Rajmata Digital & It Solution

Rajmata Digital & It Solution Hi. This is Rajmata Digital & It Solution's Official Page:

Our Services:
Sales & Servicing
Sales & Accessorizes
Studio Service

Happy New Year 2023
31/12/2022

Happy New Year 2023

Zelosol Hand Rub 50ml M.R.P Price: 120 TakaOur Price: 90 Taka Only.Stock Limited So Every person can buy 2 pic at a time...
30/03/2020

Zelosol Hand Rub 50ml
M.R.P Price: 120 Taka
Our Price: 90 Taka Only.
Stock Limited So Every person can buy 2 pic at a time.

Mobile: 01672-707907

Thanks.

15/04/2019

শুভ নববর্ষ
রাজমাতা ডিজিটালের
সকল শুভাকাঙ্ক্ষী দের
শুভেচ্ছা।

এই মুহূর্তে যারা ঢাকা কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার বা এর আশেপাশে অবস্থান করছেন তারা দয়া করে ঢাকা মেডিকেলে চলে যান। চক বাজার অগ্ন...
21/02/2019

এই মুহূর্তে যারা ঢাকা কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার বা এর আশেপাশে অবস্থান করছেন তারা দয়া করে ঢাকা মেডিকেলে চলে যান। চক বাজার অগ্নিকান্ডে আহতদের জন্য প্রচুর রক্ত লাগতেসে। চলুন রক্ত দিয়ে অর্জিত এই ভাষা দিবসে রক্ত দিয়ে জীবন বাঁচাই।

আমাদের এইখানে পাবেন উন্নতমানের iPhone Charger সুলভ মুল্যের 😇আপনার পছন্দের পণ্য নিতে আমাদের ইনবক্সে মেসেজ দিন❤
16/01/2019

আমাদের এইখানে পাবেন উন্নতমানের iPhone Charger সুলভ মুল্যের 😇

আপনার পছন্দের পণ্য নিতে আমাদের ইনবক্সে মেসেজ দিন❤

10/06/2018

জিপি 4 G
০১৭১২
০১৭১৫
০১৭১৬
০১৭১৮
সিরিয়ালের সিম পাওয়া যায়

কেন বিদায় নিচ্ছে উইন্ডোজ ফোন?উইন্ডোজ ফোন ভক্তদের মন খারাপ করার কথা। কারণ, একসময়ের জনপ্রিয় উইন্ডোজ ফোনকে বিদায় বলে দিতে হ...
17/10/2017

কেন বিদায় নিচ্ছে উইন্ডোজ ফোন?

উইন্ডোজ ফোন ভক্তদের মন খারাপ করার কথা। কারণ, একসময়ের জনপ্রিয় উইন্ডোজ ফোনকে বিদায় বলে দিতে হচ্ছে। মার্কিন প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান মাইক্রোসফট আর উইন্ডোজ ফোন তৈরি না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

মাইক্রোসফটের অপারেটিং সিস্টেম বিভাগের করপোরেট ভাইস প্রেসিডেন্ট জো বেলফাইওর সম্প্রতি কয়েকটি টুইট করে উইন্ডোজ ১০ মোবাইল অপারেটিং সিস্টেমের জন্য নতুন ফিচার বা হার্ডওয়্যার তৈরি থেকে সরে আসার ঘোষণা দেন। বিশ্বজুড়ে স্মার্টফোন বাজারে উইন্ডোজ ফোনের দখল মাত্র দশমিক এক শতাংশ। তাই এ ধরনের ঘোষণা মোটেও আশ্চর্যের কিছু নয়। তবে অ্যান্ড্রয়েড ও আইওএসকে চ্যালেঞ্জ জানাতে আসা উইন্ডোজ নির্মাতাদের জন্য এটি হতাশার কথা। চলুন জেনে আসি উইন্ডোজ ফোনের ব্যর্থতার কারণগুলো-

২০০৭ সালে মার্কিন প্রতিষ্ঠান অ্যাপল যখন প্রথম আইফোন বাজারে ছাড়ে, তখন মাইক্রোসফটের প্রধান নির্বাহী স্টিভ বলমার দম্ভভরে ঘোষণা করেছিলেন, ফোনের বাজারে গুরুত্বপূর্ণ জায়গা দখল করার কোনো সম্ভাবনা আইফোনের নেই। বলমার তখন গুগলের সার্চ ইঞ্জিনের সঙ্গে টক্কর দেওয়ার বিষয়টিতে এতটাই মরিয়া ছিলেন যে, মোবাইল ডিভাইসে অ্যান্ড্রয়েড যে মারাত্মক হুমকি হয়ে উঠছে, তা তিনি ধরতে পারেননি।

যখন আইফোন বাজারে আসে, তখন পর্যন্ত মোবাইল বাজারে লড়াই করার ক্ষমতা ছিল মাইক্রোসফটের। ওই সময় উইন্ডোজ মোবাইলকে স্মার্টফোনের অন্যতম অপারেটিং সিস্টেম হিসেবে গণ্য করা হতো। তবে ২০১০ সালের আগ পর্যন্ত মাল্টিটাচ মোবাইল ওএস হিসেবে কোনো অপারেটিং সিস্টেম ছাড়েনি মাইক্রোসফট। অর্থাৎ, প্রথম আইফোন বাজারে ছাড়ার তিন বছর ও প্রথম অ্যান্ড্রয়েড ফোন বাজারে আসার দুই বছর পরে মাইক্রোসফট যুদ্ধে নামে।

কিন্তু ওই সময়ের মধ্যেই স্মার্টফোনের বাজার আইওএস ও অ্যান্ড্রয়েড-এই দুটি ভাগে বিভক্ত হয়ে পড়ে। ফলে ডেভেলপাররা উইন্ডোজ ফোনের জন্য অ্যাপ তৈরিতে কোনো লাভ দেখতে পায়নি। জনপ্রিয় অ্যাপ না থাকায় উইন্ডোজ প্ল্যাটফর্মে খুব বেশি আগ্রহ দেখাননি স্মার্টফোন ক্রেতারা। ডেভেলপারদের নানা সুবিধা দিয়ে জনপ্রিয় অ্যাপগুলো উইন্ডোজ ফোনে আনার মরিয়া চেষ্টা চালায় মাইক্রোসফট। কিন্তু যে গতিতে আইওএস ও অ্যান্ড্রয়েড এগিয়েছে, তার চেয়ে মাইক্রোসফটের গতি ছিল ধীর। ফলে মাইক্রোসফট শুধু পিছিয়েছে।

