হুল The Sting

হুল The Sting "হুল The Sting: তথ্যের অন্তরালে সত্যের সন্ধানে- খবরের ভেতরের খবর প্রকাশ করে সবার আগে"💘
(6)

24/05/2026

চামড়ার মুখ তাই বলতে পারি শেখ হাসিনা দুর্নীতিবাজ: কিন্তু এখন পর্যন্ত কেউ এটা প্রমাণ করতে পারেনি!

#শেখহাসিনা #দুর্নীতি ‌ #অভিযোগ
#ভিত্তিহীন

৫ আগস্ট শেখ হাসিনার মৃত্যু নিশ্চিত হলে ৫ লাখ মানুষ হত্যাকাণ্ডের শিকার হতো:‎পাভেল হায়দার চৌধুরীর চাঞ্চল্যকর তথ্য‎‎নিজস্ব ...
23/05/2026

৫ আগস্ট শেখ হাসিনার মৃত্যু নিশ্চিত হলে ৫ লাখ মানুষ হত্যাকাণ্ডের শিকার হতো:
‎পাভেল হায়দার চৌধুরীর চাঞ্চল্যকর তথ্য

‎নিজস্ব প্রতিবেদক | বাংলাদেশ

‎২০২৪ সালের ৫ আগস্ট বাংলাদেশের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের নেপথ্যে এক ভয়াবহ গণহত্যার ‎নীল নকশা ছিল বলে দাবি করেছেন বিশিষ্ট সাংবাদিক ও বিশ্লেষক পাভেল হায়দার চৌধুরী। তার দাবি অনুযায়ী, ওই দিন যদি শেখ হাসিনাকে হত্যা করা সম্ভব হতো, তবে দেশজুড়ে কমপক্ষে ৫ লাখ প্রগতিশীল ও মুক্তচিন্তার মানুষকে হত্যার পরিকল্পনা ছিল
‎চক্রান্তকারীদের।

‎সম্প্রতি তার নিয়মিত অনুষ্ঠান ‘জানিয়ে রাখি’-তে ৫ আগস্টের নেপথ্যের ষড়যন্ত্র নিয়ে কথা বলতে গিয়ে তিনি এসব চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ করেন।

‎৫ লাখ মানুষের জীবনের ঝুঁকি ও গণহত্যার ছক:

‎পাভেল হায়দার চৌধুরী বলেন, “৫ আগস্ট
‎পাকিস্তানপন্থী প্রজন্ম ও তাদের দোসরদের মূল লক্ষ্য কেবল আওয়ামী লীগের পতন ছিল না, বরং তাদের প্রধান মিশন ছিল শেখ হাসিনাকে লোমহর্ষকভাবে হত্যা করা। যদি সেদিন শেখ হাসিনার মৃত্যু নিশ্চিত করা যেত, তবে চক্রান্তকারীরা দেশজুড়ে কমপক্ষে ৫ লাখ মানুষকে হত্যাকাণ্ডের শিকার বানাতো।” তিনি উল্লেখ করেন, এই ৫ লাখ মানুষের তালিকায় ছিল মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী, মুক্তচিন্তার এবং প্রগতিশীল নাগরিকরা।

‎কেন সফল হয়নি সেই ভয়াবহ পরিকল্পনা? পাভেল হায়দার চৌধুরীর বিশ্লেষণে, শেখ হাসিনার ‎‘অলৌকিকভাবে’ বেঁচে যাওয়া এবং দেশত্যাগই এই বিশাল জনপদকে এক নিশ্চিত গণহত্যার ‎হাত থেকে রক্ষা করেছে। তিনি বলেন, “শেখ হাসিনা বেঁচে যাওয়ার ফলে ষড়যন্ত্রকারীদের
‎বাকি সকল কর্মযজ্ঞ আটকে যায়। বিপ্লবীদের অন্তরালের শক্তিগুলো হতাশ হয়ে পড়ে যে ‎তাদের মূল লক্ষ্য ব্যর্থ হয়েছে। আর এর মাধ্যমেই বেঁচে গেছে এদেশের লাখ লাখ প্রগতিশীল মানুষের প্রাণ।”

‎মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও প্রগতিশীলতার সুরক্ষা:

‎সংবাদ বিশ্লেষণে বলা হয়, ৫ আগস্ট কেবল ‎একটি সরকার পতনই ছিল না, বরং এটি ছিল বাংলাদেশের মূল ভিত্তি—সংবিধান, জাতীয় সংগীত এবং জাতীয় পতাকাকে নিশ্চিহ্ন করার একটি গভীর চক্রান্ত। কিন্তু শেখ হাসিনার জীবনের সুরক্ষার মধ্য দিয়েই মূলত এ দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব এবং মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস টিকে গেছে।

‎জনসাধারণের আলোচনার প্রতিফলন:

‎পাভেল হায়দার চৌধুরী তার বক্তব্যে স্পষ্ট করেন যে, এই ‎তথ্যগুলো তিনি সাধারণ মানুষের আলাপচারিতা, রাজপথের গুঞ্জন এবং শহরের বিভিন্ন স্তরের ‎মানুষের আলোচনা থেকে সংগ্রহ করেছেন। তিনি মনে করেন, ইতিহাস একসময় সাক্ষী দেবে যে ৫ আগস্টের চক্রান্তের গভীরতা কতটা ভয়াবহ ছিল এবং কীভাবে দেশ একটি বিশাল মানবিক বিপর্যয় থেকে রক্ষা পেয়েছে।

‎প্রতিবেদনের শেষে বলা হয়, ৫ আগস্টের এই নেপথ্য কাহিনীটি বর্তমান সময়ে অত্যন্ত
‎তাৎপর্যপূর্ণ। দেশবিরোধী শক্তিগুলো যে বড় ধরনের রক্তপাতের ছক কষেছিল,
‎তা নস্যাৎ হওয়ার মাধ্যমেই আজকের প্রগতিশীল সমাজ এখনো কথা বলার সাহস পাচ্ছে।

ইতিহাসের অদ্ভুত পুনরাবৃত্তি: ১৫ আগস্টের বিতর্কিত দাদা, আর ৫ আগস্টের কলঙ্কিত নাতনি!‎‎সদ্য প্রয়াত কনটেন্ট ক্রিয়েটর কারিনার...
23/05/2026

ইতিহাসের অদ্ভুত পুনরাবৃত্তি: ১৫ আগস্টের বিতর্কিত দাদা, আর ৫ আগস্টের কলঙ্কিত নাতনি!

