Securis Technology

Securis  Technology CCTV, Software, Pabx, Time Attendance, Networking, PA System, Vedio Door Phone, Fire Alarm, Web De

19/04/2026

|| বাঁচতে হলে ১০টি রুল মানতেই হবে ||

১. মোট আয়ের ২০% সঞ্চয় করবেন( প্রভিডেন্ট ফান্ড সহ)। যদি ভাবেন যে এই আয়েই তো চলে না, তাহলে লাইফস্টাইল ডাউনগ্রেড করে ৮০% নামাবেন, কিন্তু সঞ্চয় করবেন।
২. অবিশ্বাস্য রকম ভালো অফার বা সুযোগ যা হুজুগ হয়ে আসে, এড়িয়ে চলবেন। এগুলো আপনার জন্য না। শেয়ার মার্কেটে আপনি বাম্পার মারতে পারবেন না, ইভ্যালির জ্যাক মা আপা আপনার টাকাটাই গাপ করবে। এসবে টুকটাক খরচ করা ঠিক আছে, কিন্তু হাঁটুগেড়ে পুরো সঞ্চয় নিয়ে নেমে পড়লেন তো মরলেন।
৩. ভুয়া, নামহীন রিয়েল এস্টেট থেকে শতহাত দূরে থাকুন। ( ঢাকার আশেপাশে যত লোক কিস্তি দিয়ে যাচ্ছে, এত কাঠা জায়গা গোটা ঢাকায়ও নাই। )
৪. যে ব্যবসা বুঝেন না, অথবা নিজে পরিচালনা করবেন না, সেরকম ব্যবসায় পার্টনার হবেন না। অমুক ভাইয়ে ব্যবসা করে আপনাকে মাস শেষে মুনাফা দিবে-এটি একটি ভ্রান্ত ধারণা।
( যে কোন অনুমোদনহীন ইনভেস্টমেন্ট থেকে দূরে থাকবেন )
৫. ফেরত পাওয়ার আশায় কোনদিন ঋণ দিবেন না, বাধ্য না হলে নিবেনও না। ব্যাংক বা ফিনান্সিয়াল ইন্সটিটিউটের কাছ থেকে ঋণ নেয়া খারাপ কিছু নয়, যদি স্মার্টলি ম্যানেজ করতে পারেন।
৬. জীবনে মাঝে মাঝেই ধরা খাবেন। সবকিছু যেমন ভাবছেন তেমন যাবে না। পেরেশান হইয়েন না, এটা পার্ট অব লাইফ।
৭. কন্টিনিউয়াস আপনার পেশার সাথে জড়িত বিষয়ে নিজের স্কিল ডেভেলপ করতে থাকবেন। এটি ভাত খাওয়া বাথরুম করার মতোই অভ্যাসের বিষয় করে ফেলুন। নতুন দক্ষতা তৈরি করতে না পারলে আপনার জীবনের প্রাইম টাইম ৫ বছরের বেশি হবে না, তারপরই ধস নামতে শুরু করবে।
৮. নূন্যতম ৬ মাসের খরচের সমপরিমাণ ক্যাশ সবসময় সঞ্চয় রাখবেন। এই টাকা কাউকে কখনোই ধার দিবেন না বা বৃহত্তর পরিবারের অন্য কারো জন্য খরচ করবেন না।
আপনার চাকুরি কালকে চলে যেতে পারে, অথবা পরশু রাতে হার্ট এটাক হয়ে গেলে রিঙ পরানো লাগতে পারে হার্টে। তখন ক্যাশ ছাড়া উপায় নেই। এই টাকা সোনা বা জমিতে খাটাবেন না, কারণ সময়মতো বিক্রি করতে পারবেন না।
৯. স্থাবর সম্পত্তি কখনোই এমন দূরত্বে কিনবেন না যেখানে আপনি নিয়মিত যেতে পারেন না( আমার আব্বার পরামর্শ) । আপনি ঢাকা শহরে থেকে কুয়াকাটা জমি কিনে ফেলে রাখবেন ভবিষ্যতে লাভের আশায়, নিজেকে প্রশ্ন করুন, কোনো ঝুট ঝামেলা হলে সেটা সামাল দেয়ার ক্ষমতা আপনার আছে কী না। অধিকাংশ মানুষেরই সেই ক্ষমতা নাই
১০- মানুষকে নিয়ে বেশি বেশি ভেবে তাদের ইচ্ছার বাইরেও উপকার করতে যাবেন না..যে বা যারা আপনার পরামর্শ শুনেন না তাদেরকে উপযাচক হয়ে পরামর্শ দিতে যাবেন না....সেল্ফিশ ও চালাক মানুষের থেকে দূরে থাকবেন...

সংগৃহীত

18/04/2026

♦️পুরুষ হিসেবে ২৫ বছরে পা দিলেই কিছু জিনিস নিয়ে সচেতন হয়ে যাবেন।

১। আপনার লুক। চুল এবং দাঁড়ি সব সময় যেন পরিপাটি থাকে। নারী হন বা পুরুষ সপ্তাহে দুইদিন মাথায় এক ঘন্টা তেল দিয়ে তারপর ওয়াস করে ফেলবেন। মাথায় কোনদিন শ্যাম্পু ইউজ করবেন না। শ্যাম্পুর বদলে ডাভ সাবান ইউজ করবেন। চুলকে যত প্রাকৃতিক ভাবে ওয়াস করা যায়। যেদিন তেল দিবেন না ওদিন শুধু পানি দিয়ে চুল ওয়াস করবেন। শ্যাম্পু জিনিসটা পারলে ফেলে দেন। কোন কন্ডিশনার ইউজ করবেন না। কোন জেল, ওয়াক্স এবং স্প্রে ভুলেও না। শুধু তেল আর ডাভ সাবান। সপ্তাহে তিন দিন এক ঘন্টা করে তেল দিয়ে ওয়াস করলে চুল সঠিক ভলিউমে থাকবে। দুই সপ্তাহ পর পর সেলুনে যাবেন। বিয়ার্ড ভাল করে ছাটাই করিয়ে আসবেন।

♦️আপনি দুইটা ফেস ওয়াস ইউজ করবেন। প্রথমে কড়া হয়াইটেনিং ফেইস ওয়াস যেমন মিল্ক। এরপর অ্যালোবেরা ফেসওয়াস দিয়ে ফেইসটা ওয়াস করবেন। যাদের সেন্সেটিভ স্কিন তাদের ফেইসে মিল্কের হয়াইটেনিং ফেস ওয়াস শুধু ইউজ করলে সাইড ইফেক্ট দেখা দিবে। তাই সেইটা দিয়ে ওয়াস অ্যালোবেরা ফেস ওয়াস দিয়ে আবার ফেইস ওয়াস করলে কোন সাইড ইফেক্ট দেখা দিবে না। আড়ং এর অ্যালোবেরা ফেস ওয়াস ইউজ করতে পারেন।

♦️কেন এইসব করবেন? লোকে আগে আপনার ফেইসের দিকেই তাকাবে। চেহারা এবং চুল, দাঁড়ি যত্ন আপনাকে নিতেই হবে।

