানাধীন সাইটে দায়িত্বে নিয়োজিত সিভিল ইঞ্জিনিয়ারদেরকে কিউব অথবা সিলিন্ডার টেস্ট করতে হবে। কংক্রিটের মিক্সাচারে অতিরিক্ত পানি ব্যবহার থেকে বিরত থাকুন। ঢালাই’র পরে পানির ব্যবহার করে কংক্রিটের কিউরিং করতে হবে।

৫। উচ্চ ক্ষমতা সম্পন্ন রড পরীক্ষাপুর্বক ব্যবহার করতে হবে। রডের বহন ক্ষমতা ৬০ হাজার পিএসআই-এর কাছাকাছি থাকতে হবে। স্ক্র্যাপ বা গার্বেজ থেকে প্রস্তুতকৃত রড ব্যবহার থেকে বিরত থাকতে হবে ।

৬। বিল্ডিং-এর প্ল্যান ও এলিভেশান দুই দিকই সামাঞ্জ্য থাকতে হবে।

৭। নির্ধারিত ডিজাইনের বাইরে গিয়ে অতিরিক্ত ফ্লোর নির্মাণ করবেন না। বিল্ডিং কোড অনুসারে এক্সপানশান ফাঁক রাখতে হবে।

৮। বেশি পরিমান সরু ও উঁচু বিল্ডিং-এর পাশ হঠাৎ করে কমাবেন না। যদি কমাতে হয় তাহলে ত্রিমাত্রিক ডাইনামিক বিশ্লেষণ করে ডিজাইন করতে হবে।

৯। বিল্ডিং-এর উচ্চতা যদি ভবনের প্রস্থের ৪ (চার) গুণের অধিক হয় তাহলে ত্রিমাত্রিক ডাইমানশন বিশ্লেষণ করে ডিজাইন করতে হবে।

১০। ‘সেটব্যাক’ বা হঠাৎ করে বিল্ডিং-এর পাশের মাপঝোপ কমানো যাবেনা। যদি কমাতেই হয় তাহলে ত্রিমাত্রিক বিশ্লেষণ করে সাইট অ্যাফেক্ট জেনে ডিজাইন করতে হবে।

১১। জটিল কাঠামোগত প্লানের জন্য অবশ্যই ত্রিমাত্রিক ভূমিকম্প বিশ্লেষণ করে ডিজাইন করতে হবে।

১২। ‘শেয়ার ওয়াল’ বা কংক্রিটের দেয়াল সঠিক স্থানে বসিয়ে ভূমিকম্পরোধ শক্তির পরিমাণ বাড়াতে হবে।

১৩। সা¤প্রতিক সময়ে যে হারে ঋষধঃ চষধঃব ইঁরষফরহম ঝুংঃবস (বিম ছাড়া কলাম ও স্ল্যাব) বিল্ডিং তৈরি হচ্ছে, তা মাঝারি ধরনের ভূমিকম্প হলেই ধ্বসে যাবে। সুতরাং বিম, কলাম ও স্ল্যাব বিশিষ্ট বিল্ডিং তৈরি করতে হবে।

১৪। দায়িত্বরত ইঞ্জিনিয়ারকে “বাংলাদেশ জাতীয় বিল্ডিং কোড” অনুসরণ করে বিল্ডিং-এর প্ল্যান/ ডিজাইন করে ভূমিকম্প রোধক বিল্ডিং নির্মাণ করতে হবে।

১৫। নিচের তলা পার্কিং-এর জন্য খালি রাখতে হলে, ঐ তলার পিলারগুলো বিশেষভাবে ডিজাইন করতে হবে। প্রয়োজনমতো কংক্রিটের দেওয়াল দিয়ে পিলারগুলোতে বেষ্টনীবদ্ধ করতে হবে।

১৬। বিল্ডিং-এর ‘বিমের’ থেকে ‘পিলারের’ শক্তি বেশি করে ডিজাইন করতে হবে। কমপক্ষে ২০% বেশি করতে হবে।

১৭। মাটির গুণাগুণের ওপর ভিত্তি করে যথাযথ ফাউন্ডেশন প্রকৌশলগতভাবে যাচাই বাছাই করে ডিজাইন করতে হবে।