স্মার্টফোন নির্মাতারা অ্যান্ড্রয়েডের বিকল্প হিসেবে উইন্ডোজ ফোনকে শুরুতে বিবেচনা করলেও পরে এ প্ল্যাটফর্ম ব্যবহারে অনাগ্রহী হয়ে ওঠে। উইন্ডোজ প্ল্যাটফর্মের জনপ্রিয়তা ধরে রাখতে ২০১৪ সালে ৭২০ কোটি মার্কিন ডলার খরচ করে ফিনল্যান্ডের মোবাইল ফোন নির্মাতা নকিয়াকে অধিগ্রহণ করে মাইক্রোসফট। তবে দুর্ভাগ্যবশত মাইক্রোসফটের এই প্রচেষ্টা সফল হয়নি। বিশাল হার্ডওয়্যার বিভাগ চালানোর ভার বহন করলেও উইন্ডোজ ফোন বিক্রি সামান্য বাড়ে।

ওই সময়ে স্টিভ বলমারের কাছ থেকে মাইক্রোসফটের ভার বুঝে নেন সত্য নাদেলা। প্রতিষ্ঠানটির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে তিনি বেশ কিছু সিদ্ধান্ত নেন। এর মধ্যে ছিল মাইক্রোসফটের হ্যান্ডসেট ব্যবসাকে বাদ দেওয়া। তিনি ওই সময় ৭ হাজার ৮০০ কর্মী ছাঁটাই করেন।

অবশ্য পুরোপুরি হার্ডওয়্যার ব্যবসা থেকে সরে যাওয়ার কোনো ঘোষণা দেননি নাদেলা। তিনি ঘোষণা দেন, বছরে ছয়টি ডিভাইস উদ্বোধনের মাধ্যমে হার্ডওয়্যার বিভাগকে সীমাবদ্ধ রাখা হবে। এর মধ্যে দুটি করে ফোন উন্নয়নশীল দেশগুলোর বাজার, এন্টারপ্রাইজ ও ফ্ল্যাগশিপ শ্রেণিতে ছাড়া হবে। তিনি কার্যকরী ফোন পোর্টফোলিও চালানোর কথা বলেন।

২০১৫ সালে উইন্ডোজ ১০ অপারেটিং সিস্টেমের ঘোষণা দেয় মাইক্রোসফট। ওই সময় প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে বলা হয়, উইন্ডোজ ফোন ৮ এর সাফল্যের ধারাবাহিকতায় নির্দিষ্ট ফ্ল্যাগশিপ ডিভাইস কেবল উইন্ডোজ ১০ মোবাইল ওএসে চলাবে। এটি কন্টিনিয়াম ফিচার ও ডিসপ্লে ডকের মাধ্যমে ফুল ডেস্কটপ পিসিতে রূপান্তর করা যাবে। ব্যবসায়ী গ্রাহকদের জন্য এটি দারুণ ধারণা হিসেবে গণ্য করা হয়। তবে দুটি কারণে কন্টিনিয়াম সফলতা পায়নি। একটি হচ্ছে হাই এন্ড বা দামি উইন্ডোজ ডিভাইসের জন্য অনেকেই আইফোন ও অ্যান্ড্রয়েড ছাড়তে চাননি। আরেকটি হচ্ছে অল-ইন-ওয়ান কম্পিউটিং ডিভাইসের ক্রেতা কম।

পিসির বাজার মাইক্রোসফট যেভাবে দখল করতে পেরেছে, তা মোবাইল অপারেটিং সিস্টেমের ক্ষেত্রে পারেনি। তবে এর মোবাইল ব্যবসা এখনো চলছে। অপারেটিং সিস্টেম ও হার্ডওয়্যারে গুরুত্ব দেওয়ার পরিবর্তে মাইক্রোসফট সফটওয়্যারের দিকে গুরুত্ব দিচ্ছে। আইওএস ও অ্যান্ড্রয়েডের জন্য মোবাইল অ্যাপ তৈরিতে কাজ করছে প্রতিষ্ঠানটি। এর ফলে আইওএস ও অ্যান্ড্রয়েড প্ল্যাটফর্মের ওপর ভর দিয়েই নিজেদের ক্লাউড সেবার ইকোসিস্টেম বাড়াতে চাইছে প্রতিষ্ঠানটি।

মাইক্রোসফট বিভিন্ন ডিভাইস নির্মাতা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে তাদের অফিস, আউটলুক, করটানা অ্যাপ প্রি-ইনস্টল করার জন্য চুক্তি করেছে। এতে গুগলের ডিফল্ট সেবাগুলোর পরিবর্তে বিকল্প পান ব্যবহারকারীরা। সত্য নাদেলার মোবাইল-ফার্স্ট, ক্লাউড ফার্স্ট পরিকল্পনার বিস্তৃতিতে এটা বিচক্ষণ পদক্ষেপ-এটা তো বলাই যায়! তথ্যসূত্র: পিসি ওয়ার্ল্ড, দ্য গার্ডিয়ান।

বিশেষ ঘোষণাঃ র‍্যানসামওয়ার ভাইরাসের নতুন ভার্শনে আক্রান্ত সাইবার জগত। লকি র‍্যানসামওয়ার গত ২৪ ঘন্টার ২৩ মিলিয়নের বেশী ইম...
05/09/2017

বিশেষ ঘোষণাঃ র‍্যানসামওয়ার ভাইরাসের নতুন ভার্শনে আক্রান্ত সাইবার জগত। লকি র‍্যানসামওয়ার গত ২৪ ঘন্টার ২৩ মিলিয়নের বেশী ইমেইলের মাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।

পাশ্ববর্তী দেশ ভারতের বিভিন্ন সরকারী অফিস গুলো ইতিমধ্যেই আক্রমনের শিকার হয়ে হয়েছে। দিল্লী পুলিশের সাইবার সেল ইতিমধ্যেই অসংখ্য অভিযোগ পেয়েছে লকি ভাইরাস নিয়ে। তাই অবশ্যই আমাদের উচিৎ সতর্ক থাকা।

