Rehena

Rehena Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Rehena, Chandpur, Kachua.

27/06/2026

আদ-দ্বীন হাসপাতাল বন্ধ করার সিদ্ধান্তকে আমি একটি হঠকারী, রাজনৈতিক প্রতিহিংসাপ্রসূত এবং জনস্বার্থবিরোধী পদক্ষেপ বলে মনে করি।
যে রাজনৈতিক শক্তি বারবার রাষ্ট্রক্ষমতায় থেকেও জনগণের কর্মসংস্থান সৃষ্টি, অর্থনৈতিক উন্নয়ন এবং টেকসই সামাজিক কল্যাণে প্রত্যাশিত অবদান রাখতে ব্যর্থ হয়েছে, তারা যদি এমন একটি প্রতিষ্ঠানকে লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করে—যে প্রতিষ্ঠান দীর্ঘদিন ধরে স্বাস্থ্যসেবা, কর্মসংস্থান এবং মানবকল্যাণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে—তবে তা অত্যন্ত দুঃখজনক ও উদ্বেগজনক।
জনগণের কল্যাণে নিবেদিত একটি প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম বন্ধ করে দেওয়া হলে তার প্রভাব সবচেয়ে বেশি পড়ে সাধারণ মানুষের ওপর, বিশেষ করে চিকিৎসাসেবাপ্রত্যাশী ও সেখানে কর্মরত মানুষের ওপর।
আমি এই সিদ্ধান্তের তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জানাই এবং আইন ও ন্যায়বিচারের ভিত্তিতে বিষয়টি পুনর্বিবেচনা করে অনতিবিলম্বে প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রম পুনরায় চালুর জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি জোর দাবি জানাই।

আদ-দ্বীন মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল বন্ধের সিদ্ধান্ত: একটি হঠকারী ও নেতিবাচক পদক্ষেপএকটি সুপ্রতিষ্ঠিত ও সুনামধন্য দাতব্য চিকি...
14/06/2026

আদ-দ্বীন মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল বন্ধের সিদ্ধান্ত: একটি হঠকারী ও নেতিবাচক পদক্ষেপ
একটি সুপ্রতিষ্ঠিত ও সুনামধন্য দাতব্য চিকিৎসা প্রতিষ্ঠান হুট করে বন্ধ করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য বা দূরদর্শী সমাধান হতে পারে না।

সাম্প্রতিক এই পদক্ষেপটি দেশের স্বাস্থ্য সেবা ও স্বাস্থ্য শিক্ষা খাতের ওপর একটি অত্যন্ত নেতিবাচক ও দীর্ঘমেয়াদী প্রভাব ফেলবে। সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় আমার বক্তব্য নিচে তুলে ধরা হলো:
১. আইনি ও প্রাতিষ্ঠানিক প্রক্রিয়ার অবমাননা
যদি চিকিৎসা ব্যবস্থায় কোনো ত্রুটি থেকে থাকে, কিংবা চিকিৎসা অবহেলার কারণে কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত মৃত্যুর ঘটনা ঘটে থাকে—তবে তার জন্য প্রচলিত আইনে সুষ্ঠু তদন্ত ও কঠোর বিচার নিশ্চিত করা সম্ভব ছিল। ত্রুটি সংশোধন করে হাসপাতালটিকে আরও উপযুক্ত ও মানসম্মত করে গড়ে তোলার সুযোগ দেওয়ার পরিবর্তে সরাসরি প্রতিষ্ঠানটি বন্ধ করে দেওয়া কোনো সুস্থ প্রশাসনিক সমাধান নয়।
২. পক্ষপাতদুষ্ট ও প্রতিহিংসামূলক সিদ্ধান্তের আভাস
একটি মহৎ উদ্দেশ্য নিয়ে পরিচালিত দাতব্য হাসপাতালকে এভাবে আকস্মিক বন্ধ ঘোষণার পেছনে একটি পক্ষপাতদুষ্ট প্রশাসনিক ব্যবস্থা এবং রাজনৈতিক প্রতিহিংসার স্পষ্ট আভাস পাওয়া যাচ্ছে। ধারণা করা অন্যায় হবে না যে, বিশেষ কোনো মহলের স্বার্থরক্ষা এবং অশুভ ও অসম বাণিজ্যিক প্রতিদ্বন্দ্বিতার কারণেই এই চরম সিদ্ধান্তটি চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে।
৩. স্বাস্থ্য সেবা ও শিক্ষা খাতে অপূরণীয় ক্ষতি
আদ-দ্বীনের মতো একটি বৃহৎ প্রতিষ্ঠান বন্ধ হওয়ার অর্থ হলো—হাজার হাজার সাধারণ ও নিম্নবিত্ত মানুষের সুলভ মূল্যে চিকিৎসা পাওয়ার অধিকার কেড়ে নেওয়া। একই সাথে, সেখানে অধ্যয়নরত শত শত মেডিকেল শিক্ষার্থীর ভবিষ্যৎ আজ চরম অনিশ্চয়তার মুখে। এই ঘটনা দেশের সামগ্রিক স্বাস্থ্য খাতে এক ভয়ঙ্কর ও নেতিবাচক নজির স্থাপন করল।