১৮। ৫ ইঞ্চি ইটের দেয়ালগুলো ভূমিকম্পের জন্য আদৌ নিরাপদ নয়। তাই এই দেয়ালগুলো ছিদ্রযুক্ত ইটের ভিতরে চিকন রড দিয়ে আড়াআড়ি ও লম্বালম্বিভাবে তৈরি করে ‘লিন্টেলের’ সাথে যুক্ত করে দিতে হবে। সবদিকে ‘লিন্টেল’ দিতে হবে। বিশেষ করে দরজা বা জানালার খোলা জায়গায় চিকন রড দিয়ে ৫ ইঞ্চি ইটের দেয়াল যুক্ত করতে হবে।

১৯। মনে রাখতে হবে, নতুন বিল্ডিং নির্মাণে ভূমিকম্প-প্রতিরোধক নিয়মাবলি প্রয়োগ করলে, শুধুমাত্র ২-৩% নির্মাণ খরচ বৃদ্ধি পায়।

ভূমিকম্পের সময়ে করণীয়:

১। মানসিকভাবে শান্ত থাকুন ও অন্যদের শান্ত রাখুন।

২। বিল্ডিংটি বিম ও কলামের কাঠামোর ওপর নির্মিত হলে কলামের গা ঘেঁষে থাকুন। আর বিল্ডিংটি দেয়াল-নির্ভর হলে বাইরের কাছাকাছি কোনো কক্ষে অবস্থান নিন। যাতে বড় ধরনের ক্ষতি হয়ে গেলেও উদ্ধার-কর্মীদের খুঁজে পেতে সুবিধা হয়।

৩। লিফট্ ব্যবহার করবেন না।

৪। বিদ্যুৎ চলে যেতে পারে, সেক্ষেত্রে টর্চ ব্যবহার করুন।

৫। যোগাযোগ ব্যবস্থা বিছিন্ন হতে পারে, সজাগ থাকুন।

৬। মাথায় হেলমেট, কুশন বা বালিশ দিয়ে দরজার নিচে অথবা লোহার টেবিলের নিচে আশ্রয় নিন।

৭। মাটির বাড়ি ও পরিত্যক্ত বিল্ডিং থেকে যথাসম্ভব দূরে থাকুন।

ভূমিকম্পের সময় রাস্তায় থাকলে করণীয়:

১। খোলা জায়গায় অবস্থান নিন, শান্ত ও সচেতন থাকুন।

২। দৌড় দেবেন না।

৩। ঝুঁকিপূর্ণ বাড়িঘর থেকে দূরে থাকুন।

৪। মাটির বাড়ি থেকে নিরাপদ জায়গায় চলে আসুন।

৫। পুরাতন বিল্ডিং থেকে দূরে থাকুন।

৬। বৈদ্যুতিক তার থেকে দূরে থাকুন।

৭। ঢালু জায়গা বা দেয়াল থেকে দূরে থাকুন।

চলন্ত গাড়িতে থাকাকালীন সময়ে করণীয়:

১। চলন্ত গাড়ির ইঞ্জিন বন্ধ করে রাখুন।

২। খোলা জায়গায় গিয়ে গাড়ির ইঞ্জিন বন্ধ করে অবস্থান নিন।

৩। বৈদ্যুতিক তার থেকে গাড়িটি দূরে কোথাও পার্কিং করুন।

৪। দেয়ালের পাশে বা গাছের নিচে গাড়ি পার্কিং করবেন না।

৫। যদি খোলা জায়গা না থাকে, তাহলে গাড়ির গা ঘেঁষে বসে পরেন

আমরা আপনাদের কাছে প্রায়ই শুনি দেয়ালে নোনা বা ড্যাম্প এর কথা। অর্থাৎ সাদা সাদা আস্তরণ পড়েছে, যার দীর্ঘস্থায়ীত্বে দেয়ালে র...
07/12/2025

আমরা আপনাদের কাছে প্রায়ই শুনি দেয়ালে নোনা বা ড্যাম্প এর কথা। অর্থাৎ সাদা সাদা আস্তরণ পড়েছে, যার দীর্ঘস্থায়ীত্বে দেয়ালে রং, প্লাস্টার ঝড়ে পড়াসহ ফাটল পর্যন্ত ধরে। এতে, দেয়ালের সৌন্দর্য হারিয়ে যাওয়ার সাথে সাথে বিপদজনক পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে।

আসুন জেনে নেই, দেয়ালে নোনা কেন ধরে ?