‎সদ্য প্রয়াত কনটেন্ট ক্রিয়েটর কারিনার মৃত্যুর পর তাঁর দাদা কর্নেল হামিদের পঁচাত্তরের ভূমিকা এবং নাতনির চব্বিশের কর্মকাণ্ড নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে চলছে তুমুল বিশ্লেষণ

‎নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা। ২৩ মে ২০২৬

‎ভারতের চেন্নাইয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তরুণ কনটেন্ট ক্রিয়েটর ও অভিনেত্রী কারিনা কায়সারের অকালমৃত্যু দেশের একটি মহলে শোকের ছায়া ফেললেও, এর পাশাপাশি জন্ম দিয়েছে এক গভীর ঐতিহাসিক পর্যালোচনার। মাত্র ৩১ বছর বয়সে তাঁর এই বিদায়ের পর সচেতন মানুষ ও নেটিজেনরা মেলাতে শুরু করেছেন ইতিহাসের এক অদ্ভুত সমীকরণ। কারিনার দাদা ছিলেন ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের সময়কার তৎকালীন ঢাকা সেনানিবাসের স্টেশন কমান্ডার লে. কর্নেল (অব.) এম এ হামিদ। পঁচাত্তরে দাদার সেই বিতর্কিত ভূমিকার সঙ্গে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট নাতনি কারিনার কর্মকাণ্ডের এক বিস্ময়কর ও কলঙ্কজনক মিল খুঁজে পাচ্ছেন বিশ্লেষকেরা।

‎ইতিহাসের পাতায় একটি পরিবার কীভাবে দুটি ভিন্ন যুগে, দেশের দুটি চরম ক্রান্তিলগ্নে বিতর্কিত হিসেবে আবির্ভূত হতে পারে, তা নিয়ে এখন চলছে জোর আলোচনা।

‎দাদা ও নাতনির ঐতিহাসিক মিল: ১৫ আগস্ট ও ৫ আগস্ট

‎ইতিহাসবিদ ও বর্তমান প্রজন্মের বিশ্লেষকেরা দাদা ও নাতনির কর্মকাণ্ডের মধ্যে দুটি স্পষ্ট ঐতিহাসিক মিল তুলে ধরেছেন:

‎বধ্যভূমি পরিদর্শন বনাম গণভবন লুটপাট:

‎১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট ভোরে ঘাতকেরা যখন সপরিবারে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে হত্যা করে, তখন ঢাকা সেনানিবাসের স্টেশন কমান্ডার ছিলেন কর্নেল হামিদ। সামরিক কর্মকর্তা হিসেবে তাঁর দায়িত্ব ছিল বিদ্রোহ
দমন করা। কিন্তু তিনি তা না করে, বরং অন্যতম প্রথম ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা হিসেবে ধানমন্ডির ৩২ নম্বরে প্রবেশ করেন। সেখানে তিনি খুনি মেজরদের বাধাদানের বদলে তাঁদের পাহারায় বঙ্গবন্ধুর রক্তমাখা নিথর দেহ ঘুরে দেখেন।

‎গণভবনে উল্লাস:

‎ঠিক ৪৯ বছর পর, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা দেশত্যাগ করার পরপরই নাতনি কারিনা কায়সার ও তাঁর পরিবার (বাবা কায়সার হামিদসহ) গণভবনে প্রবেশ করেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়া ভিডিও ও সমালোচকদের দাবি অনুযায়ী, সেদিনের সেই চরম অরাজকতার সময় তাঁরা গণভবন থেকে ল্যাপটপ, ভ্যানিটি ব্যাগসহ নানা ব্যবহার্য সামগ্রী নিয়ে হাসিমুখে উল্লাস প্রকাশ করেন। দাদার মতো নাতনিও রাষ্ট্রের এক চরম বিপর্যয়ের দিনে ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন, তবে এবার নিষ্ক্রিয় দর্শক হিসেবে নয়, বরং লুটপাটের উল্লাসে।

‎নতুন শক্তির সুবিধাভোগী ও ক্ষমতার পালাবদল।

‎পঁচাত্তরের ১৫ আগস্টে বঙ্গবন্ধু নিহত হওয়ার পরপরই স্টেশন কমান্ডার কর্নেল হামিদ তৎকালীন সেনাপ্রধান জেনারেল কে এম শফিউল্লাহকে পাশ কাটিয়ে সরাসরি উপসেনাপ্রধান জিয়াউর রহমানের কাছে যান এবং তাঁকে খবরটি নিশ্চিত করেন। ইতিহাসবিদদের মতে, ক্ষমতার পালাবদলে কারা কেন্দ্রে আসছেন, তা আগে থেকেই আঁচ করতে পেরে তিনি অভ্যুত্থানকারী ও নতুন শক্তিকে সমর্থন জুগিয়েছিলেন।

‎অন্যদিকে, সমালোচকদের অভিযোগ—২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পটপরিবর্তনের ক্ষেত্রে নাতনি কারিনাও সোশ্যাল মিডিয়া ইনফ্লুয়েন্সার হিসেবে বিদেশি ‘ডিপ স্টেট’ বা নতুন শক্তির ‘সফট এজেন্ট’ হিসেবে কাজ করেছেন। তরুণ প্রজন্মের আবেগকে কাজে লাগিয়ে দেশে যে অস্থিতিশীলতা তৈরি করা হয়েছিল, তার অন্যতম অনুঘটক ছিলেন এই কনটেন্ট ক্রিয়েটররা। ক্ষমতার পটপরিবর্তনের পর তাঁরা সেই বিজয়ের সুবিধাভোগী হিসেবে নিজেদের তুলে ধরেন।

‎মোহভঙ্গ জনতার আক্ষেপ।

‎কারিনার মৃত্যু এমন এক সময়ে ঘটল, যখন সেদিনের আন্দোলনে অংশ নেওয়া অনেক সাধারণ শিক্ষার্থী ও খেটে খাওয়া মানুষের চরম মোহভঙ্গ হয়েছে। ৫ আগস্ট গণভবনে কারিনাদের মতো পরিচিত মুখদের লুটপাটের ভিডিওগুলো সাধারণ শিক্ষার্থীদের সে সময়ই চরমভাবে লজ্জিত করেছিল। আজ অনেকেই উপলব্ধি করছেন, সেদিন কোনো আদর্শিক বিপ্লব হয়নি, বরং দেশপ্রেমিক ও আপসহীন রাষ্ট্রনায়ক শেখ হাসিনাকে সরাতে একটি সুপরিকল্পিত বিদেশি এজেন্ডা বাস্তবায়িত হয়েছিল।

‎ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী রাকিবুল হাসান বলেন, "কারিনাদের মতো ইনফ্লুয়েন্সাররা সে সময় আমাদের ইমোশন নিয়ে খেলেছে। আজ বুঝি দেশের স্থিতিশীলতার জন্য শেখ হাসিনা কতটা দরকারি ছিলেন।"

‎ইতিহাসের কাঠগড়ায়।

‎মৃত্যু সব সময়ই বেদনার কারিনা কায়সারের অকালমৃত্যুতে অনেকেই তাঁর আত্মার শান্তি কামনা করছেন। কিন্তু ব্যক্তি যখন ইতিহাসের অংশ হয়ে যায়, তখন তাঁর কর্মকাণ্ডের বিচারও ইতিহাস তার নিজের নিয়মে করে।

‎পঁচাত্তরের ১৫ আগস্টে দায়িত্বহীনতা ও খুনিদের প্রতি প্রচ্ছন্ন সমর্থনের কারণে দাদা কর্নেল হামিদ যেমন ইতিহাসের পাতায় আজীবন এক সুবিধাবাদী চরিত্র হিসেবে চিহ্নিত, ঠিক তেমনি চব্বিশের 5 আগস্টে রাষ্ট্রীয় সম্পদের অবমাননা ও গণভবনের লুটপাটের কারণে নাতনি কারিনাও এক কলঙ্কজনক অধ্যায়ের সাক্ষী হয়ে রইলেন। ইতিহাসের এই নির্মম পুনরাবৃত্তি যেন প্রমাণ করে—সময় বদলে গেলেও, কিছু মানুষের সুবিধাবাদী চরিত্র ও বিতর্কিত ভূমিকা অপরিবর্তিতই থেকে যায়।
#ইতিহাসের #পুনরাবৃত্তি #বিতর্কিত

