Shupti Builders

Shupti Builders Shupti Builders does all kinds of civil work by skilled Manpower , and your confidence, our motivation,

04/12/2025

মন খুলে ভাবুন
নিজের জীবন ও চিন্তার জগৎকে গুছিয়ে নিন
মনকে উম্মুক্ত রাখুন এবং নতুন সুযোগকে স্বাগত জানান,
নিজের সামনে থাকা সব সম্ভাবনা ও বিকল্প নিয়ে ভাবুন
অপ্রয়োজনীয় সমস্যাকে ভুলে গিয়ে চ্যালেন্জকে সরাসরি মোকাবিলা করুন
সম্পদ,সময় এবং দক্ষতা সর্ব্বোচ্চ ব্যবহার শিখুন

07/08/2025

মেজারমেন্ট টেপ [Measurement Tape] সম্পর্কে অজানা কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য:: গার্মেন্টস কোয়ালিটির কাজ শিখতে সবার আগে মেজারমেন্ট ভালো ভাবে জানতে হবে ৷ মেজারমেন্ট ছাড়া কোয়ালিটির কোন মুল্য নেই গার্মেন্টস জগতে ৷ সুতরাং মেজারমেন্ট জানতে হলে আগে মেজারমেন্ট টেপ সম্পর্কে ভালো জানতে হবে ৷ দেখুন নিচের দিকে মেজারমেন্ট টেপ সম্পর্কে A to Z তুলে ধরা হয়েছে ।
✅ মেজারমেন্ট:
মেজারমেন্ট একটি ইংরেজি শব্দ যার বাংলা অর্থ পরিমাপ, পরিমান কিংবা মাপ। মেজারমেন্ট এর ইংরেজি বানান Measurement. ইংরেজি Measure (পরিমাপ করা) থেকে এসেছে।

Measurement. কোন বস্তুর দৈর্ঘ্য, প্রস্থ বা ওজন। বা অন্য কিছুর যে মাপ নেয়া হয় সেটাই মেজারমেন্ট ৷
✅মেজারমেন্ট বলতে কি বোঝ ?
উওরঃ মেজারমেন্ট অর্থ হচ্ছে পরিমাপ করা ! যে কোন পণ্যের গুণগত মান ও মাপ সঠিক রাখার জন্য মেজারমেন্ট খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
একটা মেজারমেন্ট টেপকে কয় ভাগ করা হয়?
*একটা মেজারমেন্ট টেপকে ২ ভাগে ভাগ করা! হয় । (১) ইঞ্চি
(২) সিএম,
✅ একটা মেজারমেন্ট টেপ-এ কয় ইঞ্চি ?
*একটা মেজারমেন্ট টেপ-এ ৬০ ইঞ্চি ৷
✅ একটা মেজারমেন্ট টেপ-এ সি এম & মিলিমিটার আছে?
*১৫০ সি,এম এবং ১৫০০ মিলিমিটার আছে।
✅ ১ ইঞ্চিকে আবার ৮ ভাগে ভাগ করা হয় এবং ১ সিএম কে ১০ ভাগে ভাগ করা হয়।
(বায়ার স্পেক শীট অনুযায়ী মেজারমেন্ট করতে হবে।)
✅ আমরা জানি সাধারনত:
১ ইঞ্চি = ২.৫৪ সেন্টিমিটার
১ ইঞ্চি = ২৫.৪ মিলিমিটার
১২ ইঞ্চি = ১ ফুট
৩৬ ইঞ্চি বা ৩ ফুট = ১ গজ
৩৯.৩৭ ইঞ্চি = ১ মিটার
✅ ইঞ্চি মেজারমেন্ট :
*১ম অংশ ৮ ঘরের সুত্র:
১ ইঞ্চি = ৮ সুতা বা ২৫.৪ মিলিমিটার
১/৮ ইঞ্চি = ১ সুতা বা ৩ মিলিমিটার
২/৮ বা ১/৪ ইঞ্চি = ২ সুতা বা ৬ মিলিমিটার
৩/৮ ইঞ্চি = ৩ সুতা বা ৯.৫৩ মিলিমিটার
৪/৮ বা ১/২ ইঞ্চি = ৪ সুতা বা ১৩ মিলিমিটার
৫/৮ ইঞ্চি = ৫ সুতা বা ১৫.৮৮ মিলিমিটার
৬/৮ বা ৩/৪ ইঞ্চি = ৬ সুতা বা ১৯ মিলিমিটার
৭/৮ ইঞ্চি = ৭ সুতা বা ২২.২৩ মিলিমিটার
⇘ ২য় অংশ ১৬ ঘরের সুত্র:
১/১৬ ইঞ্চি = ১/২ (আধা সুতা) বা ১.৫৯ মিলিমিটার
৩/১৬ ইঞ্চি = ১. ১/২ (দেড় সুতা) বা ৪.৭৬ মিলিমিটার
৫/১৬ ইঞ্চি = ২. ১/২ (আঁড়াই সুতা) বা ৭.৯৪ মিলিমিটার
৭/১৬ ইঞ্চি = ৩. ১/২ (সাড়ে ৩ সুতা) বা ১১.১১ মিলিমিটার
৯/১৬ ইঞ্চি = ৪. ১/২ (সাড়ে ৪ সুতা) বা ১৪.২৯ মিলিমিটার
১১/১৬ ইঞ্চি = ৫. ১/২ (সাড়ে ৫ সুতা) বা ১৭.৪৬ মিলিমিটার
১৩/১৬ ইঞ্চি = ৬. ১/২ (সাড

