Civil Engineer

Civil Engineer I hope everyone's problems will be solved through this page.

18/12/2025

১০০০ ইটের জন্য কতো ব্যাগ সিমেন্ট ও বালি কতো cft লাগে। অনুপার ১:৪। ওয়াল ৫"

#সাধারণত ৫" ইটের গাঁথুনির কাজে ১০০০ ইটের জন্য ১:৪ অনুপাতে প্রায় ৫ ব্যাগ সিমেন্ট এবং ২৪ সিএফটি (cft) বালির প্রয়োজন হয়।

#হিসাবের বিবরণ:
বাংলাদেশে প্রচলিত ইটের আদর্শ মাপ ধরা হয় ৯.৫" × ৪.৫" × ২.৭৫" (মশলা ছাড়া) এবং ১০" × ৫" × ৩" (মশলা সহ)।

১. মোট কাজের আয়তন
১টি ইটের আয়তন (মশলা সহ) = ১০" × ৫" × ৩" = ১৫০ কিউবিক ইঞ্চি = ০.০৮৬৮ cft (প্রায়)
১০০০ ইটের মোট আয়তন = ১০০০ × ০.০৮৬৮ = ৮৬.৮ cft

২. শুধু ইটের আয়তন।
১টি ইটের আয়তন (মশলা ছাড়া) = ৯.৫" × ৪.৫" × ২.৭৫" = ১১৭.৫৬ কিউবিক ইঞ্চি = ০.০৬৮ cft (প্রায়)
১০০০ ইটের নিরেট আয়তন = ১০০০ × ০.০৬৮ = ৬৮ cft

৩. ভেজা মশলার পরিমান
মোট আয়তন - শুধু ইটের আয়তন = ৮৬.৮ - ৬৮ = ১৮.৮ cft

৪. শুকনো মশলার পরিমাণ
মশলা যখন শুকনা অবস্থায় বালি ও সিমেন্ট মিক্স করা হয়, তখন এর আয়তন ভেজা অবস্থার চেয়ে প্রায় ১.৫ গুণ বেশি ধরা হয়।
শুকনো মশলা = ১৮.৮ × ১.৫ = ২৮.২ cft

৫. সিমেন্ট ও বালির পরিমাণ বের করা (অনুপাত ১:৪):
অনুপাতের যোগফল = ১ + ৪ = ৫[1][3]
সিমেন্ট: (১ / ৫) × ২৮.২ = ৫.৬৪ cft

আমরা জানি, ১ ব্যাগ সিমেন্ট = ১.২৫ cft
অতএব, সিমেন্ট লাগবে = ৫.৬৪ ÷ ১.২৫ = ৪.৫১ ব্যাগ।

(কাজের সময় অপচয় বা কম-বেশি হতে পারে, তাই পূর্ণসংখ্যা হিসেবে ৫ ব্যাগ ধরা নিরাপদ)

বালি: (৪ / ৫) × ২৮.২ = ২২.৫৬ cft
(কাজের সুবিধার্থে এটি ২৩-২৪ cft ধরা হয়)

#সিমেন্ট: ৪.৫ থেকে ৫ ব্যাগ।
#বালি: ২৩ থেকে ২৪ cft (ঘনফুট)।

15/12/2025

#কিউরিং কলাম ও ছাদ। সর্বোচ্চ শক্তি ও স্থায়িত্বের জন্য ২১ থেকে ২৮ দিন পর্যন্ত কিউরিং (curing) করা উত্তম।
#কিউরিং ইটের গাঁথুনি বা প্লাস্টারের পর ন্যূনতম ৭ দিন থেকে ১৪ দিন পর্যন্ত কিউরিং (curing) করা জরুরি।

23/11/2025
14/11/2025

#দেয়াল গাথুঁনীতে ইটের হিসাব-

■পাঁচ (৫) ইঞ্চি ওয়াল গাথুনীতে প্রতি এক (০১) স্কয়ার ফিট এ ইট লাগে পাঁচ (৫) টি ।
■দশ (১০) ইঞ্চি ওয়াল গাথুনীতে প্রতি এক (০১) স্কয়ার ফিট এ ইট লাগে দশ (১০) টি ।

