10/02/2026
স্বাধীন সার্বভৌম দেশ হিসেবে ১৯৭১ সালে বাংলাদেশ রাষ্ট্রের জন্ম হয়। স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে জন্ম হলেও বাংলাদেশ জন্মলগ্ন থেকেই আধিপত্যবাদী শক্তির করাঘাতে নিপতিত আছে। অসংখ্যবার এদেশের সার্বভৌমত্ব ভুলন্ঠিত করতে উদ্যত হয়েছে আধিপত্যবাদী বিদেশি শক্তি। এরই অংশ হিসেবে আমরা দেখি যে আধিপত্যবাদী শক্তি ভারত প্রতি বছর সীমান্তে আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করে শত শত বাংলাদেশি নাগরিককে হত্যা করা হচ্ছে। বাংলাদেশের জমি দখল করে অবৈধ সামরিক স্থাপনা দখলের নজিরও রয়েছে।
আমাদের শিবগঞ্জ সীমান্তেও এ পর্যন্ত শত শত বাংলাদেশিকে হত্যা করা হয়েছে। কিন্তু এর কোন প্রতিবিধান হয়নি। রাষ্ট্র কোন হত্যারই বিচার করতে পারেনি।
আমাদের সীমান্তবর্তী স্থানগুলোকে নিরাপদ করার লক্ষ্যে, স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব অক্ষুণ্ণ রাখতে এবং আধিপত্যবাদবিরোধী জনমত গড়ে তুলতে জননেতা ড. কেরামত আলী তাঁর ইশতেহার সাজিয়েছেন। তিনি সংসদ সদস্য নির্বাচিত হলে সীমান্ত সুরক্ষার লক্ষ্যে যেসকল পরিকল্পনা নিয়েছেন,
১। স্বাধীন, সার্বভৌম ও আধিপত্যবাদবিরোধী পররাষ্ট্রনীতি গ্রহণ করতে সংসদে অব্যাহত প্রচেষ্টা চালানো।
২। সীমান্ত সুরক্ষা নিশ্চিতে সীমান্তে আধুনিক প্রযুক্তি (অত্যাধুনিক ড্রোন, রাডার, সেন্সর ও কৃত্তিম বুদ্ধিমত্তাসম্পন্ন প্রযুক্তি) ব্যাবহার করে নিরাপত্তা বাড়ানোর জন্য সরকারের কাছে বিল উত্থাপন করা।
৩। সীমান্তে হত্যার বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক সংগঠনের দ্বারস্থ হওয়া এবং আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী বিচার আদায় করে নেয়া।
৪। সীমান্তে হতাহত নাগরিক ও পরিবারের পুনর্বাসনের দায়িত্ব নেয়া।
৫। সীমান্তবর্তী অঞ্চলে নিরাপদ কর্মসংস্থান গড়ে তোলা।
৬। আধিপত্যবাদবিরোধী জনমত গড়ে তোলা। তরুণ ও যুবকদের সমন্বয়ে সচেতনতা কার্যক্রম পরিচালনা করা।
৭। বিজিবি বাহিনীকে শক্তিশালী করতে সরকারের উদ্যোগ গ্রহণ করতে প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখা।