Engr. Md. Abdullah Faruq Serniabat - Jewel

Engr. Md. Abdullah Faruq Serniabat - Jewel I'm here to serve all of You about Civil Engineering solution (Both R.C.C & Steel Structure)

জেনে রাখুন পরে কখনো কাজ দেবে১ কাঠা = ৭২০ বর্গফুট।১ কাঠা = ৮০ বর্গগজ।১ কাঠা = ১.৬৫ শতাংশ।১ কাঠা = ১৬ ছটাক।২০ কাঠা = ১ বিঘ...
28/06/2024

জেনে রাখুন পরে কখনো কাজ দেবে
১ কাঠা = ৭২০ বর্গফুট।
১ কাঠা = ৮০ বর্গগজ।
১ কাঠা = ১.৬৫ শতাংশ।
১ কাঠা = ১৬ ছটাক।
২০ কাঠা = ১ বিঘা।
৬০.৫ কাঠা = ১ একর।
=========================
১ একর = ১০০ শতাংশ।
১ একর = ৩ বিঘা ৮ ছটাক।
১ একর = ৬০.৫ কাঠা।
=========================
১ বিঘা = ১৪,৪০০ বর্গফুট।
১ বিঘা = ১৬০০ বর্গগজ।
১ বিঘা = ২০ কাঠা ।
১ বিঘা = ৩৩ শতাংশ।
=========================
১ শতাংশ =৪৩৫ বর্গফুট ৬৫.৪৫ বর্গ ইঞ্চি।
১ শতাংশ = ১০০ অযুতাংশ।
৫ শতাংশ = ৩ কাঠা। = ১৩০৬.৮ বর্গফুট ।
=========================
১ অযুতাংশ = ৪ বর্গফুট ৫২.৩৬ বর্গ ইঞ্চি।
১ ছটাক = ৪৫ বর্গফুট।
=========================
চট্টগ্রামের অধিবাসীদের জন্য নিচের হিসাবটা উপযোগী।
১ কানি = ১৬,৯৯০ বর্গফুট।
১ কানি = ৩৯ শতাংশ।
১ কানি = ২৩.৫ কাঠা।
১ কানি = ২০ গন্ডা।
=========================
১ গন্ডা = ৮৭১ বর্গফুট।
১ গন্ডা = ২ শতাংশ।
১ গন্ডা = ১.২১ কাঠা।
২০ গন্ডা = ১ কানি ।
=========================
কানিঃ
কানি দুই প্রকার। যথা- (ক) কাচ্চা কানি (খ) সাই কানি
কাচ্চা কানি
: ৪০ শতকে এক বাচ্চা কানি। কাচ্চা কানি ৪০ শতকে হয় বলে একে ৪০ শতকের কানিও বলা হয়।
সাই কানিঃ
এই কানি কোথাও ১২০ শতকে ধরা হয়। আবার কোথাও কোথাও ১৬০ শতকেও ধরা হয়।
কানি গন্ডার সাথে বিভিন্ন প্রকারের পরিমাপের তুলনা
২ কানি ১০ গন্ডা (৪০ শতকের কানিতে) = ১ একর
১ কানি = ১৭২৮০ বর্গফুট
১ কানি = ১৯৩৬ বর্গগজ
১ কানি = ১৬১৯ বর্গমিটার
১ কানি = ৪০ বর্গ লিঙ্ক
১ একর = ১০ বর্গ চেইন
১ একর = ১০০ শতক
১ একর = ৪,০৪৭ বর্গমিটার
১ একর = ৩ বিঘা ৮ ছটাক
১ একর = ৬০.৫ কাঠা
১ শতক = ১ গন্ডা বা ৪৩২.৬ বর্গফুট
বিঘা-কাঠার হিসাব
১ বিঘা = (৮০ হাত × ৮০ হাত) ৬৪০০ বর্গহাত
১ বিঘা = ২০ কাঠা
১ কাঠা = ১৬ ছটাক
১ ছটাক = ২০ গন্ডা
উপরোক্ত পরিমাপ পদ্ধতির মাধ্যমে এবার আপনি খুব সহজেই হিসাব করতে পারবেন আপনার ফ্ল্যাটটির পরিমাপ। তারপরও আপনাদের সুবিধার্থে আরও সহজভাবে তুলে ধরা হলো।
* ৩ কাঠার প্লটে মোট জমির পরিমাপ হয়= ২১৬০ বর্গফুট।
* ৫ কাঠার প্লটে মোট জমির পরিমাপ হয়= ৩৬০০ বর্গফুট।
* ১০ কাঠার প্লটে মোট জমির পরিমাপ হয়= ৭২০০ বর্গফুট।
এই হিসাব পদ্ধতির মাধ্যমে এবার আপনি ঠিক করুন আপনি আপনার জায়গায় কোন আয়তনের ফ্ল্যাট নির্মাণ করবেন। তবে একটা বিষয় খেয়াল রাখতে হবে যে, রাজউক ইমারত নির্মাণ আইনে মোট জমির এক তৃতীয়াংশ জায়গা খালি রাখতে হয় রাস্তা, ড্রেন ও আলো বাতাসের জন্য।
আর যারা রেডি ফ্ল্যাট কিনবেন তারা এই হিসাবটি জেনে রাখুন। কেননা ফ্ল্যাট বিক্রয়কারী প্রতিষ্ঠানগুলো ফ্ল্যাটের মোট আয়তন ছাড়াও সিড়ি, ফ্ল্যাটের সামনে, পিছনে, সাইডের খালি জায়গাও ফ্লাটের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত করে থাকে। যেমন –
* আপনি যদি ৯০০ বর্গফুটের একটি ফ্ল্যাট কেনেন তাহলে আপনার মূল ফ্ল্যাটের আয়তন হবে ৬০০ থেকে ৬৫০ বর্গফুট।
* আর যদি ১২০০ বর্গফুট হয় সেক্ষেত্রে ৭৮০ থেকে ৮৫০ বর্গফুট হবে আপনার মূল ফ্ল্যাটের আয়তন।
* ১৬০০ বর্গফুট আয়তনের ফ্ল্যাটের ক্ষেত্রে সব কিছু বাদ দিয়ে মূল ফ্ল্যাটের আয়তন হবে ১২০০ থেকে ১২৫০ বর্গফুট

(সংগৃহীত)

10/04/2024

Eid Mubarak everyone...... Be well & happy always.......