যেভাবে ছড়িয়ে পরছে?
মূলত ই-মেইল ও মেসেজ পাঠানো স্প্যাম লিংকের মাধ্যমে ঢুকে পড়ছে ভাইরাসটি। এছাড়া জনপ্রিয় অ্যাপের ছদ্মাবরণেও ডিভাইসে ঢুকে পড়ছে এটি। শুধু তাই নয়, অন্যান্য ভাইরাসের মতো ফিশিং বা স্প্যাম ই-মেইলসহ ভুয়া সফটওয়্যার আপডেটের প্রলোভনেও ছাড়াচ্ছে ক্ষতিকর এ ভাইরাস।

# এটি কীভাবে কাজ করে?
ভাইরাসটি বিশেষভাবে মাইক্রোসফট অফিসে "ম্যাক্রো" ব্যবহার করে। যেমন Dridex নামের ভাইরাসটি যেটি দিয়ে এর আগে ব্যাংক সার্ভারে আক্রমন চালানো হয়েছিলো ঠিক তেমন পদ্ধতি অনুসরন করছে লকি ভাইরাস।
"ম্যাক্রো স্ক্রিপ্টগুলি নির্দিষ্ট কাজগুলি স্বয়ংক্রিয় করার জন্য ব্যবহৃত হয়। অফিসের সর্বশেষ সংস্করণে, ব্যবহারকারী নিজে নিজে চালু না হওয়া পর্যন্ত এটি নিষ্ক্রিয় করা হয় কিন্তু ব্যবহারকারীরা এমনকি নিজে নিজে চালানোর জন্য অফিস বা অপারেটিং সিস্টেমের দুর্বলতাগুলি ব্যবহার করে আরো জটিল ম্যাক্রো ব্যবহার করেন। "

# কি ক্ষতি হচ্ছে ভাইরাসের মাধ্যমে?
এসব হ্যাক করা তথ্যের মধ্যে থাকে ব্যবহারকারীর বিভিন্ন ছবি, ফাইল, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের অ্যাকাউন্ট, ব্যাংক অ্যাকাউন্ট ইত্যাদি। শুধু এখানেই শেষ নয়, তারপর এসব তথ্য ফেরত পাওয়ার জন্য ব্যক্তির কাছে নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ চাওয়া হয়। অর্থ না দিলে সে তথ্যগুলো নষ্ট করে দেয়া হবে বলেও হুমকি দেয়া হয়।

অন্যদিকে অর্থ দিয়েও সব তথ্য যে ফেরত পাওয়া যাবে সেটাও নিশ্চিত নয় কিংবা আবার যে হ্যাক হবে না তারও কোনো নিশ্চয়তা নেই।

# ফেসবুক থেকে কী আক্রমণের শিকার হতে পারি?
হ্যাঁ, ফেসবুক থেকেও আক্রমণের সম্ভাবনা রয়েছে। ইতোমধ্যে ফেসবুকের মাঝেও ছড়িয়ে পড়ছে লিংক গুলো। এসভিজি (স্ক্যালাবল ভেক্টর গ্রাফিকস) ফরম্যাটের ইমেজ ফাইলের ছদ্মাবরণে এক ব্যবহারকারী থেকে অন্য ব্যবহারকারীর ডিভাইসে ছড়িয়ে পড়ছে এটি। শুধু তাই নয়, ব্যবহারকারীদের অজান্তেই তাদের পরিচিত ম্যাসেঞ্জার ব্যবহারকারীদের কাছে এসভিজি ইমেজ ফাইলটি পাঠাতে থাকে। ফলে দ্রুত ম্যাসেঞ্জারে ছড়িয়ে পড়ছে ম্যালওয়্যারটি।


যেভাবে রক্ষা পাওয়া যাবে?

# কেউ যদি সন্দেহজনক লিংক পাঠায় বিশেষ করে ম্যাক্রো-সক্রিয় ডকুমেন্টগুলি এক্সটেনশন যেমন '.docm', 'mdoc', ওয়ার্ড ফাইলগুলির জন্য অথবা '.xlsm' বা 'mxls' এক্সেল ফাইলগুলির জন্য এরকম এক্সটেনশন সম্পন্ন ফাইল গুলো থেকে নিরাপদ থাকতে হবে।

# কম্পিউটারে জরুরি ডাটার জন্য কম্পিউটারে এবং অনলাইনে এবং সিডি/ডিভিডি সবসময় ব্যাকআপ রাখুন।

# স্প্যাম বা সন্দেহজনক মেইল থেকে কখনোই কোনো অ্যাটাসমেন্ট ডাউনলোড করবেন না।

# স্প্যাম বা সন্দেহজনক মেইল থেকে কখনোই কোনো লিংকে ক্লিক করবেন না।

# ম্যাসেঞ্জারে অপরিচিত/সন্দেহজনক কোনো ফাইল আসলে ডাউনলোড দেবেন না।

# অপরিচিত অ্যাপস ইন্সটল করা থেকে বিরত থাকুন।

# যাদের ইতোমধ্যেই আক্রমণের শিকার হয়ে গেছে তারা ‘ক্রিপ্টোড্রপ’ টুলসটি ব্যবহার করুন।

# সফটওয়্যার হালনাগাদ রাখুন।

# সবসময় অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ অ্যাকাউন্ট দিয়ে লগইন করবেন না। নিয়মিত ব্যবহারের জন্য লিমিটেড অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করুন।

# মাইক্রোসফট অফিসে ম্যাক্রো বন্ধ রাখুন।

# ব্রাউজার থেকে অপ্রয়োজনীয় এবং আউটডেটেড প্লাগইন মুছে ফেলুন এবং অ্যাড ব্লকার ব্যবহার করুন ।

# ক্যাফে বা অন্যের ডিভাইসে ই-মেইলে লগইন করবেন না।

# স্প্যাম মেইল খুলবেন না।

- সাইবার জগতে নিরাপদ থাকতে নিজে সচেতন থাকুন, অন্যকেও সচেতন করুন।

28/08/2017

28/08/2017
নোকিয়া ৮ রিভিউ: ফার্স্ট ইম্প্রেশন--------------------------------------------------------------------------------এইচএমডি...
21/08/2017

নোকিয়া ৮ রিভিউ: ফার্স্ট ইম্প্রেশন
--------------------------------------------------------------------------------

