Panorama Design & Development

Panorama Design & Development অবকাঠামো উন্নয়নে আর্কিটেকচার এবং প্রকৌশলগত কন্সাল্ট্যান্ট প্রতিষ্ঠান। Panorama Design Development (PD) is registered in Comilla with Comilla City Corporation.

Panorama Design Development (PD) was established in 2012 as an Architectural, Structural and Interior designing firm, providing services to public and private sector clients. The firm has its Head Office in Comilla and has completed a wide range of projects all around Comilla. PD provides fully integrated Planning, Building Design, Supervision and project management services. It is a professional,

independent and multi-disciplinary company with a highly-skilled staffs. All PD staffs have professional or technical qualifications in the fields of design, architecture, civil and structure engineering, interior design, and construction management. PD has undertaken, and successfully delivered a many projects. These projects are between short single-discipline architectural and large scale projects which involve the assembly of an integrated team providing a full range of professional services. Much like the view we’re named after, Panorama provides a complete offering designed towards one goal – total satisfaction. Aside from engineering and consulting, our services extend all the way to project planning and commissioning. Our scope of work is chiefly in the Design, Project Management, and MEP sectors. It’s our job to turn today’s problems into tomorrow’s opportunities, and unless we have a solution that creates long-term value, our job isn’t done. We understand that no two problems are alike. So, you can rest easy knowing that we’re actively innovating for new solutions, rather than just adapting old ones. It’s all about pushing the envelope. We push to create solutions that create value, and this value is our winning edge. Our aim is to surpass two things - your expectations, and the industry’s standards. Panorama is a company that’s socially responsible. Every day, we adapt, advance and reach new heights, responsibly. So join us, and we’ll go places, together.

25/01/2026

Project At Dhaka

নগর উন্নয়ন: পর্ব ০৭ উন্নত দেশের নগর পরিকল্পনা ও বাংলাদেশের বাস্তবতা: পার্থক্য ও প্রতিবন্ধকতাএকটি দেশের উন্নয়নের প্রকৃত...
19/01/2026

নগর উন্নয়ন: পর্ব ০৭
উন্নত দেশের নগর পরিকল্পনা ও বাংলাদেশের বাস্তবতা: পার্থক্য ও প্রতিবন্ধকতা

একটি দেশের উন্নয়নের প্রকৃত চিত্র সবচেয়ে স্পষ্টভাবে প্রতিফলিত হয় তার শহরগুলোর মধ্যে। উন্নত দেশগুলোর নগর পরিকল্পনার সঙ্গে বাংলাদেশের শহরগুলোর তুলনা করলে পার্থক্য যেমন সুস্পষ্টভাবে ধরা পড়ে, তেমনি আমাদের সীমাবদ্ধতা ও প্রতিবন্ধকতাও চোখে পড়ে।

পরিকল্পনার দৃষ্টিভঙ্গির পার্থক্য

উন্নত দেশগুলো নগর উন্নয়নকে দীর্ঘমেয়াদি, গবেষণাভিত্তিক ও তথ্যনির্ভর পরিকল্পনার মাধ্যমে পরিচালনা করে। শহরের জনসংখ্যা বৃদ্ধি, পরিবহন ব্যবস্থা, পরিবেশ সুরক্ষা, আবাসন ও অর্থনৈতিক চাহিদা—সবকিছু বিবেচনায় রেখে তারা ২০–৩০ বছরের মাস্টারপ্ল্যান প্রণয়ন করে। অন্যদিকে বাংলাদেশে অধিকাংশ উন্নয়ন প্রকল্প নেওয়া হয় তাৎক্ষণিক প্রয়োজন, আর্থিক সীমাবদ্ধতা ও রাজনৈতিক চাপের ভিত্তিতে, যার ফলে দীর্ঘমেয়াদি ভারসাম্য ও টেকসই উন্নয়ন ব্যাহত হয়।

আইন প্রয়োগ ও শাসন ব্যবস্থার বৈপরীত্য

উন্নত দেশগুলোতে নগর পরিকল্পনা-সংক্রান্ত আইন কঠোরভাবে প্রয়োগ করা হয়। ভবন নির্মাণ, ভূমি ব্যবহার কিংবা পরিবেশ সংরক্ষণের ক্ষেত্রে কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হয় না। কিন্তু বাংলাদেশে আইন বিদ্যমান থাকলেও তার কার্যকর প্রয়োগ দুর্বল। এর ফলস্বরূপ অপরিকল্পিত ভবন নির্মাণ, ভূমিদখল ও পরিবেশ ধ্বংস নিয়মিত ঘটনায় পরিণত হয়েছে।

