14/09/2021
কোনো প্রকার অগ্রীম টাকা ছাড়াই বাড়ি করার সুযোগ আমরা আপনাকে দিচ্ছি.....
★ এ্যাডভান্স/অগ্রীম হিসাবে কোনো টাকা দিতে হবে না।
★ শতভাগ সুদ মুক্ত মাসিক কিস্তি
★ ১০ বছরের কিস্তির সুবিধা
★ সর্বনিম্ন এক বছরে বাড়ি হস্তান্তর
★ ইঞ্জিনিয়ারের মাধ্যমে ডিজাইন এবং সুপারভিশন।
★ আপনার পছন্দের ব্রান্ড বা কোম্পানির ম্যাটেরিয়ালস ব্যবহার করা হবে।
★ আপনার পছন্দ অনুযায়ী বাড়ির রুম, বাথরুম, কিচেনে, ড্রইরুম, ডাইনিং রুম ও বারান্দা ইত্যাদির সাইজ এবং সংখ্যা দিয়ে ডিজাইন করা হবে। অর্থাৎ বাড়ি শতভাগ আপনার ইচ্ছা অনুযায়ী হবে।
★★★ সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কথা হচ্ছে, আপনি এক টাকাও অগ্রীম হিসাবে দিচ্ছেন না। কিন্তু আমরা আপনার বাড়ি নির্মাণ কাজ শুরু করছি। আর নির্মাণ কাজ শুরু করার পরেও আপনি শুধু মাসিক কিস্তির টাকা-টিই দিচ্ছেন।
★ সারা বাংলাদেশে আমরা এই সেবা দিচ্ছি। সকল জেলা, সকল উপজেলা এবং ইউনিয়ন ও গ্রামেও এই সেবা দিচ্ছি।
আমরা "এ এম কনস্ট্রাকশন" আপনাকে দিচ্ছি কোন রকম সুদ ছাড়াই, কিস্তিতে বাড়ি নির্মাণের বিশেষ সুবিধা।
আমাদের সেবা সমূহঃ
১/ আগে কাজ, পরে টাকা প্রদানের সুবিধা।
২/ শতভাগ সুদ মুক্ত লেনদেন।
৩/ সর্বমোট (দশ বছর) ১২০ কিস্তির সুবিধা।
৪/ আপনি প্রবাসী বাংলাদেশি হলেও নিশ্চিন্ত মনে বাড়ি নির্মাণের সুবিধা।
৫/ একতলা ও দুইতলা বাড়ি এবং বহুতল ভবন চুক্তি অনুযায়ী হস্তান্তর।
৭/ সম্পূর্ণ ডিজিটাল লেনদেনের সুবিধা।
৮/ সার্বক্ষনিক দক্ষ ও অভিজ্ঞ ইন্জিনিয়ার দ্বারা কাজ পরিদর্শন।
৯/ সিকিউরিটি গার্ড দ্বারা সাইট তত্ত্বাবধান।
১০/ নামকরা ব্রান্ডের তৈরী বিল্ডিং ম্যাটেরিয়ালস্ ব্যবহার।
১১/ সুদক্ষ ও অভিজ্ঞ লেবার ও মিস্ত্রি দ্বারা কাজ পরিচালনা করা।
১২/ আরো পাচ্ছেন, অভিজ্ঞ প্রকৌশলী দ্বারা ভবনের ড্রইং ও ডিজাইন করানোর সুবিধা।
১৩/ নতুন বা পুরাতন অথবা কিছু কাজ হয়েছে এমন ভবনের কাজও কিস্তিতে করার সুবিধা।
আপনি বাড়ি নির্মাণ করবেন, কিন্তু
নির্মাণ কাজ শুরু করার আগে বা পরে যে ঝামেলাগুলো হয়ঃ
১/ আপনার নির্মাণ কাজ পর্যবেক্ষনের লোকজন নাই।
২/ আপনি হয়তো প্রবাসী বাংলাদেশী, তাই কাজের তদারকি ঠিকভাবে করতে পারছেন না।
৩/ আপনার বাড়ি নির্মাণ করার পর্যাপ্ত টাকা পয়সা নাই।
৪/ লেবার বা কন্ট্রাক্টরের সাথে চুক্তি করেছেন, কিন্তু ঠিকভাবে কাজ করছে না।
