MBSTU Science Club

Website Contact the business

MBSTU Science Club This is the Official page of MBSTU Science Club. Spreading and encouraging the knowledge and interest in science is the fundamental motive of our club.

🌙পবিত্র ইদুল ফিতর উপলক্ষে মাভাবিপ্রবি সায়েন্স ক্লাবের পক্ষ থেকে সকলকে জানাই প্রাণঢালা শুভেচ্ছা এবং অভিনন্দন!🎁পরিবার, প্র...
20/03/2026

🌙পবিত্র ইদুল ফিতর উপলক্ষে মাভাবিপ্রবি সায়েন্স ক্লাবের পক্ষ থেকে সকলকে জানাই প্রাণঢালা শুভেচ্ছা এবং অভিনন্দন!🎁
পরিবার, প্রিয়জনের সাথে আপনার ঈদ হয়ে উঠুক নিরাপদ এবং আনন্দের...

ইদ মুবারক💌

মাভাবিপ্রবি সায়েন্স ক্লাবের ৬ষ্ঠ কার্যনির্বাহী কমিটির উদ্যোগে মাভাবিপ্রবির সম্মানিত ভিসি, প্রক্টর, শিক্ষার্থী কল্যাণ ও প...
18/01/2026

মাভাবিপ্রবি সায়েন্স ক্লাবের ৬ষ্ঠ কার্যনির্বাহী কমিটির উদ্যোগে মাভাবিপ্রবির সম্মানিত ভিসি, প্রক্টর, শিক্ষার্থী কল্যাণ ও পরামর্শদান কেন্দ্র পরিচালক সহ ক্লাবের মডারেটর ও এডভাইজর স্যারদের সঙ্গে সৌহার্দ্যপূর্ণ সাক্ষাৎ ও সম্মাননা স্বরূপ উপহার প্রদান।

6th Executive Committee Members of MBSTU Science Club.(Warm congratulations! May your dedication and leadership contribu...
13/01/2026

6th Executive Committee Members of MBSTU Science Club.

(Warm congratulations! May your dedication and leadership contribute significantly to the growth of MBSTU Science Club)


আজ বিজয় দিবস উপলক্ষে জাতির সূর্য সন্তানদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা জানিয়ে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে এম্বিএসটিইউ সায়েন্স ক্লাব।ক্...
16/12/2025

আজ বিজয় দিবস উপলক্ষে জাতির সূর্য সন্তানদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা জানিয়ে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে এম্বিএসটিইউ সায়েন্স ক্লাব।

ক্লাব এর পক্ষথেকে সবাইকে বিজয় দিবসের শুভেচ্ছা।

বিজ্ঞানভিত্তিক পোস্টার'কংক্রিটের ফাটল সারাবে ছত্রাক'
27/11/2025

বিজ্ঞানভিত্তিক পোস্টার
'কংক্রিটের ফাটল সারাবে ছত্রাক'

আমাদের Science Club-এর সাম্প্রতিক ইভেন্ট সফলভাবে আয়োজন করতে পেরে আমরা অত্যন্ত আনন্দিত। এই সফলতার পেছনে অনেকের ভালোবাসা, ...
26/11/2025

আমাদের Science Club-এর সাম্প্রতিক ইভেন্ট সফলভাবে আয়োজন করতে পেরে আমরা অত্যন্ত আনন্দিত। এই সফলতার পেছনে অনেকের ভালোবাসা, পরিশ্রম ও নিঃস্বার্থ সহযোগিতা রয়েছে।
প্রথমেই আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানাই আমাদের Advisor Sir-দের প্রতি তাদের অবিরাম দিকনির্দেশনা, অনুপ্রেরণা এবং আর্থিক সহায়তা ছাড়া এতো বড় আয়োজন সম্ভব হতো না।
একইসঙ্গে বিশেষ ধন্যবাদ আমাদের ক্লাবের সিনিয়র ভাই–আপুদের প্রতি-Mishu apu, Emad bhai, Sizan bhai, Fihad bhai এবং আরও যেসব alumni/ex-members আছেন। আপনাদের মূল্যবান পরামর্শ, সময় ও আর্থিক সহায়তা আমাদের পথচলাকে আরও সহজ করেছে। এবার ধন্যবাদ জানাই আমাদের ব্যাচমেট, জুনিয়রসহ সক্রিয় সব ক্লাব সদস্যদের যারা CT, ক্লাস ও অন্যান্য ব্যস্ততার মাঝেও সময় বের করে মন–প্রাণ দিয়ে কাজ করেছেন।
বিশেষভাবে উল্লেখ করতে চাই-Snigdha, Diganto, Asha, Shaun, Prottoy, Rahat, Tonmoy, Mim, Shihab এবং Nadvy-তোমাদের অক্লান্ত পরিশ্রম, দায়িত্ববোধ ও টিমওয়ার্ক ছাড়া এ ইভেন্ট এত সুন্দরভাবে সম্পন্ন করা সম্ভব হতো না। আপনাদের সবার অবদানেই আমাদের আয়োজন সফল হয়েছে।

