04/04/2026
শুধুমাত্র ভীনদেশী প্রভুকে খুশি করতে নিজ দেশের মানুষকে গু*ম করে খু*ন করে ফেলতো স্বৈরাচার খুনি হাসিনা।
বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক এম ইলিয়াস আলী গুমের ঘটনায় মুখ খুলেছেন প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা মহাপরিদপ্তরের (ডিজিএফআই) সাবেক মহাপরিচালক লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) শেখ মামুন খালেদ। তিনি জানিয়েছেন, টিপাইমুখ বাঁধ এবং ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের ট্রানজিট ও ট্রান্সশিপমেন্ট চুক্তির বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়ে আন্দোলনের ঘোষণা দেন ইলিয়াস আলী। এসব কারণেই তাকে গুম করা হয়।
গোয়েন্দা কর্মকর্তাদের জিজ্ঞাসাবাদে তিনি দাবি করেছেন, তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশেই ইলিয়াস আলী গু*মের পুরো প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয় এবং এতে র্যাব অংশ নেয়। ঘটনার আগে ও পরে উচ্চপর্যায়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ করা হয় বলেও তিনি উল্লেখ করেছেন।
গু*ম করার প্রথম দিনেই ইলিয়াস আলীকে খু*ন করে ধলেশ্বরী নদীতে লাশ ফেলে দেওয়া হয়। অথচ খু*নী হাসিনা ইলিয়াস আলী মারা যাওয়ার ৫ বছর পরেও তার বাচ্চার হাত ধরে আশ্বাস দিয়েছিলো।
অথচ এখন নতুন সরকার গু*ম অধ্যাদেশ বাতিল করে দিচ্ছে, ওই অধ্যাদেশের আওতায় রাষ্ট্র যেকাউকে তুলে নিতে পারবে কিন্তু তাকে সেটা বলতে হবে, সবাইকে জানাইতে হবে যে এই লোক আমাদের হেফাজতে আছে। এখন এটা বাতিল হলে রাষ্ট্র যেকাউকে তুলে নিয়ে ৯০ দিন পর্যন্ত গুম করে রাখতে পারবে, কেউই জানবে না মানুষটা কোথায়।
গুম কতোটা খারাপ এবং জঘন্য অপরাধ, সেটা একমাত্র তারাই জানে এবং উপলব্ধি করতে পারে যারা এবং যে পরিবার গুলো এই জঘন্য অপরাধের শিকার হয়েছে বিগত স্বৈরাচার খুনি হাসিনার আমলে।
শুধুমাত্র আইনশৃঙ্খলা বাহিনী যদি সেদিন ইলিয়াস আলীকে তুলে নিয়ে বলতে হত যে আমাদের কাছে আছে, ইলিয়াস আলীকে এভাবে মরতে হতো না, আজ বাংলাদেশ যখন খু*ন গু*মের রানী হাসিনাকে দিল্লি পাঠিয়ে গনতান্ত্রিক সরকার ব্যবস্থায় ফিরেছে তখন আমরা চাইনা পূর্বের সে গু*ম খু*নের রাস্তা আবার তৈরি হোক।