Royal Cement Ltd

Royal Cement Ltd From the very beginning it has been maintaining the global standard as per ISO 9001:2000 to fulfill customers’ desire & satisfaction. Possessing own bag plant.

With a view to facing the global challenge of 21st century, Royal Cement Limited (RCL), one of the leading & largest cement industries in Bangladesh emerged in 2001. Since its inception, it upholds country’s image in international arena providing world-class cement, with a capacity of 4800 MT/day, through the best utilization of latest technology based well-equipped resources. Royal Cement Limited

, located at Dhaka Trunk Road in the area of Joramtal, Barakumira, Sitakunda in Chittagong with a total area of 46 thousand sq meter, was established and enriched by combined endeavors of country’s leading companies named Kabir Steel Group & BSA Group. With a well-furnished head office at the heart of city, Kabir Manzil,Sheikh Mujib Road, Agrabad in Chittagong, RCL contains a huge plant area of 3556 sq meter and 15,000 sq meter for storage sheds while its freehold premise gets the massive area of 27,000 sq meter. In the arena of cement sector, we stand unique and unparalleled with our salient features like these:- Production capacity per day being 4800M.ton. Owing a self-sufficient power plant. Adequate transport facilities to supply cement for the asking to the customers. Automatic truck-loader that ensures quick delivery of cement. Using modern dryer technology. It is our RCL that successively glorifies & brightens the status of our country rendering the best quality cement upholding our prestigious slogan “Everyday with Excellence”

ফেয়ার প্লে-2006 বিশ্বকাপে ফিল পেপসন গোল বাতিল করে দেন কারণ প্রতিপক্ষ খেলোয়াড় আহত ছিল - 'ফেয়ার প্লে'র সেরা উদাহরণ।ফেয়ার ফ...
14/06/2026

ফেয়ার প্লে-2006 বিশ্বকাপে ফিল পেপসন গোল বাতিল করে দেন কারণ প্রতিপক্ষ খেলোয়াড় আহত ছিল - 'ফেয়ার প্লে'র সেরা উদাহরণ।

ফেয়ার ফেইস- রয়েল সিমেন্ট স্ল্যগভিত্তিক সিমেন্ট হওয়ায় এবং ফ্লাই এশ না দেওয়ার কারনে, ফেয়ার ফেইস কাঠামোয় সেরা!

2014 ব্রাজিল বনাম জার্মানি 1-7 হারের পর ব্রাজিলিয়ান ফ্যানরা মাঠে পতাকা নামিয়ে কাঁদছিল, 'মিনেইরাজো ট্র্যাজেডি' নামে পরিচি...
13/06/2026

2014 ব্রাজিল বনাম জার্মানি 1-7 হারের পর ব্রাজিলিয়ান ফ্যানরা মাঠে পতাকা নামিয়ে কাঁদছিল, 'মিনেইরাজো ট্র্যাজেডি' নামে পরিচিত।

1998 বিশ্বকাপে ইরান বনাম যুক্তরাষ্ট্র ম্যাচের আগে দুই দল একসাথে সাদা পতাকা ধরে শান্তির ছবি তোলে।

1994 বিশ্বকাপে কলম্বিয়ার এসকোবার নিজের গোলের পর মাঠে পতাকা নাড়িয়ে ক্ষমা চেয়েছিলেন, পরে দুঃখজনকভাবে নিহত হন।

বিশ্বকাপ উৎসবে মেতে উঠুনখেলায় চোখ রাখুনরয়েল সিমেন্টের সাথে থাকুন!
12/06/2026

বিশ্বকাপ উৎসবে মেতে উঠুন
খেলায় চোখ রাখুন
রয়েল সিমেন্টের সাথে থাকুন!

২০২৬ বিশ্বকাপে (যেটি যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকোতে অনুষ্ঠিত হচ্ছে) চারটি দেশ প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপে খেলছে:Cape Ver...
11/06/2026

২০২৬ বিশ্বকাপে (যেটি যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকোতে অনুষ্ঠিত হচ্ছে) চারটি দেশ প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপে খেলছে:

Cape Verde (আন্তর্জাতিকভাবে কেপ ভার্দে নামে পরিচিত হলেও অফিসিয়ালি নাম কাবু ভার্দে)
Curaçao (কুরাসাও)
Jordan
Uzbekistan

কিছু মজার তথ্য:

উজবেকিস্তান বিশ্বকাপে খেলা প্রথম মধ্য এশীয় দেশ।

কুরাসাও জনসংখ্যার দিক থেকে বিশ্বকাপে ওঠা সবচেয়ে ছোট দেশগুলোর একটি; তাদের জনসংখ্যা মাত্র দেড় লাখের একটু বেশি।

কাবু ভার্দে (Cape Verde) আফ্রিকার আটলান্টিক মহাসাগরের একটি দ্বীপদেশ, যারা প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপের টিকিট কেটেছে।

জর্ডান দীর্ঘদিন এশিয়ার মাঝারি শক্তি হিসেবে পরিচিত ছিল, কিন্তু এবারই প্রথম বিশ্বকাপের মূল পর্বে উঠেছে।

আরও একটি উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, কাতার ২০২২ সালে স্বাগতিক হিসেবে বিশ্বকাপে খেলেছিল, কিন্তু ২০২৬ সালে তারা প্রথমবারের মতো বাছাইপর্ব পেরিয়ে বিশ্বকাপে উঠেছে। তবে এটিকে বিশ্বকাপে অভিষেক ধরা হয় না, কারণ তারা আগেও একবার খেলেছে। fans @

FIFA World Cup 2026⚽️From  Stadium To Home- We Build Champions!     ゚
10/06/2026

FIFA World Cup 2026⚽️
From Stadium To Home- We Build Champions!

বিশ্ব বিখ্যাত স্থপতি জাহা হাদিদকে ২১শ শতাব্দীর অন্যতম প্রভাবশালী স্থপতি হিসেবে গণ্য করা হয়। তিনি তাঁর সাহসী, বাঁকানো (f...
02/06/2026

বিশ্ব বিখ্যাত স্থপতি জাহা হাদিদকে ২১শ শতাব্দীর অন্যতম প্রভাবশালী স্থপতি হিসেবে গণ্য করা হয়। তিনি তাঁর সাহসী, বাঁকানো (fluid) এবং ভবিষ্যতমুখী ডিজাইনের জন্য বিশ্বজুড়ে পরিচিত ছিলেন।

তার উল্লেখযোগ্য কিছু স্থাপনার মধ্যে রয়েছে—

Heydar Aliyev Center
London Aquatics Centre
Guangzhou Opera House
MAXXI Museum

রিয়েল এস্টেট ও স্থাপত্য জগতের অনেকেই জাহা হাদিদকে একজন “গেম চেঞ্জার” হিসেবে দেখেন। কারণ তিনি প্রচলিত ধ্যানধারণার বাইরে গিয়ে এমন সব ডিজাইন উপস্থাপন করেছেন, যা আধুনিক প্রযুক্তি, কম্পিউটেশনাল ডিজাইন এবং উন্নত প্রকৌশলের মাধ্যমে স্থাপত্যের নতুন সম্ভাবনার দ্বার খুলে দিয়েছে। তাঁর কাজ প্রমাণ করেছে যে সাহসী কল্পনাকেও বাস্তবে রূপ দেওয়া সম্ভব।

এই মহান স্থপতি ২০১৬ সালে ৬৫ বছর বয়সে মারা যান। কিন্তু তিনি তার অসাধারণ সব সৃষ্টির মাঝে বেঁচে আছেন। তার প্রতিষ্ঠিত প্রতিষ্ঠান Zaha Hadid Architects এখনও বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ স্থাপত্য প্রতিষ্ঠান হিসেবে কাজ করছে। প্রতিষ্ঠানটি আজও তার চিন্তাধারা ও ডিজাইন ফিলোসফি অনুসরণ করে নতুন নতুন প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে।

ত্যাগের মহিমায় উদ্ভাসিত হোক নিকট ও দূরের সকলের ঈদ।রয়েল সিমেন্টের পক্ষ থেকে শূভকামনা রইল এই পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে।    ...
27/05/2026

ত্যাগের মহিমায় উদ্ভাসিত হোক নিকট ও দূরের সকলের ঈদ।
রয়েল সিমেন্টের পক্ষ থেকে শূভকামনা রইল এই পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে।

17/05/2026

আশুগঞ্জ , ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিশিস্ট রড সিমেন্ট ব্যবসায়ী, মেসার্স মুন্নী ট্রেডার্সের শামীম ভাইয়ের উদ্যোগে, রয়েল সিমেন্টের সহযোগিতায় “নির্মানশিল্পী সমাবেশ” ও ইন্জিনিয়ারদের নিয়ে মত বিনিময় সভা Engineers’Opinion অনুস্ঠানের কিছু খন্ডচিত্র ।

আসুন গল্পের ছলে সিমেন্টের ইতিহাসটা জেনে নিই…."পাথর থেকে সভ্যতা: সিমেন্টের গল্প"আজকের আকাশছোঁয়া বিল্ডিং, পদ্মা সেতু, কিংব...
14/05/2026

আসুন গল্পের ছলে সিমেন্টের ইতিহাসটা জেনে নিই….