Dynamic games segment Club fest 2.0~MBSTUSC
26/11/2025

Dynamic games segment
Club fest 2.0
~MBSTUSC

জমকালো আয়োজনে চলছে..... ক্লাব ফেস্ট ২.০ ~MBSTUSC
26/11/2025

জমকালো আয়োজনে চলছে.....
ক্লাব ফেস্ট ২.০ ~MBSTUSC

ক্লাব ফেস্ট ২.০ তে MBSTUSC এর পক্ষ থেকে আকর্ষনীয় সব গেমস এর আয়োজন। প্রতিযোগিদের(বিজয়ী) জন্যে রয়েছে আকর্ষনীয় পুরষ্কার....
26/11/2025

ক্লাব ফেস্ট ২.০ তে MBSTUSC এর পক্ষ থেকে আকর্ষনীয় সব গেমস এর আয়োজন।
প্রতিযোগিদের(বিজয়ী) জন্যে রয়েছে আকর্ষনীয় পুরষ্কার....

'সিসমিক টাইম বম্ব' ও বাংলাদেশ: প্রস্তুতি ও করণীয় (পর্ব-২)​• বর্তমান ঝুঁকির কেন্দ্রবিন্দু(ঢাকা শহর ও আশেপাশের অঞ্চল):​বা...
25/11/2025

'সিসমিক টাইম বম্ব' ও বাংলাদেশ: প্রস্তুতি ও করণীয় (পর্ব-২)
​

• বর্তমান ঝুঁকির কেন্দ্রবিন্দু(ঢাকা শহর ও আশেপাশের অঞ্চল):
​বাংলাদেশের মধ্যে সিলেট, চট্টগ্রাম ও ময়মনসিংহ অঞ্চল উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত হলেও, রাজধানী ঢাকা শহর এবং এর আশেপাশের এলাকাগুলোতে (যেমন: নরসিংদী, নারায়ণগঞ্জ, গাজীপুর, সাভার) ক্ষয়ক্ষতির মাত্রা হবে সবচেয়ে ভয়াবহ। কারণ ঢাকা অঞ্চল রয়েছে মাঝারি ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায়, কিন্তু অপরিকল্পিত নির্মাণ ও বিশ্বের অন্যতম জনঘনত্ব এই ঝুঁকিকে বহুগুণ বাড়িয়ে দিয়েছে।

•​ ক্ষয়ক্ষতির ভয়াবহ মাত্রা:
​২০২৩ সালে রাজউকের একটি গবেষণায় উঠে আসে যে, রাজধানী ঢাকায় ৬.৯ মাত্রার ভূমিকম্প হলে প্রায় ৮ লাখ ৬৪ হাজার ভবন, যা মোট বিল্ডিংয়ের প্রায় ৪০ শতাংশ, ধসে পড়তে পারে। এর ফলস্বরূপ, দিনের বেলায় ভূমিকম্প হলে আনুমানিক ২ লাখ ১০ হাজার এবং রাতে হলে ৩ লাখ ২০ হাজার মানুষের মৃত্যুর আশঙ্কা রয়েছে। নরম মাটি, জলাশয় ভরাট করে আবাসন তৈরি এবং অপরিকল্পিত নগরায়ণের কারণে ভূমিকম্প পরবর্তী সময়ে গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণ ও শর্ট সার্কিট থেকে ব্যাপক অগ্নিকাণ্ডের ঝুঁকি তৈরি হবে, যা উদ্ধার কাজকে আরও কঠিন করে তুলবে। বিশেষ করে পুরান ঢাকার সরু গলি পথ ও দুর্বল অবকাঠামো উদ্ধারকারী দলগুলোর প্রবেশ কার্যত অসম্ভব করে তুলবে।
​

• মহাবিপর্যয় মোকাবিলায় আমাদের করণীয়
​ভূমিকম্পের ক্ষয়ক্ষতি কমাতে তিনটি ধাপে প্রস্তুতি নেওয়া জরুরি:

​১. নির্মাণের সময় ও অবকাঠামো পর্যায়ে:
*​জাতীয় বিল্ডিং কোড (BNBC) প্রয়োগ: কঠোরভাবে বিল্ডিং কোড মেনে ভূমিকম্প সহনীয় (Earthquake Resistant) কাঠামো নির্মাণ নিশ্চিত করা এবং নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা।

*​ঝুঁকি নিরুপণ (Microzonation): ঢাকা ও এর আশেপাশের এলাকায় মাটির প্রকৃতি অনুযায়ী বিস্তারিত মাইক্রোজোনেশন করা এবং সেই গবেষণা অনুযায়ী নির্মাণশৈলীতে পরিবর্তন আনা।

*​ঝুঁকিপূর্ণ ভবন সংস্কার/ধ্বংস: পুরান ঢাকাসহ সকল এলাকার ঝুঁকিপূর্ণ ও দুর্বল ভবনগুলো দ্রুত চিহ্নিত করে হয় সেগুলোকে শক্তিশালী করা, অথবা জনবসতি সরিয়ে দ্রুত অপসারণ করা।

​২. সচেতনতা বৃদ্ধি করার উপায়:
>​নিয়মিত মহড়া: স্কুল, কলেজ, অফিস এবং আবাসিক এলাকায় নিয়মিত ভূমিকম্প মহড়া (Drill) আয়োজন করা। এটি মানুষের মধ্যে আতঙ্ক কমিয়ে সঠিক সময়ে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে সাহায্য করে।

>​জরুরি কিট: প্রতিটি পরিবারে টর্চলাইট, প্রাথমিক চিকিৎসা সামগ্রী, শুকনো খাবার ও পানীয়, হুইসেল, মাস্ক এবং প্রয়োজনীয় ঔষধ সহ একটি 'জরুরি ব্যাগ' প্রস্তুত রাখা।

>​সতর্কতা বার্তা: গুগলের আর্থকোয়েক অ্যালার্ট সিস্টেম বা অন্যান্য অ্যাপের মাধ্যমে ভূমিকম্পের প্রাথমিক সতর্কবার্তা গ্রহণের বিষয়ে সচেতনতা বাড়ানো।

​৩. বড় বিপর্যয়ের সময় যা মনে রাখা জরুরী:
​শান্ত থাকা ও আশ্রয় গ্রহণ: আতঙ্কিত না হয়ে শান্ত থাকুন। কম্পন শুরু হওয়ার সাথে সাথে 'ড্রপ, কভার, এবং হোল্ড অন' কৌশল অনুসরণ করুন:

√ ​মেঝেতে হাঁটু গেড়ে বসুন (Drop)।
√​ মজবুত টেবিল বা ডেস্কের নিচে আশ্রয় নিন (Cover)।
√​ কম্পন না থামা পর্যন্ত শক্ত করে ধরে রাখুন (Hold On)।
(অতিরিক্ত):
√​ গ্যাস ও বিদ্যুৎ বন্ধ: কম্পন থামার পর সম্ভব হলে দ্রুত বিদ্যুৎ ও গ্যাসের মেইন সুইচ বন্ধ করুন, যাতে অগ্নিকাণ্ডের ঝুঁকি এড়ানো যায়।

√​ সতর্কতার সাথে বের হওয়া: কম্পন থেমে গেলে দ্রুত কিন্তু সতর্কতার সাথে ভবন থেকে বেরিয়ে
খোলা স্থানে আশ্রয় নিন। লিফট বা সিঁড়ির রেলিং ব্যবহার করা যাবে না।

√ ​গুজব পরিহার: ভূমিকম্প পরবর্তী সময়ে গুজবে কান দেওয়া থেকে বিরত থাকুন। সঠিক তথ্য ও নির্দেশনার জন্য একমাত্র সরকারি সংস্থাগুলোর ঘোষণা অনুসরণ করুন।

• উপসংহার: প্রস্তুত না হলে বিপদ অনিবার্য
​ভূমিকম্প একটি নীরব ঘাতক, যা আগাম কোনো সতর্কতা দেয় না। এই মহাবিপর্যয়ের ঝুঁকি সম্পর্কে উদাসীন থাকার কোনো সুযোগ নেই। এখন সময় নিয়ম মানা, সচেতন হওয়া এবং সম্মিলিতভাবে সর্বোচ্চ প্রস্তুতি গ্রহণ করা- যাতে প্রাকৃতিক এই দুর্যোগকে আমরা সর্বনিম্ন ক্ষয়ক্ষতিতে মোকাবিলা করতে পারি।

