Abu Sayem Jahan, Follow

Abu Sayem Jahan, Follow Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Abu Sayem Jahan, Follow, Science, Technology & Engineering, Vice Principal, BCS(Technical Education), Dinajpur.

21/09/2025

প্রতীক্ষার মুহূর্ত দীর্ঘ

21/09/2025

প্রতীক্ষার মুহূর্ত দীর্ঘ

Send a message to learn more

ঃটেস্টিং সল্ট ক্ষতিকরঃখাবারের স্বাদ বাড়াতে টেস্টিং সল্টের ব্যবহার প্রতিনিয়ত বেড়েই চলেছে। এই লবণ ব্যবহারে খাবারের স্বাদ ব...
28/07/2025

ঃটেস্টিং সল্ট ক্ষতিকরঃ

খাবারের স্বাদ বাড়াতে টেস্টিং সল্টের ব্যবহার প্রতিনিয়ত বেড়েই চলেছে। এই লবণ ব্যবহারে খাবারের স্বাদ বাড়ে, তাই কোনো বাছ-বিচার না করেই টেস্টিং সল্ট রান্নায় যোগ করা হচ্ছে। লবণটি পরিমাণে বেশি ও দীর্ঘদিন খেলে ডেকে আনে স্বাস্থ্যের জন্য মহাবিপদ।

মনোসোডিয়াম গ্লুটামেট (এমএসজি) নামে এই লবণ একটি নীরব ঘাতক। এই লবণ হাড় দুর্বল করে দিতে পারে, স্মৃতিশক্তি লোপ পেতে পারে। অন্যদিকে দীর্ঘদিন ধরে খেলে টেস্টিং সল্ট নেই এমন অন্যান্য খাবারে অরুচি জন্মায়। ফলে না খেয়ে থাকার একটি প্রবণতাও তৈরি হয়।

জনস্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটের ন্যাশনাল ফুড সেফটি ল্যাবরেটরির সমীক্ষায় বাজারে প্রচলতি আলুর চিপসের পাশাপাশি ৫৫টি নুডুলস, পপকর্ন ও ফ্রেঞ্চ ফ্রাইতে অতিমাত্রায় টেস্টিং সল্ট পাওয়া গেছে। টেস্টিং সল্টের ক্ষতিকর প্রভাবের জন্য এটাকে ‘চাইনিজ রেস্টুরেন্ট সিন্ড্রোম’ নামকরণ করা হয়েছে। পুষ্টিবিদরা বলেন, মনোসোডিয়াম গ্লুটামেট টমেটো ও পনিরে প্রাকৃতিকভাবেই থাকে। তাই খাবারে টেস্টিং সল্টের পরিবর্তে টমেটো ব্যবহার করলে পুষ্টিও পাওয়া যায় এবং খাবারের স্বাদও বাড়ে।

এমন অনেকেই আছেন ঘরের রান্না করা খাবার খেতে পারেন না সময়ের কারণে। তাকে দিনের একটি সময়, বিশেষ করে দুপুরের খাবার বাইরে খেতে হয়। বাইরের খাবার ঘরের রান্নার চেয়ে অনেক স্বাদের হয়ে থাকে। ফলে ঘরের খাবারে আর রুচি হয় না। আর রেস্টুরেন্টের খাবারে সাধারণ লবণের পরিবর্তে ব্যবহৃত হচ্ছে টেস্টিং সল্ট। এটাকে চাইনিজ সল্ট বা চাইনিজ লবণও বলা হয়ে থাকে।

বাংলাদেশে চাইনিজ রেস্টুরেন্টের খাবারে টেস্টিং সল্টের প্রথম ব্যবহার শুরু হলেও এখন সাধারণ রেস্টুরেন্টে তো বটেই, এটা ছড়িয়েছে বিয়ের অনুষ্ঠানে, এমনকি ঘরের রান্না করা খাবারেও। বিজ্ঞানীরা বলছেন, মনোসোডিয়াম গ্লুটামেট নামের রাসায়নিক উপাদানে তৈরি টেস্টিং সল্ট স্নায়ুতন্ত্রের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর।