২। আপনার ফিটনেস। মনে রাখবেন কর্মক্ষেত্রে যত দামি পোশাক ই পরেন না যদি ভুড়ি থাকে কিচ্ছুতে মানাবে না। যত স্টাইলিশ পোশাক আছে সব পাবেন রেডিমেড। নিজেকে সঠিক শেইপে রাখতে হবে। বডির শেইপ ঠিক না থাকলে শুট বুটেড হয়েও লাভ নেই। আপনাকে প্রতিদিন হিসাব করে খেতে হবে এবং জগিং ও এক্সারসাইজ করতে হবে।

৩। আপনাকে যেন ২৫ এর পর সমাজের কেউ যেন লুঙ্গি, বেশি সাধারণ পোশাকে না দেখে। মুদির দোকানে গেলেও একদম পরিপাটি হয়ে যাবেন। ক্যাজুয়াল পোশাকেরও আছে। কিছু ক্যাজুয়াল পোশাক আছে ওগুলি পরলে আপনাকে আরো স্টাইলিশ লাগবে।

৪। ফ্যাশন সেন্স এবং কালারসেন্স এই দুইটা জিনিস বুঝতে হবে। কোন কালারের শার্টের সাথে কোন কালারের প্যান্ট যাবে। কোন কালারের প্যান্টের সাথে কোন কালারের শার্ট এবং টিশার্ট যাবে। কোন কালারের জুতা বা স্যান্ডেলের সাথে কোন কালারের প্যান্ট মানাবে এইসব আপনাকে বুঝতে হবে। ড্রেসাপ সেন্স না থাকলে আপনাকে আজব কম্বিনেশনের ব্যক্তি লাগবে।

৫। সব সময় মিনি পারফিউম এবং একটা ছোট্ট পকেট চিড়ুনি ক্যারি করবেন। প্রতি এক ঘন্টা পর পর নিজের চুল আচড়াবেন এবং শরীরে পারফিউম দিবেন। যারা নামায আদায় করেন তারা আতর সাথে রাখবেন। আপনার থেকে কোনদিন ব্যাড স্মেল না আসে।

♦️এখন অনেকে বলবেন যে এইসব কেন করবেন?

মনে রাখবেন আপনি পুরুষ মানুষ। পড়াশোনা শেষ করলে প্রফেসনাল লাইফে প্রবেশ করলে আপনার নিজেকে বেঁচতে হবে। মানুষ আগে দর্শন বিচারী। পরে গুন বিচারী। বাড়িতে আপনি অগোছালো হয়ে থাকেন ব্যাপার না। এর জন্য ই ঐটা আপনার বাড়ি। কিন্তু বাড়ির চৌকাঠ পাড় করলে আপনাকে প্রতিটা সেকেন্ড নিজেকে বেঁচতে হবে। আমরা সবাই একটা প্রোডাক্ট। একটা প্রতিষ্ঠানে দুই প্রকারের কর্মী থাকে। এক প্রকারের হলো ক্ষ্যাত। এদের বসরা গাধার মত খাটায়। কিন্তু এদের কোনদিন কম্পানির ফেইস বানায় না। আরেক প্রকারের থাকে স্টাইলিশ। দেখবেন এদের স্মার্টনেসের কারণ দ্রুত প্রমোশন হয়ে যায়, বসেরা সবখানে নিয়ে যায়। এরা গাধার মত না খেটেও স্মার্টনেস দিয়ে অনেক এগিয়ে যায়। এদিকে আপনি যদি স্মার্ট এবং পরিশ্রমী দুইটায় হন, ভেবেছেন কিভাবে দ্রুত প্রোগ্রেস করবেন? ধরেন, যেদিন আমার অধীনে কয়েকজন থাকবে বড় জায়গায় গেলে আমি আমার আন্ডারে যারা কাজ করে তাদের মধ্য থেকে যারা ট্যালেন্টেড এবং স্মার্ট শুধু তাদের ই নিয়ে যাবো। নইলে আমার ইজ্জত থাকবে না।বলবে এর অধীনস্থরা এত ক্রিঞ্জ কেন।

♦️ক্ষ্যাত পুরুষ যতই মেধাবী হোক এই বাংলাদেশে কিচ্ছু করতে পারে না। সে আগেই মাইনাস। মনে রাখবেন এইদেশে এখন শিক্ষিত কম বেশি সবাই। এমনকি এই দেশে মেধাবীও কম বেশি সবাই। কিন্তু পুরুষদের ম্যাক্সিমাম ই ক্ষ্যাত। যাকে দেখতে সাহবে লাগে না তাকে কেউ এই দেশে সাহেব মানবে না। সব পুরুষ নিজেকে বেঁচতে জানে না। কম্পিটিশনের যুগ এইটা। সব দিকেই নিজেকে ঠিক রাখতে জানতে হয়।

আপনি যদি সবটা পড়ে থাকেন কমেন্টে আপনার মতামত প্রকাশ করুন।

17/04/2026

এই সময় এসে আমি যেসব বিজনেস শুরু করতাম বা সুযোগ পেলে ইনভেস্ট করতাম:

১. সোলার এনার্জি ☀️
বিদ্যুৎ সংকট ও খরচ বৃদ্ধির কারণে মানুষ ধীরে ধীরে সৌর বিদ্যুতের দিকে শিফট হচ্ছে। আগামী কয়েক বছরে এই মার্কেট বিশাল আকার ধারণ করবে গ্লোবালি এটি already শত শত বিলিয়ন ডলারের ইন্ডাস্ট্রি। যদিও এটি শুরু করা ছোট উদ্দোক্তা দের কঠিন কিন্তু কয়েকজন মিলে করলে সহজতর হবে।

2. বীজ ও এগ্রি 🌱
সমানে ফার্মিং করবে সবাই বা ওই যুগে যাচ্ছে ধীরে ধীরে সবাই নিজে চাষাবাদ করার চিন্তা ভাবনা করছে। দিন যত যাবে এটার মার্কেট বড় হতে থাকবে। সবাই এখন ক্যামিকেল ফ্রি শাক সবজি খেতে চায় নিজেরাই বাসায় ছাদ বাগানে গ্রামে চাষাবাদ প্রতি আগ্রহ দেখাচ্ছে। সব মিলিয়ে quality seed এবং safe food-এর চাহিদা দ্রুত বাড়ছে। কেমিক্যাল ফ্রি খাবারের দিকে ছুটছে।

3. ফার্মেসি 💊
যে কোনো ক্রাইসিসেই ফার্মেসি বিজনেস বন্ধ হয় না। ভালো লোকেশন এবং সঠিক মডেলে পরিচালনা করতে পারলে এটি একটি steady এবং reliable business। যত ক্রাইসিস মোমেন্ট আসুক, যত করোনা আসুক কখনো দেখেছেন ফার্মেসি বিজনেস বন্ধ হতে। লোকেশন এবং জনসমাগম এরিয়াতে দিতে পারলে 8-15% পর্যন্ত প্রফিট করা সম্ভব। এবং যদি মডেল ফার্মেসি হয় তাহলে মেডিসিন সাথে আদারস গুলো সেলস করা সম্ভব।