06/06/2025

আত্মশুদ্ধি ও ত্যাগের মহিমায় উদ্ভাসিত হোক সকলের জীবন। সবাইকে পবিত্র ঈদ-উল-আযহার শুভেচ্ছা।
মোঃ শফিকুল ইসলাম
সুপ্তি বিল্ডার্স,

শ্রমিকের ঘামে সিক্ত হোক মানবতার অগ্রযাত্রা, শ্রমিক দিবসের শুভেচ্ছা,
01/05/2025

শ্রমিকের ঘামে সিক্ত হোক মানবতার অগ্রযাত্রা, শ্রমিক দিবসের শুভেচ্ছা,

গরিব কেন সারাজীবন গরিব থাকে?আয় সাধারণত তিন ধরনের হয়:১. একটিভ ইনকাম২. প্যাসিভ ইনকাম৩. পোর্টফোলিও ইনকাম১. একটিভ ইনকাম: একট...
08/04/2025

গরিব কেন সারাজীবন গরিব থাকে?

আয় সাধারণত তিন ধরনের হয়:
১. একটিভ ইনকাম
২. প্যাসিভ ইনকাম
৩. পোর্টফোলিও ইনকাম

১. একটিভ ইনকাম: একটিভ ইনকাম মানে হচ্ছে এমন আয় যা আপনি সরাসরি পরিশ্রম এবং সময় দিয়ে উপার্জন করেন। যেমন: চাকরি, ব্যবসা অথবা এমন কোনো কাজ যা আপনি যতটুকু সময় দেবেন, ততটুকু আয় করবেন। উদাহরণস্বরূপ, আপনি যদি একটি দোকান চালান, তবে আপনি যতক্ষণ দোকান চালাবেন, ততক্ষণ আয় হবে। কিন্তু যদি আপনি দোকানে না যান, তাহলে আয় হবে না।

এই ধরনের আয় বেশিরভাগ মানুষের কাছে সহজ এবং দ্রুত মনে হয়। এটি সাধারণত সবার কাছে পরিচিত একটি মাধ্যম, এবং বেশিরভাগ মানুষ একটিভ ইনকামের দিকে ছুটে চলে। উদাহরণস্বরূপ, চাকরি করে মাস শেষে বেতন নেওয়া, কিংবা ছোটখাটো ব্যবসা করা। কিন্তু এই ধরনের আয় হয় সীমিত, কারণ আপনি যতটুকু পরিশ্রম করবেন, ততটুকু আয় হবে। আর একজন মানুষ প্রতিদিন সর্বোচ্চ ১০-১২ ঘণ্টা পরিশ্রম করতে পারে, এর বেশি নয়।

যত বড় ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার বা অভিনেতা হোন না কেন, একটিভ ইনকামে আপনি এক সময় আপনি সেই সীমার মধ্যে আটকে পড়বেন। তাই, একটিভ ইনকাম দীর্ঘমেয়াদী ধন-সম্পদ গড়ার জন্য যথেষ্ট নয়।

