Civil Engineering Basic Knowledge

Civil Engineering Basic Knowledge Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Civil Engineering Basic Knowledge, Structural Engineer, Dhaka, Dinajpur.

টাইমলাইনে রাখুনভবন নির্মাণে কেন পাইলিং এর  প্রয়োজনীয়তা এবং বিবেচ্য বিষয়গুলো আলোচনা করা হলোঃ১) স্থাপনার ঘূর্ণন মোমেন্ট এব...
22/01/2025

টাইমলাইনে রাখুন
ভবন নির্মাণে কেন পাইলিং এর প্রয়োজনীয়তা এবং বিবেচ্য বিষয়গুলো আলোচনা করা হলোঃ

১) স্থাপনার ঘূর্ণন মোমেন্ট এবং তির্যক ফোর্স প্রতিরোধ করার জন্য।
২) নরম মাটি বা বালি ভরাট করা জায়গায় ভার বহন ক্ষমতা বৃদ্ধিতে।
৩) পাইল সহজেই অধিক ভারী স্থাপনার লোড বহন করতে পারে।
৪) ভবনের লোড সমূহ যেমন ডেড লোড, লাইভ লোডসহ অন্যান্য লোড সমূহের চাপে ভবনের নিচের মাটি সরে যাওয়া প্রতিরোধ করে ।
৫) ভবনের লোডকে নরম বা সংকোচনশীল মাটি বা পদার্থের মধ্য দিয়ে মাটির শক্ত স্তরে পৌঁছে দিতে সাহায্য করে ।
৬) ভবনের উচ্চতা বেশি হলে উইন্ড লোড অথবা আর্থকোয়েক লোড প্রতিরোধ করের লক্ষে অনেক সময় পাইলিং করা হয়।এতে করে মাটির অনেক গভীরে ভবনের ভিত্তিকে পৌঁছানো সম্ভব হয় ।
৭) ভূমিকম্পের মত প্রতিকুল পরিস্থিতিতে পাইলিং বেশ কার্যকর ফল দেয়। এতে কাঠামো স্থিতিশীল এবং ঝুকিমুক্ত থাকে ।
** কি কি বিষয় বিবেচনা করে পাইলিং করতে হয়:-
১) মাটির ধরন বা গুণাগুণ ।
২) নির্মাণ কাজের পদ্ধতি ।
৩) স্ট্রাকচার থেকে আগত লোডে ধরন ।
৪) নির্মাণ উপকরণ ।

       🏤🏩
22/01/2025



🏤🏩

25/12/2024

বিল্ডিং নির্মাণে যে তথ্য গুলো জানা উচিত(সিভিল
ইঞ্জিনিয়ারিং)
→১ ব্যাগ সিমেন্ট এ পানি লাগে ২১ লিটার।
→১০” ওয়াল গাথুনীতে প্রতি ০১ সিএফটি গাথুনীতে
১০ টি ইট লাগে।
→০৫” ওয়াল গাথুনীতে প্রতি ০১’ (স্কয়ার ফিট)
গাথুনীতে ০৫ টি ইট লাগে।
→ ছলিং এ প্রতিস্কয়ার ফুট এর জন্য ০৩ টি ইট লাগে।
→ ০৯ টি পিকেট ইট দিয়ে ১ সিএফটি খোয়া হয়।
→ ১ টি ইটে খোয়া হয় ০.১১ ঘনফুট।
→১ স্কয়ার ফুট গাথুঁনিতে ১:৪ অনুপাতে সিমেন্ট
লাগে ০.০২১ ব্যাগ, বালু লাগে ০.১২ ঘনফুট।
→১ স্কয়ার ফুট ইটের গাথুঁনিতে ১:৫ অনুপাতে
সিমেন্ট লাগে ০.০২০ ব্যাগ, বালু ০.১২৪ ঘনফুট।
→ ১ ঘনফুট ঢালাইয়ের জন্য ১:২:৪ অনুপাতে
সিমেন্ট লাগে ০.১৭২ ব্যাগ,বালু লাগে ০.৪৫ ঘনফুট,
খোয়া লাগে ০.৮৮ ঘনফুট।
* গাথুনীর প্লাষ্টারে ১:৫ অনুপাতে সিমেন্ট
দিতে হয়।
বি.দ্র :- প্লাস্টারের ফ্রেশ সাইডে মসলার পুরুত্ব
আধা ইন্চি এর রাফ সাইডে মসলার পুরুত্ব পনে এক
ইঞ্চি বা ১৫ মিমি . . সিলিং প্লাষ্টারে (১:৩ বা ১:৪)
অনুপাতে সিমেন্ট দেয়া যায় । এবং মসলার পুরুত্ব 6 মিমি বীম এবং কলাম সিলিং এর জন্য ।
→ প্রতি এস,এফ,টি নিট ফিনিশিং করতে =
০.০২৩৫ কেজি সিমেন্ট লাগে।

