Triple+R Architects & Consultants

Triple+R Architects & Consultants ভুমিকম্প সহনী বিল্ডীং নির্মাণের একমাত্র আস্থা "RRR Architects & Consultants" যোগাযোগ - 017-914-00-214 I am Delwar Hossain.

For Building Design Drawing Please call - 017-914-00-214
My personal Number - 017-600-60-753

24/06/2024
ডুপ্লেক্স বা ট্রিপলেক্স..কেন নিজ গ্রামে একটা বাড়ি বানাবেন..?A.আভিজাত্য:ডুপ্লেক্স বাড়ি মুলত একটি পরিবারের আভিজাত্যের প্রত...
23/06/2024

ডুপ্লেক্স বা ট্রিপলেক্স..কেন নিজ গ্রামে একটা বাড়ি বানাবেন..?

A.আভিজাত্য:
ডুপ্লেক্স বাড়ি মুলত একটি পরিবারের আভিজাত্যের প্রতিক ।গ্রামে এবং এলাকাতে এই বিষয়গুলো বেশ সিরিয়াসলি দেখা হয়।একটা ডুপ্লেক্স বাড়ি রুচি এবং পছন্দের বহিপ্রকাশ ।
B.পরিবারের সন্তুষ্টি:
পরিবারের মুরুব্বিদের (বাবা,মা) আবদার থাকে তাদের শেষ দিনগুলো তারা সুন্দর একটি বাড়িতে কাটাতে চান। তাদের এই মানসিক শান্তির জন্য হলেও সুন্দর একটি ডুপ্লেক্স বাড়ি তৈরি করা প্রয়োজন গ্রামে।
C.ভবিষ্যৎ প্রজন্ম :
গ্রাম মানেই অন্যরকম কিছু বাচ্চাদের জন্য। শহরের ব্যাস্ততা, জায়গার স্বল্পতা এবং কোলাহল গ্রামে নেই। তাই বাচ্চাদের রিফ্রেশমেন্ট এর জন্য গ্রামে নিয়মিত যাওয়া উচিত প্রতিটি বাবা মায়ের।
ঢাকায় ফ্লাটে থাকা বাচ্চারা গ্রামে থাকতে গেলে তাদের জন্য ভালো একটা থাকার ব্যাবস্থা থাকাটা অত্যান্ত জরুরি।
বাচ্চাদের যদি গ্রামে যেতে ইন্টারেস্টেড না করা যায় তবে পরবর্তি প্রজন্মে তারা সম্পুর্ন ভুলে যাবে যে আপনার একটা স্থায়ি ঠিকানা ছিলো কোন এক যায়গায়। আর সুন্দর একটা বাড়ি তাদের এই ইন্টারেস্ট আরো বাড়িয়ে তুলতে পারে।
D.যোগাযোগ:
বর্তমানে দেশের প্রতিটি অঞ্চলের সাথে ঢাকার যোগাযোগ ব্যাবস্থা আগের চেয়ে অনেক ভালো। আপনি যদি ময়মনসিংহ এলাকার হয়ে থাকেন তবে একটি চারলেনের রাস্তার কাজ সম্পন্ন হয়েছে। চট্টগ্রামরে সাথে চারলেন রয়েছে। বরিশালের রাস্তায় পদ্মা সেতু সহ অসাধারন একটি চারলেনের কাজ চলমান এবং উত্তরাঞ্চলের সাথে যোগাযোগ আরো ভালো করার জন্য টাঙ্গাইল পর্যন্ত একটা চারলেন এর কাজ প্রায় সমাপ্ত্। তাই খুব সহজে এখন আগের চেয়ে দ্রুত গতিতে গ্রামের যাওয়া যাবে।
E.আত্মার বন্ধন:
আপনার ঢাকাতে বাড়ি, গাড়ি যতই থাকু সব সময়ই এখানে নিজেকে ভাসমান মনে হবে।শহর আপনাকে আপন করে নিলেও আপনি কখনোই মন থেকে শহরকে আপন করতে পারবেন না। শহরের ইটের দালান আর বালুর ডিবির মধ্যে আত্মার বন্ধন খুজে পাওয়া যায় না। পাওয়া যায় শুধু ব্যাস্ততা, ব্যাস্ততা আর ব্যাস্ততা। আত্মার শান্তি একমাত্র গ্রামের বাড়িতেই পাওয়া সম্ভব।
ডুপ্লেক্স একটি স্বপ্নের নীড় :
নিচের ফ্লোরে কিচেন, লিভিং রুম, গেস্ট রুম, ডাইনিং, বাবুর্চি বা কাজের লোক যেইটাই হোক- সার্ভেন্ট রুম, আর লাইব্রেরি, এবং টুকটাক অফিসিয়াল কাজ বা ডিজাইন এর কাজের জন্য লাইব্রেরির লাগোয়া একটা ওয়ার্কশপ।
আর ডুপ্লেক্স এর উপরের ফ্লোরটা শুধু নিজেদের থাকার ঘর এটাচড বাথ সহ, ড্রেসিংরুম, কিডস রুম, এক্সট্রা আরেকটা রুম যেটা পরে বাচ্চারা বড় হয়ে গেলে লাগবে, একটা ড্রাই ওপেন কিচেন (যেখানে গ্যাসের নয় অনলি ওভেন এন্ড ইলেকট্রিক্যাল রান্নার এক্সেসরিজ থাকবে কারন ভারি রান্নাগুলো নিচতলায় হবে), ছোট একটা ফ্যামিলি লিভিং।
ছাদে বাগান হবে, গ্রীনহাউজ। সেখানে একটা স্টুডিও রুম যেখানে ছবি আকা যাবে। ছাদের একপাশে কফি খাওয়ার জন্য বা বসে জোছনা দেখার মতো ছোট একটা স্পেস থাকবে, শুধু ছাউনি দেয়া, সেখানে দোলনাও থাকতে পারে এবং ছাদের আরেকপাশে ছোট একটি ফোয়ারা।
একেবারে গ্রাউন্ড ফ্লোরে গ্যারেজের পাশে যেন জেনারেটর রাখা যায়, লিফট, গার্ড রুম, বোর্ড রুম অফিস, সার্ভেন্ট কোয়ার্টার উইথ টয়লেট, মোটর এন্ড মিটার।প্লাম্বিং এর সময় পর্যাপ্ত ডাক্ট, ভেন্টিলেশন নিশ্চিত করতে হবে।
ডুপ্লেক্স এর জন্য নিজেদের সিঁড়িটা হবে লিভিং রুমের একপাশে, লিভিং রুম থেকে উপরের রুমের দরজা দেখা যাবেনা, সিঁড়ি দিয়ে উঠলেই একটা খোলা ব্যালকনি পড়বে, শুটিং ইউনিটের ডুপ্লেক্স বাড়িতে যেমন হয়।আর ভাড়াটিয়াদের সিঁড়ি হবে আলাদা, যেটা গ্রাউন্ড ফ্লোর থেকে একেবারে ছাদ পর্যন্ত।
ডুপ্লেক্স বাড়িতে সবসময় কমন স্পেস গুলো নিচ তলাতে থাকবে। যেমন ড্রইংরুম, ডাইনিং রুম, কিচেন, গেস্টবেড এবং স্টোর সহ অন্যান্য যাবতিয় কমন রুম গুলো থাকবে। কখনোই রুম হিসেব করে ডুপ্লেক্স বাড়ি করবেন না। জায়গা হিসাবে করে করুন। জায়গার পরিমান এবং আপনার বাজেট নিয়ে আর্কিটেক্ট এর সাথে আলাপ করুন তারাই আপনাকে রুম এর সুন্দর হিসাব করে দিতে পারবে।
