Rooppur Nuclear Power Plant

Rooppur Nuclear Power Plant Powering the future with nuclear energy. A reliable platform for news, updates, and insights on the Rooppur Nuclear Power Plant (Rooppur NPP).

রূপপুর প্রকল্পের চুক্তি ও অর্থছাড়ের প্রক্রিয়া নিয়ে ভুল ব্যাখ্যা করা হচ্ছে, দাবি এনপিসিবিএল-এররূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন...
25/07/2026

রূপপুর প্রকল্পের চুক্তি ও অর্থছাড়ের প্রক্রিয়া নিয়ে ভুল ব্যাখ্যা করা হচ্ছে, দাবি এনপিসিবিএল-এর

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের নির্মাণ ব্যয়, সরঞ্জামের দাম ও অর্থছাড়ের প্রক্রিয়া নিয়ে সম্প্রতি বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে উঠে আসা অনিয়ম ও অতিরিক্ত খরচের খবরকে ভুল ব্যাখ্যা করা হচ্ছে বলে দাবি করেছে এনপিসিবিএল। এ বিষয়ে নিজেদের বক্তব্য তুলে ধরেছে পরিচালনা সংস্থা নিউক্লিয়ার পাওয়ার প্ল্যান্ট কোম্পানি বাংলাদেশ লিমিটেড (এনপিসিবিএল)।

গণমাধ্যমের বিভিন্ন প্রতিবেদনে উঠে আসা প্রশ্নকে ‘চুক্তিগত ও কারিগরি কাঠামোর ভুল ব্যাখ্যা’ দাবি করে সংস্থাটি জানিয়েছে, পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের বিশেষ চুক্তি ও জটিল আর্থিক কাঠামো না বুঝে বিচ্ছিন্ন তথ্যের ভিত্তিতে মূল্যায়ন করার কারণেই এসব বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে।

শুক্রবার (২৪ জুলাই) এ বিষয়ে লিখিত এক ব্যাখ্যায় এনপিসিবিএল এর ব্যাবস্থাপনা পরিচালক ড. জাহেদুল হাসান জানান, বাংলাদেশের প্রথম পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র বর্তমানে পরিচালনার প্রস্তুতির শেষ পর্যায়ে রয়েছে। এটি দেশের বিদ্যুৎ খাতের একটি ঐতিহাসিক মাইলফলক হলেও এর পরিকল্পনা, নকশা, অর্থায়ন, নির্মাণ, পরীক্ষা ও কমিশনিংয়ের প্রতিটি ধাপ প্রচলিত অবকাঠামো প্রকল্পের তুলনায় সম্পূর্ণ ভিন্ন।

তিনি আরও জানান, রূপপুর প্রকল্প বাংলাদেশ ও রাশিয়ান ফেডারেশনের মধ্যে স্বাক্ষরিত আন্তঃসরকারি চুক্তি (IGA) অনুযায়ী বাস্তবায়িত হচ্ছে। এ চুক্তির আওতায় বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশন (BAEC) ও জেএসসি অ্যাটমস্ট্রয়এক্সপোর্টের (JSC Atomstroyexport) মধ্যে Engineering, Procurement, Construction and Commissioning (EPCC) চুক্তি এবং প্রকল্পের অর্থায়নের জন্য পৃথকভাবে Intergovernmental Credit Agreement (IGCA) স্বাক্ষরিত হয়েছে

তিনি স্পষ্ট করেন, EPCC কোনো নির্দিষ্ট যন্ত্রপাতি কেনা বা সরবরাহের চুক্তি নয়; এটি একটি সম্পূর্ণ পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের নকশা, নির্মাণ, পরীক্ষা, কমিশনিং এবং নিরাপদভাবে পরিচালনাযোগ্য অবস্থায় হস্তান্তরের চুক্তি। এই চুক্তির আওতায় প্রকৌশল নকশা, নিরাপত্তা বিশ্লেষণ, যন্ত্রপাতি উৎপাদন, স্থাপন, সিস্টেম সমন্বয়, কমিশনিং, প্রযুক্তিগত নথিপত্র প্রস্তুত এবং অপারেটরদের প্রশিক্ষণসহ সব কার্যক্রম অন্তর্ভুক্ত।

ড. জাহেদুল হাসান জানান, এ কারণেই EPCC চুক্তিতে কোনো যন্ত্রপাতি, ভবন, পাইপলাইন, নির্মাণকাজ, স্থাপন (Er****on), কমিশনিং বা অন্য কোনো পৃথক উপাদানের জন্য আলাদা মূল্য নির্ধারণ করা হয়নি। বরং পুরো বিদ্যুৎকেন্দ্রের জন্য একটি Whole Plant Contract Price নির্ধারণ করা হয়েছে এবং সেই চুক্তির আওতায় বিভিন্ন পর্যায়ে Milestone Payment নির্ধারিত রয়েছে। ফলে কোনো Milestone Payment-কে কোনো নির্দিষ্ট যন্ত্রপাতির মূল্য, নির্মাণকাজের মূল্য, সরবরাহমূল্য বা কমিশনিংয়ের মূল্য হিসেবে উপস্থাপন করা প্রকল্পের প্রকৃত চুক্তিগত কাঠামোর সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।

অর্থায়নের বিষয়ে তিনি জানান, প্রকল্পের মোট ব্যয়ের ১০ শতাংশ বাংলাদেশ সরকার বহন করছে এবং বাকি ৯০ শতাংশ রাশিয়ান সরকারের রাষ্ট্রীয় ঋণের মাধ্যমে অর্থায়ন করা হচ্ছে। তিনি বলেন, EPCC প্রকল্প বাস্তবায়নের প্রযুক্তিগত দিক নির্ধারণ করে, আর IGCA অর্থছাড় ও ঋণ ব্যবস্থাপনা পরিচালনা করে। দুটি চুক্তির উদ্দেশ্য ভিন্ন হলেও তারা একই প্রকল্পের অংশ।

অর্থছাড়ের প্রক্রিয়া ব্যাখ্যা করে তিনি বলেন, কোনো Milestone অর্জিত হলেই বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশন (BAEC) ঠিকাদারকে অর্থ পরিশোধ করার অধিকার বা ক্ষমতা রাখে না। প্রথমে সংশ্লিষ্ট Milestone-সংক্রান্ত কার্যক্রম চুক্তি অনুযায়ী যাচাই-বাছাই করে Acceptance Document স্বাক্ষরিত হয়। এরপর সেই Milestone ঋণচুক্তির আওতায় অর্থছাড়ের উপযুক্ত হিসেবে বিবেচিত হয়। পরবর্তীতে Intergovernmental Credit Agreement (IGCA)-এর বিধান অনুযায়ী রাশিয়ান ফেডারেশনের অর্থ মন্ত্রণালয় নির্ধারিত প্রক্রিয়ায় রাষ্ট্রীয় ঋণের অর্থছাড় সম্পন্ন করে। ফলে Milestone অর্জনের সঙ্গে সঙ্গে ঠিকাদারকে অর্থ প্রদান করা হয় না এবং BAEC নিজ উদ্যোগে অর্থ পরিশোধও করতে পারে না।