ইটের মাপ:- প্রচলিত নিয়মে
————++-———++—-—
→ মসলা ছাড়া (৯.৫” x৪.৫” x২.৭৫”)
→ মসলাসহ = (১০” x৫” x ৩”)
কনভার্ট এর জন্য:-
——–++—–——-
10 mm =1 cm
100 cm = 1 m
1″ = 25.4 mm
1″ = 2.54 cm
39.37″ = 1 m
12″ = 1′ Fit
3′ = 1 Yard (গজ)
1 Yard = 36″
72 Fit = 1 bandil.
# রডের হিসাব
———————————————
1″ = 8 suta
1/2″ = 4 suta
1/4″= 2 suta
1/8″ = 1 suta
বি.দ্র:- ১ সুত = ৩.২০ মিলি প্রায়।
# রডের ওজন {(dia x dia) ÷162.2 }÷3.28 = kg
——————————————————–
৮ মিলি মিটার এক ফুট রডের ওজন = ০.১২০ কেজি।
১০ মিলি মিটার এক ফুট রডের ওজন = ০.১৮৮ কেজি।
১২ মিলি মিটার এক ফুট রডের ওজন = ০.২৭০৬ কেজি।
১৬ মিলি মিটার এক ফুট রডের ওজন = ০.৪৮১২ কেজি।
২০ মিলি মিটার এক ফুট রডের ওজন = ০.৭৫১৮ কেজি।
২২ মিলি মিটার এক ফুট রডের ওজন = ০.৯০৯৭ কেজি।
২৫ মিলি মিটার এক ফুট রডের ওজন =১.১৭কেজি।


#সিভিল #বীম #কাজের_ধাপ_সমূহ #একটি_বিল্ডিং_এর_শুরু_থেকে_পর্যন্ত

মিস্ত্রির সাথে বাড়ি নির্মাণের চুক্তিনামা (সংশোধিত কপি)**************************************************** অবশ্যই টাইম ল...
29/11/2024

মিস্ত্রির সাথে বাড়ি নির্মাণের চুক্তিনামা (সংশোধিত কপি)
**************************************************** অবশ্যই টাইম লাইনে শেয়ার করে রাখুন

কয়েকদিন আগে মিস্ত্রির সাথে বাড়ি নির্মাণের চুক্তিনামা আমরা পোষ্ট করেছিলাম। পোষ্টটি ২০ লক্ষের অধিক মানুষ দেখেছেন এবং ৭০০০+ মানুষ তা শেয়ার করেছেন। এর অর্থ হলো, বাড়ির মালিক এবং মিস্ত্রি উভয়েই একটি পরিপূর্ণ চুক্তিনামার অভাব বোধ করছিলেন।