লবণটি শরীরে গেলে বিভিন্ন জটিল রোগের ঝুঁকি তো আছেই, উপরন্তু এতে কোনো পুষ্টিগুণও নেই। টেস্টিং সল্ট ব্যবহার করলে খাবার যে পরিমাণে সুস্বাদু হয় সেরকম স্বাদ অন্যকিছু ব্যবহারে পাওয়া যায় না বলে অনেকে কোনো বাছ-বিচার না করেই ব্যবহার করে থাকে।

তাছাড়া টেস্টিং সল্ট ফাস্ট ফুডেও বেশি ব্যবহার করা হয় বিক্রি বাড়ানোর জন্য। হালিম, ঝালমুড়ি, চটপটি, ফুচকা, গ্রিল, পিজা, স্যান্ডউইচ, চানাচুর, ক্রেকার্স, ভেজিটেবল কারি, সয়া সস, কেচআপ, সাধারণ সস, বিস্কুট, নুডলস, চিপস ও স্যুপেও ব্যবহৃত হয় এই লবণ।

দীর্ঘদিন ব্যবহারে বিভিন্ন রোগ হয়ে থাকেঃ

টেস্টিং সল্ট দীর্ঘদিন ব্যবহারে শরীরে বিভিন্ন রোগ দেখা দেয়। এগুলোর মধ্যে অন্যতম হলো- ক্যান্সার, উচ্চ রক্তচাপ ও ওজন বৃদ্ধি। যেহেতু টেস্টিং সল্ট সাধারণ লবণের চেয়ে মজা বেশি, সে কারণে এটা পরিমাণে বেশি যাচ্ছে শরীরে। ফলে ওজন বেড়ে যায়। কারণ লবণ কোষগুলোতে পানি জমিয়ে দেয়।

টেস্টিং সল্ট লিভারে (যকৃৎ বা কলিজা) চর্বি জমা করা রাখতে ভূমিকা রাখে, হাড় দুর্বল বা ক্ষয় করে থাকে, খাবারে অরুচি জন্মায়, ডায়াবেটিসের ঝুঁকি বাড়ায়, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যায়, দৃষ্টিশক্তি কমে যায়, মাথা ব্যথা বাড়ে, মাংসপেশিতে ব্যথা, হাত এবং পায়ে ঝিমঝিম বা অবশ লাগে, হার্ট বিট দ্রুত হয়, মেধা বিকাশে বিঘ্ন ঘটতে পারে বা স্মৃতিশক্তি হ্রাস পেতে পারে।

পুষ্টি বিজ্ঞানীরা বলেন, দীর্ঘদিন টেস্টিং সল্ট খাওয়ায় অ্যাড্রেনাল গ্ল্যান্ডের অস্বাভাবিক গঠনে দেহে ইমিউন ডেফিসিয়েন্সি বা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যেতে পারে। ওজন বৃদ্ধি, ডায়াবেটিস হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে পেনক্রিয়াস (অগ্ন্যাশয়), লিভারের প্রদাহ, হরমোনাল ইনব্যালেন্স হতে পারে। সোডিয়াম গ্লুটামেট মস্তিষ্কের নিউরাল কোষকে উত্তেজিত করে থাকে।

এই কোষ মানুষের শিক্ষা, জ্ঞান, স্মৃতিশক্তি ও যোগাযোগে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। অতিরিক্ত টেস্টিং সল্ট দেহে প্রবেশ করে যা মস্তিষ্কের গ্লুটামেট রিসেপ্টরকে খুব বেশি উত্তেজিত করে। এতে মস্তিষ্কের কেন্দ্রীয় স্নায়বিক পদ্ধতির কাজে বিঘ্ন ঘটে। এতে মাথাব্যথা, মাংসপেশি ব্যথাসহ বিভিন্ন সমস্যা দেখা দেয়।

অতিরিক্ত বা দীর্ঘদিন টেস্টিং সল্ট মানবদেহের টেস্ট বা স্বাদ নামক রিসেপ্টরকে নষ্ট করে দিতে পারে। সেক্ষেত্রে স্বাদ বা রুচিকর আর কিছুই থাকবে না। এতে জিহ্বায় কোনো খাবারেরই স্বাদ থাকবে না।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, টেস্টিং সল্টযুক্ত খাবারে মুখের লালা (স্যালাইভা) বেশি তৈরিতে সহায়তা করে। এই স্যালাইভা বেশি করে খাবার খেতে জিহ্বাকে উৎসাহিত করে থাকে। এভাবে টেস্টিং সল্ট বেশি খাবার খাওয়ার অভ্যাস গড়ে দেয়। ফলে মানুষ অল্প কিছুদিনের মধ্যেই মোটা হয়ে যায়।

কৃত্রিম স্বাদ বৃদ্ধিকারী টেস্টিং সল্ট নিয়ে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এটা একটি ভয়ানক নীরব ঘাতক। এই লবণটি নানাভাবে মস্তিষ্কের ক্ষতিসাধন করে থাকে। তাই একে অভিহিত করা হয়েছে ‘স্নায়ু বিষ’ হিসেবে। শিশুদের জন্য এটি আরও মারাত্মক। এক গবেষণা প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, টেস্টিং সল্টের ব্যবহার থামাতে না পারলে অ্যালকোহল ও নিকোটিনের মতো বড় বিপদ ঘটাতে পারে।

বিজ্ঞানীরা একে ‘উদ্দীপক বিষ’ নামেও অভিহিত করেছেন। টেস্টিং সল্ট মানবদেহে প্রবেশ করে কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্রকে বিষিয়ে তোলে। ফলে স্নায়ুতন্ত্র সঠিকভাবে কাজ করতে পারে না। মেজাজ খিটখিটে হয়ে যায়, কাজে মনোযোগ দেওয়ার ক্ষমতা হ্রাস পায়, ঘুম কম হয়, স্বাভাবিক খাবারে অরুচিকর হয়ে থাকে।

টেস্টিং সল্টের ইতিহাসঃ

সর্বপ্রথম ১৯০৮ সালে জাপানিজ বায়োকেমিস্ট কিকুনি ইকেদা খাবারের স্বাদ বাড়াতে মনোসোডিয়াম গ্লুটামেট বা টেস্টিং সল্ট ব্যবহার শুরু করেন। পরে ইউএস ফুড অ্যান্ড ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (এফডিএ) বাণিজ্যিকভাবে টেস্টিং সল্ট ব্যবহারের অনুমোদন দেয়। ইউএস এফডিএ কোনো কিছু অনুমোদন দিলে অন্যান্য দেশ বিনা সন্দেহে এফডিএকে অনুসরণ করে। কারণ এফডিএ কোনো কিছুর অনুমোদন দিলে তা যথেষ্ট মান যাচাই করে দেয়।

কিন্তু সোডিয়াম গ্লুটামেটের ক্ষেত্রে এফডিএর সিদ্ধান্ত সঠিক ছিল না। এটা খাবারের স্বাদ বাড়ালেও এটা লবণ। আর অতিরিক্ত লবণ শরীরের অনেক ক্ষতি করে থাকে এটা এখন সর্বজন বিদিত। কারণ লবণের ক্লোরাইড বাদ দিয়ে শুধু সোডিয়াম খুবই সামান্য শরীরের জন্য উপকারী।

বর্তমানে টেস্টিং সল্টের ক্ষতিকর দিক প্রমাণ হওয়ায় বিশ্বের বিভিন্ন দেশে এই লবণটি বিক্রি ও ব্যবহার নিষিদ্ধ করেছে। এর মধ্যে অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড, নরওয়েসহ ইউরোপের কয়েকটি দেশ, মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশসহ পাকিস্তান অন্যতম। পাকিস্তানের সুপ্রিম কোর্ট স্যুয়োমোটো রুল ইস্যু করে ২০১৮ সালের মার্চে মনোসোডিয়াম গ্লুটামেট বিক্রি, আমদানি ও রপ্তানি নিষিদ্ধ করেন।

ইউএস এফডিএর গাইড লাইনে প্রোটিন জাতীয় খাবার থেকে একজন প্রাপ্ত বয়স্ক ১৩ গ্রাম গ্লুটামেট খেতে পারে। কিন্তু রাসায়নিকভাবে তৈরি মনোসোডিয়াম গ্লুটামেট খেতে পারে মাত্র ০.৫৫ গ্রাম। কিন্তু আমাদের দেশের খাবারে এর চেয়ে অনেক বেশি মনোসোডিয়াম গ্লুটামেট খেয়ে থাকে।