তিনি আরও স্পষ্ট করেন, Milestone Payment কোনো নির্দিষ্ট কাজ, যন্ত্রপাতি, যন্ত্রপাতি সরবরাহ, স্থাপন (Er****on) বা কমিশনিংয়ের মূল্য নয়। এটি পুরো পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ, স্থাপন, পরীক্ষা ও কমিশনিংসহ সমগ্র প্রকল্পের অগ্রগতির একটি নির্ধারিত ধাপ (Milestone) সফলভাবে সম্পন্ন হওয়ার বিপরীতে চুক্তিতে পূর্বনির্ধারিত অর্থপ্রদানের ব্যবস্থা। অর্থাৎ, কোনো Milestone Payment-কে সেই Milestone-এর আওতায় সম্পন্ন হওয়া কাজ, সরবরাহকৃত যন্ত্রপাতি বা সম্পাদিত কমিশনিং কার্যক্রমের মূল্য হিসেবে বিবেচনা করা সঠিক নয়।

ড. জাহেদুল হাসান আরও বলেন, Whole Plant Contract Price-ভিত্তিক EPCC চুক্তিতে কোনো পৃথক নির্মাণকাজ, যন্ত্রপাতি, যন্ত্রপাতি সরবরাহ, স্থাপন বা কমিশনিংয়ের জন্য আলাদা মূল্য নির্ধারণ করা হয়নি। চুক্তিতে কেবল নির্দিষ্ট Milestone সম্পন্ন হওয়ার বিপরীতে Milestone Payment-এর ব্যবস্থা রয়েছে। দুর্ভাগ্যজনকভাবে বিভিন্ন আলোচনায় Milestone Payment-কে নির্দিষ্ট কাজের মূল্য, যন্ত্রপাতির মূল্য, যন্ত্রপাতি সরবরাহের মূল্য বা কমিশনিংয়ের মূল্য হিসেবে ব্যাখ্যা করা হচ্ছে, যা EPCC চুক্তির প্রকৃত কাঠামো ও অর্থের ভুল উপস্থাপন।

তিনি আরও বলেন, রূপপুরে ব্যবহৃত VVER-1200 Generation III+ প্রযুক্তি একটি সমন্বিত ও মালিকানাধীন (Proprietary) পারমাণবিক প্রযুক্তি। এর নিরাপত্তা, নির্ভরযোগ্যতা ও লাইসেন্সিং নিশ্চিত করতে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত EPCC পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়েছে। একইসঙ্গে বাংলাদেশি অপারেটরদের প্রশিক্ষণ এবং প্রযুক্তি হস্তান্তরও প্রকল্পের গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

সরকারি ক্রয় আইন সম্পর্কে তিনি বলেন, প্রতিযোগিতামূলক ক্রয় সাধারণ নীতি হলেও প্রযুক্তিগত এককত্ব, মেধাস্বত্ব, নিরাপত্তাজনিত প্রয়োজন এবং আন্তঃসরকারি চুক্তির ক্ষেত্রে একক উৎস থেকে ক্রয়ের আইনগত ভিত্তি রয়েছে। রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্প সেই বিশেষ প্রকৃতির আন্তর্জাতিক প্রকল্পগুলোর একটি।

ড. মো. জাহেদুল হাসান বলেন, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্প দেশের দীর্ঘমেয়াদি জ্বালানি নিরাপত্তা, উচ্চপ্রযুক্তি সক্ষমতা ও টেকসই উন্নয়নের একটি কৌশলগত বিনিয়োগ। তাই এ প্রকল্প নিয়ে আলোচনা ও মূল্যায়নের ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত পারমাণবিক প্রকল্প বাস্তবায়নের নীতি, চুক্তিগত বাস্তবতা এবং অর্থায়ন কাঠামোকে সমন্বিতভাবে বিবেচনা করা প্রয়োজন। তথ্যভিত্তিক ও দায়িত্বশীল আলোচনা জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং সঠিক তথ্য প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের নির্মাণ ব্যয়, সরঞ্জামের দাম ও অর্থছাড়ের প্রক্রিয়া নিয়ে সম্প্রতি বিভিন্ন সংব....

রূপপুর প্রকল্পের ব্যয় ও কেনাকাটায় অনিয়মের অভিযোগ: চুক্তি ও অর্থছাড়ের প্রক্রিয়া নিয়ে ব্যাখ্যা এনপিসিবিএল-এরদেশের সর্ববৃহৎ...
25/07/2026

রূপপুর প্রকল্পের ব্যয় ও কেনাকাটায় অনিয়মের অভিযোগ: চুক্তি ও অর্থছাড়ের প্রক্রিয়া নিয়ে ব্যাখ্যা এনপিসিবিএল-এর

দেশের সর্ববৃহৎ মেগা প্রকল্প রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের নির্মাণ ব্যয়, সরঞ্জামের দাম ও অর্থ ছাড়ের প্রক্রিয়া নিয়ে সম্প্রতি বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে উঠে আসা অনিয়ম ও অতিরিক্ত খরচের খবরের বিপরীতে অবস্থান নিয়ে নিজেদের বক্তব্য তুলে ধরেছে পরিচালনা সংস্থা নিউক্লিয়ার পাওয়ার প্ল্যান্ট কোম্পানি বাংলাদেশ লিমিটেড (এনপিসিবিএল)।


গণমাধ্যমের বিভিন্ন প্রতিবেদনে উঠে আসা প্রশ্নকে ‘চুক্তিগত ও কারিগরি কাঠামোর ভুল ব্যাখ্যা’ দাবি করে সংস্থাটি জানিয়েছে, পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের বিশেষ চুক্তি ও জটিল আর্থিক কাঠামো না বুঝে বিচ্ছিন্ন তথ্যের ভিত্তিতে মূল্যায়ন করার কারণেই এসব বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে।

