MD. Saiful ISLAM

MD. Saiful ISLAM This is my personal page. i want to communicate each & every people by this page.

31/03/2026
02/12/2025

এই মেয়েটাকে চিনে রাখুন। মেয়েটার নাম মনজিলা শাহরিয়ার এলোরা। পড়াশোনা করে কুয়েটে। তাঁকে নিয়ে কিছু বলার আগে তাঁর লাইফের গল্পটা তাঁর নিজের ভাষায় পড়া যাক-

"আমার ফ্যামিলি অনেক কনজারভেটিভ। আমার জন্মের আগে আমার একটা ভাই হয়েছিল,হওয়ার কয়েকমাসের মাথায় সে মারা যায়।এরপর আমি যখন গর্ভে এলাম,আমার আব্বু ধরেই নিয়েছিল আমি ছেলে হব।যখন আল্ট্রাসোনোগ্রাফি করেই বুঝতে পারল তার মেয়ে হবে,তখন থেকেই সে আমাকে মেনে নিতে পারে নি।আপু,আমার মায়ের নাকি অনেক প্রসব ব্যথা উঠত,আব্বু কখনো আম্মুকে ডাক্তারের কাছেও নিয়ে যায় নি।আমি আস্তে আস্তে বড় হলাম,আব্বু আমার সাথে কখনো ভাল করে কথাও বলত না,কখনোই না।

আমার ছোট একটা ভাই হল,দেখতাম তার প্রয়োজন ছাড়াও তার সব সাধ আহ্লাদ আব্বু এমনিতেই পূরণ করে দিত।অথচ আমার একটা ফ্রক দরকার,কিংবা অনেক গুরুত্বপূর্ণ কিছু দরকার,সেটাও কোনদিন দেয় নি আমাকে।আপু,আমার বাসা নীলফামারীর ভবানীগঞ্জ।আমার পরিবার মধ্যবিত্তই বলা যায়।আমি যখন ক্লাস ফাইভে উঠলাম,আমার মনে হল একটা প্রাইভেট বোধ হয় পড়া দরকার।আব্বু ক্ষেতে কাজ করছিল,উনি কৃষি কাজ করেন।ওই সময় আমি আব্বুর কাছে প্রাইভেটের জন্য টাকা চাইতে গেলাম।জানেন আপু,আব্বু তার হাতের কোদালটা নিয়ে আমাকে মারতে আসল!..আমি ছোট থেকেই অনেক জেদি ছিলাম।আমার ঠিক ওই মুহূর্তে মনে হল, আমি কোন একদিন আমার বাবার মেয়ে হব,জীবনে কিছু একটা করব যাতে বাবা গর্ব করতে পারে তার মেয়েকে নিয়ে।