23/05/2026

What was my crime? Ramisa


22/05/2026

কিল/ঘুষি/ডিম থেরাপী খেয়ে ফাঁকা আওয়াজ দিচ্ছে মব সৃষ্টিকারী জুলাই সন্ত্রাসী ইউনূস গং


‎"সহানুভূতির (Corruption) এ ভুক্তভোগীরা যেভাবে ভুলে যায় ন্যায় বিচারের দাবি"‎‎স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী: তিনি একটি বিষয়ে সতর্ক...
22/05/2026

‎"সহানুভূতির (Corruption) এ ভুক্তভোগীরা যেভাবে ভুলে যায় ন্যায় বিচারের দাবি"

‎স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী: তিনি একটি বিষয়ে সতর্ক করে বলেন, সাময়িক জনক্ষোভ মেটাতে গিয়ে আবেগতাড়িত হয়ে চটজলদি কোনো বিশেষ আইন বা বিশেষ আদালত গঠন করা সবসময় সমীচীন নয়। অতি সংক্ষিপ্ত বিচারের নামে যেন কোনো 'অবিচার' বা কঠোর আইনের অপব্যবহার না হয়, সেদিকেও লক্ষ্য রাখতে হবে। নতুন আদালত সৃষ্টির চেয়ে বিদ্যমান 'নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল'-এর সক্ষমতা বৃদ্ধি করাই বেশি যৌক্তিক।

‎প্রকাশ্যে মৃত্যুদণ্ড প্রসঙ্গে মন্তব্য: সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অপরাধীকে প্রকাশ্যে জনসম্মুখে শাস্তি দেওয়ার দাবির পরিপ্রেক্ষিতে তিনি মন্তব্য করেন যে, আমরা এখন আর মধ্যযুগে নেই, তাই 'প্রকাশ্যে মৃত্যুদণ্ড' দেওয়ার বিষয়টি একটি মধ্যযুগীয় প্রথা।

‎আইন বিভাগ: শুক্রবার (২২ মে, ২০২৬) ঢাকা আইনজীবী সমিতির কার্যনির্বাহী কমিটির জরুরি বৈঠক শেষে ঘোষণা করা হয়েছে যে, ঢাকা বারের কোনো সদস্য বা আইনজীবী শিশু রামিসার হত্যাকারী ও ধর্ষক সোহেল রানার পক্ষে আদালতে দাঁড়াবেন না। কিন্তু আইনি বিভাগ বলে যদি কোন আইনজীবী অপরাধী সোহেলের পক্ষে না দাঁড়ায় তাহলে নিয়ম অনুযায়ী রাষ্ট্রীয়ভাবে অপরাধী সোহেলের পক্ষে আইনজীবী নিয়োগ দেওয়া হবে কেননা প্রতিটা নাগরিকের আইনী সহায়তা পাওয়ার অধিকার আছে।

‎প্রধানমন্ত্রী: বড় বোনের পড়াশোনা ও ভবিষ্যতের দায়িত্ব: রামিসার বড় বোন রাইসা আক্তারের জীবন যেন ব্যাহত না হয়, সেজন্য তার আজীবনের সমস্ত পড়াশোনার খরচ এবং আনুষঙ্গিক যাবতীয় ব্যয়ের সম্পূর্ণ দায়িত্ব নিজে নেওয়ার ঘোষণা দেন প্রধানমন্ত্রী।

‎নিরাপদ আশ্রয়স্থলের ব্যবস্থা: শোকবিহ্বল ও আতঙ্কিত বাবা-মা এবং বড় বোনের জন্য একটি স্থায়ী ও নিরাপদ বাসস্থান বা আশ্রয়স্থলের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে প্রধানমন্ত্রী তাদের জন্য একটি নিরাপদ আবাসন নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতি দেন।

‎সুশীল নাগরিকরা যা করবে: প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া এই প্রতিশ্রুতিকে কেন্দ্র করে এখন ওয়ার্ড কাউন্সিলর থেকে শুরু করে সব ধরনের দলীয় নেতাকর্মী এই ভুক্তভোগী পরিবারকে বিভিন্ন সান্তনা দেবে যেহেতু প্রধানমন্ত্রী আপনাদেরকে অনেক সুন্দর সুন্দর প্রতিশ্রুতি দিয়েছে সুতরাং আপনারা আর মিডিয়ার কাছে বা সাধারণ জনগণের কাছে নতুন কিছু বলিয়েন না এভাবে বিভিন্ন ধরনের সহানুভূতি দেখাবে একপর্যায়ে ভুক্তভোগীরাও এটা মেনে নিবে, তারাও ধারণা করবে যা হবার তা তো হয়ে গেছে আমার মেয়ে তো আর ফেরত আসবেনা সুতরাং অন্য সন্তানটার ভবিষ্যৎ যেন ভালো হয় সেটাই করি।‎(এটা শুধু রামিসার বাবা-মা নয় সবারই কাম্য)
‎এভাবে সুশীলদের সহানুভূতির (Corruption) এ ভুক্তভোগীরা ভুলে যায় ন্যায় বিচারের দাবি।

‎অন্যদিকে নিজ থেকে ঘাতকের অপরাধ শিকার যেটাতে ঘাতক পুলিশের টর্চার এবং রিমান্ড থেকে মুক্তি লাভ করে, অন্যদিকে আইনি প্রক্রিয়ার বেড়াজালে বিজ্ঞ আদালতের কাছে বিচার প্রক্রিয়া কতটা তরান্বিত এবং কি ধরনের দন্ড/রায় প্রকাশ করে এটা দেখার অপেক্ষায় সাধারণ জনগণ।

সূত্র: প্রথম আলো‌ | কালের কন্ঠ| আজকের কন্ঠ

রামিসা হত্যা: ইনকিলাব মঞ্চের প্রয়াত মুখপাত্র হাদির ‘অন্ধ ভক্ত’ ছিলেন ঘাতক সোহেল!?‎‎নিজস্ব প্রতিবেদক | ঢাকা‎‎রাজধানীর মির...
22/05/2026

রামিসা হত্যা: ইনকিলাব মঞ্চের প্রয়াত মুখপাত্র হাদির ‘অন্ধ ভক্ত’ ছিলেন ঘাতক সোহেল!?