এ বিষয়ে লিখিত এক ব্যাখ্যায় ড. জাহেদুল হাসান জানান, বাংলাদেশের প্রথম পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র বর্তমানে পরিচালনার প্রস্তুতির শেষ পর্যায়ে রয়েছে। এটি দেশের বিদ্যুৎ খাতের একটি ঐতিহাসিক মাইলফলক হলেও এর পরিকল্পনা, নকশা, অর্থায়ন, নির্মাণ, পরীক্ষা ও কমিশনিংয়ের প্রতিটি ধাপ প্রচলিত অবকাঠামো প্রকল্পের তুলনায় সম্পূর্ণ ভিন্ন।

তিনি বলেন, রূপপুর প্রকল্প বাংলাদেশ ও রাশিয়ান ফেডারেশনের মধ্যে স্বাক্ষরিত আন্তঃসরকারি চুক্তি (IGA) অনুযায়ি বাস্তবায়িত হচ্ছে। এ চুক্তির আওতায় বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশন (BAEC) ও জেএসসি অ্যাটমস্ট্রয়এক্সপোর্টের (JSC Atomstroyexport) মধ্যে Engineering, Procurement, Construction and Commissioning (EPCC) চুক্তি এবং প্রকল্পের অর্থায়নের জন্য পৃথক ভাবে Intergovernmental Credit Agreement (IGCA) স্বাক্ষরিত হয়েছে।



তিনি স্পষ্ট করেন, EPCC কোনো নির্দিষ্ট যন্ত্রপাতি কেনা বা সরবরাহের চুক্তি নয়; এটি একটি সম্পূর্ণ পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের নকশা, নির্মাণ, পরীক্ষা, কমিশনিং এবং নিরাপদ ভাবে পরিচালনাযোগ্য অবস্থায় হস্তান্তরের চুক্তি। এই চুক্তির আওতায় প্রকৌশল নকশা, নিরাপত্তা বিশ্লেষণ, যন্ত্রপাতি উৎপাদন, স্থাপন, সিস্টেম সমন্বয়, কমিশনিং, প্রযুক্তিগত নথিপত্র প্রস্তুত এবং অপারেটরদের প্রশিক্ষণসহ সব কার্যক্রম অন্তর্ভুক্ত।



ড. জাহেদুল হাসান বলেন, এ কারণেই EPCC চুক্তিতে কোনো যন্ত্রপাতি, ভবন, পাইপলাইন, নির্মাণ কাজ, স্থাপন (Er****on), কমিশনিং বা অন্য কোনো পৃথক উপাদানের জন্য আলাদা মূল্য নির্ধারণ করা হয়নি। বরং পুরো বিদ্যুৎকেন্দ্রের জন্য একটি Whole Plant Contract Price নির্ধারণ করা হয়েছে এবং সেই চুক্তির আওতায় বিভিন্ন পর্যায়ে Milestone Payment নির্ধারিত রয়েছে। ফলে কোনো Milestone Payment-কে কোনো নির্দিষ্ট যন্ত্রপাতির মূল্য, নির্মাণ কাজের মূল্য, সরবরাহ মূল্য বা কমিশনিংয়ের মূল্য হিসেবে উপস্থাপন করা প্রকল্পের প্রকৃত চুক্তিগত কাঠামোর সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।



অর্থায়নের বিষয়ে তিনি জানান, প্রকল্পের মোট ব্যয়ের ১০ শতাংশ বাংলাদেশ সরকার বহন করছে এবং বাকি ৯০ শতাংশ রাশিয়ান সরকারের রাষ্ট্রীয় ঋণের মাধ্যমে অর্থায়ন করা হচ্ছে। তিনি বলেন, EPCC প্রকল্প বাস্তবায়নের প্রযুক্তিগত দিক নির্ধারণ করে, আর IGCA অর্থছাড় ও ঋণ ব্যবস্থাপনা পরিচালনা করে। দুটি চুক্তির উদ্দেশ্য ভিন্ন হলেও তারা একই প্রকল্পের অংশ।



অর্থ ছাড়ের প্রক্রিয়া ব্যাখ্যা করে তিনি বলেন, কোনো Milestone অর্জিত হলেই বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশন (BAEC) ঠিকাদারকে অর্থ পরিশোধ করার অধিকার বা ক্ষমতা রাখে না। প্রথমে সংশ্লিষ্ট Milestone-সংক্রান্ত কার্যক্রম চুক্তি অনুযায়ি যাচাই-বাছাই করে Acceptance Document স্বাক্ষরিত হয়। এরপর সেই Milestone ঋণচুক্তির আওতায় অর্থ ছাড়ের উপযুক্ত হিসেবে বিবেচিত হয়। পরবর্তীতে Intergovernmental Credit Agreement (IGCA)-এর বিধান অনুযায়ি রাশিয়ান ফেডারেশনের অর্থ মন্ত্রণালয় নির্ধারিত প্রক্রিয়ায় রাষ্ট্রীয় ঋণের অর্থ ছাড় সম্পন্ন করে। ফলে Milestone অর্জনের সঙ্গে সঙ্গে ঠিকাদারকে অর্থ প্রদান করা হয় না এবং BAEC নিজ উদ্যোগে অর্থ পরিশোধও করতে পারে না।



তিনি আরও স্পষ্ট করেন, Milestone Payment কোনো নির্দিষ্ট কাজ, যন্ত্রপাতি, যন্ত্রপাতি সরবরাহ, স্থাপন (Er****on) বা কমিশনিংয়ের মূল্য নয়। এটি পুরো পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ, স্থাপন, পরীক্ষা ও কমিশনিংসহ সমগ্র প্রকল্পের অগ্রগতির একটি নির্ধারিত ধাপ (Milestone) সফলভাবে সম্পন্ন হওয়ার বিপরীতে চুক্তিতে পূর্বনির্ধারিত অর্থপ্রদানের ব্যবস্থা। অর্থাৎ, কোনো Milestone Payment-কে সেই Milestone-এর আওতায় সম্পন্ন হওয়া কাজ, সরবরাহকৃত যন্ত্রপাতি বা সম্পাদিত কমিশনিং কার্যক্রমের মূল্য হিসেবে বিবেচনা করা সঠিক নয়।



তিনি আরও বলেন, Whole Plant Contract Price-ভিত্তিক EPCC চুক্তিতে কোনো পৃথক নির্মাণ কাজ, যন্ত্রপাতি, যন্ত্রপাতি সরবরাহ, স্থাপন বা কমিশনিংয়ের জন্য আলাদা মূল্য নির্ধারণ করা হয়নি। চুক্তিতে কেবল নির্দিষ্ট Milestone সম্পন্ন হওয়ার বিপরীতে Milestone Payment-এর ব্যবস্থা রয়েছে। দুর্ভাগ্যজনক ভাবে বিভিন্ন আলোচনায় Milestone Payment-কে নির্দিষ্ট কাজের মূল্য, যন্ত্রপাতির মূল্য, যন্ত্রপাতি সরবরাহের মূল্য বা কমিশনিংয়ের মূল্য হিসেবে ব্যাখ্যা করা হচ্ছে, যা EPCC চুক্তির প্রকৃত কাঠামো ও অর্থের ভুল উপস্থাপন।