পরিবহন ও ভূমি ব্যবস্থাপনায় ব্যবধান

উন্নত দেশগুলোতে গণপরিবহননির্ভর, সমন্বিত ও পরিবেশবান্ধব পরিবহন ব্যবস্থা গড়ে তোলা হয়েছে। বিপরীতে বাংলাদেশে সড়ককেন্দ্রিক ও খণ্ডিত পরিবহন ব্যবস্থাপনার কারণে যানজট, দুর্ঘটনা ও সময় অপচয় নাগরিক জীবনের নিত্যদিনের বাস্তবতা। ভূমি ব্যবহারের ক্ষেত্রেও সুস্পষ্ট জোনিং নীতির অভাবে আবাসিক এলাকায় শিল্পকারখানা ও বাণিজ্যিক স্থাপনা গড়ে ওঠে, যা জনস্বাস্থ্য ও পরিবেশের জন্য মারাত্মক হুমকি সৃষ্টি করে।

বাংলাদেশের নগর পরিকল্পনার প্রধান প্রতিবন্ধকতা

বাংলাদেশের নগর পরিকল্পনার পথে প্রধান প্রতিবন্ধকতাগুলোর মধ্যে রয়েছে সমন্বয়হীন প্রশাসনিক কাঠামো, রাজনৈতিক প্রভাব ও ভূমিদখল, গ্রাম থেকে শহরমুখী অতিরিক্ত জনস্রোত, সীমিত নগর সম্পদ এবং নাগরিক সচেতনতার অভাব। পাশাপাশি আধুনিক প্রযুক্তি ও তথ্যভিত্তিক পরিকল্পনার সীমিত ব্যবহার নগর ব্যবস্থাপনাকে আরও দুর্বল করে তুলছে।

উপসংহার

উন্নত দেশগুলো যেখানে আগে পরিকল্পনা করে, পরে উন্নয়ন বাস্তবায়ন করে, সেখানে বাংলাদেশে প্রায়শই দেখা যায়—আগে নির্মাণ, পরে সমস্যার সমাধান। এই দৃষ্টিভঙ্গি ও মানসিকতার পরিবর্তন ছাড়া টেকসই, নিরাপদ ও মানবিক শহর গড়ে তোলা সম্ভব নয়।
আজই যদি সঠিক পরিকল্পনা, শক্তিশালী শাসনব্যবস্থা ও নাগরিক অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা যায়, তবেই ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি বাসযোগ্য ও উন্নত বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব হবে।
















A picture that shows how a desert can be transformed into a modern city with proper integrated planning.

নগর পরিকল্পনা: পর্ব ০৬নগর পরিকল্পনায় পরিবহন ব্যবস্থাকে অগ্রাধিকার দিতে হবে:সড়ক হলো একটি দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও সামাজিক...
17/01/2026

নগর পরিকল্পনা: পর্ব ০৬

নগর পরিকল্পনায় পরিবহন ব্যবস্থাকে অগ্রাধিকার দিতে হবে:

সড়ক হলো একটি দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও সামাজিক গতিশীলতার প্রধান চালিকা শক্তি। কিন্তু বাংলাদেশের সড়ক ব্যবস্থায় বর্তমানে যে বিশৃঙ্খলা, দুর্ঘটনা ও যানজট দেখা যায়, তা আমাদের সামগ্রিক উন্নয়নকে বাধাগ্রস্ত করছে। এই সংকট থেকে উত্তরণের অন্যতম কার্যকর পথ হলো সমন্বিত পরিবহন ব্যবস্থাপনা প্রতিষ্ঠা করা।

বর্তমান সমস্যার চিত্র
বাংলাদেশের সড়কগুলোতে নিয়মিত দেখা যায় অনিয়ন্ত্রিত যান চলাচল, লাইসেন্সবিহীন চালক, ফিটনেসবিহীন যানবাহন, যত্রতত্র যাত্রী ওঠানামা এবং দুর্বল আইন প্রয়োগ। যদিও বিভিন্ন সংস্থা আলাদা দায়িত্ব পালন করছে, কিন্তু সমন্বয়ের অভাবের কারণে পরিবহন ব্যবস্থা দিন দিন আরো বিশৃঙ্খল হয়ে উঠছে।