4. ব্যাটারি ও EV 🔋
বিশ্ব দ্রুত ইলেকট্রিক ভেহিকেলের দিকে যাচ্ছে। সেই সাথে ব্যাটারি ইন্ডাস্ট্রিও দ্রুত বড় হচ্ছে। বাংলাদেশেও আগামী বছরগুলোতে এই সেক্টরে বড় সুযোগ তৈরি হবে।

দুনিয়া এখন ইভিতে মুভ করতেছে সব। চায়নার উত্থান এর সাথে সাথে ইভি মার্কেটও বড় হচ্ছে। বাংলাদেশ নেক্সট কয়েক বছর এই মার্কেট বড় হবে। ব্যাটারি রিলেটেড কোনো ব্যবসা দাড় করানো যায় তাহলে বিশাল একটা মুডভেন্ট হতে পারে।

এটি সম্পূর্ণ ব্যাক্তিগত রিসার্চ এবং মতামত।
এর বাহিরেও আপনারা প্রপার রিসার্চ করে নিজেদের মতো ডিসিশন নিবেন ধন্যবাদ।

17/04/2026

বাংলাদেশের কোম্পানি খুলতে চেয়েছিলাম, Documents লিস্ট দেখে কোম্পানি খোলার ইচ্ছা মরে গেছে 🥲

বাংলাদেশে আপনি কি একজন উদ্যোক্তা হতে চান? আপনি কি চান আপনার একটা আইটি ফার্ম বা স্টার্টআপ থাকবে? অভিনন্দন!🐸

এদেশে কোম্পানি চালানো যতটা না কঠিন, তার চেয়ে কয়েকগুণ কঠিন হলো কোম্পানিটি 'লিগ্যাল' করা। এর মধ্যে প্রত্যেকটা ডকুমেন্টেই সব কান্ট্রিতে কোম্পানি খুলতে চান সেগুলো লাগবেই, এটা কোন অসুবিধা নয়

ডকুমেন্ট লাগা উচিত কারণ একটা ডকুমেন্ট যদি ভালোভাবে না থাকে বিদেশি এবং দেশি customer যারা রয়েছে তারা অনেক সমস্যার মুখোমুখি হয়, এছাড়া ভুয়া কিংবা ভুল সার্ভিসও অনেকে বেচতে পারে তাই ডকুমেন্টস অনেক ইম্পরট্যান্ট

প্রত্যেক দেশে কোম্পানি খুলতে কমবেশি ভালই কাগজ লাগে, তারপর সেটাকে এগিয়ে নেওয়ার জন্য আরও বেশি কাগজ/সার্টিফিকেসান প্রয়োজন হয়, আমার কমপ্লেইন টা হচ্ছে এগুলো করার জন্য বাংলাদেশে প্যারা বেশি হয় যেখানে অন্যান্য দেশে এই জিনিসগুলো করার জন্য প্যারা কম হয় 🥲 অনেক দেশের সরকার স্টার্টআপ খোলার জন্য প্রচুর সুবিধা দিয়ে থাকে..

চলুন দেখে নিই, ডিজিটাল বাংলাদেশে একটা আইটি বা সাধারণ কোম্পানি খুলতে আপনাকে কোন কোন দপ্তরে কয়বার দৌড়াতে হতে পারে:

১. আইটি বা সফটওয়্যার কোম্পানির জন্য বেসিক চেকলিস্ট:

Trade License: স্থানীয় সিটি কর্পোরেশন বা ইউনিয়ন পরিষদ থেকে। (যেখানে আপনার অফিসের ঠিকানাই হবে)

TIN Certificate: ই-টিন তো সহজ, কিন্তু ট্যাক্স ফাইল রিটার্ন করার প্যারা আজীবন।

BIN/VAT Registration: আপনার সার্ভিসের ওপর ভ্যাট কাটার অনুমতি আপনি সরকারকে দেবেন

RJSC Registration: যদি লিমিটেড কোম্পানি করতে চান, তবে আরজেএসসি-তে নাম ক্লিয়ারেন্স থেকে শুরু করে মেমোরেন্ডাম (MoA) জমা দেওয়া—নতুন জুতা কেনার পরে এ প্রসেস করা শুরু করবেন

BASIS Membership: আইটি কোম্পানি হিসেবে সরকারি সুযোগ-সুবিধা!! বা ট্যাক্স এক্সেমশন পেতে চাইলে বেসিস-এর মেম্বারশিপ মাস্ট

সরকারি ডোমেইন কিনা এখন হয়তোবা একটু ইজি হয়েছে বাট তারপরও কিছু সমস্যা ফেস করতে হয় এছাড়াও আরো অনেকগুলো জিনিস রয়েছে যেগুলো আমি এই লিস্টের মধ্যে এড করিনি তাছাড়া একটা অফিস এড্রেসও দেখাতে হয়.

ব্যাংক একাউন্ট এবং ফোন নাম্বার আপনি কোম্পানির নামে নিতে পারবেন হয়তো সেটার জন্য ব্যাংকের সাথেও আপনাকে যোগাযোগ করতে হবে

ঘু/ষ আর চাঁ/দাবা/জি নিজ দায়িত্বে এড করে নিবেন

২. যদি আপনি এক্সপোর্ট-ইম্পোর্ট (International Trade) করতে চান:

যদি ভাবেন বিদেশ থেকে হার্ডওয়্যার আনবেন বা সার্ভিস এক্সপোর্ট করবেন, তবে লিস্টে আরও যোগ করুন:

IRC (Import Registration Certificate): বিদেশ থেকে কিছু আনার লাইসেন্স।

ERC (Export Registration Certificate): বিদেশে কিছু পাঠানোর লাইসেন্স।

Membership of Chamber of Commerce: আপনার এলাকার চেম্বার অব কমার্সের সদস্য হতে হবে।

অনেকেই চায়না সাথে বিজনেস করেন এবং তাদেরকে একটু জিজ্ঞেস করে দেখেন কাপড় জুতা এগুলো আইটেম বাদ দিয়ে যখন কোন আইটেমের ভিতরে ব্যাটারি কিংবা লিকুইড থাকবে তখন সে আইটেম নিয়ে আসার জন্য হয়তোবা আরো কিছু ডকুমেন্টস প্রয়োজন হয়

৩. অন্যান্য ফিল্ডে গেলে যা যা এক্সট্রা লাগতে পারে:

Fire Certificate: আপনার অফিসে আগুন লাগলে নেভানোর ব্যবস্থা আছে কি না (বা সার্টিফিকেট আছে কি না)।

Environmental Clearance: যদি ম্যানুফ্যাকচারিং বা ফ্যাক্টরি হয়।

Factory License: শ্রম অধিদপ্তর থেকে

BSTI Certification: যদি ফুড বা কনজ্যুমার আইটেম হয়

এতসব ডকুমেন্ট জোগাড় করতে করতে আপনার মনে হতে পারে— "ভাই, কোম্পানি খোলার দরকার নেই, আমি বরং ফ্রিল্যান্সিংই করি!"

