09/08/2026
এস্টিমেট :
প্রাথমিক পর্ব (টাইলস বিষয়ক):
একটা রুম টাইলস করা হবে । রুমের সাইজ 12.75ft *12.75ft । ফ্লোরে 1ft*1ft হোমোজেনিয়াস টাইলস দ্বারা আবৃত করা হবে ।( স্কার্টিং বাদে)
থিওরীক্যাল এস্টিমেট: টাইলসের সংখ্যা। (12.75*12.75)/1=163 পিস।
ব্যবহারিক/ বাস্তবিক: (13*13)/1=169।
ব্যাখ্য: 12.75ফুটে 12টা টাইলসের পর 13 নাম্বারটা ফুল লাগবে না। তাই ওটা থেকে 3" কে ফেললে 0.75ফুট হবে । কিন্তু 3" প্রস্থের 12" লম্বা এই টাইলসের টুকরা ফ্লোরে স্থাপন দৃষ্টিকটু দেখাবে এবং স্থাপন করা হবে না। ফলে 3"*12" এর অনেকগুলো অপ্রয়োজনীয় টুকরা তৈরী হবে। খরচ কমাতে গিয়ে এগুলো ব্যবহার ফ্লোরের সৌন্দর্যহানী ঘটাবে,তাই ওগুলো বাদ দিবেন।ফলে থিওরীক্যাল থেকে বাস্তবে 6পিস টাইলস বেশি লাগবে যার মূল্য প্রায় (57*6=টাকা)।
সংযুক্তি:
1. সাইট ইঞ্জি. সাহেব স্লোপের বিযয়টি নিশ্চিত করবেন।
2. 1:3 এ মর্টার দেয়া হয়।
3. পর্যাপ্ত কিউরিং না করে টাইলকে গোল দিতে গেলে টাইলস ও 2/3/4 বছর পর আপনাকে গোল দিবে । মানে উঠে যাবে( এটা একটা কমন সমস্যা)
4. টাইলসের মাঝে ফাঁকাস্থান রাখবেন ও তা পুটিং দিয়ে পুর্ণ করাবেন।অন্যথায় তাপমাত্রা জনিত সংকোচন প্রসারণের প্রভাব পড়বে।
5. টাইলস ক্রয়ের সময় ফিল্ডটেস্ট করে নিবেন। ( ধাতব শব্দ, ফাঁটা মুক্ত,ভালোমানের গ্লেজ ইত্যাদি)
সিনথিয়া রহমান-
(বিএসসি ইন সিভিল ইঞ্জি)
টাইলস ফিটিং সম্পর্কিত কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্যঃ
(প্রশ্ন বা মতামত থাকলে কমেন্টে দিয়ে দিন)
========================
টাইলস লাগানোর আগে করনীয়:
চেকিং:
প্রথমেই চেক করে নিতে হবে স্যানিটারি, ইলেকট্রিক, গ্যাস লাইন, ওয়ারিং, টিভি, ইন্টারনেট লাইন, ডোর ফ্রেম ইত্যাদির কাজ শেষ হয়েছে কিনা কিংবা কোন সমস্যা রয়েছে কিনা?
