Engr. Md. Emran Hossain

Engr. Md. Emran Hossain Welcome to Engr. Md. Emran Hossain's official fan page. This page is maintained by Md. Emran Hossain

28/02/2026

ভূমিকম্পের আগে,
পিঁপড়েরা ছেড়ে দেয় নিজেদের ঘর।
বৃষ্টির আগে,
টের পেয়ে ঢুকে পড়ে মাটির ভেতর।
এতটুকু যোগাযোগ শুধু! শুধু এতটুকু চাই ঈশ্বর!
…..
যেন মৃত্যুর আগমনে ভুলে মিথ্যা জীবনের হাসি,
আমি এই গোরস্তান রেখে তোমার দিকে উঠে আসি।

🏠 ভূমিকম্পের পর দেয়ালে ফাঁটল – কখন ভয় পাবেন?ভূমিকম্পের পরে অনেক বাড়ির দেয়ালে ফাঁটল দেখা যায়। সব ফাঁটলই বিপজ্জনক নয়। ফাঁট...
28/11/2025

🏠 ভূমিকম্পের পর দেয়ালে ফাঁটল – কখন ভয় পাবেন?

ভূমিকম্পের পরে অনেক বাড়ির দেয়ালে ফাঁটল দেখা যায়। সব ফাঁটলই বিপজ্জনক নয়। ফাঁটলের ধরন এবং অবস্থান অনুযায়ী প্রতিক্রিয়া নিন।

১️⃣ হেয়ারলাইন ফাঁটল (চুলের মতো, < ১ মিমি)

সাধারণত শুধু প্লাস্টারে ফাঁটল
ভয় পাওয়ার দরকার নেই
কিছুদিন পর্যবেক্ষণ করুন

পরীক্ষা: পাতলা নোট বা বিজনেস কার্ড দিয়ে ফাঁটলে প্রবেশ করে কি না দেখুন

ফাঁটল বড় না হলে নিশ্চিন্ত থাকুন

২️⃣ ঘন ফাঁটল (১–৫ মিমি)

কংক্রীটেও সমস্যা তৈরি হতে পারে

প্রয়োজনে পেশাদার ইঞ্জিনিয়ার দেখান

৩️⃣ বড় ফাঁটল (> ৫ মিমি)

দেয়ালের উভয় পাশে ফাঁটল হলে দ্রুত মেরামত প্রয়োজন
টোকা দিলে “ঠাস ঠাস” শব্দ => প্লাস্টার সরিয়ে চেক করুন

⚠️ সতর্ক থাকুন:

ফাঁটল যদি বীম, কলাম, ফাউন্ডেশন, জানালা বা দরজার চৌকাঠের কাছে হয়

তখন স্ট্রাকচারাল ত্রুটির সম্ভাবনা বেশি

✅ মোটকথা:

প্লাস্টারে ফাঁটল = সাধারণত ছোট সমস্যা
বীম, কলাম, কংক্রীটে ফাঁটল = বড় সমস্যা

📸 স্কেল দিয়ে মাপুন। বুঝতে সমস্যা হলে ইঞ্জিনিয়ারকে দেখান। মিস্ত্রী দেখাবেন না।

ঢাকায় ভূমিকম্প-পরবর্তী উদ্ধার অভিযান কেন “নারকীয়” হবে?ফার্স্ট থিং ফার্স্ট, ঢাকার জনঘনত্ব বিশ্বের শীর্ষে— আমাদের পার স্কয়...
23/11/2025

ঢাকায় ভূমিকম্প-পরবর্তী উদ্ধার অভিযান কেন “নারকীয়” হবে?