আমরা আমাদের ২৩ বছরের কাজের অভিজ্ঞতা থেকে চুক্তিনামাটি প্রস্তুত করেছিলাম, যাতে করে উভয় পক্ষ একটা নিয়মনীতির মাধ্যমে বাড়ির নির্মাণ কাজ শেষ করতে পারে এবং কোন পক্ষ যেন কাউকে ঠকাতে না পারে। পোষ্টটি দেবার পর অনেকেই কিছু জিনিস সংশোধনের জন্য মতামত প্রদান করেন, সেগুলির মধ্যে কিছু প্রস্তাবনাকে এই চুক্তিনামায় যোগ করা হয়েছে। তবুও অনেক কিছু হয়তো মিসিং থাকবে। মূল কথা হলো, প্রতিটি মানুষের জায়গার ধরন, এলেকাভেদে, কাজের ধরণ অনুযায়ী কাজ হয়ে থাকে। সেভাবেই চুক্তি করে নিতে হবে।

আমরা যে দর উল্লেখ করেছি তা শুধু ধারণা দেবার জন্য। কাজের ধরণ ও মিস্ত্রির দক্ষতার উপরেই মূলতঃ কাজের দর উঠানামা করে।

আপনাদের যাদের চুক্তিনামাটি দরকার তারা এখান থেকে নামিয়ে নিজেদের মতো করে লিখে নিবেন। গত পোষ্ট দেবার পর অনেকেই আমাদের পোষ্টটি এবং পিডিএফ কপি নিজের নামে বিভিন্ন জায়গায় চালিয়ে দিয়েছে যার একাধিক প্রমাণ আমরা পেয়েছি। একারণে পিডিএফ বা ওয়ার্ড ফাইল দেয়া সম্ভব হবেনা।

আপনি চুক্তিপত্র করতে চাইলে এমনিতেই তো আপনাকে আপনার মতো করে লিখে নিতে হবে।

আপনার বাড়ির সকল প্রকার ডিজাইন এবং নির্মাণ কাজের জন্য আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন।

নির্মাণ কাজের সচেতনতা বৃদ্ধিতে-

বিল্ডিং নির্মাণের পূর্বে যে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় গুলো জানা জরুরী।পরিকল্পনা:প্রথমেই পরিকল্পনা করতে হবে কেমন হবে আপনার স্বপ্...
29/11/2024

বিল্ডিং নির্মাণের পূর্বে যে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় গুলো জানা জরুরী।
পরিকল্পনা:
প্রথমেই পরিকল্পনা করতে হবে কেমন হবে আপনার স্বপ্নের বাড়িটি। পাঁচতলা, দশতলা নাকি ডুপ্লেক্স। কয়টি ইউনিট করবেন প্রতি ইউনিটে রুম থাকলে কয়টি, লিফট জেনারেটরের সুবিধা থাকবে কিনা, বারান্দা কয়টা চাই, টয়লেট কয়টা দরকার, ছাদে বাগান হবে কিনা ইত্যাদি সম্পর্কে প্রথমেই সিন্ধান্ত নিন। এতে আপনার স্বপ্নের বাড়িটি বাস্তবায়ন করা অনেক সহজ হয়ে যাবে।

অর্থায়ন:
বাড়ি বানানোর জন্য অর্থায়ন সম্পর্কে ধারণা নিতে হবে। কারণ দেশের অর্থমন্ত্রী যেমন দেশের জন্যে বাজেট পাশ করে ঠিক তেমনি আপনার স্বপ্নের বাড়িটির বাজেটদাতা আপনি। এর জন্য আপনাকে একজন অভিজ্ঞ পুরকৌশলীর কাছে যেতে হবে। ধরুন, আপনি পাঁচ কাঠার একটি প্লটে পাঁচতলা একটি বাড়ি বানাবেন। একজন পুরকৌশলী খরচের ব্যাপারে আপনাকে আনুমানিক ধারণা দিতে পারবে যার ফলে আপনি খুব সহজেই সিন্ধান্ত নিতে পারবেন বাড়িটি কিভাবে বানাবেন। অনেকেই অর্থায়ন সম্পর্কে অজ্ঞতার কারণে অনেকদূর এগিয়ে গিয়েও নিজের স্বপ্নটি আর পূরণ করতে পারেন না। তাই অর্থায়ন সম্পর্কে ধারণা পেয়ে গেলে সিন্ধান্ত নিতে পারবেন যে, ব্যাংক থেকে লোন নিবেন নাকি ডেভেলপারকে বাড়িটি করতে দিয়ে দিবেন। তবে একাধিক মানুষ একসাথে অর্থায়ন করেও বাড়ি বানানো যেতে পারে।