যদি সত্যিই কোম্পানি খুলতে চান, তবে একজন ভালো কনসালট্যান্ট বা উকিল ধরুন। নিজে দৌড়াতে গেলে জুতার তলা আর ধৈর্য—দুই-ই শেষ হবে। বাংলাদেশে অনেকগুলো অর্গানাইজেশন রয়েছে যারা মূলত এই কাজটা করে থাকে তাই হয়তোবা দিনশেষে কোম্পানি খুলে যাবে ❤️

কোম্পানি খোলা বড় কথা নয়, কোম্পানি মেইনটেইন করা এবং সেটাকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ায় সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ বাংলাদেশ

এত সহজ নয় CEO হওয়া, ফেসবুকে পেজ খুলে জাস্ট নামের পাশে CEO লাগালে কেউ CEO হয় না 🔥

শুভকামনা বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ বিল গেটসদের জন্য! কাগজের স্তূপ জয় করে এগিয়ে যান ✊

Naem Azam Chowdhury
Security Researcher, China

17/04/2026

১২টি গোপন সত্য যা ধনী লোকেরা আপনাকে জানতে দিতে চায় না.......

আমরা এমন এক দুনিয়ায় বাস করি যা ধনীদের দ্বারা এবং ধনীদের জন্য গঠিত। আপনি যে মিডিয়া দেখেন, যে পরামর্শ শুনেন—সবকিছুই সুচিন্তিতভাবে সাজানো হয় আপনাকে কর্মজীবনের দৌড়ে ফাঁসিয়ে রাখার জন্য, যাতে তারা আরও উপরে উঠতে পারে। কিন্তু এবার পর্দা সরানোর সময় এসেছে এবং সেই সত্যগুলো জানার সময় এসেছে যা ধনী ব্যক্তিরা আপনাকে জানতে দিতে চায় না। প্রস্তুত থাকুন, কারণ এই তথ্যগুলো আপনার বিশ্বাসের অনেক ভ্রান্তি ভেঙে দিতে পারে।

১. কঠোর পরিশ্রম আপনাকে ধনী করবে না

হ্যাঁ, তারা আপনাকে কঠোর পরিশ্রম করতে বলে, কিন্তু সত্যটা জানে—ধনী হওয়ার মূল চাবিকাঠি শ্রম নয়, লেভারেজ। মানে, যখন আপনি অতিরিক্ত সময় কাজ করে আপনার শক্তি খরচ করছেন, তারা অন্যের সময়, অর্থ এবং দক্ষতাকে ব্যবহার করে বিশাল সাম্রাজ্য গড়ে তুলছে।

২. তারা চায় আপনি বিশ্বাস করুন যে টাকা খারাপ জিনিস

আপনি যদি মনে করেন টাকা লোভ এবং দুর্নীতির প্রতীক, তাহলে আপনি কখনো এটি অর্জনের জন্য আত্মবিশ্বাসী হবেন না। অথচ ধনীরা জানে যে অর্থ কেবল একটি হাতিয়ার—যা সঠিকভাবে ব্যবহার করলে প্রভাব বিস্তারের শক্তিশালী মাধ্যম হতে পারে।

৩. সঞ্চয় আপনাকে ধনী করবে না

তারা বলে "সঞ্চয় করুন এবং মিউচুয়াল ফান্ডে বিনিয়োগ করুন", কিন্তু নিজেরা তা করে না। তারা বিনিয়োগ করে বড় ঝুঁকি ও বড় লাভের সুযোগে—স্টার্টআপ, রিয়েল এস্টেট, স্টক মার্কেট এবং ব্যবসায়, যা তাদের সম্পদকে বহুগুণে বাড়িয়ে দেয়।

৪. শিক্ষাব্যবস্থা আসলে একটি ফাঁদ

শিক্ষাব্যবস্থার মূল উদ্দেশ্য হলো আপনাকে আজ্ঞাবহ কর্মচারী বানানো, উদ্যোক্তা বা ঝুঁকি গ্রহণকারী নয়। আপনাকে শেখানো হয় কীভাবে অর্থের জন্য কাজ করতে হয়, কিন্তু ধনী ব্যক্তিরা শেখে কীভাবে অর্থকে তাদের জন্য কাজ করানো যায়।

৫. কর ব্যবস্থা ধনীদের জন্য সুবিধাজনকভাবে তৈরি

তারা জানে কর কমানোর উপায়, আইনি ফাঁকফোকর এবং বিভিন্ন কর সুবিধা। কিন্তু সাধারণ মানুষ তাদের আয়ের বড় একটি অংশ কর হিসেবে পরিশোধ করতে বাধ্য হয়। ধনীরা বেতনভোগী নয়, তারা সম্পদের মালিক—আর সম্পদের ওপর করের হার ভিন্ন।

৬. ঋণ হলো শক্তিশালী অস্ত্র—যদি আপনি এটি ব্যবহার করতে জানেন

তারা চায় আপনি ঋণকে ভয় পান, কিন্তু ধনীরা ঋণকে ব্যবহার করে আরও বেশি সম্পদ অর্জন করতে। তারা অন্যের অর্থ (OPM) দিয়ে বিনিয়োগ করে এমন সম্পদ কেনে, যা তাদের জন্য নিয়মিত আয় সৃষ্টি করে এবং সেই আয় দিয়েই ঋণ শোধ হয়ে যায়।

৭. আপনার ভোগবাদ তাদের বিলাসী জীবনযাত্রার মূল কারণ

প্রতিবার যখন আপনি নতুন মোবাইল, ফ্যাশনেবল পোশাক বা দামি কফি কিনছেন, তখন আসলে আপনি তাদের পকেটেই অর্থ ঢালছেন। অন্যদিকে, তারা তাদের অর্থ ব্যয় করে এমন সম্পদে, যা সময়ের সঙ্গে আরও মূল্যবান হয়।

৮. পরিচিতি প্রতিভার চেয়েও বেশি গুরুত্বপূর্ণ

তারা চায় না আপনি জানেন যে সঠিক মানুষের সংস্পর্শ আপনার জন্য অমূল্য সুযোগ তৈরি করতে পারে। তারা নিজেদের জন্য একটি এলিট নেটওয়ার্ক গড়ে তোলে, যা তাদের ধনী থাকার সুযোগ নিশ্চিত করে এবং বাইরের লোকদের প্রবেশের পথ বন্ধ রাখে।

৯. সময় হলো তাদের সবচেয়ে মূল্যবান সম্পদ

তারা সময় নষ্ট করে না। তারা এমন কাজ করে না যা অন্যরা করতে পারে। তারা মানুষ নিয়োগ করে তাদের জন্য কাজ করাতে, যাতে তারা সম্পদ গঠনের ওপর ফোকাস করতে পারে।

১০. শেয়ার বাজার তাদের সুবিধার জন্য নিয়ন্ত্রিত

আপনার শেয়ার বাজারের বিনিয়োগ থেকে নিয়মিত মুনাফার আশা থাকলেও, তারা ইন্সাইডার তথ্য, স্বয়ংক্রিয় ট্রেডিং প্রযুক্তি এবং বিশাল মূলধন ব্যবহার করে বাজারকে নিজেদের স্বার্থে নিয়ন্ত্রণ করে।