সমন্বিত পরিবহন ব্যবস্থাপনার গুরুত্ব
সমন্বিত পরিবহন ব্যবস্থাপনা বলতে বোঝায় সড়ক, রেল, নৌ ও আকাশপথের পাশাপাশি ট্রাফিক পুলিশ, বিআরটিএ, সিটি কর্পোরেশন ও স্থানীয় প্রশাসনের মধ্যে সুসংগঠিত সমন্বয়। এই ব্যবস্থার মাধ্যমে যান চলাচল পরিকল্পিত হয়, দুর্ঘটনা হ্রাস পায় এবং নাগরিক জীবনে স্বস্তি ফিরে আসে।

রাস্তার শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনার উপায়
১. ট্রাফিক আইন কঠোরভাবে ও প্রযুক্তিনির্ভরভাবে প্রয়োগ করা। স্বয়ংক্রিয় জরিমানা ব্যবস্থা, ডিজিটাল লাইসেন্স যাচাই ও সিসিটিভি নজরদারি শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে সহায়ক।
২. গণপরিবহন আধুনিক ও নিয়ন্ত্রিত করা। বাস রুট ফ্র্যাঞ্চাইজি ব্যবস্থা চালু করা, নির্দিষ্ট স্টপেজ নিশ্চিত করা এবং চালকদের নিয়মিত প্রশিক্ষণ দেওয়া জরুরি।
৩. জনসচেতনতা বৃদ্ধি। স্কুল পর্যায় থেকেই ট্রাফিক শিক্ষা অন্তর্ভুক্ত করা এবং গণমাধ্যমে নিয়মিত প্রচারণা চালানো হলে নাগরিকরা আইন মানতে উদ্বুদ্ধ হবে।
৪. নগর পরিকল্পনায় পরিবহনকে অগ্রাধিকার দেওয়া। প্রশস্ত ফুটপাত, সাইকেল লেন, আধুনিক পার্কিং ব্যবস্থা ও বহুমুখী পরিবহন সংযোগ গড়ে তুললে সড়কের ওপর চাপ কমবে।

পরিশেষে
শৃঙ্খলাবদ্ধ ও আধুনিক পরিবহন ব্যবস্থা ছাড়া টেকসই উন্নয়ন সম্ভব নয়। আইন প্রয়োগ, প্রযুক্তির ব্যবহার এবং জনসচেতনতা—এই তিনটি বিষয়কে একসাথে কার্যকরভাবে বাস্তবায়ন করলে বাংলাদেশের সড়কে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা সম্ভব। একটি সুশৃঙ্খল সড়ক ব্যবস্থাই পারে একটি উন্নত ও সভ্য জাতির প্রতিচ্ছবি তুলে ধরতে।















বাংলাদেশের সুপরিকল্পিত আধুনিক এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের ছবি :

নগর পরিকল্পনা: পর্ব ০৫শহরের মুখোশ পরিকল্পনাহীন পৌরসভা:বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলে সাম্প্রতিক সময়ে রাজনৈতিক প্রভাব ও প্রশাস...
12/01/2026

নগর পরিকল্পনা: পর্ব ০৫
শহরের মুখোশ পরিকল্পনাহীন পৌরসভা:

বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলে সাম্প্রতিক সময়ে রাজনৈতিক প্রভাব ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্তে বহু গ্রামীণ এলাকাকে উপজেলা ও পৌরসভায় উন্নীত করা হয়েছে। কাগজে-কলমে এসব অঞ্চল এখন ‘শহর’; কিন্তু বাস্তবতায় অধিকাংশ ক্ষেত্রেই এগুলো পরিকল্পনাহীন বসতি, যেখানে নগর জীবনের ন্যূনতম সুযোগ-সুবিধা অনুপস্থিত। এই ধরনের অপরিকল্পিত নগরায়ন দেশের সামাজিক, অর্থনৈতিক ও পরিবেশগত কাঠামোর উপর সুদূরপ্রসারী ক্ষতিকর প্রভাব ফেলেছে।

পরিকল্পনার অনুপস্থিতি ও অবকাঠামোগত বিশৃঙ্খলা:

একটি শহর গড়ে ওঠার পূর্বশর্ত হলো সুসংগঠিত নগর পরিকল্পনা, সড়ক নকশা, আবাসন জোনিং, পানি ও পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থা, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য অবকাঠামো। কিন্তু রাজনৈতিক সিদ্ধান্তে রাতারাতি গড়ে ওঠা এসব পৌরসভায় এসবের কোনোটিই পূর্বনির্ধারিত ছিল না, এখনও নেই। ফলে সড়ক ব্যবস্থাপনা হয়ে উঠেছে এলোমেলো, বাজার ও আবাসিক এলাকা গড়ে উঠছে অপরিকল্পিতভাবে, এবং ড্রেনেজ ব্যবস্থা প্রায় সম্পূর্ণ অকার্যকর।