৫/ নির্মাণ কাজে শ্রমীক ঠিকমত আসে না। একদিন আসে আরেক দিন নাই।
৬/ ঠিকাদার যতটুকু কাজ করেছে, সেই কাজের পরিমাণের চেয়ে বেশি টাকা নেওয়া।
৭/ পুরো টাকা নিয়ে নেয়া বা অতিরিক্ত টাকা দাবি করা।
৮/ কাজ বাকি রেখে, কাজ বন্ধ করে দেয়া। কাজ ফেলে চলে যাওয়ার হুমকি দেয়া।
৯/ মালামাল কেনাকাটার ঝামেলা।
১০/ কাজ ফেলে রেখে ঠিকাদার চলে যাওয়া।
১১/ ড্রইং এবং ডিজাইন অনুযায়ী কাজ হচ্ছে না।
১২/ সুপারভিশনের জন্য ইন্জিনিয়ার পাচ্ছেন না।
এই সব ঝামেলা এড়িয়ে, নির্ভেজাল ভাবে, নিশ্চিন্ত মনে বাড়ি নির্মাণের নিশ্চয়তা দিয়ে "এ এম কনস্ট্রাকশন" আছে আপনার পাশে।
কিস্তিতে বাড়ি নির্মাণের জন্য প্রয়োজনীয় কাগজ পত্রঃ
১/ গ্রাহকের পাসেপার্ট সাইেজর ৮ কপি ছবি।
২/ গ্রাহকের জাতীয় পরিচয় পত্রের ফটোকপি
৩/ নিজ এলাকার চেয়ারম্যান সার্টিফিকেট এবং চেয়ারম্যান ও মেম্বারের মোবাইল নাম্বার।
৪/ গ্রাহক ব্যবসায়ী হলে ট্রেড লাইসেন্স এর ফটোকপি।
৫/ জমির কাগজপত্রঃ ক ) মূল দলীল (শুধু যাচাইয়ের জন্য) ও ফটোকপি খ) বায়া দলীল (কমপক্ষে ২৫ বছেরর) গ) CS,SA,RS, পর্চা/বর্তমান
মহানগর মাঠ জরীপ ঘ) DCR ঙ) হালনাগাদ খাজনার রশীদ ।
৬/ গ্রাহকের ব্যাংক চেক ৭ টি এবং একাউন্টের দুই বছরের (কমপক্ষে ৬ মাসের) স্টেটমেন্ট ।
৭/ TIN সার্টিফিকেট।
৮/ গ্রাহকের স্বামী /স্ত্রীর NID, TIN, পাসপোর্ট সাইজ ছবি ৪ কপি।
৯/ দুই জন জামিনদারের NID, TIN, পাসপোর্ট সাইজ ছবি ৪ কপি এবং চেক বইয়ের খালি পাতা ২ টি করে।
১০/ গ্রাহকের পিতা এবং মাতার জাতীয় পরিচয় পত্রের ফটোকপি। পিতা/মাতা মৃত হলে সেই ক্ষেত্রে ছেলে /মেয়ের জাতীয় পরিচয় পত্রের ফটোকপি।
★ আমরা জামানত হিসাবে শুধুমাত্র ব্যাংকের চেক টাই নিচ্ছি, মনে রাখতে হবে, ব্লাংক চেক নয়, যে এমাউন্ট ফিক্সড হবে সেই এমাউন্ট ঐ চেকে উল্লেখ থাকবে।
★ জামিনদারের চেকেও তাই থাকবে। যদি কারো জামিনদার চেক দিতে না পারে তবে সেক্ষেত্রে জমির মালিক জমি এবং নির্মাণাধীন ভবনের "পাওয়ার অব এ্যাটর্নী" আমাদেরকে দিবেন।
★ গ্রাহকের সাপোর্টিং ডকুমেন্টস এর কারো যদি জাতীয় পরিচয় পত্র না হয়ে থাকে, সেক্ষেত্রে জন্ম নিবন্ধন পত্র হলেও চলবে।
বিস্তারিত জানতে সরাসরি অফিসে যোগাযোগ করুন।
অফিসের ঠিকানাঃ এ এম কনস্ট্রাকশন, ( ঢাকা এয়ারপোর্ট সংলগ্ন ), রুপালী টাওয়ার, ২য় তলা, রোডঃ হজ্জ ক্যাম্প রোড, তালতলা, ঢাকা-১২৩০।
মোবাইলঃ 01745- 688 197