30/03/2026
🔴 ৭ মাস পালিয়ে… শেষ পর্যন্ত পালাতে পারল না।
অস্ট্রেলিয়ার ইতিহাসে সবচেয়ে বড় ম্যানহান্টের যবনিকাপাত ঘটল আজ।
দেজি ফ্রিম্যান। একজন স্ব-ঘোষিত “সভরেইন সিটিজেন”। যে বিশ্বাস করত — আইন তার জন্য প্রযোজ্য নয়।
গত বছর আগস্টে, পুলিশ তার সম্পত্তিতে ওয়ারেন্ট কার্যকর করতে গেলে সে দুই পুলিশ অফিসারকে গুলি করে হত্যা করে এবং ভিক্টোরিয়ার ঘন জঙ্গলে পালিয়ে যায়।
এরপর শুরু হয় এক অবিশ্বাস্য পলায়নের গল্প।
অস্ট্রেলিয়ার প্রতিটি রাজ্য থেকে, এমনকি নিউজিল্যান্ড থেকেও পুলিশ আনা হয়েছিল। ৪০০ এরও বেশি অফিসার, হেলিকপ্টার, ড্রোন, বিশেষ প্রশিক্ষিত কুকুর — সবই মাঠে নামানো হয়েছিল।
২,০০০ এরও বেশি সূত্র খতিয়ে দেখা হয়েছিল। ১ মিলিয়ন অস্ট্রেলিয়ান ডলার পুরস্কার ঘোষণা করা হয়েছিল। ভিক্টোরিয়ার ইতিহাসে সর্বোচ্চ।
ফেব্রুয়ারিতে পুলিশ ঘোষণা করেছিল — সম্ভবত সে আর বেঁচে নেই।
কিন্তু সে বেঁচে ছিল।
লুকিয়ে ছিল।
সাহায্য নিয়েছিল কারো কাছ থেকে।
তারপর…
আজ ভোরবেলা, মারে নদীর কাছে একটি নির্জন সম্পত্তিতে, একটি কম্বলে মোড়া সশস্ত্র ফ্রিম্যানকে পুলিশ মুখোমুখি হয়।
তাকে আত্মসমর্পণের সুযোগ দেওয়া হয়েছিল।
সে সেই সুযোগ নেয়নি।
তিন ঘণ্টার স্ট্যান্ড-অফের পর — গুলি।
২১৬ দিনের পলায়ন শেষ।
নিহত অফিসার নিল থম্পসন মাত্র এক সপ্তাহ পরেই অবসরে যেতেন। ৩৮ বছরের ক্যারিয়ার। শেষ হয়ে গেল এক মুহূর্তে।
পুলিশ কমিশনার বললেন — প্রথমে যাদের খবর দেওয়া হয়েছিল, তারা হলেন নিহত অফিসারদের পরিবার।
“এটা তাদের জন্য ক্লোজার।”
এই গল্পটা শুধু একজন পলাতকের গল্প নয়।
এটা সেই মতাদর্শের গল্প যা মানুষকে বোঝায় — রাষ্ট্র মিথ্যা, আইন অবৈধ, এবং তুমিই সবচেয়ে বড় কর্তৃত্ব।
কোভিড মহামারীতে তার মতামত আরও চরমপন্থী হয়ে উঠেছিল। সে ভ্যাকসিন প্রত্যাখ্যান করেছিল, লকডাউন মানেনি, এবং শেষদিকে বিশ্বাস করতে শুরু করেছিল — শেষ সময় আসছে।
শেষ সময় এসেছিল।
তার নিজের জন্যই।
দুজন পুলিশ অফিসারের পরিবার আজ একটু হলেও শান্তি পেলেন।
বাকিটা বিচারক ঠিক করবেন — পরপারে।
👇 আপনার মতামত জানান কমেন্টে।