Securis Technology

Directions Website

Securis  Technology CCTV, Software, Pabx, Time Attendance, Networking, PA System, Vedio Door Phone, Fire Alarm, Web De

06/10/2026

ইনকাম সোর্স বানাতে হয় তিনটা ফিল্ডকে। প্রথমত, আল্লাহ প্রদত্ত কোন মেধা পেলে সেইটাকে। দ্বিতীয়ত, পড়াশোনা করে একটা নির্দিস্ট পেশা বানিয়ে এবং সবশেষে বানাতে হয় কোন একটা স্কিল অর্জন করে। মেধা হলো আল্লাহ প্রদত্ত এইটা হতে পারে অভিনয়,গান, লিখালিখি। পড়াশোনা হলো পরিশ্রমের ফল, যত পড়বেন ততো ডাক্তার,উকিল,ইঞ্জিনিয়ার, সি এ এইসব হওয়ার নিকটে থাকবেন এবং স্কিল হলো মেধা ও পড়াশোনার বাহিরে এমন কিছু কাজ যা করার জন্য এডুকেটেড হতে হয় না কিন্তু টাকা কামানো যায়। ডিজিটলার মার্কেটিং, ওয়েব সাইট ডিজাইন, গ্রাফিক্সের কাজ। কোন ইনকাম সোর্সকে ছাড়তে নেই। টাকা কামানোর কোন ফিল্ডকে হাতছাড়া করতে নেই। যেখানেই দেখবেন টাকা অনেক সেই ফিল্ডেই এন্ট্রি নিয়ে নিবেন। টাকা কামানো একটা আর্ট। এই আর্টের আর্টিস্ট হতে হয়। আপনি ১ লাখ টাকা কামিয়ে ফেললে আপনার পরের গন্তব্য হবে কিভাবে ৫ লাখ কামানো যায়, ৫ লাখ কামিয়ে ফেললে কিভাবে ১০ লাখ... যতদিন বেঁচে আছেন এইভাবেই যেন চলে সব।

04/10/2026

বিজনেস করতে গিয়ে দুটো বিষয় আমাকে ইদানীং খুব বেশি ভাবাচ্ছে। আমার কাছে মনে হচ্ছে, একটা ব্যবসার যদি শক্তিশালী Moat + ডিফেন্স সিস্টেম না থাকে, তাহলে ব্যবসাটা যতই ভালো দেখাক, সেটা খুব শক্তিশালী ব্যবসা না।

মোট মানে আপনার ব্যবসার এমন একটা শক্তি, যেটা অন্য কেউ চাইলেই কপি করতে পারবে না। বাস্তবে বিজনেসে গোপন বলে তেমন কিছু নাই - যে কেউ আপনার কাছাকাছি নাম কপি করতে পারবে, দোকানের সাজসজ্জা কপি করতে পারবে, পণ্য কপি করতে পারবে, দামও কপি করতে পারবে। কিন্তু একই পণ্য, একই মানের সেবা এবং একই দামে বিক্রি করে যেন কেউ লাভ করতে না পারে। বরং আপনার সঙ্গে প্রতিযোগিতা করতে গেলে তার লোকসান হয়। যেমন আপনি যদি আলু ১০ টাকায় কিনে ১২ টাকায় বিক্রি করেন, পাশের দোকানও কাল থেকে একই কাজ করতে পারবে। আপনার কোনো বিশেষ সুবিধা নেই। কিন্তু যদি আপনার সরবরাহ ব্যবস্থা, ক্রয়ক্ষমতা, কাস্টমার বেস বা পরিচালন ব্যবস্থা এমন হয় যে আপনি ১০ টাকায় কিনতে পারেন আর অন্যজনকে একই আলু কিনত ১২ টাকা খরচ করতে হয়, এটা আপনার বিজনেস এর মোট।

আর ডিফেন্স সিস্টেম হলো, কেউ আপনার পাশে দোকান দিল, একই পণ্য আনল, একই দাম দিল, একই অফার দিল, তারপরও যেন সহজে আপনার কাস্টমার নিতে না পারে,বিজনেসে টিকতে না পারে। কাস্টমারের সঙ্গে আপনার সম্পর্ক, আপনার সিস্টেম, কাঠামো, সরবরাহ ব্যবস্থা, তথ্য, মূল্য সুবিধা কিংবা অন্য কোনো প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা তাকে আটকে রাখবে। ব্যবসা মানেই প্রতিযোগিতা - প্রশ্ন হলো, প্রতিযোগিতা এলে আপনার ব্যবসা কি টিকতে পারবে?

এই দুইটা বিষয় আমার কাছে খুবই আকর্ষণীয় লাগছে। কারণ আম কিনে সামান্য লাভে বিক্রি করা ব্যবসা যে কেউ করতে পারে। সেখানে প্রবেশ করা সহজ, কপি করা সহজ, দাম কমানো সহজ এবং আপনাকে হারানোও সহজ। এই ধরনের ব্যবসা করা যায়, লাভও করা যায়। কিন্তু আমি এটাকে খুব শক্তিশালী ব্যবসা বলব না। ভালো ব্যবসা শুধু আজ কত লাভ করছে সেটা দিয়ে বিচার করলে হবে না। আগামীকাল কেউ কপি করলে আপনি কীভাবে টিকে থাকবেন, সেটাও থাকতে হবে।

আপনার ব্যবসার কি কোন Moat আছে? ডিফেন্স সিস্টেম আছে?

Khandokar Robi

28/09/2026

#যৌথ_ব্যবসায় ১৫ কাগজ ও শর্ত পুরণ

“ #ছোট_পুঁজির_বড়_ব্যবসা”-

#যৌথভাবে ব্যবসা শুরু করার আগে মৌখিক সমঝোতার ওপর না থেকে লিখিত চুক্তি, পরিচয়পত্র, মূলধনের প্রমাণ এবং হিসাবের নিয়ম পরিষ্কার করা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। বাংলাদেশে Partnership Act, 1932 অনুযায়ী অংশীদারদের পারস্পরিক অধিকার ও দায়িত্ব চুক্তির মাধ্যমে নির্ধারণ করা যায়।

🎯যৌথ ব্যবসার জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র
চেকলিস্ট- বিষয় কী কী রাখা উচিত