যদি জমি কিনতে হয়:
যদি আপনার জমি কিনে বাড়ি বানানো প্রয়োজন হয়ে পড়ে তবে কিছু ব্যাপার বিবেচনা করে কেনা ভাল। যেমনঃ-
১। রাস্তা থেকে জমি অনেক উঁচু কিনা
২। রাস্তা থেকে জমি অনেক নিচু কিনা
৩। আগে পুকুর ছিল কিনা
৪। বাড়ির সামনে কতটুকু রাস্তা আছে ইত্যাদি

জমি নির্বাচন করার পর কেনার ব্যাপারেও সাবধান হতে হবে। যেমনঃ-

১। জমিটির হালনাগাদ ভূমিকর দেওয়া আছে কিনা।
২। বিক্রেতার কাছে জমিটির ভায়া দলিল থাকলে তা ভালোভাবে দেখে নিন এবং একজন ভালো উকিলের কাছ থেকে সঠিক পরামর্শ নিন।
৩। বাংলাদেশ সাব রেজিস্টার অফিসে জমির তফসিল অনুযায়ী বিক্রেতা স্বাক্ষর করে জমি আপনার নামে হস্তান্তর করার পর আপনি স্বাক্ষর করে জমির মালিকানা নিয়ে জমির দলিল ও খতিয়ান বুঝে নিন।

সার্ভে:
সাধারণত আমাদের দেশে জমি ক্রয় বিক্রয়ের সময়ে সার্ভের দ্বারা একটি হ্যান্ডস্কেচ করা হয় যেখানে জমি সঠিক মাপ বোঝা কষ্টকর হয়ে যায়। সেজন্যে মেশিন দিয়ে আপনার জমিটির সার্ভে করলে ভালো। এতে কোন সাইড কতুটুকু বাঁকা বা কোণাগুলো কত ডিগ্রি এঙ্গেলে রয়েছে তা স্পষ্টভাবে বোঝা যাবে। এটি ঠিকমত না করা হলে স্বপ্নের বাড়িটি সাইটে বাস্তবায়ন করা কঠিন হয়ে যায়।

প্ল্যান পাস:
জমি, অর্থায়ন সম্পর্কে সিদ্ধান্ত নেওয়ার পর একজন আর্কিটেক্ট আপনার মতামত অনুযায়ী বাড়ির প্ল্যান বানাবে। বাড়িটি দেখতে কেমন হবে তা জানানোর জন্যে তিনি এলিভেশন, থ্রিডি, এ্যানিমেশন ইত্যাদি দিয়ে থাকেন। এরপর আপনার বাড়িটি যে এলাকায় করছেন সেখানে খবর নিতে হবে যে বাড়ি বানানোর ছাড়পত্র কোন অথরিটি দিয়ে থাকে। যেমন, ঢাকার জন্য রাজউক, রাজশাহীর জন্য আরডিএ, খুলনার জন্য কেডিএ আথবা পৌরসভা ইত্যাদি। এই অথরিটি থেকে জেনে নিতে হবে প্ল্যান পাসের জন্য কী কী জিনিস জমা দেওয়া প্রয়োজন। এবং সেই অথরিটি নিয়ম মাফিক কাগজ জমা দিতে হবে।