তিনি আরও বলেন, রূপপুরে ব্যবহৃত VVER-1200 Generation III+ প্রযুক্তি একটি সমন্বিত ও মালিকানাধীন (Proprietary) পারমাণবিক প্রযুক্তি। এর নিরাপত্তা, নির্ভরযোগ্যতা ও লাইসেন্সিং নিশ্চিত করতে আন্তর্জাতিক ভাবে স্বীকৃত EPCC পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়েছে। একই সঙ্গে বাংলাদেশি অপারেটরদের প্রশিক্ষণ এবং প্রযুক্তি হস্তান্তরও প্রকল্পের গুরুত্বপূর্ণ অংশ।



সরকারি ক্রয় আইন সম্পর্কে তিনি বলেন, প্রতিযোগিতামূলক ক্রয় সাধারণ নীতি হলেও প্রযুক্তিগত এককত্ব, মেধাস্বত্ব, নিরাপত্তাজনিত প্রয়োজন এবং আন্তঃসরকারি চুক্তির ক্ষেত্রে একক উৎস থেকে ক্রয়ের আইনগত ভিত্তি রয়েছে। রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্প সেই বিশেষ প্রকৃতির আন্তর্জাতিক প্রকল্পগুলোর একটি।



ড. মো. জাহেদুল হাসান বলেন, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্প দেশের দীর্ঘ মেয়াদি জ্বালানি নিরাপত্তা, উচ্চপ্রযুক্তি সক্ষমতা ও টেকসই উন্নয়নের একটি কৌশলগত বিনিয়োগ। তাই এ প্রকল্প নিয়ে আলোচনা ও মূল্যায়নের ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক ভাবে স্বীকৃত পারমাণবিক প্রকল্প বাস্তবায়নের নীতি, চুক্তিগত বাস্তবতা এবং অর্থায়ন কাঠামোকে সমন্বিতভাবে বিবেচনা করা প্রয়োজন। তথ্যভিত্তিক ও দায়িত্বশীল আলোচনা জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং সঠিক তথ্য প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

দেশের সর্ববৃহৎ মেগা প্রকল্প রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের নির্মাণ ব্যয়, সরঞ্জামের দাম ও অর্থ ছাড়ের প্রক্রি...

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র : বিতর্কের জবাব, নিরাপত্তার ব্যাখ্যাপারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের কমিশনিং বিশ্বের সবচেয়ে ক...
18/07/2026

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র : বিতর্কের জবাব, নিরাপত্তার ব্যাখ্যা

পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের কমিশনিং বিশ্বের সবচেয়ে কঠোর ও নিয়ন্ত্রিত শিল্পপ্রক্রিয়াগুলোর একটি। প্রতিটি যন্ত্রপাতি, সিস্টেম ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা ধাপে ধাপে পরীক্ষা, যাচাই এবং সমন্বিতভাবে মূল্যায়ন করতে হয় । কোনো পরীক্ষায় প্রত্যাশিত ফল না এলে সংশোধনের পর তা পুনরায় সম্পন্ন করা হয়

চলতি বছরের আগস্টের শেষ দিকে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে ৩০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হবে বলে জানিয়েছেন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম। তিনি আশা প্রকাশ করেছেন, আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে কেন্দ্রটির প্রথম ইউনিট থেকে ১ হাজার মেগাওয়াটেরও বেশি বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা সম্ভব হবে। অন্যদিকে, নিউক্লিয়ার পাওয়ার প্ল্যান্ট কোম্পানি বাংলাদেশ লিমিটেড (NPCBL)-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ড. মো. জাহেদুল হাসান জানিয়েছেন, কেন্দ্রটির প্রথম ইউনিট ২০২৭ সালের শুরুতে এবং দ্বিতীয় ইউনিট ২০২৮ সালের শুরুতে পূর্ণাঙ্গ বাণিজ্যিক উৎপাদনে যাবে।
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের নিরাপত্তা, কমিশনিং, পরিচালনাগত প্রস্তুতি এবং সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত নানা প্রতিবেদনকে কেন্দ্র করে জনমনে বিভিন্ন প্রশ্ন ও কৌতূহল তৈরি হয়েছে। এসব বিষয়ে ড. জাহেদুল হাসানের সঙ্গে কথা হলে তিনি কেন্দ্রটির নিরাপত্তা, পরিচালনা এবং আন্তর্জাতিক তদারকি কাঠামোসহ গুরুত্বপূর্ণ বিষয় সম্পর্কে ব্যাখ্যা দিলেন। ড. জাহেদুল হাসান বললেন, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের নিরাপত্তার ক্ষেত্রে কোনো ধরনের আপস করা হয়নি এবং ভবিষ্যতেও হবে না। তার ভাষ্য, জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সংযোগ (Grid Synchronization) প্রকল্পের শুরু নয়; বরং দীর্ঘ কমিশনিং কার্যক্রমের একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। এর আগে শত শত কমিশনিং পরীক্ষা, নিরাপত্তা যাচাই, সিস্টেম ইন্টিগ্রেশন, অপারেটর প্রস্তুতি এবং নিয়ন্ত্রক মূল্যায়ন সম্পন্ন করতে হয়। প্রয়োজনীয় সব পরীক্ষা সফলভাবে শেষ না হলে এবং বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ অনুমোদন না দিলে কোনো

ধাপেই অগ্রসর হওয়ার সুযোগ নেই। সাম্প্রতিক কিছু প্রতিবেদনে 'প্রয়োজনীয় পরীক্ষানিরীক্ষা শেষ হওয়ার আগেই কেন্দ্রটি পরিচালনায় যাচ্ছে'— এমন যে ধারণা দেওয়া হয়েছে, তা বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। তার দাবি, প্রতিটি কমিশনিং পরীক্ষার পরিধি, পদ্ধতি ও গ্রহণযোগ্যতার মানদণ্ড প্রকল্পের শুরুতেই নির্ধারণ করা হয়েছে এবং প্রতিটি ফলাফল স্বাধীনভাবে মূল্যায়ন করা হয়। কোনো পরীক্ষায় সন্তোষজনক ফল না এলে পরবর্তী ধাপে যাওয়ার অনুমতি দেওয়া হয় না।
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র পরিচালনায় বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের দায়িত্ব সম্পর্কেও বিস্তারিত ব্যাখ্যা দেন NPCBL এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক। তিনি বলেন, বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশন প্রকল্পের মালিক হিসেবে নির্মাণ চুক্তি বাস্তবায়ন ও স্থাপনা গ্রহণের দায়িত্ব পালন করছে। NPCBL আইন অনুযায়ী মনোনীত Operating Organization হিসেবে কমিশনিং, নিরাপদ পরিচালনা, রক্ষণাবেক্ষণ এবং ভবিষ্যতে কেন্দ্রটির ডিকমিশনিং পর্যন্ত অপারেশনাল দায়িত্ব পালন করবে। অন্যদিকে BAERA একটি স্বাধীন নিয়ন্ত্রক সংস্থা হিসেবে প্রতিটি ধাপ মূল্যায়ন করে প্রয়োজনীয় লাইসেন্স প্রদান করছে। তিনি জানান, কমিশনিং কার্যক্রমের স্বাধীন কারিগরি মূল্যায়নের জন্য BAERA আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতাসম্পন্ন Vo Safety কে Expert Organization হিসেবে নিয়োগ দিয়েছে। Hot Run, Fuel Loading, First Criticality, Low Power Physics Test, Power Ascension Test এবং Grid Synchronization -সহ প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপের ফলাফল ও নিরাপত্তা বিশ্লেষণ পর্যালোচনা করে প্রতিষ্ঠানটি BAERA- কে কারিগরি মতামত দিচ্ছে। পাশাপাশি রাশিয়ার Concern Rosenergoatom (CREA) কমিশনিং, অপারেশনাল প্রস্তুতি, প্রশিক্ষণ ও জ্ঞান হস্তান্তরে সহায়তা করছে। Rostechnadzor প্রযুক্তিগত অভিজ্ঞতা বিনিময় করছে এবং আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থা (IAEA) বিভিন্ন Peer Review Mission, Technical Review-এর মাধ্যমে আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী প্রস্তুতি মূল্যায়ন করছে।

গত বছরে পরিচালিত বিভিন্ন জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যালোচনা মিশনের বিষয়েও আলোকপাত করেন তিনি। তার মতে, Test Pre- OSART, Pre-OSART, IPPAS Mission,
BAERA- Comprehensive Regulatory Inspection BAEC, NPCBL ও CREA- এর যৌথ Self-Assessment এসব মূল্যায়নের ফলাফল ইতিবাচক এসেছে। Test Pre-OSART ও Pre-OSART-এর সুপারিশ বাস্তবায়ন করা হয়েছে এবং IPPAS Mission-এর সুপারিশ বাস্তবায়নের কাজও প্রায় শেষ পর্যায়ে। সম্প্রতি IAEA-এর উপমহাপরিচালক রূপপুর পরিদর্শন করে NPCBL- এর প্রস্তুতি ও অগ্রগতির প্রশংসা করেছেন বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

মানবসম্পদ ও অপারেশনাল সক্ষমতা প্রসঙ্গে ড. জাহেদুল হাসান বলেন, গত এক দশকে শত শত প্রকৌশলী, অপারেটর, রিঅ্যাক্টর বিশেষজ্ঞ, রসায়নবিদ, বিকিরণ সুরক্ষা ও রক্ষণাবেক্ষণ প্রকৌশলী রাশিয়াসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে দীর্ঘমেয়াদি প্রশিক্ষণ নিয়েছেন। Full Scope Simulator. On the Job Training Ges Classroom Training সফলভাবে সম্পন্ন করার পাশাপাশি প্রত্যেক অপারেটরকে BAERA এর কঠোর লাইসেন্সিং প্রক্রিয়া অতিক্রম করতে হয়েছে।

একই সময়ে CREA-এর বিশেষজ্ঞরা কমিশনিং পর্যায়ে NPCBL এর কর্মীদের সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করে অভিজ্ঞতা স্থানান্তর নিশ্চিত করছেন। তার মতে, প্রযুক্তিগত ও প্রাতিষ্ঠানিক— উভয় দিক থেকেই NPCBL এখন দেশের প্রথম পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র পরিচালনার জন্য সক্ষম Operating Organization |

স্পেন্ট ফুয়েল ব্যবস্থাপনা নিয়েও তিনি প্রচলিত বিভ্রান্তির জবাব দেন। তিনি বলেন, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় এবং রাশিয়ার State Corporation Rosatom-এর মধ্যে Spent Fuel Take Back Agreement ইতিমধ্যে স্বাক্ষরিত হয়েছে। একই সঙ্গে BAEC ও TVEL এর মধ্যে দীর্ঘমেয়াদি পারমাণবিক জ্বালানি সরবরাহের Framework Agreement বিদ্যমান। IAEA-এর নির্দেশিকা অনুযায়ী ব্যবহৃত জ্বালানি প্রথমে কেন্দ্রের Spent Fuel Pool-এ নিরাপদে সংরক্ষণ ও শীতলীকরণ করা হয়। পরে আন্তঃরাষ্ট্রীয় চুক্তি, বাণিজ্যিক ব্যবস্থা এবং নিয়ন্ত্রক অনুমোদনের ভিত্তিতে পরবর্তী ব্যবস্থাপনা সম্পন্ন হয়। তাই স্পেন্ট ফুয়েল ব্যবস্থাপনা নিয়ে কোনো পরিকল্পনা নেই—এমন দাবি বাস্তবতার সঙ্গে মেলে না বলে তিনি মন্তব্য করেন।

পারমাণবিক জ্বালানি সরবরাহ ও পরিচালনা- রক্ষণাবেক্ষণ (O&M) চুক্তি নিয়েও তিনি ব্যাখ্যা দেন। তার ভাষ্য BAEC ও রাশিয়ার TVEL-এর মধ্যে পুরো পরিচালনকালব্যাপী জ্বালানি সরবরাহের Framework Agreement রয়েছে। ফলে তিন বছর পর জ্বালানি সরবরাহ অনিশ্চিত—এমন ধারণা সঠিক নয়। একইভাবে আন্তর্জাতিকভাবে O&M Agreement সাধারণত কমিশনিংয়ের শেষ পর্যায়ে সম্পন্ন হয়। রূপপুর ও বর্তমানে সেই ধাপে রয়েছে এবং বাংলাদেশ ও রাশিয়ার সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর মধ্যে এ বিষয়ে কাজ দ্রুত এগিয়ে চলছে।