১. পার্টনারদের পরিচয় NID/পাসপোর্টের কপি, ছবি, বর্তমান ও স্থায়ী ঠিকানা, মোবাইল নম্বর
২. Partnership Deed ব্যবসার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ মূল চুক্তিপত্র
৩. মূলধনের প্রমাণ কে কত টাকা/সম্পদ বিনিয়োগ করেছেন—ব্যাংক ট্রান্সফার/রসিদ
৪. মালিকানার অনুপাত ৫০:৫০, ৬০:৪০ বা অন্য অনুপাত লিখিতভাবে
৫. লাভ-লোকসান বণ্টন লাভ ও লোকসান কী অনুপাতে হবে
৬. দায়িত্ব বণ্টন কে ক্রয়, বিক্রয়, হিসাব, ব্যাংক, কর্মী ও পরিচালনা দেখবেন
৭. ব্যাংক হিসাব ব্যবসার নামে আলাদা ব্যাংক অ্যাকাউন্ট; কারা স্বাক্ষর করবেন
৮. টাকা তোলার নিয়ম কত টাকা পর্যন্ত একজন পার্টনার এককভাবে খরচ করতে পারবেন
৯. হিসাবরক্ষণ মাসিক/ত্রৈমাসিক হিসাব, ব্যাংক স্টেটমেন্ট ও অডিট/হিসাব যাচাই
১০. ঋণ ও দায় ব্যবসার ঋণ কে অনুমোদন করবেন এবং দায় কীভাবে বহন হবে
১১. সম্পদের মালিকানা জমি, গাড়ি, মেশিন, স্টক বা অন্যান্য সম্পদ কার/ফার্মের
১২. নতুন পার্টনার নতুন অংশীদার নেওয়ার পদ্ধতি
১৩. পার্টনার বের হলে শেয়ার/মূলধন কীভাবে ফেরত দেওয়া হবে
১৪. মৃত্যু/অক্ষমতা কোনো পার্টনার মারা গেলে বা ব্যবসা ছাড়লে তার অংশের নিষ্পত্তি
১৫. বিরোধ নিষ্পত্তি আলোচনা → মধ্যস্থতা/সালিশ → প্রয়োজনে আদালত—পদ্ধতি নির্ধারণ
১৬. ব্যবসা বন্ধ ব্যবসা বন্ধ হলে সম্পদ, দেনা ও অবশিষ্ট টাকা কীভাবে ভাগ হবে
১৭. গোপনীয়তা ব্যবসার তথ্য, কাস্টমার, মূল্য ও হিসাব অন্যত্র ব্যবহার না করার শর্ত
১৮. প্রতিযোগী ব্যবসা পার্টনার থাকাকালে একই/সংঘাতপূর্ণ ব্যবসা করার বিষয়ে নিয়ম

☢️সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ: Partnership Deed-এ কী থাকবে?
একটি ভালো Partnership Deed-এ অন্তত এগুলো রাখুন:↪️

🛄ফার্মের নাম ও ঠিকানা
🛄ব্যবসার ধরন
🛄প্রত্যেক অংশীদারের নাম ও পরিচয়
🛄কে কত মূলধন দেবেন
🛄কার #মালিকানা কত শতাংশ
🛄লাভ-লোকসানের অনুপাত
🛄প্রত্যেকের দায়িত্ব ও ক্ষমতা
🛄ব্যাংক হিসাব পরিচালনার নিয়ম
🛄ব্যবসা থেকে পার্টনারের বেতন/ভাতা/ড্রয়িংস
🛄বড় অঙ্কের খরচ বা ঋণের অনুমোদন
🛄সম্পদ কেনা-বেচার নিয়ম
🛄নতুন পার্টনার নেওয়ার নিয়ম
🛄পার্টনারের অবসর/বহিষ্কার/মৃত্যুর পর ব্যবস্থা
🛄 #ব্যবসা_বিক্রি বা বন্ধ করার নিয়ম
🛄 #বিরোধ নিষ্পত্তির পদ্ধতি
🛄 #চুক্তি পরিবর্তনের পদ্ধতি
🛄প্রত্যেক পার্টনারের স্বাক্ষর ও সাক্ষী

🔴আইন অনুযায়ী অংশীদারদের দায়িত্বের মধ্যে সৎভাবে ব্যবসা পরিচালনা এবং সঠিক হিসাব ও পূর্ণ তথ্য অন্য অংশীদারকে দেওয়ার বিষয়ও রয়েছে।

🟠ব্যবসাটি Partnership Firm হিসেবে নিবন্ধন করলে
RJSC-এর তথ্য অনুযায়ী Partnership-এর জন্য Form-I, Form-II, Form-V ও Form-VIসহ নির্ধারিত ফরম রয়েছে।

🟡Partnership Act-এর ধারা ৫৮ অনুযায়ী নিবন্ধনের আবেদনে ফার্মের নাম, প্রধান ব্যবসাস্থল, অংশীদারদের যোগদানের তারিখ, পূর্ণ নাম-ঠিকানা এবং ফার্মের মেয়াদসহ তথ্য দিতে হয়।

🟢আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, নিবন্ধিত না থাকা Partnership Firm-এর ক্ষেত্রে চুক্তিজনিত অধিকার আদালতে কার্যকর করার ক্ষেত্রে আইনে সীমাবদ্ধতা রয়েছে।

⭐ নতুন উদ্যোক্তার জন্য সবচেয়ে নিরাপদ ফাইল
“Joint Business Document File” নামে একটি ফাইল রাখুন:
🔻
NID → → → → → TIN/ (প্রযোজ্য হলে) → → হিসাববই → List → /Decision Record
🔺
🔹বিশেষ করে জমি, দোকান, ভবন, বড় মেশিন বা কয়েক কোটি টাকার বিনিয়োগ থাকলে শুধু সাধারণ চুক্তিপত্র না করে আইনজীবী/নোটারি/প্রযোজ্য ক্ষেত্রে সাব-রেজিস্ট্রারের মাধ্যমে দলিলের কাঠামো যাচাই করা ভালো। #ব্যাংক অর্থায়নের ক্ষেত্রেও Deed, RJSC registration, Trade Licence এবং অংশীদারদের আর্থিক/গ্যারান্টি সংক্রান্ত নথি চাওয়া হতে পারে।

27/09/2026

হ্যাঁ, এই কথাগুলো শুধু আপনার জন্যই 🙂

অতিরিক্ত দেরি হওয়ার আগেই জীবনের এই গভীর ও চরম সত্যগুলো জেনে নিন 👇

১. কার জীবনে আপনার স্থান কতটুকু তা আগেভাগে উপলব্ধি করুন, যেন অতিরিক্ত আগ্রহ দেখিয়ে নিজের সীমা অতিক্রম করতে না হয়।

২. কে আসল পরিবার, কে সত্যিকারের বন্ধু, কে আসল জীবনসঙ্গী আর কে শুধুই ক্ষণিকের যাত্রী, তা সঠিকভাবে চেনার জন্য মাঝেমধ্যে জীবনে কঠিন সময়ের মধ্য দিয়ে যাওয়া প্রয়োজন।

৩. কবরস্থানে চিরনিদ্রায় থাকা মানুষগুলোরও ভবিষ্যৎ নিয়ে অনেক বড় পরিকল্পনা ছিল, তাই সব দ্বিধা ভুলে আজ থেকেই নিজের জীবন প্রাণভরে উপভোগ করুন।

৪. যেসব প্রাপ্তির জন্য একসময় প্রার্থনা করেছেন ও অক্লান্ত পরিশ্রম করেছেন, সেগুলো হুট করে খুব দ্রুত ঘটে যেতে দেখলে অবাক হবেন না, কারণ এই সফলতার যোগ্য আপনি।

৫. সবার বোঝা বয়ে বেড়ানো গাধা হওয়ার চেয়ে আত্মসম্মান নিয়ে চলা নেকড়ে হওয়া অনেক সম্মানের, কারণ আত্মমর্যাদা সবকিছুর ঊর্ধ্বে।

৬. আমরা প্রায়ই রাতের আকাশের জ্বলজ্বলে তারার রূপ দেখে মুগ্ধ হই, কিন্তু ভুলে যাই যে পেছনের ঘুটঘুটে অন্ধকারই মূলত সেই তারাকে দৃশ্যমান করে তুলেছে।

৭. মানুষ কখনো সরাসরি নিজের ভবিষ্যৎ ঠিক করতে পারে না, মানুষ গড়ে তোলে তার অভ্যাসগুলো এবং পরবর্তীতে সেই অভ্যাসগুলোই তার ভবিষ্যৎ গড়ে দেয়।

