Green Home design & Planning

Green Home design & Planning Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Green Home design & Planning, Structural Engineer, Dhanmondi, Dhaka.

একটি বিল্ডিং এর ( A to Z)  শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত কাজের ধাপ সমূহ: খুবই গুরুত্বপূর্ণ,  নবীন সিভিল ইন্জিনিয়াররা টাইমলাইনে ...
21/04/2026

একটি বিল্ডিং এর ( A to Z) শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত কাজের ধাপ সমূহ: খুবই গুরুত্বপূর্ণ, নবীন সিভিল ইন্জিনিয়াররা টাইমলাইনে শেয়ার করে রাখতে পারেন।
১। সীমানা নির্ধারন
২। লে-আউট, রাজউক সেট ব্যাক চেক
৩। পাইলিং
ক) পাইল পয়েন্ট সেন্টার করা
খ) বোরিং করা
গ) খাচা বাধা
ঘ) ব্লক দেওয়া
ঙ) ওয়েল্ডিং করা
চ) খাচা ঢুকানো
ছ) ঢালায়
৪। মাটি কাটা
৫। ড্রেসি, লেভেলিং, কম্পেকশন
৬। সোলিং, সিসি ঢালায়
৭। সাটারিং রড বাধায় সহ পাইল ক্যাপ বা ফুটিং ঢালায়
৮। সাটারিং রড বাধায় সহ সট কলাম, ম্যাট ঢালায়
৯। সাটারিং রড বাধায় সহ অন্ডার গ্রাউন্ড পানির ট্যাংক ঢালায়
১০। মাটি, বালি ভরাট ও কম্পেকশন
১১। লেভেলিং, সোলিং, সাটারিং রড বাধায় সহ গ্রেডবীম ঢালায়, কিউরিং
১২। বালি ভরাট ও কম্পেকশন
১৩। গ্রাউন ফ্লোর কলাম ও লিফ্ট ওয়াল
ক) রড বাইন্ডিং
খ) সাটারিং
গ) সল চেক
ঘ) ঢালায়
১৪। কলামে চট মোড়ানো, কিউরিং
১৫। গ্রাউন ফ্লোর বীম ছাদ বা ফ্লাট ছাদ
ক) সাটারিং
খ) রড বাইন্ডিং
গ) লেভেলিং
ঘ) বীম ও ছাদে রড
ঙ) আউট লাইন চেক
চ) ইলেকট্রিক পাইপ চেক
ছ) ঢালায়
জ) ছাদে পানি বেধে দেওয়া
১৬। ফাস্ট টু সিক্স ফ্লোর কলাম ও লিফ্ট ওয়াল
ক) রড বাইন্ডিং
খ) সাটারিং
গ) সল চেক
ঘ) ঢালায়
১৭। কলামে চট মোড়ানো, কিউরিং
১৮। ফাস্ট টু সিক্স ফ্লোর বীম ছাদ বা ফ্লাট ছাদ
ক) সাটারিং
খ) রড বাইন্ডিং
গ) লেভেলিং
ঘ) বীম ও ছাদে রড
ঙ) আউট লাইন চেক
চ) ইলেকট্রিক পাইপ চেক
ছ) ঢালায়
জ) ছাদে পানি বেধে দেওয়া
১৯। চিলাকুটার কলাম
ক) রড বাইন্ডিং
খ) সাটারিং
গ) সল চেক
ঘ) ঢালায়
২০। লিফ্ট মেশিন রুম অভার হেড পানি ট্যাংক
ক) সাটারিং
খ) রড বাইন্ডিং
গ) লেভেলিং
ঘ) বীম ও ছাদে রড
ঙ) আউট লাইন চেক
ঙ) ঢালায়
চ) ছাদে পানি বেধে দেওয়া
২১। জলছাদ
ক) ছাদ চিপিং
খ) পানি দিয়ে ধোয়া
গ) চুন ফোটানো
ঘ) চুন চালা
ঙ) খোয়া, সুরকি, চুন দিয়ে
শুকনা অবস্থায় কাটা
চ) রসুন, তেতুল, চিটাগুড়
মেশানো পানি দিয়ে
ভেজানো
ছ) কম পক্ষে সাতটা কাটা
দেওয়া
জ) ভাল ভাবে পচানো
ঝ) রেইন ওয়াটার পাইপের
দিকে ঢাল দিয়ে বিছানো
ঞ) ভাল ভাবে পিটানো
ট) হালোট দেওয়া
ঠ) সিমেন্ট ও চুন দিয়ে
তালের ব্রাস দিয়ে
ফিনিশিং দেওয়া
ড) খড়, কচুরী পানা চট দিয়ে
পানি দিয়ে ছাদ ঠান্ডা
রাখা
ঢ) প্যরাপেট গাথুনী ও প্লাষ্টার
২২। গাথুনী করা
ক) গাথুনীর লে- আউট দেওয়া
খ) ক্লাইন্ট লেন্ডওনার দিয়ে চেক
গ) ইট ভেজানো
ঘ) সঠিক অনুপাতে মসলা
মিশানো
ঙ) কিউরিং করা
২৩। লিন্টেল
ক) সাটারিং
খ) রড বাইন্ডিং
গ) লেভেলিং
ঘ) ঢালায়
ঙ) কিউরিং
২৪। ফলস স্ল্যাব
ক) সাটারিং
খ) রড বাইন্ডিং
গ) লেভেলিং
ঘ) ঢালায়
ঙ) কিউরিং
২৫। লিন্টেল, ফলস স্ল্যাবের উপর গাথুনী
২৬। চৌকাঠ, গ্রীল, রেলিং ফিটিং
ক) সল চেক
২৭। ইলেকট্রিক ওয়াল পাইল ও ইস্টীল বক্স ফিটিং
ক) গুরুপ কাটা
খ) পাইপ জ্যাম
গ) ইস্টীল বক্স ফিটিং
২৮। প্লাষ্টার
ক) গাথুনী পরিষ্কার ও ভেজানো
খ) বালি চালা ও ধৌয়া
গ) সঠিক অনুপাতে মসলা
মিশানো
ঘ) সিলিং, বীম, কলাম চিপিং
ঙ) প্লাষ্টার
চ) কিউরিং
২৯। টাইলস চয়েজ ক্লাইন্ট, ল্যান্ডওনার
৩০। ওয়াল টাইলস
ক) স্যানিটারী ইন্টারনাল ওয়ারিং
খ) পেসার চেক
গ) ভাটিক্যাল পাইপ
ঘ) টাইলস ফিটিং
ঙ) কিউরিং
চ) পয়েন্টিং
৩১। ফ্লোর টাইলস
ক) চিপিং
খ) পানি দিয়ে ধোয়া
গ) ডিস টেলিফোন ক্যাবল দেওয়া
ঘ) বাথ রুমের ফ্লোরে স্লোপ দেওয়া
ঙ) কিউরিং
চ) পয়েন্টিং
৩২। বেসিন সিংক ফিটিং
৩৩। মার্বেল গ্রানাট ফিটিং
৩৪। রং
ক) পাথর ও ৩২০ পেপার দিয়ে ঘোষা
খ) পরিষ্কার
গ) সিলার
ঘ) পুটি
ঙ) ঘোষা
চ) ফাস্ট কোট
ছ) সেকেন্ড কোট
জ) ফাইনাল কোট
৩৫। পলিশিং
ক) ভাল ভাবে ঘোষা
খ) আস্তর দেওয়া
গ) পুটি কাটা
ঘ) পলিশ করা
৩৬। থাই ফিটিং
ক) আউটার লাগানো
খ) গ্লাস পাল্লা ফিটিং
গ) সিলিকন গাম দেওয়া
৩৭। দরজার পাল্লা ফিটিং
৩৮। ইলেকট্রিক ক্যাবল টানা
৩৯। সুইচ সকেট, ব্রকার লাগানো
৪০। গ্রাউন্ট ফ্লোরে ৬"~৮" লাইন টানা
৪১। পিট করা, মিটার পিট, মাষ্টার পিট করা
৪২। বাউন্ডারী ওয়াল করা
৪৩। মেন গেইট লাগানো
৪৪। কোম্পানীর নাম সহ লোগো লাগানো
৪৫। বাগান করা
৪৬। স্যানিটারী ফিটিং ফিকসার লাগানো
৪৭। লিফ্ট, সাব ইস্টেশন, জেনারেটর ফিটিং
৪৮। ওয়াসা কানেকশন
৪৯। ইলেকট্রিক কানেকশন
৫০। ধোয়া পুছা পরিষ্কার করে আনুষ্ঠানিক ভাবে হেন্ড ওভার দেওয়া.....

