02/10/2022
সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার", কথাটা শুনতে যতটা আকর্ষনীয় মনে হয় কিন্তু তার প্রোফেশনের জায়গাটা অর্থাৎ কর্মক্ষেত্র বা তার জগতটা ঠিক ততোটা আকর্ষনীয় না। আকর্ষনীয় না বললে ভুল হবে ঠিক টিপিকাল ইঞ্জিনিয়ারদের মতো না। অর্থাৎ বিশ্বে মনে হয় ১০ শতাংশ কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ারেরও নিজস্ব রুম ও সেই রুমে নিজের আলাদা ডেস্ক নাই, এমনকি CTO যারা তাদেরও খুব কমজনেরই নিজস্ব রুম ও ডেস্ক থাকে।
খুব কম সংখ্যক কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়াররাই ফরমাল পোশাক পরে থাকেন, এমকি তারা ক্যাজুয়াল ফুলহাতার শার্টও খুব কম পরেন। এটা ভাবের জন্য না বরং রিলাক্স থাকার জন্য। তাদের পায়ে চকচকা শু কালেভদ্রেও দেখা যায় না, সেখানে শুয়ের ঠক ঠক শব্দ শোনা তো দূরের কথা। ফলে সমাজের আর পাচটা সাধারন লোককে বোঝানো খুব কষ্টের যে আপনি সত্যি সত্যিই একজন ইঞ্জিনিয়ার 😛 যেহেতু কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ারা তাদের মস্তিস্কের সর্বোচ্চ ব্যবহার করে থাকেন তাই বলা যায় অধিকাংশ কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়াররাই কর্মজীবনের একটা বড় সময় জূড়ে হতাশায় ভোগে। আর হতাশ লোক খায় বেশি, সে জন্য কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ারদের হরহামেশাই রেস্তোরায় ভিড় জমাতে দেয়া যায়, নয়তো ছুটিতে সে ট্যুর ট্রাভেল দিয়ে থাকে তাই মাস শেষে অনেক টাকা বেতন পেলেও খুব কম সংখ্যক কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ারদের হাতেই পর্যাপ্ত টাকা থাকে। সবথেকে বড় যে সমস্যা এরা কাজ ও লার্নিং নিয়ে এতো ব্যস্ত থাকে যে ধীরে ধীরে পরিবার ও আপনজন থেকে দূরে সরে যেতে থাকে ফলে একটা সময় তারা নিজেকে নিজে একা আবিষ্কার করে যেটা তার পারিবারিক ও ব্যক্তি জীবন দুটোতেই প্রভাব ফেলে। তাই যারা হুজুগে বা লোভনীয় পেশা হিসেবে কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ার হতে চান তাদের একটু সাবধান হওয়া জরুরী। আর তার থেকেও জরুরী ইঞ্জিনিয়ার হবার পরে বিয়ের আগে আপনার হবু বৌ ও বৌয়ের বাবা মাকে উক্ত বিষয় সম্পর্কে অবগত করা 😛 । এতে করে সকলের জীবনই অনাকাঙ্খিত বিপর্যয়ের হাত থেকে বেচে যাবে 😃
সবথেকে বড় যে সমস্যা এরা কাজ ও লার্নিং নিয়ে এতো ব্যস্ত থাকে যে ধীরে ধীরে পরিবার ও আপনজন থেকে দূরে সরে যেতে থাকে ফলে একটা সময় তারা নিজেকে নিজে একা আবিষ্কার করে যেটা তার পারিবারিক ও ব্যক্তি জীবন দুটোতেই প্রভাব ফেলে।
- Unfortunately it is truth.
(Collected)