পশ্চিমা বিশ্বের কোনো কোনো দেশের খাবারে অথবা রেস্টুরেন্টে ঘোষণা দিয়ে খাবার বিক্রি করছে যে, তারা তাদের খাবারে মনো সোডিয়াম গ্লুটামেট ব্যবহার করে না। তবে প্রথমবার অথবা খুবই স্বল্প পরিমাণে এই লবণটি দেহের ক্ষতি করতে পারে না।

মনোসোডিয়াম গ্লুটামেট তৈরি হয় যেভাবেঃ

সামুদ্রিক সবুজ শৈবাল সিওয়েড বা মেরিন অ্যালগি পুড়িয়ে স্ফটিকাকারে টেস্টিং সল্ট তৈরি করা যায়। এছাড়া স্টার্চ, মিষ্টি বিট, আখ অথবা গুড় গাজন প্রক্রিয়ায় মনোসোডিয়াম গ্লুটামেট বা টেস্টিং সল্ট তৈরি করা হয়। দই বা সিরকা যেভাবে গাজন প্রক্রিয়ায় তৈরি করা যায় ঠিক একই রকমভাবে মনোসোডিয়াম গ্লুটামেট তৈরি করা যায়।



~গুগল হ‌তে সংগৃহীত

বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ড এরবিজ্ঞপ্তিসংশ্লিষ্ট সকলের অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে যে, বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অ...
23/07/2025

বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ড
এর
বিজ্ঞপ্তি

সংশ্লিষ্ট সকলের অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে যে, বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে আগামী ২৩ ও ২৪ জুলাই ২০২৫ খ্রি. তারিখে অনুষ্ঠিতব্য এইচএসসি (বিএমটি), এইচএসসি (ভোকেশনাল), ডিপ্লোমা ইন ইঞ্জিনিয়ারিং, ডিপ্লোমা ইন ট্যুরিজম এন্ড হসপিটালিটি, সার্টিফিকেট ইন মেরিন ট্রেড শিক্ষাক্রমসহ সকল পরীক্ষা অনিবার্য কারণে স্থগিত ঘোষণা করা হল। স্থগিতকৃত পরীক্ষার তারিখ পরবর্তীতে বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানানো হবে। উল্লেখ্য অন্যান্য দিনের পরীক্ষা সময়সূচি মোতাবেক অনুষ্ঠিত হবে।

(প্রকৌশলী মোঃ আবুল কালাম আজাদ)
পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক

22/07/2025
বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীন এইচ এস সি (বিএমটি) সহ আজকের সকল পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে। পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক, বাকাশি...
22/07/2025

বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীন এইচ এস সি (বিএমটি) সহ আজকের সকল পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে।
পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক, বাকাশিবো।

বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীন এইচ এস সি (বিএমটি) সহ আজকের সকল পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে। পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক, বাকাশি...
22/07/2025

বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীন এইচ এস সি (বিএমটি) সহ আজকের সকল পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে।
পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক, বাকাশিবো।

#সকল #করা #এস

গেজেটঅতিরিক্ত সংখ্যাসোমবার, জুলাই ২১, ২০২৫গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারমন্ত্রিপরিষদ বিভাগপ্রজ্ঞাপনঢাকা, ৬ শ্রাবণ ১৪৩২/ ২...
22/07/2025

গেজেট
অতিরিক্ত সংখ্যা
সোমবার, জুলাই ২১, ২০২৫

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ

প্রজ্ঞাপন

ঢাকা, ৬ শ্রাবণ ১৪৩২/ ২১ জুলাই ২০২৫

নম্বর: ০৪.০০.০০০০.৪২৩.২২.০০২.২০.১৪২ - বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর প্রশিক্ষণ বিমান বিধ্বস্ত হয়ে একটি বিদ্যালয়ে পতিত হওয়ার ফলে কোমলমতি শিশুসহ অনেক মানুষের মর্মান্তিক মৃত্যুর ঘটনায় অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গভীরভাবে শোকাহত। এই পরিপ্রেক্ষিতে আগামী মঙ্গলবার, ২২ জুলাই ২০২৫, রাষ্ট্রীয়ভাবে শোক পালন করা হবে।