ক্লিনিং:
এরপর বাসুলা দিয়ে চিপিং করে ফ্লোর থেকে সকল আগলা/ লুজ ময়লা তুলে ফেলে ওয়্যার ব্রাশ ও ঝাড়ু দিয়ে পরিষ্কার করে নিতে হবে। বিশেষ করে স্কার্টিং/ ওয়াল টাইল লাগানোর পূর্বে দেওয়াল থেকে শ্যাওলা বা লুজ মর্টার ফেলে দিয়ে পানি সহকারে তারের ব্রাশ দিয়ে পরিষ্কার করে নিতে হবে।
ওয়াটারিং স্প্রেইং:
টাইলের কাজ শুরুর একদিন পূর্বে ফ্লোর কিংবা ওয়ালকে ভিজিয়ে নিতে হবে যেন তা মর্টারের পানিকে শুষে নিতে না পারে। তবে ওয়ালকে হালকা কিছুটা শুষ্ক রাখতে হবে, না হলে লাগানোর সময় টাইলস ধরে রাখা কষ্টকর হবে।
কার্যপদ্ধতি:-
সিড়ি বা লিফ্ট এর ফ্লোর থেকে লেভেল পাইপ বা লেভেল মেশিনের সাহায্যে ইউনিট বা ফ্ল্যাটের রুমগুলোতে লেভেল মার্ক করে নিতে হবে, তারপর কোন রুমে কতটুকু মর্টার লাগবে তা চেক করে নিয়ে সব রুমের জন্য একটা টপ লেভেল ফিক্সড করে নিতে হবে যেন ওই নির্দিষ্ট লেভেল থেকে সব জায়গাতে টাইলসের টপ পর্যন্ত একই মাপ পাওয়া যায়।
ওয়াল টাইলসের ক্ষেত্রে ওয়াল এর টপ থেকে মেপে নিয়ে লেভেলিং এবং উলম্ব শল করে নিচ থেকে কাজ শুরু করতে হবে, শর্টপিচ লাগলে তা নিচেই দিতে হবে।
ডোর সিল দিয়ে থাকলে আলাদা ফ্ল্যাটে রিংব লেভেল নিতে পারেন, তবে টয়লেটের লেভেল রুম থেকে আলাদা হবে, দরজার পাল্লার নিচে যেন কমপক্ষে ১/২” ফাঁকা থাকে সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে।
মিশ্রন অনুপাত:-
ফ্লোর টাইলস ১:৪ থেকে ১:৩
ওয়াল টাইলস ১:৩ থেকে ১:২
টাইলস সারফেস লেভেলিং:
টাইলের উচুনিচু চেক করার জন্য চার টাইলসের জয়েন্টে হাত দিয়ে বুঝার চেষ্টা করুন কোন টাইলস উচু কিংবা নিচু রয়েছে কিনা
জয়েন্টে আপ/ ডাউন বুঝার জন্য একটি টাইলসকে যে কোন জয়েন্টে খাড়াভাবে ধরুন, দেখুন তা দুটো টাইলের সাথে মিলে যাচ্ছে কিনা, কিংবা একটির সাথে মিললে অন্যটি থেকে ফাঁকা থাকে কিনা?
টাইলেস লেভেল আপনি স্প্রিরিট লেভেল দিয়েও চেক করতে পারেন, বড় স্পিরিট লেভেল হলে একাধিক টাইলের লেভেল এক সাথে চেক করতে পারেন।
যদি আপনি বৃহৎ এরিয়ার লেভেল চেক করতে চান তবে গজ বা সূতা দিয়ে চেক করতে পারেন। ৭ ফিটের একটি স্ট্রেট গজ নিন, তাকে ফ্লোরের সাথে চেপে ধরুন, ফ্লোর যদি লেভেলে থাকে তবে গজের নিচে কোথাও ফাঁকা থাকবেনা, যদি ফাঁকা থাকে তবে বুঝবেন টাইল ঠিকভাবে বসানো হয় নি।
সূতা দিয়ে চেক করতে চাইলে ১০ ফুট দূরুত্বের দুইটি টাইলস নির্ধারন করুন, এবার সেই দুই টাইলস থেকে সুতাটিকে ৫ মিলি উপরে তুলে টেনে ধরে রাখুন, নিজেই দেখতে পাবেন কোনটা উচুঁ আর কোনটা উচুঁ।