সয়েল টেস্ট:
একজন পুরকৌশলীর মতামত নিয়ে সয়েলটেস্ট করে ফেলতে হবে। আপনার স্বপ্নের বাড়িটি করার জন্যে এটি খুব গুরুত্বপূর্ণ। এটি করার পরেই বোঝা যাবে আপনার বাড়িটির ভিত্তি কী রকম হবে। আমাদের দেশে সাধারণত এটিকে খুব কম গুরুত্ব দেওয়া হয়। এর ফলে হয় স্বপ্নের বাড়িটি দুর্বল হয়ে পড়ে যা জীবনের হুমকিস্বরূপ, নাহয় প্রয়োজনের চাইতে অনেক বেশি খরচ হয়ে যায়। তাই সঠিকভাবে একজন জিওটেকনিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার দ্বারা সয়েল টেস্ট করানো উচিত।

স্ট্রাকচারাল ড্রয়িং:
প্ল্যান এবং সয়েল টেস্ট করা হয়ে গেলে একজন স্ট্রাকচারাল ইঞ্জিনিয়ার দ্বারা স্ট্রাকচার বা কাঠামোগত ড্রয়িং করাতে হবে। মানব দেহের সাথে তুলনা করলে কাঠামোগত ড্রয়িং মূলত আপনার স্বপ্নের বাড়ির কঙ্কালস্বরূপ। তাই এটিকে কোনভাবেই অবহেলা করা যাবে না। ভালো মানের ইঞ্জিনিয়ার দ্বারা স্ট্রাকচারাল ড্রয়িং করাতে হবে। না হয় প্রয়োজনের চাইতে অনেক বেশি অর্থ খরচ হয়ে এবং বিল্ডিং এর স্থায়িত্বে সমস্যা হবে।

লে আউট চেক:
আর্কিটেকচারাল ও স্ট্রাকচারাল ড্রয়িং করা হয়ে গেলে তা সাইটে গিয়ে একবার লে-আউট চেক করা ভালো। সাধারণত আমাদের দেশে নির্মাণে যাওয়ার আগে এটি চেক করা হয় না। এটি এ পর্যায়ে করলে বিল্ডিং সেটিং প্ল্যান ঠিক আছে কিনা বা ফাউন্ডেশন অন্যের জমিতে চলে যাবে কিনা প্রাকটিক্যালি তা বোঝা যায় যা কাগজে কলমে অনেক সময় ভুল থাকতে পারে।

অন্যান্য ড্রয়িং:
আমাদের দেশে আর্কিটেকচারাল এবং স্ট্রাকচারাল ড্রয়িং ছাড়া প্ল্যাম্বিং ও ইলেকট্রিক্যাল ড্রয়িং তেমন গুরুত্ব দেওয়া হয় না। অন্যদিকে এসব ড্রয়িং করার পর আর্কিটেক্ট ও স্ট্রাকচারাল ইঞ্জিনিয়ারকে দেখিয়ে নেওয়া ভালো। কারণ এর ফলে যেমন বাড়ির সৌন্দর্যগত সমস্যা নিবারণ করা যায়, তেমনি স্ট্রাকচারের ক্ষতি হবে এমন কাজ থেকে বিরত থাকা যায়।

নির্মাণ সামগ্রীর ধারণা:
বাড়ির মোট খরচের পরিমাণ আপনার হাতে চলে আসলে আপনাকে নির্মাণ সামগ্রী সম্পর্কে ধারণা নিতে হবে। কোথায় সুলভ মূল্যে গুণগত মানের নির্মাণ সামগ্রী পাওয়া যায় তার খোঁজ নিতে হবে। ডেভেলপাররা বাড়ি নির্মাণ করলে নির্মাণ সামগ্রীর ব্যবহারিক টেস্ট সম্পর্কে জেনে নিতে হবে। এতে করে একজন মালিক হিসেবে আপনি সহজেই বুঝতে পারবেন কোয়ালিটি নির্মাণ সামগ্রী দিয়ে আপনার বাড়িটি বানানো হচ্ছে কিনা।