​তথ্যসূত্র (২):
​বাংলাদেশে ভূমিকম্পের ঝুঁকি প্রতিরোধ ও প্রস্তুতি: (Jagonews24 - April 2025) - ঢাকা শহরের ক্ষয়ক্ষতির মাত্রা, ভবন ধস ও প্রাণহানির পরিসংখ্যান।
​ভূমিকম্প ঝুঁকি ও বাংলাদেশ: আমরা কতটা প্রস্তুত?: (Jagonews24 - Nov 2025) - পুরান ঢাকার পরিস্থিতি, অগ্নিকাণ্ডের ঝুঁকি এবং প্রস্তুতি সংক্রান্ত বিশেষজ্ঞের মন্তব্য।
​ভূমিকম্পের ঝুঁকি এড়াতে সতর্কতা ও সচেতনতায় গুরুত্বারোপ: (BSS News - Nov 2025) - বিল্ডিং কোড অনুসরণ, অপরিকল্পিত নগরায়ণ এবং সচেতনতা বৃদ্ধির প্রয়োজনীয়তা।

__________________
✍️: ইসরাত জাহান আশা
এফটিএনএস (২০-২১)
ছবি: Ashraful Hasan Ëmåd
MBSTU Science Club

'সিসমিক টাইম বম্ব' ও বাংলাদেশ: মহাবিপর্যয়ের দ্বারপ্রান্তে দাঁড়িয়ে আমরা কতটা প্রস্তুত? (পর্ব-১)*সূচনা: কেন এই কম্পন?​ভ...
25/11/2025

'সিসমিক টাইম বম্ব' ও বাংলাদেশ: মহাবিপর্যয়ের দ্বারপ্রান্তে দাঁড়িয়ে আমরা কতটা প্রস্তুত? (পর্ব-১)

*সূচনা: কেন এই কম্পন?
​ভূমিকম্প! মাত্র কয়েক সেকেন্ডের এই প্রাকৃতিক ঘটনাটি গোটা জনপদকে এক মুহূর্তে স্তব্ধ করে দিতে পারে। সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশে ঘন ঘন মৃদু কম্পন অনুভূত হওয়ায় দেশের ভূ-প্রাকৃতিক ঝুঁকি নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে-
বাংলাদেশ একটি 'সিসমিক টাইম বম্ব'-এর ওপর অবস্থান করছে, যেখানে যেকোনো সময় ৭ থেকে ৯ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হানার সমূহ আশঙ্কা রয়েছে। এই আশঙ্কা কেন, এর পেছনের কারণ কী এবং আমাদের প্রস্তুতিই বা কেমন, তা নিয়েই এই আলোচনা।
​

*বাংলাদেশের ভৌগোলিক অবস্থান ও ভূমিকম্পের কারণ:
​ভূমিকম্প মূলত টেকটোনিক প্লেটগুলোর সংঘর্ষ বা সঞ্চালনের ফল। বাংলাদেশের ভৌগোলিক অবস্থান এটিকে মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ করে তুলেছে।
​টেকটোনিক প্লেটের খেলা: বাংলাদেশ তিনটি প্রধান টেকটোনিক প্লেটের সংযোগস্থলে অবস্থিত- ইন্ডিয়ান প্লেট, ইউরেশীয় প্লেট এবং বার্মা মাইক্রোপ্লেট।
​শক্তি সঞ্চয়: ইন্ডিয়ান প্লেট উত্তর দিকে ইউরেশীয় প্লেটের দিকে এবং বার্মা প্লেটের দিকে ক্রমাগত চাপ সৃষ্টি করছে। এই প্লেটগুলোর সংঘর্ষের ফলে ভূ-অভ্যন্তরে বিপুল পরিমাণ শক্তি জমা হচ্ছে। দীর্ঘদিন ধরে সঞ্চিত এই শক্তি যখন হঠাৎ করে মুক্ত হয়, তখনই বড় মাত্রার ভূমিকম্প সৃষ্টি হয়।
​সক্রিয় ফল্ট লাইন: বাংলাদেশের আশেপাশে কয়েকটি প্রধান ভূমিকম্প-প্রবণ ফল্ট লাইন বা চ্যুতিরেখা সক্রিয় রয়েছে, যেমন— দাওকি ফল্ট (সিলেট অঞ্চলে), মধুপুর ফল্ট (ঢাকার কাছাকাছি) এবং চট্টগ্রাম-আরাকান ফল্ট (পার্বত্য অঞ্চলে)।
​এই সক্রিয় ফল্ট লাইন এবং প্লেটগুলোর সঞ্চিত চাপই নির্দেশ করে যে, বাংলাদেশে বড় ভূমিকম্প হওয়া একটি সম্ভাব্য ঘটনা, কেবল সময়ের অপেক্ষা।