টাইলস লায়িং:
প্রথমে রুমের চার কর্নারে চারটি পায়া করে নিতে হবে, এবার পায়াগুলোর লেভেলের সাথে মিল রেখে যে কোন এক সাইড থেকে টাইস লাগিয়ে আসতে হবে, শর্টপিচ লাগলে সেটা প্রান্তের দিকে লাগাতে হবে। সবচেয়ে ভাল হবে যদি রুমের তিনদিকেই এক সারি টাইল বসিয়ে সে অনুযায়ী মাঝের টাইলগুলো বসানো যায়। খেয়াল রাখতে হবে প্রতি টাইলসের মাঝে যেন ২/৩ মিলির বেশি গ্যাপ না থাকে এবং টাইলের কর্নারগুলো একই লেভেলে থাকে।
ওয়াল টাইলসের বেলায় প্রথমে উলম্বভাবে শল ও লেভেলিং করে নিচে এক লাইন টাইলস বসিয়ে নিতে হবে, এবার পায়ার সাথে মিল রেখে ধীরে ধীরে উপরের দিকে উঠতে হবে। খেয়াল রাখতে হবে টাইসগুলো যেন আড়াআড়ি ভাবে লেভেলে থাকে, কর্নারের টাইলকে ভি-কাটিং [ #চোস] করে লাগাতে হবে। কাজ শেষে টাইলসগুলোকে পরিষ্কার করে মুছে ফেলতে হবে। সিরামিক টাইলসকে অবশ্যই কাজের পূর্বে পর্যাপ্ত ভিজিয়ে নিতে হবে।
কিউরিং:
কিউরিং এর ক্ষেত্রে ভাল হবে যদি ফ্লোরকে পানিতে চুবিয়ে কিউরিং করা যায়, কারণ টাইলস পানি অপ্রবেশ্য বিধায় সহজে শোষন করে না, সে ক্ষেত্রে জয়েন্টগুলোতে এমনভাবে পানি মারতে হবে যেন তা ভিতরে পৌঁছে।
পুডিং:-
কিউরিং পিরিয়ড শেষ হলে তা শুকানোর পর জয়েন্টগুলো ভালভাবে পরিষ্কার করে টাইলসের কালারের সাথে মিল রেখে পুডিং করে দিতে হবে এবং পুডিং করার পর তাও #কিউরিং করতে হবে। পুডিং কে ভালভাবে চেপে লাগাতে হবে যেন ভিতরে ঢুকতে পারে।
সাবধানতা ও সতর্কতা:-
গ্রাউটিং:
যদি আপনি ড্রাই মর্টার ব্যবহার করেন তবে খেয়াল রাখবেন মসলাকে ড্রেসিং করার পর এর উপর যে তরল গ্রাউটিং দেওয়া হয় তা যেন মর্টারের সর্বত্র প্রবেশ করতে পারে। মসলার উপরের গ্রাউটিং নিচে পৌঁছানোর জন্য ড্রাই মর্টারগুলোকে কিছুটা গর্ত/ কেটে দিন, তবে লক্ষ্য রাখবেন ভেতরে যেন বাতাস না থাকে।
স্পেস:
রুমের ভিতরে স্পেসের প্রয়োজন নেই, তবে বারান্দা এবং টয়লেটে কমপক্ষে ১/২” স্পেস রাখুন যাতে খুব সহজেই পানি চলে যেতে পারে, সর্বপরি এগুলো যেন সবসময় শুষ্ক থাকে।
অপচয়:-
টাইলের কাজে ওয়েস্টেজ একটু বেশিই হয়, তবে সেটাকে ৮% এর মধ্যে রাখতে চেষ্টা করবেন। কাজ চলাকালীন সময়ে টাইলসের উপর দিয়ে হাটা যাবে না, টাইলসকে রাবারের হ্যামার ছাড়া আঘাত করতে দেবেন না। ওয়াল টাইসের ক্ষেত্রে লেভেল চেক করুন যেন, চারদিকের টাইলস একই লেভেলে থাকে, সর্বপরি টপে ১/২” বেশি ফাঁকা যেন না থাকে সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে। কালারে ভিন্নতা থাকলে তা আলাদা করুন, কাটিং এর জন্য টাইলস কাটার মেশিন ব্যবহার করুন।
