KBKh Science

KBKh Science Highlighting recent discoveries, deep insights, and a wide range of scientific topics!
(4)

বিশ্বজুড়ে জনপ্রিয় ফ্যান্টাসি সিরিজ 'গেম অব থ্রোনস' এর টিরিয়ন ল্যানিস্টার হিসেবে পরিচিত পিটার ডিঙ্কলেজ আজ অভিনয়ের জগতে এক...
18/06/2026

বিশ্বজুড়ে জনপ্রিয় ফ্যান্টাসি সিরিজ 'গেম অব থ্রোনস' এর টিরিয়ন ল্যানিস্টার হিসেবে পরিচিত পিটার ডিঙ্কলেজ আজ অভিনয়ের জগতে এক উজ্জ্বল নক্ষত্র। তবে তাঁর আজকের এই ৩০৬ কোটি টাকার সাম্রাজ্যের পেছনে রয়েছে এক দীর্ঘ ও কষ্টের সংগ্রামের ইতিহাস।

পিটার ডিঙ্কলেজ 'অ্যাকনড্রোপ্লাসিয়া' নামক এক ধরনের জেনেটিক কন্ডিশনের শিকার, যা হাড়ের স্বাভাবিক বৃদ্ধিতে বাধা দেয় এবং এর ফলে তাঁর শারীরিক উচ্চতা কম। এই শারীরিক সীমাবদ্ধতার কারণে শৈশব থেকেই তাঁকে সামাজিক বিদ্রূপের শিকার হতে হয়েছে।

অভিনয়ের স্বপ্ন নিয়ে নিউইয়র্কে পাড়ি জমানোর পর চরম দারিদ্র্যের দিনগুলোতে কখনো কখনো কেবল এক প্যাকেট চিপস খেয়েই রাত কাটাতে হয়েছে তাঁকে। হলিউডে ছোট ও হাস্যরসাত্মক চরিত্রের প্রস্তাব পেলেও নিজের ব্যক্তিত্ব ও নীতির সঙ্গে আপস করেননি।

বছরের পর বছর সেই ধৈর্য ও অটল জেদই শেষ পর্যন্ত তাঁকে এনে দিয়েছে বিশ্বজোড়া খ্যাতি এবং সম্মান।

বিশ্ববিদ্যালয়ের মান নির্ধারণের একমাত্র মাপকাঠি না হলেও, QS World University Rankings বৈশ্বিক পরিসরে উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠ...
18/06/2026

বিশ্ববিদ্যালয়ের মান নির্ধারণের একমাত্র মাপকাঠি না হলেও, QS World University Rankings বৈশ্বিক পরিসরে উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর গবেষণা, একাডেমিক সুনাম, নিয়োগদাতাদের মূল্যায়ন এবং আন্তর্জাতিক উপস্থিতি সম্পর্কে একটি গুরুত্বপূর্ণ ধারণা দেয়।

আজ প্রকাশিত QS World University Rankings 2027 এ এবার বাংলাদেশের ১৩টি বিশ্ববিদ্যালয় জায়গা পেয়েছে। দেশের মধ্যে শীর্ষ অবস্থান ধরে রেখেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, যা এবারও বিশ্বের সেরা ৬০০ এর মধ্যে রয়েছে। দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থানে রয়েছে যথাক্রমে বুয়েট এবং বেসরকারি নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটি।

দক্ষিণ এশিয়ার চিত্রটা অবশ্য আরও প্রতিযোগিতামূলক। ভারতের শীর্ষ তিনটি বিশ্ববিদ্যালয় বিশ্বের প্রথম ২০০ এর মধ্যে জায়গা করে নিয়েছে, আর পাকিস্তানের দুটি বিশ্ববিদ্যালয় রয়েছে টপ ৪০০ তে।

সারাদিনের ব্যস্ততা শেষে আপনি যখন গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন থাকেন, মস্তিষ্ক তখন নিজের ভেতরে জমে থাকা সারাদিনের দূষিত বর্জ্য পরিষ্...
17/06/2026

