26/03/2024
প্রাণ প্রিয় আলিভা মেহেজাবিন (১০ম ব্যাচ),
তোমায় যেদিন সর্বপ্রথম দেখেছিলাম সেদিন হৃদপিন্ডের বাইকাসপিড ও ট্রাইকাপসিড বাল্ব হালকা নড়ে গিয়েছিল। তোমার ছোট গোলগাল মুখের মায়াবি চেহারা আমার অন্তরে সূর্যের মতো কিরণ দিচ্ছিলো। তোমার হাসি মুখ আমার সারা শরীরকে পারমাণবিক বোমার বিস্ফোরণের মতো কাঁপিয়ে দেয়।
তোমার প্রতি আমার ভালোবাসার আকর্ষণ কখনো তেজস্ক্রিয় পদার্থের মতো ক্ষয় হতে দিবো না।
তোমার অপেক্ষায় সবসময়,
তোমার এক অনুপম;
গভীর রাতে অগভীর সিনেমার শব্দসমূহ তালগোল পাকাচ্ছে। শব্দগুলো একটি গান থেকে নিয়ে টুকে নিলাম। শুনছিলাম। রাত্রির ঠিক এই সময়টাতে সবকিছুই কেমন যেন অদ্ভুত রকম রিলেটেবল লাগে, তাই না? কিছু একটা যেন নেই, কোথায় যেন সবকিছু এসে আটকে যাচ্ছে। তোমাতে?
কিরকম যেন কমপ্লেক্স হয়ে যাচ্ছে। নাকি সবই সময়ের কারসাজি। সময়? তুমি এসে পাশে বসলে কি সময় সত্যিই থমকে যাবে? এইরকম কোনো কিছুই কি টাইম ডায়ালেশন? ছুটে গেলে কি তোমায় ছুতে পারব? সম্ভবত না। আমরা হয়তো মোবিয়াস স্ট্রিপের উপর অবস্থান করছি।
ছোটবেলায়, না শুধু ছোটবেলায় না, এই বড়বেলাতে এসেও নাটক সিনেমায় ট্র্যাজিক এন্ডিং দেখতে ভাল্লাগে। কিন্তু না পাওয়ার এই গল্পগুলো তো গল্প-গানেই সুন্দর। কেউ তো ট্র্যাজিক হিরো সাজতে চায় নি। তার চেয়ে বরং আরেককটা দুঃখের গান শুনি। শুনি আর ভাবি। তোমার কথা।
কল্পনায় খুঁজে পেয়ে গল্পকথায় তোমাকে ভাবা। এইটা তো সম্পূর্ণ আমার রাজ্য। বাঁধা নেই ভয় নেই। শার্লকর হোমসের মতো মাইন্ড প্যালেস হয়তো নেই, কিন্তু ছোট্ট একটা কুড়েঘর আছে। সেখানে থাকে থাকে স্বপ্ন সাজানো। আর জমানো আছে কিছু কথা। কৌটায় আঁটকে থাকতে চায় না, কি মুশকিল?!