"পাথর থেকে সভ্যতা: সিমেন্টের গল্প"

আজকের আকাশছোঁয়া বিল্ডিং, পদ্মা সেতু, কিংবা আপনার ঘরের মেঝে — সবকিছুর শুরু হয়েছিল আগুন আর পাথর দিয়ে। এটা সিমেন্টের গল্প।

খ্রিস্টের জন্মের ৭০০০ বছর আগে, নব্যপ্রস্তর যুগের মানুষ প্রথম আবিষ্কার করল চুন। তারা চুনাপাথর পুড়িয়ে গুঁড়ো করে পানির সাথে মেশাত। এই মিশ্রণ জোড়া লাগাত পাথরকে। মিশরের পিরামিডে, সেই আদিম চুনের গাঁথুনি আজও টিকে আছে — ৪৫০০ বছর ধরে।

এরপর এলো রোমানরা। তারা ছিল সিমেন্টের প্রথম ইঞ্জিনিয়ার। ২৭ খ্রিস্টপূর্বাব্দে স্থপতি ভিট্রুভিয়াস লিখলেন, আগ্নেয়গিরির ছাই ‘পোজোলানা’ আর চুন মেশালে এমন এক জিনিস হয় যা পানির নিচেও জমে পাথর হয়ে যায়। এই ‘রোমান সিমেন্ট’ দিয়েই তারা বানাল প্যানথিয়নের গম্বুজ, কলোসিয়াম, আর ২০০০ বছর পরও অক্ষত থাকা হারবারগুলো। রোম সাম্রাজ্যের পতনের সাথে সাথে এই জ্ঞানও হারিয়ে গেল অন্ধকার যুগে।

ইতিহাস ঘুমিয়েছিল প্রায় ১৩০০ বছর। ১৭৫৬ সালে ইংরেজ ইঞ্জিনিয়ার জন স্মিটন এডিস্টোন বাতিঘর বানাতে গিয়ে আবার আবিষ্কার করলেন ‘হাইড্রোলিক লাইম’। পানিতে জমে এমন সিমেন্ট।

কিন্তু আসল বিপ্লব আনলেন একজন রাজমিস্ত্রি। ১৮২৪ সালে ইংল্যান্ডের লিডস শহরের জোসেফ অ্যাস্পডিন চুনাপাথর আর কাদামাটি একসাথে উচ্চ তাপে পুড়িয়ে একটা গুঁড়ো বানালেন। জমে যাওয়ার পর এর রঙ আর শক্তি দেখতে ইংল্যান্ডের পোর্টল্যান্ড দ্বীপের পাথরের মতো। তিনি নাম দিলেন ‘পোর্টল্যান্ড সিমেন্ট’। তিনি পেটেন্ট করলেন। সভ্যতা বদলে গেল।

এরপর ১৮৪৫ সালে আইজ্যাক জনসন ‘ক্লিংকার’ বানানোর সঠিক তাপমাত্রা আবিষ্কার করলেন। শুরু হলো আধুনিক সিমেন্ট যুগ। ১৮৮০ সালে রোটারি কিলন আবিষ্কার হওয়ায় উৎপাদন হলো লাখ লাখ টন।

আজ আমরা ব্যবহার করি স্ল্যাগ সিমেন্ট যা পরিবেশবান্ধব, আরও শক্তিশালী। রোমানদের পোজোলানা থেকে শুরু করে স্ল্যাগ সিমেন্টের ৮০-৮৫% C-S-H জেল পর্যন্ত — যাত্রাটা ৯০০০ বছরের।

সিমেন্ট শুধু গুঁড়ো না। এটা মানুষের ভিত গড়ার জেদ। আগুনে পুড়ে পাথর হওয়ার শপথ। মানবসভ্যতা যতবার মাথা তুলে দাঁড়িয়েছে, তার গোড়ায় ছিল এই ধূসর গুঁড়োটা।
゚ ゚

সিমেন্টের ৭ টি মিথ বনাম ফ্যাক্ট  সিমেন্ট নিয়ে আমাদের দেশে অনেক ভুল ধারণা প্রচলিত। এই ভুল ধারণার কারণে অনেক সময় ভুল সিমেন...
13/05/2026