সারাদিনের ব্যস্ততা শেষে আপনি যখন গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন থাকেন, মস্তিষ্ক তখন নিজের ভেতরে জমে থাকা সারাদিনের দূষিত বর্জ্য পরিষ্কার করতে নেমে পড়ে।

সম্প্রতি 'সেল' জার্নালে প্রকাশিত এক গবেষণায় দেখা গেছে, ইঁদুরের গভীর ঘুমের সময় নরএপিনেফ্রিন নামের একটি রাসায়নিক প্রতি ৫০ সেকেন্ড পরপর রক্তনালীগুলোকে সংকুচিত করে।

মাথার খুলি বদ্ধ জায়গা হওয়ায় এই সংকোচন-প্রসারণ একটি শক্তিশালী পাম্পের মতো কাজ করে। সেই ধাক্কাতেই মস্তিষ্কের নিজস্ব তরল গভীরে ঢুকে সব বিপাকীয় বর্জ্য ও ক্ষতিকর প্রোটিন বাইরে বের করে দেয়।

আলঝেইমার্সের মতো স্নায়বিক রোগ দূরে রাখতে এই প্রাকৃতিক পরিষ্কার প্রক্রিয়াটি সচল থাকা ভীষণ জরুরি।

তবে চিন্তার বিষয় হলো, অতি পরিচিত কিছু ঘুমের ওষুধ উল্টো এই পরিষ্কার প্রক্রিয়াতেই বাধা দেয়।

পরমাণুর গঠন পড়তে গিয়ে 'বোর মডেল' পড়েননি, এমন কাউকে খুঁজে পাওয়া কঠিন। কিন্তু বইয়ের পাতার সেই গুরুগম্ভীর নোবেলজয়ী বি...
17/06/2026

পরমাণুর গঠন পড়তে গিয়ে 'বোর মডেল' পড়েননি, এমন কাউকে খুঁজে পাওয়া কঠিন। কিন্তু বইয়ের পাতার সেই গুরুগম্ভীর নোবেলজয়ী বিজ্ঞানী নিলস বোর যে একসময় পেশাদার ফুটবল মাঠ দাপিয়ে বেড়ানো গোলরক্ষক ছিলেন, সেটা ক'জনই বা জানেন?

১৯০৫ সালের দিকে তিনি ডেনমার্কের বিখ্যাত 'এবি' ক্লাবের গোলরক্ষক হিসেবে খেলতেন। একবার এক ম্যাচে বল মাঠের অন্য প্রান্তে থাকায় বোর গোলপোস্টের কাঠের গায়েই দাগ কেটে সমীকরণ মেলাতে বসে গেলেন। হঠাৎ বিপক্ষ দলের আক্রমণ ধেয়ে এলেও অঙ্কে মগ্ন বোরের কোনো হুঁশ নেই। শেষমুহূর্তে দর্শকের চিৎকারে ঘোর কাটে এবং তড়িঘড়ি করে তিনি গোলটি বাঁচান।

তাঁর ছোট ভাই হ্যারাল্ড বোরও কিন্তু কম ছিলেন না। ১৯০৮ সালের অলিম্পিকে ডেনমার্কের হয়ে ফুটবলে রৌপ্য পদক জেতেন তিনি। সেমিফাইনালে ফ্রান্সকে ১৭-১ গোলের বিশাল ব্যবধানে উড়িয়ে দেওয়ার ঐতিহাসিক ম্যাচটিও ছিল তাঁর উপস্থিতিতেই।

বিজ্ঞানী হিসেবে বিশ্বজুড়ে নাম ছড়িয়ে পড়ার অনেক আগেই ডেনমার্কের ক্রীড়া জগতে এই 'বোর ব্রাদার্স' ছিলেন বেশ পরিচিত মুখ।

বেচারা এআই! 🙂
16/06/2026

বেচারা এআই! 🙂

পুরো পৃথিবী ঘুরে দেখার স্বপ্ন কার না থাকে! এবার সেই স্বপ্নকে একটু হলেও পূরণ করার সুযোগ এনে দিয়েছে গুগল। তাদের নতুন ফ্লা...
16/06/2026