ট্যারিফ ও Power Purchase Agreement (PPA) প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এগুলো মূলত আর্থিক ও বাণিজ্যিক বিষয়; কমিশনিং বা নিরাপত্তার সঙ্গে এর কোনো সম্পর্ক নেই। বিশ্বের অনেক দেশেই পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের PPA ও ট্যারিফ বাণিজ্যিক উৎপাদন শুরুর আগেই চূড়ান্ত হয়েছে। তাই এসব বিষয়কে নিরাপত্তা ঘাটতির সঙ্গে যুক্ত করা ঠিক হবে না।

জাতীয় গ্রিডের সক্ষমতা, জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলা এবং জননিরাপত্তা প্রসঙ্গে তিনি জানান, বাংলাদেশ পাওয়ার গ্রিড কোম্পানি (PGCB ) প্রয়োজনীয় সঞ্চালন ব্যবস্থা, গ্রিড স্টাডি ও সুরক্ষা সমন্বয়ের কাজ সম্পন্ন করেছে। পাশাপাশি সমন্বিত জরুরি মহড়া, অগ্নিনির্বাপণ মহড়া এবং নিরাপত্তা মহড়াও সফলভাবে পরিচালিত হয়েছে। Defence- in-Depth নীতির ভিত্তিতে Emergency Preparedness and Response Plan, বিকিরণ ও পরিবেশ পর্যবেক্ষণ ব্যবস্থা কার্যকর রয়েছে এবং IAEA-এর IPPAS Mission সহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক মূল্যায়নেও এসব প্রস্তুতি পর্যালোচনা করা হয়েছে।

চেরনোবিল ও ফুকুশিমার উদাহরণ টেনে রূপপুরের নিরাপত্তা নিয়ে যে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়, সে বিষয়ে তিনি বলেন, ঐ দুই কেন্দ্রের প্রযুক্তি এবং রূপপুরের প্রযুক্তির মধ্যে মৌলিক পার্থক্য রয়েছে। চেরনোবিল ছিল RBMK এবং ফুকুশিমা ছিল Generation II BWR প্রযুক্তির রিঅ্যাক্টর। অন্যদিকে রূপপুরে ব্যবহৃত VVER - ১২০০ হলো আধুনিক Generation-III+ প্রযুক্তি, যার নকশায় অতীতের বড় দুর্ঘটনাগুলোর অভিজ্ঞতা অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এখানে Double Containment, Core Catcher, Passive Heat Removal System, Emergency Core Cooling System, Hydrogen Recombiner এবং Severe Accident Management-সহ একাধিক সক্রিয় ও নিষ্ক্রিয় নিরাপত্তা ব্যবস্থা রয়েছে। তাই প্রযুক্তিগত দিক থেকে রূপপুরকে চেরনোবিল বা ফুকুশিমার সঙ্গে সরাসরি তুলনা করা সঠিক নয়। কমিশনিং প্রক্রিয়া দীর্ঘ হওয়ার কারণ ব্যাখ্যা করতে গিয়ে তিনি বলেন, পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের কমিশনিং বিশ্বের সবচেয়ে কঠোর ও নিয়ন্ত্রিত শিল্পপ্রক্রিয়াগুলোর একটি। প্রতিটি যন্ত্রপাতি সিস্টেম ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা ধাপে ধাপে পরীক্ষা, যাচাই এবং সমন্বিতভাবে মূল্যায়ন করতে হয়। কোনো পরীক্ষায় প্রত্যাশিত ফল না এলে সংশোধনের পর তা পুনরায় সম্পন্ন করা হয়। তাই সময় বেশি লাগা দুর্বলতার নয়; বরং নিরাপত্তা নিশ্চিত করার আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত প্রক্রিয়ারই অংশ ।

https://epaper.ittefaq.com.bd/m/625976/6a5a5f70c3ea3?fbclid=IwY2xjawTIKZJleHRuA2FlbQIxMQBzcnRjBmFwcF9pZBAyMjIwMzkxNzg4MjAwODkyAAEe4pmppLIRnWaXPzDcQdO96i96A3-8gcmGfoMeGqstmNQGsu4MCTLPWJsqay4_aem_Uc2Cef00sWXSqc7TGvKPAg





# NuclearSecurity

𝑹𝒐𝒐𝒑𝒑𝒖𝒓 𝑵𝑷𝑷 𝒐𝒏 𝒕𝒓𝒂𝒄𝒌 𝒘𝒊𝒕𝒉 𝒔𝒂𝒇𝒆𝒕𝒚 𝒄𝒉𝒆𝒄𝒌𝒔𝟑𝟎𝟎𝑴𝑾 𝒆𝒙𝒑𝒆𝒄𝒕𝒆𝒅 𝒐𝒏 𝒕𝒉𝒆 𝒏𝒂𝒕𝒊𝒐𝒏𝒂𝒍 𝒈𝒓𝒊𝒅 𝒃𝒚 𝑨𝒖𝒈; 𝒆𝒗𝒆𝒓𝒚 𝒄𝒐𝒎𝒎𝒊𝒔𝒔𝒊𝒐𝒏𝒊𝒏𝒈 𝒔𝒕𝒂𝒈𝒆 𝒔𝒖𝒃𝒋𝒆𝒄𝒕 𝒕𝒐 ...
17/07/2026

𝑹𝒐𝒐𝒑𝒑𝒖𝒓 𝑵𝑷𝑷 𝒐𝒏 𝒕𝒓𝒂𝒄𝒌 𝒘𝒊𝒕𝒉 𝒔𝒂𝒇𝒆𝒕𝒚 𝒄𝒉𝒆𝒄𝒌𝒔

𝟑𝟎𝟎𝑴𝑾 𝒆𝒙𝒑𝒆𝒄𝒕𝒆𝒅 𝒐𝒏 𝒕𝒉𝒆 𝒏𝒂𝒕𝒊𝒐𝒏𝒂𝒍 𝒈𝒓𝒊𝒅 𝒃𝒚 𝑨𝒖𝒈; 𝒆𝒗𝒆𝒓𝒚 𝒄𝒐𝒎𝒎𝒊𝒔𝒔𝒊𝒐𝒏𝒊𝒏𝒈 𝒔𝒕𝒂𝒈𝒆 𝒔𝒖𝒃𝒋𝒆𝒄𝒕 𝒕𝒐 𝒔𝒕𝒓𝒊𝒄𝒕 𝒓𝒆𝒈𝒖𝒍𝒂𝒕𝒐𝒓𝒚 𝒂𝒑𝒑𝒓𝒐𝒗𝒂𝒍

Highlighting the Rooppur Nuclear Power Plant's (Rooppur NPP) safety features, Nuclear Power Plant Company Bangladesh Limited (NPCBL) Managing Director Dr. Md. Zahedul Hassan said its Generation III+ VVER-1200 reactors differ fundamentally from the technologies used at Chernobyl and Fukushima.
Equipped with advanced safety systems—including Double Containment, a Core Catcher, Passive Heat Removal System, Emergency Core Cooling System, Hydrogen Recombiners and Severe Accident Management Systems—the reactors incorporate lessons learned from past nuclear accidents and meet modern international safety standards.
His remarks come amid growing public discussion over the plant's safety, commissioning process and operational readiness following recent media reports.

