04/07/2025
গাইবান্ধা জেলায় নদ-নদীর ভাঙন একটি গুরুতর সমস্যা। বিশেষ করে ব্রহ্মপুত্র, ঘাঘট, তিস্তা, এবং করতোয়া নদীর তীরবর্তী এলাকায় ভাঙন দেখা যায়। নদী ভাঙনের কারণে বসতবাড়ি, ফসলি জমি, এবং অন্যান্য স্থাপনা নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যাচ্ছে। অনেক পরিবার গৃহহীন হয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছে। ভাঙনরোধে বিভিন্ন পদক্ষেপ নেয়া হলেও তা যথেষ্ট নয় বলে মনে করেন স্থানীয়রা।
নদী ভাঙনের মূল কারণগুলো হলো: নদীগর্ভের গভীরতা হ্রাস এবং স্রোতের তীব্রতা বৃদ্ধি, নদীর গতিপথ পরিবর্তন, বৃক্ষরোপণ ও তীর সংরক্ষণের অভাব, অপরিকল্পিতভাবে নদী থেকে বালু উত্তোলন, জলবায়ু পরিবর্তন এবং বন্যা পরিস্থিতি.
ভাঙন রোধে কিছু পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে, যেমন:
জিও ব্যাগ ব্যবহার করে ভাঙনকবলিত এলাকায় প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলা।
বৃক্ষরোপণ করে নদীর তীর সংরক্ষণ করা।
নদী খনন করে নাব্যতা ফিরিয়ে আনা।
ভাঙনপ্রবণ এলাকায় বসবাসরতদের পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করা।
নদী তীরবর্তী এলাকার মানুষের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি করা।
তবে, এই পদক্ষেপগুলো যথেষ্ট নয় এবং ভাঙন পরিস্থিতি মোকাবিলায় আরও কার্যকর ও টেকসই ব্যবস্থা গ্রহণ করা প্রয়োজন।
“বাংলার মায়েরা মেয়েরা
এবং প্রবাসীরা সকলেই
খাঁটি দেশ প্রেমিক ।
“ভালোবাসি হামার বাংলাদেশ”
“ভালোবাসি হামার গাইবান্ধা”
“খামোই যখন , খাঁটি খামো “।
ঘানি অয়েল মিলস,
বিসিক শিল্পনগরী গাইবান্ধা ।