এইচএমডি গ্লোবাল প্রযুক্তি বাজারে সম্প্রতি উন্মোচন করেছে বহুল প্রতীক্ষিত ডিভাইস ‘নোকিয়া ৮’! এইচএমডি গ্লোবালের জন্য স্মার্টফোনটি প্রস্তুত করেছে ফক্সকন এবং স্মার্টফোনটি তৈরিতে মূল প্রতিষ্ঠানটি চুক্তিবদ্ধ হয়েছে জেইস এবং গুগলের সাথেও। এইচএমডি গ্লোবাল নোকিয়ার নতুন পথপ্রদর্শক হিসেবে আপ্রাণ চেষ্টা করে যাচ্ছে নোকিয়ার সেই হারিয়ে যাওয়া নির্ভরতা ফিরিয়ে আনতে, যেন নোকিয়া নামটির পরপরই পূর্বের মত ক্রমান্বয়ে কোয়ালিটি, সিম্পলিসিটি, ট্রাস্ট এবং রিলায়বিলিটি কথাগুলো চলে আসে। এরই ধারাবাহিকতায় প্রযুক্তি বিশ্বকে প্রতিষ্ঠানটির উপহার এই ‘নোকিয়া ৮’ স্মার্ট ডিভাইসটি।

আপনারা যারা অনেক দিন ধরেই একটি ভালো মানের নির্ভরযোগ্য ক্যামেরা ফোন খুঁজে আসছিলেন, সম্ভবত নোকিয়া ৮-স্মার্টফোনটিই আপনাদের এই খোঁজের একটি চমৎকার ফলাফল। ডিভাইসটি জেইসের সাথে রিফর্মড পার্টনারশিপের প্রথম আউটপুট। এছাড়াও বর্তমানে নোকিয়ার রয়েছে নিজস্ব ক্যামেরা ডিভিশন, অজো (OZO), যা মূলত স্মার্টফোনের মাইক্রোফোন এবং ক্যাপচারিং অ্যালগোরিদমের জন্যেই প্রস্তুত করা হয়েছিল।

এইচএমডি প্রতিষ্ঠানের দেয়া বিবৃতির বেশ কিছু অংশ থেকে এটি সহজেই বোঝা যায় যে প্রতিষ্ঠানটি ‘নোকিয়া ৮’ স্মার্টফোনটিকে একটি নির্দিষ্টি লক্ষ্যের ব্যবহারকারীদের উদ্দেশ্যেই তৈরি করতে চেষ্টা করেছে। নোকিয়া ৮-এর মূল টার্গেটেড ইউজার হচ্ছে মূলত সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং নিয়ে যারা কাজ করেন তারা, বিশেষ করে যারা ইতোমধ্যেই ভিডিও কনটেন্ট তৈরি করছেন বা, ভিডিও কনটেন্ট তৈরিতে আগ্রহী।

ডিভাইসটি ৪কে চলমান চিত্র ধারণে সক্ষম এবং মজার বিষয় হচ্ছে ডিভাইসটি ব্যবহার করে আপনি খুব সহজেই ইউটিউব বা ফেসবুকে ভিডিও স্ট্রিমিং করতে পারবেন। আপনার মনে প্রশ্ন জাগতে পারে, ‘এতে মজার বা, নতুনত্বের কী আছে?’

ডিভাইসটিতে একটি ইউনিক ফিচার ব্যবহার করা হয়েছে যার সাহায্যে আপনি একই সাথে পেছন এবং সামনের ক্যামেরা ব্যবহার করে লাইভ স্ট্রিম করতে পারবেন। পিকচার-ইন-পিকচার নামের এই মোডটি আসলেই ভিডিও কনটেন্ট প্রস্তুতকারকদের বেশ উপকারে আসবে, বিশেষ করে ভ্লগারদের। কেননা এর সাহায্যে আপনি খুব সহজেই একটি গল্পের দুটো পিঠই দেখাতে পারছেন।

নোকিয়া ৮ স্মার্টফোনটি তৈরি করা হয়েছে অ্যালুমিনিয়াম এবং গ্লাসের সমন্বয়ে যা আইপি৫৪ রেজিস্টান্ট সমর্থন করে। এদিক থেকে অনেকেই ডিভাইসটির ড্র-ব্যাক হিসেবে এর ৫.৩ ইঞ্চি আকারের ডিসপ্লে ইউনিটের কথা বলতে পারেন, যেহেতু অন্যান্য স্মার্টফোন নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠান সমূহের ফ্ল্যাগশিপ ডিভাইসগুলোর ডিসপ্লের আকার সাধারণত ৫.৫” বা এর থেকে বড় হয়ে থাকে। তবে, যারা হিউজ ডিসপ্লে পছন্দ করেন না, তাদের জন্য নোকিয়া ৮ এর ডিসপ্লে আকারটি আদর্শই বলা চলে।

প্রতিষ্ঠানটি স্মার্টফোনটির চিপ সেট হিসেবে ব্যবহার করেছে কোয়ালকম স্ন্যাপড্রাগনের ৮৩৫ চিপ সেটটি এবং সফটওয়্যার হিসেবে বেছে নিয়েছে গুগলকে! সত্যিই এবার খেলা জমবে!

এক নজরে ডিভাইসটির স্পেসিফিকেশন দেখে নেয়া যাক

এক নজরে নোকিয়া ৮:

বডি – ৬০০০ সিরিজ অ্যালুমিনিয়াম, আইপি৫৪ স্প্ল্যাশ এবং ডাস্ট রেজিস্টান্ট
স্ক্রিন – ৫.৩ ইঞ্চি আইপিএস এলসিডি, কিউএইচডি রেজ্যুলেশন (৫৫৪ পিপিআই), ৭০০ নিটস ব্রাইটনেস, গরিলা গ্লাস ৫ এবং ‘অলওয়েস অন ডিসপ্লে’ ফিচার
অপারেটিং সিস্টেম – অ্যান্ড্রয়েড ৭.১ (স্টক)
প্ল্যাটফর্ম – স্ন্যাপড্রাগন ৮৩৫ চিপসেট, ৪ গিগাবাইট র‍্যাম, ৬৪ গিগবাইট অন-বোর্ড স্টোরেজ এবং একটি মাইক্রোএসডি কার্ড স্লট; এক্ষেত্রে ব্যবহারকারীরা পলিশড ব্লু মডেলটির ক্ষেত্রে ৬ গিগাবাইটের র‍্যাম এবং ১২৮ গিগবাইট অন-বোর্ড স্টোরেজ পাবেন
মেইন ক্যামেরা – দুটি রিয়ার ক্যামেরা (কালার+ মনোক্রোম), জেইস লেন্স, অপটিক্যাল ইমেজ স্ট্যাবিলাইজেশন সুবিধা (কালার সেন্সরটির ক্ষেত্রে), লেজার এবং ফেজ ডিটেকশন অটোফোকাস, ডুয়েল-এলইডি ফ্ল্যাশ
সেলফি ক্যামেরা – ১৩ মেগাপিক্সেল ফ্রন্ট ফেসিং শুট্যার, জেইস লেন্স, ফেজ ডিটেকশন অটোফোকাস
ভিডিও – ৪কে ভিডিও রেকর্ডিং সুবিধা, ৩৬০ ডিগ্রী সাউন্ড ইউনিট (৩টি মাইক্রোফোন), পিকচার-ইন-পিকচার মোডের সাহায্যে একই সময়ে সামনের এবং পেছনের ক্যামেরা ব্যবহার করে ইউটিউব এবং ফেসবুকে লাইভ স্ট্রিমিং সুবিধা
ব্যাটারি – ৩,০৯০ মিলিঅ্যাম্পিয়ার, কুইক চার্জ ৩.০ প্রযুক্তি
অন্যান্য – ফিঙ্গারপ্রিন্ট রিডার, আনলিমিটিটেড গুগল ফটো স্টোরেজ


হার্ডওয়্যার
-----------
নোকিয়া ৮ স্মার্টফোনটি পাওয়া যাবে পলিশড এবং মেট ফিনিশিং-এ। ডিভাইসটির পলিশড ব্লু এবং পলিশড কপার মডেল দুটিকে প্রায় ২০ ঘণ্টা সময় ধরে বেশ কিছু প্রসেসের মাধ্যমে তাদের হাই-গ্লসি মিরর ফিনিশিং লুক দেয়া হয়েছে। এমনকি ডিভাইসটির মেট স্টিল এবং টেম্পার্ড ব্লু ভার্সন দুটিকেও প্রায় ৪০-টি ধাপ সম্পন্ন করতে হয়েছে ফাইনাল ফিনিশিং এর আগে।

ডিভাইসটিতে ব্যবহার করা হয়েছে ৬০০০ সিরিজের অ্যালুমিনিয়াম যার কারণে চমৎকার এই ফোনটিকে মাত্র ৭.৯ থিকনেসে আটকে রাখা সম্ভব হয়েছে। যদিও এই সিরিজের অ্যালুমিনিয়ামে পূর্বে ‘বেন্ড হয়ে যাওয়ার ইস্যু’ দেখা গেছে তবে প্রতিষ্ঠানটি এই ডিভাইসের ক্ষেত্রে ব্যবহার করেছে রেডিয়াস কার্ভ প্রযুক্তির যা পূর্বের সমস্যাটিকে দূরভিত করবে সহজেই। এক্ষেত্রে বলে রাখা ভালো, এই বেঁকে যাওয়ার সমস্যা পাশ কাটাতে ইতোমধ্যেই স্যামসাং এবং অ্যাপল তাদের নতুন ডিভাইসগুলোতে ৭০০০ সিরিজের অ্যালুমিনিয়াম ব্যবহার করা শুরু করেছে। তবে, এইচএমডি গ্লোবাল প্রতিষ্ঠানটি যখন এই চ্যালেঞ্জ মাথায় নিয়েই ডিভাইসটি প্রস্তুত করেছে, আশা করি তারা অবশ্যই বুঝেই তাদের এই পদক্ষেপটি গ্রহণ করেছে। অবশ্যই প্রতিষ্ঠানটি এরকমই দাবী করছে; প্রতিষ্ঠানটির ভাষ্যমতে নোকিয়া ৮ স্মার্টফোনটির বিল্ড কোয়ালিটি তাদের নোকিয়া ৬ ডিভাইসটির চাইতেও দ্বিগুণ শক্তিশালী।
নোকিয়া ৮ স্মার্টফোনটি নিঃসন্দেহে একটি চমৎকার ডিজাইনের ডিভাইস। যদিও বর্তমানে স্মার্টফোন বিশ্বের নতুন ক্রেজ হিসেবে ব্যাজেল লেস স্মার্টফোনের চাহিদা বেড়েই চলছে তবে সেক্ষেত্রে নোকিয়ার নতুন ডিজাইন ল্যাংগুয়েজে ডিভাইসগুলোতে আছে টপ এবং বোটম ব্যাজেল সহ চমৎকার ক্লাসিক লুক যা এখনও বেশীরভাগ ব্যবহারকারীদের কাছে সমাদৃত।