৮. যে ব্যক্তি আপনার জুতো পরে আপনার জীবনসংগ্রামের পথ ধরে হাঁটেনি, তাকে কখনো আপনার জুতোর ফিতা কীভাবে বাঁধতে হবে সেই জ্ঞান দিতে দেবেন না।

৯. সমাজে ৩০ বছর বয়স হলে মানুষ কাউকে বেশি বয়সী ভাবতে শুরু করে, আবার কেউ ৩০ বছর বয়সে মারা গেলে বলে বড্ড অল্প বয়সেই চলে গেল, তাই সমাজের অযৌক্তিক চাপে নিজের ওপর মানসিক চাপ বাড়াবেন না।

পোস্টটি নিজের ওয়ালে সেভ ও শেয়ার করে রাখতে পারেন 🙂

24/09/2026

টাকা নাই বলে ব্যবসা করতে পারতেছি না এই কথাটা প্লিজ বাইরে আর কাউকে বলতে যাইয়েন না।
মানুষ মুখে সান্ত্বনা দিলেও পেছনে কিন্তু হাসে।

কারণ সবাই জানে সমস্যাটা আপনার পকেটে না, সমস্যা আপনার মাথায়।

একটু তিতা সত্য বলি?

কাল সকালে যদি আপনার একাউন্টে ৫ লাখ টাকা পাঠিয়ে দেওয়া হয়, আপনি কী করবেন জানেন?

সোজা গিয়ে একটা দোকান বা অফিস ভাড়া নেবেন।

দেড় লাখ টাকা ডেকোরেশনে উড়াবেন।

এসি লাগাবেন।

ভিজিটিং কার্ড ছাপাবেন।

আর বন্ধুদের বিরিয়ানি খাইয়ে উদ্বোধন করবেন।

এরপর?

তিন মাস কাস্টমারের অপেক্ষায় মাছি মারবেন।

আর চার মাসের মাথায় শাটার নামিয়ে ফেসবুকে পোস্ট দেবেন,
"মার্কেট বড় খারাপ ভাই, দেশে ব্যবসার পরিবেশ নাই!"

টাকা ব্যবসা শুরু করে না ভাই।

টাকা ব্যবসার গতি বাড়ায়।

যার কাছে সাইকেল চালানোর ব্যালেন্স নাই, তার হাতে সাড়ে তিন লাখ টাকার ইয়ামাহা R15 তুলে দিলে সে এক্সিডেন্টই করবে।

ব্যবসা কী জানেন?

একদম সোজা হিসাব কারো একটা জ্বলন্ত সমস্যা খুঁজে বের করে সেটার সমাধান দেওয়া।

ভোর ৪টায় কাওরান বাজারে দাঁড়িয়েছেন কখনো?

বহু পোলাপান আছে, পকেটে ৫০০ টাকাও নাই।

তারা শুধু আড়তদার আর পাইকারের মাঝখানে দাঁড়িয়ে এক ট্রাক সবজি এদিক থেকে ওদিক হ্যান্ডওভার করিয়ে দিয়ে সকাল ৮টার মধ্যে ৩-৪ হাজার টাকা প্রফিট নিয়ে নাস্তা করতে বসে।

তাদের তো দোকান নাই।

গোডাউন নাই।

বাপের কোটি টাকাও নাই।

তাহলে তাদের কী আছে?

১. ভোর ৪টায় বিছানা ছাড়ার ডিসিপ্লিন।

২. পণ্যের কোয়ালিটি চেনার চোখ।

৩. আর মানুষের সাথে কথা বলে ডিল ফাইনাল করার সাহস।

আসলে আমাদের সমস্যা কী জানেন?

আমরা শুরুতেই 'মালিক' সাজতে চাই।

শুরুতেই টেবিলে পা তুলে এসি রুমে বসতে চাই।

আমরা লজ্জা পাই মানুষের দ্বারে দ্বারে গিয়ে কথা বলতে।

আমরা ভয় পাই কেউ 'না' করে দিলে সেই অপমান সহ্য করতে।

আর এই নিজের অলসতা আর অহংকার ঢাকার জন্য আমরা সবচেয়ে মিষ্টি একটা অজুহাত খুঁজে নিই
"আমার তো ভাই পুঁজিপাটা নাই!"

টাকা কোনো সমস্যা না।

বাজারে কোটি কোটি টাকা অলস পড়ে আছে।

সমস্যা হলো আপনার এমন কোনো স্কিল বা নেটওয়ার্ক নাই, যা দেখে কেউ আপনার ওপর আস্থা রাখবে।

বুকে হাত দিয়ে বলেন তো,

আপনার আসলেই টাকার অভাব?

নাকি মাঠে নেমে জুতা ক্ষয় করার সৎ সাহসের অভাব?

ভালো লাগলে আইডিটা ফলো দিয়ে পাশে থাকবেন,
আপনাদের সাথে নিয়েই এগিয়ে যেতে চাই।

(লেখা ও ছবি: মাওলানা আব্দুল্লাহ বিন হাসান। আইডি লিংক কমেন্টে। ভালো লেগেছে বলে আমি শেয়ার দিলাম। )

23/09/2026

প্রিয় ভাই ও বোনেরা, এ যুগের মানুষ হিসাবে আপনাদের কিছু হেলথি অভ্যাস থাকা উচিত। অভ্যাস গঠন করাও খুব কঠিন কিছু না। ২১ দিন নিয়মিত একটা কাজ করেন। দেখবেন সেই কাজটাই আপনার জীবনের অংশ হয়ে গেছে।

সুবিধা অনুযায়ী নিচের এই জিনিসগুলো নিজের লাইফে ইমপ্লিমেন্ট করা শুরু করেন।

১/ হাঁটার অভ্যাস করেন। এ যুগের মানুষ সবচেয়ে বেশি হারিয়েছে হাঁটার অভ্যাস। অফিসে বসে কাজ, বাসায় এসে সোফায় বসা, তারপর বিছানায় শুয়ে ফোন। পুরো দিন চলে যায়, কিন্তু শরীর ঠিকমতো নড়েই না। অথচ আল্লাহ আমাদের শরীরটাই বানিয়েছেন চলার জন্য। প্রতিদিন অন্তত ৩০ থেকে ৬০ মিনিট হাঁটেন। রক্ত চলাচল ভালো থাকবে। স্ট্রেস কমবে। ব্রেনে নতুন চিন্তা আসবে। অনেক সময় যে সিদ্ধান্তটা টেবিলে বসে নিতে পারেন না, সেটা একা হাঁটতে হাঁটতেই মাথায় চলে আসে। হাঁটাকে কষ্ট ভাববেন না। হাঁটাকে নিজের জীবনের অংশ বানান।

২/ ঘুমকে সবচেয়ে বেশি প্রায়োরিটি দিবেন। এই যুগে মানুষ সবচেয়ে বেশি অন্যায় করে নিজের ঘুমের সাথে। রাত দুইটা পর্যন্ত ফোন চালাবে। সিরিজ দেখবে। বন্ধুদের সাথে চ্যাট করবে। তারপর সকালে উঠে বলবে, শরীর ভালো লাগে না, কোনো কাজেই মন বসে না। ব্রাদার এন্ড সিস্টার্স, শরীর কি আপনার শত্রু? আপনি যদি প্রতিদিন তাকে বিশ্রাম না দেন, একদিন সে নিজেই বিশ্রাম নিতে বাধ্য করবে। ৭ থেকে ৮ ঘণ্টা ঘুম নিশ্চিত করেন। পৃথিবীর সবচেয়ে সস্তা ওষুধের নাম ঘুম। কিন্তু মানুষ সবচেয়ে বেশি অবহেলা করে এই ওষুধটাই।