(সংগৃহীত)
টাইলস করার পরে, কিউরিং করে ৪-৫ দিন পরে পয়েন্টিং করা উচিৎ।
সব গুলো টাইলস উঠিয়ে ফেলতে হবে।নতুন করে চিপিং করে,নতুন টাইলস ব্যবহার করতে হবে।
বেশ কয়েকটি কারণে এরকম হয়ে থাকে।
১।মেঝে অসমানভাবে ঝুলে যাওয়ার কারণে সাধারণত এই রকম হয়।
২/কক্ষ অতিরিক্ত ঠান্ডা বা অতিরিক্ত গরমের কারণে টাইস্ দূত সংকোচন-প্রসারণ হয়।কিন্তু কংক্রিট সেই অনুপাতে সংকোচন প্রসারণ হয় না।তাই এই ধরনের সমস্যা দেখা যায়।
টাইলস করার পর দুটো টাইলসের মাঝে যে ফাঁকা জায়গা রাখা হয় সেটা পাতলা টিন বা স্ক্রেপ বা পাতলা কর্ণির মাথা দিয়ে যতটা সম্ভব গভীর করে পরিস্কার করতে হবে যাতে কিউরিং এর পানি ঢোকে এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো যে কোন মিশ্রণের একটা ক্যামিক্যল রিয়েকশন থাকে যার বিক্রিয়ায় একপ্রকার গ্যাস তৈরি হয়। এখন টাইলসের নীচে যে মর্টার ব্যবহার হয়। তাতে থাকে সিমেন্ট আমরা জানি সিমেন্টের মধ্যে নানা প্রকার উপাদান মিশ্রীত যা পানির সাথে বিক্রিয়া করে ফলে তাপতো উৎপন্ন হয়ই সাথে গ্যাসও উৎপন্ন হয় । অন্যান্ন মর্টার পানি মিশিয়ে উন্মুক্ত রাখা হয় বলে আমরা টের পাইনা।
কিন্তু ফ্লোর টাইলসের ক্ষেত্রে আধাভেজা মর্টারে সিমেন্ট পানি দিয়েই কিন্তু টাইলস বসিয়ে ফেলি ফলে এর মধ্য রিয়েকশান হয়ে রেজাল্ট (গ্যস) বের হওয়ার সুযোগ পায়না সেটা বের হওয়ার জন্যই দুটো টাইলসের মাঝের ফাঁক যা ৭ দিন রাখলে ভাল নতুবা ৩-৪ দিন। অনেক সময় শোনা যায় টাইলস লাগানোর কয়েকবছর পর প্রচন্ড শব্দে ফেটে যাচ্ছে আসলে এর কারণ হচ্ছে এই গ্যস এটা রেখেই যখন ফাঁক বন্ধ করা হয় তখন আস্তে আস্তে এটা স্টোর হতে থাকে একসময় তাপে ও চাপে এটা বিস্ফোরিত হয়।
1। যেখানে টাইলস করবে সেখানে ভালো ভাবে চিপিং করেছে কিনা।
2। যদি ওয়াল টাইলস হয় তাহলে লাগানোর পূর্বে 12 ঘণ্টা ভিজিয়ে রাখুন।
3। যেই টাইলস লাগাবেন ওটা পর্যাপ্ত আছে কি না দেখে নিবেন।
4। টাইলস এর কোড অনুযায়ী কলার এবং কোয়ান্টিটি ঠিক আছে কিনা।
5। টাইলস লাগানোর লেভেল ঠিক আছে কিনা।
6। টাইলস এর JOINT ঠিক আছে কিনা।
7। টাইলস লাগানোর পর এর সারফেস ভালো ভাবে পরিষ্কার করেছে কিনা।
8। ভাঙ্গা বা কর্নার এ ভাঙ্গা বা ফাটা টাইলস লাগাচ্ছে কিনা।