বিল্ডিং ড্রইং, ডিজাইন, ফ্লোর প্লান,, অনুমোদন সহ
যেকোন রিপেয়ারিং কাজের জন্য যোগাযোগ করুন।
What's up number 01766-808204

পুরনো বিল্ডিং এর স্টেন্থ কিভাবে পাবেন? (Rebound hammer test ) এর বিস্তারিতঃরিবাউন্ড হ্যামার টেস্ট কি?অনেক বছর আগের পুরনো...
21/04/2026

পুরনো বিল্ডিং এর স্টেন্থ কিভাবে পাবেন? (Rebound hammer test ) এর বিস্তারিতঃ

রিবাউন্ড হ্যামার টেস্ট কি?

অনেক বছর আগের পুরনো কোন বিল্ডিং ,সেই বিল্ডিং এর হয়ত কোন কন্সট্রাকশন ডাটা আপনার কাছে নেই, বা বিল্ডিং টি কোন মিস্ত্রি দিয়ে করানো যার কন্সট্রাকশন কোন ডিটেইলস নেই। সেই বিল্ডিং কি সেফ কিনা তা কিভাবে জানবেন কিংবা কিভাবে সেই বিল্ডিং এর কনক্রিট এর স্ট্রেন্থ পাবেন?

পুরনো কোন স্ট্রাকচার বা যেকোন বিল্ড-আপ স্ট্রাকচার এর ক্যাপাসিটি বের করার জন্যে রিবাউন্ড হেমার টেস্ট করা হয়। রিবাউন্ড হেমার টেস্ট হচ্ছে এমন একধরনের টেস্ট যার মাধ্যমে কনক্রিটের কম্প্রেসিভ স্ট্রেনথ বের করা হয়। সাধারনত যেসব বিল্ডিং করা হয়ে গেছে সেইসব বিল্ডিং এর কলাম / বিম এ ব্যাবহত কনক্রিট এর স্ট্রেন্থ বের করার জন্যে রিবাউন্ড হ্যামার টেস্ট করা হয় ।

রিবাউন্ড হ্যামার টেস্ট টা এমন ভাবে করা হয় যাতে স্ট্রাকচার এর কোন ক্ষতি না হয়,তাই এটা নন-ডেসট্রাক্টিভ টেস্ট নাম ও পরিচিত।
ডিজাইন ইন্টিগ্রিটি

কিভাবে করা হয়?
===========

~হেমার টি কে যে কলাম বা বিমার স্ট্রেনথ বের করা হবে তার গায়ে ধরা হয়,এবং হেমার টি তে একটি ট্রিগার থাকে, সেই ট্রিগার টি কে প্রেস করা হয়,তখন হেমার টির ভিতর থাকা ইন্টারনাল স্প্রিং টি হার্ড কনক্রিট এর এর সারফেস এ ইম্পেক্ট করে।

~‌যদি হেমার টির স্প্রিং টি আঘাত না করে তাহলে আবার প্রেস করতে হবে।

~হেমারটি ডিজিটাল ভাবেই ব্যালু দিবে,আলাদা ভাবে ক্যালকুলেশন করার দরকার হয়না

~মোট ১৫ বার করে রিডিং নিতে হবে, এবং এভারেজ করে ফাইনাল ভেলু নিতে হবে

সুবিধাঃ
======
~সিম্পল ভাবে ব্যাবহার করা যায়
~আলাদা কোন অভিজ্ঞতার দরকার হয়না
~নির্ভুল রেজাল্ট
~সহজলভ্যতা
অসুবিধাঃ
======
~হাই প্রাইস
~মেন্টেইনেন্স করতে হয়।

হেলমেট এর ব্যবহার বিধীঃ #সাদা_রং_এর_হেলমেটঃ ইঞ্জিনিয়ার, ম্যানেজার, সুপার ভাইজার ও ফোরম্যান এই চার শ্রেনীর মানুষের জন্য ...
21/04/2026