২. প্যাসিভ ইনকাম: প্যাসিভ ইনকাম হচ্ছে এমন আয় যা আপনি কাজ না করেও উপার্জন করতে পারেন। অর্থাৎ, আপনি ঘুমাচ্ছেন, বা অন্য কোনো কাজ করছেন, তবুও আপনার আয় চলতে থাকে। যারা প্যাসিভ ইনকাম তৈরি করেন, তারা অনেক সময় ধনী হয়ে ওঠেন। কারণ, প্যাসিভ ইনকামের একটা বড় সুবিধা হলো, এটি সময়ের সাথে বৃদ্ধি পায় এবং কখনো থেমে যায় না।

উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, আপনি যদি একটি বাড়ি ভাড়া দেন, তবে আপনি প্রতি মাসে ভাড়া পাবেন, আর আপনাকে বাড়ির দিকে কোনো বিশেষ মনোযোগ দিতে হবে না। এছাড়া বই লেখা, ইউটিউব চ্যানেল চালানো, ওয়েবসাইট তৈরি করে আয় করা, ফেসবুক পেজ বা ইনস্টাগ্রাম থেকে আয়, আপনি যদি বিশেষ কোনো কাজে দক্ষ হন সে বিষয়ে অনলাইন প্রশিক্ষণ কোর্স তৈরি, অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং, সিপিএ (Cost Per Action) এই সবই প্যাসিভ ইনকামের উদাহরণ।

প্যাসিভ ইনকাম শুরু করা সহজ নয়, কারণ এর জন্য প্রথমে কিছু সময় এবং পরিশ্রম দিতে হয়। আপনি যদি ইউটিউব চ্যানেল শুরু করেন, তবে প্রথম কয়েক মাস হয়তো আপনি আয় পাবেন না, কিন্তু একসময় যখন আপনার ভিডিওগুলো জনপ্রিয় হবে, তখন আয় আসতে থাকবে। অনেক সময়, এই ধরনের ইনকাম শুরু করতে কিছু পুঁজি এবং পরিকল্পনা প্রয়োজন।

এ কারণে অধিকাংশ মানুষ প্যাসিভ ইনকাম এর প্রতি আগ্রহী নয়, এবং তারা একটিভ ইনকামে আটকে থাকে। তবে যাদের প্যাসিভ ইনকাম থাকে, তারা কখনো অর্থ কষ্টে পড়েন না, কারণ তাদের আয় কখনো বন্ধ হয় না। তাই, যদি আপনি জীবনে সফল হতে চান, তবে একটিভ ইনকাম থেকে কিছু টাকা বাঁচিয়ে প্যাসিভ ইনকামের উৎস তৈরি করুন।

৩. পোর্টফোলিও ইনকাম: পোর্টফোলিও ইনকাম হলো সেই আয় যা মূলত ইনভেস্টমেন্টের মাধ্যমে আসে। যাদের টাকা আছে, তারা যদি সেই টাকা বিভিন্ন জায়গায় বিনিয়োগ করে আয় করেন, তখন সেখান থেকে বড় অংকের আয় আসে। এই ধরনের ইনকামের জন্য তাদেরকে কঠোর পরিশ্রম করতে হয় না।

উদাহরণস্বরূপ, আপনি শেয়ার বাজারে বা মিউচুয়াল ফান্ডে বিনিয়োগ করতে পারেন। এছাড়া, আপনি যদি কোনো ব্যবসায়িক উদ্যোগে বিনিয়োগ করেন, তবে সেই ব্যবসা থেকে আয় পাবেন, যদিও আপনার কোনও সরাসরি অংশগ্রহণের প্রয়োজন নেই।

ধনী মানুষ সাধারণত এই ধরনের ইনভেস্টমেন্টে অর্থ রাখেন। কারণ, ব্যাংকে টাকা রাখলে, আসল অর্থের মূল্য দিন দিন কমে যায়। অর্থাৎ, সময়ের সাথে সাথে আপনার টাকা ক্ষয় হতে থাকে। তবে, যদি আপনি সেই টাকা স্টক মার্কেট, রিয়েল এস্টেট, ক্রিপটো (Crypto) মার্কেট, মিউচুয়াল ফান্ডে বা কোনো ভালো ব্যবসায়িক উদ্যোগে বিনিয়োগ করেন, তবে আপনার টাকা বৃদ্ধি পাবে এবং আপনি ধনী হতে পারবেন।

যারা পোর্টফোলিও ইনকামে আগ্রহী নয়, তারা হয়তো জানেন না যে বিনিয়োগের মাধ্যমে কীভাবে সম্পদ হাজার গুণ বৃদ্ধি করা যায়।

২০-৮০ সিস্টেমে আটকে যাচ্ছেন না তো?