দেয়ালের এই নোনা ধরার পিছনে অনেকগুলো কারণ রয়েছে।

১) সঠিক পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থার অভাবে।

২) দেয়ালের মাঝে পানির লাইনের ছিদ্র দেখা দিলে ।

৩) দেয়াল নির্মাণে ব্যবহৃত উপকরণে যেমন সিমেন্ট, বালু ও পানিতে লবণের পরিমাণ ২.৫% এর অধিক হলে।

৪) দেয়ালে ব্যবহৃত ইট স্বাভাবিক পোড়ানোর মাত্রা থেকে কম পোড়ানো হলে।

৫) ঘরের মধ্যে পর্যাপ্ত আলো-বাতাস প্রবেশের সুযোগ না থাকলে।

৬) দেয়ালের প্লাস্টার ভালোমতো শুকানোর আগেই রঙ করে ফেললে।

আসুন জেনে নেই এর প্রতিকার :

১) পানি অপসারণের ব্যবস্থা রাখা।বাড়ির চারপাশে ড্রেনের ব্যাবস্থা করতে হবে। ছাদের পানি দূর করার জন্য ছাদ প্রয়োজনমতো ঢালু এবং রেইন ওয়াটার পাইপ রাখতে হবে।

২) চারদিক থেকে সূর্যের আলো পরার ব্যাবস্থা থাকতে হবে।
৩) বাতাস খুবই প্রয়োজনীয়। এজন্য ভবনের যেসব রুমের ভিতরকার দেয়ালে সূর্যের আলো পৌঁছাতে পারবে না সেখানকার পরিবেশ যথেষ্ট শুকনো এবং বাতাসপূর্ণ রাখতে হবে।

৪) বিটুমিন শীট, প্লাস্টিক শীটের মতো অন্যান্য সিক্ততা প্রতিরোধক স্তর বা সিলার ব্যবহার করে নোনা ধরা দূর করা হয়। এ ধরনের সিলার ব্যবহারের ফলে দেয়ালে চিড় ধরেনা।

৫) ডেনসিফায়ার সিলার ব্যবহার করেও এই কাজটি করা যায়। এটি যেকোনো সময় ব্যবহার করা যায়, তাতে দেয়ালে নোনা ধরা বা না ধরার জন্য অপেক্ষা করতে হয় না।

৬) ( 2 mm/3mm) পিভিসি বোর্ড ব্যাবহার করে ড্যাম্প দূর করা যায়। যেটা আমরা করে থাকি।

এখনো অনেক মিস্ত্রী এই কাজ জানেনই না, ম্যানহোলের মুখে এভাবেই কর্নার রড বাঁধাই করতে হবে।
07/12/2025

এখনো অনেক মিস্ত্রী এই কাজ জানেনই না, ম্যানহোলের মুখে এভাবেই কর্নার রড বাঁধাই করতে হবে।

প্লাম্বিংকে অবহেলা করলে অনেক ভুল বোঝাবুঝি হতে পারে, কারণ এটি আধুনিক নির্মাণের জন্য অপরিহার্য এবং জল সরবরাহ, নিষ্কাশন ও অ...
03/12/2025

প্লাম্বিংকে অবহেলা করলে অনেক ভুল বোঝাবুঝি হতে পারে, কারণ এটি আধুনিক নির্মাণের জন্য অপরিহার্য এবং জল সরবরাহ, নিষ্কাশন ও অন্যান্য ভবন পরিষেবার সাথে সমন্বয় নিশ্চিত করে। সঠিক প্লাম্বিং-এর জন্য পেশাদারদের দ্বারা নকশা, ইনস্টলেশন, রক্ষণাবেক্ষণ এবং মেরামতের প্রয়োজন হয়।

প্লাম্বিং-এর গুরুত্ব:
১)জল সরবরাহ: এটি একটি ভবনে পরিষ্কার জল সরবরাহ এবং ব্যবহার নিশ্চিত করে।
২)বর্জ্য ব্যবস্থাপনা: এটি জলবাহিত বর্জ্য সঠিকভাবে অপসারণ করে, যা স্বাস্থ্যবিধি বজায় রাখার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
৩)সুরক্ষা: সঠিক প্লাম্বিং সুরক্ষা নিশ্চিত করে এবং দুর্ঘটনা বা স্বাস্থ্য ঝুঁকি কমায়।

রাজধানীতে ভবন নির্মাণ ফি পাঁচগুণ বাড়ানোর প্রস্তাব রাজউকের.......
01/12/2025

রাজধানীতে ভবন নির্মাণ ফি পাঁচগুণ বাড়ানোর প্রস্তাব রাজউকের.......