‎নিজস্ব প্রতিবেদক | ঢাকা

‎রাজধানীর মিরপুরের পল্লবীতে আট বছরের শিশু রামিসা আক্তারকে ধর্ষণ ও নৃশংসভাবে ‎হত্যার ঘটনায় গ্রেপ্তার হওয়া সোহেল রানার রাজনৈতিক ও উগ্র আদর্শিক পরিচয় নিয়ে চাঞ্চল্যকর তথ্য পাওয়া গেছে।

‎স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি ও তাঁর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের কর্মকাণ্ড বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, অভিযুক্ত সোহেল ইনকিলাব মঞ্চের প্রয়াত মুখপাত্র ওসমান হাদির কট্টর অনুসারী ছিলেন এবং সক্রিয়ভাবে জামায়াতে ইসলামীর রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।

‎এলাকাবাসী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্যমতে, গত জাতীয় নির্বাচনের সময় সোহেল স্থানীয় ওয়ার্ড পর্যায়ে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীর পক্ষে জানপ্রাণ দিয়ে কাজ করেছেন। মিরপুরের কালশী ও ১১ নম্বর সেকশনের বিভিন্ন আবাসিক ভবনে ঘুরে ঘুরে তিনি ‘দাঁড়িপাল্লা’ প্রতীকের লিফলেট বিতরণ করতেন। রুবেল মোল্লা নামে স্থানীয় এক বাসিন্দা বলেন, ‘সোহেল নিয়মিত আমাদের এখানে এসে দাঁড়িপাল্লার পক্ষে ভোট চাইতেন। তিনি বলতেন, দেশে কোরআনের শাসন কায়েম করতে হবে। নিজেকে অত্যন্ত ধর্মপ্রাণ
‎হিসেবে জাহির করতেন তিনি।’

‎রহিমা খাতুন নামে এক গৃহকর্মী জানান, নির্বাচনের সময় সোহেল তাঁর স্বামীর কাছে ভোট ‎চাইতে এসে বলেছিলেন, ‘যদি ইসলামে বিশ্বাস করেন, তবে অবশ্যই দাঁড়িপাল্লায় ভোট দিতে হবে।’

‎সোহেলের ডিজিটাল কর্মকাণ্ড পর্যালোচনা করে দেখা যায়, তিনি ইনকিলাব মঞ্চের প্রয়াত মুখপাত্র এবং আলোচিত ব্যক্তিত্ব ওসমান হাদিকে নিজের ‘আদর্শ’ বলে মানতেন। ওসমান হাদির প্রতিটি উসকানিমূলক বক্তব্য তিনি নিয়মিত প্রচার করতেন। এমনকি ‎হাদির অত্যন্ত বিতর্কিত ও অশালীন স্লোগান ‘শাওয়া মাওয়া ছিঁড়ে ফেলতে হবে’-এর পক্ষেও নিয়মিত ফেসবুকে সাফাই গাইতেন সোহেল। এছাড়া তিনি নিয়মিত মিজানুর রহমান আজহারী ও আহমদুল্লাহর ওয়াজের ভিডিও শেয়ার করতেন।

‎অনুসন্ধানে আরও দেখা যায়, সোহেল জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের চরম ‎বিরোধী ছিলেন। তাঁর ফেসবুক প্রোফাইল থেকে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ফাঁসি দাবি করে একাধিকবার ঔদ্ধত্যপূর্ণ ও উসকানিমূলক পোস্ট দেওয়া হয়েছে।

‎যেভাবে হত্যা করা হয় শিশু রামিসাকে মামলার বিবরণ ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত ১৯ মে সকাল সাড়ে ৯টার দিকে পপুলার মডেল হাই স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী রামিসা আক্তার স্কুল ড্রেস পরে বাসা থেকে বের হয়। এ সময় প্রতিবেশী সোহেল ও তাঁর স্ত্রী ‎স্বপ্না আক্তার কৌশলে তাকে তাঁদের ফ্ল্যাটে ডেকে নিয়ে যান। সেখানে সোহেল শিশুটিকে বাথরুমে আটকে রেখে ধর্ষণ করেন। ধর্ষণের বিষয়টি জানাজানি হয়ে যাওয়ার ভয়ে সোহেল অত্যন্ত নৃশংসভাবে রামিসাকে শ্বাসরোধে হত্যা করেন। পরে প্রমাণ লোপাটের ‎জন্য ধারালো ছুরি দিয়ে রামিসার মাথা দেহ থেকে বিচ্ছিন্ন করে ফেলেন। দেহটি খাটের নিচে লুকিয়ে রাখা হয় এবং খণ্ডিত মাথাটি বাথরুমের একটি বালতির ভেতর লুকিয়ে রাখা ‎হয়।

‎বাবার করুণ আক্ষেপ হৃদয়বিদারক এই ঘটনায় রামিসার বাবা আবদুল হান্নান মোল্লা বিচার ‎ব্যবস্থার প্রতি তীব্র অনাস্থা ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তিনি গণমাধ্যমকর্মীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়ে বলেন, ‘আমি বিচার চাই না, কারণ আপনারা বিচার করতে পারবেন ‎না। আপনাদের বিচার করার কোনো রেকর্ড নেই। আমার মেয়ে তো আর ফিরে আসবে না। ‎বড়জোর ১৫ দিন এই ঘটনা নিয়ে আলোচনা হবে, তারপর নতুন কোনো ঘটনা ঘটলে এটা ‎ধামাচাপা পড়ে যাবে।’ বাবার এই আক্ষেপ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করেছে।

‎পল্লবী থানা পুলিশ জানায়, ঘটনার পর সোহেল জানালার গ্রিল কেটে পালিয়ে গেলেও ‎তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় তাঁকে নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। আদালতে দেওয়া স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে সোহেল নিজের অপরাধ স্বীকার করেছেন। বর্তমানে তিনি কারাগারে রয়েছেন। স্থানীয় সচেতন মহল এই পৈশাচিক হত্যাকাণ্ডের দ্রুত বিচার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

সূত্র: দৈনিক আজকের কন্ঠ

‎"অভিযুক্ত সোহেলকে গত নির্বাচনে জামাতের প্রার্থীর পক্ষে স্থানীয় ওয়ার্ড পর্যায়ে ও বিল্ডিংয়ে বিল্ডিংয়ে লিফলেট বিতরণ করতে দ...
22/05/2026

‎"অভিযুক্ত সোহেলকে গত নির্বাচনে জামাতের প্রার্থীর পক্ষে স্থানীয় ওয়ার্ড পর্যায়ে ও বিল্ডিংয়ে বিল্ডিংয়ে লিফলেট বিতরণ করতে দেখা গেছে বলে জানিয়েছেন এলাকাবাসী। রুবেল মোল্লা নামে এক বাসিন্দা জানান, তিনি নিয়মিত দাঁড়িপাল্লার পক্ষে ভোট চাইতেন ও মানুষকে কোরানের শাসনের ব্যাপারে সচেতন করতেন। রহিমা খাতুন নামে এক গৃহকর্মী জানান, তার স্বামীর কাছে অভিযুক্ত ব্যক্তি গত নির্বাচনে ভোট চাইতে এসেছিলেন। বলেছিলেন, ইসলামে বিশ্বাস করলে দাঁড়িপাল্লায় ভোট দিতে হবে।

‎এ ছাড়া আসামী সোহেলের ফেসবুক ঘেঁটে দেখা গেছে, তিনি নিয়মিত আহমদুল্লাহ ও মিজানুর রহমান আজহারীর ওয়াজের ভিডিও শেয়ার দিতেন। ওসমান হাদীর পক্ষেও তার একাধিক পোস্ট রয়েছে।"


"পাকিস্তান ও বাংলাদেশে ‘রেজিম চেঞ্জ’ করছে  মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র!"‎‎নিজস্ব প্রতিবেদক | ঢাকা‎‎পাকিস্তান ও বাংলাদেশে নির্বা...
21/05/2026

"পাকিস্তান ও বাংলাদেশে ‘রেজিম চেঞ্জ’ করছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র!"