16/12/2023
একটা বিল্ডিং এর খরচ সকল আইটেম মিলে ১০০% কিভাবে ভাগ করা হয়।তার সম্ভাব্য একটি নমুনা।1. Structure = 35%2. Brick work = 6%...
30/07/2023

একটা বিল্ডিং এর খরচ সকল আইটেম মিলে ১০০% কিভাবে ভাগ করা হয়। তার সম্ভাব্য একটি নমুনা।

1. Structure = 35%
2. Brick work = 6%
3. Wood work = 5%
4. Metal work = 2%
5. Plambing and Sanitary = 6%
6. Electrical work = 7%
7. Plaster work = 4%
8. General Floor Tiles work = 6%
9. Toilet & Kit wall Tiles work = 3%
10. Aluminium work = 4%
11. EME (Lift, Generator, Substation) = 10%
12. Paint work = 3%
13. Others civil work = 6%
14. Utility connection & Bill = 3%
Total = 100%

1. Structure = 35%
- Footing & Column Padestal = 20%
- Grade Beam, UGWR top Slab = 5%
- GF Column, Stair etc = 4%
- 1st Floor Slab = 9%
- Typical Floor Column (5x3%) = 15%
- 2nd floor slab to roof slab (5x8) = 40%
- Roof top = 7%
TOTAL = 100% (৩৫% যেভাবে আসবে।)

2. BRICK WORK 6%
- GF Brick work = 6%
- 1st floor Brick work = 18%
- 2nd floor Brick work = 18%
- 3rd floor Brick work = 18%
- 4th floor Brick work = 18%
- 5th floor Brick work = 18%
-Roof Top Brick work = 4%
TOTAL = 100% (৬% যেভাবে হবে।)

3. WOOD WORK 5%
- Door frame = 40%
- Main Door Shutter = 15%
- Partex Door Shutter = 35%
- Cat Door & Accessories = 10%
TOTAL = 100% (৫% যেভাবে হবে।)

4. METAL WORK 2%
- Window grill = 55%
- Verandah Railling = 20%
- Stair Railling = 10%
- Main gate, Gen-Sub, safety grill = 15%
TOTAL = 100% (২% যেভাবে হবে।)

5. PLAMBING & SANITARY 6%
- uPVC vertical line thru duct = 25%
- GI line work = 30%
- Fixture & Fittings = 40%
- Ground Floor = 5%
TOTAL = 100% (৬% যেভাবে হবে।)

6. ELECTRICAL - 7%
- Conduiting inside slab = 10%
- Conduiting on wall i/c MK box=15%
- Cabling work = 55%
- Switch-Socket = 20%
TOTAL = 100% (৭% যেভাবে হবে।)

7. PLASTER 4%
- Ceiling plaster = 20%
- Internal wall plaster = 50%
- Outside plaster/facing bricks = 30%
TOTAL = 100% (৪% যেভাবে হবে।)

8. GENERAL FLOOR TILES 6%
- General floor & Verandah = 75%
- Stair, typical lobby & lift wall = 20%
- GF lift lobby, wall, reception = 5%
TOTAL = 100% (৬% যেভাবে হবে।)

9.TOILET & KIT WALL TILES = 3%
- Bath wall = 60%
- Kitchen wall = 20%
- Bath floor = 9%
- Bath counter top = 4%
- Kitchen floor = 3%
- Kitchen counter top =4%
TOTAL = 100% (৩% যেভাবে হবে।)

10. ALUMINIUM WORK 4%
- Outer framing-window sliding= 40%
- Glass shutter-window sliding = 30%
- Verandah sliding = 20%
- Toilet high window = 5%
- Comnon area = 5%
TOTAL = 100% (৪% যেভাবে হবে।)

11. EME 10%
- Lift = 50%
- Generator = 25%
- Substation = 20%
- PABX, Fire extinguisher etc = 5%
TOTAL = 100% (১০% যেভাবে হবে।)

12. PAINT WORK = 3%
- Upto putty = 40%
- Internal wall&ceiling 1st coat= 20%
- Internal wall&ceiling 2nd coat= 15%
- Outside paint/ceramic Tites = 25%
TOTAL = 100% (৩% যেভাবে হবে।)

13. OTHERS CIVIL WORK = 6%
- Boundary wall = 30%
- Line terracing/Roof top paver= 15%
- LOGO, Gardening & others = 4%
- GF BBC = 14%
- GF pavement & footpath dev = 10%
- Lintel, F/slab, drop wall, counter slab = 20%
- Cable tray = 1%
- Sanitary duct cover, ceiling etc= 4%
- Reception desk, letter box = 2%
TOTAL = 100% (৬% যেভাবে হবে।)

14. UTILITY CONNECTION & BILL = 3%
- DESA/DESCO = 35%
- TITAS = 20
- WASA = 15%
- Utility bills = 30%
TOTAL = 100% (৩% যেভাবে হবে।)

Eid Mubarak..........
28/06/2023

Eid Mubarak..........

Happy Engineers Day everyone...........
07/05/2023

Happy Engineers Day everyone...........

গত ০৬.০২.২০২৩ ইং তারিখ ৭.৯ মাত্রার ভুমিকম্প হয়ে গেল তুর্কি ও সিরিয়া সীমান্তে। এখন পর্যন্ত অনেক ক্ষয়ক্ষতি হয়ে গেল আমাদের ...
07/02/2023

গত ০৬.০২.২০২৩ ইং তারিখ ৭.৯ মাত্রার ভুমিকম্প হয়ে গেল তুর্কি ও সিরিয়া সীমান্তে। এখন পর্যন্ত অনেক ক্ষয়ক্ষতি হয়ে গেল আমাদের চোখের সামনে। মহান আল্লাহ আমাদের সবাইকে প্রাকৃতিক এসকল বিপদ আপদ থেকে রক্ষা করুন।

ভূমিকম্প থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য ভবন নির্মাণের সময় আমরা নিচের নির্দেশনা গুলো মেনে চলার চেষ্টা করি।