পরিবেশ বিপর্যয় ও জনস্বাস্থ্য সংকট:

পরিকল্পনাহীন নগরায়নের সবচেয়ে বড় মূল্য দিতে হচ্ছে প্রকৃতিকে। কৃষিজমি ও জলাশয় দখল হয়ে যাচ্ছে, খাল ও নালা ভরাট হচ্ছে, প্রাকৃতিক পানি নিষ্কাশনের পথ বন্ধ হয়ে সৃষ্টি হচ্ছে দীর্ঘস্থায়ী জলাবদ্ধতা। এসবের ফলশ্রুতিতে বৃদ্ধি পাচ্ছে ডেঙ্গু, ম্যালেরিয়া সহ পানিবাহিত বিভিন্ন রোগ। এসব এলাকায় নিরাপদ পানি ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনার অভাবে জনস্বাস্থ্য আজ চরম হুমকির মুখে।

সামাজিক বৈষম্য ও অর্থনৈতিক বিশৃঙ্খলা:

এই অপরিকল্পিত শহরগুলোতে সুবিধা ভোগ করছে ভূমিদস্যু ও প্রভাবশালী মহল, আর ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে সাধারণ মানুষ ও কৃষক শ্রেণি। জমির অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি দরিদ্র জনগোষ্ঠীকে বাস্তুচ্যুত করছে। কর্মসংস্থান সৃষ্টি না হয়েও এসব শহরের দিকে জনস্রোত বাড়লেও অর্থনৈতিক ভারসাম্য মারাত্মকভাবে নষ্ট হচ্ছে।

রাষ্ট্রীয় সম্পদের অপচয়:

পরিকল্পনা ছাড়া উন্নয়ন মানেই অস্থায়ী নির্মাণ, পুনঃনির্মাণ এবং বারবার ভাঙাগড়া। এতে রাষ্ট্রীয় কোষাগারের বিপুল অর্থ অকার্যকর প্রকল্পে ব্যয় হয়ে যাচ্ছে, যার সুফল জনগণ পাচ্ছে না।

পরিশেষে বলা যায়~

শহরের নাম ব্যবহার করে যদি পরিকল্পনাহীনভাবে বসতি গড়ে তোলা হয়, তবে তা উন্নয়ন নয়— ভবিষ্যৎ ধ্বংসের রূপরেখা। এই ধরনের পৌরসভা বর্তমান প্রজন্মের জন্য দুর্ভোগের কারণ এবং আগামী প্রজন্মের জন্য ভয়াবহ উত্তরাধিকার। টেকসই উন্নয়নের স্বার্থে অবিলম্বে বৈজ্ঞানিক নগর পরিকল্পনা ছাড়া কোনো অঞ্চলকে পৌরসভা বা শহর ঘোষণা করার সংস্কৃতি বন্ধ করা জরুরী।














নগর পরিকল্পনা: পর্ব ০৪টেকসই নগর পরিকল্পনা:বাংলাদেশের শহরগুলো দ্রুত সম্প্রসারিত হচ্ছে। কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে আমরা কি এমন শহ...
07/01/2026

নগর পরিকল্পনা: পর্ব ০৪
টেকসই নগর পরিকল্পনা:
বাংলাদেশের শহরগুলো দ্রুত সম্প্রসারিত হচ্ছে। কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে আমরা কি এমন শহর গড়তে যাচ্ছি, যেখানে শুধু আজকের মানুষই নয়, আগামী প্রজন্মও নিরাপদ ও সুন্দর জীবন পাবে?
এই প্রশ্নের উত্তরই হলো "টেকসই নগর পরিকল্পনা"।

কিন্তু টেকসই নগর পরিকল্পনা কী?
টেকসই নগর পরিকল্পনা হলো এমন এক উন্নয়ন ব্যবস্থা যেখানে অর্থনীতি, সমাজ ও পরিবেশ—এই তিনটির মধ্যে ভারসাম্য রক্ষা করা হয়। এটি বর্তমান জনগোষ্ঠীর চাহিদা পূরণ করে, কিন্তু ভবিষ্যত নাগরিকদের অধিকার নষ্ট করে না।

