26/05/2026
আলহামদুলিল্লাহ! আমরা সেই মহান নবীর উম্মত হতে পেরে ধন্য।❤️
আজ থেকে প্রায় সাড়ে ১৪০০ বছর আগের এক নিঝুম রাত। হেরা গুহা থেকে ফিরে এসে আল্লাহর রাসূল ﷺ কাঁপছিলেন। অচেনা এক ভয়, প্রচণ্ড আবেগ আর নবুয়তের এক বিশাল দায়িত্বের ভারে তাঁর পবিত্র শরীর তখন থরথর করে কাঁপছে।
তিনি তাঁর প্রিয়তমা স্ত্রী, ইসলামের প্রথম অবলম্বন হযরত খাদিজাতুল কুবরা (রা.)-এর কাছে ছুটে গিয়ে চাদর গায়ে জড়িয়ে নিলেন। মনের গভীর আকুলতায় জিজ্ঞেস করলেন,"হে খাদিজা! আমাকে কে বিশ্বাস করবে?"
তখন পুরো মক্কায় তাঁর পাশে দাঁড়ানোর মতো কেউ ছিলো না। কিন্তু খাদিজা (রা.) তাঁর হাত ধরলেন। সেই পরম মুহূর্তে, অটল বিশ্বাস আর শান্ত কণ্ঠে তিনি যে সান্ত্বনা দিয়েছিলেন।
তিনি বলেছিলেন,
“আমি বিশ্বাস করবো! আল্লাহর কসম, তিনি আপনাকে কখনো লাঞ্ছিত করবেন না। আপনি আত্মীয়তার সম্পর্ক বজায় রাখেন, অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ান...” আর অন্তরের গভীর থেকে বিশ্বাস করেছিলেন, আজ আরবরা বিশ্বাস না করলেও, একদিন এই পুরো জাহান আপনার আনীত দ্বীনকে বিশ্বাস করবে... ইন শা আল্লাহ!🌻
আর আজ একবার তাকিয়ে দেখুন আরাফার ময়দানের এই অভূতপূর্ব, স্বর্গীয় দৃশ্যের দিকে! লক্ষ লক্ষ মানুষ, সব ভেদাভেদ ভুলে সাদা কাফনসদৃশ ইহরামে ঢেকে, এক আল্লাহর সামনে মাথা নত করে দাঁড়িয়ে আছে।
লব্বায়েক আল্লাহুম্মা লব্বায়েক ধ্বনিতে মুখরিত আকাশ-বাতাস।
১৪০০ বছর আগে মক্কার এক নির্জন ঘরে যিনি একা দাঁড়িয়ে জিজ্ঞেস করেছিলেন, “আমাকে কে বিশ্বাস করবে?”
আজ তাঁর উম্মত পৃথিবীর প্রতিটি কোণায়, প্রতিটি ঘরে পৌঁছে গেছে। প্রতিদিন পাঁচবার আজানের ধ্বনিতে তাঁর নাম প্রতিধ্বনিত হয় পৃথিবীর আকাশে।
- diary of she