হেলমেট এর ব্যবহার বিধীঃ
#সাদা_রং_এর_হেলমেটঃ ইঞ্জিনিয়ার, ম্যানেজার, সুপার ভাইজার ও ফোরম্যান এই চার শ্রেনীর মানুষের জন্য সাদা রং এর ক্যাপ ব্যবহার করা হয় ।
#নীল_রং_এর_হেলমেটঃ ইলেক্ট্রিসিয়ান, কারপেনটার্স এবং অন্যান্য টেকনিসিয়ান এই শ্রেনীর রং এর ক্যাপ ব্যবহার করে ।
#লাল_রং_এর_হেলমেটঃ লাল রং এর হেলমেট সাধারনত ফায়ার ফাইটর অর্থাৎ যারা আগুন নেভানো বা ফায়ার সার্ভিস এর কাজ করেন তারা এই ধরনের ক্যাপ ব্যবহার করেন ।
#গ্রীন_বা_সবুজ_হেলমেটঃ সেফটি অফিসার এই হেল মেট ব্যবহার করে থাকেন ।
#গ্রে_কালার_হেলমেটঃ গ্রে কালার হেলমেট সাইট ভিজিটর বা প্রজেক্ট সুফার ভিশনকারি ব্যবহার করে থাকে ।
#হলুদ_কালার_হেলমেটঃ লেবাররা হলুদ কালার হেলমেট ব্যবহার করে থাকেন ।
#ব্রাউন_কালারঃ ওয়েল্ডিং কাজের সাথে যারা জড়িৎ বা যেখানে উচ্চ তাপমাত্রার কাজ করা হয় সেখানে এই হেলমেট ব্যবহার করা হয় ।

21/04/2026

🛑 একটি বিল্ডিং নির্মাণ প্রকল্পকে ধাপে ধাপে ভাগ করে দেখানো হলো:

মূল কাজের আনুপাতিক বিভাজন (100%)
১. কংক্রিট গঠন কাঠামো (Structure) = ৩৫%
২. ইটের কাজ = ৬%
৩. কাঠের কাজ = ৫%
৪. মেটালের কাজ = ২%
৫. পানি ও পয়ঃনিষ্কাশন (Plumbing & Sanitary) = ৬%
৬. বৈদ্যুতিক কাজ = ৭%
৭. প্লাস্টারিং = ৪%
৮. সাধারণ ফ্লোর ও বারান্দার টাইলস = ৬%
৯. টয়লেট ও কিচেন ওয়াল টাইলস = ৩%
১০. অ্যালুমিনিয়াম সংক্রান্ত কাজ = ৪%
১১. EME (লিফট, জেনারেটর, সাবস্টেশন) = ১০%
১২. রং ও পেইন্টের কাজ = ৩%
১৩. অন্যান্য নাগরিক ও বহিরাঙ্গন কাজ = ৬%
১৪. ইউটিলিটি সংযোগ ও বিল = ৩%

---

প্রতিটি কাজের উপভাগ ও তাদের মধ্যে পারসেন্টেজ বিভাজন:

✪ গঠন কাঠামো (৩৫%)

ফুটিং ও কলাম পেডেস্টাল: ২০%

গ্রেড বিম ও ইউজিডব্লিউআর টপ স্ল্যাব: ৫%

গ্রাউন্ড ফ্লোর কলাম ও সিঁড়ি: ৪%

প্রথম তলার স্ল্যাব: ৯%

সাধারণ তলার কলাম (৫x৩%): ১৫%

২য় তলা থেকে ছাদ পর্যন্ত স্ল্যাব (৫x৮%): ৪০%

ছাদের শীর্ষ (টপ): ৭%

✪ ইটের কাজ (৬%)

গ্রাউন্ড ফ্লোর: ৬%

১ম তলা: ১৮%

২য় তলা: ১৮%

৩য় তলা: ১৮%

৪র্থ তলা: ১৮%

৫ম তলা: ১৮%

ছাদের শীর্ষে: ৪%

✪ কাঠের কাজ (৫%)

দরজার ফ্রেম: ৪০%

প্রধান দরজা শাটার: ১৫%

পারটেক্স ডোর শাটার: ৩৫%

অন্যান্য দরজা ও আনুষঙ্গিক: ১০%

✪ মেটাল কাজ (২%)

জানালার গ্রিল: ৫৫%

ভেরান্দার রেলিং: ২০%

সিঁড়ির রেলিং: ১০%

প্রধান দরজা ও সেফটি গ্রিল: ১৫%

✪ প্লাম্বিং ও স্যানিটারি (৬%)

UPVC উল্লম্ব লাইন: ২৫%

GI পাইপলাইন: ৩০%

ফিক্সচার ও ফিটিংস: ৪০%

নিচতলা সংযোগ: ৫%

✪ বৈদ্যুতিক কাজ (৭%)

স্ল্যাবের ভেতর কন্ডুইট স্থাপন: ১০%

দেয়ালে বক্স বসানো: ১৫%

ক্যাবলিং: ৫৫%

সুইচ-সকেট: ২০%

✪ প্লাস্টারিং (৪%)

সিলিং: ২০%

ভিতরের দেয়াল: ৫০%

বাইরের ওয়াল বা ফেসিং: ৩০%

✪ সাধারণ টাইলস (৬%)

ফ্লোর ও ভেরান্ডা: ৭৫%

সিঁড়ি, লবি ও লিফট প্রাচীর: ২০%

গ্রাউন্ড ফ্লোর লিফট লবি ও রিসেপশন: ৫%

✪ টয়লেট ও কিচেন টাইলস (৩%)

বাথরুম দেয়াল: ৬০%

কিচেন দেয়াল: ২০%

বাথ ফ্লোর: ৯%

বাথ কাউন্টার: ৪%

কিচেন ফ্লোর: ৩%

কিচেন কাউন্টার: ৪%

✪ অ্যালুমিনিয়াম কাজ (৪%)

জানালার ফ্রেমিং: ৪০%

গ্লাস স্লাইডিং শাটার: ৩০%

ভেরান্দা স্লাইডিং: ২০%

টয়লেট জানালা: ৫%

কমন এরিয়া: ৫%

✪ EME (১০%)

লিফট: ৫০%

জেনারেটর: ২৫%

সাবস্টেশন: ২০%

PABX, ফায়ার ফাইটিং ইত্যাদি: ৫%

✪ পেইন্টিং (৩%)

পুটি পর্যন্ত: ৪০%

অভ্যন্তরীণ দেয়াল ও সিলিং (১ম কোট): ২০%

(২য় কোট): ১৫%

বাইরের রঙ/সিরামিক টাইলস: ২৫%

✪ অন্যান্য নাগরিক কাজ (৬%)

সীমানা প্রাচীর: ৩০%

ছাদ পেভার ও টেরেসিং: ১৫%

লোগো ও গার্ডেন ইত্যাদি: ৪%

GF BBC: ১৪%

ফুটপাথ ও পেভমেন্ট: ১০%

লিন্টেল, ড্রপ ওয়াল, কাউন্টার: ২০%

কেবল ট্রে: ১%

ডাক্ট কভার ও সিলিং: ৪%

রিসেপশন ও লেটার বক্স: ২%

✪ ইউটিলিটি সংযোগ ও বিল (৩%)