১১. ব্যর্থতা তাদের সবচেয়ে বড় শিক্ষা

তারা ব্যর্থতাকে ভয় পায় না, বরং প্রতিটি ব্যর্থতাকে শিক্ষার সুযোগ হিসেবে দেখে। কিন্তু আপনাকে শেখানো হয় নিরাপদ খেলা খেলতে, ঝুঁকি না নিতে। ধনীরা জানে বড় পুরস্কারের জন্য বড় ঝুঁকি নেওয়া লাগে।

১২. তারা চায় আপনি অজ্ঞ থাকুন

যত কম আপনি অর্থ, বিনিয়োগ এবং ব্যবসা সম্পর্কে জানবেন, তত বেশি তারা আপনার শ্রম, সময় এবং ভোক্তাস্বভাবকে কাজে লাগিয়ে নিজেদের আরও ধনী করে তুলবে।

তাহলে আপনাকে কী করতে হবে?

এই নিয়ন্ত্রিত খেলায় আর অংশ নেবেন না। টাকার ব্যাপারে জ্ঞান অর্জন করুন, ইনভেস্টরের মতো চিন্তা করতে শিখুন, এবং ভোগের পরিবর্তে সম্পদের মালিক হওয়ার দিকে মনোযোগ দিন। গড়পড়তা জীবনের শৃঙ্খল থেকে বেরিয়ে এসে নিজের সাম্রাজ্য গড়ে তুলুন। এখনই সময় এসেছে ব্যবস্থা নেওয়ার, যাতে আপনি সেই সম্পদ এবং ক্ষমতা অর্জন করতে পারেন যা ধনীরা আপনাকে পেতে দিতে চায় না।

সংগৃহীত

15/04/2026

খুব তিতা কিছু সত্য বলবো আজ।
হয়তো অনেকের ইগোতে লাগবে।

বাট ট্রাস্ট মি,
এই রিয়েলিটিগুলো যত দ্রুত বুঝবেন,
আপনার লাইফে ভালো থাকা ততোটাই সহজ হবে।

🟣 কেউ আপনার রেসকিউ করতে আসবে না।
সুপারম্যান কেবল সিনেমাতেই থাকে।
আপনার প্রবলেম আপনাকেই সলভ করতে হবে।
কারণ দিনশেষে এভরিওয়ান ইজ বিজি উইথ দেয়ার ওউন লাইফ।

🟣 সময় কিন্তু খুব লিমিটেড।
আপনি চাইলেও ঘড়ির কাঁটা থামায়ে রাখতে পারবেন না।
টাইম ইজ রিলেন্টলেসলি ফিনাইট।
যে সময়টা চলে যাচ্ছে,
সেটা আর কখনোই ফিরবে না।
শুধু বুদ্ধিমান হলে কিচ্ছু হবে না।

🟣 ইন্টেলিজেন্স উইদাউট এক্সিকিউশন ইজ কমপ্লিটলি ইউজলেস।
আইডিয়া সবার মাথায় থাকে,
কিন্তু জিতে যায় তারা যারা সেটা কাজে রুপান্তর করে।
গল্প না করে একশনে নামুন।

🟣 পৃথিবী আপনার সাথে ফেয়ার আচরণ করবে না।
আপনি ভালো করলেই যে ভালো রিটার্ন পাবেন এমন কোনো গ্যারান্টি নেই।
দুনিয়া আপনার কাছে ঋণী নয়।
সবার মন রক্ষা করে চলা বন্ধ করুন।
ইউ ক্যাননট প্লিজ এভরিওয়ান।
সবার কাছে প্রিয় হওয়ার চেষ্টা করা মানে নিজের আইডেন্টিটি হারানো।
নিজের প্রিন্সিপল ঠিক রাখুন,
বাকিটা অটোমেটিক সেট হয়ে যাবে।

🟣 মোটিভেশন একটা মিথ মাত্র।
আসল গেম চেঞ্জার হলো ডিসিপ্লিন।
মুড ভালো থাকলে কাজ করবেন এই কনসেপ্ট বাদ দিন।
বরং মুড যেমনই হোক,
কাজটা শেষ করাই হলো আসল সাকসেস।
অধিকাংশ মানুষ আপনার সমস্যা নিয়ে বিন্দুমাত্র কেয়ার করে না।

🟣 অফিসে আপনি রিপ্লেসেবল।
আপনি আজ না থাকলে কাল সেখানে অন্য কেউ বসবে।
সো কাজের পেছনে নিজের মেন্টাল পিস আর ফ্যামিলি স্যাক্রিফাইস করবেন না।
আপনার ভ্যালু আপনার স্কিলে, পজিশনে নয়।

🟣 ব্যর্থতাকে ভয় পাওয়া মানে গ্রোথ থামিয়ে দেওয়া।
ফেইলর ইজ নট আ বাগ, ইটস আ ফিচার।
যত বেশি ভুল করবেন, তত বেশি শিখবেন।
ভুল করা মানেই আপনি এটলিস্ট চেষ্টা করছেন।

🟣 সবশেষে আপনার হেলথ।
এটা একটা ডিক্লাইনিং অ্যাসেট।
যত বয়স বাড়বে, তত এটার ক্ষয় হবে।
সো এখনই যত্ন নিন,
প্রপার ডায়েট আর এক্সারসাইজ মেনটেইন করুন

লাইফটা খুব ছোট,
তাই অহেতুক ইলিউশনে না থেকে প্র্যাকটিক্যাল হোন।
ভালো থাকুন আর নিজের বেস্ট ভার্সনটা গড়ে তুলুন ⚡️

13/04/2026

🧠 “ব্যাংক কীভাবে শূন্য থেকে টাকা তৈরি করে, আর ঋণ শোধ হলেই কেন তা অদৃশ্য হয়ে যায়—জানুন অর্থনীতির লুকানো বাস্তবতা।”🏪🏦

বন্ধুরা, আপনাদের কাছে কি মনে হয় পকেটে থাকা ১০০ টাকার নোটটা আপনার ‘সম্পদ’? যদি বলি, ওটা আসলে কারোর নেওয়া একটা 'লোন' যা কোনো একদিন বাতাস থেকে তৈরি করা হয়েছে এবং লোন শোধ হওয়া মাত্র ওটা বাতাসে মিলিয়ে যাবে? 🤯

শুনতে সিনেমার থ্রিলার মনে হলেও, এটাই আধুনিক অর্থনীতির সবচেয়ে বড় ‘ওপেন সিক্রেট’! চলুন আজ ব্যাংকিং জগতের এমন এক ভুতুড়ে সত্য জানি, যা সচরাচর কোনো টেক্সটবুক আপনাকে বলবে না।

🪟১. ব্যাংক যখন জাদুকর! 🪄
আমরা ভাবি, রহিম ভাই ব্যাংকে ১০ হাজার টাকা জমা দিলে সেই টাকাই ব্যাংক করিম ভাইকে লোন দেয়। ভুল! একদম ভুল!