টেকসই শহরে গণপরিবহন, হাঁটার পথ ও সাইকলিং ব্যবস্থাকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়। এতে যানজট যেমন কমে, তার সাথে শব্দ দূষণ এবং বায়ুদূষণ হ্রাস পায়, ফলে মানুষের স্বাস্থ্য ভালো থাকে।

🌿একটি নগরীর খাল, নদী, জলাভূমি ও খোলা জায়গা হলো তার ফুসফুস। এগুলো রক্ষা করলে বন্যা, জলাবদ্ধতা ও তাপমাত্রা বৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব। একটি শহর যতবেশি সবুজ, সেই শহরের মানুষ ততবেশি সুস্থ।

টেকসই নগর মানে শুধু উঁচু উঁচু ভবন নয়; বরং এমন আবাসন ব্যবস্থা যেখানে ধনী-গরিব সবাই নিরাপদ, স্বাস্থ্যকর পরিবেশে বাস করতে পারে। বাসস্থানের কাছাকাছি পরিকল্পিত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, হাট বাজার ও কর্মস্থল থাকলে জীবন হয় সহজ ও মানবিক।

⚡নবায়নযোগ্য জ্বালানি, বৃষ্টির পানি সংরক্ষণ, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী ভবন—এই বিষয়গুলো হলো একটি টেকসই নগরের ভিত্তি।

শহর গড়তে হবে সেখানকার মানুষের মতামতকে গুরুত্ব দিয়ে। নাগরিক অংশগ্রহণ থাকলে উন্নয়ন হয় টেকসই ও কার্যকর।

টেকসই নগর পরিকল্পনা কোনো বিলাসিতা নয়—এটি আগামী প্রজন্মের ভবিষ্যৎ বাঁচানোর শর্ত।
আজ আমরা যেভাবে শহর গড়ছি, আগামী প্রজন্ম সেভাবেই জীবন পাবে।
আজকের সঠিক পরিকল্পনায় হবে, আগামীর সুন্দর বাংলাদেশ।













নগর পরিকল্পনা: পর্ব ০৩নগর পরিকল্পনার প্রয়োজনীয়তা:নগর পরিকল্পনা কোনো বিলাসিতা নয়; এটি একটি দেশের টেকসই উন্নয়নের মৌলিক শ...
05/01/2026

নগর পরিকল্পনা: পর্ব ০৩
নগর পরিকল্পনার প্রয়োজনীয়তা:

নগর পরিকল্পনা কোনো বিলাসিতা নয়; এটি একটি দেশের টেকসই উন্নয়নের মৌলিক শর্ত। পরিকল্পনা ছাড়া শহর গড়ে উঠলে সেই শহর ধীরে ধীরে মানুষের জন্য বোঝা হয়ে দাঁড়ায়। তাই নগর পরিকল্পনার প্রয়োজনীয়তা বহুমাত্রিক ও গভীর।

সুপরিকল্পিত নগর নাগরিকদের নিরাপদ বাসস্থান, বিশুদ্ধ পানি, স্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষা ও বিনোদনের সুযোগ নিশ্চিত করে। বিপরীতে অপরিকল্পিত নগরায়ণ সৃষ্টি করে বস্তি, যানজট, দূষণ ও সামাজিক বৈষম্য। নগর পরিকল্পনার মাধ্যমে সড়ক নকশা, গণপরিবহন ব্যবস্থা ও পথচারীবান্ধব অবকাঠামো গড়ে তোলা সম্ভব। এতে যানজট কমে, সময় ও জ্বালানি সাশ্রয় হয়। আজ যানজট দেশের অর্থনীতির উপর বড় চাপ সৃষ্টি করেছে; কর্মঘণ্টা ও জ্বালানির অপচয়ের মাধ্যমে এটি জাতীয় উৎপাদনশীলতায় খারাপ প্রভাব ফেলেছে।

পরিবেশ সুরক্ষার ক্ষেত্রেও নগর পরিকল্পনার ভূমিকা অপরিসীম। খাল-জলাশয় ভরাট, সবুজ এলাকা ধ্বংস এবং অপরিকল্পিত নির্মাণ শহরকে জলাবদ্ধতা ও দূষণের ঝুঁকিতে ফেলছে। সুপরিকল্পিত নগরায়ণ পরিবেশ রক্ষা করে এবং জলবায়ু পরিবর্তনের সঙ্গে শহরকে মানিয়ে নেওয়ার সক্ষমতা বাড়ায়।