নতুন বিল্ডিং বা কাঠামো নির্মাণ করার ক্ষেত্রে করণীয়:
১। যে কোন বিল্ডিং-এর নকশা তৈরি করার পূর্বেই স্ট্রাকচারাল নকশার বিধিগুলোর অনুসরণ করতে হবে। মনে রাখতে হবে সঠিক স্ট্রাকচারাল নকশা না হলে ভূমিকম্পরোধক বিল্ডিং হবে না।
২। বিল্ডিং ডিজাইনের আগেই অভিজ্ঞ ইঞ্জিনিয়ার দ্বারা মাটির গুনাগুণ বিশ্লেষণ ও মাটির ধারণক্ষমতা নির্ভুলভাবে নির্ণয়পূর্বক রিপোর্ট তৈরি করতে হবে।
৩। বিল্ডিং নির্মাণের সময় অভিজ্ঞ প্রকৌশলীদের (সিভিল ইঞ্জিনিয়ার) তদারকি রাখতে হবে যাতে গুণগত মান ঠিক থাকে।
৪। সঠিক অনুপাতে গুনগতমানের সিমেন্ট, রড, বালির ব্যবহার হচ্ছে কিনা দেখতে হবে। কংক্রিটের চাপ বহন ক্ষমতা কোনো অবস্থাতেই ৩০০০ পিএসআই-এর নিচে নামানো যাবেনা । তার জন্য সার্বক্ষণিকভাবে নির্মানাধীন সাইটে দায়িত্বে নিয়োজিত সিভিল ইঞ্জিনিয়ারদেরকে কিউব অথবা সিলিন্ডার টেস্ট করতে হবে। কংক্রিটের মিক্সাচারে অতিরিক্ত পানি ব্যবহার থেকে বিরত থাকুন। ঢালাই’র পরে পানির ব্যবহার করে কংক্রিটের কিউরিং করতে হবে।
৫। উচ্চ ক্ষমতা সম্পন্ন রড পরীক্ষাপুর্বক ব্যবহার করতে হবে। রডের বহন ক্ষমতা ৬০ হাজার পিএসআই-এর কাছাকাছি থাকতে হবে। স্ক্র্যাপ বা গার্বেজ থেকে প্রস্তুতকৃত রড ব্যবহার থেকে বিরত থাকতে হবে ।
৬। বিল্ডিং-এর প্ল্যান ও এলিভেশান দুই দিকই সামাঞ্জ্য থাকতে হবে।
৭। নির্ধারিত ডিজাইনের বাইরে গিয়ে অতিরিক্ত ফ্লোর নির্মাণ করবেন না। বিল্ডিং কোড অনুসারে এক্সপানশান ফাঁক রাখতে হবে।
৮। বেশি পরিমান সরু ও উঁচু বিল্ডিং-এর পাশ হঠাৎ করে কমাবেন না। যদি কমাতে হয় তাহলে ত্রিমাত্রিক ডাইনামিক বিশ্লেষণ করে ডিজাইন করতে হবে।
৯। বিল্ডিং-এর উচ্চতা যদি ভবনের প্রস্থের ৪ (চার) গুণের অধিক হয় তাহলে ত্রিমাত্রিক ডাইমানশন বিশ্লেষণ করে ডিজাইন করতে হবে।
১০। ‘সেটব্যাক’ বা হঠাৎ করে বিল্ডিং-এর পাশের মাপঝোপ কমানো যাবেনা। যদি কমাতেই হয় তাহলে ত্রিমাত্রিক বিশ্লেষণ করে সাইট অ্যাফেক্ট জেনে ডিজাইন করতে হবে।
১১। জটিল কাঠামোগত প্লানের জন্য অবশ্যই ত্রিমাত্রিক ভূমিকম্প বিশ্লেষণ করে ডিজাইন করতে হবে।
১২। ‘শেয়ার ওয়াল’ বা কংক্রিটের দেয়াল সঠিক স্থানে বসিয়ে ভূমিকম্পরোধ শক্তির পরিমাণ বাড়াতে হবে।
১৩। সাম্প্রতিক সময়ে যে হারে ফ্লাট স্ল্যাব এর (বিম ছাড়া কলাম ও স্ল্যাব) বিল্ডিং তৈরি হচ্ছে, তা মাঝারি ধরনের ভূমিকম্প হলেই ধ্বসে যাবে। সুতরাং বিম, কলাম ও স্ল্যাব বিশিষ্ট বিল্ডিং তৈরি করতে হবে।
১৪। দায়িত্বরত ইঞ্জিনিয়ারকে “বাংলাদেশ জাতীয় বিল্ডিং কোড” অনুসরণ করে বিল্ডিং-এর প্ল্যান/ ডিজাইন করে ভূমিকম্প রোধক বিল্ডিং নির্মাণ করতে হবে।
১৫। নিচের তলা পার্কিং-এর জন্য খালি রাখতে হলে, ঐ তলার কলামগুলো বিশেষভাবে ডিজাইন করতে হবে। প্রয়োজনমতো কংক্রিটের দেওয়াল দিয়ে কলামগুলোতে বেষ্টনীবদ্ধ করতে হবে।
১৬। বিল্ডিং-এর ‘বিমের’ থেকে ‘কলামের’ শক্তি বেশি করে ডিজাইন করতে হবে। কমপক্ষে ২০% বেশি করতে হবে।
১৭। মাটির গুণাগুণের ওপর ভিত্তি করে যথাযথ ফাউন্ডেশন প্রকৌশলগতভাবে যাচাই বাছাই করে ডিজাইন করতে হবে।
১৮। ৫ ইঞ্চি ইটের দেয়ালগুলো ভূমিকম্পের জন্য আদৌ নিরাপদ নয়। তাই এই দেয়ালগুলো ছিদ্রযুক্ত ইটের ভিতরে চিকন রড দিয়ে আড়াআড়ি ও লম্বালম্বিভাবে তৈরি করে ‘লিন্টেলের’ সাথে যুক্ত করে দিতে হবে। সবদিকে ‘লিন্টেল’ দিতে হবে। বিশেষ করে দরজা বা জানালার খোলা জায়গায় চিকন রড দিয়ে ৫ ইঞ্চি ইটের দেয়াল যুক্ত করতে হবে।
১৯। মনে রাখতে হবে, নতুন বিল্ডিং নির্মাণে ভূমিকম্প-প্রতিরোধক নিয়মাবলি প্রয়োগ করলে, শুধুমাত্র ২-৩% নির্মাণ খরচ বৃদ্ধি পায়।

ভূমিকম্পের সময়ে করণীয়:
১। মানসিকভাবে শান্ত থাকুন ও অন্যদের শান্ত রাখুন।
২। বিল্ডিংটি বিম ও কলামের কাঠামোর ওপর নির্মিত হলে কলামের গা ঘেঁষে থাকুন। আর বিল্ডিংটি দেয়াল-নির্ভর হলে বাইরের কাছাকাছি কোনো কক্ষে অবস্থান নিন। যাতে বড় ধরনের ক্ষতি হয়ে গেলেও উদ্ধার-কর্মীদের খুঁজে পেতে সুবিধা হয়।
৩। লিফট্ ব্যবহার করবেন না।
৪। বিদ্যুৎ চলে যেতে পারে, সেক্ষেত্রে টর্চ ব্যবহার করুন।
৫। যোগাযোগ ব্যবস্থা বিছিন্ন হতে পারে, সজাগ থাকুন।
৬। মাথায় হেলমেট, কুশন বা বালিশ দিয়ে দরজার নিচে অথবা লোহার টেবিলের নিচে আশ্রয় নিন।
৭। মাটির বাড়ি ও পরিত্যক্ত বিল্ডিং থেকে যথাসম্ভব দূরে থাকুন।

ভূমিকম্পের সময় রাস্তায় থাকলে করণীয়:
১। খোলা জায়গায় অবস্থান নিন, শান্ত ও সচেতন থাকুন।
২। দৌড় দেবেন না।
৩। ঝুঁকিপূর্ণ বাড়িঘর থেকে দূরে থাকুন।
৪। মাটির বাড়ি থেকে নিরাপদ জায়গায় চলে আসুন।
৫। পুরাতন বিল্ডিং থেকে দূরে থাকুন।
৬। বৈদ্যুতিক তার থেকে দূরে থাকুন।
৭। ঢালু জায়গা বা দেয়াল থেকে দূরে থাকুন।
চলন্ত গাড়িতে থাকাকালীন সময়ে করণীয়:
১। চলন্ত গাড়ির ইঞ্জিন বন্ধ করে রাখুন।
২। খোলা জায়গায় গিয়ে গাড়ির ইঞ্জিন বন্ধ করে অবস্থান নিন।
৩। বৈদ্যুতিক তার থেকে গাড়িটি দূরে কোথাও পার্কিং করুন।
৪। দেয়ালের পাশে বা গাছের নিচে গাড়ি পার্কিং করবেন না।
৫। যদি খোলা জায়গা না থাকে, তাহলে গাড়ির গা ঘেঁষে বসে পরেন