যেকোনো প্রতিষ্ঠানের ব্যক্তির ভুলের দায় পুরো প্রতিষ্ঠানের ওপর চাপিয়ে লাখো মানুষের সেবা পাওয়ার পথ বন্ধ করা সমীচীন নয়। অবিলম্বে এই হঠকারী সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করে, আইনি ও নিয়মতান্ত্রিক উপায়ে ত্রুটি দূর করার মাধ্যমে হাসপাতালটি পুনরায় চালু করার জোর দাবি জানাচ্ছি।

With Defence Jobs BD – I just got recognized as one of their top fans! 🎉
27/04/2026

With Defence Jobs BD – I just got recognized as one of their top fans! 🎉

16/04/2026

আপু (স্ত্রীর) রক্ত B+ (পজিটিভ) এবং আপনার স্বামীর রক্ত AB- (নেগেটিভ)। চিকিৎসা বিজ্ঞানের নিয়ম অনুযায়ী, যদি স্ত্রীর রক্ত পজিটিভ হয়, তবে স্বামীর রক্ত পজিটিভ বা নেগেটিভ যা-ই হোক না কেন, গর্ভধারণে বা সন্তানের কোনো শারীরিক সমস্যা হওয়ার ভয় থাকে না।
​সমস্যা কখন হয়?
ভয় থাকে শুধু তখন, যখন স্ত্রীর রক্ত Rh Negative (যেমন: A-, B-, O-, AB-) হয় এবং স্বামীর রক্ত Rh Positive হয়। সেই ক্ষেত্রে বিশেষ কিছু ইনজেকশন (Anti-D) এবং ডাক্তারদের পরামর্শের প্রয়োজন পড়ে।
​আপনার ক্ষেত্রে যেহেতু আপনি নিজেই পজিটিভ, তাই আপনি নিশ্চিন্ত থাকতে পারেন। তবুও গর্ভাবস্থায় নিয়মিত আপনার গাইনোকোলজিস্টের পরামর্শে থাকা সবচেয়ে ভালো।

বাংলাদেশের চিকিৎসা শিক্ষার ইতিহাসে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (DMC) এক অনন্য নাম। বহু মেধাবী শিক্ষার্থীর স্বপ্নের এই প্রতিষ্ঠান আ...
15/04/2026

বাংলাদেশের চিকিৎসা শিক্ষার ইতিহাসে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (DMC) এক অনন্য নাম।
বহু মেধাবী শিক্ষার্থীর স্বপ্নের এই প্রতিষ্ঠান আজ নানা সংকটে জর্জরিত, যা শুধু একটি প্রতিষ্ঠানের সমস্যা নয়, বরং দেশের সামগ্রিক স্বাস্থ্যব্যবস্থার ভবিষ্যতের জন্যও একটি সতর্ক সংকেত।

১. তীব্র শিক্ষক সংকট:
শিক্ষার মান হুমকির মুখে ডিএমসির মতো একটি শীর্ষস্থানীয় মেডিকেল কলেজে শিক্ষক সংকট এখন প্রকট আকার ধারণ করেছে। অনেক গুরুত্বপূর্ণ বিভাগে পর্যাপ্ত অধ্যাপক না থাকায় নিয়মিত ক্লিনিক্যাল ক্লাস ব্যাহত হচ্ছে। ফলে শিক্ষার্থীরা প্রয়োজনীয় হাতে-কলমে অভিজ্ঞতা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।
এর দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব অত্যন্ত উদ্বেগজনক, কারণ আজকের এই শিক্ষার্থীরাই আগামী দিনের চিকিৎসক, যাদের দক্ষতার ওপর নির্ভর করবে লাখো মানুষের জীবন।

২. লাইব্রেরি ব্যবস্থার দুর্বলতা:
জ্ঞান আছে, কিন্তু প্রবেশাধিকার সীমিত
একজন মেডিকেল শিক্ষার্থীর জন্য লাইব্রেরি হচ্ছে জ্ঞানের মূল ভাণ্ডার। কিন্তু ডিএমসির কেন্দ্রীয় লাইব্রেরিতে আধুনিক মেডিকেল জার্নাল, অনলাইন ডেটাবেস এবং পর্যাপ্ত ডিজিটাল সুবিধার অভাব স্পষ্ট। পড়াশোনার অনুকূল পরিবেশ না থাকা, নির্দিষ্ট সময়ের বাইরে লাইব্রেরি বন্ধ থাকা, এসব কারণে শিক্ষার্থীরা তাদের সর্বোচ্চ একাডেমিক সম্ভাবনা কাজে লাগাতে পারছে না।