ফাইভে পরীক্ষা দেয়ার পর বাসা থেকে বলল আমাদের গ্রামেরই একটা হাইস্কুলে ভর্তি করাবে...কোনভাবে পড়তে থাকুক যতদিন পড়ানো যায়,তারপর তো বিয়েই,মেয়েদের আবার এত পড়ে কি হবে!কিন্তু আমার খুব ইচ্ছা ছিল আমি নীলফামারী সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে ভর্তি হব,শুনতাম স্কুলটা নাকি অনেক ভাল।স্কুল বাসা থেকে ১৪কি.মি দূরে।কোনভাবেই দিবে না ওখানে পড়তে।আমার জেদ চেপেছিল খুব।কিন্তু ওই বয়সে আমি ফরম কেনার টাকা কই পাবো!...এক আংকেল কে বলে ফরম ফিলাম করালাম।বাসায় না জানাতে অনুরোধ করলাম খুব।তারপর একদিন বাইরে যাওয়ার কথা বলে যে কাপড়ে ছিলাম,সেভাবেই বাসে উঠে ভর্তি পরীক্ষা দিতে গেলাম।বাসের ভাড়াটাও দিতে পারি নি।চান্স হল।ভর্তি করাবে না।মামাকে ফোন দিয়ে অনেক কান্নাকাটি করার পর মামা ভর্তির টাকা দিলেন।আপু জানেন,যেদিন আমি এইটে ট্যালেন্টপুলে বৃত্তি পেলাম,সেদিন থেকে প্রথম আমার আব্বু আমার সাথে একটু করে কথা বলতে শুরু করলেন।আমার খরচ দেয়া শুরু করলেন একটু আধটু।কি যে ভাল লাগত আপু!...
....যখন ক্লাস ১০ এ উঠলাম,কি জানি হল আমার।আমার অজান্তেই সেইম ক্লাসেরই একটা ছেলের সাথে যোগাযোগ বেড়ে যাচ্ছিল,মনে হচ্ছিল লক্ষ্য থেকে সরে যাচ্ছি।আপু,গ্রাম তো,কিছু হওয়ার আগেই অনেক কিছু ছড়িয়ে পড়ল আশেপাশে। আব্বু অনেক চিল্লাপাল্লা করল।আমাকে বিয়ে দিয়েই দিবেন।আমি অনেক কাঁদলাম।আমার সাথে আবার আগের মত ব্যবহার শুরু করলেন।কোনভাবে আমি এসএসসি দিলাম।গোল্ডেন আসল।কিন্তু কলেজে ভর্তি নিয়ে সেই আগের অবস্থা।মেয়েকে আর পড়াবে না।আমি আমার জমানো বৃত্তির টাকা দিয়ে ভর্তি হলাম। বাসায় তো ঝামেলা হতই।আমি সব পরীক্ষায়ই একা একা যেতাম।এইচএসসি জীববিজ্ঞান পরীক্ষার আগে সেই ছেলেটাকে আমি একটা প্রশ্নের উত্তর বুঝিয়ে দিচ্ছিলাম।আমাদের মধ্যে কখনোই কিছু ছিল না।বাবা কোত্থেকে আমাকে দেখতে পেলেন।এরপর সে আমাকে আর পরীক্ষা দিতেই দিবে না।আমি অনেক কান্নাকাটি করলাম।কাজ হল না।এরপর এক বড় সিদ্ধান্ত নিলাম।এক আন্টির বাসায় পালিয়ে উঠলাম।অনেক অনুরোধ করলাম বাসায় না জানাতে।সবাই ধরে নিয়েছিল কোন ছেলের সাথে পালিয়ে গেছি।জানেন আপু,আমি বোরখা পড়ে বাকি পরীক্ষাগুলো দিয়েছি।সব শেষ হলে বাসায় ফিরে যাই,অন্যের বাড়িতে আর কয়দিন!তারপর সবার আচরণ যেমন হওয়ার তেমনই হয়েছিল।

যাইহোক,আমার মনে হল,ভর্তি কোচিং করাটা খুব জরুরি, আমি তো হারতে চাই না।আব্বু বলল পড়লে জাতীয় তে পড়বে।পরের বাড়িতেই তো যাবে!...যখন দেখছিলাম কোনভাবেই কিচ্ছু হবে না,তখন জীবনের সবচেয়ে বড় সিদ্ধান্ত নিলাম।ঢাকার একটা কোচিং থেকে কয়েকজন ভাইয়া এসে একটা পরীক্ষা নিয়েছিল,সেখানে আমি ফ্রি কোচিং এর স্কলারশিপ পাই।আমার হাতে পাঁচশ টাকা আর মায়ের ফোনটা নিয়ে আমি এক কাপড়ে বাসা থেকে বের হয়ে যাই।ঢাকা কই,কিভাবে যায় কিচ্ছু জানি না।শুধু জানি আমাকে কোনভাবে ঢাকায় কোচিং এ যেতে হবে।অনেক কষ্টে যখন ঢাকা পৌঁছালাম, আমি কি করব বুঝতে পারছিলাম না।রাস্তার পাশে বসে অনেকক্ষণ একা একা উচিত চিৎকার করে কাঁদলাম।নাম্বার ছিল একটা ভাইয়ার।উনি ফোনে যাওয়ার রাস্তা বলে দিলেন।গিয়ে জানলাম,ওখানে থাকা খাওয়ার খরচ দেয়া হয় না।আমার সব কথা শুনে উনারা ব্যবস্থা করলেন।কিন্তু এক সপ্তাহ হওয়ার আগেই আমার খুব আত্মসম্মানে লাগল,কেন উনাদের টাকায় আমি চলব।
. আমি ভাইয়াদের বলে বাসায় ফিরে গেলাম।গ্রামের মানুষ জন আবার আমার নামে যা ইচ্ছা তাই রটিয়ে চলছে।আমি অবশ্য যাওয়ার সময় বাবাকে ফোনে বলেছিলাম,আমাকে তো কোচিং করাবা না,আমি নিজেই চেষ্টা করি।ফিরে এসে তিনটা মাস আমি আব্বুর সাথে কথা বলি নি।একটা রুমে একা একা থাকতাম।আপু,ফরম ফিলাপের সময় চলে আসল,আমার কাছে টাকা নাই।কেউ টাকা দিবেও না।কি করব বুঝতে পারছিলাম না।সেসময় আমার এসএসসির সাধারণ বৃত্তি আর উপবৃত্তির টাকা দিল।বুয়েট, কুয়েট আর রুয়েটের ফরম তুললাম।ঢাকা ভার্সিটির টা তুলতে পারি নি দুবার কিভাবে ঢাকা আসব এজন্য।সব জায়গায় একা যেতাম।কুয়েটে সিএসই আসার পর অনেকেই বলল ভর্তি হয়ে যেতে।কেউ আমাকে ভর্তির টাকা দিচ্ছিল না।বিশ্বাস করেন আপু,আমার কোন উপায় ছিল না।