Engr. Md. Abdullah Faruq Serniabat
B.Sc. Engg. (Civil); M.Sc. Engg. (Civil)
Managing Director
Massive Engineers Ltd.
Corporate Office:
10 Dilkusha, Jibon Bima Tower, Motijheel C/A, Dhaka-1000
Phone: 09696 821444; Hotline: 01797-121444
E-mail: [email protected]
Website: www.massiveengineers.com

ঘরের সিলিংয়ের সৌন্দর্যঃ===============আমরা জাতিগত ভাবেই একটু সৌন্দর্য প্রিয়। আমাদের বাসস্থান কিংবা কর্মস্থল, যেকোনো স্থ...
29/01/2023

ঘরের সিলিংয়ের সৌন্দর্যঃ
===============

আমরা জাতিগত ভাবেই একটু সৌন্দর্য প্রিয়। আমাদের বাসস্থান কিংবা কর্মস্থল, যেকোনো স্থানের অন্দরমহলের সৌন্দর্যবর্ধনের ক্ষেত্রে আমরা যথেষ্ট সচেতন সবসময়ই। নিত্য-নতুন নকশার সব আসবাবপত্র কিংবা রঙের পরিবর্তন, আবার কখনোবা নতুন ধরনের লাইটের সংযোজন- সবকিছু মিলিয়েই বেড়ে উঠে একটি দৃষ্টিনন্দন স্থাপত্য।
অন্দরমহলের সজ্জা বললে হয়তো সবার শেষে আমাদের বিবেচনায় আসে সিলিংয়ের নকশার কথা। কারণ, চিরকালই সিলিং বলতে আমরা কেবল মাথার উপর এক খণ্ড সাদা সরল তলকেই বুঝে থাকি। কিন্তু এটিও যে মনোযোগ দিয়ে তৈরি করার বিষয়, তা বোঝা যায় আধুনিক সময়ে এই সিলিং নকশার পেছনেও নকশাকারদের বিশদ পড়াশোনা এবং বিচার-বিবেচনা থেকে।

প্রকারভেদঃ
=======

ব্যবহার ও নকশার উপর ভিত্তি করে কয়েক রকমের সিলিং বেশি দেখা যায়। যেমন-
কনভেনশনাল সিলিং
সাসপেন্ডেড সিলিং
ক্যাথেড্রাল সিলিং
শেড সিলিং
কোভ সিলিং
বীম সিলিং

সিলিংয়ের নকশার ক্ষেত্রে অধিকাংশ সময়েই ছাদের স্ট্রাকচার বহাল রেখে ফলস সিলিং কিংবা সিলিং টাইলসের মাধ্যমে নকশা করা হয়। সিলিংয়ের নকশা রুমের কার্যকারিতা, নির্মাণকাল, লোকেশন ও নকশার বাকি রুমের সাথে সামঞ্জস্যতা এসবের উপরও নির্ভর করে। মুঘল আমলের কোনো স্থাপনার সিলিংয়ের সাথে যেমন এখনকার কোনো সিলিংয়ের মিল খোঁজা ভিত্তিহীন, তেমনি বাসস্থানের বিভিন্ন রুমের সিলিংয়ের সাথে বিপণি-বিতান বা অফিসের সিলিংয়ের সাদৃশ্যও নেই বললেই চলে।

শহর ও গ্রামভেদে সিলিংয়ের পরিবর্তনঃ
=======================

কেবলমাত্র কংক্রিটের তৈরি বাড়িতেই নয় বরং গ্রামাঞ্চলে টিনের তৈরি ছাদের ক্ষেত্রেও সিলিং ডিজাইনে ব্যাপক পরিবর্তন আসছে। একসময় টিনের তৈরি ঘরের ছাদের নিচে বাঁশের চাটাই, ছন, খড় এসব দিয়ে সিলিং তৈরি হতো। কিন্তু বর্তমানে পিভিসি প্লাস্টিক সিলিংয়ের বহুমাত্রিক ব্যবহারে সিলিংয়ে পরিবর্তন এসেছে। সাশ্রয়ী মূল্যের এই সিলিংয়ের সহজ ব্যবহার, কম খরচে মেরামতযোগ্যতা, সহজলভ্যতাসহ নানাবিধ গুণ রয়েছে।

ফলস সিলিংয়ের ব্যবহারঃ
===============

আমাদের বাসা কিংবা অফিসে বর্তমানে ফলস সিলিংয়ের বহুল ব্যবহার দেখা যায়। আসল সিলিংয়ের নিচে জিপসাম বোর্ড, কাঠ কিংবা প্যারিস প্লাস্টারের এক বা একাধিক লেয়ারের সিলিং সংযোজন করা হয় এধরনের সিলিংয়ে। নকশার পরিবর্তন কিংবা দৃষ্টিনান্দনিকতার পাশাপাশি আরও বিভিন্ন কারণে ফলস সিলিং ব্যবহার করা হয়, যার মধ্যে ওয়্যারিং ঢাকা, রুমের টিভি, হোম থিয়েটারের একুইস্টিক (শাব্দিক) সামঞ্জস্যতা রক্ষা এবং শীতপ্রধান দেশে ঘরের তাপমাত্রা সহনশীল পর্যায়ে রাখা অন্যতম কারণ হিসেবে বিবেচ্য।

নকশা ও ম্যাটেরিয়ালের উপর ভিত্তি করে যে কয়েক রকমের ফলস সিলিং বর্তমানে বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে তা হলো-
জিপসাম সিলিং
উডেন সিলিং
প্যারিস প্লাস্টার সিলিং
মেটাল সিলিং
সিন্থেটিক ফাইবার সিলিং
সিলিংয়ের নকশা এবং রং
বাড়ির কোন রুমের জন্য সিলিং ডিজাইন করা হচ্ছে তা প্রথমে দেখে নিতে হবে। সাধারণত বসার ঘর, শোবার ঘর, শৌচাগার ভেদে সিলিংয়ের নকশায় তারতম্য হয়ে থাকে। রুমভেদে সিলিংয়ের উচ্চতার পার্থক্য হয়। সেক্ষেত্রে পরবর্তীতে যে ফলস সিলিং যোগ করা হয় তার অবকাশ সবসময় থাকে না।

বিভিন্নভাবে সিলিংয়ের রঙের মাধ্যমে রুমের সৌন্দর্য বৃদ্ধি করা যায়। সাধারণত ছোট রুমকে বড় দেখানোর জন্য হালকা রঙের শেড ব্যবহৃত হয়। তাছাড়া কম উচ্চতার সিলিংয়ে কিছুটা গ্লসি রঙ ব্যবহার করলে উচ্চতার পার্থক্য অনুভূত হয়।