‎নিজস্ব প্রতিবেদক | ঢাকা

‎পাকিস্তান ও বাংলাদেশে নির্বাচিত সরকার পতনের নেপথ্যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের
‎সরাসরি ভূমিকা ছিল কি না, তা নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। বিশেষ
‎করে মার্কিন কর্মকর্তা ডোনাল্ড লুর ভূমিকা এবং সম্প্রতি ফাঁস হওয়া গোপন
‎কূটনৈতিক তারবার্তা (সাইফার) এই বিতর্ককে নতুন মাত্রা দিয়েছে। সাংবাদিক ও বিশ্লেষক নবনীতা চৌধুরী তাঁর সাম্প্রতিক এক বয়ানে এই দুই দেশের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের একটি তুলনামূলক চিত্র তুলে ধরেছেন।

‎পাকিস্তানের ‘সাইফার গেট’ ও ডোনাল্ড লু ২০২২ সালের এপ্রিলে পাকিস্তানে ইমরান খান
‎সরকারের পতন ঘটে একটি অনাস্থা ভোটের মাধ্যমে। ইমরান খান শুরু থেকেই দাবি করে ‎আসছিলেন, তাঁর পতনের নেপথ্যে ওয়াশিংটনে বসে কলকাঠি নেড়েছেন মার্কিন দক্ষিণ ও মধ্য
‎এশিয়া বিষয়ক সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডোনাল্ড লু। সম্প্রতি ‘ড্রপ সাইট’ নামক একটি ‎তদন্ত সংস্থা ‘কেবল আই ০৬৭৮’ নামক একটি গোপন নথি প্রকাশ করেছে।

‎ফাঁস হওয়া ওই নথিতে দেখা যায়, ডোনাল্ড লু পাকিস্তানের তৎকালীন রাষ্ট্রদূত আসাদ মজিদ ‎খানের সঙ্গে এক বৈঠকে ইউক্রেন যুদ্ধে ইমরানের নিরপেক্ষ অবস্থানের বিষয়ে কড়া অসন্তোষ ‎প্রকাশ করেছিলেন। লু সরাসরি ইঙ্গিত দিয়েছিলেন যে, ইমরান খানকে অনাস্থা ভোটে সরিয়ে ‎দেওয়া হলে ওয়াশিংটন সবকিছু ‘ক্ষমা’ করে দেবে এবং দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক পুনর্গঠন করবে।

‎বাংলাদেশের প্রেক্ষাপট ও জেফ্রি স্যাক্সের বিশ্লেষণ পাকিস্তানের এই ‘রেজিম চেঞ্জ’
‎বা সরকার পরিবর্তনের কায়দার সঙ্গে ২০২৪ সালের আগস্টে বাংলাদেশে শেখ হাসিনা ‎সরকারের পতনের সরাসরি মিল খুঁজে পাচ্ছেন অনেক বিশ্লেষক। বিশ্বখ্যাত
‎মার্কিন অর্থনীতিবিদ ও অধ্যাপক জেফ্রি স্যাক্স সম্প্রতি জাতিসংঘকে এ ‎বিষয়ে তদন্ত করার আহ্বান জানিয়েছেন। স্যাক্সের মতে, ২০২২ সালে পাকিস্তানে
‎যেভাবে নির্বাচিত সরকার হটানো হয়েছে, ঠিক একই ছকে ২০২৪-এ বাংলাদেশেও
‎পটপরিবর্তন ঘটেছে।

‎ফরহাদ মজহারের স্বীকারোক্তি বাংলাদেশের এই রাজনৈতিক পরিবর্তনের নেপথ্যে মার্কিন ‎সহায়তার বিষয়টি সম্প্রতি উঠে এসেছে জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের অন্যতম তাত্ত্বিক ‎নেতা ফরহাদ মজহারের কথায়। সমকালকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি স্বীকার করেছেন যে, এই
‎গণ-অভ্যুত্থানটি মূলত মার্কিন সহায়তায় একটি ‘রেজিম চেঞ্জ’ ছিল। তিনি উল্লেখ করেন, ‎পাকিস্তানে ইমরান পতনের যে শক্ত প্রমাণ পাওয়া গেছে, বাংলাদেশেও একই ধরনের ঘটনা ‎ঘটার সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া যায় না।

‎ভৌগোলিক স্বার্থ ও চুক্তির টানাপোড়েন সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা একাধিকবার ‎সংবাদমাধ্যমের সামনে দাবি করেছিলেন যে, সেন্ট মার্টিনের নিয়ন্ত্রণ,
‎বঙ্গোপসাগরে তেল-গ্যাস অনুসন্ধান এবং আকসা (ACSA) ও সোফিয়া (SOFA)
‎এর মতো প্রতিরক্ষা চুক্তি সই না করার কারণেই তাঁর ওপর মার্কিন চাপ তৈরি হয়েছিল। ‎বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ও তারেক রহমান জোট এই চুক্তিগুলোর দিকে এগোচ্ছে ‎কি না, তা নিয়ে জনমনে প্রশ্ন রয়েছে। নবনীতা চৌধুরীর মতে, বর্তমান পরিস্থিতিতে ‎মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র কেন আওয়ামী লীগকে পুনরায় রাজনীতিতে ফেরার ‘গ্রিন ‎সিগন্যাল’ দেবে, তা নিয়ে সংশয় রয়েছে।

‎ট্রাম্প আমলের নতুন সমীকরণ বাইডেন প্রশাসনের বিদায় এবং ডোনাল্ড ট্রাম্পের আসন্ন ‎মেয়াদে দক্ষিণ এশিয়ায় মার্কিন নীতিতে পরিবর্তনের আভাস পাওয়া যাচ্ছে।
‎ডোনাল্ড লুর জায়গায় আসছেন ভারতীয় বংশোদ্ভূত পল কাপুর, যিনি দীর্ঘকাল
‎ধরে পাকিস্তানে জঙ্গিবাদের বিস্তার নিয়ে কাজ করেছেন। এছাড়া ট্রাম্পের গোয়েন্দা
‎প্রধান তুলসী গ্যাবার্ডও বাংলাদেশে উগ্রবাদী গোষ্ঠীর উত্থান নিয়ে উদ্বেগ
‎প্রকাশ করেছেন। পল কাপুর ভারতকে এই অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে ‎‘নির্ভরযোগ্য বন্ধু’ হিসেবে চিহ্নিত করেছেন, যা বাংলাদেশের ‎রাজনীতিতে নতুন প্রভাব ফেলতে পারে।