ফার্স্ট থিং ফার্স্ট, ঢাকার জনঘনত্ব বিশ্বের শীর্ষে— আমাদের পার স্কয়ার কিঃমিঃ তে ৪০ হাজারের বেশি মানুষ বাস করে।
সো, একটি ৭.০+ মাত্রার ভূমিকম্প হলেঃ
⛔️প্রতিটি ব্লকে হাজার হাজার মানুষ আটকা পড়বে।
⛔️সরু গলি ও এলোমেলো সড়ক নেটওয়ার্ক প্লাস রাস্তায় পড়ে থাকা ডেব্রিজ এর কারনে উদ্ধারকারী টিমের মুভমেন্ট হবে অ-নে-ক স্লো।
⛔️সো, মোবিলাইজেশন টাইম (response time) কমপক্ষে ৩ থেকে ৫ গুণ বাড়বে।

UN এর Urban Search & Rescue স্ট্যান্ডার্ড অনুযায়ী ইমার্জেন্সি রেস্কিউ টিমের অপারেশনের জন্য একাধিক সমান্তরাল প্রবেশপথ থাকা লাগে। কিন্তু ঢাকায়? অধিকাংশ এলাকায় রাস্তা একটাই, তাও হকার- রিক্সা-সিএনজি-পার্কিংয়ে বেদখল হয়ে আছে।
রেজাল্ট?
উদ্ধার টিম পৌঁছাতে পারবে না এবং আটকা পড়াদের মৃত্যুহার বাড়বে চক্রবৃদ্ধি হারে।

সেকেন্ডলি, অনিয়ন্ত্রিত বিল্ডিং স্ট্রাকচারের কারনে ঢাকা এক বিশাল ‘ডমিনো ট্র্যাপ’। সিটি কর্পোরেশনের পরিসংখ্যান অনুযায়ীঃ
⛔️প্রায় ৭৫% ভবন কোন ভূমিকম্প কোড ফলো করে না
⛔️সস্তা রড-সিমেন্টের ব্যবহার
সো,
বড় ভূমিকম্পে প্যানকেক কলাপ্স নয়, বরং প্রগ্রেসিভ কলাপ্স হবে, স্টেপ-বাই-স্টেপ বিল্ডিং ধ্বসে আরো বেশি ডেব্রি তৈরি করবে আর পাশের বিল্ডিংয়ের ওপর ভর করে দাঁড়ানো অনিরাপদ ভবনগুলো ডমিনোর মতো একে একে পড়ে যাবে। এতে রাস্তাও ডেব্রি দিয়ে বন্ধ হয়ে যাবে, ফলে উদ্ধার দল গাড়ি নিয়ে ঢুকতেই পারবে না।

থার্ডলি, ফায়ার হ্যাজার্ড এর কারনে ভূমিকম্পের পরে আগুনই হবে ‘দ্বিতীয় সুনামি’। রিসার্চ ফাইন্ডিংস মতে, বড় ভূমিকম্পের পর নিহতদের বড় অংশ মারা যান ভবন ধসে নয় বরং আগুনের ধোঁয়ায় শ্বাস বন্ধ হয়ে।

ঢাকায় বড় ভূমিকম্প কল্পনা করার সময় সাথে ঢাকার বৈধ অবৈধ সংকীর্ণ গ্যাস আর বিদ্যুৎ লাইন, আনসেইফ পেট্রোল/সিনজি/সিলিন্ডার স্টেশন, কেমিক্যাল গুদাম এইসব মাথায় রেখেই কল্পনা করবেন। সো, ভুমিকম্পের পর শত শত জায়গায় একসাথে আগুন লাগবে কিন্তু একসাথে তো এত জায়গায় পৌঁছানো যাবেনা। কারন আগুন নেভানোর জন্যঃ
⛔️ঢাকা সিটির ৪০% এলাকায় বড় ফায়ার সার্ভিস ট্রাক ঢুকতেই পারে না।
⛔️পানির উৎস (hydrant) প্রায় নেই বললেই চলে।

এরপর আছে আমাদের অপরিকল্পিত রাস্তা যা উদ্ধারকারীদের কাছে “Urban Maze of Death” কারন ঢাকার বেশিরভাগ রাস্তাইঃ
⛔️১২ ফুটের চেয়ে সরু
⛔️এলোমেলো ইলেকট্রিক পোল
⛔️হকার দখলকৃত ফুটপাত
⛔️বেআইনি গ্যারেজ আর পার্কিং