৩/ ফোন ব্যবহার করেন উদ্দেশ্য নিয়ে। ফোন এখন মানুষের প্রয়োজনের চেয়ে অভ্যাস বেশি হয়ে গেছে। অনেকেই ফোন হাতে নেওয়ার পাঁচ মিনিট পরে ভুলে যায় কেন ফোনটা হাতে নিয়েছিল। তারপর এক রিলস, দুই রিলস, তিন রিলস করতে করতে এক ঘণ্টা শেষ। মনে রাখবেন, সোশ্যাল মিডিয়া কোম্পানিগুলো আপনার সময় বিক্রি করে টাকা আয় করে। আপনি যত বেশি স্ক্রল করবেন, তারা তত বেশি লাভ করবে। তাই ফোন খুলার আগে নিজের কাছে একটা প্রশ্ন করেন। আমি এখন কেন ফোনটা খুলছি? কারণ পরিষ্কার না থাকলে ফোন আপনার সময়ও নিবে, মনোযোগও নিবে।

৪/ পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়েন। অনেকেই মনে করেন নামাজ শুধু আখিরাতের জন্য। আমি বলবো, দুনিয়ার জন্যও। দিনে পাঁচবার সব কাজ থামিয়ে আল্লাহর সামনে দাঁড়ানোর মধ্যে এক ধরনের মানসিক প্রশান্তি আছে। মন খারাপ, ব্যবসায় লস, সংসারে সমস্যা, চাকরির চাপ, সবকিছুর মাঝেও নামাজ মানুষকে আবার দাঁড়ানোর শক্তি দেয়। অজুহাত কমান। শুরু করেন। প্রথমে কষ্ট হবে। তারপর দেখবেন, যে কাজটা কঠিন লাগতো, সেটাই একদিন সবচেয়ে সহজ অভ্যাস হয়ে গেছে।

৫/ সেভিংস করার অভ্যাস করেন। স্টুডেন্ট জীবন থেকেই করেন। অল্প হলেও করেন। অনেক মানুষ ভালো টাকা আয় করে, কিন্তু মাস শেষে হাতে কিছুই থাকে না। কারণ, আয় বাড়ার সাথে সাথে খরচও বাড়িয়ে ফেলে। মনে রাখবেন, টাকা আপনার স্বাধীনতা। টাকা থাকলে অনেক সিদ্ধান্ত নিজের ইচ্ছায় নিতে পারবেন। টাকা না থাকলে অনেক সিদ্ধান্ত অন্যের ইচ্ছায় নিতে হয়। তাই শুধু আয় বাড়ানোর চিন্তা কইরেন না। টাকা ধরে রাখার অভ্যাসও গড়ে তোলেন। তারপর শেখেন, বুঝেন, ইনভেস্ট করেন।

৬/ ঘুমানোর অন্তত ৩০ মিনিট আগে ফোন দূরে রাখেন। ঘুমানোর ঠিক আগে মোবাইল চালানো এখন মানুষের সবচেয়ে খারাপ অভ্যাসগুলোর একটা। অনেকেই বলে, আর পাঁচ মিনিট দেখি। সেই পাঁচ মিনিট কখন এক ঘণ্টা হয়ে যায়, নিজেরাও বুঝে না। তারপর মাথা ভার লাগে, সকালে উঠতে কষ্ট হয়। ঘুমানোর আগে বই পড়েন। পরিবারের মানুষের সাথে দুইটা কথা বলেন। বারান্দায় দাঁড়িয়ে একটু আকাশ দেখেন। দিনের শেষটা স্ক্রিন দিয়ে না, নিজের মনকে শান্ত করে শেষ করেন।

৭/ খাওয়ার পরে ১০ থেকে ১৫ মিনিট হাঁটেন। অনেকেই ভাত খেয়েই বিছানায় শুয়ে যায়। আবার কেউ ফোন নিয়ে বসে যায়। এই অভ্যাসটাই ধীরে ধীরে শরীরের ক্ষতি করে। খাওয়ার পরে একটু হাঁটেন। খুব বেশি না। মাত্র ১০ থেকে ১৫ মিনিট। দেখবেন হজম ভালো হচ্ছে। গ্যাসের সমস্যা কমে যাচ্ছে। শরীরও ভারী লাগছে না। ছোট ছোট অভ্যাসই বড় বড় রোগ থেকে মানুষকে দূরে রাখে।

৮/ সবজি বেশি খান। এই যুগে মানুষ খাবারের স্বাদ দেখে বেশি, গুণ দেখে কম। জিহ্বা যা চায়, সেটাই খেতে চায়। কিন্তু শরীরের চাহিদা আর জিহ্বার চাহিদা এক না। ভাত একটু কম খান। সবজি বেশি খান। চিনি কমানোর চেষ্টা করেন। কোমল পানীয় বাদ দেন। মনে রাখবেন, আজ যা খাচ্ছেন, পাঁচ বছর পরে আপনার শরীর সেটারই রিপোর্ট কার্ড দেখাবে।

৯/ প্রতিদিন অন্তত এক ঘণ্টা নতুন কিছু শেখেন। যার শেখা বন্ধ, তার উন্নতিও বন্ধ। চাকরি করেন, ব্যবসা করেন, স্টুডেন্ট হন, কোনো সমস্যা নাই। প্রতিদিন অন্তত এক ঘণ্টা নিজের জন্য রাখেন। একটা বই পড়েন। নতুন একটা স্কিল শেখেন। একটা ভাষা শেখেন। পৃথিবী খুব দ্রুত বদলাচ্ছে। আপনি যদি না বদলান, পৃথিবী আপনাকে পিছনে ফেলে দিবে। জিন্দা লাশ হওয়া যাবে না।

১০/ সকালটা যতটা সম্ভব শান্ত রাখেন। ঘুম থেকে উঠেই ফোন হাতে নিবেন না। কে কী পোস্ট দিল, কে কী বললো, কোন নিউজ আসলো, এগুলো দিয়ে দিন শুরু করবেন না। সকালটা নিজের জন্য রাখেন। একটু হাঁটেন। কোরআন পড়েন। নামাজ পড়েন। দিনের পরিকল্পনা করেন। সকাল যেমন শুরু হয়, অনেক সময় পুরো দিনটাও তেমন কাটে।

১১/ পর্যাপ্ত পানি পান করেন। শরীর অনেক সময় পানি চায়, আমরা বুঝি ক্ষুধা লাগছে। তারপর অপ্রয়োজনীয় খাবার খেয়ে ফেলি। অনেকেই সারাদিনে দুই গ্লাস পানিও খায় না। অথচ পানি শরীরের সবচেয়ে বড় প্রয়োজনগুলোর একটা। সফট ড্রিংকস, চা কিংবা কফি পানির জায়গা নিবে না। পানি পানির জায়গাতেই রাখেন।