ইটের খোয়ার হিসাবঃ
■১ টি ইটে খোয়া হয় ০.১১ সিএফটি / ঘনমিটার।
■১০০ টি ইটে খোয়া হয় ১১ সিএফটি / ঘনমিটার।
■১০০০ টি ইটে খোয়া হয় ১১১.১১ সিএফটি / ঘনমিটার।
■এক সিএফটি/ঘনমিটার ছোট সাইজের খোয়ার জন্য ইটের প্রয়োজন ৩২০ টি।
■এক সিএফটি/ঘনমিটার বড় সাইজের খোয়ার জন্য ইটের প্রয়োজন ৩০০ টি।
■ ভালো ইটের পানি বিশোষণ এর শুষ্ক অবস্থায় ওজনের ১/৫ থেকে ১/৭ অংশ (১৫%থেকে ২০%) এর অধিক হবে না।
■ ভালো ইটে দ্রাব্য লবণের পরিমান ২.৫% এর অধিক হবে না।
■ ভালো ইট অগ্নিরোধী হবে।
■ ভালো ইট পানিতে ভেজালে আয়তনে পরিবর্তন হয় না।
■ ভালো ইটের আকার সাধারনত (৯.৫ x ৪.৫ x ২.৭৫) ইঞ্চি বা (২৪২ × ১১৪ × ৭০) মিলিমিটার হয়ে থাকে।
■ ইটের ধার ও কোণ গুলো সুক্ষ ও তীক্ষণো হলে বুঝতে হবে এটি ভালো ইট।
■ একটি আদর্শ ইটের ওজন ৩.৭৫ কেজির বেশী হবে না।

ইটের গাঁথুনির কাজে যে সব বিষয় খেয়াল রাখা প্রয়োজনঃ
■প্রথম শ্রেনীর ইট এবং পোর্টল্যান্ড সিমেন্ট ব্যবহার করা উচিত।
■এফএম ১.৫ গ্রেডের বালি ব্যবহার করা উচিত।
■মিশ্রনে মসলার অনুপাত ১০ ইঞ্চির ক্ষেত্রে ১:৬ এবং ৫ ইঞ্চির ক্ষেত্রে ১:৪ হবে
1. এক ঘনমিটার ইটের গাঁথুনীর কাজে প্রচলিত ইটের প্রয়োজন= ৪১০ টি।
2. এক ঘনফুট ইটের গাঁথুনীর কাজে প্রচলিত ইটের প্রয়োজন=১১.৭৬=১২ টি
3. এক ঘনমিটার ইটের গাঁথুনীর কাজে মেট্রিক ইটের প্রয়োজন= ৫০০ টি।
4. এক ঘনফুট ইটের গাঁথুনীর কাজে মেট্রিক ইটের প্রয়োজন= ১৪.২৮ টি।
5. এক বর্গমিটার জায়গায় একস্তর ইটের ফ্লাট সোলিং এর জন্য ইটের প্রয়োজন=৩১ টি।
6. এক বর্গমিটার সোলিং এ চিকন বালির প্রয়োজন=০.০১৫ ঘনমিটার।
7. এক বর্গমিটার জায়গায় একস্তর ইটের হেরিং বোন বন্ডের জন্য ইটের প্রয়োজন=৫২ টি।
8. এক বর্গমিটার হেরিং বোন বন্ডের জন্য চিকন বালির প্রয়োজন=০.০৩ ঘনমিটার।
9. ইটের গাঁথুনীর কাজে শুকনা মসল্লা এর পরিমাণ=৩৫%
10. এক ঘনমিটার সিমেন্ট=৩০ ব্যাগ।
11. এক বর্গমিটার নীট সিমেন্ট ফিনিশিং এর জন্য(NCF) সিমেন্টের প্রয়োজন=২.৭-৩ কেজি।
12. ডিপিসি এ পাডলোর পরিমাণ সিমেন্টের ওজনের ৫% অর্থাৎ প্রতি ব্যাগ সিমেন্টের জন্য ২.৫ কেজি।
13. এক ঘনমিটার এম,এস রডের ওজন =৭৮৫০ কেজি বা ৭৮.৫০ কুইন্টাল।
14. এক ব্যাগ সিমেন্টের ওজন=৫০ কেজি এবং আয়তন=০.০৩৪৭ ঘনমিটার।
15. এক ব্যাগ হোয়াইট সিমেন্টের ওজন=৪০ কেজি।
16. আবাসিক দালানের জন্য বাসযোগ্য ক্ষেত্রফল প্লিন্থ ক্ষেত্রফলের ৫০%-৫৬% হওয়া উচিত।
17. ১ রানিং মিটার দৈর্ঘে এন্ড এজিং এ ইটের পরিমাণ=১/.১২৭=৮ টি।

14/11/2025

সিভিল ডিপার্টমেন্ট গুরুত্বপূর্ণ ৫০ টি প্রশ্নের উত্তরঃ-
১। প্রশ্নঃ- রাস্তার কাজে কোর্স এগ্রিগেট বিছানোর পর কতটন রোলার দিয়ে রোলিং করতে হয়?
উত্তরঃ- ১০ টন

২। প্রশ্নঃ- সিমেন্ট কনক্রিটের রাস্তাকে কি পেভমেন্ট বলা হয়?
উত্তরঃ- Rigid Pavement