রঙের সাথে সাথে সিলিং ও ফলস সিলিংয়ের বিভিন্ন নকশা নিয়েও কাজ করা যায়। বর্তমান সময়ে সিলিং-সাইড ধরে চারকোনা নকশা কিংবা মাঝে গোল নকশা বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। এর মধ্যে বিভিন্ন দিকে ও জায়গায় স্পট লাইট, রিসেসড লাইট কিংবা পেন্ডেন্ট লাইটের সংযোজন করা যেতে পারে। কিন্তু সিলিং যে কাঁচামালেই তৈরি হোক না কেন, পানিরোধক না হলে অচিরেই সিলিং অকেজো হয়ে পড়ে। সাধারণত সিলিংয়ের পানিরোধন ক্ষমতা বাড়ানোর জন্য ভেতরের দিকে পলিইউরেথিন সিলার ব্যবহার করা হয়। বাথরুমের সিলিংয়ের স্যাঁতস্যাঁতে ভাব কমানোর জন্য সেমি গ্লসি কিংবা অয়েল বেসড রং ব্যবহার করা হয়ে থাকে।
কিছু কিছু ক্ষেত্রে সিলিং তৈরির সময় আগুনের বিষয়ে সতর্কতার কথা মাথায় রাখা গুরুত্বপূর্ণ। সাধারণত রান্নাঘর কিংবা আগুনের সংস্পর্শে আসা সিলিংসমূহের ক্ষেত্রে এটি বিবেচ্য। এক্ষেত্রে প্লাস্টারবোর্ড সিলিং, ফাইবারড সিলিং ব্যবহারের জন্য পরামর্শ দিয়ে থাকেন বিশেষজ্ঞরা।
সিলিং যে ম্যাটেরিয়াল কিংবা নকশাতেই তৈরি হোক না কেন, সিলিংয়ের পরিচর্যার অভাবে অনেক সময়েই সিলিংয়ের কাঠামো কিংবা বাহ্যিক সৌন্দর্য নষ্ট হতে দেখা যায়। এক্ষেত্রে নিয়মিতভাবে সিলিং পরিষ্কার, ভালো মানের রং ব্যবহার ও যেকোনো সমস্যা অচিরেই মেরামত করা বাঞ্ছনীয়।

Engr. Md. Abdullah Faruq Serniabat - Jewel
B.Sc. Engg. (Civil); M.Sc. Engg. (Civil)
Managing Director
Massive Engineers Ltd.
Corporate Office:
10 Dilkusha, Jibon Bima Tower, Motijheel C/A, Dhaka-1000.
Phone: 09696 821444; Hotline: 01797-121444
E-mail: [email protected]
Website: www.massiveengineers.com

সিঁড়ি (রাউন্ড/স্পাইরাল):==============👉সিঁড়িঃভবনের এক তলা থেকে অন্য তলায় নিরাপদে ও অনায়সে যাতায়াতের জন্য কতগুলো ধাপের সা...
26/01/2023

সিঁড়ি (রাউন্ড/স্পাইরাল):
==============

👉সিঁড়িঃ
ভবনের এক তলা থেকে অন্য তলায় নিরাপদে ও অনায়সে যাতায়াতের জন্য কতগুলো ধাপের সাহায্যে যে পথ নির্মাণ করা হয় তাকে সিঁড়ি বা স্টেয়ার বলে।

👉একটি উত্তম সিঁড়ির বৈশিষ্ট্যঃ
১। অবস্থান
২। সিঁড়ির প্রস্থ
৩। ফ্লাইটের দৈর্ঘ্য
৪। সিঁড়ির ঢাল
৫। হেড রুম
৬। নির্মাণ সামগ্রী
৭। ব্যালাস্ট্রেড ও হ্যান্ড রেইল
৮। স্টেপ আকার
৯। ল্যান্ডিং

👉ট্রেড এবং রাইজার সংখ্যা নির্ণয়ে পদ্ধতিঃ
১. রাইজারের সংখ্যা =প্রতি ফ্লাইটের উচ্চতা/রাইজারের উচ্চতা
২. ট্রেডের সংখ্যা=প্রতি ফ্লাইটের রাইজারের সংখ্যা-১.

👉১টি ফ্লাইটে সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন ধাপঃ
প্রতি ফ্লাইটে ধাপের সংখ্যা ১০ থেকে ১২ টি তবে সর্বোচ্চ ১৫ টি এবং সর্বনিম্ন ৩ টির কম হবে না।

👉 সিঁড়ির অবস্থানঃ
আবাসিক দালানের ক্ষেত্রে সিঁড়ির অবস্থান কেন্দ্রস্থলে এবং পাবলিক বিল্ডিং এর ক্ষেত্রে সিঁড়ির অবস্থান রাস্তার দিকে হওয়া উচিত।

👉সিঁড়ির বিভিন্ন অংশগুলোর নামঃ
১. স্টেপ বা ধাপ
২. ট্রেড
৩. রাইজার
৪. ফ্লাইট
৫. নোজিং
৬. ল্যান্ডিং
৭. সফিট
৮. ঢাল
৯. হ্যান্ড রেইল
১০. হেড রুম ইত্যাদি।

👉ট্রেড ও রাইজার কাকে বলে? সিঁড়ির ট্রেড ও রাইজার সাধারণত কত ধরা হয়ঃ
সিঁড়ি বেয়ে ওঠানামা করার সময় সিঁড়ির যে সমতলে পা রেখে ওঠানামা করা হয় তাকে ট্রেড বলে।
ধাপের লম্ব অংশ এবং যা ট্রেড কে সাপোর্ট প্রদান করে তাকে রাইজার বলে।
ট্রেড ১০" এবং রাইজার ৬"।

👉সিঁড়ির দৈর্ঘ্য= ১৫'-৬", প্রস্থ = ৮'-০", মেইন রড ১২ মিমি ৪" C/C, এক্সটা টপ ১২ মিমি ৪" C/C, এক্সটা টপ দৈর্ঘ্য = ল্যান্ডি+L/4, বাইন্ডার ৮"C/C, ওয়েষ্ট স্ল্যাবে পুরুত্ব = ৬", ট্রেড ১০", রাইজার ৬", মাঝের ল্যান্ডিং এর নীচে টি বীম আছে সাইজ ১০"x১৮" উপরে ছাদের বীম সিঁড়ির ভিতরে আসবে না। বীমের রড ৬-২০ মিমি, বীমের রিং ১০ মিমি, বীমের রিং ৬" C/C, মাটাম ৬" হলে মালামাল এর পরিমাণ :

সিঁড়ির দৈর্ঘ্য = (৪'-০''+৯ টা ট্রেড+৪'-০")
= {৪'-০"+(৯x১০")+৪'-০"}
= ১৫'-৬''
প্রস্থ= (৩'-১০"+৪"+৩'-১০")
= ৮'-০"