‎বয়ানটির সমাপ্তিতে বলা হয়, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র কার বন্ধু আর কার শত্রু, তা বোঝা বড়ই কঠিন। চীনের সঙ্গে অতিরিক্ত ঘনিষ্ঠতা পাকিস্তান ও বাংলাদেশ—উভয় দেশের সরকার প্রধানের বিদায়ের পেছনে একটি বড় কারণ ছিল বলে মনে করা হচ্ছে। ‎আন্তর্জাতিক রাজনীতির এই জটিল দাবার চালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান
‎অবস্থান শেষ পর্যন্ত কোন দিকে যায়, তা-ই এখন দেখার বিষয়।



‎"সেন্টমার্টিন-সোনাদিয়া-মাতারবাড়ি থেকে চট্টগ্রাম বন্দর: মার্কিন ইন্দোপ্যাসিফিক কমান্ডের বাংলাদেশ দখলের ধাপে ধাপে অগ্রযা...
21/05/2026

‎"সেন্টমার্টিন-সোনাদিয়া-মাতারবাড়ি থেকে চট্টগ্রাম বন্দর: মার্কিন ইন্দোপ্যাসিফিক কমান্ডের বাংলাদেশ দখলের ধাপে ধাপে অগ্রযাত্রা। বন্দর-বিমানঘাঁটি মার্কিনীদের হাতে তুলে দেওয়ার চূড়ান্ত মুহূর্তে বাংলাদেশ"

‎Marine Insight নামক আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক (maritime) ও শিপিংভিত্তিক অনলাইন পোর্টাল ১৫ই মে ২০২৬ প্রকাশ করেছে “যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশ প্রতিরক্ষা চুক্তি স্বাক্ষর করতে যাচ্ছে, যার ফলে আমেরিকা বঙ্গোপসাগরে তার নৌযুদ্ধজাহাজ মোতায়েন করতে পারবে।”

‎অন্যদিকে MILITARNYI নামক ইউক্রেনভিত্তিক একটি সামরিক ও প্রতিরক্ষা বিষয়ক সংবাদমাধ্যম প্রকাশ করেছে “বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্র কৌশলগত প্রতিরক্ষা চুক্তি স্বাক্ষরের চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। এই চুক্তির আওতায় মার্কিন সামরিক বাহিনী বাংলাদেশের বন্দর ও বিমানঘাঁটি ব্যবহারের সুযোগ পাবে। ২০২৬ সালের ৫ থেকে ৭ মে মার্কিন বাণিজ্য প্রতিনিধি দফতরের একটি প্রতিনিধিদল ঢাকা সফর করে। সেই সফরে দুই দেশ ইতোপূর্বে স্বাক্ষরিত পারস্পরিক বাণিজ্য চুক্তির (ART — Agreement on Reciprocal Trade) বাস্তবায়নের শর্তাবলি নিয়ে আলোচনা করে।”

‎প্রসঙ্গত, অনুসন্ধানে দেখা যাচ্ছে এই প্রতিবেদনগুলোর পটভূমিতে রয়েছে দুটি নির্দিষ্ট চুক্তি — ACSA (Acquisition and Cross-Servicing Agreement), যা স্বাক্ষরিত হলে মার্কিন যুদ্ধজাহাজ ও বিমান চট্টগ্রাম ও মাতারবাড়িসহ বাংলাদেশের বন্দর ও বিমানঘাঁটি রক্ষণাবেক্ষণ, জ্বালানি সংগ্রহ ও সরবরাহের কাজে ব্যবহার করতে পারবে; এবং GSOMIA (General Security of Military Information Agreement), যা গোয়েন্দা তথ্য আদান-প্রদানের সুযোগ দেবে এবং বঙ্গোপসাগরের বাংলাদেশ অংশের সীমায় অবস্থান নিয়ে বঙ্গোপসাগরের অন্যদেশগুলোর অংশ (ভারত ও মায়ানমার) ও ভারত মহাসাগরের রুটে যুক্তরাষ্ট্রের নজরদারি (চীনের পণ্যবাহী ও সামরিক জাহাজ) বিস্তৃত করবে।

‎এই টপিকে, বছর দেড়েক আগে, ২০২৪ সালের ৫ ডিসেম্বর “GSOMIA এবং ACSA চুক্তি সরাসরি নাকচ, ফলে আমেরিকার সাথে পূর্ণ দ্বৈরথ শেখ হাসিনার!” শিরোনামে আমি বিস্তারিত লিখেছিলাম কোন্ কোন্ বিষয় নিয়ে বাংলাদেশের তৎকালীন সরকার প্রধান শেখ হাসিনার উপর মার্কিন প্রশাসন ক্ষুব্ধ হয়েছিল এবং ফাইনালি শেখ হাসিনাকে হত্যার নকশা এঁকেছিল।
‎প্রথমে ইউনুসের মাধ্যমে প্লট তৈরি করে, এবং বর্তমানে তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকারের সাথে একই ধরণের চুক্তি করতে যাচ্ছে যাতে বাংলাদেশের সমুদ্রসীমায় মার্কিন ইন্দোপ্যাসিফিক কমাণ্ডের যুদ্ধ জাহাজগুলো বাংলাদেশে অবাদে বিচরণ করতে পারে এবং বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব লঙ্ঘন করে বাংলাদেশে অবস্থান নিতে পারে। এই কাজ করার প্লট তৈরির অংশ হিসেবে 'সোনাদিয়ায় রেয়ার আর্থ মেটারিয়ালের বিপুল রিজার্ভ পাওয়া গিয়েছে এবং তা রক্ষায় মার্কিন-পাকিস্তান-তুরস্কের সামরিক বাহিনীকে বাংলাদেশের সোনাদিয়ায় স্থান দিতে হবে মর্মে ফরমায়েশি প্রপাগাণ্ডা নিউজ বাংলাদেশের ইলেকট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়ায় প্রচার করা হয়। তখন পুরো বাংলাদেশের মধ্যে সর্বপ্রথম আমি ৭ নভেম্বর ২০২৫-এ "সোনাদিয়া নিয়ে নতুন ভূ-রাজনীতি: রেয়ার আর্থ রিজার্ভের মিথ্যা প্রপাগাণ্ডার আড়ালে বিদেশীদের দখল দেওয়ার চক্রান্ত" শিরোনামে একটি লেখার মাধ্যমে এই চক্রান্তের প্রকাশ্য প্রতিবাদ করে আসল ব্যাপারটি জনসম্মুখে উন্মোচন করি। তখন বেশ কয়েকজন কর্মকর্তা আমার আত্মীয়-স্বজনদের বিভিন্ন মারফতে হুমকিধামকি দেয়। এসব দুর্নীতিগ্রস্থ মিলিটারি কর্মকর্তারা জানেই না তাদের বাহিনীর প্রধানরা শেখ হাসিনাকে উৎখাতের পরপরই মার্কিন আমেরিকা ও কানাডায় কয়েকটি বাগান বাড়ি উপহার পেয়েছে, বউ সন্তানদের নামের বিদেশী ব্যাংক একাউন্ট গুলোতে মিলিয়ন মিলিয়ন ডলার জমা হয়েছে, সাথে নিজে ও তার পরিবারের সকল সদস্য আগামী দশ বছরের জন্য মার্কিন আমেরিকা, ব্রিটেন ও কানাডার ভিসা পেয়েছে। প্রশ্ন হচ্ছে সামরিক বাহিনীর এসব কর্মকর্তাদের মাসিক বেতন ও পারিতোষিক খরচ মোট কত টাকা? তারা ৮৮ হাজার ডলারের সেমিস্টার খরচে (৯০-৯৫ লক্ষাধিক টাকা / প্রতি ৪ মাস) ছেলেমেয়েদের বিদেশে পড়ায় কিভাবে? এর বাইরে থাকা-খাওয়ার খরচতো রয়েছেই। তাদের ছেলে মেয়েরা স্কলারশিপে বিদেশে পড়ে তাওতো নয়।