আপনার যদি প্যাসিভ ইনকাম কিংবা পোর্টফোলিও ইনকামের প্রতি আগ্রহ না থাকে, তাহলে আপনি হয়তো ২০-৮০ সিস্টেমে আটকে যাবেন। এই সিস্টেম অনুযায়ী, ২০% মানুষ সবসময় ধনী হয় এবং ৮০% মানুষ সারাজীবন গরীব থাকে। এই ২০% মানুষ পৃথিবীর মোট সম্পদের সিংহভাগ অংশের মালিক হয়।

এই কারণে, আপনি যে প্রফেশনেই থাকেন না কেন, চেষ্টা করুন প্যাসিভ ইনকাম শুরু করতে। আপনি যদি শুধুমাত্র একটিভ ইনকামে আটকে থাকেন, তবে আপনার আয় একসময় সীমাবদ্ধ হয়ে যাবে। আর প্যাসিভ ইনকাম অথবা পোর্টফোলিও ইনকাম না থাকলে, আপনি সেই ৮০% মানুষের মধ্যে পড়ে যাবেন, যারা সারাজীবন অর্থ কষ্টে ভুগবে।

তাই, আজ থেকেই আপনার আয় বাড়ানোর পরিকল্পনা করুন এবং একটিভ ইনকাম থেকে কিছু টাকা বাঁচিয়ে প্যাসিভ ইনকাম অথবা পোর্টফোলিও ইনকাম তৈরি করুন। এতে আপনার ভবিষ্যত সুরক্ষিত হবে এবং আপনি ধনী হতে পারবেন। জীবনে সফল হতে এবং ধনী হতে হলে, একটিভ ইনকাম ছাড়াও প্যাসিভ ইনকাম এবং পোর্টফোলিও ইনকামের প্রতি মনোযোগ দিন।

©জীবন চক্র

26/03/2025

নিজের সুখের চাবিকাঠি নিজের হাতেই থাকুক

একজন শিক্ষক বলেছিলেন— "জীবনে যা কিছুই করো না কেন, নিজের সুখের চাবিকাঠি অন্য কারো হাতে তুলে দিও না।"

✅ নিজেকে স্বাধীন রাখো:
কখনোই কাউকে এতটা গুরুত্ব দিও না যে, তার সামান্য অবহেলা তোমার পুরো দিনটাকে নষ্ট করে দেয়।

✅ মন খারাপ হলে কী করবে?

হেমন্তের গান শুনো 🎵

ধোঁয়া ওঠা কফির কাপ হাতে নাও ☕

বিকেলের রোদে আপনমনে হাঁটো 🚶‍♂️

প্রিয় লেখকের বইয়ে ডুব দাও 📖

যদি কিছু সৃজনশীলতা থাকে, সেটাই হোক তোমার সঙ্গী ✍️

✅ অন্যের কাছে সুখের প্রত্যাশা করো না:
অন্যের উপেক্ষা, ব্যঙ্গ বা অবহেলায় ভেঙে পড়া একজন পরিণত মানুষের কাজ নয়। খুব বেশি একা লাগলে বা মন খারাপ হলে ঘর অন্ধকার করে কিছুক্ষণ চুপচাপ বসে থেকো, প্রার্থনা করো।

✅ নিজের সঙ্গেই সম্পর্ক গড়ে তোলো:

পুরোনো স্মৃতি মনে করো, হাসো, কাঁদো— কিন্তু নিজেকেই নিজের সেরা বন্ধু বানাও।

সফল হলে নিজেকে পুরস্কৃত করো।

ব্যর্থ হলে নিজের সাথে অভিমান করো, কিন্তু হাল ছাড়বে না।

অন্যের চোখে নিজের পারফেকশন খোঁজার ভুল কখনোই করো না।

✅ মানুষ কী ভাববে, সেটার চেয়ে নিজের সুখ বেশি জরুরি:

মানুষ তোমার গুণের চেয়ে ত্রুটিগুলো দেখতেই বেশি পছন্দ করবে।

একা রেস্টুরেন্টে বসে খাওয়া বা একা পার্কে সময় কাটানো হাস্যকর কিছু নয়।

নিজেকে আর্থিকভাবে স্বাধীন করো, যাতে মুড অফ থাকলে নিজের জন্য একটা চকলেট কিনতে পারো, নিজের জন্মদিনে নিজেকে উপহার দিতে পারো।