নির্মাণের জন্য জমি প্রস্তুতকরণ:
বাড়ি নির্মাণের আগে জমি প্রস্তুতকরণও একটি গুরুত্বপূর্ণ কাজ। সম্পূর্ণ প্লটটি গাছগাছালি ও আবর্জনাশূন্য করতে হবে। আরো কিছু গুরুত্বপূর্ণ কাজ হচ্ছেঃ

১। লেবারদের থাকার জন্য জায়গা ও বাথরুম করা প্রয়োজন।
২। বিদ্যুৎ ও গ্যাস, পানির সংযোগ থাকতে হবে কারণ নির্মাণ কাজে এই তিনটি জিনিস সমানভাবে গুরুত্বপূর্ণ।

সুপারভিশন ইঞ্জিনিয়ার:
আমাদের দেশে বেশিরভাগ সময়ে ইঞ্জিনিয়ার ছাড়া শুধু মিস্ত্রি দিয়েও বাড়ি বানানো হয়ে যায় যা একদমই অনুচিত। একজন অভিজ্ঞ সুপারভিশন ইঞ্জিনিয়ার আপনার বাড়িটি সঠিকভাবে নির্মাণ করার জন্যে পরামর্শ দিতে পারবেন।

কন্ট্রাকটর বা ঠিকাদার নিয়োগ:
সুপারভিশন ইঞ্জিনিয়ারের উপস্থিতিতে একজন ঠিকাদার নিয়োগ করতে হবে যে আপনার বাড়িটি বানানোর জন্যে লেবার বা শ্রমিক নিয়োগ দিবে। আমাদের দেশে বেশিরভাগ ঠিকাদার অশিক্ষিত। একজন ঠিকাদারও যদি পুরকৌশলী হয়, তবে বাড়ি নির্মাণ আরো সহজ ও ভালো হবে।

সেফটি:
বাড়ি নির্মাণের আগে সেফটি নিয়েও আলোচনা করতে হবে। প্রতিবছর নির্মাণকাজে অনেক শ্রমিক মারা যায়। যেমনঃ বিদ্যুৎ ব্যবহারে অসাবধানতা, উপর থেকে নির্মাণ সামগ্রী মাথার উপরে পড়া ইত্যাদি। তাই নির্মাণের আগে ঠিকাদার এবং সুপারভিশন ইঞ্জিনিয়ার দ্বারা সেফটি প্ল্যান করিয়ে নিতে হবে।

সিডিউল বা সময়তালিকা:
সবশেষে একটি সময়তালিকা করে নেওয়া জরুরী। এ থেকে কবে প্রজেক্ট শুরু হবে এবং কবে শেষ হবে তার একটি তারিখ দেওয়া থাকে। কোন ফ্লোর কোন মাসে বা বছরে শেষ হবে জানা থাকলে কাজ যেমন সুন্দর হয়, তেমনি বাজেট নিয়েও ভালোভাবে কাজ করা যায়।

🏠 আপনাদের জন্য আমাদের ক্ষুদ্র প্রয়াস।
জনসচেতনতায়:-ড্রিম হাউস ডিজাইন এন্ড কনস্ট্রাকশন::
Contact: +8801722 91 33 88
www.facebook.com/Dhdc.bd/
মনোমুগ্ধকর ডিজাইন ও বিল্ডিং এর খুঁটিনাটি বিষয়গুলি সম্বন্ধে নতুন নতুন তথ্য জানতে আমাদের অফিসিয়াল পেইজ লাইক দিয়ে নিয়মিত একটিভ থাকুন।।
----------------------------------------------------------------
যারা জমির সঠিক হিসাব নিয়ে সমস্যায় আছেন তাদের জন্য পোস্টটি অনেক গুরুত্বপূর্ণ।
★পোস্টটি শেয়ার করে রেখে দেন যেকোন সময় কাজে আসবে।

Address

Dhaka
Dinajpur

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Civil Engineering Basic Knowledge posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share