ডেসা/ডিসকো: ৩৫%

তিতাস: ২০%

ওয়াসা: ১৫%

বিল ও চার্জ: ৩০%

---

👉 এইভাবে কোনো বিল্ডিংয়ের প্রতিটি ধাপকে সুস্পষ্ট ও পরিমাণভিত্তিক ভাগ করে, পরিকল্পিতভাবে কাজ সম্পাদন নিশ্চিত করা সম্ভব।

এখানে স্ট্যান্ডার্ড পেনিট্রেশন টেস্ট (SPT) এবং শঙ্কু পেনিট্রেশন টেস্ট (CPT) এর মধ্যে একটি স্পষ্ট, ধাপে ধাপে তুলনা করা হল...
21/04/2026

এখানে স্ট্যান্ডার্ড পেনিট্রেশন টেস্ট (SPT) এবং শঙ্কু পেনিট্রেশন টেস্ট (CPT) এর মধ্যে একটি স্পষ্ট, ধাপে ধাপে তুলনা করা হল যা টেবিল ছাড়াই উপস্থাপন করা হয়েছেঃ-
------------------------------------------------------------------------
🔹 পরীক্ষার নীতি
১। SPT: একটি গতিশীল পরীক্ষা যেখানে একটি ১৪০-পাউন্ড হাতুড়ি ৩০ ইঞ্চি ফেলে একটি স্প্লিট-স্পুন স্যাম্পলারকে মাটিতে চালিত করা হয়। শেষ ১২ ইঞ্চি ভেদ করার জন্য প্রয়োজনীয় আঘাতের সংখ্যা N-মান হিসাবে রেকর্ড করা হয়।
২। CPT: একটি স্থির পরীক্ষা যেখানে একটি শঙ্কু-আকৃতির প্রোবকে হাইড্রোলিকভাবে মাটিতে স্থির হারে (২ সেমি/সেকেন্ড) ঠেলে দেওয়া হয়। এটি ক্রমাগত টিপ রেজিস্ট্যান্স (qc), স্লিভ ঘর্ষণ (fs) এবং পোর প্রেসার (u₂) পরিমাপ করে।

🔹 সরঞ্জাম সেটআপ
১। SPT-এর প্রয়োজন:
২। বোরহোলটি এগিয়ে নেওয়ার জন্য একটি ড্রিল রিগ
৩। ড্রিল রডের সাথে সংযুক্ত স্প্লিট-স্পুন স্যাম্পলার
৪। স্যাম্পলার চালানোর জন্য হ্যামার অ্যাসেম্বলি

🔹CPTএর প্রয়োজন:
১। 10 cm² টিপ এরিয়া সহ একটি শঙ্কু পেনিট্রোমিটার
২। হাইড্রোলিক পুশিং সিস্টেম
৩। ক্রমাগত ডেটা রেকর্ড করার জন্য ইলেকট্রনিক সেন্সর

🔹 কার্যকরকরণ প্রক্রিয়া
১। SPT পদ্ধতি:
২। লক্ষ্য গভীরতায় ড্রিল করুন
৩। স্প্লিট-স্পুন স্যাম্পলারটি কম করুন
৪। স্যাম্পলারটি মোট 18 ইঞ্চি চালান:
৫। শেষ 12 ইঞ্চি (N-মান) এর জন্য আঘাত গণনা করুন
৬। বিঘ্নিত মাটির নমুনা পুনরুদ্ধার করুন
৭। প্রতি 1-1.5 মিটার পুনরাবৃত্তি করুন

🔹CPT পদ্ধতি:
১। শঙ্কু পেনিট্রোমিটারটি মাটিতে ক্রমাগত ঠেলে দিন
২। রিয়েল টাইমে qc, fs এবং u₂ পরিমাপ রেকর্ড করুন
৩। থামানো ছাড়াই ধাক্কা চালিয়ে যান (যদি না স্তরিত নমুনা)
৪। প্রতিবার ডেটা লগ করা হয় ১-৫ সেমি অনুপ্রবেশ

🔹 তথ্য সংগ্রহ
SPT প্রদান করে:
১। N-মান (প্রতি ফুটে আঘাত)
২। দৃশ্যমান শ্রেণীবিভাগের জন্য বিঘ্নিত মাটির নমুনা
৩। মাটির বৈশিষ্ট্যের জন্য অভিজ্ঞতামূলক পারস্পরিক সম্পর্ক

🔹 CPT প্রদান করে:
ক্রমাগত পরিমাপ:
১। টিপ প্রতিরোধ (qc) MPa তে
২। স্লিভ ঘর্ষণ (fs) kPa তে
৩। kPa তে ছিদ্র চাপ (u₂) (যদি পাইজোকোন/CPTu ব্যবহার করা হয়)
৪। মাটির শ্রেণীবিভাগের জন্য ঘর্ষণ অনুপাত (Rf = fs/qc)

🔹মাটির শ্রেণীবিভাগ
SPT শ্রেণীবিভাগ:
১। নমুনা থেকে দৃশ্যমানভাবে নির্ধারিত মাটির ধরণ
২। অভিজ্ঞতামূলক পারস্পরিক সম্পর্ক N-মানকে নিম্নলিখিতগুলির সাথে সম্পর্কিত করে:
৩। আপেক্ষিক ঘনত্ব
৪। শিয়ার শক্তি
৫। ভারবহন ক্ষমতা

🔹 CPT শ্রেণীবিভাগ:
১। মানসম্মত চার্ট ব্যবহার করে qc, fs এবং Rf থেকে নির্ধারিত মাটির ধরণ
২। CPT (পাইজোকোন) ছিদ্র চাপ প্রতিক্রিয়ার উপর ভিত্তি করে কাদামাটি এবং বালির মধ্যে পার্থক্য করতে পারে
৩। আরও বস্তুনিষ্ঠ মাটির শ্রেণীবিভাগ প্রদান করে

🔹 সুবিধা
SPT সুবিধা:
১। সহজ এবং সাশ্রয়ী
২। প্রকৃত মাটির নমুনা প্রদান করে
৩। প্রতিষ্ঠিত পারস্পরিক সম্পর্কের সাথে ব্যাপকভাবে গৃহীত
৪। বেশিরভাগ মাটির পরিস্থিতিতে সম্পাদন করা যেতে পারে