✅ সুবিধাবঞ্চিতদের পাশে দাঁড়াও:

জন্মদিনে শিশুদের সাথে আনন্দ ভাগ করে নাও।

নিজের পছন্দের কিছু কিনে নিজেকে খুশি করো।

মাঝেমধ্যে নিজেকে কিছু ফুল উপহার দাও, ঘরে একটা ফুল রাখো— সুবাস মন ভালো করে দেবে।

✅ "না" বলতে শিখো:
সবার মন জয় করা তোমার দায়িত্ব নয়! পৃথিবীর কেউই সবার কাছে গ্রহণযোগ্য হয়নি, তুমিও হবে না। তাই যেখানে প্রয়োজন, সেখানে "না" বলতে শিখো।

✅ অভিযোগ করা বন্ধ করো:
"আমার বাবা-মা আমাকে বোঝে না", "বন্ধুরা সময় দেয় না", "কাছের মানুষ অবহেলা করে"— এসব নিজের তৈরি মানসিক চাপ।

কেন নিজেকে অন্যের বিরক্তির কারণ বানাবে? বরং এমন ব্যক্তিত্ব গড়ে তোলো, যাতে তোমার উপস্থিতিই সম্মানের অনুভূতি সৃষ্টি করে।

🔖 নিজের সুখের দায়িত্ব নিজেই নাও!

25/03/2025

জীবনের দৌড় শেষ হয় না, জীবন এক অদ্ভুত দৌড়। কেউ শুরু করে জুতাসহ, কেউ খালি পায়ে। কেউ জন্ম থেকেই একশো মিটার এগিয়ে থাকে, আবার কেউ হাঁটার আগেই হোঁচট খেয়ে পড়ে যায়। সময়ের সাথে আপনি বুঝতে পারবেন, এই দৌড়ের নিয়ম গুলো কখনোই সবার জন্য একরকম নয়।

আপনি হয়তো দেখবেন, কেউ সহজেই সব শিখে নেয়, পরীক্ষার আগের রাতে কয়েক ঘণ্টা পড়েই অসাধারণ ফলাফল করে। আর আপনি দিনের পর দিন খেটে গেলেও কাঙ্ক্ষিত রেজাল্ট পাচ্ছেন না।

আপনার আশেপাশে এমন অনেক মানুষ থাকবে, যাদের জীবন কোনো বাধাবিহীন রাস্তায় চলতে থাকে। তাদের কখনো টাকার চিন্তা করতে হয় না, বাবা-মায়ের দেওয়া ক্রেডিট কার্ডে বিল মেটায়। আর আপনি একবার টিউশন ফি চাওয়ার আগে কতবার চিন্তা করবেন, সেটার কোনো হিসাব নেই।

জীবনের এই খেলা কেউ একদিনেই জিতে যায়, আর কেউ বছরের পর বছর খেলে করেও বোর্ডে নাম লিখাতে পারে না। কেউ একটা স্টার্টআপ শুরু করেই সাফল্যের চূড়ায় পৌঁছে যায়, আর কেউ দশটা উদ্যোগ নিয়ে ব্যর্থ হয়ে লোনের বোঝা টানতে টানতে হারিয়ে যায়।(ফাইসু)

কখনো এমন হবে, আপনি দেখবেন আপনার চেয়ে কম দক্ষ, কম পরিশ্রমী কেউ আপনার স্বপ্নের চাকরিটা পেয়ে গেছে। কারণ হয়তো সে সঠিক সময়ে সঠিক জায়গায় ছিল, হয়তো তার রেফারেন্স ছিল, হয়তো ভাগ্য তার পক্ষে ছিল। এসব ভেবে হয়তো আপনার নিজের ওপর রাগ হবে, জীবনকে অন্যায় মনে হবে।

কিন্তু বাস্তবতা হলো, এই প্রতিযোগিতায় আপনি যদি শুধুই তুলনায় ব্যস্ত থাকেন, তাহলে ক্লান্তি ছাড়া আর কিছুই পাবেন না। এখানে কেউ একটা গাড়ির মালিক হওয়ার স্বপ্ন দেখে, আরেকজন সেই গাড়িটা বদলে আরও দামি কিছু চায়। বড় ফ্ল্যাটের মালিক হওয়া মানুষেরও স্বপ্ন থাকে আরও বড় কিছুর।

তাহলে উপায় কী?