আমি মায়ের গয়না চুরি করলাম। চিঠি লিখে রেখেছিলাম,'মা,আমার কিছু করার ছিল না'।কোন জুয়েলার আমার কাছ থেকে কিনে নি।কিছু আন্দাজ করেছিল বোধ হয়।কোন পথ না পেয়ে আমি ডিসিশন নিয়ে নিলাম সুইসাইডের।এভাবে আমি শেষ হতে পারব না।খুব কাঁদলাম।হুট করে আমার মায়ের কথা মনে হল,এমন পরিবারে আমার মায়ের টিকে থাকতে না জানি তাহলে কত কষ্ট করতে হয়েছে।মা কে জড়িয়ে ধরে আমার জীবনের প্রথম আর শেষ চাওয়াটা চাইলাম,আমাকে ভর্তি করায়া দাও।মা তখন নিজের গয়না বিক্রি করে আমাকে টাকা দিলেন।

এর পর বাবা একদিন বাজারে গেলেন।সেখানে সবাই ডেকে ডেকে উনাকে আমাকে নিয়ে এলাকার সবার গর্বের কথা বললেন।তারপর আপু,কিভাবে বলব....বাবা হুট করে আমার রুমে এসে...আপু,আব্বু আমার পা ধরে কান্না শুরু করলেন।আমি ছাড়াতেই পারছিলাম না।বাবা আমাকে নিয়ে প্রথমবারের মত গর্ব করলেন।আমাকে বললেন,আমার সাথে প্রথম ক্লাসের সময় সাথে যাবেন।আমি খুশিতে সবাইকে ফোন দিই।আমি সার্থক,আমি আমার বাবার মেয়ে হতে পেরেছি।বাবা আমাকে ভালভাবে পড়ালেখা করতে বলেছেন...."

মেয়েটা কোন ভাবে কান্না চেপে রাখছিল।তারপর বলল,"সিএসই তে পড়লে যে শুরু থেকেই ল্যাপটপ লাগে,আমি জানতাম না।বাবা অবশ্য বলেছেন কষ্ট হলেও কিনে দিবেন।আমি ডিপার্টমেন্ট এ ল্যাপটপ এর জন্য আবেদন করেছি।সারাজীবন নিজের পড়ালেখার সব নিজেই চালিয়েছি,এখন আর আব্বুকে প্রেশার দিতে চাই না...ফোনেই কোডের কাজ টা চালিয়ে নিচ্ছি।
লেখাটি প্রোফাইলে সেইভ করে, কিংবা শেয়ার করে রেখে দেন। আজ থেকে মোটিভেশন চাইলে এটা পড়বেন, দেখবেন আপনার লাইফটা কতটা Blessed.

আমাদের কাছে এই মেয়ে হচ্ছে Real Hero. এই Hero কে শুভকামনা!
পোস্ট ভালো লাগলে শেয়ার করুন।

#সংগৃহীত এবং পরিমার্জিত

22/11/2025

দৌড়াবেন না, আশ্রয় নিন! (৫ম তলা বা তার উপরে) 🛑
উঁচু ভবনে (৫ম, ৬ষ্ঠ, ৭ম তলা বা তার উপরে) থাকলে, বের হওয়ার চেষ্টা করা সবচেয়ে বড় ভুল। বাস্তবতা হলো, নিচের তলা ভেঙে পড়ার আগেই আপনি সিঁড়িতে বিশৃঙ্খলা, ধাক্কাধাক্কি এবং অন্ধকারে আটকা পড়বেন।

ভয়ঙ্কর সত্য: ৯০% মানুষ সিঁড়িতেই মারা যায় বা গুরুতর আহত হয়। ভূমিকম্প শুরু হলে সিঁড়ি বা বারান্দা অত্যন্ত বিপজ্জনক!