9। টাইলস এর সিট কই পড়বে সেটা আগে থেকে হিসাব করে কাজ করা।
লাগানোর পর পানি দিয়ে কিউরিং করবেন, স্লোপ নিবেন, ভার্টিক্যাল, হরজন্টাল শল, এলাইন্মেন্ট ঠিক আছে কি বা চেক করবেন, প্লাম্বিং ও ইলেক্ট্রিক পাইপ ঠিক মত স্থাপন করা আছে কি না,, দেখবেন।
আর একটা আছে ভাইয়া সেনেটারি ও প্লাম্বিং লাইন এ লিক আছে কিনা সেটার প্রেসার দিয়ে চেক করা।
সেটাও আছে এবং আরো আছে, যেমন টাইলস বসানোর আগে ১২ ঘন্টা ভিজিয়ে রাখতে হবে, সর্বোচ্চ ৩ মিমি যেনো ফাক থাকে এর বেশি না,,আরো অনেক আছে।
1। যেখানে টাইলস করবে সেখানে ভালো ভাবে চিপিং করেছে কিনা।
2। যদি ওয়াল টাইলস হয় তাহলে লাগানোর পূর্বে 12 ঘণ্টা ভিজিয়ে রাখুন।
3। যেই টাইলস লাগাবেন ওটা পর্যাপ্ত আছে কি না দেখে নিবেন।
4। টাইলস এর কোড অনুযায়ী কলার এবং কোয়ান্টিটি ঠিক আছে কিনা।
5। টাইলস লাগানোর লেভেল ঠিক আছে কিনা।
6। টাইলস এর JOINT ঠিক আছে কিনা।
7। টাইলস লাগানোর পর এর সারফেস ভালো ভাবে পরিষ্কার করেছে কিনা।
8। ভাঙ্গা বা কর্নার এ ভাঙ্গা বা ফাটা টাইলস লাগাচ্ছে কিনা।
9। টাইলস এর সিট কই পড়বে সেটা আগে থেকে হিসাব করে কাজ করা।
লাগানোর পর পানি দিয়ে কিউরিং করবেন, স্লোপ নিবেন, ভার্টিক্যাল, হরজন্টাল শল, এলাইন্মেন্ট ঠিক আছে কি বা চেক করবেন, প্লাম্বিং ও ইলেক্ট্রিক পাইপ ঠিক মত স্থাপন করা আছে কি না,, দেখবেন।
আর একটা আছে ভাইয়া সেনেটারি ও প্লাম্বিং লাইন এ লিক আছে কিনা সেটার প্রেসার দিয়ে চেক করা।
সেটাও আছে এবং আরো আছে, যেমন টাইলস বসানোর আগে ১২ ঘন্টা ভিজিয়ে রাখতে হবে, সর্বোচ্চ ৩ মিমি যেনো ফাঁক থাকে এর বেশি না,,আরো অনেক আছে।
১৩। টাইলস লাগানো দেখেছেন আপনি?
উত্তর: জি স্যার।
১৪। টাইলসের স্ট্যান্ডাড সাইজ কত কত বলেন তো? ফ্লোর ও ওয়ালে।
উত্তর: স্ট্যান্ডাড সাইজ গুলি হল:-
ওয়ালঃ
৮"x১২"
১০"x১৩"
১০"x১৬"
১২"x১৮"
১২"x২০"
১২"x২৪"
ফ্লোরঃ
১২"x১২"
১৬"x১৬"
২০"x২০"
২৪"x২৪"
৩২"x৩২"
২৪"x৪৮"
ইত্যাদি।
১৫। একটা নতুন বিল্ডিং এ আপনাকে একটা ফ্লাটে টাইলস লাগানোর জন্য বলা হলে আপনার করণীয় কি?
উত্তর: প্রথমে কন্ট্রাক্টর ঠিক হয়েছে কিনা, টাইলস সিলেকশন হয়েছে কিনা, টাইলস এর পরিমান বের করা, স্যানিটারী লাইন করা ও পেসার চেক করা হয়েছে কিনা, ইলেকট্রিক লাইনের কাজ হয়ে কিনা, ওয়াস্ট ওয়াটার লাইন, কোমড লাইন, বাথ রুমের জানালার গ্রীল লাগানো সকন চৌকাঠ লাগানো হয়েছে কিনা, চিপিং ওয়াসিং ইত্যাদি।