তাই, একটা ভবন ধসে রাস্তায় পড়ে গেলে সেই লেনে প্রবেশ পুরোপুরি বন্ধ; উদ্ধারকারী দল হয়ত কয়েক ঘণ্টা নয়, কয়েক দিনেও পৌঁছাতে পারবে না আর অ্যাম্বুলেন্স তো দূরের কথা—স্ট্রেচারও যেতে পারবে না।
এটাকে বলে mobility failure, যেকোনো বড় শহরের Disaster Management-এ এটি সবচেয়ে ভয়াবহ দৃশ্য।

তাছাড়া, আমাদের জনবল ও সরঞ্জামের ভয়ংকর ঘাটতিও আছে। আমাদের ১৮ কোটির দেশে ফায়ার সার্ভিস জনবল তুলনামূলক অনেক কম। উদ্ধারকারী দলের সংখ্যা তো একেবারেই হাতে গোনা। ভারী ডেব্রি কাটার মেশিন, থার্মাল ইমেজার, লাইফ-ডিটেক্টরের সংখ্যাও খুবই সীমিত।

ঢাকায় যদি ৫,০০০+ ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হয় (যা ৭.৫ মাত্রার ক্ষেত্রে অনুমান), তাহলেঃ
⛔️একই সময়ে খুব বেশি প্রফেশনাল রেস্কিউ অপারেশন অসম্ভব
⛔️অনেক জায়গায়ই দেরীর কারনে মৃত্যুর হার বাড়বে।
⛔️আন্তর্জাতিক সাহায্য পৌঁছাতে কমপক্ষে ২৪–৪৮ ঘণ্টা সময় লাগবে, সেই সময়ে ঢাকা কার্যত নিজেকে বাঁচাতে অপারগ।

এবার আসি হাসপাতাল প্রস্তুতির মামলায়। প্রায় সব বড় হাসপাতালের রাস্তায় জ্যাম থাকে। তাদের সীমিত ICU, সীমিত surgical capacity প্লাস
হাসপাতালগুলোর নিজস্ব structural assessment তেমন নেই। তাই ভূমিকম্পের শকে হাসপাতাল বিল্ডিংগুলোর নিজেরই ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার সম্ভাবনা আছে, মাস ক্যাজুয়ালটি হ্যান্ডল করার কোনো সিস্টেম নেই, ট্রেনিং নেই, রিহার্সেল নেই। ওয়াটার-গ্যাস-ইলেকট্রিসিটি লাইন বন্ধ হলে হাসপাতালগুলো ৬–১২ ঘন্টার মধ্যে অচল হয়ে পড়বে। মানে আপনি উদ্ধার হয়ে আসলেন মানেই চিকিৎসা গ্যারান্টেড না।

সুপার-সাইক্লিক রিস্ক এর কথাটা না বললেই নয়। আমরা তো আবার ফেরেশ্তাদের দেশ তাই ভূমিকম্পের সাথে সাথে শুরু হবে আতঙ্ক আর গুজব মিলে ম্যাসিভ দৌড়াদৌড়ি। শুরু হবে লুটপাট। লাগবে ডেডলকড ট্রাফিক জ্যাম। সাপ্লাই চেইন ভেঙে পড়বে মুহুর্তেই, আর টেলিকম নেটওয়ার্ক ডাউন থাকবে কমপক্ষে ৭ দিন। UNDP র এক রিপোর্ট এ একবার পড়েছিলামঃ

“Dhaka is not prepared for a multi-layered post-earthquake chaos.”