৩. নিম্নমানের খাদ্য ও অনিরাপদ জীবনযাপন
হল ডাইনিংয়ের খাবারের মান নিয়ে দীর্ঘদিনের অভিযোগ রয়েছে। পুষ্টিহীন ও নিম্নমানের খাবার খেয়ে একজন মেডিকেল শিক্ষার্থীর পক্ষে কঠোর পড়াশোনা ও দীর্ঘ ওয়ার্ড ডিউটি সামাল দেওয়া কঠিন হয়ে পড়ে। এটি শুধু একটি অসুবিধা নয়, বরং শিক্ষার্থীদের শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর সরাসরি আঘাত, যা ভবিষ্যতে তাদের পেশাগত দক্ষতাকেও প্রভাবিত করতে পারে।

৪. রাজনৈতিক প্রভাব:
একাডেমিক পরিবেশের অবক্ষয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অতিরিক্ত রাজনৈতিক প্রভাব সবসময়ই একাডেমিক পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর। ডিএমসিতেও এর ব্যতিক্রম নেই। মেধার পরিবর্তে রাজনৈতিক পরিচয়ের ভিত্তিতে সুযোগ-সুবিধা বণ্টনের অভিযোগ শিক্ষার্থীদের মধ্যে হতাশা ও নিরাপত্তাহীনতা তৈরি করছে। এর ফলে শিক্ষার স্বাভাবিক পরিবেশ মারাত্মকভাবে বিঘ্নিত হচ্ছে।

৫. প্রশাসনিক দুর্বলতা ও অনিয়ম :
প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরে সমন্বয়হীনতা ও উদাসীনতা স্পষ্ট। সময়মতো ক্লাস না হওয়া, কার্যকর মেন্টরশিপের অভাব এবং দায়িত্বে অবহেলাএসব মিলিয়ে প্রতিষ্ঠানের ঐতিহ্য ও গৌরব ক্ষুণ্ন হচ্ছে।
এটি একটি দীর্ঘমেয়াদি কাঠামোগত সমস্যার ইঙ্গিত দেয়, যার সমাধানে প্রয়োজন শক্তিশালী ও জবাবদিহিমূলক প্রশাসন।

পরিশেষে গুরুত্বসহকারে বলতে চাই।
এখনই সময় কার্যকর পদক্ষেপের
ঢাকা মেডিকেল কলেজ কেবল একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়, এটি বাংলাদেশের স্বাস্থ্যব্যবস্থার অন্যতম ভিত্তি। তাই শিক্ষক সংকট নিরসন, আধুনিক শিক্ষা অবকাঠামো গড়ে তোলা, শিক্ষার্থীদের মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করা এবং রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত একাডেমিক পরিবেশ সৃষ্টি করা এখন সময়ের দাবি।

সঠিক সময়ে সঠিক সিদ্ধান্ত না নিলে এর প্রভাব পড়বে পুরো দেশের চিকিৎসাসেবার মানের ওপর যার দায় এড়ানোর সুযোগ কারো নেই।

প্রিয় বন্ধুরা, আপনারা কি লক্ষ্য করেছেন?দাদা-দাদি বা বয়স্ক কেউ বাথরুমে পিছলে পড়লে কেন তাদের কোমরের হাড় (Femur Neck) দ্রুত...
15/04/2026

প্রিয় বন্ধুরা,
আপনারা কি লক্ষ্য করেছেন?
দাদা-দাদি বা বয়স্ক কেউ বাথরুমে পিছলে পড়লে কেন তাদের কোমরের হাড় (Femur Neck) দ্রুত ভেঙে যায়? এর পেছনে দুটি মূল বৈজ্ঞানিক কারণ আছে:

​১। অস্টিওপোরোসিস: বয়স বাড়লে হাড়ের ঘনত্ব কমে যায়, ফলে সামান্য আঘাতেই তা ভেঙে যায়।

২। অ্যাঙ্গেল পরিবর্তন: বয়সের সাথে সাথে ফিমারের 'নেক-শ্যাফট অ্যাঙ্গেল' কিছুটা কমে যায়, যা হাড়কে দুর্বল করে তোলে।

​মেডিকেল টিপস: ফিমারের ঘাড় ভেঙে গেলে তা সহজে জোড়া লাগতে চায় না কারণ সেখানে রক্ত চলাচল কমে যায়। তাই এই বয়সে ক্যালসিয়াম সমৃদ্ধ খাবার এবং সাবধানে চলাফেরা করা অত্যন্ত জরুরি।

​আপনার বাসায় বয়স্ক কেউ থাকলে তাদের হাড়ের যত্নে আজই সচেতন হোন!