সিমেন্টের ৭ টি মিথ বনাম ফ্যাক্ট

সিমেন্ট নিয়ে আমাদের দেশে অনেক ভুল ধারণা প্রচলিত। এই ভুল ধারণার কারণে অনেক সময় ভুল সিমেন্ট বেছে নেওয়া হয়, যা স্থাপনার আয়ু কমিয়ে দেয়। চলুন ৭টা কমন মিথ ভেঙে দেখি।

মিথ: সব সিমেন্ট একই রকম
ফ্যাক্ট: না। সাধারণ PCC সিমেন্টে ৫০-৬০% ক্যালসিয়াম সিলিকেট হাইড্রেট জেল থাকে। কিন্তু রয়েল স্ল্যাগ সিমেন্টে এই জেলের পরিমাণ ৮০-৮৫%। এই জেলই সিমেন্টের শক্তির মূল ধারক। তাই স্ল্যাগ সিমেন্ট বেশি শক্তিশালী ও টেকসই।

মিথ: দ্রুত জমে যাওয়া মানেই ভালো সিমেন্ট
ফ্যাক্ট: দ্রুত সেটিং সবসময় ভালো না। দ্রুত জমলে মাইক্রো ক্র্যাক হওয়ার সম্ভাবনা বেশি। স্ল্যাগ সিমেন্ট স্ট্যান্ডার্ড সেটিং(আন্তর্জাতিক মান) টাইম অনুযায়ী নির্ধারিত সময়ে জমে, ফলে ঘন ও ফাটলমুক্ত স্ট্রাকচার তৈরি হয়। ব্রিজ, ফাউন্ডেশনের জন্য এটাই আদর্শ।

মিথ: ধূসর রং মানেই নিম্নমানের
ফ্যাক্ট: সিমেন্টের রং গুণগত মান নির্ধারণ করে না। স্ল্যাগ সিমেন্টে ব্লাস্ট ফার্নেস স্ল্যাগ থাকায় রং একটু ছাই ছাই হয়। এই স্ল্যাগই কেমিক্যাল অ্যাটাক থেকে রক্ষা করে। সমুদ্রের ধারে, ভূগর্ভস্থ কাজে এটাই বেস্ট।

মিথ: সিমেন্ট যত পুরনো, তত শক্ত
ফ্যাক্ট: সিমেন্টের একটা এক্সপায়ারি ডেট আছে। ৩ মাসের বেশি পুরনো সিমেন্ট আর্দ্রতা শুষে নিয়ে শক্তি হারায়। ব্যবহারের আগে মেয়াদ দেখে নিন।

মিথ: বেশি সিমেন্ট দিলেই স্ট্রাকচার শক্ত হয়
ফ্যাক্ট: অতিরিক্ত সিমেন্ট হিট অফ হাইড্রেশন বাড়ায়, ফলে ফাটল ধরে। সঠিক অনুপাতে বালি, খোয়া, পানি আর সিমেন্ট মেশানো জরুরি। ইঞ্জিনিয়ারের মিক্স ডিজাইন ফলো করুন।

মিথ: শীতকালে কিউরিং দরকার নেই
ফ্যাক্ট: কিউরিং মানে পানি দেওয়া। সিমেন্টের হাইড্রেশন প্রক্রিয়া ২৮ দিন পর্যন্ত চলে। শীতেও কিউরিং না করলে শক্তি ৩০-৪০% কমে যায়।

মিথ: স্ল্যাগ সিমেন্ট শুধু বড় প্রজেক্টের জন্য
ফ্যাক্ট: না। এর উচ্চ রাসায়নিক প্রতিরোধ ক্ষমতার কারণে বাথরুম, ফাউন্ডেশন, সেপটিক ট্যাংক, পানির ট্যাংক—সব জায়গায় স্ল্যাগ সিমেন্ট বেটার। ঘরের আয়ু বাড়ে, রিপেয়ার খরচ কমে।

শেষ কথা: সিমেন্ট কিনছেন মানে আপনার স্বপ্নের ভিত্তি কিনছেন। মিথ নয়, ফ্যাক্ট জেনে সিদ্ধান্ত নিন। রয়েল সিমেন্ট—ইঞ্জিনিয়ার ব্র্যান্ড, আস্থার ভিত্তি।
゚ ゚

Address

Kabir Manzil, Sheikh Mujib Road, Agrabad
Chittagong
4100

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Royal Cement Ltd posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share