🔹 CPT সুবিধা:
১। দ্রুত পরীক্ষা (প্রতি ঘন্টায় ২০-৩০ মিটার)
২। ক্রমাগত, উচ্চ-রেজোলিউশনের ডেটা
৩। আরও সুনির্দিষ্ট পরিমাপ
৪। কোনও ড্রিলিং প্রয়োজন নেই
৫। নরম মাটি এবং বিস্তারিত স্ট্র্যাটিগ্রাফির জন্য আরও ভাল

🔹সীমাবদ্ধতা
১। SPT সীমাবদ্ধতা:
২। বিচ্ছিন্ন ডেটা পয়েন্ট
৩। হাতুড়ি শক্তি দক্ষতা দ্বারা প্রভাবিত ফলাফল
৪। শুধুমাত্র বিঘ্নিত নমুনা
৫। আরও অপারেটর-নির্ভর

🔹CPT সীমাবদ্ধতা:
১। উচ্চ প্রাথমিক সরঞ্জাম খরচ
২। দক্ষ অপারেটর প্রয়োজন
৩। কোনও মাটির নমুনা নেই (বিশেষ CPTu নমুনা ব্যবহার না করা পর্যন্ত)
৪। খুব শক্ত মাটি বা নুড়িযুক্ত অবস্থায় সীমিত

🔹সাধারণ অ্যাপ্লিকেশন
১। SPT এর জন্য সর্বোত্তম:
২। ভিত্তি নকশা (অগভীর এবং গভীর)
৩। তরলীকরণ সম্ভাব্য মূল্যায়ন
৪। মাটির নমুনা প্রয়োজন এমন প্রকল্প
৫। বাজেট-সচেতন প্রকল্প

- CPT এর জন্য সর্বোত্তম:
- নরম মাটি তদন্ত
- বিস্তারিত স্ট্র্যাটিগ্রাফিক প্রোফাইলিং
- ক্রমাগত ডেটা প্রয়োজন এমন প্রকল্প
- সংবেদনশীল পরিবেশ (ন্যূনতম ব্যাঘাত)
- অফশোর ভূ-প্রযুক্তিগত অধ্যয়ন

9. মূল পার্থক্য সারাংশ
- পরীক্ষার পদ্ধতি: SPT গতিশীল (হাতুড়ির প্রভাব), CPT স্থির (ধ্রুবক ধাক্কা)
- ডেটা টাইপ: SPT বিচ্ছিন্ন N-মান দেয়, CPT ক্রমাগত প্রোফাইল সরবরাহ করে
- নমুনা সংগ্রহ: SPT বিকৃত নমুনা সংগ্রহ করে, CPT সাধারণত কোনও নমুনা সংগ্রহ করে না
- গতি: CPT SPT এর চেয়ে অনেক দ্রুত
- খরচ: SPT সাধারণত সঞ্চালন করা সস্তা
- নির্ভুলতা: CPT আরও সুনির্দিষ্ট এবং পুনরাবৃত্তিযোগ্য পরিমাপ প্রদান করে
- মাটির ধরণ: SPT বেশিরভাগ মাটিতে কাজ করে, CPT নরম মাটিতে উৎকৃষ্ট হয় কিন্তু নুড়ির সাথে লড়াই করে

10. নির্বাচন নির্দেশিকা**

SPT নির্বাচন করুন যখন:
- ল্যাব পরীক্ষার জন্য আপনার মাটির নমুনা প্রয়োজন
- বাজেট সীমিত
- স্থানীয় অভিজ্ঞতা N-মান পারস্পরিক সম্পর্কের পক্ষে
- নুড়িযুক্ত বা খুব শক্ত মাটিতে কাজ করা

CPT নির্বাচন করুন যখন:
- উচ্চ-রেজোলিউশনের স্ট্র্যাটিগ্রাফির প্রয়োজন
- নরম কাদামাটি বা পলি মাটিতে কাজ করা
- দ্রুত ফলাফল প্রয়োজন
- ন্যূনতম ভূমি ব্যাঘাত গুরুত্বপূর্ণ
- ছিদ্র চাপের ডেটা মূল্যবান হবে

ভূ-প্রযুক্তিগত প্রকৌশলে উভয় পদ্ধতিরই নিজস্ব স্থান রয়েছে এবং প্রায়শই একে অপরের শক্তির পরিপূরক হিসেবে এগুলি একসাথে ব্যবহৃত হয়। পছন্দটি প্রকল্পের প্রয়োজনীয়তা, মাটির অবস্থা এবং বাজেটের সীমাবদ্ধতার উপর নির্ভর করে।

রডের গায়ে B 500 CWR বা B 500 DWR কেন লেখা থাকে? আমরা সবাই জানি, রড কনস্ট্রাকশনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। কিন্তু অনেক...
21/04/2026

রডের গায়ে B 500 CWR বা B 500 DWR কেন লেখা থাকে?

আমরা সবাই জানি, রড কনস্ট্রাকশনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। কিন্তু অনেকেই খেয়াল করেন, রডের গায়ে B 500 CWR, B 500 DWR, B 600 DWR ইত্যাদি লেখা থাকে।

➡️ এই লেখাগুলোর মানে কী?
➡️ কেন এগুলো গুরুত্বপূর্ণ?
➡️ এগুলো বুঝে না কিনলে কী সমস্যা হতে পারে?

আমি একজন সিভিল ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে সহজভাবে এই বিষয়টি ব্যাখ্যা করছি, যাতে আপনারা সবাই বুঝতে পারেন!

🔹 B 500 CWR / B 500 DWR / B 600 DWR এর ব্যাখ্যা

✅ B → বোঝায় এটি reinforcement bar (Rebar), যা কংক্রিটের সাথে ব্যবহার করা হয় ভবনের শক্তি বাড়ানোর জন্য।

✅ 500/600 → এটি রডের yield strength নির্দেশ করে, যা 500 বা 600 MPa (Megapascal)।
📌 অর্থাৎ, এই রডটি 500 বা 600 মেগাপ্যাসকেল পর্যন্ত টেনশন বা চাপ সহ্য করতে পারে।

✅ CWR (Cold Worked Ribbed) →
🔹 ঠান্ডা প্রক্রিয়াজাতকরণ করা রড
🔹 শক্তিশালী কিন্তু নমনীয়তা তুলনামূলক কম
🔹 সাধারণ কনস্ট্রাকশনের জন্য ভালো

✅ DWR (Ductile Worked Ribbed) →
🔹 বেশি নমনীয় ও বাঁকানো সহজ
🔹 ভূমিকম্পপ্রবণ এলাকায় বেশি ব্যবহৃত হয়
🔹 বড় ব্রিজ, হাই-রাইজ বিল্ডিং ও নিরাপদ স্ট্রাকচারের জন্য উপযুক্ত

🔹 কোন রড কখন ব্যবহার করবেন?