*বাংলাদেশের ইতিহাসে বিধ্বংসী ভূমিকম্প:
​আমাদের এই অঞ্চল অতীতেও একাধিক বিধ্বংসী ভূমিকম্পের সাক্ষী হয়েছে। এই ইতিহাসের বড় ভূমিকম্পগুলো এক দীর্ঘ নীরবতা বা 'সিসমিক গ্যাপ'-এর পর আবার ফিরে আসার ইঙ্গিত দেয়।

ক. ​১৫৪৮ সালের চট্টগ্রাম-সিলেট অঞ্চলের ভূমিকম্পে মাটি ফেটে দ্বিখণ্ডিত হয় এবং দুর্গন্ধযুক্ত কাদাপানি বের হয়েছিল।

খ. ​১৭৬২ সালের টেকনাফ ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল ৮.৫-এর বেশি, যার প্রভাবে সেন্টমার্টিন দ্বীপ প্রায় ৩ মিটার উপরে উঠে আসে এবং ব্রহ্মপুত্র নদের গতিপথ পরিবর্তন হয়েছিল।
(উল্লেখ্য আগের পথ (পুরাতন ব্রহ্মপুত্র): নদটি ভারত থেকে প্রবেশ করে ময়মনসিংহ জেলার ওপর দিয়ে দক্ষিণ-পূর্ব দিকে প্রবাহিত হয়ে ভৈরব বাজারের কাছে মেঘনার সাথে মিলিত হতো।
​নতুন পথ (যমুনা): ভূমিকম্পের পর মূল প্রবাহটি ময়মনসিংহ অঞ্চল থেকে সরে গিয়ে দক্ষিণ-পশ্চিম দিকে প্রবাহিত হতে শুরু করে। এটিই বর্তমানে যমুনা নদী নামে পরিচিত, যা দক্ষিণে প্রবাহিত হয়ে গোয়ালন্দঘাটে পদ্মার সাথে মিলিত হয়েছে।)

গ. ​১৮৯৭ সালের গ্রেট শিলং ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল ৮.৭। এই ভূমিকম্পে শুধু সিলেট জেলাতেই মৃতের সংখ্যা ছিল ৫৪৫ জন। ঢাকা-ময়মনসিংহ রেল ও সড়ক যোগাযোগও বিঘ্নিত হয়েছিল।

ঘ. ​১৯১৮ সালের শ্রীমঙ্গল ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল ৭.৬, যা শ্রীমঙ্গল ও ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি করেছিল।
​বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, সাধারণত ১০০ থেকে
২৫০ বছর পরপর এই অঞ্চলে বড় মাত্রার ভূমিকম্প হওয়ার আশঙ্কা থাকে। যেহেতু শেষ বড় মাত্রার ভূমিকম্প প্রায় ১০০ বছরেরও বেশি আগে হয়েছে, তাই আমরা বর্তমানে একটি বড় ভূমিকম্পের উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ সময়ে প্রবেশ করেছি।

​তথ্যসূত্র (১):
​বাংলাদেশে ভূমিকম্পের ঝুঁকি ও প্রস্তুতি: (Jagonews24, Prothomalo, Somoy Tv - Nov 2025) - টেকটোনিক প্লেট, সিসমিক টাইম বম্ব এবং ঝুঁকির সময়ের তথ্য।
​বাংলাদেশে কেন ঘন ঘন ভূমিকম্প হচ্ছে?: (Kaler Kantho, DBC News) - প্লেটগুলোর সংযোগ, শক্তি সঞ্চয় এবং ফল্ট লাইন সংক্রান্ত তথ্য।
​বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় ৫ ভূমিকম্প: (Jagonews24, Jugantor, The Business Standard) - ঐতিহাসিক ভূমিকম্পের সাল, মাত্রা ও ক্ষয়ক্ষতির বিবরণ।

(বিশেষ দ্রষ্টব্য : লেখাটি দুইটি পর্বে বিভক্ত)

✍️: ইসরাত জাহান (আশা)
এফটিএনএস (২০-২১)
ইনফরমেশন অ্যান্ড কমিউনিকেশন সেক্রেটারি
এমবিএসটিইউ সায়েন্স ক্লাব

Honorable VC Sir’s visit to our stall made the event even more special. Grateful for the appreciation and encouragement!...
25/11/2025

Honorable VC Sir’s visit to our stall made the event even more special. Grateful for the appreciation and encouragement! 🙌

Address

Tangail

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when MBSTU Science Club posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to MBSTU Science Club:

Shortcuts

Share