উপায় হলো নিজের লেন ঠিক করা। এই দৌড় কারও জন্য নয়, আপনার নিজের জন্য। অন্যের জীবনের দিকে না তাকিয়ে, নিজের গতিতে এগিয়ে যাওয়া। জীবন সবসময় ফেয়ার হবে না, কিন্তু আপনি নিজেকে প্রস্তুত করতে পারেন—সময়ের সাথে নিজেকে গড়ে তুলতে পারেন।

কারণ, সত্যিকারের জয়ী হওয়ার জন্য গন্তব্যে পৌঁছানো দরকার নেই। দরকার শুধু এক পা এক পা করে সামনে এগিয়ে যাওয়া।
©️

15/03/2025

সার্বিয়ার এক সুন্দরী তরুণী, নাম মারিয়া আব্রামোভিচ, ১৯৭৪ সালে এক ভয়ংকর সত্যের মুখোমুখি দাঁড় করিয়েছিল পৃথিবীকে, একটি এক্সপেরিমেন্টের মাধ্যমে। ওই এক্সপেরিমেন্টের নাম ছিল রিদম জিরো। লোকজনে ভর্তি একটি রুমের ভেতর মারিয়া স্ট্যাচুর মতোন দাঁড়িয়ে ছিল। সামনে টেবিলে রাখা অপ্রাসঙ্গিক, অগুরুত্বপূর্ণ, একে অপরের সঙ্গে সম্পর্কহীন বাহাত্তরটি জিনিস। লিপস্টিক, কেক, ছুরি, কাঁচি, গোলাপ, পিস্তল সহ আরো অনেক কিছু। বলা হয়েছিল, রাত আটটা থেকে দুইটা পর্যন্ত ছয় ঘণ্টা মানুষ যা ইচ্ছা তাই করতে পারবে মারিয়ার সঙ্গে। অনুমতিপত্রে স্বাক্ষর ছিল মারিয়ার। প্রথম আড়াই ঘণ্টা মারিয়াকে ফুল দিয়েছিল মানুষ। চুল আঁচড়ে দিয়েছিল, ভালোবেসেছিল।

সময় যতই গড়াল, লোকজন ততই হিংস্র হয়ে উঠল। শেষ দুই ঘণ্টায় মারিয়াকে থাপ্পড় মারা হয়, পরনের জামাকাপড় ছিঁড়ে নগ্ন করে ফেলা হয়, ছুরি দিয়ে শরীরে আঘাত করা হয়, এমনকি শেষদিকে একজন পিস্তল নিয়ে মারিয়ার গলা চেপে ধরে ট্রিগার টানতে যাচ্ছিল প্রায়!

মারিয়া কি ওদের কোনো ক্ষতি করেছিল? ওদের কারোর জায়গা জমি নিজের বলে দাবি করেছিল? ওদের কাউকে মারধর করেছিল? কারো সাথে প্রতারণা করেছিল? সে তো কাউকে চিনতও না। কিন্তু ওরা মারিয়াকে থাপ্পড় মেরেছিল, গায়ে থুথু ছিটিয়েছিল, পরনের পোশাক ছিঁড়ে ফেলেছিল, একের পর এক আঘাতে করেছিল ক্ষতবিক্ষত! এক্সপেরিমেন্ট শেষে মারিয়া যখন হেঁটে চলে যাচ্ছিল, তখন তাকে অপমান করা একটি লোকও চোখের দিকে তাকাতে পারছিল না তার, লজ্জায়।

♦️
১৯৯৮ সালে জার্মানিতে চৌদ্দজন লোককে স্বেচ্ছায় টাকার বিনিময়ে একটি সাইকোলজিক্যাল পরীক্ষার জন্য নির্বাচন করা হয় যার নাম ছিল দাস এক্সপেরিমেন্ট। এরপর ওই লোকগুলোকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়। ওদের কাছে সময় পনের দিন। এই পনের দিন ওদের একভাগ কারাগারের কয়েদি হিসেবে অভিনয় করবে, বাকিরা থাকবে কারাগারের গার্ড। সবার অজান্তে সিসিটিভি ক্যামেরার মাধ্যমে পরিস্থিতি মনিটর করা হবে। শর্ত ছিল, কোনো গার্ড কোনো কয়েদিকে শারীরিকভাবে আঘাত করতে পারবে না। অর্থাৎ কোনরকম ভায়োলেন্স অ্যালাউড না।