ভূমিকম্প? দৌড়াবেন না—বাঁচার চেষ্টা করুন!ঢাকার অধিকাংশ আবাসনই ৫–৭ তলার অ্যাপার্টমেন্ট। এ ধরনের ভবনে ভূমিকম্পে বাঁচা বা মা...
22/11/2025

ভূমিকম্প? দৌড়াবেন না—বাঁচার চেষ্টা করুন!
ঢাকার অধিকাংশ আবাসনই ৫–৭ তলার অ্যাপার্টমেন্ট। এ ধরনের ভবনে ভূমিকম্পে বাঁচা বা মারা যাওয়ার সবচেয়ে বড় পার্থক্য তৈরি করে—আপনার প্রথম ১০–২০ সেকেন্ডে নেওয়া সিদ্ধান্ত।
ভূমিকম্পের সময় আতঙ্কে দৌড়ে সিঁড়ির দিকে যাওয়াই সবচেয়ে সাধারণ ভুল—এবং এটিই সবচেয়ে বেশি মৃত্যুর কারণ।

❌ কম্পন শুরু হলে যে ভুলগুলো প্রাণঘাতী হতে পারে
১. সিঁড়ির দিকে দৌড়ানো
বিশ্বের বিভিন্ন স্ট্রাকচারাল রিসার্চ অনুযায়ী—
নিচের তলা ধসে পড়লে ওপরের তলা সরাসরি সিঁড়ির উপর ভেঙে পড়ে।

ধাক্কাধাক্কি, ভিড়, আলো নিভে যাওয়া—
৯০% মৃত্যু বা গুরুতর আঘাত সিঁড়িতেই ঘটে।

২. বারান্দায় যাওয়া
বারান্দার রেলিং ভূমিকম্পে একাধিক দিক থেকে চাপ পায়, যা সহজেই ভেঙে নিচে পড়ে যেতে পারে।
৩. লিফট ব্যবহার
কম্পনে লিফট জ্যাম, দড়ি ছিঁড়ে যাওয়া, মাঝপথে আটকে পড়া—সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ পরিস্থিতি তৈরি করে।

✔️ বাঁচার সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য উপায়: Drop – Cover – Hold On
১. বেডরুমে থাকলে
খাটের নিচে ঢুকে মাথা–ঘাড় ঢেকে রাখুন। খাট ভেঙে পড়লেও ভেতরে “লাইফ ট্রায়াঙ্গেল” তৈরি হয়, যা নিরাপদ।
২. ড্রয়িং/ডাইনিং
মজবুত টেবিলের নিচে আশ্রয় নিন।
কাঁচ, জানালা, বড় ফ্রেম, শোকেস থেকে দূরে থাকুন।
৩. কিছুই না পেলে
দেয়ালের কোণে বসে মাথা ও ঘাড় ঢেকে রাখুন।
একে বলা হয় “সেফ কর্নার পজিশন”—ভবন ধসে পড়লেও সাধারণত কোণার অংশ সম্পূর্ণ চাপে ভাঙে না।
৪. বাথরুম
অনেক সময় সবচেয়ে শক্ত অংশ। বালতি/হেলমেট মাথায় দিলে আঘাত কমে।
৫. মাথা রক্ষার ব্যবস্থা
হেলমেট, বালতি, ঝুড়ি, ব্যাগ—যা পাবেন তাই মাথার ওপর চেপে ধরুন।
ভূমিকম্পে যেকোনো ভাঙা বস্তু মাথা লক্ষ্য করে পড়ে।

🏠 ১ম বা ২য় তলায় থাকলে আপনি সবচেয়ে ভাগ্যবান
এই দুই তলায় থাকা মানুষদেরই নিরাপদে বের হয়ে যাওয়ার সুযোগ থাকে।
✔️ কম্পন শুরু হওয়ার সাথে সাথেই দরজা খুলে রাখুন, জ্যাম হয়ে গেলে বের হতে পারবেন না।
✔️ প্রথম ১৫–২০ সেকেন্ডে দ্রুত সিঁড়ি দিয়ে নিচে নামুন।
✔️ বাইরে এসে ভবন থেকে অন্তত ১০০ ফুট দূরে দাঁড়ান।
✔️ বিদ্যুতের খুঁটি, তার, গাছের নিচে দাঁড়ানো ❌
✔️ সম্ভব হলে খোলা মাঠে অবস্থান নিন।