দ্রুত আশ্রয় নিন (Drop—Cover—Hold On):

বিছানায় থাকলে: শক্তভাবে খাটের নিচে ঢুকে পড়ুন।

অন্যান্য কক্ষে থাকলে: মজবুত টেবিল বা ডেস্কের নিচে আশ্রয় নিন।

আশ্রয় না পেলে: শক্তিশালী দেয়ালের কোণে শরীর গুটিয়ে বসে মাথা ও ঘাড় ঢেকে রাখুন।

মাথা সুরক্ষিত রাখুন: বাথরুমের বালতি উল্টো করে, হেলমেট, ঝুড়ি বা শক্ত ব্যাগ যা পাবেন, তা দিয়ে মাথা ঢেকে রাখুন।

বারান্দা এড়িয়ে চলুন: রেলিং বা স্লাব ভেঙে পড়তে পারে।

২. সৌভাগ্যবানদের জন্য কৌশল (১ম ও ২য় তলা) 🚪

আপনি যদি ১ম বা ২য় তলায় থাকেন, তবে আপনার হাতে বের হওয়ার সুযোগ আছে। এই সুযোগ কাজে লাগাতে হবে দ্রুততার সাথে।

দরজা খোলা রাখুন: কম্পন শুরু হওয়ার সাথে সাথে দরজা খুলে দিন (জ্যাম হওয়া এড়াতে)।

তাৎক্ষণিক নির্গমন: ১৫-২০ সেকেন্ডের মধ্যে সিঁড়ি দিয়ে নিচে নেমে রাস্তায় চলে আসুন।

দূরত্ব বজায় রাখুন: রাস্তায় এসে কখনো বিল্ডিং-এর গা ঘেঁষে দাঁড়াবেন না। ভেঙে পড়া রোধে ভবন থেকে কমপক্ষে ১০০ ফুট দূরে সরে যান এবং খোলা মাঠে চলে যান।

৩. ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে গেলে করণীয় (Think Fast!) 🗣️

আটকে পড়লে শান্ত থাকা এবং সঠিক সংকেত দেওয়া আপনার জীবন বাঁচাতে পারে।

চিৎকার করবেন না: চিৎকার করলে ধুলো ফুসফুসে ঢুকতে পারে এবং গলা দ্রুত শুকিয়ে যাবে।

সংকেত ব্যবহার করুন:

হুইসেল থাকলে একটানা বাজান।

না থাকলে, আন্তর্জাতিক রেসকিউ সিগন্যাল হিসেবে দেয়ালে বা শক্ত পাইপে তিনবার টোকা দিন।

সংরক্ষণ করুন: মোবাইল টর্চ অন করে রাখুন। কথা বলবেন না, ব্যাটারি বাঁচান।

নিরাপত্তা: মুখে কাপড় চেপে ধরুন যাতে ধুলো শ্বাসযন্ত্রে প্রবেশ না করে।

৪. দৈনন্দিন প্রস্তুতি (আজ থেকেই শুরু করুন) 🛠️

প্রস্তুতি ছাড়া ঢাকায় ভূমিকম্প হলে বেঁচে থাকা ভাগ্যের উপর, কিন্তু প্রস্তুতি থাকলে বেঁচে থাকা ভাগ্যের হাতে!