১২/ ভালো মানুষের সাথে সময় কাটান। সব অসুস্থতা শরীরে হয় না। কিছু অসুস্থতা মানুষের সঙ্গ থেকেও আসে। সারাদিন যদি নেগেটিভ মানুষদের সাথে থাকেন, একসময় আপনিও নেগেটিভ হয়ে যাবেন। আবার যাদের স্বপ্ন আছে, ডিসিপ্লিন আছে, শেখার আগ্রহ আছে, তাদের সাথে থাকলে আপনিও বদলাতে শুরু করবেন। মানুষ তার আশেপাশের পাঁচজন মানুষের গড় হয়ে যায়।

১৩/ রাগ জমিয়ে রাখেন না। রাগ, অভিমান আর কষ্ট বুকে জমিয়ে রাখলে সবচেয়ে বেশি ক্ষতি আপনারই হয়। অনেক মানুষ বাইরে হাসে, ভিতরে পুড়ে। এই আগুন একদিন শরীরেও প্রভাব ফেলে। ক্ষমা করতে শেখেন। সব মানুষের জন্য না। নিজের শান্তির জন্য। মনে রাখবেন, শান্তিতে ঘুমাতে পারাও একটা বড় নেয়ামত।

১৪/ প্রতি চার মাসে অন্তত একবার কোথাও ঘুরতে যাওয়ার প্ল্যান করেন। খুব দূরে যেতে হবে না। জেলার বাইরে, গ্রামের বাড়ি, নদীর পাড়, পাহাড় কিংবা সমুদ্র, যেখানেই হোক। একই ঘর, একই অফিস, একই রাস্তা আর একই রুটিনের মধ্যে জীবন আটকে রাইখেন না। হাওয়া বদল খুবই জরুরি। অনেক সময় জায়গা বদলালেই মন বদলে যায়। নতুন জায়গা মানুষকে নতুন শক্তি দেয়।

১৫/ প্রতিদিন অন্তত ১৫ মিনিট নিজের সাথে সময় কাটান। কোনো ফোন না। কোনো মানুষ না। শুধু আপনি। নিজের জীবনটা নিয়ে ভাবেন। কোথায় আছেন, কোথায় যেতে চান, কী ভুল করছেন, কী ঠিক করছেন। আমরা সবার খবর রাখি, কিন্তু নিজের খবর রাখি না। যে মানুষ নিজের সাথে বসে না, একদিন সে নিজের জীবনটাই অন্যের ইচ্ছামতো কাটিয়ে দেয়।

সবচাইতে গুরুত্বপূর্ণ কথা এখন বলবো। স্বাস্থ্য আল্লাহর অনেক বড় নেয়ামত। এই নেয়ামতের মূল্য মানুষ তখনই বুঝে, যখন সেটা হারিয়ে ফেলে।

তাই হাসপাতালে যাওয়ার আগে শরীরের যত্ন নেন। ওষুধ খাওয়ার আগে অভ্যাস বদলান। মনে রাখবেন, ভালো অভ্যাসের কষ্ট কয়েক দিনের। কিন্তু খারাপ অভ্যাসের শাস্তি অনেক সময় সারাজীবনের।

22/09/2026

বাংলাদেশে ব্যবসা করা খুব সহজ।

কোনো নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করলে।

কিছু একটা পণ্য নিয়ে ফুটপাতে দাঁড়িয়ে যান। ক্রেতা জুটে যাবে।

একটা ভ্যান এ পণ্য সাজিয়ে রাস্তায় দাঁড়িয়ে যান। মানুষ আপনার সব মাল কিনে নিয়ে যাবে।

হকারদের জন্য এ দেশের সরকার আলাদা মার্কেটের আয়োজন করে। ঢাকা তো হকারদেরই শহর।

একটা ছোটখাটো দোকান দিয়ে দেন। সুন্দর ব্যবসা হবে।

অনলাইনে সুঁই থেকে শুরু করে জামা-কাপড়, জুতা সবই বেচতে পারবেন।

বাংলাদেশের বেশিরভাগ ওষুধের দোকানের ড্রাগ লাইসেন্স নাই।

এদেশের বেশিরভাগ ব্যবসা এভাবেই চলে।

ট্রেড লাইসেন্স নাই, টিন নাই, বিন নাই, ট্যাক্স দেয় না, যা খুশি তাই বেচে, নকল-ভেজাল-বিষ কোনো চ্যাতবোধ নাই।
বাংলাদেশে ব্যবসা করা খুব কঠিন।

নিয়ম মানতে গেলে।

আরজেএসসি থেকে নেম ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট নিতে হবে।

ট্রেড লাইসেন্স নিতে হবে। ট্রেড লাইসেন্স ইস্যু করে ইউপি চেয়ারম্যান, পৌরসভার চেয়ারম্যান কিংবা সিটি কর্পোরেশনের কমিশনার।

এরপরে নিতে হবে টিন। সেটা ইস্যু করে এনবিআর। ট্যাক্স এর কাজে লাগে টিন।

এরপরে নিতে হবে বিন। সেটাও ইস্যু করে এনবিআর। এটা ভ্যাট এর কাজে লাগে।

এরপরে নিতে হবে ট্রেড বডি'র মেম্বারশিপ।

এরপরে নিতে হবে ফায়ার লাইসেন্স।

এরপরে নিতে হবে পরিবেশ সনদ।

এরপরে নিতে হবে আমদানির জন্য আইআরসি, রপ্তানির জন্য ইআরসি।

এরপরে নিতে হবে বিএসটিআইয়ের সনদ।

এরপরে নিতে হবে প্রযোজ্য অন্যান্য সার্টিফিকেট।

এই প্রতিটি ধাপে ঘুষ দিতে হয়, চান্দা দিতে হয়।

ব্যবসা শুরু করার পর আবার আরেক সেট জটিলতা!

এই কত্তোপোকখো, সেই কত্তিপোকখের হম্বিতম্বি...।

শুল্ক দাওরে, ট্যাক্স দাওরে, ভ্যাট দাওরে, কমার্শিয়াল রেটে ইউটিলিটি বিল দাও রে।

যেই ব্যাটা নিয়ম মেনে ব্যবসা করবে, তার কস্ট অফ গুডস (উৎপাদন খরচ) হয়ে যাবে যে নিয়ম মেনে ব্যবসা করেনা, তার সেলিং প্রাইসের (বিক্রয়মূল্য) চেয়েও বেশি।

এখন, এই নিয়ম মানা বুজরুক কি লসে মাল বেচবে? সে কি বাপের তালুক বেচে ব্যবসার লস সামলাবে?
বাংলাদেশে যারা নিয়ম মেনে ব্যবসা করতে চাইবে, তাদেরকে বাপের তালুক বেচা টাকাপয়সা খরচ করে ব্যবসা করতে হবে। কপালে দু:খের সীমা পরিসীমা থাকবে না।

আর, যারা নিয়মকে দুচে দেয়, তারা দিব্যি করে-কর্মে খেতে পারে। এরা প্রতি পদক্ষেপের দেশপ্রেমের মা'কে খালা বলে দেয়।
এনবিআর টিনও ইস্যু করে, বিনও ইস্যু করে। আমার প্রশ্ন হলো- একটা কত্তিপোকখো কেনো দুই রকম নাম্বার ইস্যু করবে?

মাল কামাইতে?