প্রথম প্রথম সবকিছু ঠিকঠাক থাকলেও ২ দিন পার হওয়ার আগেই গার্ডরা কয়েদিদের ওপর ক্ষমতা প্রয়োগ করা শুরু করে। শেষদিকে তো পুরো এক্সপেরিমেন্টেরই বারোটা বেজে যায়।

লক্ষ্য করুন, ওরা জানে ওরা কেউই আসল গার্ড নয়। যারা কারাগারে বন্দি, তারাও সত্যিকারের কয়েদি নয়। ওদের শুধু অভিনয় করতে বলা হয়েছে কয়েকটা দিনের জন্য। অথচ বাহাত্তর ঘন্টা পার হওয়ার আগেই শুধুমাত্র বন্দিদের ওপর নিজেদের ক্ষমতা জাহির করার জন্য ওরা কারাগারের লাইট অফ করে, গ্যাস ছেড়ে, কয়েদিদের জামাকাপড় খুলে উলঙ্গ করে শোয়ার একমাত্র বিছানাটাও বের করে নেয় যাতে কেউ ঘুমাতে না পারে। শুধু তাই নয়, সময় গড়ানোর সাথে সাথে গার্ডের দল কয়েদিদের হাত পা বেঁধে নির্যাতন করে, তাদের মুখের ওপর প্রস্রাব করে, এক নারী কয়েদিকে ধর্ষণের চেষ্টা করে এবং এমনকি একজনকে মেরে ফেলেছিল প্রায়!

♦️
মানুষের মনস্তত্ত্ব সম্পর্কে একটু পড়াশোনা করলে আপনি জানতে পারবেন, মানুষ অন্যকে ঘৃণা করে, অপছন্দ করে, হত্যা করে নানা কারণে। ওর বুদ্ধি বেশি, আমার কম কেন? ওর টাকা বেশি, আমার কম কেন? ওর সম্মান বেশি, আমার কম কেন?

রিদম জিরো এবং দাস এক্সপেরিমেন্ট আপনাকে শেখাবে, একটা মানুষের কাউকে ঘৃণা, অপছন্দ বা অত্যাচার করতে আসলে কোনো কারণ লাগে না। একজন মানুষ কোনোরকম কারণ ছাড়াই আরেকজনকে হিংসা করে, ক্ষতি করে, তার বদনাম রটায়, কেননা মানুষের স্বভাবই অমন। মানুষ কোনোদিনই শান্তিকামী ছিল না, নয় এবং থাকবেও না। সে সবসময়ই হিংস্র, লোভী, বর্বর এবং ভণ্ড। তাহলে প্রশ্ন জাগে, এই দুনিয়ায় কি ভালো মানুষ বলে কেউ নেই? হ্যাঁ, আছে হাতেগোনা দুচারজন। বাকিরা সুযোগের অভাবে ভালো।

Shafiqul
ছবিলেখা সংগৃহীত।

03/02/2025

১. নিজেকে কখনো বড় করে প্রকাশ করবেন না। এতে আপনি ছোট হবেন।

২. ভুল স্বীকার করার মানসিকতা দেখান। "Thank you", "Please" এই কথাগুলো বলতে দ্বিধা করবেন না।

৩. কারো কাছে নিজের সিক্রেট শেয়ার করবেন না বা কাউকে অন্ধভাবে বিশ্বাস করবেন না।

৪. অভিজ্ঞতা ছাড়া ব্যবসা করতে যাবেন না।

৫. পর্ণে আসক্ত হবেন না। এতে করে আপনি ক্ষণস্থায়ী সুখের জন্য সুন্দর জীবন হারাবেন।

৫. পরচর্চা করবেন না। যে ব্যক্তি আপনার সামনে অন্যের নিন্দা করে, সে নিশ্চিতভাবে অন্যের সামনে আপনার নিন্দা করে।

৬. গাধার সাথে তর্ক করতে যাবেন না। তর্কের শুরুতেই গাধা আপনাকে তার স্তরে নামিয়ে আনবে, তারপর আপনাকে সবার সামনে অপদস্থ করবে।

৭. পরে করব ভেবে কোনো কাজ ফেলে রাখবেন না। আপনি যদি তা করেন শতকরা ৮০ ভাগ সম্ভাবনা কাজটি আপনি আর কখনোই করতে পারবেন না।