‎এই ক'মাসে তারেক জিয়ার নেতৃত্বাধীন বিএনপি জোটের সরকার ও জামাতের আমীর ডা. শফিকের নেতৃত্বাধীন বিরোধী দলীয় জোটের (এনসিপি সহ) কার্যক্রমে নিশ্চয়ই বুঝতে পেরেছেন বিশ্ববাটপার ড. ইউনুসের রেখে যাওয়া মার্কিন স্বার্থসংশ্লিষ্ট বাকী অসমাপ্ত কাজগুলো করার জন্যই এরা সরকারী দল ও বিরোধী দলের আসনগুলো দখলে নিয়েছে এবং এদের চালিকাশক্তির চাবি ও ফুয়েল ঢাকার বারিধারায় অবস্থিত মার্কিন দূতাবাসে; সুনির্দিষ্ট করে বললে তারেক রহমানের গুলশানের বাসার কাছাকাছি মার্কিন রাষ্ট্রদূতের ভাড়া নেওয়া আবাসিক ভবনের ভিতরে। সেখান থেকেই সব নাজিল হয়।
‎শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর ঢাকা মহানগর জামাতের সেক্রেটারি শফিকুল ইসলাম মাসুদ একটি টক-শোতে বলেছিল 'আমাদের টার্গেট বঙ্গ ভবন ও চুপ্পু না, আমাদের টার্গেট গণভবনও না। আমাদের টার্গেট ছিল শেখ হাসিনা। তার জন্য (শেখ হাসিনা) আমরা বাংলাদেশের ভিতর কোথাও মুভ করতে, মুভমেন্ট করতে পারছিলাম না। তাকে এট্যাক করা, শেখ হাসিনাকে সরিয়ে দেওয়াই আমাদের একমাত্র উদ্দেশ্য ছিল'। পাঠকবৃন্দ, আপনি চোখ বন্ধ করে মার্কিন সামরিক পোশাক পরিহিত সাদা বা কালো চামড়ার কোন অফিসারকে কল্পনা করুন এবং শফিকুল ইসলাম মাসুদের এই ডায়ালগ সেই কাল্পনিক মার্কিন সামরিক অফিসারের মুখ দিয়ে বলছে হিসেবে ভিজুয়ালাইজ করুন।
‎কি? কি মনে হচ্ছে? এক্সেক্টলি যা ভাবছেন তাই। এদেশে ইসলাম ধর্মভিত্তিক রাজনীতি যারা করে তারা মূলত পাক-মার্কিন এজেন্ডা বাস্তবায়নের সৈনিক যাদের আবার ব্যাকাপ দেয় বাংলাদেশের সামরিক বাহিনীর ডলার খোর অংশ যারা সময়ে সময়ে কেজি দরে দেশ বিক্রি করে দেয় ও বিক্রি করে দেওয়ার জন্য উন্মুখ হয়ে থাকে।

‎এবার চিন্তা করুন, কেন শেখ হাসিনাকে বাদ দিয়ে রিফাইন্ড আওয়ামী লীগ গঠনের চেষ্টা করা হয়েছিল বা কথা তুলেছিল? কেন এখনো আওয়ামী লীগের সমর্থক দাবি করা কিছু লোক যারা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয় সহ অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পাস করে মার্কিন মুলুকে উচ্চতর পর্যায়ে পড়তে যাওয়া ভেড়ার দল 'আওয়ামী লীগ থাকুক, কিন্তু শেখ হাসিনাকে চাই না' ক্যাম্পেইন সোশ্যাল মিডিয়ায় চালু রেখেছে এবং কয়েকদিন পরপর এধরণের ন্যারেটিভকে শক্তি দিতে বিভিন্ন ছ্যাবলামি প্রসব করে। কারণ, মার্কিনীরা ও তাদের এদেশীয় চাকর-নফররা জানে শেখ হাসিনা জীবদ্দশায় বাংলাদেশের ভিতর কোন বিদেশী সামরিক বাহিনীকে দখল নিতে দিবে না। শেখ হাসিনা যেকোন উপায়ে তৃণমূলের কর্মীসমর্থকদের মাধ্যমে জনগণকে সাথে নিয়ে এসব দেশ বিরোধী চক্রান্ত (বিদেশী বাহিনীর বাংলাদেশে অবস্থান) প্রতিহত করবেন যেমনটা করেছিলেন ২০০১-০৬ সালে (তখনো প্রপাগাণ্ডা ছড়ানো হয়েছিল 'গ্যাসের মহাসাগরে ভাসছে দেশ'। উত্তোলন করতে মার্কিনীদের বাংলাদেশে আনা প্রয়োজন ইত্যাদি)। শেখ হাসিনার ভরসা আওয়ামী লীগ ও অঙ্গসহযোগী সংগঠনের পোস্টেড নেতারা নয়। শেখ হাসিনার ভরসা পোস্ট পদবী বিহীন দেশ পাগল তৃণমূলের কোটি কোটি সাধারণ মানুষ। এসব কোটি কোটি দেশপ্রেমিক সাধারণ মানুষেরও ভরসা একমাত্র শেখ হাসিনায়। তারাও চোখ বন্ধ করে বিশ্বাস করে, অন্যরা যে যাই করুক, শেখ হাসিনা বাংলাদেশটাকে বিদেশীদের দ্বারা ক্ষতবিক্ষত হতে দিবেন না।

‎শেখ হাসিনা এমনি এমনি বলেননি 'আমাকে ছাড়া বাকী সবাইকে কেনা যায়'। এর উদাহরণ আমরা পাই ১৯৭৫ সাল থেকে। তখনো বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর পাক-মার্কিন এজেন্ডা বাস্তবায়নের ঠিকাদারি নিয়েছিল খন্দকার মোস্তাকের নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগের একাংশ, সাথে যোগ হয়েছিল অন্যান্য সংগঠনের সিআইএ এজেন্টরা।