✅ B 500 CWR → শক্তিশালী কিন্তু তুলনামূলকভাবে কম নমনীয় রড।
✅ B 500 DWR → শক্তিশালী এবং বেশি নমনীয়, তাই ভূমিকম্পপ্রবণ এলাকায় বেশি ব্যবহার করা হয়।
✅ B 600 DWR → অতিরিক্ত শক্তিশালী, যা মেগা স্ট্রাকচার, ব্রিজ ও টানেলের জন্য উপযুক্ত।

⚠️ প্রকৌশলগতভাবে কোনটি ভালো?

✔️ যদি বেশি নমনীয়তা দরকার হয় (ভূমিকম্পপ্রবণ এলাকা, ব্রিজ, উঁচু ভবন ইত্যাদি) তাহলে B 500 DWR বা B 600 DWR বেছে নিন।

✔️ যদি সাধারণ কনস্ট্রাকশন হয় এবং অতিরিক্ত নমনীয়তার দরকার না হয় তাহলে B 500 CWR ব্যবহার করা যায়।

📌 ভুল রড মানে দুর্বল ভবন!
📌 সঠিক রড বেছে না নিলে ভবিষ্যতে বড় ক্ষতি হতে পারে!

তাই দক্ষ ইঞ্জিনিয়ারের পরামর্শ নিয়ে প্রকল্পের সম্পূর্ণ ড্রয়িং ও ডিজাইন নিশ্চিত করুন।

জাপানে যখন ৯.১ মাত্রার ভূমিকম্প হয়েছিল ২০১১ সালে, টোকিওর রাস্তায় গাড়ি চলছিল, হাসপাতালে অপারেশন চলছিল, আর যেসব বিল্ডিং...
21/04/2026

জাপানে যখন ৯.১ মাত্রার ভূমিকম্প হয়েছিল ২০১১ সালে, টোকিওর রাস্তায় গাড়ি চলছিল, হাসপাতালে অপারেশন চলছিল, আর যেসব বিল্ডিংয়ে “বেস আইসোলেশন” ছিল – সেগুলোর ভেতরে একটা কাচের গ্লাসও ভেঙে পড়েনি।

এই বেস আইসোলেশন আসলে কী?

সহজ কথায়: বিল্ডিংকে মাটির সাথে শক্ত করে না বাঁধা, তার নিচে শত শত বিশেষ রাবার-লেডের বেয়ারিং বসানো হয়। ভূমিকম্প এলে মাটি যত জোরে কাঁপে, উপরের বিল্ডিংটা ততটা কাঁপে না – শুধু ধীরে ধীরে দোলে। ফলে ভেতরের মানুষ, আসবাবপত্র, যন্ত্রপাতি – সবই প্রায় অক্ষত থাকে।

আজ জাপানের প্রতিটি নতুন টাওয়ার, বিল্ডিং , হাসপাতাল, স্কুল, ডেটা সেন্টারে এই সিস্টেম বাধ্যতামূলক। এমনকি ৪০-৫০ বছরের পুরোনো ভবনগুলোকেও কেটে-কেটে এই সিস্টেম বসিয়ে নতুন করে বাঁচিয়ে দেওয়া হচ্ছে।

আমাদের বাংলাদেশও এখন সেই পথে হাঁটছে।

BNBC-2020 কোড অনুযায়ী ঢাকা-চট্টগ্রামের গুরুত্বপূর্ণ ভবনে বেস আইসোলেশন ব্যবহার শুরু হয়েছে। রূপপুর নিউক্লিয়ার প্ল্যান্ট, মেট্রোরেলের কিছু স্টেশন, কয়েকটা নতুন টাওয়ারে এই একই প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে।

এটা বিলাসিতা নয় – এটা আমাদের ভবিষ্যতের নিরাপত্তার প্রথম ধাপ।

জাপান দেখিয়েছে, ভূমিকম্পের দেশেও নিরাপদে উঁচু ভবন বানানো যায় – যদি আমরা সঠিক প্রযুক্তি ব্যবহার করি।

আমদের যেন কখনো শিখতে না হয় দুর্ঘটনা থেকে।
শিখি জাপানের মত উন্নত দেশের প্রযুক্তি থেকে।

#নিরাপদ_বাংলাদেশ #
#ভূমিকম্প_প্রতিরোধী_ভবন #

21/04/2026

ভবনের লে আউট (Building Layout) দেওয়ার নিয়ম এবং কর্মপদ্ধতি সম্পর্কে সংক্ষিপ্ত আলোচনাঃ
লে—আউট হল যে বিল্ডিংটি নির্মিত হবে তার অনুমোদিত ড্রয়িং অনুযায়ী জমিতে মাপ নির্ধারণ ও চিহ্নিত করা।

১! প্রথমেই রাজউক/সিটি কর্পোরেশন/পৌরসভা এ্যাপ্রুভাল আর্কিটেকচারাল ড্রয়িং, স্ট্রাকচারাল ড্রয়িং ভালোভাবে পর্যবেক্ষণ করতে হবে। সবগুলো ড্রয়িংয়ে উল্লেখিত মেজারমেন্ট পরস্পরের সাথে সঙ্গতিপুর্ণ কিনা তা ভালোভাবে চেক করে নিতে হবে।
আর্কিটেকচারাল ড্রয়িং, স্ট্রাকচারাল ড্রয়িং অনুযায়ী প্রস্তাবিত জমির মাপ ঠিক আছে কিনা তা চেক করতে হবে। যদি জায়গা ড্রইং এর চেয়ে ছোট বা বড় হয়, অবশ্যই তাহা কর্তৃপক্ষের সাথে আলোচনা করতে হবে

২! লেভেল পাইপ দিয়ে রোড লেভেল (ক্রেস্ট বা সর্বোচ্চ স্থান) হতে সাধারনত ৩ ফুট উপরে সাইটের বিভিন্ন স্থানে লেভেল স্থাপন করতে হবে। পরবর্তী কাজের সুবিধার্থে লেআউট এর সময় সকল পয়েন্ট যেন একই লেভেলে থাকে সেটি নিশ্চিত করতে হবে।

৩! প্রজেক্টের এর মধ্যে যে বাউন্ডারী ওয়ালটি সবচেয়ে বেশী সোজা, সম্ভব হলে সেই দিক থেকে লেআউট আরম্ভ করতে হবে অথবা কোন রেফারেন্স লাইন থেকে মাপ নিয়ে কাজ শুরু করতে হবে।

