09/10/2022
এসি বিদ্যুতের স্কিন ইফেক্টের পোস্টমর্টেম
এসি বিদ্যুতের অতিত ইতিহাসটা খুবই মজার।কারন এই এসি বিদ্যুৎ নিয়ে টমাস আলভা এডিসন ও নিকোলা টেসলার মধ্যো একটা যুদ্ধ হয়েছিল।যা ইতিহাসে বিদ্যুতের যুদ্ধ নামে ক্ষ্যাত।
যদিও এটা অস্ত্রের যুদ্ধ ছিল না। আচ্ছা একটু বলি।
এডিসন তখন ডিসি বিদ্যুত নিয়ে কাজ করতো এবং তার বিদ্যুত তখন ভালই সুপরিচিত ছিল।তবে কিছু সমস্যা ছিল।যেমন এর ভোল্টেজ সমান থাকে তার জন্য আলাদা আলাদা যন্ত্রপাতির জন্য আলাদা আলাদা সরবরাহের প্রয়োজন হতো তাছাড়া পরিবহন বেশি দূরে করা যেত না। জাগায় জাগায় ডিসি জেনারেটর বসানো হতো।ইত্যাদি।
তখন আবার টেসলা এসি বিদ্যুৎ তৈরি করে ফেললেন ( যদিও এসি আবিস্কার হয়েছিল ১৮৩২ সালে। তবে তিনি যথাযথ ভাবে ব্যবহার যোগ্য এসি বিদ্যুত তৈরি করেছিলেন।আপনারা কিন্তু জানেন ইন্ডাকশন মোটর তার আবিস্কার। যার চাহিদা বিশ্বে আজও অভাবানীয়।)
তখন এডিসন এই বিদ্যুতের ববহার যেন মানুষ না করে তার জন্য তিনি বিভিন্ন কৌশল গ্রহন করতেন। যেমন তিনি কুকুর, ঘোড়া কে শক খাইয়ে মেরে ফেলতেন আর মানুষকে বোঝাতেন দেখ এটা তোমাদের ও মেরে ফেলবে।অথ্যাৎ নিজের ব্যবসা টিকিয়ে রাখার বিভিন্ন ফন্দি আটতেন।কিন্তু তার সকল চেস্টা ব্যর্থ হয়। মানুষ তখন উল্টা বুঝে যে এসি বেশি শক্তিশালী ডিসির চেয়ে।তো এডিসন ব্যাচারা আর কি করবে তারপর যা হবার তাই হলো।তবে মজার ব্যাপার হলো যে টেসলা কিন্তু প্রথমে এডিসনের সাথে কাজ করতেন।
থাক মেলা বলেছি চাচ্ছিলাম বেশি বলতে তাও কত বলেছি সময় পেলে প্রকৃত ইতিহাস বলার চেস্টা করবো।
# স্কিন ইফেক্টঃ এসি বিদ্যুতের একটা মুল সমস্যা হলো যে তিনি সাব পরিবাহীর সারফেস দিয়ে প্রবাহিত হয়।আচ্ছা কেন হয????
আমরা জানি এসি হচ্ছে পরিবর্তনশীল বিদ্যুৎ প্রবাহ।বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে প্রতি মিনিটে ৫০ বার।
যার প্রতি সাইকেল সম্পূর্ণ হতো সময লাগে ১ /৫০=. ০০২ সেকেন্ড।এই সময়ের মধ্যো একাবার পজিটিভ ও একবার নেগেটিভ সর্বোচ্ছ ও সর্বনিম্ন হয়।
যাহোক পরিবাহীর মথ্যো দিয়ে যখন বিদ্যুত প্রবাহিত হয় তখন কিন্তু এতে ফ্লাক্স উৎপন্ন হয়। তখন। যা কেন্দ্র ও বাহিরে উভয জায়গায হয়। তবে কেন্দ্রে বেশি থাকে। সুতরাং দেখা যায় এ দ্বারা উৎপন্ন ব্যাক ইএমএফ কেন্দ্রে বেশি হয়। বেশি হলে কি হবে?
বেশি হলে হলে আমরা জানি ইহা মুল বিদ্যুত প্রবাহকে ১৮০ ডিগ্রিতে বাধা প্রদান করবে। এই বাধার কারনে দেখা যায় যে কেন্দ্রে দিয়ে বিদ্যুত প্রবাহিত হয় না।মানে এখানে কিন্তু ইন