ঘুমের প্রস্তুতি: বিছানার পাশে একজোড়া জুতা, একটি হেলমেট এবং একটি হুইসেল রাখুন।

ভারী আসবাব: ভারী আলমারি, ফ্রিজ, এবং টিভি এমন জায়গায় রাখুন যাতে পড়ে গিয়ে আঘাত না করতে পারে। পারলে দেওয়ালের সাথে বেঁধে রাখুন।

গ্যাস সিলিন্ডার: চেইন বা ফিতা দিয়ে মজবুতভাবে বেঁধে রাখুন।

নির্গমন: দরজা যেন কখনও অটো-লক না হয়। জরুরি চাবি সবসময় কাছাকাছি রাখুন।

৫. শেষ বার্তা ও মানসিক শক্তি 🙏

এই ঘনবসতিপূর্ণ শহরে, যেখানে ৫ থেকে ৭ তলার অ্যাপার্টমেন্টই প্রধান আবাসন, সেখানে সচেতনতা জীবনের সবচেয়ে বড় রক্ষাকবচ।

আমার সিদ্ধান্ত: "আমি ৪র্থ তলার উপরে—তাই আমি দৌড়াবো না, শুধু টেবিল বা বিছানার নিচে ঢুকবো। আমি যদি ১ম-২য় তলায় থাকি—প্রথম ২০ সেকেন্ডে বের হয়ে যাবো।"

প্রকৃতির কাছে আত্মসমর্পণ: জীবন কখনও কখনও কঠিনভাবে মনে করিয়ে দেয়—প্রকৃতি কত শক্তিশালী, আর মানুষ কত সহজেই ভেঙে যেতে পারে। দুর্যোগে মানুষের কিছু করার থাকে না, কিন্তু একটু সচেতনতা, একটু প্রস্তুতি—এটাই আমাদের শক্তি।

জীবন মানে শুধু শ্বাস নেওয়া না, জীবন মানে সচেতন থাকা, আর প্রতিটি মুহূর্তকে সম্মান করা, যেন এটা শেষ সুযোগ।

আপনার শেষ কথাটিই আমাদের প্রেরণা: জীবন অনিশ্চিত, কিন্তু কৃতজ্ঞতা নিশ্চিত। যা আছে, যতটুকু আছে—সেটাই আমাদের শক্তি।

©






সংগৃহিত।

10/08/2025

★ একজন বি'বাহিত পুরু'ষকে প্রশ্ন করা হলো, আপনি বিয়ে করে কি কি পেয়েছেন ? 🌺🍀🌻🌸
♦ তার উত্তরটা যদিও মজার ছিল তারপরেও প্রত্যেকটা কথা ছিল সত্য...!

= বিয়ে করে সর্বপ্রথম একটা ব'উ পেয়েছি!
= পকেটে একটা মোবাইল থাকার পরও সারাদিনে যখন একটাও কল আসেনা তখন একটা কল করে ' তুমি এখন কোথায়? বলার মানুষ পেয়েছি! তখন নিজেকে খুব গুরুত্বপূর্ণ 'পাবলিক' মনে হয়।
= একজন কুকার/সেফ/পাঁচক/রাঁধুনি পেয়েছি। একটা ওয়াসিং মেশিন পেয়েছি। পাঞ্জাবীটা ময়লা হয়েছে বললেই, মেশিন অটো চলে!
= একটা অটো টেপরেকর্ডার পেয়েছি, মাঝে মাঝে 'কি-বোর্ড' টেপা ছাড়াই বাজতে থাকে! কখনো জোড়ে 'স্টপ' বললে বন্ধ হয়, কখনো শব্দ পরিবর্তন হয়ে 'বৃষ্টি' চালু হয়! কখনো 'হাইফাইভ' দেখালে অটো বন্ধ হয়ে যায়। বড় বিচিত্র এই রেকর্ডার!
♦ সপ্তাহ পাঁচ-সাত দিন পর পর অতি যত্ন সহকারে বাজার-সদায়ের লিস্ট ধরিয়ে দেয়ার জন্য একজন 'কেয়ারটেকার' পেয়েছি!
♦ আমার ঘরে রাত ১১টা সাড়ে ১১টার পর আমাকেই প্রবেশ নিষেধ বলে হু'মকি দেয়ার 'দারোয়ান' পেয়েছি!
♦ ছোট একটা 'এলার্মক্লক' পেয়েছি!
♦ বাড়তি প্রাপ্তি হিসেবে শ্বশুড়-শ্বাশুড়ি, শালা-শালী, সম্বন্ধী পেয়েছি। সম্পূর্ণ অপরিচিত কিছু মানুষকে নিকটাত্মীয় হিসেবে পেয়েছি।
♦ একটা সন্তান পেয়েছি। সে যখন Baba বলে কোলে চড়ে বসে কিংবা গলা জড়িয়ে ধরে তখন বাগানে ফুল ফুটলে মালির যে অনুভুতি হয় তার চেয়েও বেশি মনটা শীতল হয়!
★ তাহলে দেখছি কিছুই হারা'ননি।
♦ হারিয়েছি তো, এত এত প্রাপ্তির মাঝে কিছু হারি'য়েছিও! প্রথমত, কু'মারত্ব হারিয়েছি😊 (যদিও কোন মেডিকেল রিপোর্ট নাই)
= অতপর, মানিব্যাগ আর রিমোর্টের একছত্র অধিকার হারিয়েছি😊
= মাঝে মাঝে মোবাইলটাও বে'দখল হয়ে যায়!