সিঁড়ি ওয়েষ্ট স্ল্যাবের দৈর্ঘ্য
পিথাগোরাসের সুত্র মতে
= √(৪'-৬")^২+(৮'-৪")^২
= ৯'-৬''
এখনে উচ্চতা ৪'-৬"
ভূমি = ১০x০'-১০"
= ৮'-৪"

ঢালাইয়ের পরিমাণ :
বীম = ৮'-০"x০'-১০"x১'-০"= ৬.৬৪
ল্যান্ডিং = ৮'-০"x৪'-০"x০'-৬"x২ = ৩২.০০
ওয়েষ্ট স্ল্যাব
= ৯'-৬''x৩'-১০"x০'-৬"x২ = ৩৬.৩৯
ধাপ = ১/২"x০'-৬'x০'-১০"x৩'-১০"x১৮
= ১৫.১০
মোট = ৯০.১৩ ঘনফুট

মালামাল
শুকনা = ৯০.১৩x১.৫
= ১৩৫.২০ ঘনফুট
অনুপাত ১:২:৪
অনুপাতের যোগফল = (১+২+৪)= ৭

মালামাল
সিমেন্ট = ( ১৩৫.২০x১÷৭)÷১.২৫
= ১৫.৪৫ ব্যাগ
[যেহেতু ১ ব্যাগ সিমেন্ট = ১.২৫ ঘনফুট]

বালি = ১৩৫.২০x২÷৭ = ৩৮.৬৩ ঘনফট
খোয়া= ১৩৫.২০ x৪÷৭ = ৭৭.২৬ ঘনফুট

মেইন রডের দৈর্ঘ্য
= [(৪'-০"+৯'-৬"+৪'-০")-{(৩/৪"x২)÷১২}]
= ১৭'-৬"
বাইন্ডার রডের দৈর্ঘ্য
= [৩'-১০"-{(৩/৪"x২)÷১২}]
= ৩'-৯"
এক্সটা টপ দৈর্ঘ্য
= -৩/৪"+৪'-০"+(৯'-৬"÷৪)
= ৫'-১৭"
ল্যান্ডিং বাইন্ডার দৈর্ঘ্য
= ৮'-০"-(৩/৪"x২÷১২)
= ৭'-১১"
বীমের মেইন রডের দৈর্ঘ্য
= (৮'-০")-(১.৫"x২)+(৬"x২)
= ৮'-৯"
রিং রডের দৈর্ঘ্য
= {(১০-১.৫x২)+(১৮-১.৫x২)}x২+(৩x২)
= ৪'-২"
মেইন রডের পরিমান
= {(৩'-১০"x১২-৩/৪"x২)÷৪}+১
= ১২.১৩ টি
~ ১৩ টি
মোট = ১৩x২= ২৬ টি
এক্সটা টপ = ১৩x৪= ৫২ টি

ল্যান্ডিং বাইন্ডার পরিমান
= [{৪'-০"x১২-(৩/৪"x২)}÷৮]+১
= ৬.৮১
~ ৭ টি
মোট ৭x২= ১৪ টি

ল্যান্ডিং এ ডাবল জালি এখানে ৮" করে হিসাব করে
বাইন্ডার পরিমান
= (৯'-৬"x১২÷৮)-১
= ১৩.২৫
~ ১৪ টি
মোট ১৪x২=২৮ টি

মোট রিং এর পরিমান
= [{(৮'-০")-(১.৫"x২)}÷৬"]+১
= ১৬.৫০
~ ১৭ টি

রডের পরিমান
মেইন রড
১২মিমি = ১৭'-৫"x২৬x০.২৭ = ১২২.২৯
এক্সটা টপ
১২ মিমি = ৬'-১"x৫২x০.২৭= ৮৫.৩৬
ল্যান্ডিং বাইন্ডার
১২ মিমি = ৭'-১১"x১৪x০.২৭= ২৯.৯৪
বাইন্ডার
১০ মিমি = ৩'-৯"x২৮x০.১৯ = ১৯.৯৫
বীম মেইন রড
২০ মিমি = ৮'-৯"x৬x০.৭৫= ৩৯.৩৮
বীমের রিং
১০ মিমি = ৪'-২"x১৭x০.১৯ = ১৩.৪৭
মোট রডের পরিমান = ৩১০.৩৯ কেজি

মোট সাটারিং
বীম সাইড
৮'-০"x১'-০"x২= ১৬.০০
ল্যান্ডিং তলা
৪'-০"x৮'-০"x২= ৬৪.০০
ল্যান্ডিং সাইড
= {(৪'-০"+৮'-০"+৪'-০")x০'-৬"}x২= ১৬.০০
ওয়েষ্ট স্ল্যাব তলা
= ৯'-৬"x৩'-১০"x২= ৭২.৭৭
ওয়েষ্ট স্ল্যাব সাইট
= ৯'-৬"x১'-০"x৪= ৩৮.০০
ধাপ
= ৩'-১০"x০'-৬"x১০x= ৩৮.৩০
= ২৪৫.০৭ বর্গফুট

👉ACI কোড অনুযায়ী ট্রেড ও রাইজারের সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন মানঃ
আবাসিক দালানের সিঁড়ির রাইজারের পরিমান ১৫ সে.মি থেকে ১৮ সে.মি এবং ট্রেডের পরিমান ২৩ সে.মি থেকে ২৭ সে.মি রাখা হয়।
পাবলিক বিল্ডিং এ রাইজার ১৪ থেকে ১৫ সে.মি এবং ট্রেড ২৫ থেকে ৩০ সে.মি রাখা হয়।

👉আবাসিক দালানের জন্য সিঁড়ির ফ্লাইটের প্রস্থ ও হেডরুম এর ন্যুনতম পরিমাপঃ
প্রস্থ ৯০ সে. মি বা ৩ ফুট এবং হেডরুম ২.১০ মি বা ৭ ফুট হওয়া উচিত।

👉বিভিন্ন প্রকার সিঁড়ির নামঃ
১. একমুখী সিঁড়ি
২. ডগ-লেগড সিঁড়ি
৩. ওপেন নিউয়েল সিঁড়ি
৪. জিওমেট্রিক্যাল সিঁড়ি
৫. বৃত্তাকার সিঁড়ি
৬. বাইফারকেটেড সিঁড়ি

👉রেম্প ও লিফট কোরঃ
দালানের বিভিন্ন তলায় গমনের জন্য ধাপবিহীন যে সিঁড়ি ব্যবহার করা হয় তাকে রেম্প বলে।
বহুতল ভবনে যে কক্ষে লিফট স্থাপন করা হয় তাকে লিফট কোর বলে।

👉সিঁড়ির ঢাল ও ঢালের পরিমাণঃ
ল্যান্ডিং বা মেঝের সাথে লাইন অব নোজিং যে কোণ করে থাকে তাকে সিঁড়ির ঢাল বলে।
ঢাল ২০° থেকে ৪০° এর মধ্যে হয়ে থাকে।