৩। প্রশ্নঃ- সড়কে সুপার এলিভেশন কোথায় দিতে হয়?
উত্তরঃ- Horizontal Curve এ

৪))। প্রশ্নঃ- সিলকোট স্থাপনের কত দিন পর ট্যাককোট স্থাপন করা ভালো?
উত্তরঃ- ৭ দিন

৫। প্রশ্নঃ- কনক্রিটের সড়ক তৈরী করার পর কত দিন কিউরিং করতে হয়?
উত্তরঃ- ২৮ দিন

৬। প্রশ্নঃ- জাদুঘর, মসজিদ, হাসপাতাল ইত্যাদি কোন ধরনের ট্রাফিক সাইন?
উত্তরঃ- Informatory Sign

৭। প্রশ্নঃ- রাস্তার সরল অংশ এবং বৃত্তাকার বাকের মধ্যে পরিবর্তনশীল যে বাক ব্যাবহৃত হয় তার নাম কি?
উত্তরঃ- ভ্রান্তি বাক

৮। প্রশ্নঃ- জাতীয় হাইওয়ের দুইপাশে শোল্ডারের প্রস্থ কত মিটারের কম হবে না?
উত্তরঃ- ২ মিটার

৯। প্রশ্নঃ- বাংলাদেশে ব্যাবহৃত ব্রডগেজ রেলের দৈর্ঘ্য কত?
উত্তরঃ- ১২.৮০ মিটার

১০। প্রশ্নঃ- Fouling Mark কি ?
উত্তরঃ- বিপদ চিহ্ন

১১। প্রশ্নঃ- মোমেন্ট অব ফোর্স এর সুত্র কি?
উত্তরঃ- বল X লম্ব দুরত্ব

১২। প্রশ্নঃ- কোন বস্তুর উপর ৬ কেজি ও ৮ কেজি বল সমকোণে কাজ করলে তাদের লব্ধি কত হবে ?
উত্তরঃ- ১০ কেজি

১৩। প্রশ্নঃ- ত্রিভুজের ভুমি b এবং উচ্চতা h হলে ভুমি রেখা থেকে CG এর দুরত্ব কত হবে?
উত্তরঃ- h/3

১৪। প্রশ্নঃ- যে বীমের এক প্রান্ত সাপোর্টের বাইরে বাড়ানো অবস্থায় লোড বহন করে তাকে কি বলে?
উত্তরঃ- ঝুলন্ত বীম

১৫। প্রশ্নঃ- বেন্ডিং মোমেন্ট যে বিন্দুতে চিহ্ন পরিবর্তন করে তাকে বলা হয় -
উত্তরঃ- ইনফ্লেকশন বিন্দু

১৬। প্রশ্নঃ- ১ হর্স পাওয়ার সমান কত?
উত্তরঃ- 75 kg-m/সেচ

১৭। প্রশ্নঃ- ACI কোড অনুযায়ী বীমের মিনিমাম বেন্ডিং রিইনফোর্সমেন্ট কত?
উত্তরঃ- 200/fy

১৮। প্রশ্নঃ- কনক্রিটের Failur load ও Working load এর অনুপাত কত ধরা হয়?
উত্তরঃ- ২.২৫

১৯। প্রশ্নঃ- ডায়াগোনাল টেনশন সাপোর্টের দিকে আনুভুমিকের সাথে কত ডিগ্রি কোণে অবস্থান করে?
উত্তরঃ- ৪৫

২০। প্রশ্নঃ- একমুখো ক্যান্টিলিভার স্ল্যাব এর ACI কোড অনুসারে ন্যূনতম পুরুত্ব কত?
উত্তরঃ- L/12

11/11/2025

ছাদ ঢালাইয়ের হিসাব নিকাশ
টাইম লইনে রাখুন কাজে আসতে পারে....
১৫০০ বর্গ ফিট একটি ছাদ ঢালাই এর ইট, বালু, সিমেন্ট এবং রড এর পরিমান বের করার হিসাব

মনেকরি ছাদের দৈর্ঘ্য = ৫০ ফিট
এবং ছাদের প্রস্থ = ৩০ ফিট
ছাদের পুরুত্ব= ৫ ইঞ্চি

তাহলে ছাদের ক্ষেত্রফল = দৈর্ঘ্য X প্রস্থ = ৫০ X ৩০ = ১৫০০ বর্গ ফিট
এবং ছাদের আয়তন = দৈর্ঘ্য X প্রস্থ X পুরুত্ব = ৫০ X ৩০ X ০.৪১৬৬ (৫/১২ ইঞ্চি কে ফিট হিসেবে)
= ৬২৪.৯ বা ৬২৫ ঘনফিট/সিএফটি