২। এ উপলক্ষে আগামী মঙ্গলবার, ২২ জুলাই ২০২৫, বাংলাদেশের সকল সরকারি, আধা-সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ সকল সরকারি ও বেসরকারি ভবন এবং বিদেশস্থ বাংলাদেশ মিশনসমূহে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত থাকবে।

৩। নিহতদের মাগফেরাত এবং আহতদের সুস্থতা কামনায় আগামী মঙ্গলবার, ২২ জুলাই ২০২৫, বাংলাদেশের সকল মসজিদে বিশেষ দোয়া অনুষ্ঠিত হবে। অন্যান্য ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানেও বিশেষ প্রার্থনার আয়োজন করা হবে।

রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে
ড. শেখ আব্দুর রশীদ
মন্ত্রিপরিষদ সচিব

#এই #ঢাকা #ও

01/07/2025
দিনাজপুর পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে আন্তঃ টেকনোলজী ক্রিকেট টুর্ণামেন্ট-২০২৫: ‌বন্ধন, প্রতিযোগিতা ও ক্রীড়া নান্দনিকতার এক অনন্...
29/06/2025

দিনাজপুর পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে আন্তঃ টেকনোলজী ক্রিকেট টুর্ণামেন্ট-২০২৫: ‌বন্ধন, প্রতিযোগিতা ও ক্রীড়া নান্দনিকতার এক অনন্য স্থাপত্য

দিনাজপুর পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট বরাবরের মতোই কেবল প্রযুক্তি শিক্ষার নয়, মানবিক মূল্যবোধ ও সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্কের একটি প্রাণবন্ত শিক্ষাঙ্গন। সেই ধারাবাহিকতায় ২০২৫ সালের আন্তঃ টেকনোলজী ক্রিকেট টুর্ণামেন্ট যেন হয়ে উঠেছিল শুধুমাত্র একটি ক্রীড়া প্রতিযোগিতা নয়, বরং পারস্পরিক সম্মান, ভ্রাতৃত্ববোধ ও শিক্ষার্থীদের মানসিক বিকাশের এক অভিন্ন প্ল্যাটফর্ম। এর মাধ্যমে যেমন প্রতিভার বিকাশ ঘটেছে, তেমনি টেকনোলজি ভিত্তিক এক বন্ধন গড়ে উঠেছে – যা দিনের শেষে হয়ে উঠেছে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটির অনন্য গর্বের প্রতীক।

টুর্ণামেন্টের শুভ উদ্বোধনঃ

খেলার শুভ সূচনা হয় গত ২২ জুন ২০২৫ খ্রিঃ তারিখ সকাল ১০:০০টায় দিনাজপুর পলিটেকনিক ইন্সটিটিউটের নিজস্ব খেলার মাঠে। টুর্ণামেন্টের উদ্বোধন করেন প্রতিষ্ঠানের সম্মানিত সুযোগ্য অধ্যক্ষ, প্রকৌশলী মোঃ আব্দুল ওয়াদুদ মন্ডল। উদ্বোধনী বক্তৃতায় তিনি বলেন, " "আন্তঃ টেকনোলজী ক্রিকেট টুর্ণামেন্ট-২০২৫" এর শুভ উদ্বোধন ঘোষণা করছি। আজ দিনাজপুর পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের খেলার মাঠে এই ক্রীড়াযজ্ঞের সূচনা হচ্ছে। সকল খেলোয়াড় ও দর্শকদের জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।

তার সঙ্গে উপস্থিত থে‌কে উপাধ্যক্ষ জনাব মোঃ আবু সাইম জাহান ব‌লেন, “শিক্ষার্থীদের মাঝে শারীরিক ও মানসিক বিকাশের জন্য ক্রীড়া অপরিহার্য। এই আন্তঃ টেকনোলজী টুর্ণামেন্ট কেবল খেলাধুলা নয়, একে অন্যকে জানার এবং সম্মিলিতভাবে কাজ করার মনোবৃত্তি গড়ে তোলে।”