আধুনিক ব্যাংকিং সিস্টেমে (যাকে আমরা Fractional Reserve Banking বলি), ব্যাংক আপনার জমানো টাকার সিংহভাগ ব্যবহার করে কম্পিউটার স্ক্রিনে কয়েকটা সংখ্যা টাইপ করে কয়েক গুণ বেশি লোন তৈরি করে।

অর্থাৎ, ব্যাংক আপনার আমানতকে পুঁজি করে ‘শূন্য’ থেকে নতুন টাকা জন্ম দেয়!

🪟২. টাকা যখন 'Big Boss'! 👻
সবচেয়ে মজার এবং ভয়ংকর তথ্যটি এখানে—ব্যাংক যে টাকাটি লোন হিসেবে তৈরি করে, সেটি ততক্ষণই বেঁচে থাকে যতক্ষণ ওই লোনটি ‘জীবিত’ আছে।

যেই মুহূর্তে ঋণী ব্যক্তি তার লোনের শেষ কিস্তিটা শোধ করে দেন, অমনি ওই জাদুকরী টাকাটি সিস্টেম থেকে ভ্যানিশ হয়ে যায়!

হ্যাঁ, আপনি ঠিক শুনেছেন। লোন শোধ হওয়ার সাথে সাথে সেই টাকাটি ডিজিটাল মহাকাশে অদৃশ্য হয়ে যায়। ব্যাংকের খাতায় সেটা আর ‘মানি’ হিসেবে থাকে না।

🪟৩. যদি সবাই আজ লোন শোধ করে দেয়⁉️
ভাবুন তো, আগামীকাল যদি পৃথিবীর সব মানুষ আর সব কোম্পানি শপথ করে যে, “আমরা আমাদের সব লোন আজই শোধ করে দেব”, তাহলে কী হবে?

পুরো পৃথিবী কি ধনী হয়ে যাবে? উহু! উল্টো পৃথিবী স্থবির হয়ে যাবে! কারণ, বিশ্বের প্রায় ৯0% মুদ্রাই তৈরি হয়েছে ঋণের মাধ্যমে।

সবাই লোন শোধ করে দিলে বাজারের ৯0% টাকাই ভ্যানিশ হয়ে যাবে। পকেট ফাঁকা, ব্যাংক ফাঁকা—পুরো ইকোনমি ধসে পড়বে। 📉

🪟৪. তাহলে লাভটা কার? 🤔
আপনার মনে হতে পারে, “ভাই, টাকা তো ভ্যানিশ হলো, কিন্তু আমার কিস্তির কষ্টের টাকা কোথায় গেল?”

এখানেই আসল খেলা! টাকা ভ্যানিশ হলেও তিনটা জিনিস পৃথিবীতে টিকে থাকে:
✅ বাস্তব সম্পদ: লোনের টাকায় বানানো আপনার ফ্ল্যাট বা ফ্যাক্টরি যা ভ্যানিশ হয় না।

✅ ব্যাংকের সুদ: মূল টাকা ভ্যানিশ হলেও ব্যাংক আপনার কাছ থেকে যে ‘সুদ’ নিয়েছে, সেটা তাদের পকেটে থেকে যায়।

✅ আপনার শ্রম: লোন শোধ করতে গিয়ে আপনি ১০ বছর যে ঘাম ঝরিয়েছেন, সেই শ্রমের ফসল সিস্টেম ভোগ করে নেয়।

🪟🤔৫. আসল সত্যটা কী?✅
আমাদের বর্তমান অর্থনীতি কোনো সোনার খনির ওপর দাঁড়িয়ে নেই, দাঁড়িয়ে আছে ‘নতুন নতুন ঋণের’ ওপর। আপনি যত বেশি কিস্তির জালে জড়াবেন, ইকোনমি তত বেশি চাঙ্গা হবে!

সারকথা: আপনি ভাবছেন আপনি টাকা কামাচ্ছেন, কিন্তু আসলে আপনি ডিজিটাল ডিজিটের এক মায়াজালে দৌড়াচ্ছেন। টাকাটা কেবল ‘মাধ্যম’, আসল খেলাটা হলো আপনার সময় আর শ্রম দখল করা।

আপনার কি মনে হয়? আমরা কি টাকার মালিক, নাকি কেবল ঋণের চাকর? সময় থাকলে চিন্তা করতে পারেন!🤔

✍️ Muhammad Nasim Hossain
Global Economy Researcher & Financial Wellness Coach
BBA, MBA- Rajshahi University
🌿💙

12/04/2026

অনেকেই মনে করেন লোন মানেই ঝামেলা, চাপ আর দুশ্চিন্তা। কিন্তু বাস্তবতা একটু ভিন্ন। সঠিক পরিকল্পনা আর বুদ্ধিমত্তার সাথে ব্যবহার করলে এই লোনই আপনার জীবনের মোড় ঘুরিয়ে দিতে পারে। ধনী মানুষরা লোনকে ভয় পায় না, তারা এটাকে কাজে লাগায়। পার্থক্যটা এখানেই।

ঋণ খারাপ না, খারাপ এর ব্যবহার

লোন দুই ধরনের হতে পারে
একটা আপনাকে পিছিয়ে দেয়, আরেকটা আপনাকে সামনে এগিয়ে দেয়।
• খারাপ ঋণ (Bad Debt):
যে লোন দিয়ে আপনি এমন কিছু কিনছেন যা আয় করে না, বরং খরচ বাড়ায়। যেমন অপ্রয়োজনীয় জিনিস, বিলাসিতা।
• ভাল ঋণ (Good Debt):
যে লোন দিয়ে আপনি আয় তৈরি করেন। যেমন ব্যবসা শুরু করা, স্কিল শেখা, বা এমন কিছুতে বিনিয়োগ করা যেখান থেকে নিয়মিত টাকা আসে।

কোটিপতিরা যেভাবে লোন ব্যবহার করে

১. ইনকাম তৈরির জন্য লোন নেয়
ধনী মানুষ লোন নিয়ে ব্যবসা শুরু করে বা এমন জায়গায় বিনিয়োগ করে যেখানে টাকা বাড়ে। তারা আগে হিসাব করে নেয়—এই লোন থেকে কত আয় আসবে।

২. হিসাব করে রিস্ক নেয়
এলোমেলোভাবে লোন নেয় না। কত টাকা লাগবে, কতদিনে ফেরত দিতে পারবে—সব পরিষ্কার থাকে।

৩. নিজের পকেট থেকে কম খরচ করে
তারা নিজের সেভিংস না খরচ করে লোন ব্যবহার করে, যাতে নিজের টাকা অন্য জায়গায় কাজ করতে পারে।

আপনি কীভাবে শুরু করবেন

১. পরিষ্কার লক্ষ্য ঠিক করুন
লোন নেওয়ার আগে নিজেকে জিজ্ঞেস করুন
“এই টাকা দিয়ে আমি কী আয় তৈরি করব?”