দোতলাতে আপনার পারিবারের সমস্যদের ব্যাক্তিগত বেডরুমগুলো থাকবে। এবং পরিবারের সবাই প্রত্যেকের বেডরুম থেকে বের হয়ে একটু একত্রে সময় কাটানোর জন্য ছোট একটা লিভিং রুম থাকবে। বেডরুম গুলোর সাথে এটাচ বাথরুম এবং বারান্দা থাকাটা বাঞ্চনিয়।
ডুপ্লেক্স এর ছাদটি সবুজ গাছগাছালি দিয়ে পুর্ন করে রাখুন। হয়ত ইনডোর গেমস এর জন্য এবং ব্যায়াম এর জন্য একটি রুম রাখতে পারেন।
বাকি ছাদটুকুন রাখুন আপনার এবং আপনার বাচ্চাদের জন্য একটি অসাধারন গ্রিন এরিয়ার জন্য। বৃস্টি উপভোগ করার জন্য বা শীতের বিকালের মিস্টি রোদে বসে আড্ডা দেয়ার জন্য স্থানটি ডিজাইন করুন।
বাড়ির সামনে একটি বাগান করুন ,সেখালে ফুলের গাছ লাগাতে পারে অথবা একটি ছোট সুইমিং পুল করতে পারেন। সুইমিং পুল নির্মান খরচ আসলে ডিজাইন এর নির্ভর করে।
ডুপ্লেক্স বাড়ির সিঁড়ি :
বাড়ির দুটি ভিন্ন তলার মাঝে সংযোগ স্থাপন করে সিঁড়ি। ডুপ্লেক্স বাড়ির সিঁড়ির নিচের জায়গায় যদি একটু নান্দনিকতার ছোঁয়া এনে দেন তাহলে পুরো ঘরের চেহারা পাল্টে যাবে। ঘরটাও হয়ে উঠবে দৃষ্টিনন্দন। আপনার সিঁড়ির এই ছোট জায়গাটির ডেকোরেশন কতটা সুন্দর হবে তা নির্ভর করছে আপনার শৈল্পিক রুচিবোধের ওপর। যদিও আমরা অনেকেই বুঝতে পারি না কেমন আলো বা কী রঙ ব্যবহার করলে সিঁড়ি ও বাসার দৃশ্যপট পাল্টাবে অথবা কোন আসবাব ব্যবহারে ঘরের সাথে এর সামঞ্জস্য রক্ষা হবে।
সিঁড়ির অনুষঙ্গ:
সিঁড়িকে হাইলাইট করতে এর প্রতিটি পদে ধাতব বা কাচের গ্লাসের ড্রয়ার করতে পারেন। যা আপনার প্রয়োজনে কাজে লাগবে আবার দেখতেও সুন্দর লাগবে। সিঁড়ি যদি সোজা হয় তাহলে এর সামনে দুটি পটারি ব্যবহার করতে পারেন। আর সিঁড়ি যদি বাঁকা বা সর্পিল আকারে হয় তাহলে এর পাশের দেয়ালে দুটি বা একটি বড় পেইন্টিং ব্যবহার করুন। অথবা ওয়াল পেপার দিয়েও সিঁড়ির উপরের আর নিচের দেয়াল সাজিয়ে নিতে পারেন। পিছনের দেয়ালের কিছুটা অংশে কাচ দিতে পারেন। যাতে বাইরের আলোতে জায়গাটি দিনের বেলা আরো নান্দনিক দেখা যায়। ফ্লোরে শতরঞ্জি বা কার্পেট ব্যবহার করে তার ওপর রঙ-বেরঙের কুশন রাখতে পারেন। বড় সাইজের একটি গোলাকার মাটির পটারির মধ্যে পানি রেখে তার ওপর ফুলের পাপড়ি আর মোম রাখতে পারেন। ছোট ছোট ফুলের টব জায়গাটিকে আরো প্রাণবন্ত করে তুলবে।
পরামর্শ