পুরো পৃথিবী ঘুরে দেখার স্বপ্ন কার না থাকে! এবার সেই স্বপ্নকে একটু হলেও পূরণ করার সুযোগ এনে দিয়েছে গুগল। তাদের নতুন ফ্লাইট সিমুলেটর এখন সরাসরি ব্রাউজারেই চালানো যাচ্ছে, একদম বিনামূল্যে।

আলাদা কোনো অ্যাপ নামানোর ঝামেলা নেই। শুধু ব্রাউজার থেকে পাইলট ভিউতে আকাশে উড়ে বেড়াতে পারবেন। সত্যিকারের থ্রিডি বিল্ডিং আর অসাধারণ সব দৃশ্য মিলিয়ে অভিজ্ঞতাটা হবে অন্যরকম।

সবচেয়ে ভালো ব্যাপার হলো, এটি মোবাইল থেকেও ব্যবহার করা যাবে।

প্রথম দেখায় কি দুটো ছবিকেই পৃথিবীর কোনো মরুভূমি ভেবে ধোঁকা খেয়েছেন? আসলে, উপরের ছবিটি আমাদের চেনা পৃথিবীর মরক্কোর সাহা...
16/06/2026

প্রথম দেখায় কি দুটো ছবিকেই পৃথিবীর কোনো মরুভূমি ভেবে ধোঁকা খেয়েছেন?

আসলে, উপরের ছবিটি আমাদের চেনা পৃথিবীর মরক্কোর সাহারা মরুভূমির বালিয়াড়ি। আর নিচের ছবিটি তোলা হয়েছে পৃথিবী থেকে কোটি কোটি মাইল দূরের লাল গ্রহ মঙ্গলের বুকে!

২০০৬ সালের শুরুতে নাসার স্পিরিট রোভার মঙ্গলের 'গুসেভ ক্রেটার' থেকে এই চমৎকার ঢেউখেলানো বালির স্তরের প্যানোরামা ছবিটি ধারণ করে।

মৃ'ত্যু মানেই কি সবকিছু শেষ? অন্তত আপনার মস্তিষ্কের কিছু জিনের ক্ষেত্রে উত্তর হলো 'না'। ইলিনয় বিশ্ববিদ্যালয় শিকাগোর বি...
16/06/2026

মৃ'ত্যু মানেই কি সবকিছু শেষ? অন্তত আপনার মস্তিষ্কের কিছু জিনের ক্ষেত্রে উত্তর হলো 'না'। ইলিনয় বিশ্ববিদ্যালয় শিকাগোর বিজ্ঞানীদের এক গবেষণায় দেখা গেছে, মানুষের মৃ'ত্যুর পরও মস্তিষ্কের কিছু বিশেষ জিনের কার্যকলাপ বেড়ে যায়। এগুলোকে 'জম্বি জিন' বলা হয়।

আমাদের শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগের পর মস্তিষ্কের সাধারণ স্নায়ুকোষগুলো যখন দ্রুত নিস্তেজ হতে থাকে, ঠিক তখনই এই জম্বি বা গ্লিয়াল জিনগুলো তাদের কাজ শুরু করে দেয়। মৃ'ত্যুর প্রায় ১২ ঘণ্টা পর এদের সক্রিয়তা একদম চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছায়।

এই কোষগুলোর মূল দায়িত্ব হলো মস্তিষ্কে অক্সিজেনের অভাব বা কোনো ক্ষতি হলে সেখানকার ধ্বংসপ্রাপ্ত টিস্যুগুলো পরিষ্কার করা। এক কথায় বলতে গেলে, চিরবিদায়ের পরও এরা নিথর মস্তিষ্কের বিশ্বস্ত পরিচ্ছন্নতাকর্মীর মতো নিজেদের শেষ দায়িত্বটুকু পালন করে যায়।