২. ছোট থেকে শুরু করুন
একবারে বড় লোন না নিয়ে ছোট অংক দিয়ে শুরু করুন। এতে ঝুঁকি কম থাকবে।

৩. আয় না আসা পর্যন্ত খরচ নিয়ন্ত্রণে রাখুন
লোন নিয়ে ব্যবসা শুরু করলে শুরুতে আয় কম হতে পারে। তাই খরচ কমানো জরুরি।

৪. একাধিক আয়ের উৎস তৈরি করুন
একটা জায়গার উপর নির্ভর না করে ২-৩টা ইনকাম সোর্স তৈরি করার চেষ্টা করুন।

৫. জরুরি ফান্ড রাখুন
যদি কোনো কারণে ব্যবসা বা ইনকাম থেমে যায়, তখন যেন আপনি লোনের কিস্তি চালাতে পারেন।

যেসব ভুল এড়িয়ে চলবেন
• শুধুমাত্র শখ বা দেখানোর জন্য লোন নেওয়া
• প্ল্যান ছাড়া ব্যবসা শুরু করা
• কিস্তির চাপ বুঝে না নেওয়া
• এক লোন দিয়ে আরেক লোন শোধ করা (Debt trap)

শেষ কথা

লোন নিজে কখনোই অভিশাপ না। এটা একটা টুল। আপনি কীভাবে ব্যবহার করছেন সেটাই আসল বিষয়। সঠিক পরিকল্পনা, ধৈর্য আর পরিশ্রম থাকলে এই লোনই আপনাকে শূন্য থেকে কোটিপতি বানাতে পারে।

✍️Owner By ShimuRimu

12/04/2026

নিজেকে কখনো পরিস্থিতির শিকার ভেবে গুটিয়ে নেবেন না; প’তনের গভীরতা যত বেশিই হোক, সেখান থেকেই রাজকীয় প্রত্যাবর্তনের সুযোগ থাকে। জয়-পরাজয় মূলত আমাদের মানসিকতার বিষয়। যদি বিশ্বাস আর মানসিক শক্তি অটুট থাকে, তবে শূন্য থেকেও সাম্রাজ্য গড়ে তোলা সম্ভব। ভেঙে পড়া মানুষের স্বভাব, কিন্তু সেই ধ্বংসস্তূপ থেকে ফিনিক্স পাখির মতো জেগে ওঠাই আসল বীরত্ব। নিজের ওপর ভরসা রেখে দৃঢ় সংকল্প নিয়ে এগিয়ে যান; সুদিন আপনার অপেক্ষায়। ইনশাআল্লাহ। Remember your comeback will be stronger than your setback! 🩶

~Shahidul Sumon

12/04/2026

Overtrading কিভাবে Control করবেন
********************************************
বন্ধুরা আমরা যারা Option Trading করি আমাদের সব থেকে বড় সমস্যা হল Overtrading. Overtrading এর ফলে আমরা যেমন প্রথমে করা Profit গুলিকে Loss এ Convert করে ফেলি আবার Loss Recovery করার চেষ্টায় সারাদিন Overtrading করে ছোট Loss কে বড় Loss এ পরিণত করে ফেলি । কখনো কখনো তো সম্পূর্ণ Capital শেষ করে ফেলি।
আমার মনে হয় share market এ যত option trader আছে তারা যদি সবাই Overtrading কে control করতে পারতো তাহলে 60-70% trader profitable হত। কিন্তু বাস্তবে এই Overtrading কে control করা ভীষণ কঠিন কাজ। তবে নিরাশ হবেন না আমার মত সাধারণ একটি মেয়ে যদি Overtrading কে control করা শিখতে পারে তাহলে আপনারা সবাই পারবেন, এটা আমার দৃঢ় বিশ্বাস।
চলুন প্রথমে Overtrading এর কারণ আলোচনা করা যাক। Overtrading এর প্রধান কারণ গুলি হল- লোভ, অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাস, প্রতিশোধ নেওয়ার ইচ্ছা, হার না মানার জেদ, নিজের ভুলকে মানতে না পারার অক্ষমতা এবং যখন আমরা এই সমস্যা গুলোর কবলে পড়ে যাই তখন আমাদের মস্তিষ্ক ডোপামিন হরমোন ক্ষরণ করে, ফলে আমাদের উত্তেজনা আরো বেড়ে যায় এবং আমরা logical চিন্তা করার ক্ষমতা হারিয়ে ফেলি ও আবেগের বশবর্তী হয়ে Overtrading করে ফেলি।
এবার চলুন Overtrading কে আটকানোর উপায় গুলি বিস্তারিত আলোচনা করি। বন্ধুরা সবার প্রথমে বলে রাখি এই Overtrading নামক যে অসুখ টা মাঝে মাঝে আপনার হয় তার জন্য একমাত্র দায়ী আপনি নিজে এবং এই অসুখের ঔষধও আপনি নিজেই। বাইরে থেকে কোন ব্যক্তি বা কোন শক্তি আপনার এই সমস্যার সমাধান করে দিতে পারবে না অর্থাৎ এই লড়াইটা আপনাকে একাই লড়তে হবে।
এই লড়াইটা লড়ার দুটি রাস্তা আছে। এটি সহজ এবং একটি ভীষণ কঠিন। সহজ রাস্তাটি হল- "না থাকবে বাঁশ না বাজবে বাঁশি" পদ্ধতি। এই পদ্ধতিতে আপনি প্রতি মাসের শুরুতে Demat account এ আপনার সাধ্যমত Capital add করবেন এবং ঐদিন মন ভরে Overtrading করবেন। 10 বার 20 বার 100 বার 200 বার যতবার খুশি। যতক্ষণ Capital শেষ না হবে ততক্ষণ Overtrading করবেন। এতে সুবিধা হল আপনি মাসে মাত্র একদিন Overtrading করবেন আর বাকি 29 দিন চাইলেও Overtrading করতে পারবেন না, কারণ আপনার কাছে কোন Capital ই থাকবে না। দেখলেন কত সহজে Overtrading Control হয়ে গেল। প্রতি মাসের 1 তারিখে same strategy follow করবেন যতদিন না আপনি নিঃস্ব হয়ে যাচ্ছেন।
কঠিন রাস্তাটি হল- "সাপও মরবে আবার লাঠিও ভাঙবে না" পদ্ধতি অর্থাৎ আপনি প্রতিদিন ট্রেডও করবেন, ক্যাপিটালও সুরক্ষিত থাকবে এবং Overtrading-ও হবে না। কিন্তু এটা তখনই করতে পারবেন যখন আপনি নিজের ভেতরে Overtrading এর সঙ্গে লড়াই করার জন্য Discipline নামক Immunity Develop করতে পারবেন। নিজের জন্য একটি Discipline তৈরি করুন এবং অক্ষরে অক্ষরে প্রতিদিন সেটাকে পালন করুন। প্রত্যেক Trader এর discipline আলাদা হতে পারে।
আমি একটি উদাহরণ দিচ্ছি-
1. নিজের Setup এর জন্য অপেক্ষা করুন।
2. একদিনে কোনভাবেই দুটোর বেশি ট্রেড করবেন না।
3.Strikly Stop loss follow করতে হবে।
4.Lot size প্রতিদিন এক রাখুন
5. দিনের Maximum profit এবং Maximum Loss Fix রাখুন। অর্থাৎ আপনার কাছে যদি 50k Capital থাকে তাহলে দিনের Maximum Profit এর টার্গেট রাখুন 5k এবং maximum loss এর target 3k ( দুটি Trade এর loss মিলিয়ে)।
6. যদি প্রথম Trade এই 5k বা তার কাছাকাছি Profit চলে আসে তাহলে Trading বন্ধ করে দিন।
7. যদি দুটি ট্রেডের লস মিলে 3k কে হয়ে যায় তাহলে অবশ্যই ট্রেডিং বন্ধ করে দিন।
8. যদি প্রথম Trade এ Loss হয়, এবং দ্বিতীয় Trade এ প্রফিট হয় তাহলেও ট্রেডিং বন্ধ করে দিন।
9. উপরের নিয়ম গুলিকে নিষ্ঠার সঙ্গে পালন করুন।
যেদিন আপনি এই রকম একটা Discipline পালন করতে শিখে যাবেন সেই দিন Share Market এ আপনার সফলতা কেউ আটকাতে পারবেনা। তবে আমি জানি এটা ভীষণ কঠিন একটি কাজ। এই Rules গুলো লেখা যতটা সহজ পালন করা ততটাই কঠিন কিন্তু অসাধ্য নয়।
এই Rules গুলোকে আপনি যাতে পালন করতে পারেন, নিজের emotion কে control করতে পারেন তার জন্য আপনাকে কতগুলি পদ্ধতি অবলম্বন করতে হবে, যেগুলি একসময় আমি করতাম এবং এখনো করছি।
প্রথমত, নিজের জন্য যে Discipline তৈরি করবেন সেই Discipline এর Rules গুলোকে একটি আর্ট পেপারে লিখে আপনার Trading Setup এর সামনে লাগিয়ে রাখুন।
দ্বিতীয়, আপনি যাকে কথা দিয়েছেন যে আপনি Share Market কে Career করবেন, যে আপনাকে Support করে (আপনার বাবা-মা, দাদা, দিদি বা Spouse ) তাকে দিনের শেষে নিজের Trade Position দেখান, ভুল করে থাকলে ভুলগুলো বলুন (কিছু লুকাবেন না )। এতে আপনার ভুল করার প্রবণতা কমে যাবে।
তৃতীয়, যেদিন যেদিন discipline break করার ফলে আপনার profit loss এ পরিণত হয়ে গেছে বা overtrading করে বড় loss করে ফেলেছেন, সেই দিনের loss এর screenshot নিয়ে print out বের করে trading setup এর সামনে লাগিয়ে রাখুন। এতে over trading এর পরিণতি বারবার আপনার মনে strike করবে এবং আপনার over trading করার প্রবণতা কমে আসবে।
চতুর্থ, নিজেকে বোঝান যে আপনি যদি হেরে যান তাহলে আপনি শুধু কতগুলি টাকা লস করবেন না, আপনি নিজেই নিজের কাছে হেরে যাবেন, যে ব্যক্তি আপনাকে সাপোর্ট করেছে আপনার সাথে সাথে সেও হেরে যাবে। এত টাকা ,সময়, আত্মবিশ্বাস নষ্ট করার পর আয়নায় দাঁড়িয়ে কখনো কি নিজের চোখে চোখ রাখতে পারবেন? নিজের শুধু একটি অভ্যাসের জন্য নিজেকে এইভাবে হেরে যেতে দিতে পারবেন?
পঞ্চম, দিনের কোন এক সময়( মার্কেট শুরু হওয়ার আগে হলে ভালো হয় )15 মিনিটের জন্য ধ্যান করুন এবং ধ্যানের মধ্যে Trading নিয়ে আপনার স্বপ্নগুলো কে কল্পনা করুন। তারপর কল্পনা করুন আপনি কি কি ভুল করছেন এবং এই ভুলগুলি continue চলতে থাকলে শেষ পরিণতি কি হবে? নিজেই নিজেকে Commitment করুন যে, এই ভুলগুলি আর করবেন না এবং Rules গুলি অক্ষরে অক্ষরে পালন করবেন।