আদ্র অবস্থায় আয়তন মোট আয়তনের চেয়ে দেড়গুন বেড়ে যায় তাই
আদ্র আবস্থায় আয়তন = ৬২৫ X ১.৫ = ৯৩৭.৫ বা ৯৩৮ ঘনফিট/সিএফটি

সিমেন্ট বালু ও খোয়ার অনুপাত = সিমেন্ট: বালু: খোয়া = ১: ২: ৪
অনুপাতের যোগফল = ১+২+৪ = ৭

সিমেন্ট এর পরিমান = (আদ্র অবস্থায় আয়তন X সিমেন্ট অনুপাত) ÷ অনুপাতের যোগফল
= (৯৩৮ X ১) ÷ ৭ = ১৩৪ ঘনফিট/সিএফটি
= ১০৮ ব্যাগ (১.২৫ ঘনফিট/সিএফটি = ১ ব্যাগ)

বালু এর পরিমান = (আদ্র অবস্থায় আয়তন X বালুর অনুপাত) ÷ অনুপাতের যোগফল
= (৯৩৮ X ২) ÷ ৭ = ২৬৮ ঘনফিট/সিএফটি

খোয়া এর পরিমান = (আদ্র অবস্থায় আয়তন X খোয়ার অনুপাত) ÷ অনুপাতের যোগফল
= (৯৩৮ X ৪) ÷ ৭ = ৫৩৬ ঘনফিট/সিএফটি
= ৭৮৮২.৩ বা ৭৮৮৩ টি ইট থেকে তৈরি খোয়া (১ টি ইট = ০.০৬৮ ঘনফিট/সিএফটি)

রড এর পরিমান = শুকনো অবস্থায় আয়তন X ২২২ X ১.৫% (রডের একক ওজন ২২২কেজি/ সিএফটি)
= ৬২৫ X ২২২ X (১.৫ ÷ ১০০)
= ২০৮১.২৫ বা ২০৮২ কেজি
= ২.০৮২ টন

আয়তন, রড বসানোর দুরত্ব ও রডের মিলিমিটার অনুসারে রডের হিসাব
ছাদে সাধারনত ১০ মিলিমিটার, ১২ মিলিমিটার, ১৬ মিলিমিটার রড ব্যবহার করা হয়
এবং ছাদে রড থেকে রডের দুরত্ব ৫ ইঞ্চি থেকে ৭ ইঞ্চি হয়ে থাকে

মনেকরি ছাদের দৈর্ঘ্য = ৫০ ফিট
এবং ছাদের প্রস্থ = ৩০ ফিট

আমরা যদি ৫ ইঞ্চি পর পর রড বসাই তাহলে

৫০ ফিট এ মোট রডের পরিমান
= ৫০ফিট/ ৫ ইঞ্চি +১
= ৬০০ ইঞ্চি / ৫ ইঞ্চি +১
= ১২০+১
= ১২১ পিস (প্রতি পিস ৩০ ফিট দৈর্ঘের)
= ৩৬৩০ ফিট

৩০ ফিট এ মোট রডের পরিমান
= ৩০ফিট/ ৫ ইঞ্চি +১
= ৩৬০ ইঞ্চি / ৫ ইঞ্চি +১
= ৭২+১
= ৭৩ পিস (প্রতি পিস ৫০ ফিট দৈর্ঘের)
= ৩৬৫০ ফিট

মোট রডের পরিমান = ৩৬৩০ ফিট+ ৩৬৫০ ফিট
=৭২৮০ ফিট

রডের ওজন = D²/৫৩২.২ কেজি (D হল রডের ডায়া বা মিলিমিটার)
= ১২²/ ৫৩২.২ কেজি (১২ মিলিমিটার রড এর ক্ষেত্রে)
= ০.২৭ কেজি (প্রতি ফিট এ)

মোট ওজন= ৭২৮০ X ০.২৭ কেজি
= ১৯৬৫.৬ বা ১৯৬৬ কেজি
= ১.৯৬৬ টন (আরও ৫-১০% অপচয় এর জন্য বাড়তি রডের দরকার হবে)
= ২০৬৪.৩ বা ২০৬৫ কেজি(৫% বাড়তি ধরে)ছাদ ঢালাইয়ের হিসাব।

১৫০০ বর্গ ফিট একটি ছাদ ঢালাই এর ইট, বালু, সিমেন্ট এবং রড এর পরিমান বের করার হিসাব

মনেকরি ছাদের দৈর্ঘ্য = ৫০ ফিট
এবং ছাদের প্রস্থ = ৩০ ফিট
ছাদের পুরুত্ব= ৫ ইঞ্চি

তাহলে ছাদের ক্ষেত্রফল = দৈর্ঘ্য X প্রস্থ = ৫০ X ৩০ = ১৫০০ বর্গ ফিট
এবং ছাদের আয়তন = দৈর্ঘ্য X প্রস্থ X পুরুত্ব = ৫০ X ৩০ X ০.৪১৬৬ (৫/১২ ইঞ্চি কে ফিট হিসেবে)
= ৬২৪.৯ বা ৬২৫ ঘনফিট/সিএফটি