৪! স্ট্রাকচারাল ড্রয়িং এর লেআউট প্ল্যান অনুযায়ী উত্তর দক্ষিণে এবং পূর্ব পশ্চিমে ড্রইং অনুসারে Grid লাইন বরাবর সুতা টানাতে হবে এবং চার কর্নার মাটাম দ্বারা অথবা পিথাগোরাসের সূত্র অনুসারে ফিতার/ টেপের সাহায্যে ৩ ফুট, ৪ ফুট ও ৫ ফুট অথবা ১৫ ফুট, ২০ ফুট ও ২৫ ফুট অথবা ইহার গুনিতক বাহু নিয়ে একটি সমকোনী ত্রিভুজ তৈরী করে চার কর্ণারে ৯০ ডিগ্রী কোণ ঠিক আছে কিনা তা চেক করতে হবে। অথবা বড় মাটাম দিয়েও চেক করা যাবে।

৪!গ্রীড লাইনের সকল সূতা বাঁধার পর ভিতরের প্রত্যেকটি প্যানেলের কোনাকুনি/ডায়াগোনাল মাপ ঠিক আছে কিনা তা চেক করতে হবে।

৫! এক গ্রীড লাইন (Grid Line) হতে অপর গ্রীড লাইনের মাপ ঠিক আছে কিনা তা যাচাই করতে হবে।

৬! লে-আউট একাধিকবার চেক করতে হবে, কারণ লেআউট ভুল হলে, পুরা বিল্ডিং এর কাজটি ভুল হয়ে যাবে।

৭! গ্রীড লাইন হতে রাজউকের ড্রয়িং অনুযায়ী পর্যন্ত জায়গা ছেড়ে দিতে হবে। গ্রীড লাইন হতে কোন পার্শ্বে জায়গা বেশি বা কম পাওয়া গেলে তা নিশ্চিত হয়ে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করতে হবে । পরবর্তিতে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী লে-আউট চূড়ান্ত করতে হবে ।

৮! লেআউট চূড়ান্ত হয়ে গেলে গ্রীড লাইনের পয়েন্টগুলি সুতা এক্সটেনশন করে চারিদিকের স্থায়ী ওয়ালে তারকাটার সাহায্যে চিহ্নিত করতে হবে। তবে স্থায়ী ওয়াল না থাকলে স্থায়ী Brick Pillar তৈরী করে নিতে হবে।

৯! গ্রীড লাইন এর পয়েন্ট গুলোতে প্রয়োজনীয় জায়গা চিপিং করে ১০”X১০” সিমেন্ট বালি মটার দিয়ে স্থায়ীভাবে চিহ্ন রাখতে হবে। যদি স্থায়ী ওয়াল/ স্থায়ী স্থাপনায় না পারা যায় তবে বাঁশের খুটি মাটিতে কমপক্ষে ৩ ফুট প্রবেশ করে স্থায়ীভাবে গ্রীড লাইনের চিহ্ন রাখতে হবে।

১০! গ্রীড লাইন চিহ্নিত পয়েন্টগুলোতে গ্রীড লাইন নাম্বার ও একটি গ্রীড হতে অপরটির দূরত্ব রং দিয়ে লিখে রাখতে হবে।

১১! লেআউট শেষ হলে অবশ্য অবশ্যই G.Lও P.L ঠিক করতে হবে।

১২! গ্রীড লাইনের রেফারেন্স-এ আর্কিটেকচারাল ও স্ট্রাকচারাল ড্রয়িং মোতাবেক কলাম ফুটিং এর লে-আউট দিতে হবে । মনে রাখতে হবে ফুটিং এর সেন্টার লাইন এবং কলামের সেন্টার লাইন একই বিন্দুতে হবে।

১৩! লে-আউট দিতে গিয়ে কোন সমস্যার উদ্ভব হলে, উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী কাজ করতে হবে।

প্রযুক্তির উন্নয়নের ফলে আরো নিখুত ও নির্ভুল কাজের জন্য ইদানিং ভবনের লে-আউট দেয়ার জন্য আজ টোটাল ষ্টেশনের ব্যবহার দেখা যাচ্ছে। বাংলাদেশে বেশ কিছু ডিজিটাল সার্ভে কোম্পানী আছে যারা টোটাল ষ্টেশনের মাধ্যমে নির্ভুলভাবে ইমারতের লেআউট দিয়ে থাকে। যে পদ্ধতিতেই লে আউট দেয়া হোক না কেন, নির্ভুল ও নিখুত হওয়া খুবই গুরুত্বপুর্ণ।

লেআউটের প্রয়োজনীয়তাঃ

১) কাজ করার সময় ভুল হওয়ার সম্ভাবনা কমাতে লেআউট এর গুরুত্ব অপরিসীম।
২) মিস্ত্রিরা যেন সহজেই নির্ভুলভাবে রেফারেন্স লাইন বা গ্রীড লাইন হতে মাপ নিয়ে কাজ করতে পারে।
৩) ড্রয়িং এ জায়গার সাথে অসামঞ্জস্যপূর্ণ কোন ভুল ত্রটি থাকলে প্রথমেই ধরা পড়ে যায় এবং সংশোধন করার সুযোগ থাকে ।
৪) ভবনের কোন এলাইনমেন্ট যেন বাঁকা না হয় সেটি নিয়ন্ত্রণে সুবিধা হয়।
৫) ইমারতটি ভবিষ্যতে কেমন হবে সেই সম্পর্কে একটি প্রাথমিক ধারণা পূর্বে থেকেই পাওয়ার যায়।

স্টিল বিল্ডিং এর কনস্ট্রাকশন শুরু সময় থেকে কার্য়ক্রম সমুহঃ--------------------------------------------------------------...
21/04/2026

স্টিল বিল্ডিং এর কনস্ট্রাকশন শুরু সময় থেকে কার্য়ক্রম সমুহঃ-
------------------------------------------------------------------------
সাইট প্রিপারেশন এর পরে আসে কনস্ট্রাকশন এর কাজ। আর কনস্ট্রাকশন এর কাজ শুরু হলেই প্রথমে থাকে ফাউন্ডেশন

১। ফাউন্ডেশন এর কাজঃ-

ক) কাজ করার শুরুতেই গ্রাউন্ড প্রিপারেশন এর কাজ ক্রতে হবে। গ্রাউন্ড লেভেল করে নিতে হবে, এবং প্রপার কম্পেকশন করে নিতে হবে।