অর্থনৈতিক দৃষ্টিকোণ থেকেও পরিকল্পিত শহর অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সুশৃঙ্খল অবকাঠামো বিনিয়োগ আকর্ষণ করে, কর্মসংস্থান বাড়ায় এবং দেশের প্রতিযোগিতামূলক সক্ষমতা বৃদ্ধি করে। একই সঙ্গে এটি সামাজিক স্থিতিশীলতা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সহায়তা করে।

সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো—নগর পরিকল্পনা ভবিষ্যৎ প্রজন্মের অধিকার রক্ষা করে। আজকের অপরিকল্পিত সিদ্ধান্ত আগামী দিনের নাগরিকদের জীবনমান ধ্বংস করতে পারে। তাই টেকসই, জনবান্ধন ও পরিবেশবান্ধব নগর পরিকল্পনা ছাড়া উন্নত বাংলাদেশ কখনোই কল্পনা করা যায় না। নগর পরিকল্পনা মানে শুধু ভবন নির্মাণ নয়, বরং মানবিক এবং পরিবেশবান্ধব জীবনব্যবস্থা নির্মাণ।
তাই শহর যত উন্নত, জাতি তত শক্তিশালী—
এবং সেই উন্নতির ভিত্তি হলো সুদূরপ্রসারী নগর পরিকল্পনা ।













03/01/2026

বন্ধুরা আমার কয়েকটি লিখা ফে.বু পেজে পোস্ট হয়েছে বাংলাদেশের নগর পরিকল্পনা নিয়ে, অনেকের জানতে চাওয়া আমি নগরবিদ কিনা? এই ব্যাপারটি পরিষ্কার করার জন্য নিম্মে একটি সংশোধনী দেয়া হলো:

আমি একজন সিভিল ইঞ্জিনিয়ার—বাংলায় যাকে বলা হয় পুরকৌশলী বা পূর্ত প্রকৌশলী।
রাস্তা, সেতু, বাঁধ, ভবন, ইউটিলিটি, ড্রেনেজ ব্যবস্থা, পানীয় জল সরবরাহ ও অবকাঠামোগত নকশা, নির্মাণ, ট্রফিক ম্যানেজমেন্ট এবং রক্ষণাবেক্ষণে দেশ ও আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে দীর্ঘদিন কাজ করার বাস্তব অভিজ্ঞতা আমার পেশাগত পরিচয়।এই অভিজ্ঞতার আলোকে যখন আমি বাংলাদেশের নগর ও শহর পরিকল্পনা নিয়ে লিখি, তখন সেটি কোনো তাত্ত্বিক আলোচনা নয়—এটি মাঠের বাস্তবতা, প্রকৌশলগত সীমাবদ্ধতা ও উন্নয়ন বাস্তবায়নের অভিজ্ঞতা থেকে উঠে আসা পর্যবেক্ষণ।
কেউ কেউ ভুলবশত আমাকে “নগরবিদ” ভাবতে পারেন। কোথাও ভুল বশত আমাকে নগর পরিকল্পনাবিদ হিসেবে উপস্থাপিত হয়ে থাকতে পারে, কিন্ত আমি নিজেকে সে পরিচয়ে উপস্থাপন করি না।
আমি কথা বলি একজন প্রকৌশলী হিসেবে—এবং আমি জানি পরিকল্পনাহীন শহর শুধু সমস্যার জন্ম দেয়, উন্নয়নের নয়। দেশের টেকসই ভবিষ্যতের জন্য নগর পরিকল্পনায় বাস্তব অভিজ্ঞতার মূল্য সবচেয়ে বেশি। আমি আমার দেশ বিদেশের দীর্ঘ অভিজ্ঞতা থেকে এবং যেটুকু মেধা আছে তা দিয়ে বাংলাদেশের শহর নগর নিয়ে লিখে যেতে চাই। আশা করি বন্ধুরা এ ব্যাপারে আমাকে উৎসাহিত করবে।
ধন্যবাদ।

নগর পরিকল্পনা: পর্ব ০২বাংলাদেশের শহর পরিকল্পনার মূল বিষয়াদিঃবাংলাদেশ দ্রুত নগরায়ণের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। কিন্তু এই অগ্রয...
03/01/2026