👉বসতবাড়িতে যে সিঁড়ি ব্যবহার হয়ে থাকেঃ
বসতবাড়িতে Dog-legged সিঁড়ি বেশি ব্যবহার করা হয়ে থাকে।

👉দালানের সিঁড়ির অবস্থান কেমন হওয়া উচিতঃ
ক. ভবনের আবাসিকবৃন্দ স্বাচ্ছন্দে প্রবেশ এবং বের হতে পারে।
খ. সিঁড়িতে পর্যাপ্ত পরিমান আলো বাতাস পাওয়া যাবে
গ. সিঁড়ির প্রবেশ পথে সুবিধা জনক বিস্তৃত এলাকা পাওয়া যাবে।
ঘ. সিঁড়ির অবাস্থান রাস্তার দিকে হওয়া উচিত,যেন সহজেই লোকজন রাস্তা হতে বিভিন্ন তলায় যেতে পারে।

👉আদর্শ সিঁড়ির ট্রেড ও রাইজারের সম্পর্কঃ
১. ট্রেড+রাইজার=৪০ থেকে ৪৫ সে.মি বা ১৬" থেকে ১৮ "
২. ট্রেড ×রাইজার=৪০০ থেকে ৪৫০ ব:সে.মি
৩. ট্রেড+২ ×রাইজার=৬০ সে.মি বা ২ ফুট।

👉সিঁড়ির স্ল্যাবে টপ ও বটমে ক্লিয়ার কভারঃ
১ ইঞ্চি।

👉সিঁড়ির ধাপের ওজন নির্ণেয় সূত্রঃ
W= 12R kg/m². R এখানে রাইজার এবংW ওজন।

👉সিঁড়ি নির্মানের জন্য উত্তম মালামালঃ
সবচেয়ে উত্তম মালামাল হল কংক্রিট। কারণ এই জাতীয় মালামালে অগ্নি নিরোধক ক্ষমতা সবচেয়ে বেশি এবং যে কোন আকারে দেওয়া যায়।

👉ল্যান্ডিং
দুটি ফ্লাইটের মধ্যবর্তী স্থানে চওড়া যে প্লাটফর্ম নির্মান করা হয় তাকে ল্যান্ডিং বলে।

👉ল্যান্ডিং কী কাজে ব্যবহার করা হয়ঃ
সিঁড়ি দিয়ে ওঠানামা করার সময় দিক পরিবর্তন এবং মধ্যবর্তী স্থানে সামান্য বিশ্রামের জন্য ল্যান্ডিং ব্যবহার করা হয়।

Engr. Md. Abdullah Faruq Serniabat - Jewel
B.Sc. Engg. (Civil); M.Sc. Engg. (Civil)
Managing Director
Massive Engineers Ltd.
Corporate Office:
10 Dilkusha, Jibon Bima Tower, Motijheel C/A, Dhaka - 1000.
Phone: 09696 821444; Hotline: 01797-121444
E-mail: massiveengineersltd@gmail. com
Website: www.massiveengineers.com

লে-আউট নিয়ে বিস্তারিত===============লে- আউটঃলে- আউট হলো যে বিল্ডিং নির্মিতি হবে তার প্রপার ড্রয়িং সরাসরি প্রস্তাবিত জমির...
25/01/2023

লে-আউট নিয়ে বিস্তারিত
===============

লে- আউটঃ
লে- আউট হলো যে বিল্ডিং নির্মিতি হবে তার প্রপার ড্রয়িং সরাসরি প্রস্তাবিত জমির উপর স্থাপন করতে হবে।

লে-আউট দেওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় সামগ্রী ( যাহা ঠিকাদার সরবরাহ করবে)। যেমনঃ
১) স্টিল মেজারিং টেপ ১৬'-০" এবং ১০০'-০" লম্বা (স্টিল টেপ)
২) হেমার।
৩) লাল রঙ এবং ব্রাশ (গ্রীড লাইন মার্কিং এর জন্য)।
৪) সুতা (প্লাষ্টিক)
৫) মাটাম
৬) ওয়াটার লেভেল পাইপ
৭) বাশের খুটি
৮) তাগারি
৯) কার্নি, ইত্যাদি।

ভবনের লে-আউট দেয়ার জন্য আজ কাল টোটাল ষ্টেশনের বহুল ব্যবহার চোখে পড়ছে। বাংলাদেশে বেশ কিছু ডিজিটাল সার্ভে কোম্পানী আছে যারা টোটাল ষ্টেশনের মাধ্যমে নির্ভুলভাবে ইমারতের লে-আউট দিয়ে থাকে।

তারপরও নিচে লে-আউট দেয়ার জন্য প্রয়োজনীয় উপাদানের নাম দেয়া হলঃ
১। টোটাল ষ্টেশন বা লেভেল মেশিন
২। নাইলনের সুতা
৩। পেরেক
৪। হাতুড়ি
৫। অস্থায়ী বাঁশের খুটি
৬। স্থায়ী কঙ্ক্রীটের খুটি
৭। স্টীলের একটি বড় সমকোনী ত্রিভুজ
৮। স্টীল টেপ (১০০ ফুট)
৯। মাঝারি সাইজের প্লাম্ব বব বা ওলোন