-চন্দন আজিজ

18/09/2026

ব্যবসায় আসার আগে নিজেকে একটা প্রশ্ন করুন—
আপনি কি প্রতিদিন এমন সমস্যার সঙ্গে লড়তে প্রস্তুত, যার অস্তিত্ব সম্পর্কে গতকালও আপনি জানতেন না?

যদি উত্তর “না” হয়, তাহলে ব্যবসায় আসার আগে আরেকবার ভাবুন।

ব্যবসা শুধু টাকা বানানোর খেলা নয়।
ব্যবসা হলো প্রতিদিন নতুন নতুন অনিশ্চয়তার সঙ্গে আড্ডা দেওয়া।

আজ বাজারের সমস্যা, কাল ক্যাশফ্লো।
আজ কর্মচারীর সমস্যা, কাল কাস্টমারের।
আজ লাভের আশা, কাল হঠাৎ বড় ক্ষতি।
আপনি যতই পরিকল্পনা করুন, বাস্তবতা প্রতিদিন নতুন প্রশ্ন নিয়ে হাজির হবে।

ব্যবসায় সবচেয়ে বড় পরীক্ষা আপনার পুঁজি নয়—
আপনার মানসিক স্থিতিশীলতা।

কারণ এমন দিন আসবে, যেদিন কোনো উত্তর আপনার জানা থাকবে না।
তবুও সিদ্ধান্ত নিতে হবে।

ভয় থাকবে—তবুও এগোতে হবে।
ক্ষতি হবে—তবুও হিসাব বুঝতে হবে।
পরিকল্পনা ব্যর্থ হবে—তবুও নতুন পথ খুঁজতে হবে।

যে মানুষ অনিশ্চয়তার সঙ্গে বসে থাকতে পারে, চাপের মধ্যে সিদ্ধান্ত নিতে পারে এবং পড়ে গিয়ে আবার দাঁড়াতে পারে—ব্যবসা তার জন্য।

আর যে মানুষ শুধু সফল উদ্যোক্তার গল্প শুনে ব্যবসায় আসতে চায়, কিন্তু ব্যর্থতার রাতগুলো সহ্য করার প্রস্তুতি নেই—

তার জন্য ব্যবসা নয়।

কারণ ব্যবসা আপনাকে প্রথমে টাকা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেয় না।

ব্যবসা প্রথমে আপনাকে পরীক্ষা করে।
তারপর আপনি টিকে থাকতে পারলে—তবেই পুরস্কার দেয়।

17/09/2026

আগামি ৩০ বছরে ঘটতে যাওয়া ঘোরতর সম্ভ্যাব্য দুটি বিপদসংকেত দিচ্ছি।

১) আর্টিফিসিয়াল ইন্টেলিজেন্স!

সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের একটি ব্যাংক মাত্র ৫ মিনিটের নোটিশে কাস্টোমার সার্ভিস ডিপার্টমেন্টের ৮০ জনকে চাকরি থেকে অব্যাহতি দিয়েছে!

দিস ইজ জাস্ট দ্যা বিগিনিং।

ট্রেডিশনাল বিবিএ, ইইই, সিএসইর মত সাব্জেক্ট গুলো নিয়ে যারা উচ্চতর ডিগ্রি লাগ করছেন, সামনে খুব খারাপ দিন অপেক্ষা করছে।

বেকারত্বের হার মহামারী অব্দি চলে যাবে কারণ কোম্পানি গুলোর দৈনন্দিন কাজের জন্য বিভিন্ন সফটওয়ারের সাবস্ক্রিপশান কিনলেই হবে, হাজার হাজার টাকা দিয়ে ৫ জন স্টাফ রাখার কোনো প্রয়োজন পড়বেনা।

বর্তমান সভ্যতা এখনো আচ করতে পারছেনা যে AI এর ভয়াবহতা কোন পর্যায়ে পৌছাবে।

বেকারত্বের ফলে সামাজিক অবক্ষয় অলটাইম ক্রিটিক্যাল লেভেলে গিয়ে ঠেকবে।

বেশি না। ৩০ বছর হয়ত সর্বোচ্চ। হয়ত বেশি বলে ফেললাম।

উত্তরণের উপায় কি?

২০২৫ থেকে যাদের জম্ম, অর্থাৎ জেনারেশান বিটা থেকে, AI এর নির্ভরতা কম এমন সব সেক্টরের দিকে ঝুকে পড়ার টেন্ডেন্সি ক্রিয়েট করতে হবে। এর জন্য লংটার্ম পরিকল্পনা গ্রহণ করতে হবে।

শুরুতে বলেছি দুটি মহাবিপদ সংকেত। একটি বললাম AI, আরেকটি কি?

২) ভুমিকম্প!

বাংলাদেশ তিনটি গতিশীল টেকটোনিক প্লেটের (ইন্ডিয়ান, ইউরেশিয়ান এবং বার্মা প্লেট) সংযোগস্থলে অবস্থিত হওয়ায় এখানে মাটির নিচে প্রচুর শক্তি জমা হয়ে আছে।

কারণ, গত ১০০ থেকে ১৫০ বছরে এই অঞ্চলে বড় কোনো এনার্জি রিলিজ বা বড় ভূমিকম্প না হওয়ায় মাটির নিচে ভয়াবহ চাপ জমা হয়ে রয়েছে, যা যেকোনো সময় বড় কম্পন সৃষ্টি করতে পারে।

দেশের বিভিন্ন স্থানে ঘন ঘন মৃদু থেকে মাঝারি মাত্রার ভূমিকম্প হওয়াকে বিশেষজ্ঞরা একটি বড় ভূমিকম্পের পূর্বাভাস বা ‘ফোরশক’ (Foreshock) হিসেবে দেখছেন।

বুয়েটের গবেষণা বলছে, ৭ মাত্রার বেশি যেকোনো ভূমিকম্পে রাজধানী ঢাকার প্রায় ৪০% থেকে ৫০% বহুতল ভবন মারাত্মক ঝুঁকিতে রয়েছে এবং একটি বড় ভূমিকম্পে প্রায় ৭২,০০০ ভবন ধসে পড়তে পারে!

৭২,০০০!

আশংকা রয়েছে, মাত্র কয়েক মিনিটেই কম্পনেই ৩ থেকে ৪ লাখ মানুষের প্রাণহানি ঘটবে!

৩-৪ লাখ!

প্রতকার কি?

একমাত্র উপায়: নতুন ভবন তৈরির সময় বাধ্যতামূলকভাবে বাংলাদেশ ন্যাশনাল বিল্ডিং কোড (BNBC) মেনে চলতে হবে।

আর সব থেকে বড় যে ব্যাপারটা দরকার পুরানো ও চরম ঝুঁকিপূর্ণ ভবনগুলো চিহ্নিত করে সেগুলো এবান্ডন এর ব্যবস্থা করা, অথবা 'রেট্রোফিটিং' (Retrofitting) এর মাধ্যমে শক্তিশালী করা।

আমার জানা মতে এসংক্রান্ত গবেষণার রিপোর্টগুলো শুধু সভা সেমিনারেই সীমাবদ্ধ থাকে।

এখনো হয়ত সময় আছে। দ্রুত এগুলো নিয়ে ন্যাশনাল টাস্কফোর্স গঠন করে কাজ শুরু করতে হবে।

17/09/2026

আমার আগের একটা পোস্টে আমি বলেছিলাম, নিজস্ব বাড়ি আছে এমন মানুষের জন্য সহজ অর্থায়নে Solar System বসানোর সুযোগ তৈরি করা গেলে একই সঙ্গে মানুষের বিদ্যুৎ খরচ কমবে, Load Shedding-এর চাপ কমবে এবং অতিরিক্ত বিদ্যুৎ Grid-এ দেওয়া সম্ভব হবে।

এখন প্রশ্ন হচ্ছে, আইডিয়াটা যদি এত সরল হয় তাহলে এটা বড় পরিসরে বাস্তবায়ন করা কঠিন কেন?