• ধাতুর বা কাচের গ্লাসের ড্রয়ার যেন মজবুত হয়। অন্যথায় দুর্ঘটনা ঘটার সম্ভাবনা থাকবে।

• পটারিগুলো মাটির না হওয়াই ভালো। অসাবধানবশত ভেঙে যেতে পারে। ধাতুর বা তামার পটারি ব্যবহার করুন।

• দেয়ালের রঙের সাথে মিলিয়ে ওয়াল পেপারের রং বাছাই করুন।

• পেইন্টিং বড় হলে একটাই ব্যবহার করুন। আর ছোট হলে দুটো বা তিনটি ব্যবহার করতে পারেন।

• শতরঞ্জি বা কার্পেট যেন খুব বড় না হয়। দেখতে বেমানান লাগবে। আর কুশন তিনটির বেশি ব্যবহার না করাই ভালো। কুশন মাঝারি সাইজের হলে দেখতে ভালো লাগবে।

• দেয়ালে ছোট ছোট শোপিস ঝুলিয়ে রাখতে পারেন।
আলোর সামঞ্জস্য

আলো যেকোনো জায়গাকে হাইলাইট করে খুব সহজে। সিঁড়িকে স্পট লাইটের সাহায্যে হাইলাইট করুন। খুব বেশি লাইট ব্যবহার করবেন না। প্রতিটি সিঁড়ির নিচে সাইট থেকে একটি করে স্পট লাইট দেওয়া যেতে পারে। পেইন্টিঙের ওপর একটি ছোট স্পটলাইট ব্যবহার করুন। এতে ছবিটি দূর থেকে ফোকাস হবে। পটারির মধ্যে চাইলে হালকা আলোর স্পটলাইট ব্যবহার করতে পারেন। খেয়াল রাখবেন ঘরের অন্য জায়গার সাথে এই আলোর যেন সামঞ্জস্য থাকে।

পরামর্শ

• বিভিন্ন রঙের স্পটলাইট ব্যবহার করবেন না। যেকোনো এক রঙের লাইট ব্যবহার করুন।

• কোথাও হালকা আলো আবার কোথাও বেশি আলোর লাইট ব্যবহার করতে পারেন। এতে কিছু কিছু জায়গা হাইলাইট হবে।

• সিঁড়ির স্পট লাইটগুলো সব একসাথে জ্বালিয়ে রাখবেন না। একটা করে সিঁড়ি বাদ দিয়ে লাইট জ্বালাতে পারেন।

• উপর থেকে নিচ পর্যন্ত ঝুলে থাকবে এমন কিছু স্পট লাইট সাজিয়ে তৈরি করুন আলো-ছায়ার ছায়াপথ।

• মাটির গোল পটারির মধ্যে ওপর থেকে স্পট লাইট দিতে পারেন। এতে পানির ভিতর এর প্রতিফলন ভালো লাগবে।

সিঁড়ির জন্য আসবাব
সিঁড়ির নিচে আপনি চাইলে একটা ছোটখাটো পাঠাগার বানাতে পারেন। সেলফের মধ্যে পছন্দের বই রাখুন। আবার শোকেসও বানাতে পারেন। এ ক্ষেত্রে শোপিস রাখার শোকেস রাখুন। আর শোকেসের মধ্যে স্পটলাইট লাগাতে পারেন। এতে শোপিসগুলো আরো ফুটে উঠবে এবং জায়গাটি কালারফুল মনে হবে। এ ছাড়া চাইলে আপনি সেখানে ডিভানও রাখতে পারেন। ছোটছোট সোফা সাজিয়ে দিতে পারেন বিভিন্ন রঙের কুশন দিয়ে। অথবা সিঁড়ির নিচের অংশে স্টোরেজ ব্যবস্থা করা যেতে পারে। কাঠ বা বোর্ডের তাক বানিয়ে স্টোরেজ বানিয়ে নিন। স্টোরেজ না বোঝাতে চাইলে এর দরজায় আয়না ব্যবহার করতে পারেন। রঙও করে দিতে পারেন।
পরামর্শ

• বইয়ের তাক খুব বেশি বড় হলে দেখতে বেমানান লাগবে। তিন তাক বিশিষ্ট তাক বানাতে পারেন। এতে বেশি উঁচু লাগবে না।

• কংক্রিটের সেলফও সিঁড়ি অনুযায়ী বানিয়ে নিতে পারেন। এতে জায়গা নষ্ট হওয়ার সম্ভাবনা কম থাকে।

• শোকেসে কালারফুল শোপিস রাখার চেষ্টা করুন। যাতে স্পটলাইটে জিনিসগুলো আরো হাইলাইট হতে পারে।

• ডিভান বা সোফা রাখলে নিচে কার্পেটে কুশন রাখার প্রয়োজন নেই।

বাড়ি নির্মাণ করছেন বা করবেন? আপনার বাড়িটা যেন শুধু মাত্র মাথা গোঁজার স্থান না হয়। আপনার বাড়ি করতে হবে ভেবে চিন্তে প্রক...
23/06/2024

বাড়ি নির্মাণ করছেন বা করবেন?