‎এটা প্রমাণিত যে 'বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব ছিলেন স্বাধীনতার মূর্ত প্রতীক; আর শেখ হাসিনা দেশের স্বার্বভৌমত্ব রক্ষার ও জাতীয়তাবাদের মূর্তপ্রতীক ও স্তম্ভ'। আওয়ামী লীগ ওদের সমস্যা নয়, সমস্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগ। সুতরাং 'শেখ হাসিনাকে হয় মেরে ফেলো (যেটা তারা ৫ আগস্ট ২০২৪ ও এর পূর্বে ২১ আগস্ট ২০০৪ করতে চেয়েছিল), নতুবা আওয়ামী লীগ থেকে শেখ হাসিনাকে সরিয়ে দাও'। এটাই পাক-মার্কিন জোট ও তাদের এদেশীয় মোল্লা-মিলিটারি-সিভিল সোসাইটি গং ও চাকর-নফরদের উদ্দেশ্য। এই কারণে বিভিন্ন স্তরে শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে বদনাম রটিয়ে প্রপাগাণ্ডা চালিয়ে জনমত তৈরির চেষ্টা করা হয়েছে যাতে শেখ হাসিনা ছাড়া রিফাইন্ড আওয়ামী লীগ গঠনের চেষ্টা সহজ হয়। ইতিহাস ঘেটে দেখুন - ১৯৭০ সালে মানুষ শেখ মুজিবকে (মুজিব ভাই/ শেখ সাহেব) ভোট দিয়েছিল, পুরোপুরি আওয়ামী লীগকে নয়। ৭০ এর নির্বাচনে মানুষ মুজিবকে ভোট দিয়েছে, নৌকাকে নয়। বর্তমানে শেখ হাসিনাও তাই এবং এই ব্যাপারটি ওরা (দেশী-বিদেশী ডিপস্টেট) খুব ভালমতো জানে ও বুঝে।

চৌধুরী মুজাহিদুল হক সৌরভ
‎পিএইচডি ফেলো, ইন্টারন্যাশনাল ট্রেড এণ্ড জিওপলিটিক্স,


মৃত্যুর দুদিন আগে এক ভিডিও বার্তায় জুলাই আন্দোলনের কর্মী কারিনা কায়সার অভিযোগ করেন যে, নাহিদ হাসনাতের নেতৃত্বাধীন ন্যাশ...
20/05/2026

মৃত্যুর দুদিন আগে এক ভিডিও বার্তায় জুলাই আন্দোলনের কর্মী কারিনা কায়সার অভিযোগ করেন যে, নাহিদ হাসনাতের নেতৃত্বাধীন ন্যাশনাল সিটিজেন পার্টির (এনসিপি) পেছনে গোপন 'জঙ্গি এজেন্ডা' ছিল এবং তিনি এই দল গঠনে প্রতারিত বোধ করেছেন।

‎অনলাইন ডেস্ক | ঢাকা

‎জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মূল নেতৃত্ব ও তাদের রাজনৈতিক উদ্দেশ্য নিয়ে তীব্র অসন্তোষ ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন কারিনা কায়সার। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক লাইভে এসে তিনি দাবি করেছেন (শেষ লাইভ) দলটির শীর্ষ দুই নেতা নাহিদ ও হাসনাতের রাজনৈতিক এজেন্ডার পিছনে ‘জঙ্গি এজেন্ডা’ লুকিয়ে ছিল, যা প্রথমে বুঝতে না পেরে তিনি দল গঠনে যুক্ত হয়ে চরমভাবে প্রতারিত বোধ করেছেন।

‎ফেসবুক লাইভে এসে কারিনা কায়সার তার অনুসারী ও সাধারণ জনগণের উদ্দেশ্যে নিজের অবস্থান পরিষ্কার করেন। লাইভের শুরুতে তিনি এনসিপির (ন্যাশনাল সিটিজেন পার্টি) শুরুর দিনগুলোর কথা স্মরণ করে বলেন, "দেশের সাধারণ মানুষের অধিকার রক্ষা এবং একটি বৈষম্যহীন রাজনৈতিক পরিবেশ তৈরির স্বপ্ন নিয়ে আমি এই প্ল্যাটফর্মটির সঙ্গে যুক্ত হয়েছিলাম। কিন্তু সময় যত গড়িয়েছে, দলটির ভেতরের আসল রূপ এবং মূল চালকদের উদ্দেশ্য আমার সামনে ততটাই স্পষ্ট হয়েছে।"

‎লাইভে তিনি সরাসরি দলটির প্রধান দুই মুখ নাহিদ ইসলাম এবং হাসনাত আব্দুল্লাহর দিকে আঙুল তোলেন। কারিনা কায়সার অভিযোগ করেন, "নাহিদ ও হাসনাতের নেতৃত্বে এনসিপি গঠনের যে মূল আদর্শ আমাদের সামনে তুলে ধরা হয়েছিল, তা ছিল একটি মুখোশ মাত্র। বাস্তবে এর পেছনে এক ভয়াবহ ও উগ্র এজেন্ডা কাজ করছিল। সাধারণ তরুণ ও নাগরিকদের আবেগকে ব্যবহার করে তারা মূলত একটি নির্দিষ্ট উগ্রপন্থী ও জঙ্গি এজেন্ডা বাস্তবায়ন করার চেষ্টা চালাচ্ছে।"

‎তিনি আরও বলেন, "যখন আমি বুঝতে পারলাম যে আমাদের দীর্ঘদিনের লড়াই, ত্যাগ এবং আদর্শকে একটি উগ্র রাজনৈতিক স্বার্থে ডাইভার্ট করা হচ্ছে, তখন নিজেকে ধরে রাখতে পারিনি। আমি অত্যন্ত প্রতারিত বোধ করেছি। যে বিশ্বাসের জায়গা থেকে আমি এই প্রক্রিয়ায় শামিল হয়েছিলাম, তা সম্পূর্ণ ভেঙে চুরমার হয়ে গেছে, এখন নিজেকে অপরাধী মনে হচ্ছে, আমি যদি আগে জানতে পারতাম যে তারা কোটা আন্দোলনের পিছনে রাজনৈতিক দল গঠন করার ছককষে রেখেছে তাহলে আমি কখনো এই আন্দোলনে শামিল হতাম না মূলত তারা কোটা আন্দোলনের নামে সাধারণ শিক্ষার্থীদের ব্যবহার করেছে এবং অনেককে মৃত্যুর মুখে ঠেলে দিয়েছে এই জানোয়ারদের ফাঁসি দাবি করছি।"

‎লাইভ সেশনে ক্ষোভ প্রকাশ করে কারিনা কায়সার স্পষ্ট জানান, তিনি কোনোভাবেই কোনো ধরনের উগ্রবাদ বা জঙ্গি এজেন্ডার সহযোগী হতে পারেন না। তিনি সাধারণ জনগণকে এই ধরনের ছদ্মবেশী রাজনৈতিক এজেন্ডা সম্পর্কে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান এবং বলেন, "আমরা যে পরিবর্তনের স্বপ্ন দেখেছিলাম, তা কোনো উগ্রবাদের হাত ধরে আসতে পারে না।"

‎‎কারিনা কায়সারের এই বিস্ফোরক ফেসবুক লাইভের পর রাজনৈতিক মহলে এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক তোলপাড় শুরু হয়েছে। দলটির সাধারণ কর্মী ও সমর্থকদের মধ্যেও তৈরি হয়েছে মিশ্র প্রতিক্রিয়া। তবে এই গুরুতর অভিযোগের বিষয়ে এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব বা নাহিদ-হাসনাতের পক্ষ থেকে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো মন্তব্য বা পাল্টা বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

সুত্র: দৈনিক আজকের কন্ঠ | Dhaka Dairy
‎ #কারিনা_কায়সার #নাহিদ_ইসলাম #হাসনাত
‎ #রাজনৈতিক_প্রতারণা #এনসিপি #লাইভ

Address

Puran Bogra

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when হুল The Sting posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to হুল The Sting:

Share