নগর পরিকল্পনা: পর্ব ০২
বাংলাদেশের শহর পরিকল্পনার মূল বিষয়াদিঃ

বাংলাদেশ দ্রুত নগরায়ণের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। কিন্তু এই অগ্রযাত্রাকে টেকসই ও মানবিক করতে হলে শহর পরিকল্পনার কিছু মৌলিক বিষয় সব সময় মনে রাখতে হবে।
জনবান্ধন মাস্টার প্ল্যান প্রনয়ন:>
শহর গড়তে হবে মানুষের জন্য—নিরাপদ বাসস্থান, বিশুদ্ধ পানি, স্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষা ও বিনোদনের সুযোগ নিশ্চিত করেই একটি শহর সত্যিকারের বাসযোগ্য হয়।
🌿 পরিবেশ ও ভবিষ্যৎ সুরক্ষা:>
খাল, নদী, জলাশয় ও সবুজ বনায়ন এলাকা রক্ষা না করলে শহর টিকবে না। দূষণ নিয়ন্ত্রণ, বৃষ্টির পানি সংরক্ষণ ও জলবায়ু সহনশীল পরিকল্পনা অপরিহার্য।
কার্যকর যোগাযোগ:>
গণপরিবহন, হাঁটার পথ ও সাইকেল লেনের উন্নয়ন যানজট কমায়, সময় বাঁচায় এবং শহরকে স্বাস্থ্যকর করে।
সবার জন্য আবাসন:>
শহর শুধু ধনীদের নয়। স্বল্প ও মধ্যবিত্তের জন্য নিরাপদ, সাশ্রয়ী আবাসন নিশ্চিত করাই টেকসই নগরের ভিত্তি।
সুশাসন ও নাগরিক অংশগ্রহণ:>
নাগরিক মতামত ও সরকারি সংস্থাগুলোর সমন্বয় ছাড়া কোনো পরিকল্পনাই সফল হয় না।

বাংলাদেশের শহরগুলোকে টিকিয়ে রাখতে হলে উন্নয়ন নয়, চাই বুদ্ধিদীপ্ত পরিকল্পনা। আজ আমরা যেভাবে শহর গড়ছি, আগামী প্রজন্ম সেভাবেই জীবন পাবে।













নগর পরিকল্পনা: পর্ব ০১বাংলাদেশের নগর পরিকল্পনায় ক্রমবর্ধমান সংকট ও উত্তরণের পথ:বাংলাদেশ আজ দ্রুত নগরায়ণের এক জটিল ও সংকট...
01/01/2026

নগর পরিকল্পনা: পর্ব ০১
বাংলাদেশের নগর পরিকল্পনায় ক্রমবর্ধমান সংকট ও উত্তরণের পথ:

বাংলাদেশ আজ দ্রুত নগরায়ণের এক জটিল ও সংকটময় সময় অতিক্রম করছে। উন্নয়ন ও কর্মসংস্থানের টানে প্রতিদিন বিপুলসংখ্যক মানুষ গ্রাম থেকে শহরমুখী হচ্ছে। কিন্তু এই নগর সম্প্রসারণের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ পরিকল্পনার অভাবে আমাদের শহরগুলো ক্রমেই বসবাসের অযোগ্য হয়ে উঠেছে। এই সংকট শুধু নগর জীবনের গুণগত মানকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে না, বরং দেশের সার্বিক উন্নয়নকেও হুমকির মুখে ফেলেছে।

বর্তমানে ঢাকাসহ দেশের প্রধান শহরগুলোতে যানজট, জলাবদ্ধতা, বায়ু ও শব্দদূষণ, আবাসন সংকট এবং উন্মুক্ত স্থানের ভয়াবহ অভাব নাগরিক জীবনের স্বাভাবিক ছন্দ ভেঙে দিয়েছে। খাল-জলাশয় ও প্রাকৃতিক জলপ্রবাহ নির্বিচারে ভরাট হওয়ার ফলে নগরের নিষ্কাশন ব্যবস্থা বিপর্যস্ত হচ্ছে, বাড়ছে বর্ষাকালীন জলাবদ্ধতা ও আকস্মিক বন্যার ঝুঁকি। ভূমিকম্প ও অগ্নিকাণ্ডের মতো দুর্যোগের ক্ষেত্রে অপরিকল্পিত ভবন নির্মাণ নগরকে আরও ঝুঁকিপূর্ণ করে তুলেছে। আর এই সংকটের পেছনে রয়েছে দীর্ঘমেয়াদি নগর পরিকল্পনার অভাব, প্রশাসনিক সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বয়হীনতা, আইনের দুর্বল প্রয়োগ, রাজনৈতিক প্রভাব ও অবৈধ ভূমিদখল এবং অতিরিক্ত জনসংখ্যার চাপ। পরিকল্পনার সীমাবদ্ধতা ও দুর্বল শাসন ব্যবস্থা মিলিয়ে নগর উন্নয়ন আজ কার্যত নিয়ন্ত্রণহীন অবস্থায় পৌঁছেগেছে।