🆘 ধ্বংসস্তূপে আটকে গেলে কী করবেন? (ইন্টারন্যাশনাল রেসকিউ প্রোটোকল)
✔️ চিৎকার করবেন না → ধুলো ফুসফুসে ঢুকে শ্বাসনালী বন্ধ করে দিতে পারে
✔️ হুইসেল থাকলে বাজান → দূর থেকে সহজে শোনা যায়
✔️ না থাকলে, দেয়াল বা পাইপে ৩ বার করে টোকা দিন → এটি আন্তর্জাতিক “SOS Rescue Signal”
✔️ মোবাইলের টর্চ অন রাখুন, কিন্তু কথা বলবেন না → ব্যাটারি বাঁচাতে হবে
✔️ মুখে কাপড় চেপে রাখুন → ধুলো কম ঢুকবে, শ্বাস নেওয়া সহজ হবে

আজ থেকেই ন্যূনতম কিছু প্রস্তুতি নিন
🔸 বিছানার পাশে জুতা, হেলমেট, হুইসেল রাখুন
🔸 ভারী আলমারি, ফ্রিজ, টিভি—দেয়ালে স্ক্রু দিয়ে ফিক্স করে রাখুন
🔸 গ্যাস সিলিন্ডার চেইন বা স্ট্যান্ড দিয়ে বেঁধে রাখুন
🔸 ঘরের দরজা যেন অটো-লক না হয়
🔸 চাবি সবসময় হাতের কাছে রাখুন
🔸 জরুরি নম্বর পরিবারে সবার ফোনে সেভ করুন

একটি লাইন মনে রাখুন:
🔸 ৪র্থ তলা বা তার উপরে থাকলে — দৌড়ানো মানে মৃত্যুর ঝুঁকি। আশ্রয় নিন।
🔸 ১ম–২য় তলায় থাকলে — প্রথম ২০ সেকেন্ডই আপনার জীবন। দ্রুত বের হন।

শেষ কথা
প্রস্তুতি ছাড়া বাঁচা ভাগ্যের উপর।
প্রস্তুতি থাকলে বাঁচা আমাদের হাতে।
প্রকৃতি আমাদের বারবার মনে করিয়ে দেয়—
মানুষ ভঙ্গুর, কিন্তু সচেতনতা আমাদের সবচেয়ে বড় শক্তি।
একটু প্রস্তুতি, একটু জ্ঞান— অনিশ্চিত এক মুহূর্তেও জীবন বাঁচাতে পারে।

#ভূমিকম্প

15/09/2025

Bangladesh is a country where "বং'শের ই'জ্জত" or "মানুষ কি বলবে" matters more than someone's happiness.

নতুন এক গবেষণায় দেখা গেছে, রিলস ভিডিও বেশি দেখলে আমাদের মস্তিষ্কের কাজের ধরনই বদলে যেতে পারে। NeuroImage জার্নালে প্রকা...
02/09/2025

নতুন এক গবেষণায় দেখা গেছে, রিলস ভিডিও বেশি দেখলে আমাদের মস্তিষ্কের কাজের ধরনই বদলে যেতে পারে। NeuroImage জার্নালে প্রকাশিত এই গবেষণায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কিছু শিক্ষার্থীর ব্রেন স্ক্যান করা হয়। দেখা যায়, যারা একটানা রিলস ভিডিও দেখে তাদের সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় ক্ষতির ভয় কম থাকে। এমনকি তাদের মস্তিষ্কের কার্যকলাপ জুয়ার আসক্তদের মতোই লাগে।