কারণ সোলার প্যানেল বসানো সহজ অংশ। কঠিন অংশ হচ্ছে পুরো ফাইন্যান্সিয়াল, টেকনিক্যাল এবং অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ ইকোসিস্টেমটা একসঙ্গে কাজ করানো।

মজার বিষয় হলো, এরকম একটি মডেলের দিকে ইতিমধ্যেই কাজ শুরু হয়েছে।

IDCOL-এর প্রস্তাবিত Domestic Rooftop Solar প্রোগ্রাম অনুযায়ী, বাড়ির মালিক সিস্টেম কস্টের ২০% ডাউন পেমেন্ট দিতে পারেন, ডিমান্ড অ্যাগ্রিগেটর ২০% ইকুইটি দেবে এবং বাকি ৬০% IDCOL রিফাইন্যান্স করবে। হোমওনারের জন্য পাঁচ বছরের রিপেমেন্ট মডেল নিয়ে কাজ হচ্ছে।

উদাহরণ হিসেবে 5 kW সোলার এবং প্রায় 3-hour ব্যাকআপসহ একটি প্যাকেজের আনুমানিক খরচ প্রায় ২ লাখ টাকা বলা হয়েছে।

অর্থাৎ প্রায় ৪০ হাজার টাকা ইনিশিয়াল পেমেন্ট দিয়ে সিস্টেম নেওয়ার মতো মডেল বাস্তবেই ডিজাইন করা হচ্ছে।

কিন্তু এখান থেকেই আসল কাজ শুরু।

প্রথম বাধা ফাইন্যান্সিং।

সুদমুক্ত ঋণ বললেই ঋণ সুদমুক্ত হয়ে যায় না। ব্যাংকের ফান্ডের একটা কস্ট আছে। সেই কস্ট কে বহন করবে?

সরকার?
বাংলাদেশ ব্যাংক রিফাইন্যান্স করবে?
IDCOL করবে?
নাকি কোনো রিস্ক শেয়ারিং ফান্ড থাকবে?

বাংলাদেশের ব্যাংকিং খাতে খেলাপি ঋণের পরিস্থিতিও ভালো নয়। তাই কয়েক লাখ হাউসহোল্ডকে দীর্ঘমেয়াদি সোলার লোন দিতে হলে এমন ফাইন্যান্সিং মডেল দরকার যেখানে ব্যাংকও ঋণ দিতে ভয় পাবে না, আবার গ্রাহকের কিস্তিও অ্যাফোর্ডেবল থাকবে।

দ্বিতীয় সমস্যা ওনারশিপ।

একটা একক বাড়ির ক্ষেত্রে বিষয়টা তুলনামূলক সহজ।

কিন্তু ঢাকায় বা চট্টগ্রামে একটা ছয়তলা ভবনের ছাদের মালিক কে?

ছয়জন ফ্ল্যাট ওনার থাকলে সিদ্ধান্ত নেবে কে?

সোলারের টাকা কে দেবে?

Net Meter কার নামে থাকবে?

Grid-এ বিদ্যুৎ বিক্রির টাকা কে পাবে?

কমন এরিয়া বিলের সঙ্গে কীভাবে হিসাব হবে?

এসবের জন্য অ্যাপার্টমেন্ট বিল্ডিংয়ের আলাদা লিগ্যাল এবং ফাইন্যান্সিয়াল মডেল দরকার।

তৃতীয় বড় সমস্যা Grid।

একটা এলাকায় দশটা বাড়ি সোলার দিলে আর হাজারটা বাড়ি সোলার দিলে ডিস্ট্রিবিউশন নেটওয়ার্কের আচরণ এক থাকবে না।

দিনের বেলা একই ফিডার থেকে অনেক এক্সেস পাওয়ার Grid-এ ঢুকলে ট্রান্সফরমার ক্যাপাসিটি, ভোল্টেজ কন্ট্রোল, প্রোটেকশন সিস্টেম, রিভার্স পাওয়ার ফ্লো এবং মিটারিং দেখতে হবে।

তাই শুধু লোন দিলেই হবে না।

কোন ফিডার কত MW rooftop solar নিতে পারবে তার হোস্টিং ক্যাপাসিটি ম্যাপ থাকতে হবে।

প্রয়োজনে ট্রান্সফরমার এবং ডিস্ট্রিবিউশন নেটওয়ার্ক আপগ্রেড করতে হবে।

চতুর্থ বিষয় ব্যাটারি।

Net Metering আর ব্যাকআপ এক জিনিস নয়।

দিনের বেলা সোলার দিয়ে নিজের লোড চালিয়ে এক্সেস পাওয়ার Grid-এ দেওয়া যায়। কিন্তু Grid বন্ধ থাকলে সাধারণ অন-গ্রিড সোলার সিস্টেমও নিরাপত্তার কারণে সাধারণত সাপ্লাই বন্ধ করে দেয়।

তাই ১২-১৪ ঘণ্টার Load Shedding মোকাবিলা করতে চাইলে হাইব্রিড ইনভার্টার এবং ব্যাটারি স্টোরেজ দরকার।

আর এখানেই খরচ অনেক বেড়ে যায়।

প্যানেল ২৫-৩০ বছর চলতে পারে, কিন্তু ইনভার্টার এবং ব্যাটারির লাইফটাইম তুলনামূলক কম।

তাই পাঁচ বছরের লোন দিলেই হবে না। ব্যাটারি রিপ্লেসমেন্ট, ওয়ারেন্টি এবং আফটার-সেলস সার্ভিস কী হবে, সেটাও ফাইন্যান্সিং মডেলের অংশ করতে হবে।

পঞ্চম সমস্যা কোয়ালিটি কন্ট্রোল।

যদি সরকার ঘোষণা দেয় সহজ ঋণে লাখ লাখ Solar System বসানো হবে, পরদিনই বাজারে শত শত নতুন “সোলার কোম্পানি” তৈরি হবে।

তারপর যদি নিম্নমানের প্যানেল, ফেক ব্যাটারি ক্যাপাসিটি, আন্ডারসাইজড ক্যাবল, আনসেইফ ইনস্টলেশন বা লো-কোয়ালিটি ইনভার্টার বসানো শুরু হয়, কয়েক বছরের মধ্যে পুরো প্রোগ্রামের রেপুটেশন নষ্ট হয়ে যাবে।

তাই অ্যাপ্রুভড ইকুইপমেন্ট লিস্ট, সিরিয়াল নাম্বার ট্র্যাকিং, ইনস্টলেশন অডিট, পারফরম্যান্স মনিটরিং এবং মিনিমাম ওয়ারেন্টি বাধ্যতামূলক হওয়া দরকার।

লোনের টাকা ideally গ্রাহকের হাতে ক্যাশ হিসেবে না দিয়ে ভেরিফায়েড ইনস্টলেশনের পর অ্যাপ্রুভড ইনস্টলার বা অ্যাগ্রিগেটরকে দেওয়া যেতে পারে।

ষষ্ঠ সমস্যা স্কিলড ম্যানপাওয়ার।

এক লাখ 5 kW সিস্টেম মানে 500 MW rooftop solar।

এটা শুধু প্যানেল ইমপোর্ট করলেই হবে না।

ইঞ্জিনিয়ার লাগবে।
ইনস্টলার লাগবে।
ইলেকট্রিশিয়ান লাগবে।
স্ট্রাকচারাল অ্যাসেসমেন্ট লাগবে।
Net Metering প্রসেসিং লাগবে।
আফটার-সেলস টিম লাগবে।

সুতরাং সোলার প্রোগ্রামের পাশাপাশি ন্যাশনাল ইনস্টলার সার্টিফিকেশন এবং ট্রেনিং প্রোগ্রাম দরকার।

সপ্তম সমস্যা ইউটিলিটি সেটেলমেন্ট।

Grid-এ বিদ্যুৎ দিলাম, কিন্তু টাকা পাব কীভাবে?