শিক্ষকদের সক্রিয় সহযোগিতা এবং শিক্ষার্থীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ এই আয়োজনকে সফল করে তোলে।

প্রতিযোগিতার কাঠামো ও টিম বিভাজনঃ

টুর্ণামেন্টে অংশগ্রহণ করে মোট ছয়টি টেকনোলজি। খেলাগুলো দুইটি গ্রুপে ভাগ করা হয়:

A গ্রুপ: সিভিল টেকনোলজি, মেকানিক্যাল টেকনোলজি, ইলেকট্রিক্যাল টেকনোলজি

B গ্রুপ: কম্পিউটার টেকনোলজি, পাওয়ার টেকনোলজি, আর্কিটেকচার টেকনোলজি

প্রতিটি দল তাদের নিজস্ব ইউনিফর্ম ও স্লোগানসহ মাঠে নামে, যা পুরো আয়োজনকে আরও রঙিন ও আকর্ষণীয় করে তোলে। প্রত্যেক ম্যাচে দেখা গেছে রোমাঞ্চ, পরিকল্পনা ও টিম স্পিরিট। প্রতিটি খেলাতেই ছিল জয়-পরাজয়, হাসি-কান্না, এবং সর্বোপরি সৌহার্দ্যপূর্ণ আচরণের দৃষ্টান্ত।

উত্তেজনাপূর্ণ ফাইনাল ম্যাচঃ

২৯ জুন ২০২৫ খ্রিঃ তারিখে অনুষ্ঠিত হয় টুর্ণামেন্টের ফাইনাল খেলা। সকাল ১০:৩০ মিনিটে খেলা শুরু হয় কম্পিউটার টেকনোলজি বনাম আর্কিটেকচার টেকনোলজির মধ্যকার শিরোপা লড়াই। প্রখর রোদেও শিক্ষার্থী, শিক্ষক, কর্মকর্তা ও ক্রীড়ামোদী দর্শকবৃন্দ দিনাজপুর পলিটেকনিক মাঠকে কানায় কানায় পূর্ণ করেন।

খেলার প্রতিটি ওভারে ছিল টান টান উত্তেজনা। দুর্দান্ত ব্যাটিং ও ফিল্ডিং দক্ষতার কারণে কম্পিউটার টেকনোলজি শেষ পর্যন্ত জয়লাভ করে এবং চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করে। আর্কিটেকচার টেকনোলজি সম্মানের সাথে রানার্স আপ হয় এবং দুই দলই প্রশংসার দাবিদার হয়।

পুরস্কার বিতরণ ও সমাপ্তি অনুষ্ঠানঃ

খেলা শেষে আয়োজিত হয় পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান। বিজয়ী দলের হাতে চ্যাম্পিয়ন ট্রফি তুলে দেন প্রধান অতিথি অধ্যক্ষ প্রকৌশলী মোঃ আব্দুল ওয়াদুদ মন্ডল। রানার্স আপ দলকেও সম্মাননা ও ট্রফি প্রদান করা হয়। উপাধ্যক্ষ মোঃ আবু সাইম জাহান, যিনি নিজেও একজন ক্রীড়ামনষ্ক প্রশাসক, ছাত্রদের উৎসাহ দিয়ে বলেন, “তোমাদের ক্রীড়া মনোভাব আগামী দিনে নেতৃত্বের স্থানে পৌঁছাতে সহায়ক হবে।”

পুরো অনুষ্ঠানটি পরিচালনায় সক্রিয় ভূমিকা রাখেন বিভিন্ন টেকনোলজির চীফ ইনস্ট্রাক্টরবৃন্দ, শিক্ষকগণ এবং ইনস্টিটিউটের কর্মচারীবৃন্দ। আনন্দঘন পরিবেশে অনুষ্ঠানটির সমাপ্তি হয়।

খেলার মাঠ যেন সম্পর্কের স্থাপত্যঃ

এই আন্তঃ টেকনোলজী টুর্ণামেন্ট শুধু একটি খেলা নয় – এটি ছিল এক ধরণের "সামাজিক স্থাপত্য"। এখানে ছাত্র-ছাত্রীর মাঝে যেমন পারস্পরিক সহযোগিতার পরিবেশ গড়ে উঠেছে, তেমনি শিক্ষক-শিক্ষার্থীর সম্পর্ক হয়েছে আরও দৃঢ়। ভিন্ন ভিন্ন টেকনোলজির শিক্ষার্থীরা একে অপরকে কাছ থেকে চেনার সুযোগ পেয়েছে, যা তাদের ভবিষ্যৎ কাজের ক্ষেত্রে সহায়তা করবে।