আপনার বাড়িটা যেন শুধু মাত্র মাথা গোঁজার স্থান না হয়। আপনার বাড়ি করতে হবে ভেবে চিন্তে প্রকৌশলীর পরামর্শে। বাড়ি করার পূর্বে মূল শর্ত হলো প্ল্যানিং। প্ল্যান করে বাড়ি করা হলে আপনি আপনার জমির সঠিক মূল্যায়ন করতে পারবেন ।

বাড়ি করার ক্ষেত্রে আপনাকে কিছু বিষয় আপনাকে মাথায় রাখতে হবে।
* বিভিন্ন রুমের আদর্শ এবং সর্বনিম্ন মাপ
* রুমের অবস্থান
* সৌন্দর্য
* পর্যাপ্ত আলো বাতাস এর সুব্যাবস্থা
* নিরাপত্তা
* ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা
* আপনার এলাকার নিয়ম অনুযায়ী কতটুকু জমি ছেড়ে বাড়ি করতে হবে , তার পরিমাণ।
★★ রুমে মাপ এবং অবস্থানঃ

#বেড_রুম :
বেড রুমের সর্বনিম্ন সাইজ হওয়া উচিত ১০ ফিট বাই ১২ ফিট।

~অবস্থান : যেদিকে সর্বোচ্চ ন্যাচারাল গিফট পাওয়া যাবে অর্থাৎ পর্যাপ্ত আলো বাতাস যেদিকে পাওয়া যায়। যেনো ব্যালকনি তে বসলেই ভেসে আসে দখিনা বাতাস । তবে সাধারণত একটা বিল্ডিং এর কর্ণার সাইডে বেড রুম দেওয়া হয় । এক বেড রুম থেকে আরেক বেড রুমের দূরত্ব বা অবস্থান এমন হবে যেন সম্পূর্ণ প্রাইভেসি বজায় থাকে। অর্থাৎ এক রুমের থেকে অন্য রুমের ভ্যান্তরীন দৃশ্য সহজেই দৃষ্টি-গোচর হবে না ।

#গেষ্ট_রুম :
গেস্ট রুমের সর্বনিম্ন সাইজ হওয়া উচিত দশ ফিট বাই দশ ফিট
~অবস্থান : সিঁড়ির কাছাকাছি ।

#ডায়নিং :
ডায়নিং রুমের সর্বনিম্ন সাইজ হওয়া উচিত বারো ফিট বাই বারো ফিট
~অবস্থান :রান্না ঘরের পাশে হবে ।

#বাথরুম_টয়লেট :
বাথ রুমের সর্বনিম্ন সাইজ হওয়া উচিত
ছয় ফিট বাই চার ফিট ।

~অবস্থান :
কমন বাথরুম হলে সবাই যাতে সহজেই ব্যাবহার করতে পারে এমন স্থানে ।
টয়লেটে অবশ্যই এগজস্ট ফ্যান ব্যাবহার করবেন । এটা এয়ার ভেন্টিলেশনের মাধ্যমে টয়লেটের দূর্গন্ধ দূর করার পাশাপাশি আপনার টয়লেট এর ফ্লোর শুকনা রাখবে ।

#কিচেন :
কিচেন রুমের সর্বনিম্ন সাইজ হওয়া উচিত আট ফিট বাই সাত ফিট

~অবস্থান :
কিচেনে রান্নার সময় রান্নার গ্যাস বা ধোয়া যেন অন্য রুমে প্রবেশ না করতে পারে ।
রান্না ঘরের পরিবেশ ফ্রেস রাখার জন্য, কিচেনেও এগজস্ট ফ্যান ব্যাবহার করা উচিত ।

#ব্যালকনি :
চওড়া তিন ফিটের কম নয় ।

#সিড়ি :
আট ফিট চওড়া হলে ভাল হয়
অবস্থান : অবশ্যই রাস্তা থেকে ভিতরে হবে, একটু পার্কিং এর জায়গার পরে সিঁড়ি রাখা উত্তম।

Today's Best Photo❤️❤️❤️❤️❤️❤️❤️                 •   
23/06/2024

Today's Best Photo
❤️❤️❤️❤️❤️❤️❤️























Address

Uttara
Dhaka
1230

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Triple+R Architects & Consultants posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share