ডিভাইসটির টপ ব্যাজেলে রয়েছে জেইস লেন্স এবং অটো ফোকাস সমৃদ্ধ একটি ১৩ মেগাপিক্সেল সেলফি ক্যামেরা। ফ্রন্ট ক্যামেরায় অন্ধকারে সেলফি তোলার জন্য কোন ফ্রন্ট ফেসিং ফ্ল্যাশের ব্যবহার করা হয়নি স্মার্টফোনটিতে তবে এর বেশ উজ্জ্বল স্ক্রিনের কারণে ‘স্ক্রিন ফ্ল্যাশ’ এক্ষেত্রে বেশ কিছুটা সহায়তা করবে।
স্মার্টফোনটির নিচের ব্যাজেলে রয়েছে একটি ফিঙ্গার প্রিন্ট রিডার এবং ক্যাপাসিটিভ টাচ কী। ডিভাইসটির সম্মুখভাগের নিরাপত্তায় অর্থাৎ, ডিসপ্লে নিরাপত্তায় এতে ব্যবহার করা হয়েছে পঞ্চম প্রজন্মের গরিলা গ্লাস প্রযুক্তির।
অনেকেই হয়ত ডিভাইসটিতে ওএলইডি প্যানেলে আশা করেছিলেন তবে এইচএমডি গ্লোবাল এই ডিভাইসটির ক্ষেত্রেও ব্যবহার করেছে আইপিএস এলসিডি ডিসপ্লে প্রযুক্তির। নোকিয়া ৮ স্মার্টফোনটিতে রয়েছে একটি ৫.৩ ইঞ্চি আকারের ডিসপ্লে প্যানেল যা নোকিয়া ৬ স্মার্টফোনটির থেকেও আকারে কিঞ্চিৎ ছোট। তবে আকারে ছোট হলেও এটি বেশ শার্প ভিজুয়াল কনটেন্ট ডিসপ্লে করতে সক্ষম; এজন্য অবশ্য ধন্যবাদ পুরোটাই এর কিউএইচডি রেজ্যুলেশনেরই (১,৪৪০x২,৫৬০ পিক্সেল) প্রাপ্য। পাশাপাশি ডিভাইসটির ব্রাইটনেসও বেশ ভালো, প্রায় ৭০০ নিট। মজার কথা হচ্ছে, সনি এবং এইচটিসির মত এইচএমডি ব্যাজেল-লেস ডিজাইন ব্যবহার না করলেও তারা স্মার্টফোনটিতে যুক্ত করেছে অলওয়েজ অন ডিসপ্লে ফিচারটি।
৭.৯ মিলিমিটার থিকনেসের এই ডিভাইসটির দুপাশে রয়েছে মাত্র ৪.৬ মিমি আকারের কার্ভ যা সত্যিকার অর্থেই স্মার্টফোনটিকে করে তুলেছে আকর্ষণীয়। লক্ষ্য করলে ডিভাইসটির পেছনে ক্যামেরা ইউনিটে হালকা বাম্প দেখতে পাবেন যাও খুবই সামান্য, মাত্র ০.৪ মিলিমিটার। যাই হোক, শুধু ডিজাইনেই নয় বরং ১৬০ গ্রাম ওজনের এই ডিভাইসটি হাতে ধরে দৈনন্দিন ব্যবহারে খুবই কমফোর্ট প্রদান করবে।
স্মার্টফোনটির পেছন দিকে, অর্থাৎ রিয়ারে আছে একটি ডুয়েল ক্যামেরা, ডুয়েল টোন ফ্ল্যাশ, জেইসের একটা লোগো। যাই হোক, ক্যামেরা সম্পর্কিত আমরা আলাদা একটা সেকশনই এই রিভিউটির মধ্যে রেখেছি বিঁধায় ক্যামেরা ইউনিট নিয়ে আর কথা বাড়াচ্ছি না। তার চাইতে আরও কিছুটা ইন্টারনাল ডিটেইলসের তথ্য দেয়া যাক আপনাদের।
নোকিয়া ৮ এর অ্যান্টেনা প্লেসমেন্ট করা হয়েছে নোকিয়া ৫ স্মার্টফোনটির মত করেই, একটি একদম উপরে এবং অন্যটি একদম নিচে। ফলে আপনি হাতে ধরে ব্যবহারে যেভাবেই ব্যবহার করেন না কেন, দুটো অ্যান্টেনা একসাথে কখনোই ব্লক করতে পারবেন না। প্রতিষ্ঠানটির মতে, এরকম অ্যান্টেনা প্লেসমেন্টের ফলে নেটওয়ার্ক রিসিপশনে সমস্যা হবার সম্ভাবনা একদমই থাকেনা এবং ব্যাটারির উপরও কম প্রেশার পরে।

স্মার্টফোনটি তৈরি করার সময় নোকিয়া এবং কোয়ালকম একসাথে কাজ করেছে শুধুমাত্র এটা নিশ্চিত করার জন্য যে কোয়ালকমের স্ন্যাপড্রাগন ৮৩৫ চিপ সেটটি একই সাথে দুটি ক্যামেরার লাইভ স্ট্রিমিং প্রসেস করার জন্য পর্যাপ্ত প্রসেসিং ক্ষমতা সরবরাহ করতে পারবে কি না। চিপটি ভালো রাখার জন্য এবং তাপমাত্রা স্বাভাবিক রাখার জন্য প্রতিষ্ঠানটি ডিভাইসটিতে একটি হিট পাইপ এবং গ্রাফাইট শিল্ড ব্যবহার করেছে।

ফ্ল্যাগশিপের ক্ষেত্রে কিছুটা ছোট স্ক্রিনের পর ডিভাইসটির আরও একটি ড্র-ব্যাক হতে পারে এর আইপি৫৪ রেজিস্টান্ট রেটিং! খাতা কলমের হিসেবে এটি শুধুমাত্র ডাস্ট এবং স্প্ল্যাশ রেজিস্টান্ট। অন্যদিকে স্যামসাং, অ্যাপল, সনি, এইচটিসি এবং এলজির যে ডিভাইসগুলো নোকিয়া ৮-এর সাথে কমপিট করতে পারে, সেগুলোর রেজিস্টান্ট রেটিং আইপি৬৭!

হ্যাঁ, ডিভাইসটিতে রয়েছে একটি ৩.৫ মিলিমিটারের হেড ফোন জ্যাক! এছাড়া, এতে রয়েছে একটি ইউএসবি-সি পোর্ট (ফার্স্ট জেনারেশন, ৫ জিবিপিএস) যা ১৮ ওয়াটের পাওয়ার ব্যাটারিতে সরবরাহ করতে সক্ষম! জ্বি, এতে রয়েছে কুইক চার্জার ৩.০ প্রযুক্তি। যদিও স্মার্টফোনটির ব্যাটারি তুলনামূলক ভাবে কম (৩,০৯০ মিলি অ্যাম্পিয়ার) তবে আশা করা যায় ডে-টু-ডে ব্যবহারে বেশ ভালোই ব্যাক-আপ দিতে সক্ষম হবে এটি!
পারফর্মেন্স

নোকিয়া ৮ স্মার্টফোনটিতে ব্যবহার করা হয়েছে কোয়ালকম স্ন্যাপড্রাগন ৮৩৫ প্রসেসরটি যা এবছরের অন্যান্য স্মার্টফোন নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর ফ্ল্যাগশিপ ডিভাইসের দেখা গিয়েছে। ডিভাইসটিতে আছে অ্যান্ড্রয়েড ৭.১.১ এবং অবশ্যই যেহেতু স্মার্টফোনটিতে গুগলের এই অপারেটিং সিস্টেমটি যৎসামান্যই পরিবর্তন করা হয়েছে ফলে অ্যান্ড্রয়েড ও উন্মোচিত হবার পর প্রথম যে স্মার্টফোনগুলো এই আপডেট পাবে তাদের মধ্যে নোকিয়া ৮-ও থাকবে।

