26/01/2023
🔴 পাইলের গুরুত্বপূর্ণ কিছু টেস্টঃ
▪️ Pile Integrity Test (PIT)
▪️ Static Load Test(SLT)
▪️ Dynamic Load Test.
★ Pile Integrity Test (PIT): প্রোগ্রামিং এর মাধ্যমে পাইল কনস্ট্রাকশন এর পর পাইল এর গভীরতা নির্নয়ের পদ্ধতি হল পাইল ইন্টিগ্রিটি টেস্ট, এর মাধ্যমে জানা যায় পাইল কত গভীর পর্যন্ত আছে।
নির্মাণ কাজে বিভিন্ন ত্রুটির কারনে পাইল উপযুক্ত গভীরতায় নাও পৌছাতে পারে, তাই পাইগুলো উপযুক্ত গভীরতায় পৌছে গিয়েছে কিনা, তার জন্যই প্রকৌশল গত একটা নিরীক্ষা এইটা। কন্টাক্টর এবং প্রকৌশলীগণ সাইটে সঠিকভাবে পাইল কাস্টিং করেছে কিনা, কিংবা কাজের পরিমাণ কম হয়েছে কিনা। তার উপর নিরীক্ষা প্রতিবেদন তৈরি করতেই PIT টেস্ট করা হয়।
ঠিকাদার এবং প্রকৌশলীগণ সাইটে ঠিকমত পাইল কাস্টিং করেছে কিনা, কিংবা কাজের পরিমাণ কম হয়েছে কিনা। তার উপর নিরীক্ষা প্রতিবেদন তৈরি করতেই PIT টেস্ট করা হয়।
🔴 কাজের ধারাঃ
সাইটে কাস্ট-ইন-সিটু পাইলের কাজ শেষ করার পর, পুরাতন পার্শ্ব থেকে পাইল ক্যাপ করার জন্য মাটি খনন কাজ শুরু করা হয়। কাট অব লেভেল পর্যন্ত পাইলের মাথা ভেঙে রড বের করা হয়। তারপর PIT টেস্ট এর প্রস্তুতি নেয়া হয়।
প্রথমে মোট কয়টা পাইলে এই টেস্ট করা হবে, তার একটা নির্ধারিত বিষয় থাকে এবং কত কত নম্বর পাইল পয়েন্টে টেস্ট করা হবে সেইটাও নির্ধারন করা হয়। তারপর পর্যায়ক্রমে কাজ শুরু করা হয়।
একটা সেন্সর পাইলের ঢালাইয়ের উপর লাগানো হয়, যাহা তারের সাথে একটি কম্পিউটারের সাথে সংযুক্ত থাকে । এরপর একটি ম্যাটালের সাহায্য পাইলের উপরের কংক্রিটে আঘাৎ করা হয় কয়েকটা। কম্পিউটারে প্রোগ্রামিং সেট করা থাকে, আঘাতের কারনে, কম্পিউটারের প্রোগ্রামের গ্রাফে কিছু রেখা ভেসে উঠবে, যিনি এক্সপার্ট তিনি গ্রাফ দেখে বলে দিতে পারবেন যে, উক্ত পাইলটি কত ফুট গভীর পর্যন্ত বিস্তৃত।
উক্ত পাইলটির গ্রিড নাম্বার সহ পাইল নাম্বার প্রোগ্রামে ইনপুট করে নিতে হবে। আর এ তথ্য এডিট করার কোন সুযোগ থাকবেনা।
পর্যায়ক্রমে সিলেক্টেড সব গুলো পাইলের টেস্ট করতে হবে। দুই দিন পর তিনি সাইটে এসে টেস্ট রিপোর্ট হস্তান্তর করলেন।
PIT টেস্ট এর মাধ্যমে আমরা হয়তো সঠিক ফলাফল পাওয়া যায়।।
★ Static Load Test (SLT): পাইল ড্রাইভ করার পর পাইল তার ডিজাইন অনুযায়ী লোড বহনে সক্ষম কিনা তা জানার জন্য স্ট্যাটিক এ্যক্সিয়াল কম্প্রেসিভ পাইল লোড টেস্ট করা হয়।
★ Dynamic Load Test: পাইলের আলটিমেটাম লোড কত আছে এই টেস্টের মাধ্যমে সরাসরি জানা যায় এছাড়াও পাইলের সেটেলমেন্ট কত আছে অর্থাৎ ডিসপ্লেসমেন্ট কত এটি সরাসরি জানা যায়।
🔴 পাইল লোড টেস্টঃ
একটি পাইল সর্বোচ্চ যতখানি লোড বহন করতে পারবে বলে ধরা হয় ( ফ্যাক্টর অব সেফটি সহকারে) সেটা হচ্ছে ঐ পাইলের ডিজাইন লোড। পাইল লোড টেস্টের মাধ্যমে প্র্যাকটিক্যালি আমরা নিশ্চিত হই যে উক্ত পাইল আসলেই নির্ধারিত লোড বহনে সক্ষম কিনা।
পাইল লোড টেস্টের সময় ডিজাইন লোডের ১.৫ গুন লোড চাপানো হয়।
🔴 পাইল লোড টেস্টের বিভিন্ন ধাপগুলোঃ
লোড টেস্টের জন্য দুই ধরনের গেজ ব্যবহার করা হয়। উক্ত গেজগুলি ব্যবহারের পূর্বে বুয়েট অথবা সমমানের প্রতিষ্ঠানের ল্যাব থেকে ক্যালিব্রেশন করে নিতে হয়।
বর্ণনাঃ ডিজাইন লোডের দেড়গুণ লোড চাপানোর ফলে সামান্য কিছু সেটেলমেন্ট হয়, ২৪ ঘন্টায় ২৫ মিলি মিটার এর বেশি হলে বুঝতে হবে পাইলের ডিজাইন এ ত্রুটি আছে।
হাইড্রলিক জ্যাকের মাধ্যমে প্রেশার দেয়া হয়। শুরুতে ডিজাইন লোডের ২৫% লোড দেয়া হয়। প্রেশার গেজে কেজি/সেমি২ তে রিডিং আসবে, এই রিডিং টন এ কনভার্টের জন্য ৪ নং চিতের মত গ্রাফ আছে।
২৫% ডিজাইন লোড চাপানোর পরে ২ মিনিট অপেক্ষা করে দুটি ডুয়েল গেজের আলাদা আলাদা রিডিং নেয়া হয়।
এরপরে ৫০% লোড চাপানো হয়। আবার দুই মিনিট পরপর কয়েকটি রিডিং নেয়া হয়। ডুয়েল গেজের রিডিং থেকে ৫ নং চিত্রের গ্রাফের সাহায্যে সরাসরি সেটেলমেন্ট নির্ণয় করা হয়। এভাবে এক ঘন্টা লোড চাপিয়ে রাখা হয়।
এরপরে ৭৫% ডিজাইন লোড চাপানো হয়। অনুরূপভাবে রিডিং নিয়ে এক ঘন্টা অপেক্ষা করতে হয়।
তারপরে ১০০% লোড চাপিয়ে আবার এক ঘন্টা সময় অপেক্ষা করতে হয়।
চতুর্থ ঘন্টায় গিয়ে ১৫০% ডিজাইন লোড চাপানো হয়।
সেখান থেকে ফাইনাল সেটেলমেন্ট পাওয়া যায়। সয়েল টেস্ট এর সময় সয়েলের ডিজাইন সেটেলমেন্ট এর সাথে তুলনা করে এর কার্যপযোগিতা যাচাই করা হয়।
🟢 Proshun Construction Limited 🏗