বন্ধুরা আপনারা যারা শেয়ার মার্কেটে অভিজ্ঞ তাদের কাছে যদি এই পদ্ধতিগুলি বাইরে over Trading কে Control করার অন্য কোন পদ্ধতি জানা থাকে তাহলে অবশ্যই আমাদের সঙ্গে শেয়ার করবেন ।
আমার প্রতিবেদনটি আপনাদের ভালো লেগে থাকলে অবশ্যই Like,share, comment এবং follow করবেন। ধন্যবাদ 🙏

10/04/2026

১. Netflix-এর জন্য টাকা খরচ না করে FAwesome TV ট্রাই করতে পারেন।
২. Adobe Premiere-এর পেছনে হাজার হাজার টাকা না দিয়ে DaVinci Resolve ব্যবহার করুন, এটি ইন্ডাস্ট্রি স্ট্যান্ডার্ড এবং একদম ফ্রি।
৩. CapCut Pro-এর বদলে Edits ব্যবহার করে দেখুন, ভিডিও এডিটিং হবে আরও স্মুথ।
৪. যত্রতত্র AI tools না খুঁজে সরাসরি AI Trendz ডিরেক্টরি চেক করুন সব লেটেস্ট টুলের জন্য।
৫. Descript-এর দামী সাবস্ক্রিপশন বাদ দিয়ে Clideo ব্যবহার করুন।
৬. TubeBuddy Pro-এর পেছনে টাকা না ঢেলে VidIQ-এর ফ্রি টিয়ার ব্যবহার করুন, যা ইউটিউব গ্রোথের জন্য যথেষ্ট।
৭. Epidemic Sound-কে বিদায় জানিয়ে Pixabay Music থেকে কপিরাইট ফ্রি মিউজিক নামিয়ে নিন।
৮. Rev-এর ট্রান্সক্রিপশন সার্ভিসের বদলে ওপেন সোর্স Whisper AI ব্যবহার করুন।
৯. Canva Pro-এর বিকল্প হিসেবে Microsoft Designer ট্রাই করুন, এর এআই ফিচারগুলো মাথা নষ্ট!
১০. Camtasia-এর বদলে স্ক্রিন রেকর্ডিং আর স্ট্রিমিংয়ের জন্য OBS Studio-র ওপর কিছু নেই।
১১. Envato Elements-এর পেছনে টাকা না দিয়ে Mixkit থেকে ফ্রি স্টক ফুটেজ আর টেম্পলেট নিন।
১২. লম্বা ভিডিও থেকে শর্টস বানাতে OpusClip-এর বদলে Munch-এর ফ্রি ভার্সন ট্রাই করুন।
Save + Share 🙂

Address

Chittagong

Opening Hours

Monday 10:00 - 18:00
Tuesday 10:00 - 18:00
Wednesday 10:00 - 18:00
Thursday 10:00 - 18:00
Sunday 10:00 - 18:00

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Securis Technology posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share