নোকিয়া ৮ স্মার্টফোনটিতে ব্যবহার করা হিট পাইপ এবং গ্রাফাইট শিল্ড ডিভাইসটিকে রাখে একেবারেই স্বাভাবিক তাপমাত্রায়। ইতোমধ্যেই বিশ্বব্যাপী রিভিউয়াররা ডিভাইসটির মাধ্যমে সর্বোচ্চ মাল্টি টাস্ক করে দেখার চেষ্টা করেছেন এবং তাদের দেয়া প্রতিবেদন অনুযায়ী সর্বোচ্চ ক্ষমতার মাল্টিটাস্কিং করার ক্ষেত্রেও ডিভাইসটি বলতে গেলে কোন হিটই উৎপন্ন করেনি। এজন্য অবশ্যই এইচএমডি গ্লোবালকে তাদের আর্কিটেকচারের জন্য ধন্যবাদ দেয়াই যায়।

একটি স্মার্টফোনের পারফর্মেন্স বিবেচনায় ‘বেঞ্চমার্ক টুল’গুলোর জুড়ি মেলা ভার। নোকিয়া ৮ স্মার্টফোনটির বেঞ্চমার্কিং স্কোরও চমৎকার, মূল্য বিবেচনায় এর স্কোরগুলো প্রতিযোগিতা করে অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের ফ্ল্যাগশিপ ডিভাইসগুলোর সাথে! চলুন, ডিভাইসটির কিছু বেঞ্চমার্কিং স্কোর সম্পর্কে জেনে নেয়া যাক, সাথে থাকছে প্রতিদ্বন্দ্বী কিছু স্মার্টফোনের বেঞ্চমার্ক ফলাফলও!

আনটুটু ৬ বেঞ্চমার্ক স্কোর

ওয়ানপ্লাস ৫ – ১৮০৩৩১
মটোরোলা মটো জেড২ ফোর্স – ১৭৮৬৭৪
এইচটিসি ইউ১১ -১৭৭৩৪৩
শাওমি মি৬ – ১৭৭৩২৬
নোকিয়া ৮ – ১৭৫৮৭২
স্যামসাং গ্যালাক্সি এস৮+ – ১৭৪০৭০
স্যামসাং গ্যালাক্সি এস৮+ (এসডি ৮৩৫) – ১৬৮১৩৩
সনি এক্সপেরিয়া এক্সজেড প্রিমিয়াম – ১৪৪২২৩
এলজি জি৬ – ১৪৩৬৩৯
হুয়াওয়ে পি১০ – ১২৬৬২৯
নোকিয়া ৬ (গ্লোবাল ভার্সন) – ৪৭৪৯৫

বেসমার্ক ওএস ২

শাওমি মি ৬ – ৪৪০২
মটোরোলা মটো জেড ২ ফোর্স – ৪৩৬৩
ওয়ানপ্লাস ৫ – ৪৩০০
নোকিয়া ৮ – ৪২১৫
সনি এক্সপেরিয়া এক্সজেড প্রিমিয়াম – ৪১২৭
স্যামসাং গ্যালাক্সি এস৮+ (এসডি ৮৩৫) – ৪০৩৮
এইচটিসি ইউ১১ – ৩৮৭৭
হুয়াওয়ে পি১০ – ৩৩৯৩
এলজি জি৬ – ২২৯১
নোকিয়া ৬ (গ্লোবাল ভার্সন) – ৯৭৮

গিকবেঞ্চ ৪.১ (মাল্টি-কোর)

স্যামসাং গ্যালাক্সি এস৮+ – ৬৭৫৪
শাওমি মি ৬ – ৬৭১৯
মটোরোলা মটো জেড২ ফোর্স – ৬৬২৯
ওয়ানপ্লাস ৫ – ৬৬০৪
নোকিয়া ৮ – ৬৫৬৮
এইচটিসি ইউ১১ – ৬৩৯৩
স্যামসাং গ্যালাক্সি এস৮+ (এসডি ৮৩৫) – ৬৩০১
সনি এক্সপেরিয়া এক্সজেড প্রিমিয়াম – ৫৪৬০
এলজি জি৬ – ৪১৭৫
নোকিয়া ৬ (গ্লোবাল ভার্সন) – ২৮৪১

গিকবেঞ্চ ৪.১ (সিংগেল-কোর)

স্যামসাং গ্যালাক্সি এস৮+ – ১৯৮৬
ওয়ানপ্লাস ৫ – ১৯৩২
শাওমি মি ৬ – ১৯২৯
নোকিয়া ৮ – ১৯২৫
এইচটিসি ইউ১১ – ১৯১৯
মটোরোলা মটো জেড২ ফোর্স – ১৯১৫
সনি এক্সপেরিয়া এক্সজেড প্রিমিয়াম – ১৮৩৬
স্যামসাং গ্যালাক্সি এস৮+ (এসডি ৮৩৫) – ১৮৩২
এলজি জি৬ – ১৭৬৭
নোকিয়া ৬ (গ্লোবাল ভার্সন) – ৬৬৫

বেসমার্ক এক্স

স্যামসাং গ্যালাক্সি এস৮+ – ৪৩৮৬২
হুয়াওয়ে পি১০ – ৩৯৪৩৩
ওয়ানপ্লাস ৫ – ৩৮৮৪৪
মটোরোলা মটো জেড২ ফোর্স – ৩৮৬১৫
শাওমি মি৬ – ৩৮৫৪১
সনি এক্সপেরিয়া এক্সজেড প্রিমিয়াম – ৩৮৫০৭
এইচটিসি ইউ১১ – ৩৮৩৯৯
নোকিয়া ৮ – ৩৭৫৯৩
স্যামসাং গ্যালাক্সি এস৮+ (এসডি ৮৩৫) – ৩৪৯৫১
এলজি জি৬ – ৩০৫০৭
নোকিয়া ৬ (গ্লোবাল ভার্সন) – ৭৫১৬