এই পরিস্থিতি থেকে উত্তরণে সর্বপ্রথম প্রয়োজন প্রতিটি প্রধান শহরের জন্য বাস্তবসম্মত, বিজ্ঞানভিত্তিক এবং ২০–৩০ বছর মেয়াদি সমন্বিত মাস্টারপ্ল্যান প্রণয়ন ও তার কঠোর বাস্তবায়ন। একই সঙ্গে নগর ব্যবস্থাপনায় আইনের শাসন নিশ্চিত করতে হবে, বিশেষ করে অননুমোদিত নির্মাণ, ভূমিদখল এবং পরিবেশ ধ্বংসের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে।

গণপরিবহন ব্যবস্থার আধুনিকায়ন ও সম্প্রসারণ ছাড়া নগর সংকট নিরসন সম্ভব নয়। ব্যক্তিগত গাড়িনির্ভরতা কমিয়ে পরিবেশবান্ধব গণপরিবহনকে অগ্রাধিকার দিতে হবে। পাশাপাশি খাল-নদী পুনরুদ্ধার, সবুজ বন এলাকা সংরক্ষণ এবং জলবায়ু সহনশীল অবকাঠামো নির্মাণের মাধ্যমে নগরকে পরিবেশগতভাবে নিরাপদ করে তুলতে হবে।

সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো নগর পরিকল্পনায় নাগরিক অংশগ্রহণ ও জবাবদিহিতার সংস্কৃতি গড়ে তোলা। নাগরিকদের চাহিদা ও মতামতকে প্রাধান্য দিয়ে গৃহীত পরিকল্পনাই কেবল দীর্ঘস্থায়ী ও কার্যকর হতে পারে।

সবশেষে বলা যায়, বাংলাদেশের নগর সংকট মানবসৃষ্ট, ফলে এর সমাধানও মানুষের হাতেই। সময় থাকতেই যদি আমরা সুপরিকল্পিত, মানবিক ও পরিবেশবান্ধব নগর উন্নয়নের পথে দৃঢ়ভাবে এগিয়ে না যাই, তবে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি বাসযোগ্য বাংলাদেশ রেখে যাওয়া কঠিন হয়ে পড়বে।

মনে রাখতে হবে শহর রক্ষা মানেই দেশের ভবিষ্যৎ রক্ষা।













Early Morning Site Visit
25/12/2025

Early Morning Site Visit

Address

Race Course
Cumilla
3500

Opening Hours

Monday 09:00 - 18:00
Tuesday 09:00 - 18:00
Wednesday 09:00 - 18:00
Thursday 09:00 - 18:00
Saturday 09:00 - 18:00
Sunday 09:00 - 18:00

Telephone

+8801748593003

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Panorama Design & Development posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Panorama Design & Development:

Share

Our Story

Panorama Design & Development (PDD) was established in 2012 as an Architectural, Structural and Interior designing firm, providing services to public and private sector clients. The firm has its Head Office in Comilla and has completed a wide range of projects all around Comilla. Panorama Design & Development (PDD) is registered in Comilla with Comilla City Corporation. PDD provides fully integrated Planning, Building Design, Supervision and project management services. It is a professional, independent and multi-disciplinary company with a highly-skilled staffs. All PDD staffs have professional or technical qualifications in the fields of design, architecture, civil and structure engineering, interior design, and construction management. PDD has undertaken, and successfully delivered a many projects. These projects are between short single-discipline architectural and large scale projects which involve the assembly of an integrated team providing a full range of professional services. Much like the view we’re named after, Panorama provides a complete offering designed towards one goal – total satisfaction. Aside from engineering and consulting, our services extend all the way to project planning and commissioning. Our scope of work is chiefly in the Chemical, Pharmaceutical, Project Management, and MEP sectors. It’s our job to turn today’s problems into tomorrow’s opportunities, and unless we have a solution that creates long-term value, our job isn’t done. We understand that no two problems are alike. So, you can rest easy knowing that we’re actively innovating for new solutions, rather than just adapting old ones. It’s all about pushing the envelope. We push to create solutions that create value, and this value is our winning edge. Our aim is to surpass two things - your expectations, and the industry’s standards. Panorama is a company that’s socially responsible. Every day, we adapt, advance and reach new heights, responsibly. So join us, and we’ll go places, together.