মাশাআল্লাহ
26/11/2025

মাশাআল্লাহ

ভূমিকম্পের পর বিল্ডিংয়ে সব ফাটলই গুরুতর নয়আজকের ভূমিকম্পে দেশের অনেক বিল্ডিং এ ছোটখাটো ফাটল দেখা গেছে। কিন্তু ফাটল মান...
26/11/2025

ভূমিকম্পের পর বিল্ডিংয়ে সব ফাটলই গুরুতর নয়

আজকের ভূমিকম্পে দেশের অনেক বিল্ডিং এ ছোটখাটো ফাটল দেখা গেছে। কিন্তু ফাটল মানেই আপনার বিল্ডিং ঝুঁকিপূর্ণ যে তা কিন্তু না। বেশিরভাগ ফাটলই সাধারণ রিপেয়ারেই ঠিক হয়ে যায়।
সাধারণত দুই ধরণের ফাটল দেখা যায়।
Non Structural Crack- গুরুতর না
Structural Crack- গুরুতর

✅ যে ফাটলগুলো সাধারণত খুব বেশি মারাত্মক না,
সেগুলো Non-Structural Cracks। এগুলো স্ট্রাকচারের লোড ক্যাপাসিটিতে প্রভাব ফেলে না।
১. প্লাস্টার ক্র্যাক
শুধুমাত্র প্লাস্টার ফেটে যায় কিন্তু মূল বিম/কলামে ফাটল ধরেনা। উপর থেকে দেখে মনে হতে পারে বিম/কলাম এর ফাটল। এক্ষেত্রে সরু তার বা সরু কিছু দিয়ে দেখতে হবে ফাটলের গভীরতা কেমন।
২. হেয়ারলাইন ক্র্যাক (< 0.5 mm)
খুবই সূক্ষ্ম ফাটল; বেশিরভাগ সময় শুধু উপর থেকে দেখা যায়।
৩. শ্রিংকেজ বা টেম্পারেচার ক্র্যাক
তাপমাত্রা ওঠা–নামা বা ম্যাস স্ট্রাকচারের ক্ষেত্রে সাধারণত হয়ে থাকে।
৪. পেইন্ট/ফিনিশিং ক্র্যাক
শুধুই বাহিরের লেয়ারের রং কিংবা ফিনিশিং এ ফাঁটল ধরে, মূল কাঠামো নিরাপদ থাকে।
৫. ইটের জয়েন্ট বা মেসনরি ক্র্যাক
ইট-বালুর জয়েন্টে ফাটল ধরে এটা খুব সাধারণ এবং সহজে ঠিক করা যায়।
👉 এসব ফাটল দেখে ভয় পাওয়ার কিছু নেই। রিপেয়ার করলেই সমাধান হয়ে যাবে।

ভূমিকম্পের পর এ ধরনের ক্র‍্যাক দেখলে দ্রুত বিশেষজ্ঞ এর পরামর্শ নেওয়া জরুরি
১. ফাটলের গভীরতা
ফাটল যদি ৩ মিমি এর বেশি চওড়া হয় এবং গভীর মনে হয় তাহলে সেটা স্ট্রাকচারাল হওয়ার সম্ভাবনা বেশি।
২. ফাটলের স্থান
জানালা, দরজার ফ্রেম, অথবা লোড-বিয়ারিং ওয়াল/কলাম/বিম–এর আশেপাশে ফাটল দেখা গেলে এটি সাধারণত স্ট্রাকচারাল হওয়ার সম্ভাবনা বেশি।
৩. ফাটলের ধরন
ভার্টিক্যাল ক্র‍্যাক (সোজা নিচে উপরে)
ডায়াগোনাল / ৪৫° ক্র‍্যাক
কলামে X বা Y আকারের ক্র‍্যাক
বিম বা স্ল্যাবের নিচে লম্বা ক্র‍্যাক
সিঁড়ির মতো দেখতে ক্র‍্যাক
কলাম বিম সংযোগস্থলে (Joint) ক্র্যাক
এ ধরনের ফাটল বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই স্ট্রাকচারাল হয়ে থাকে।
৪. বিল্ডিংয়ের দুই অংশের লেভেল আলাদা হওয়া (Differential Settlement after quake)
৫. যদি ফাটলের মাত্রা ধীরে ধীরে বাড়তে থাকে। এক্ষেত্রে প্রথম দিন ফাটলের পরিমাণ মেপে রাখতে হবে, কয়েকদিন পর্যবেক্ষণ করে ফাটলের মাত্রা দেখতে পারেন। যদি ফাটল বাড়ে ফাটলের মাত্রা ধীরে ধীরে বাড়তে থাকে তাহলে বিপদজনক।
👉 এ ধরণের ক্র‍্যাক হলে অবহেলা করা ঠিক হবে না।