৮. 'না' বলতে ভয় পাবেন না।

৯. স্ত্রীর কারণে বাবা-মাকে বা বাবা মায়ের কারণে স্ত্রীকে অবহেলা করবেন না।

১০. সবাইকে সন্তুষ্ট করতে যাবেন না। এতে আপনি আপনার ব্যক্তিত্ব হারাবেন।

১১. ঝুঁকি ছাড়া সাফল্য আসে না। তাই জীবনে ক্যালকুলেটেড রিস্ক নিতে ভয় পাবেন না।

১২. স্মার্টফোনে আসক্ত হবেন না। গুগলে জীবনের সব প্রশ্নের উত্তর খুঁজে পাবেন না।

১৩. মনের ইচ্ছা প্রকাশ করতে দেরি করবেন না। কারণ, এই একটি কাজের বিলম্বের জন্য আপনি সারাজীবন পস্তাতে পারেন।

১৩. রিলেশনসিপে অসুখী হলে সেটা আঁকড়ে ধরে থাকবেন না। যে সম্পর্ক মানসিক যন্ত্রণা দেয়, ভেতরে অশান্তি সৃষ্টি করে তা জীবন থেকে দ্রুত মুছে ফেলুন।

১৪. আপনি কখনোই জানেন না যে আপনি স্বপ্নপূরণের ঠিক কতটা কাছাকাছি। তাই, কখনোই লক্ষ্যের পিছু ধাওয়া করা বন্ধ করবেন না। বেশিরভাগ মানুষ সাফল্য লাভের কাছাকাছি গিয়ে হাল ছেড়ে দেয়।

১৫. অকারণে শত্রু বাড়াবেন না।

১৬. কারো ধর্মবিশ্বাসে আঘাত দিয়ে কোনো কথা বলবেন না বা সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করবেন না।

১৭. বয়ফ্রেন্ড বা গার্লফ্রেন্ডের সাথে একান্ত মুহূর্তের ছবি বা ভিডিও করবেন না। তার সাথে আপনার বিয়ে হবেই বা সে আপনাকে ভবিষ্যতে ব্ল্যাকমেইল করবে না এটা আপনি গ্যারান্টি দিয়ে বলতে পারেন না।

১৮. যে আপনার কথা শোনার জন্য প্রস্তুত নয়, তাকে কিছু শেখাতে যাবেন না। সে ঠকবে, ভুল করবে, ধাক্কা খাবে; তারপর একসময় ঠিকই আপনার মূল্য বুঝতে পারবে।

১৯. নিজের সম্মান বিসর্জন দিয়ে মানুষের সাথে সম্পর্ক রক্ষা করবেন না। যেখানে আপনার সম্মান নেই সেখান থেকে এখনই নিজেকে গুটিয়ে নিন।

২০. টাকার পেছনে দৌড়াতে গিয়ে প্রিয়জনদের বঞ্চিত করবেন না।

২১. যেটা হাতছাড়া হয়ে গেছে সেটা নিয়ে আফসোস করবেন না।

14/01/2025

চীনের সবচেয়ে ধনী ব্যক্তি জ্যাক মা বলেন,
"যদি তুমি বানরের সামনে কলা এবং টাকা রাখো।
বানরটি কলা বেছে নেবে কারণ বানরটি জানে না যে টাকা দিয়ে অনেক কলা কেনা যায়। "

আসলে, আপনি যদি মানুষকে কাজ এবং ব্যবসা প্রস্তাব করেন, তাহলে তারা কাজ করার সিদ্ধান্ত নেবে কারণ বেশিরভাগ মানুষ জানেননা যে একটি ব্যবসা বেতনের চেয়ে বেশি অর্থ উপার্জন করা যেতে পারে।

দরিদ্রদের দরিদ্র হওয়ার একটি কারণ হল দরিদ্রদের উদ্যোক্তা হওয়ার জন্য প্রশিক্ষণ দেওয়া হয় না ।

তারা স্কুলে অনেক সময় ব্যয় করে,
আর স্কুলে যা শিখে তা হল নিজের জন্য কাজ না করে বেতনের জন্য কাজ করা ।

বেতন থেকে ব্যবসায়িক লাভ অনেক ভাল কারণ বেতন আপনাকে জীবন পরিচালনার জন্য সাপোর্ট দিবে কিন্তু ব্যসায়িক লাভ আপনাকে একটি ভাগ্য তৈরি করে দিবে,

Address

Sirajganj

Telephone

01712301220

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Shupti Builders posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Shupti Builders:

Share