★ যাইহোক, সর্বশেষ সুখে- দু'খে একটা কথা বলার সঙ্গী পেয়েছ...!!

-সংগৃহীত ,,,,,

22/07/2025
30/06/2025
18/06/2025

স্বর্ণের অক্ষরে লিখার মত কথাটা। একবার শায়খুল হাদিস মুফতি তাকি উসমানী কে জিজ্ঞাসা করা হল, জীবনের সারকথা কী?

তিনি উত্তরে ২০টি সুক্ষ্ম বিষয়ের কথা তুলে ধরেন:

১. সর্বদা আল্লাহর শুকরিয়া আদায় কর।

২. চেষ্টা কর সারা জীবনে কেউ যেন তোমার অভিযোগ অন্য কারো কাছে না করে। আল্লাহর কাছে কখনই না।

৩. বংশীয় লোকদের সাথে কখনো প্রতিদ্বন্দ্বিতা করো না। ক্ষতি হলে মেনে নিও, তবে বিরোধিতা করো না। পরে ভালো ফল পাবে।

৪. কোথাও এ কথা বলো না যে, আমি আলেম। আমার সাথে অনুগ্রহ করেন। এটি কখনই কাম্য নয়। চেষ্টা কর দ্বীনদারী হয়ে চলার।

৫. সর্বোত্তম দস্তরখান হল নিজ ঘরের দস্তরখান। যে রিজিক পাবে তাই রাজার হালে খাবে।

৬. আল্লাহ ব্যতীত অন্য কারো থেকে আশা করো না।

৭. প্রত্যেক আগামী দিনে পরিশ্রম বৃদ্ধি কর।

৮. বিত্তশালী ও অহংকারী ব্যক্তি থেকে দূরে থাকাই শ্রেয়।

৯. প্রতিদিন সকালে কিছু দান খয়রাত কর। আর সন্ধ্যায় এস্তেগফার পাঠ করার অভ্যাস কর।

১০. নিজের কথার মাঝে মিষ্টতা তৈরি কর।

১১. উচ্চস্বরে কথা বলো না। এমনকি ছোট বাচ্চাদের সাথেও নয়।

১২. যে জায়গা থেকে তোমার রিজিকের ব্যবস্থা হচ্ছে সে জায়গাকে মনেপ্রাণে ভালোবাসো। যেমন সম্মান করবে তেমন রিজিক বৃদ্ধি পাবে।

১৩. চেষ্টা কর সারা জীবনে সফল মানুষদের সাথে ওঠাবসা করবে। একদিন তুমিও তাঁদের অন্তর্ভুক্ত হবে।

১৪. প্রত্যেক সেক্টরের যোগ্য ব্যক্তিদের সম্মান কর। তার সামনে আদবের সাথে আসা উচিত। হোক সে যে কোন ময়দানের।

১৫. পিতা মাতা, শিক্ষক ও আত্মীয় স্বজনদের সাথে যেমন উত্তম আচরণ করবে তেমন রিজিক বৃদ্ধি পাবে।

১৬. সব কাজে মধ্যমপন্থা গ্রহণ কর।

১৭. জন সাধারণের সাথে সম্পর্ক রেখ। তাদের থেকে অনেক কিছু শেখা যায়।

১৮. একজনের অভিযোগ অন্যের কাছে না করা। অভিযোগকারীকে আমাদের নবী করিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম অপছন্দ করতেন।

১৯. সব কথা ইতিবাচকভাবে উপস্থাপন কর। এর দ্বারা অনেক সমস্যার সমাধান হয়।

২০. বড়দের বৈঠকে চুপ থেকো।

(সংগৃহীত)

Address

Faridgonj
Chandpur

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when MD. Saiful ISLAM posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share