​

ফিমারে অনেক পেশি যুক্ত হয়, তবে পরীক্ষার জন্য এই ৩টি পয়েন্ট মনে রাখা জরুরি:

প্রিয় মেডিকেল সহপার্টি বন্ধুরা, তোমরা কি জানো সেই পেসি সংক্রান্ত তিনটি পয়েন্ট কি কি? জানলে কমেন্টে লিখে যাও ।

একজোড়া সাদা অ্যাপ্রনের উপাখ্যান,  যেখানে হৃদস্পন্দন আর ডায়াগনোসিস মিলেমিশে একাকার! ​সকাল ৮টা। ঢাকা মেডিকেল কলেজের (DMC) ...
15/04/2026

একজোড়া সাদা অ্যাপ্রনের উপাখ্যান, যেখানে হৃদস্পন্দন আর ডায়াগনোসিস মিলেমিশে একাকার!

​সকাল ৮টা। ঢাকা মেডিকেল কলেজের (DMC) ওয়ার্ডের বারান্দায় এক অচেনা নিরবতা। চারদিকে শুধু স্যালাইনের স্ট্যান্ডের ঝনঝনানি আর চিকিৎসকদের গম্ভীর ব্যস্ততা।

​ডাঃ ইমতিয়াজ আহমেদ (Imtiaz Ahmed), এমবিবিএস (DMC)-র ফেস-এ রেসিডেন্ট, নিউরোমেডিসিন ওয়ার্ডে তার রোগীদের ফাইলগুলো মনোযোগ দিয়ে দেখছিলেন। তার শান্ত চাহনি আর দৃঢ় হাতে যেন রোগীরা ভরসা পায়। তার অ্যাপ্রনের পকেটে সারাক্ষণ লিটম্যানের স্টেথোস্কোপটি ঝুলতে থাকে, যেমনটা ছবিতে ইমতিয়াজকে আমরা দেখছি—একটু পরিপাটি, একটু গম্ভীর, কিন্তু গভীর আত্মবিশ্বাসী।

​তার সামনেই ইন্টার্নি শেষ করা ডাঃ সামিরা হাসান (Samira Hasan)। সামিরা ছিলেন ইমতিয়াজের চেয়ে দুই ব্যাচের ছোট। সামিরার চোখে সবসময়ই এক অচেনা কৌতূহল, কিন্তু তার কোমল চাহনি আর রোগীদের সাথে তার হাসিখুশি আচরণ তাকে সবার প্রিয় করে তুলেছে। সে Ward Round-এর সময় বারবার ইমতিয়াজের দিকে একটু বেশি মনোযোগ দিয়ে ফাইলগুলো বাড়িয়ে দিত, যদিও ইমতিয়াজ তা পুরোপুরি এড়িয়ে চলতেন।

​সেদিন রাতে ডিউটির সময়, একটি জটিল রোগীর সমস্যা নিয়ে ইমতিয়াজ ও সামিরার মধ্যে দীর্ঘ কথা হয়। সামিরা যখন রোগীর সমস্যাটি বিস্তারিতভাবে ডায়াগনোসিস করছিলেন, তখন ইমতিয়াজ হঠাৎ তাকে থামিয়ে দিয়ে বললেন, "সামিরা, তুমি কি কখনও তোমার নিজের হার্টের 'Lub-Dub' শুনেছো?"
​সামিরা একটু অবাক হয়ে তার দিকে তাকাল। ইমতিয়াজ তার স্টেথোস্কোপটি তার নিজের কানে দিয়ে সামিরার হার্টবিট শুনলেন। সামিরার হার্টবিট তখন যেন হাজারটা ড্রামের শব্দকেও ছাড়িয়ে গেছে। সামিরা বুঝতে পারল, এই প্রথম কেউ তার হৃদস্পন্দন শুনল, তার ডায়াগনোসিস নয়!
​ইমতিয়াজ আস্তে করে সামিরার চিবুকটি ধরে, যেমনটা ছবিতে সে করছে, তার কপালে একটি কোমল চুম্বন করলেন। তার চোখের চাহনিতে তখন শুধুই প্রশান্তি আর গভীর প্রেম।
সে বলল, "তোমার হার্টবিট আমাকে রোগ ডায়াগনোসিস করতে শিখায় না, সামিরা, ওটা আমাকে ভালবাসা শিখায়।

Address

Chandpur
Kachua

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Rehena posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share