আদ্র অবস্থায় আয়তন মোট আয়তনের চেয়ে দেড়গুন বেড়ে যায় তাই
আদ্র আবস্থায় আয়তন = ৬২৫ X ১.৫ = ৯৩৭.৫ বা ৯৩৮ ঘনফিট/সিএফটি

সিমেন্ট বালু ও খোয়ার অনুপাত = সিমেন্ট: বালু: খোয়া = ১: ২: ৪
অনুপাতের যোগফল = ১+২+৪ = ৭

সিমেন্ট এর পরিমান = (আদ্র অবস্থায় আয়তন X সিমেন্ট অনুপাত) ÷ অনুপাতের যোগফল
= (৯৩৮ X ১) ÷ ৭ = ১৩৪ ঘনফিট/সিএফটি
= ১০৮ ব্যাগ (১.২৫ ঘনফিট/সিএফটি = ১ ব্যাগ)

বালু এর পরিমান = (আদ্র অবস্থায় আয়তন X বালুর অনুপাত) ÷ অনুপাতের যোগফল
= (৯৩৮ X ২) ÷ ৭ = ২৬৮ ঘনফিট/সিএফটি

খোয়া এর পরিমান = (আদ্র অবস্থায় আয়তন X খোয়ার অনুপাত) ÷ অনুপাতের যোগফল
= (৯৩৮ X ৪) ÷ ৭ = ৫৩৬ ঘনফিট/সিএফটি
= ৭৮৮২.৩ বা ৭৮৮৩ টি ইট থেকে তৈরি খোয়া (১ টি ইট = ০.০৬৮ ঘনফিট/সিএফটি)

রড এর পরিমান = শুকনো অবস্থায় আয়তন X ২২২ X ১.৫% (রডের একক ওজন ২২২কেজি/ সিএফটি)
= ৬২৫ X ২২২ X (১.৫ ÷ ১০০)
= ২০৮১.২৫ বা ২০৮২ কেজি
= ২.০৮২ টন

আয়তন, রড বসানোর দুরত্ব ও রডের মিলিমিটার অনুসারে রডের হিসাব
ছাদে সাধারনত ১০ মিলিমিটার, ১২ মিলিমিটার, ১৬ মিলিমিটার রড ব্যবহার করা হয়
এবং ছাদে রড থেকে রডের দুরত্ব ৫ ইঞ্চি থেকে ৭ ইঞ্চি হয়ে থাকে

মনেকরি ছাদের দৈর্ঘ্য = ৫০ ফিট
এবং ছাদের প্রস্থ = ৩০ ফিট

আমরা যদি ৫ ইঞ্চি পর পর রড বসাই তাহলে

৫০ ফিট এ মোট রডের পরিমান
= ৫০ফিট/ ৫ ইঞ্চি +১
= ৬০০ ইঞ্চি / ৫ ইঞ্চি +১
= ১২০+১
= ১২১ পিস (প্রতি পিস ৩০ ফিট দৈর্ঘের)
= ৩৬৩০ ফিট

৩০ ফিট এ মোট রডের পরিমান
= ৩০ফিট/ ৫ ইঞ্চি +১
= ৩৬০ ইঞ্চি / ৫ ইঞ্চি +১
= ৭২+১
= ৭৩ পিস (প্রতি পিস ৫০ ফিট দৈর্ঘের)
= ৩৬৫০ ফিট

মোট রডের পরিমান = ৩৬৩০ ফিট+ ৩৬৫০ ফিট
=৭২৮০ ফিট

রডের ওজন = D²/৫৩২.২ কেজি (D হল রডের ডায়া বা মিলিমিটার)
= ১২²/ ৫৩২.২ কেজি (১২ মিলিমিটার রড এর ক্ষেত্রে)
= ০.২৭ কেজি (প্রতি ফিট এ)

মোট ওজন= ৭২৮০ X ০.২৭ কেজি
= ১৯৬৫.৬ বা ১৯৬৬ কেজি
= ১.৯৬৬ টন (আরও ৫-১০% অপচয় এর জন্য বাড়তি রডের দরকার হবে)
= ২০৬৪.৩ বা ২০৬৫ কেজি(৫% বাড়তি ধরে)

11/11/2025

#কলাম কাকে বলে?
কোন RCC কাঠামোতে খাড়া ও উলম্ব লোড বহন করার জন্য যে কাঠামোগত উপাদান নির্মান করা হয় তাকে কলাম বলে।