গবেষণায় আরও দেখা যায়, যাদের ছোট ভিডিওর নেশা বেশি, তারা ঝুঁকি নিতে বেশি আগ্রহী এবং না ভেবেই দ্রুত সিদ্ধান্ত নেয়। ব্রেন স্ক্যানে বোঝা গেছে, আত্মসংযম আর দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনার জন্য দায়ী অংশগুলোর কার্যকলাপ কমে গেছে, ইন্দ্রিয় আর নড়াচড়ার সঙ্গে যুক্ত অংশগুলো বেশি সক্রিয় হয়ে উঠেছে। এই কারণে তারা তাৎক্ষণিক আনন্দ, যেমন একটার পর একটা ভিডিও দেখা বেছে নিচ্ছে কিন্তু সময় নষ্ট, ঘুমের সমস্যা বা মানসিক ক্লান্তির মতো ক্ষতির দিকগুলো উপেক্ষা করছে।

যদিও এই গবেষণায় অংশ নেয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা কম ছিল, তবু ফলাফল দেখা যায় রিলস ভিডিও দ্রুত আনন্দ দেওয়ার প্রভাবে ধীরে ধীরে আমাদের মস্তিষ্ককে নতুনভাবে সিদ্ধান্ত নিতে প্রশিক্ষিত হচ্ছে। এভাবে অভ্যাস বদলে গেলে আমরা হয়তো আরও বেশি ঝুঁকি নিতে শুরু করব, আর দীর্ঘমেয়াদি চিন্তা করা কঠিন হয়ে যাবে।

02/09/2025

শব্দের চেয়ে আলোর গতি বেশি। এজন্য কিছু মানুষকে কথা না বলা পর্যন্ত খুব উজ্জ্বল দেখায়।

একটি বাংলাদেশী যাত্রী ছাউনি। যার উচ্চতা ২০ ফিটের বেশী, ম্যাটেরিয়াল স্টিল! এই ছাউনির বিশেষত্ব হলো এই ছাউনির নিচে দাঁড়াল...
02/09/2025

একটি বাংলাদেশী যাত্রী ছাউনি।
যার উচ্চতা ২০ ফিটের বেশী, ম্যাটেরিয়াল স্টিল!

এই ছাউনির বিশেষত্ব হলো এই ছাউনির নিচে দাঁড়ালে আপনি গ্রীষ্মকালে তীব্র রোদে পুড়তে পারবেন আবার বৃষ্টি হলে ছাউনির নিচে দাঁড়িয়েই কাকভেজা ভিজতে পারবেন।

আর বসার বেঞ্চটা স্টিলের হওয়াতে পেছন পুড়ে যাওয়ার ভয়ে কেউ বসেনা এতে করে বেঞ্চটাও দীর্ঘদিন নতুনের মত থাকে। তবে অনেকে আবার পশ্চাৎ স্পর্শ না করে জুতা পায়ে টয়লেটের প্যানে বসার মত করে বসে, এতে বেঞ্চ তার কিছুটা নতুনত্ব হারায়।
যাইহোক এই অনবদ্য যাত্রী ছাউনী একদিন প্রিজকার প্রাইজ "অহেতুক" ক্যাটাগরিতে শ্রেষ্ঠ পুরস্কার জিতবে বলে আমার বিশ্বাস।

স্থাপত্যবিদ্যা জিন্দাবাদ, নগর পরিকল্পনা জিন্দাবাদ!

স্থান: খিলক্ষেত, ঢাকা
তারিখ: ০১/০৯/২৫

This woman knows how to cook 🤣
27/08/2025

This woman knows how to cook 🤣

22/08/2025

একটা সময় সত্যিই জীবনটা চলে না; কিন্তু আমরা চালিয়ে নেই, মানিয়ে নেই, কারণ জীবন তো একটাই!

22/08/2025

আমি দামি উপহার বলতে সময় আর সন্মানকেই বুঝি!

22/08/2025

মূল্য হারানোর চেয়ে স্থান ত্যাগ করা শ্রেয়।

Address

Dhaka

Opening Hours

Monday 09:00 - 17:00
Tuesday 09:00 - 17:00
Wednesday 09:00 - 17:00
Thursday 09:00 - 17:00
Saturday 09:00 - 17:00
Sunday 09:00 - 17:00

Telephone

+8801511142536

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Engr. Md. Emran Hossain posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Engr. Md. Emran Hossain:

Share