ক্যামেরা
-----------
কিছুক্ষণ আগেই লিখেছিলাম যে এইচএমডি গ্লোবাল খুব সামান্যই নোকিয়া ৮ স্মার্টফোনে ব্যবহারিত অ্যান্ড্রয়েড ৭.১.১ অপারেটিং সিস্টেমটিকে পরিবর্তন করেছে, আর এই পরিবর্তনটি মূলত হচ্ছে ডিভাইসটির পরিবর্তিত ক্যামেরা অ্যাপ। হ্যাঁ, প্রতিষ্ঠানটি ডিভাইসটিতে ব্যবহার করেছে নিজস্ব ক্যামেরা অ্যাপলিকেশন।

স্মার্টফোনটিতে রয়েছে দুটি ১৩ মেগাপিক্সেল সেন্সর বিশিষ্ট রিয়ার ক্যামেরা এবং দুটি ক্যামেরাতেই ব্যবহার করা হয়েছে জেইস লেন্স প্রযুক্তি। তবে এই ক্যামেরা দুটির একটিতে রয়েছে মনক্রোম সেন্সর এবং অন্যটিতে রেগুলার আরজিবি বা কালার সেন্সর। উল্লেখ্য, কালার সেন্সর বিশিষ্ট ক্যামেরাটিতে রয়েছে অপটিক্যাল ইমেজ স্ট্যাবিলাইজেশন সুবিধাও। দ্বিতীয় ক্যামেরাটি জনপ্রিয় ‘বোকেহ’ বা ‘ব্লার’ ইফেক্ট দিতে সক্ষম তবে বাড়তি কোন জুমিং ক্যাপাবিলিটি নেই এর।

স্মার্টফোনটির ফ্রন্ট ক্যামেরাটিও একই ১৩ মেগাপিক্সেল কালার সেন্সরের এবং রিয়ার ক্যামেরার মতই এর অ্যাপারচার এফ/২.০ এবং এতেও ব্যবহার করা হয়েছে কার্ল জেইস লেন্স। সামনে এবং পেছনে প্রায় একই ক্ষমতার ক্যামেরা ব্যবহার করার কারণে ভিডিও কনটেন্ট তৈরির সময় স্মার্টফোনটির ‘ডুয়েল-সাইট’ ফিচারটি বেশ চমৎকার কাজে আসবে বলেই বিশ্বাস প্রতিষ্ঠানটির। একই সাথে দুটি ক্যামেরা ব্যবহার করে ছবি তোলার ফিচারটিকে এইচএমডি গ্লোবাল ‘Bothie’ নামে আখ্যায়িত করেছে, যদিও এই টার্মটি কিছুটা হাস্যকর!

স্মার্টফোন ক্যামেরা প্রযুক্তিতে কার্ল জেইস একটি বিখ্যাত নাম এবং অবশ্যই চমৎকার একটি পদক্ষেপ তবে এইচএমডি গ্লোবাল শুধু জেইস প্রযুক্তিই নয় বরং ডিভাইসটিতে ব্যবহার করেছে ‘অজো’ নামের তাদের নিজস্ব একটি প্রযুক্তিও। ‘OZO’ মূলত নোকিয়ার একটি নিজস্ব প্রযুক্তি যা তাদের ৩৬০ ডিগ্রী ভিআর ক্যামেরা প্রযুক্তিতে ব্যবহার করা হয়ে থাকে, পাশাপাশি এই টিমটি স্মার্টফোনের সাউন্ড সিস্টেম নিয়ে কাজ করতেও মোটামুটি দক্ষ! ফলাফল স্বরূপ শুধু চমৎকার ক্যামেরাই নয় বরং ডিভাইসটি পেয়েছে চমৎকার ৩৬০ ডিগ্রী সাউন্ডও!

স্মার্টফোনটিতে রয়েছে ৩টি ডায়নামিক রেঞ্জের মাইক্রোফোন এবং অজো ক্যামেরায় ব্যবহারিত একই অডিও রেকর্ডিং অ্যালগরিদম যার ফলে ব্যবহারকারীরা ডিভাইসটির সাউন্ড এক্সপেরিয়েন্স নিয়ে সন্তুষ্ট থাকবে বলেই বিশ্বাস প্রতিষ্ঠানটির।

৩টি মাইক্রোফোন থাকার কারণে সাধারণ বা ট্রেডিশনাল স্মার্টফোনগুলোর চাইতে আরও বেশি রিয়েলিস্টিক ভিডিও সাউন্ড পাওয়া যাবে এই ডিভাইসটি থেকে কেননা এটি একই সাথে সামনের, পেছনের এবং পাশ থেকে আসা শব্দ ধারণ করতে সক্ষম!

শেষ কথা
-------------------
চমৎকার এই স্মার্টফোনটির ইতোমধ্যেই বেশ কিছু স্থানে বিক্রির আয়োজন চলছে, আর এই বিক্রি বাট্টা শুরু হবে আগামী মাসের প্রথম দিকেই। আপাতত ডিভাইসটির গ্লোবাল প্রাইস নির্ধারন করা হয়েছে প্রায় ৬০০ ইউরো। মূল্য কিঞ্চিৎ বেশি স্বীকার করছি তবে এরকম একটি পারফর্মেন্স বিস্টের জন্য ধারণকৃত মূল্য যে খুব একটা বেশি তাও কিন্তু নয়!

নোট – ফার্স্ট ইম্প্রেশনটি লেখা হয়েছে আন্তর্জতিক চমৎকার সব রিভিউ সাইটের অংশবিশেষ জোড়া লাগিয়ে। যেহেতু এটি ফার্স্ট ইম্প্রেশন তাই এখানে ব্যাটারি লাইফ, গেমিং পারফর্মেন্স সহ আরও অনেক ডিটেইলই বাদ পড়ে গিয়েছি জানি তবে আমাদের হাতে ডিভাইসটি আসার সাথে সাথেই আমরা ডিভাইসটির হ্যান্ডস-অন-রিভিউ তুলে দিতে চেষ্টা করব আপনাদের সামনে আর সেই রিভিউ-এ বাদ যাবেনা কোন তথ্যই। সে পর্যন্ত ভালো থাকুন, কণ্ঠস্বরের সাথে থাকুন।

Address

Cumilla
3500

Opening Hours

Monday 10:00 - 21:00
Tuesday 10:00 - 21:00
Wednesday 10:00 - 21:00
Thursday 10:00 - 21:00
Saturday 10:00 - 21:00
Sunday 10:00 - 21:00

Telephone

+8801921769343

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Rajmata Digital & It Solution posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Rajmata Digital & It Solution:

Share