#কলাম কত প্রকার ও কি কি?
# রেডিয়াস অব জাইরেশনের উপর ভিওি করে কলাম সাধারণত ২ প্রকার-

১) লং কলাম
২) শর্ট কলাম
# রিইনফোর্সমেন্টের উপর ভিত্তি কলাম ৪ প্রকার।যথা-

১) টাইড কলাম
২) স্পাইরাল কলাম
৩) কম্পোজিট কলাম
৪) কম্বিনেশন কলাম

23/10/2025

🏗️ ছাদ ঢালাইয়ের হিসাব।
১০০০ বর্গ ফিট একটি ছাদ ঢালাই এর ইট, বালু, সিমেন্ট এবং রড এর পরিমান বের করার হিসাব
মনেকরি ছাদের দৈর্ঘ্য = ৪০ ফিট
এবং ছাদের প্রস্থ = ২৫ ফিট
ছাদের পুরুত্ব= ৫ ইঞ্চি
তাহলে ছাদের ক্ষেত্রফল = দৈর্ঘ্য X প্রস্থ = ৪০ X ২৫ = ১০০০ বর্গ ফিট
এবং ছাদের আয়তন = দৈর্ঘ্য X প্রস্থ X পুরুত্ব = ৪০ X ২৫ X ০.৪১৬৬ (৫/১২ ইঞ্চি কে ফিট হিসেবে)
= ৪১৬.৬ বা ৪১৭ ঘনফিট/সিএফটি
আদ্র অবস্থায় আয়তন মোট আয়তনের চেয়ে দেড়গুন বেড়ে যায় তাই
আদ্র আবস্থায় আয়তন = ৪১৭ X ১.৫ = ৬২৫.৫ বা ৬২৬ ঘনফিট/সিএফটি
সিমেন্ট বালু ও খোয়ার অনুপাত = সিমেন্ট: বালু: খোয়া = ১: ২: ৪
অনুপাতের যোগফল = ১+২+৪ = ৭
সিমেন্ট এর পরিমান = (আদ্র অবস্থায় আয়তন X সিমেন্ট অনুপাত) ÷ অনুপাতের যোগফল
= (৬২৬ X ১) ÷ ৭ = ৮৯.৪ বা ৯০ ঘনফিট/সিএফটি
= ৭২ ব্যাগ (১.২৫ ঘনফিট/সিএফটি = ১ ব্যাগ)
বালু এর পরিমান = (আদ্র অবস্থায় আয়তন X বালুর অনুপাত) ÷ অনুপাতের যোগফল
= (৬২৬ X ২) ÷ ৭ = ১৭৮.৮ বা ১৭৯ ঘনফিট/সিএফটি
খোয়া এর পরিমান = (আদ্র অবস্থায় আয়তন X খোয়ার অনুপাত) ÷ অনুপাতের যোগফল
= (৬২৬ X ৪) ÷ ৭ = ৩৫৭.৭ বা ৩৫৮ ঘনফিট/সিএফটি
= ৫২৭৯.৪ বা ৫২৭৯ টি ইট থেকে তৈরি খোয়া (১ টি ইট = ০.০৬৮ ঘনফিট/সিএফটি)
রড এর পরিমান = শুকনো অবস্থায় আয়তন X ২২২ X ১.৫% (রডের একক ওজন ২২২কেজি/ সিএফটি)
= ৪১৭ X ২২২ X (১.৫ ÷ ১০০)
= ১৩৮৫.৬১ বা ১৩৮৬ কেজি
= ১.৩৮৬ টন
আয়তন, রড বসানোর দুরত্ব ও রডের মিলিমিটার অনুসারে রডের হিসাব
ছাদে সাধারনত ১০ মিলিমিটার, ১২ মিলিমিটার, ১৬ মিলিমিটার রড ব্যবহার করা হয়
এবং ছাদে রড থেকে রডের দুরত্ব ৫ ইঞ্চি থেকে ৭ ইঞ্চি হয়ে থাকে
মনেকরি ছাদের দৈর্ঘ্য = ৪০ ফিট
এবং ছাদের প্রস্থ = ২৫ ফিট
আমরা যদি ৫ ইঞ্চি পর পর রড বসাই তাহলে
৪০ ফিট এ মোট রডের পরিমান
= ৪০ফিট/ ৫ ইঞ্চি +১
= ৪৮০ ইঞ্চি / ৫ ইঞ্চি +১
= ৯৬+১
= ৯৭ পিস (প্রতি পিস ২৫ ফিট দৈর্ঘের)
= ২৪২৫ ফিট
২৫ ফিট এ মোট রডের পরিমান
= ২৫ফিট/ ৫ ইঞ্চি +১
= ৩০০ ইঞ্চি / ৫ ইঞ্চি +১
= ৬০+১
= ৬১ পিস (প্রতি পিস ৪০ ফিট দৈর্ঘের)
= ২৪৪০ ফিট
মোট রডের পরিমান = ২৪২৫ ফিট+ ২৪৪০ ফিট
= ৪৮৬৫ ফিট
রডের ওজন = D²/৫৩২.২ কেজি (D হল রডের ডায়া বা মিলিমিটার)
= ১২²/ ৫৩২.২ কেজি (১২ মিলিমিটার রড এর ক্ষেত্রে)
= ০.২৭ কেজি (প্রতি ফিট এ)
মোট ওজন= ৪৮৬৫ X ০.২৭ কেজি
= ১৩১৩.৫৫ বা ১৩১৪ কেজি
= ১.৩১৪ টন (আরও ৫-১০% অপচয় এর জন্য বাড়তি রডের দরকার হবে)
= ১৩৭৯.৭ বা ১৩৮০ কেজি