বর্তমানের অধিকাংশ স্মার্টফোনেই বিল্ট-ইন চার্জিং ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম থাকে। ব্যাটারি ফুল হলে চার্জিং বন্ধ, দরকার হলে সামা...
15/06/2026

বর্তমানের অধিকাংশ স্মার্টফোনেই বিল্ট-ইন চার্জিং ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম থাকে। ব্যাটারি ফুল হলে চার্জিং বন্ধ, দরকার হলে সামান্য টপ-আপ। এই পুরো সাইকেলটা ফোন নিজেই ম্যানেজ করে। অর্থাৎ এই গ্যাজেটটি আসলে এমন একটি সমস্যার সমাধান করছে, যেটার অস্তিত্বই নেই। 🫤

ইন্টারস্টেলার কি শুধুই একটি সিনেমা?ইন্টারস্টেলারের এই মহাকাব্যিক রূপকথার পেছনে ছিল এক অনন্য জুটি। পরিচালক ক্রিস্টোফার নো...
15/06/2026

ইন্টারস্টেলার কি শুধুই একটি সিনেমা?

ইন্টারস্টেলারের এই মহাকাব্যিক রূপকথার পেছনে ছিল এক অনন্য জুটি। পরিচালক ক্রিস্টোফার নোলান এবং নোবেলজয়ী পদার্থবিজ্ঞানী কিপ থর্ন। নোলানের ভিশন ছিল পরিষ্কার। তিনি চেয়েছিলেন সিনেমার ব্ল্যাকহোল ‘গার্গেনতুয়া’ কোনো সস্তা অ্যানিমেশন হবে না, হতে হবে ১০০% গাণিতিকভাবে নির্ভুল।

সেই ভিশন বাস্তবায়নে থর্নের জটিল সমীকরণগুলোকে পর্দায় ফুটিয়ে তুলতে ভিজ্যুয়াল এফেক্টস টিমকে তৈরি করতে হয়েছিল সম্পূর্ণ একটি রেন্ডারিং সফটওয়্যার। কাজের বিশালতা বোঝা যায় একটি পরিসংখ্যানে। সিনেমাটির একেকটি জটিল ফ্রেম রেন্ডার করতে কম্পিউটারের সময় লেগেছিল প্রায় ১০০ ঘণ্টা, আর পুরো প্রজেক্টে মোট ডেটা তৈরি হয়েছিল প্রায় ৮০০ টেরাবাইট!

সিমুলেশনে গার্গেনতুয়াকে দেখানো হয়েছিল ১০০ মিলিয়ন সূর্যের ভরের সমান একটি সুপারম্যাসিভ ব্ল্যাকহোল হিসেবে, যা নিজ অক্ষে আলোর গতির ৯৯.৮ শতাংশ গতিতে ঘুরছিল। ফলে এর ‘অ্যাক্রিশন ডিস্ক’ ও ‘গ্র্যাভিটেশনাল লেন্সিং’ এর দৃশ্য এতটাই নিখুঁত হয় যে, এই ডেটা ব্যবহার করে পরবর্তীতে দুটি সিরিয়াস গবেষণাপত্র প্রকাশিত হয়।

সবচেয়ে বিস্ময়কর হলো, এর ৫ বছর পর যখন ব্ল্যাকহোলের প্রথম বাস্তব ছবি (M87*) প্রকাশ পায়, দেখা যায় তার ছায়ার জ্যামিতিক গঠনের সাথে ইন্টারস্টেলারের সেই দৃশ্যের বৈজ্ঞানিক মিল রয়েছে। অর্থাৎ, নোলান আর থর্নের এই প্রজেক্টটি শুধু একটি মুভি সিন থাকেনি। এটা হয়ে উঠেছিল তৎকালীন সময়ের ব্ল্যাকহোলের সবচেয়ে নিখুঁত একটি ভিজ্যুয়াল সিমুলেশন। Love Science? Follow: KBKh Science

Address

Sirajganj

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when KBKh Science posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to KBKh Science:

Share