মিটার কে রিড করবে?

বিলিং সফটওয়্যার কি এক্সপোর্ট ইউনিট ঠিকভাবে হিসাব করতে পারবে?

পেমেন্ট মাসে হবে, বছরে হবে নাকি বিদ্যুৎ বিলের সঙ্গে অ্যাডজাস্ট হবে?

সরকার ইতিমধ্যে rooftop solar-এর surplus electricity-এর জন্য ইনসেনটিভ ট্যারিফ ঘোষণা করেছে। কিন্তু কয়েক লাখ প্রোসিউমার হলে পুরো সেটেলমেন্ট সিস্টেমটাকেও অটোমেটেড করতে হবে।

অষ্টম সমস্যা পলিসি কন্টিনিউটি।

Solar System ২০-২৫ বছরের ইনভেস্টমেন্ট।

কিন্তু ট্যাক্স বেনিফিট যদি ছয় মাস থাকে, ট্যারিফ দুই বছর পর বদলে যায়, ফাইন্যান্সিং পলিসি মাঝপথে পরিবর্তন হয়, তাহলে মানুষ দীর্ঘমেয়াদি ইনভেস্টমেন্ট করতে ভয় পাবে।

তাই ৫-১০ বছরের প্রেডিক্টেবল পলিসি রোডম্যাপ দরকার।

নবম সমস্যা কো-অর্ডিনেশন।

একটা হাউসহোল্ড rooftop solar প্রোগ্রাম চালাতে একসঙ্গে লাগতে পারে:

Power Division
SREDA
IDCOL
বাংলাদেশ ব্যাংক
কমার্শিয়াল ব্যাংক
NBR
ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি
সিটি করপোরেশন বা লোকাল অথরিটি
অ্যাপ্রুভড সোলার কোম্পানি
এবং প্রয়োজনে আইন ও ভূমি সংশ্লিষ্ট সংস্থা।

বাংলাদেশে এখানেই অনেক ভালো ইনিশিয়েটিভ আটকে যায়।

একটা অ্যাপ্রুভাল এক অফিসে।
আরেকটা অ্যাপ্রুভাল আরেক অফিসে।
মিটার আরেক জায়গায়।
লোন অন্য জায়গায়।
ইকুইপমেন্ট অ্যাপ্রুভাল অন্য জায়গায়।

ফলে তিন দিনের কাজ তিন মাস হয়।

এই কারণেই আমি Mission Mode Programme-এর কথা বলেছিলাম।

আমার কাছে বাস্তবসম্মত মডেল হবে একটা Single Digital Platform।

বাড়ির মালিক আবেদন করবেন।

সেখানেই প্রপার্টি ভেরিফিকেশন হবে।

ইলেকট্রিসিটি অ্যাকাউন্ট ভেরিফাই হবে।

অ্যাপ্রুভড ইনস্টলার কোটেশন দেবে।

ব্যাংক বা IDCOL ফাইন্যান্সিং অ্যাপ্রুভ করবে।

ইনস্টলেশনের জিওট্যাগড প্রুফ থাকবে।

ইকুইপমেন্ট সিরিয়াল নাম্বার রেজিস্টার হবে।

ইউটিলিটি রিমোটলি অ্যাপ্লিকেশন পাবে।

Net Meter ইনস্টল হবে।

জেনারেশন এবং এক্সপোর্ট ডাটা সেন্ট্রাল ড্যাশবোর্ডে যাবে।

এরপর একই সিস্টেম থেকে কিস্তি, ইলেকট্রিসিটি ক্রেডিট এবং ইনসেনটিভ সেটেলমেন্ট করা যাবে।

আরেকটা বিষয় পরিষ্কার করা দরকার।

Rooftop Solar বাংলাদেশের পুরো বিদ্যুৎ সংকট একা সমাধান করবে না।

রাতে Solar থাকে না। বড় শিল্প, ট্রান্সমিশন বটলনেক, গ্যাস শর্টেজ, জেনারেশন ক্যাপাসিটি, Grid stability, fuel supply, এগুলোর আলাদা সমাধান লাগবে।

কিন্তু দিনের বেলার ডিমান্ডের একটা বড় অংশ যদি মানুষের নিজের ছাদ থেকেই আসে, তাহলে জাতীয় Grid-এর ওপর চাপ কমে।

এবং যতটুকু বিদ্যুৎ আমরা নিজেদের ছাদ থেকে উৎপাদন করতে পারি, সেটুকুর জন্য অন্তত ইমপোর্টেড ফুয়েল পোড়ানোর প্রয়োজন কমে।

তাই আমি Solar-কে বিদ্যুৎ খাতের একমাত্র সমাধান হিসেবে দেখি না।

আমি এটাকে এমন একটা সমাধান হিসেবে দেখি যেটা তুলনামূলক দ্রুত স্কেল করা সম্ভব, প্রাইভেট ক্যাপিটাল ব্যবহার করা সম্ভব এবং সাধারণ মানুষকেও পাওয়ার প্রোডিউসার বানাতে পারে।

আইডিয়াটা টেকনিক্যালি অসম্ভব নয়।

ফাইন্যান্সিং মডেলও এখন তৈরি হচ্ছে।

পলিসি ইনসেনটিভও আসছে।

সবচেয়ে কঠিন অংশ হলো execution।

এক লাখ বাড়িতে Solar বসানো কোনো সাধারণ সোলার প্রজেক্ট নয়।

এটা ব্যাংকিং প্রজেক্ট।
টেকনোলজি প্রজেক্ট।
Grid modernization প্রজেক্ট।
রেগুলেটরি প্রজেক্ট।
সাপ্লাই-চেইন প্রজেক্ট।
এবং সবচেয়ে বড় কথা, Governance প্রজেক্ট।

এই সবগুলো একসঙ্গে ঠিকভাবে করতে পারলেই এটা সফল হবে। আর এজন্যেই এটা স্পেশাল টাস্কফোর্স বা প্রজেক্ট হিসাবেই হতে হবে। এই বিষয়ে আগের পোষ্ট লিংক কমেন্টে দিলাম।

Address

Chittagong

Opening Hours

Monday 10:00 - 18:00
Tuesday 10:00 - 18:00
Wednesday 10:00 - 18:00
Thursday 10:00 - 18:00
Sunday 10:00 - 18:00

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Securis Technology posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share