কিউরিং করার সময় ও নিয়ম: (একজন ইঞ্জিনিয়ার হিসাবে অবশ্যই জানা উচিত) ১. ফাউন্ডেশন কাজ:কিউরিং শুরু: ২০ ঘণ্টা পর।সময়কাল: ৭ দ...
14/10/2025

কিউরিং করার সময় ও নিয়ম: (একজন ইঞ্জিনিয়ার হিসাবে অবশ্যই জানা উচিত)

১. ফাউন্ডেশন কাজ:
কিউরিং শুরু: ২০ ঘণ্টা পর।
সময়কাল: ৭ দিন।

২. ড্যাম্প প্রুফ কোর্স (DPC):
কিউরিং শুরু: ২০ ঘণ্টা পর।
সময়কাল: ৭ দিন।

৩. লিন্টেল ও সানশেড:
কিউরিং শুরু: ২০ ঘণ্টা পর।
সময়কাল: ৭ দিন।

৪. জলছাদ (Waterproof Roof):
কিউরিং শুরু: ২৪ ঘণ্টা পর।
সময়কাল: ৭ দিন।

৫. ইটের গাঁথুনি:
কিউরিং শুরু: ২০ ঘণ্টা পর।
সময়কাল: ৭ দিন।

৬. ফ্লোর ঢালাই:
কিউরিং শুরু: ২০ ঘণ্টা পর।
সময়কাল: ৭ দিন।

৭. প্লাস্টার:
কিউরিং শুরু: ২০ ঘণ্টা পর।
সময়কাল: ৭ দিন।

৮. মোজাইক ফ্লোর:
কিউরিং শুরু: ১২ ঘণ্টা পর।
সময়কাল: ৭ দিন।

৯. প্যাটেন্ট স্টোন এবং সিমেন্ট কংক্রিট:
কিউরিং শুরু: ১৫ ঘণ্টা পর।
সময়কাল: ৭ দিন।

১০. নীট সিমেন্ট ফিনিশিং এবং স্কার্টিং:
কিউরিং শুরু: ১২ ঘণ্টা পর।
সময়কাল: ১৬ দিন।

১১. ছাদ ঢালাই:
কিউরিং শুরু: ২০ ঘণ্টা পর।
সময়কাল: ২১-২৮ দিন।
বিশেষ দ্রষ্টব্য:

গরম আবহাওয়ায় কিউরিং ১২-১৬ ঘণ্টা পর শুরু করা যেতে পারে।
যথাযথ কিউরিং সিমেন্টের শক্তি ও স্থায়িত্ব বাড়ায়।