Science and Technology Minister Faqir Mahbub Anam, MP said the plant is expected to supply an initial 300 megawatts (MW) of electricity to the national grid by the end of August, with the first unit generating more than 1,000MW by December.
Dr. Md. Zahedul Hassan said the first unit is expected to enter full commercial operation in early 2027, while the second unit is scheduled to begin commercial operation in early 2028.
Rejecting speculation that safety requirements are being overlooked, he said there had been "no compromise on safety" and there would be none in the future.

He explained that grid synchronisation is only one milestone in a lengthy and tightly regulated commissioning process. Before synchronisation, hundreds of commissioning tests, safety verifications, system integration procedures, operator training activities and regulatory evaluations must be completed, with every stage requiring approval from the Bangladesh Atomic Energy Regulatory Authority (BAERA).

Responding to reports claiming the plant is moving towards operation without completing mandatory safety checks, Dr Hasan said such assertions do not reflect reality. Each commissioning test follows pre-defined procedures and acceptance criteria established from the outset of the project. Test results are independently reviewed, and no subsequent stage can proceed until all requirements are fulfilled.

Dr Hasan said the Bangladesh Atomic Energy Commission (BAEC) is the project owner, while NPCBL is legally responsible for commissioning, operation, maintenance and eventual decommissioning. BAERA acts as the independent regulator, evaluating every stage of the project and issuing the necessary licences.

He added that BAERA has appointed international expert organisation VO Safety to independently assess key commissioning milestones, while Russia's Concern Rosenergoatom (CREA) is assisting NPCBL with commissioning, operator training and knowledge transfer. Russia's regulator Rostechnadzor is providing technical support to BAERA, and the International Atomic Energy Agency (IAEA) is reviewing Bangladesh's preparedness through peer review missions and technical assessments.

According to Dr Hasan, recent IAEA Test Pre-OSART, Pre-OSART and IPPAS missions, together with BAERA's Comprehensive Regulatory Inspection and a joint self-assessment by BAEC, NPCBL and CREA, produced encouraging results. Recommendations from the Test Pre-OSART and Pre-OSART missions have already been implemented, while work on the IPPAS recommendations is nearing completion. He also noted that the IAEA Deputy Director General recently visited Rooppur and praised the project's preparedness.
Addressing concerns over manpower, Dr Hasan said Bangladesh has spent more than a decade building a skilled workforce. Hundreds of engineers, reactor specialists, operators and radiation protection experts have received extensive training in Russia and elsewhere, while all operators have successfully completed BAERA's licensing process.

On spent nuclear fuel, he said Bangladesh has already signed a Spent Fuel Take Back Agreement with Russia's State Corporation Rosatom, while BAEC and TVEL have concluded a long-term framework agreement covering fuel supply throughout the plant's operational life. Spent fuel will initially be stored and cooled in the plant's Spent Fuel Pool in accordance with IAEA safety standards before being managed under bilateral agreements and regulatory approvals.

Dr Hasan also dismissed concerns over future fuel supplies and operation and maintenance arrangements, saying long-term agreements are being finalised in line with international practice. He clarified that electricity tariffs and the Power Purchase Agreement (PPA) are commercial matters unrelated to nuclear safety or commissioning.

He said the Power Grid Company of Bangladesh (PGCB) has completed the required transmission infrastructure and grid preparations, while emergency response exercises, firefighting drills and security drills have also been successfully conducted.

Describing the lengthy commissioning period as evidence of rigorous compliance rather than delay, Dr Hasan said every stage of the project would proceed only after all safety tests, regulatory reviews and approvals had been completed, reaffirming NPCBL's commitment to the highest standards of safety, transparency and accountability.

https://ep.dailynewnation.com/2026/07/18/11/newnation/11_r2_c5.jpg





# NuclearSecurity

নিরাপত্তায় কোনো আপস নয়: রূপপুর নিয়ে সব প্রশ্নের তথ্যভিত্তিক উত্তররূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রকে ঘিরে সাম্প্রতিক সম...
14/07/2026

নিরাপত্তায় কোনো আপস নয়: রূপপুর নিয়ে সব প্রশ্নের তথ্যভিত্তিক উত্তর

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রকে ঘিরে সাম্প্রতিক সময়ে সাংবাদিক, শিক্ষাবিদ, বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক, বুদ্ধিজীবী এবং সাধারণ মানুষের মনে বিভিন্ন প্রশ্ন, কৌতূহল ও আলোচনা তৈরি হয়েছে।

এসব গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নের তথ্যনির্ভর, স্বচ্ছ ও বাস্তবভিত্তিক উত্তর তুলে ধরতে দৈনিক ইনকিলাব-এর স্থানীয় প্রতিনিধিকে একটি একান্ত সাক্ষাৎকার দিয়েছেন নিউক্লিয়ার পাওয়ার প্ল্যান্ট কোম্পানি বাংলাদেশ লিমিটেড (NPCBL)-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক।

সাক্ষাৎকারে রূপপুর প্রকল্পের নিরাপত্তা ব্যবস্থা, আন্তর্জাতিক মানদণ্ড, কমিশনিং কার্যক্রম, ব্যবহৃত পারমাণবিক জ্বালানি ব্যবস্থাপনা, পরিবেশগত সুরক্ষা, পরিচালনাগত প্রস্তুতি এবং জনমনে প্রচলিত বিভিন্ন প্রশ্ন ও বিভ্রান্তি সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে।

আমাদের বিশ্বাস, পারমাণবিক বিদ্যুৎ নিয়ে যেকোনো মূল্যায়ন হওয়া উচিত তথ্য, বিজ্ঞান ও আন্তর্জাতিক মানদণ্ডের আলোকে।

🔗 সম্পূর্ণ সাক্ষাৎকারের লিংক নিচে দেওয়া হলো। বিস্তারিত পড়ার জন্য অনুগ্রহ করে দৈনিক ইনকিলাবের ওয়েবসাইট ভিজিট করুন।
https://dailyinqilab.com/bangladesh/news/916017
https://epaper.dailyinqilab.com/share?image_id=12_17839680842856285&page_no=12&date=2026-07-14&edition=1












রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের অপারেটিং অর্গানাইজেশন নিউক্লিয়ার পাওয়ার প্ল্যান্ট কোম্পানি বাংলাদেশ লিমিটেড (NPCBL)-এর...
07/07/2026

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের অপারেটিং অর্গানাইজেশন নিউক্লিয়ার পাওয়ার প্ল্যান্ট কোম্পানি বাংলাদেশ লিমিটেড (NPCBL)-এর পক্ষ থেকে স্থানীয় পর্যায়ের বিভিন্ন স্কুল, মাদ্রাসা ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে গ্রীষ্মের এই সময়ে শ্রেণিকক্ষে ব্যবহারের জন্য সিলিং ফ্যান বিতরণ করা হয়।
স্থানীয় পর্যায়ে প্রায় ডজনখানেক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এ বিতরণ কার্যক্রম সম্পন্ন করা হয়।

কার্যক্রমটির নেতৃত্ব প্রদান করেন NPCBL এর DCS এস এম মাহমুদ আরাফাত। এই কার্যক্রমে আরও অংশ গ্রহণ করেন উপ-কোম্পানি সচিব সৈয়দ আবু তাহের এবং পিপিএস-এর ইঞ্জিনিয়ারিং ডিভিশনের-এর প্রধান আবু কায়ছার।

এনপিসিবিএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ড. মো. জাহেদুল হাসান -এর তত্ত্বাবধানে, NPCBL কর্তৃক পরিচালিত বিভিন্ন কল্যাণমূলক ও সামাজিক কর্মকান্ডের অংশ হিসেবে এ এই কার্যক্রম চলমান রয়েছে।




রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে জরুরি ও অগ্নিনির্বাপণ নিরাপত্তা মহড়া সম্পন্নদেশের প্রথম পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র রূপপুর...
03/07/2026

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে জরুরি ও অগ্নিনির্বাপণ নিরাপত্তা মহড়া সম্পন্ন

দেশের প্রথম পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে পূর্ণাঙ্গ জরুরি ও অগ্নিনির্বাপণ মহড়া সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে।

জরুরি প্রস্তুতি কর্মসূচির (𝐄𝐦𝐞𝐫𝐠𝐞𝐧𝐜𝐲 𝐏𝐫𝐞𝐩𝐚𝐫𝐞𝐝𝐧𝐞𝐬𝐬 𝐏𝐫𝐨𝐠𝐫𝐚𝐦𝐦𝐞) আওতায় আয়োজিত এ মহড়ায় কাল্পনিক জরুরি পরিস্থিতিতে বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রতিক্রিয়া সক্ষমতা, আন্তঃসংস্থা সমন্বয়, যোগাযোগব্যবস্থা এবং জরুরি ব্যবস্থাপনার কার্যকারিতা যাচাই করা হয়।

নিউক্লিয়ার পাওয়ার প্ল্যান্ট কোম্পানি বাংলাদেশ লিমিটেডের (এনপিসিবিএল) ডেপুটি চিফ সুপারিন্টেনডেন্ট এস এম মাহমুদ আরাফাত জানান, মহড়ায় জরুরি পরিস্থিতির শ্রেণিবিন্যাস, জরুরি নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্র সক্রিয়করণ, কারিগরি মূল্যায়ন, সম্ভাব্য তেজস্ক্রিয়তার প্রভাব নিরূপণ, সুরক্ষামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর সমন্বিত কার্যক্রম সফলভাবে পরীক্ষা করা হয়েছে।

এনপিসিবিএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ড. মো. জাহেদুল হাসানের নেতৃত্বে জরুরি নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্র থেকে পুরো মহড়া পরিচালিত হয় জানিয়ে এস এম মাহমুদ আরাফাত বলেন, কাল্পনিক জরুরি অবস্থা ঘোষণা করার সঙ্গে সঙ্গে প্ল্যান্ট ইমার্জেন্সি রেসপন্স অর্গানাইজেশন সক্রিয় হয়ে নির্ধারিত পরিকল্পনা অনুযায়ী প্রতিক্রিয়া কার্যক্রম শুরু করে। কারিগরি দল প্ল্যান্টের পরিচালনাগত তথ্য, তেজস্ক্রিয়তা, সম্ভাব্য বিকিরণ বিস্তার, আবহাওয়া এবং কর্মী ও আশপাশের জনগণের ওপর সম্ভাব্য প্রভাব বিশ্লেষণ করে প্রয়োজনীয় সুরক্ষামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করে।

মহড়ায় বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ (বায়েরা), এর কারিগরি সহায়তা প্রতিষ্ঠান ভিও-সেফটি, বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশন, ন্যাশনাল ক্রাইসিস সেন্টার, জেলা প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স, চিকিৎসাসেবা প্রতিষ্ঠানসহ বিভিন্ন সরকারি সংস্থার প্রতিনিধি এবং মস্কো থেকে আগত পারমাণবিক বিশেষজ্ঞদের একটি প্রতিনিধিদল পর্যবেক্ষক হিসেবে অংশ নেন।

মহড়া শেষে বায়েরা ও ভিও-সেফটি সার্বিক কার্যক্রম পর্যালোচনা করে কোনো গুরুত্বপূর্ণ ত্রুটি বা নেতিবাচক পর্যবেক্ষণ উপস্থাপন করেনি বলে এস এম মাহমুদ আরাফাত জানিয়েছেন।

এনপিসিবিএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ড. মো. জাহেদুল হাসান বলেন, এ মহড়া দেশের প্রথম পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের জরুরি প্রস্তুতি, কারিগরি দক্ষতা, কার্যকর নেতৃত্ব এবং জাতীয় ও স্থানীয় সংস্থাগুলোর সমন্বিত সক্ষমতার গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ। তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা মানদণ্ড অনুসরণ করে নিয়মিত মহড়া ও প্রশিক্ষণের মাধ্যমে কর্মী, স্থানীয় জনগণ এবং পরিবেশের সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এনপিসিবিএল প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

https://www.ittefaq.com.bd/796568/%E0%A6%B0%E0%A7%82%E0%A6%AA%E0%A6%AA%E0%A7%81%E0%A6%B0-%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A3%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%95-%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A7%81%E0%A7%8E%E0%A6%95%E0%A7%87%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A7%87-%E0%A6%9C%E0%A6%B0%E0%A7%81%E0%A6%B0%E0%A6%BF-%E0%A6%93




দেশের প্রথম পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে পূর্ণাঙ্গ জরুরি ও অগ্নিনির্বাপণ মহড়া ...

Address

National Science And Technology Complex, E-13/D, Agargaon, Sher-e-Bangla Nagar
Dhaka
1207

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Rooppur Nuclear Power Plant posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category