ম্যাটেরিয়ালঃ
=======
সিমেন্ট ১ ব্যাগ
লোকাল সেন্ড ১০ সি.এফ.টি

বর্ননাঃ
====
কোন ভবনের লে-আউট দেয়ার জন্য যে ড্রয়িং তৈরী করা হয় সেখানে সাধারনত a,b,c,d…… ও 1,2,3,4…… এই দুই ধরণের গ্রীডলাইন ব্যবহার করা হয়ে থাকে।
a,b,c,d…… গ্রীড লাইনগুলো একে অপরের সমান্তরাল
আবার 1,2,3,4…… গ্রীড লাইনগুলোও পরষ্পর পরষ্পরের সমান্তরাল হয়ে থাকে।
কিন্তু a,b,c,d…… গ্রীড লাইনগুলো 1,2,3,4……গ্রীড লাইনের সাথে সমকোণ তৈরী করে। এই দুই ধরণের গ্রীড লাইনের ছেদ বিন্দুটিতে সাধারণতঃ কলাম বা দেয়ালের অবস্থান করে থাকে।
লে-আউট দেয়ার প্রধান কাজ হলো ড্রয়িং থাকা উপরে বর্ণিত ঐ সমস্ত গ্রীডলাইনগুলোকে বাস্তব মাপজোপের মাধ্যমে প্রকৃত জমিতে স্থানান্তর করা। কয়েকটি ধাপের মাধ্যমে সেই কাজটি প্রকৌশলীরা করে থাকেন-
প্রথমে একটি বেসলাইন (Baseline) বা সীমারেখা নির্ধারণ করতে হয়। সীমারেখাটি সাধারণতঃ
পার্শ্ববতী কোনো ভবন বা রাস্তার মধ্যরেখা (centerline) এর সমান্তরালে একটি নির্দিষ্ট দুরুত্বে চিহ্নিত করা হয়।
বেসলাইনের সমান্তরাল করে ড্রয়িং এ অঙ্কিত বিভিন্ন গ্রীডলাইনগুলো (a,b,c,d……) কে ভূমিতে স্থানান্তর করা হয়। কিছু অস্থায়ী বাঁশের খুটির সাহায্যে এই সমস্ত গ্রীডলাইনগুলোকে চিহ্নিত করা হয়।
এরপর যেকোন একটি সুবিধামত গ্রীডলাইনের (1,2,3,4……) সাথে সমকোণে রেখে আরেকটি গ্রীডলাইন চিহ্নিত করা হয়।
একইভাবে লম্ব বরাবর যে গ্রীডলাইন পাওয়া গেল সেগুলো সমান্তরাল করে আগের মত আবার নতুন গ্রীডলাইন বসানো হয়।
সাময়িক বা অস্থায়ী খুটির বদলে কংক্রীটের খুটি ব্যবহার করে গ্রীডলাইনগুলোকে স্থায়ী করে রাখা হয় যাতে ভবিষ্যতে যেকোন প্রয়োজনে গ্রীডলাইনগুলো অস্তিত্ব পাওয়া যায়।
লেভেল মেশিনের সাহায্যে রাস্তার চুড়ার তলের উপর ভিত্তি করে ভবনের প্লিন্থ লেভেল নির্ধারণ করতে হয়। প্লিন্থ লেভেলের চিহ্নটি এমন এক স্থানে রাখতে হয় যেখানে সহজে যাওয়ার ব্যবস্থা আছে, সহজে দেখা যায় ও ভবন নির্মানের শেষ পর্যন্ত যেই স্থানের অস্তিত্ব থাকবে।
পরষ্পর লম্ব দুইটি গ্রীডলাইনের ছেদবিন্দু থেকে কলাম ও ফাউণ্ডেশনের সাইজ, অবস্থান এবং গভীরতা নির্ধারণ করা হয়।
কাজের প্রতিটি ক্ষেত্রে পরষ্পর লম্ব চারটি গ্রীডলাইনের দ্বারা আবদ্ধ বর্গক্ষেত্রের কর্ণের দৈর্ঘ বারবার পরীক্ষা করতে হয় যাতে উক্ত গ্রীডলাইনগুলোর মাঝে ৯০ ডিগ্রি থাকে। কারণ আমরা জানি একটি পূর্ণাংগ বর্গক্ষেত্রের কর্ণ দুইটি সবসময় সমান থাকে।
ভবনের লে-আউট দেয়া ভবন নির্মানের বেশ গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এটি আসলে গণিতের জ্যামিতি বিষয়ের একটি পরিপূর্ণ ব্যবহারিক ঘটনা। ভবনে লে-আউট দিয়ে কাজ করলে বিভিন্ন সুবিধা পাওয়া যায় যেমনঃ
ভবন নির্মানের ক্ষেত্রে ভুল হবার সম্ভাবনা কম হয়।
ভবন নির্মান কাজে ব্যবহৃত ফোরম্যান বা মিস্ত্রি সঠিক-সুন্দর ভাবে ও নির্বিঘ্নে কাজ চালিয়ে যেতে পারে।
নির্মান কাজের বিভিন্ন পর্যায়ে কলামের অবস্থান পূনঃপরীক্ষার জন্য স্থায়ী লে-আউটের প্রয়োজন হয়।
ভবনের নকশা বা আসল জমিতে কোন রকম সমস্যা থাকলে লে-আউট চলাকালীন সময়ে সংশোধন করা যেতে পারে।

লে-আউট প্লেসিং এ সতর্কতা
=================
১. আর্কিটেকচারাল ড্রয়িং, রাজউক এপ্রুভাল ড্রইং এবং সার্ভে ড্রইং অনুযায়ী প্রস্তাবিত জমির মাপ ঠিক আসে কিনা তা চেক করতে হবে।
২. রোড ক্রেষ্ট লেভেল হতে সাধারণত ৩.৫ ফুট উপরে সাইটের বিভিন্ন স্থানে লেভেল স্থাপন করতে হবে।
৩. আর্কিটেকচারাল ড্রয়িং এর রেফারেন্সে গ্রিড লাইন অনুসারে সুতা বাধতে হবে।
৪. সুতা বাধার পর প্রত্যেকটি কোন সমকোন আছে কিনা তা দেখে নিতে হবে ( মাটাম এবং ৩,৪,৫ পদ্ধতিতে চেক করা যেতে পারে) এবং কোনাকুনি মাপ ঠিক আছে কিনা তা চেক করতে হবে।
৫. গ্রীড লাইন হতে রাজউকের ড্রইং অনুযায়ী পর্যাপ্ত জায়গা ছেডে দিতে হবে।
৬. এক গ্রীড লাইন হতে অপর গ্রীডলাইন ঠিক আসে কিনা তা যাচাই করতে হবে।
৭. গ্রীড লাইন হতে কোন পার্শ্বে জায়গা কম বা বেশি পাওয়া গেলে তা নিশ্চিত করে উর্ধতন কতৃপক্ষকে জানাতে হবে। পরবর্তী সিধান্ত অনুযায়ী লে- আউট ঠিক করতে হবে।
৮. গ্রীড লাইন এর পয়েন্ট গুলো এ প্রয়োজনীয় জায়গা চিপিং করে ১০" x ১০" x ১" সিমেন্ট বালির মর্টার দিয়ে স্থায়ী ভাবে চিহ্নিত করে রাখতে হবে। অন্যথায় বাশের খুটি মাটিতে কমপক্ষে ৩ ফুট প্রবেশ করে স্থায়ী ভাবে গ্রীড লাইনের চিহ্ন রাখতে হবে।
৯. গ্রীড লাইন চিহ্নিত পয়েন্ট গুলতে গ্রীডলাইন নাম্বার ও একটি গ্রীড হতে অপর গ্রীডের দুরত্ব রঙ দিয়ে লিখে রাখতে হবে।
১০. উপরোক্ত গ্রীড লাইনের রেফারেন্স এ আর্কিটেকচারাল এবং স্ট্রাকচারাল ড্রয়িং মোতাবেক কলাম ফুটিং এর লে- আউট দিতে হবে। কোন সমস্যার উদ্ভব হলে যথাযথ কতৃপক্ষের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী কাজ করতে হবে।

Engr. Md. Abdullah Faruq Serniabat - Jewel
B.Sc. Engg. (Civil); M.Sc. Engg. (Civil)
Managing Director
Massive Engineers Ltd.
Corporate Office:
10 Dilkusha, Jibon Bima Tower, Motijheel C/A, Dhaka - 1000.
Phone: 09696 821444; Hotline: 01797-121444
E-mail: [email protected]
Website: www.massiveengineers. Com

Address

Dhaka

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Engr. Md. Abdullah Faruq Serniabat - Jewel posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Engr. Md. Abdullah Faruq Serniabat - Jewel:

Share