14/10/2025

#পাথরের পরিক্ষা :
প্রধান পরীক্ষাগুলো
#দৃঢ়তা পরীক্ষা (Hardness Test): মোহস কঠোরতা স্কেল ব্যবহার করে পাথরের দৃঢ়তা পরীক্ষা করা হয়। এতে পরিচিত কঠোরতার খনিজ পদার্থ ব্যবহার করে পাথর আঁচড়ানো হয়, যা পাথরের প্রতিরোধ ক্ষমতা নির্দেশ করে।
#প্রভাব পরীক্ষা (Impact Test): একটি নলাকার পাথরের নমুনা তৈরি করে, যেমন ২৫ মিমি ব্যাস ও ২৫ মিমি উচ্চতার নমুনা, একটি ইমপ্যাক্ট টেস্ট মেশিন ব্যবহার করে এর উপর প্রভাব পরীক্ষা করা হয়। এর মাধ্যমে পাথরের দৃঢ়তা মূল্যায়ন করা হয়।
#রাসায়নিক পরীক্ষা: পাথরের রাসায়নিক গঠন, যেমন খনিজ উপাদান ও অন্যান্য রাসায়নিক বৈশিষ্ট্য পরীক্ষা করার জন্য বিভিন্ন রাসায়নিক পরীক্ষা করা হয়।
অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা
প্রতিরোধ ক্ষমতা পরীক্ষা: এই পরীক্ষাটি পাথরের উপর বিভিন্ন রাসায়নিক বা পরিবেশগত কারণের প্রভাব পরীক্ষা করে।
জল শোষণ পরীক্ষা: পাথরের জল শোষণ ক্ষমতা পরীক্ষা করে এর স্থায়িত্ব নির্ধারণ করা হয়।
সম্পৃক্ততা পরীক্ষা: পাথরের মধ্যে জল বা অন্যান্য তরলের প্রবেশ করার ক্ষমতা পরীক্ষা করা হয়।
তাপ পরীক্ষা: পাথর উচ্চ তাপমাত্রা সহ্য করতে পারে কিনা তা পরীক্ষা করার জন্য তাপ পরীক্ষা করা হয়।
কাঠামো পরীক্ষা: পাথরের অভ্যন্তরীণ কাঠামো, যেমন শিলা ও অন্যান্য খনিজ পদার্থের বিন্যাস বিশ্লেষণ করা হয়।
এই পরীক্ষাগুলোর মাধ্যমে পাথরের গুণমান এবং নির্মাণের জন্য এর উপযুক্ততা সম্পর্কে জানা যায়।

13/10/2025

Bentonite কি?
অগ্নেয়গিরির ছাই হতে সৃষ্ট এক ধরনের কাদামাটির উপাদান যা গোড়া বা চূর্ণ করে সূক্ষ্ম দানাদার পাউডার হিসেবে পাওয়া যায়। এটি একটি খনিজাত পদার্থ, যা প্রকৃতিতে সাধারণত দুই ধরনের পাওয়া যায়। সোডিয়াম বেনটুনাইট এবং ক্যালসিয়াম বেনটুনাইট।

13/10/2025

✅ মাটি পরীক্ষার রিপোর্ট বোঝার সহজ উপায়

🔍 মাটি পরীক্ষার রিপোর্ট কেন গুরুত্বপূর্ণ?

একটি বিল্ডিং বা স্ট্রাকচার কতটা নিরাপদ ও টেকসই হবে তা নির্ভর করে মাটির ভার বহন ক্ষমতার (Bearing Capacity) উপর। এজন্য Soil Test Report সঠিকভাবে বুঝা অত্যন্ত জরুরি।

মাটি পরীক্ষার রিপোর্টে সাধারণত অনেকগুলো N-Value (SPT – Standard Pe*******on Test Value) দেওয়া থাকে। এই N-Value দিয়েই বোঝা যায় মাটির শক্তি কেমন।

✔️ N-Value দিয়ে মাটির শক্তি নির্ধারণ

N ≤ 2 → খুব নরম (Very Soft) মাটি

ভার বহন ক্ষমতা: ~২ টন/মি²

N = 2 – 5 → নরম (Soft) মাটি

ভার বহন ক্ষমতা: ~২ – ৫ টন/মি²

N = 5 – 9 → মাঝারি (Medium) মাটি

ভার বহন ক্ষমতা: ~৫ – ১০ টন/মি²

N = 9 – 17 → শক্ত (Stiff) মাটি

ভার বহন ক্ষমতা: ~১০ – ২০ টন/মি²

N = 17 – 33 → খুব শক্ত (Very Stiff) মাটি

ভার বহন ক্ষমতা: ~২০ – ৪০ টন/মি²

N ≥ 33 → অত্যন্ত কঠিন (Hard) মাটি

ভার বহন ক্ষমতা: ৪০ টনের বেশি/মি²

🧾 ব্যাখ্যা

N-Value যত বেশি → মাটি তত শক্ত → বহন ক্ষমতা তত বেশি।

ভবন নকশা ও ফাউন্ডেশন ডিজাইনে Bearing Capacity অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

✅ গুরুত্বপূর্ণ বিষয়

✔ N-Value কম → সাধারণত Pile Foundation বা Deep Foundation দরকার হয়।
✔ N-Value বেশি → সাধারণত Shallow Foundation যথেষ্ট।
✔ রিপোর্টে শুধু N-Value নয়, বরং Moisture Content, Grain Size, Liquid Limit ইত্যাদি তথ্যও থাকে।

👉 সহজভাবে বলা যায়, মাটি পরীক্ষার রিপোর্ট পড়তে N-Value জানা সবচেয়ে জরুরি বিষয়, আর এই মান দিয়েই মাটির শক্তি ও ফাউন্ডেশনের ধরন ঠিক করা হয়।

Address

Dhaka

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Civil Engineer posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Civil Engineer:

Share