23/02/2023
🚩 বিডা ও ইন্টারনেট তথ্যমতে;
🏴 বাংলাদেশের বিভিন্ন প্রকল্পে ৫৫০ টির বেশী চীনা ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান কাজ করছে। লক্ষাধিক চীনা নাগরিক দেশের শহর বন্দর জুড়ে বাস করছে।
🏴 অপরদিকে, ভারতের প্রায় ৪০০ ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান ব্যবসা করছে বাংলাদেশে। প্রায় অর্ধেক অবৈধ সহ ১০ লক্ষাধিক ভারতীয় বাস করছে দেশের আনাচে-কানাচে।
🏳️ চীন ও ভারত ছাড়াও পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান এদেশে কাজ করলেও জাপান ও তাইওয়ানের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলোর ব্যাপারে কোন অভিযোগ পাওয়া যায় না; বরং বন্ধুপ্রতিম ব্যবসায়ী হিসেবে জাপানের প্রতিষ্ঠানগুলো প্রসিদ্ধ ও নিরাপদ।
⭕ যতো সমস্যার আধার হলো ভারতীয় ও চীনা কোম্পানীগুলো। এদেশে কাজ করতে এসে বেশ কয়েকটি ভারতীয় ও চীনা কোম্পানীর পালিয়ে যাবার ইতিহাস আছে। আছে এদেশীয় ছোট খাটো সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর টাকা মেরে দেবার অসংখ্য ঘটনা। আর চীনা ও ভারতীয় কোম্পানীগুলো এই নৈরাজ্য চালিয়ে যাওয়া এবং প্রতারণা করার ক্ষেত্রে বাংলাদেশী সরলমনা ব্যবসায়ীরাই অনেকাংশে সুযোগ করে দেয়। ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানীর চেয়েও ভয়ংকরী ভারতীয় ও চীনা কোম্পানীগুলো কর্তৃক দেশীয় ব্যবসায়িদের শোষণ-নির্যাতনের বিষয়ে সরকারের নেই কোন মনিটরিং, কিংবা দেশীয় ব্যবসায়িদের সুরক্ষায় কোন কার্যকরী ব্যবস্থা। ব্যবসার ক্ষেত্রে সাধারণত যেসব সমস্যাগুলো চীনা ও ভারতীয় কোম্পানীগুলো সৃষ্টি করে;
১। চুক্তিপত্র ও কার্যাদেশের শর্তানুযায়ী ঠিক সময়ে বিল না দেয়া।
২। বিনা কারনে বিল কর্তন করে মাসের পর মাস ধরে ঝুলিয়ে রাখা।
৩। যেসব স্থানীয় পণ্যে ট্যাক্স বা ভ্যাট হয় না, বাংলাদেশ সরকারের দোহাই দিয়ে ট্যাক্স/ভ্যাটের নামে বিল থেকে অহেতুক টাকা কর্তন করা।
৪। যেসব পণ্যে লভ্যাংশ তুলনামূলকভাবে একটু বেশী, সেসব পণ্যের বিল প্রস্তুত না করে ঝুলিয়ে দিয়ে সরবরাহকৃত কমদামী পণ্যের বিল প্রস্তুত করা।
৫। এদেশীয় সরকারী অফিস কর্মকর্তা/কর্মচারীদের মতো বিল প্রদানের সময় নগদে বা বস্তুতে কমিশন/উৎকোচ খাওয়া।
৬। ইনফেরিয়র কোয়ালিটি বলে বেহুদাই সরবরাহকৃত পণ্য বাতিল করে দেয়া।
৭। বাংলাদেশ সরকারের নিয়োজিত আমলা বা জনপ্রতিনিধিকে দেশীয় ব্যবসায়িদের জন্যে ভোগান্তিকর এসব সমস্যার ব্যাপারে ভ্রুক্ষেপ না করা।
▪️ সুতরাং, ক্ষুদ্র ও মাঝারী মানের ব্যবসায়িদেরকে ভারত ও চীনা কোম্পানীগুলোতে কোন পণ্য সরবরাহ বা সেবা প্রদানে যথাযথ সতর্কতা অবলম্বন করা জরুরী।
▪️ ভারতে যেমন একসময় ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানী ও বৃটিশদের বিরুদ্ধে "ভারত ছাড়" আন্দোলন হয়েছিলো, তেমনিভাবে বাংলাদেশেও শীঘ্রই ভারতীয় ও চীনা কোম্পানীগুলোর বিরুদ্ধে "বাংলাদেশ ছাড়" আন্দোলন শুরু হবে।
[[©️ ভুক্তভোগী ব্যবসায়িদের কথোপকথন থেকে সংগ্রহ]]