খ) এরপর সয়েল রিপোর্ট অনুযায়ী ডিজাইন ড্রয়িং অনুসারে ফাউন্ডেশন এর কাজ শুরু করতে হবে।

গ) ফাউন্ডেশন এর কাজ শেষ করে এংকর বোল্ট সেট করতে হবে। আর এক্ষেত্রে অনেক সতর্ক থাকতে হবে যেন এংকর বোল্ড লেভেল এবং বেস-প্লেট লেভেল ঠিক থাকে। নাহলে পরবর্তী তে কলাম সেট করতে সমস্যা হবে এবং কলাম বাঁকা ভাবে ও বসতে পারে ।

২। Frame এর কাজঃ-

ক) এংকর বোল্টিং এবং বেস প্লেট সেট-আপ এর পর শুরু হয় ফ্রেমিং এর কাজ। আর ফ্রেমিং এর সব ম্যাটেরিয়ালস গুলো ফ্যাক্টরি তেই বানানো হয় সাইটে ডিরেক্ট রেডি করা ম্যাটেরিয়ালস আসে

খ) ফ্রেমিং এর ক্ষেত্রে প্রথমেই কলাম সেটাপ করতে হবে এবং সতর্কতার সাথে তা সেটাপ করতে হয়। আর কলামের সাথে রিলেটেড কোন কাট-পিচ আছে কিনা তা দেখে সেট করতে হবে।

গ) যদি বড় বিল্ডিং হয়, তাহলে এক্ষেত্রে সব কলাম সেটাপ করার চেয়ে ভালো গ্রিড ধরে কাজ করা। ১ থেকে ১০, কিংবা ১ থেকে ৫ যেভাবে গাইড লাইন দেয়া হয় সেভাবে ফ্রেমিং করা । আর সে অনুসারে সাইটে ম্যাটেরিয়ালস মজুদ থাকতে হবে। নাহলে কাজ ডিলে হয়।

ঘ) কলাম সেট করার পর শেড বিল্ডিং এর ক্ষেত্রে রাফটার এবং মাল্টি স্টোরি বিল্ডিং এর ক্ষেত্রে বিম সেট করতে হবে।
এক্ষেত্রে বোল্টিং সঠিক ভাবে সেট করতে হবে সতর্কতার সাথে।

৩। প্রাইমারি মেম্বার সেট-আপঃ Girts, Purlins/Sub-Beam

ক) ফ্রেমিং এর কাজ করার পর শেড এর ক্ষেত্রে পারলিন,গার্ট এবং মাল্টি-স্টোরি বিল্ডিং এর ক্ষেত্রে সাব-বিম সেট-আপ করতে হবে

৪। প্রাইমারি মেম্বার সেট-আপঃ Pipe,Bracing Member and others

ক) সেকেন্ডারী মেম্বার এর কাজ করার পর ব্রেসিং মেম্বার এবং ওপেনিং মেম্বার গুলো সেট-আপ করতে হবে

৫। শিটিং আইটেম সেট-আপঃ Wall Sheeting,Roof Sheeting

ক) প্রাইমারী ও সেকেন্ডারী মেম্বার সেট-আপের পর শিটিং আইটেম এর কাজ শুরু হয়।

খ) শেড বিল্ডিং এর ক্ষেত্রে যদি ওয়াল শিটিং এবং রুফ শিটিং থাকে সেক্ষত্রে আগে রুফ শিটিং এর কাজ করতে হবে। এবং পাশপাশি ব্রিক ওয়ালের কাজ থাকলে তা শেষ করতে হবে। পরবর্তীতে ব্রিক ওয়ালের হাইট মিসার করে বাকী অংশের ওয়াল শিটিং এর কাজ শেষ করতে হবে।

গ) রুফ এবং ওয়াল শিটিং এর ক্ষেত্রে সতর্কতার সাথে ল্যাপিং দিতে হবে নাহলে পরবর্তী তে পানি ঢুকার সম্ভবনা থাকবে।

ঘ) রুফ এবং ওয়াল শিটিং এর ক্ষেত্রে সতর্কতার সাথে ফাসেনার দিতে হবে নাহলে পরবর্তী তে শিটিং খুলে যেতে পারে।

ঙ) রুফ শিটিং এ সাধারনত সব বিল্ডিং এই ইনসুলেশন থাকে , এবং ইন্সুলেশন ভালো কোয়ালিটির এবং সঠিক ভাবে ইমপ্লিম্যান্ট করতে হবে।

চ) ওয়ালের ক্ষেত্রে কিছু স্পেশাল বিল্ডিং এ ইনসুলেশন থাকে যেমনঃ কোল্ড স্টোরেজ

৬। একসেওসরিজ আইটেম সেট-আপঃ Trims, Gutter,Down Pipe ,Canopy,Soffit

ক) স্ট্রাকচার এর কাজ শেষ হবার পর আসে একসেসরিজ এর কাজ, এক্ষেত্রে সঠিক সাইট মিজারমেন্ট এর মাধ্যমে কাজ করতে হবে নাহলে সেট হবেনা।

খ) সাইত থেকে ফিডব্যাক দেয়ার পর সে সাইজের ট্রিমস,গাটার,ডাউনপাইপ ফ্যাব্রিকেশন করতে হবে।

গ) যদি বিল্ডিং এ ক্যানোপি কিংবা সফিট থাকে তারপর তার কাজ করতে হবে। এবং সব শেষে ডোর, উইন্ডো,ভেন্টিলেটর,রুফ মনিটর ইত্যাদি থাকলে তার কাজ করতে হবে।

এসব কাজ করার ক্ষেত্রে খুবই সতর্কতার সাথে কাজ করতে হবে। সেফটি মেন্টেইন করে কাজ করতে হবে এবং এসব কাজ এতই সুক্ষ যে কয়েক মিলিমিটার এর জন্য ও অনেক সমস্যা পোহাতে হতে পারে কিংবা নতুন কএ ম্যাটেরিয়ালস প্রোডাকশন দিতে হতে পারে।

১৪৩৩ বঙ্গাব্দের (২০২৬) পহেলা বৈশাখের সবাইকে জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।"শুভ নববর্ষ ১৪৩৩!"@ গ্রীন হোম ডিজাইন এন্ড ...
14/04/2026

১৪৩৩ বঙ্গাব্দের (২০২৬) পহেলা বৈশাখের সবাইকে জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।

"শুভ নববর্ষ ১৪৩৩!"

@ গ্রীন হোম ডিজাইন এন্ড প্লানিং।

Address

Dhanmondi
Dhaka
1209

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Green Home design & Planning posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share