খেলার মাঠ যেন হয়ে উঠেছিল এক জীবন্ত স্থাপত্য – যেখানে নকশা ছিল সমন্বয়, ভিত্তি ছিল ক্রীড়া-মনন, স্তম্ভ ছিল পারস্পরিক শ্রদ্ধা এবং ছাদ ছিল সম্মিলিত সাফল্য। এই স্থাপত্যই ভবিষ্যতে একটি উন্নত, উদ্ভাবনী ও মানবিক প্রযুক্তি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ভিত্তি রচনা করবে।

ভবিষ্যতের দিকে তাকিয়েঃ

এই টুর্ণামেন্টের মাধ্যমে দিনাজপুর পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট প্রমাণ করেছে, শিক্ষা কেবল পাঠ্যক্রমেই সীমাবদ্ধ নয়; শিক্ষা মানে পূর্ণাঙ্গ বিকাশ। ২০২৫ সালের এই ক্রীড়া আয়োজন পরবর্তী প্রজন্মের শিক্ষার্থীদের জন্য অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে।

আশা করা যায়, ভবিষ্যতেও এই ধারা অব্যাহত থাকবে এবং আরও বৃহৎ পরিসরে, আরও অধিক টেকনোলজি ও আরও নানা ধরণের ক্রীড়ায় শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা যাবে।

শে‌ষে কথাঃ

দিনাজপুর পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের আন্তঃ টেকনোলজী ক্রিকেট টুর্ণামেন্ট-২০২৫ একটি যুগান্তকারী আয়োজন হিসেবে স্থান করে নিয়েছে। এটি ছিল শুধু প্রতিযোগিতা নয় – এটি ছিল ঐক্য, নেতৃত্ব, ও আত্মবিশ্বাস গড়ার এক উজ্জ্বল উদাহরণ। এই আয়োজনকে ঘিরে গড়ে উঠেছে নতুন বন্ধন, সৃষ্টি হয়েছে স্মৃতি, এবং প্রমাণিত হয়েছে – খেলাধুলাও হতে পারে টেকনোলজির শিক্ষার্থীদের জীবনের অংশ হয়ে ওঠা এক গঠনমূলক পথ।


অভিযোগ প্রতিকার ব্যবস্থাপনা ও সুশাসন প্রতিষ্ঠার নিমিত্তে শুদ্ধাচার বিষয়ক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত২৬ জুন ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ, দিন...
26/06/2025

অভিযোগ প্রতিকার ব্যবস্থাপনা ও সুশাসন প্রতিষ্ঠার নিমিত্তে শুদ্ধাচার বিষয়ক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

২৬ জুন ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ, দিনাজপুর পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত হলো "অভিযোগ প্রতিকার ব্যবস্থাপনা এবং সুশাসন প্রতিষ্ঠার নিমিত্তে শুদ্ধাচার" বিষয়ক এক গুরুত্বপূর্ন আলোচনা সভা।

এ আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন প্রতিষ্ঠানের সম্মানিত অধ্যক্ষ প্রকৌশলী মোঃ আব্দুল ওয়াদুদ মন্ডল। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রতিষ্ঠানটির সম্মানিত উপাধ‌্যক্ষ জনাব মোঃ আবু সাইম জাহান, উপস্থাপনায় ছি‌লেন ই‌লেক‌ট্রিক‌্যাল টেক‌নোলজীর চীফ ইন্সট্রাক্টর জনাব মোঃ সা‌দেকুল ইসলাম, বি‌ভিন্ন টেক‌নোলজীর চীফ ইন্সট্রাক্টরবৃন্দ শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ।
---

প‌বিত্র কোরআন তে‌লোয়াত ও গীতা পা‌ঠের মাধ‌্যমে অনুষ্ঠা‌ন শুরু করা হয়।

🧭 আলোচ্য বিষয়সমূহ

সভায় মূলত যেসব বিষয়ের উপর গুরুত্বারোপ করা হয় তা হলো:

🔹 অভিযোগ প্রতিকার ব্যবস্থাপনা:
প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী, অভিভাবক এবং অন্যান্য অংশীজনদের অভিযোগ গ্রহণ, যথাযথভাবে যাচাই এবং নিরপেক্ষভাবে প্রতিকার প্রদানের প্রক্রিয়া কীভাবে আরও কার্যকর করা যায়, সে বিষয়ে আলোচনা হয়। একটি সহজ ও স্বচ্ছ অভিযোগ প্রক্রিয়া প্রতিষ্ঠার প্রয়োজনীয়তার কথা উঠে আসে।

🔹 সুশাসনের উপাদান:
সুশাসনের মূল উপাদানসমূহ—স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা, অংশগ্রহণ, আইন প্রয়োগের ন্যায্যতা, এবং কার্যকারিতা—নিয়ে আলোচনা হয়। অংশগ্রহণকারীরা মতামত দেন কীভাবে প্রতিষ্ঠানের প্রশাসনিক কাজকর্মে এসব মূল্যবোধ বাস্তবায়ন করা যায়।

🔹 শুদ্ধাচারের গুরুত্ব:
শুদ্ধাচারকে সুশাসনের ভিত্তি হিসেবে বিবেচনা করে বক্তারা বলেন, শুদ্ধাচার মানে কেবল নিয়ম মানা নয়—এটি হচ্ছে এক ধরনের মানসিকতা ও দায়িত্ববোধ, যা একজন ব্যক্তি নিজেকে ও সমাজকে কল্যাণমুখীভাবে পরিচালনার জন্য ধারণ করেন।
---

🗣️ বক্তব্য ও মতামত

সভায় বক্তব্য রাখেন উপাধ্যক্ষ, বিভাগীয় প্রধানগণ ও শুদ্ধাচার কমিটির সদস্যবৃন্দ। তাঁরা বলেন—

> "প্রতিষ্ঠানের প্রতিটি স্তরে শুদ্ধাচার বাস্তবায়ন করা গেলে শুধু শিক্ষা নয়, নৈতিকতা ও মানবিকতাও শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিকশিত হবে।"

> "অভিযোগ ব্যবস্থাপনাকে সময়োপযোগী ও ডিজিটাল পদ্ধতিতে রূপান্তর করলে প্রতিষ্ঠান আরও জনবান্ধব ও স্বচ্ছ হবে।
---

✅ সভায় গৃহীত সিদ্ধান্তসমূহ

১. প্রতিষ্ঠানের অভিযোগ প্রতিকার বক্স সক্রিয় রাখা এবং নিয়মিত পর্যালোচনা।
২. শুদ্ধাচার বিষয়ক মাসিক আলোচনা সভা আয়োজন।
৩. শিক্ষক-কর্মচারীদের শুদ্ধাচার কোড অব কন্ডাক্ট অনুযায়ী প্রশিক্ষণ।
৪. অভিযোগ নিষ্পত্তিতে নির্ধারিত সময়সীমা নির্ধারণ।
৫. অভিযোগ ব্যবস্থাপনায় তথ্য প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানো।
---

এই আলোচনা সভা দিনাজপুর পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের প্রশাসনিক ও নৈতিক উন্নয়নের একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। সকলের সক্রিয় অংশগ্রহণ এবং প্রতিশ্রুতি ভবিষ্যতে একটি সুশাসিত, জবাবদিহিমূলক ও মানবিক শিক্ষা পরিবেশ গড়ে তুলতে সহায়ক হবে।
---

আয়োজনে:
দিনাজপুর পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট, দিনাজপুর।
📅 তারিখ: ২৬ জুন ২০২৫
🕚 সময়: ১১:০০
📍 স্থান: অডিটোরিয়াম
---

আ‌র্টিকেল প্রস্তুতকারক:

মোঃ আবু সাইম জাহান
উপাধ‌্যক্ষ
দিনাজপুর পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট, দিনাজপুর।


Address

Vice Principal, BCS(Technical Education)
Dinajpur

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Abu Sayem Jahan, Follow posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share