🔍 কীভাবে বুঝবেন কোন ফাটল বিপজ্জনক?
(Quick Checks)
- ফাটল এর চওড়া 3 mm এর বেশি
- ফাটল দীর্ঘ ও গভীর
- ফাটল ধীরে ধীরে বাড়ছে
- ফাটল কি কলাম/বিম কিংবা ছাদে?

যদি এ ধরনের ফাটল হয় তবে অবশ্যই একজন স্ট্রাকচারাল ইঞ্জিনিয়ারের সাথে পরামর্শ করে দ্রুত ব্যাবস্থা নেওয়া প্রয়োজন।

অভিজ্ঞতাহীন কারও মতামত শুনে সিদ্ধান্ত নেবেন না।
প্রয়োজন ছাড়া চিপিং বা কোনো স্ট্রাকচারাল অংশ ভাঙবেন না।

✔️ কি করবেন? (Recommended Action)
১. প্রথমে জায়গাটা পরিষ্কার করে ফাটলের ছবি তুলুন।
২. ফাটলের চওড়া, গভীরতা নোট করুন।
৩. একজন সিভিল/স্ট্রাকচারাল ইঞ্জিনিয়ার কে দেখান (বিশেষ করে যারা রেট্রোফিটিং এর কাজ করেন)।
৪. ইঞ্জিনিয়ার এর পরামর্শ অনুযায়ী রিপেয়ার/রেট্রোফিট করুন।

কেন এই ঢালাই প্রয়োজনীয়:1. পানি দেয়ালে উঠে যাওয়া (Dampness) রোধ করেবাথরুমে নিয়মিত পানি পড়ে।যদি দেয়ালের নিচে সরাসরি ইট বসা...
25/11/2025

কেন এই ঢালাই প্রয়োজনীয়:

1. পানি দেয়ালে উঠে যাওয়া (Dampness) রোধ করে
বাথরুমে নিয়মিত পানি পড়ে।
যদি দেয়ালের নিচে সরাসরি ইট বসানো হয়, তাহলে ইট পানি টেনে নেয় (capillary action)।
এতে দেয়ালের রং উঠে যায়, লবণ জমে, প্লাস্টার নষ্ট হয়।
৫ ইঞ্চি RCC বেড বা কংক্রিট লেয়ার এই “পানি টানা” বন্ধ করে দেয়।

2. ওয়াটারপ্রুফিং লেয়ার বসানোর জন্য শক্ত ভিত্তি দেয়
ঢালাইয়ের উপর সহজে ওয়াটারপ্রুফিং কোটিং / মেমব্রেন / বিটুমিনাস লেয়ার দেওয়া যায়।
এতে দেয়ালের সাথে ফ্লোরের জয়েন্ট পুরোপুরি সিল করা যায়।
এই জোনটাই সবচেয়ে বেশি লিকেজপ্রবণ, তাই শক্ত ও সিল বেস দরকার।

3. ওয়ালকে ফ্লোরের ঢাল ও পানি চলাচল থেকে দূরে রাখে
বাথরুমের ফ্লোরে সাধারণত ১:১০০ ঢাল থাকে।
যদি দেয়াল ফ্লোরে বসানো হয়, ঢালের কারণে দেয়ালের একপাশে পানি জমে থাকে।
৫″ বেড দিলে দেয়াল একটু উঁচুতে উঠে যায়, ফলে পানি দেয়ালে লেগে থাকে না।

4. ওয়ালের স্থিতিশীলতা ও টাইল ফিনিশে সহায়তা করে
বাথরুমে টাইলিংয়ের সময় দেয়ালের বেস একদম সমান থাকে।
ঢালাই লেয়ার দেয়ালে চাপ সহ্য করার জন্য শক্ত ফাউন্ডেশন হিসেবে কাজ করে (যদিও স্ট্রাকচারাল নয়)।

Address

Kasba, B. Baria
Dhaka

Telephone

+8801710278903

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Thikana Construction Consultancy posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Thikana Construction Consultancy:

Share