Ahnaf Builders Limited

Ahnaf Builders Limited ♦️Architectural Drawing,
♦️Structural Design,
♦️Electric Drawing,
♦️Plumbing Drawing

Our Services
• Planning
• Estimates
• Soil Test
• Foundation Work
• Structural Design
• Architectural Design
•3D Elevation
• Electrical and Plumbing Design
• Building Construction
• Building Supervision
• Safety & Security Plan
• Safety & Security Equipments & Materials Supply
• Construction Materials Supply
• Interior Design
• Building Construction Related works
• Surveying
• Private Land Develop

ment
• Skilled Manpower for Building Construction
• Construction Team
• Building Construction Related Works

21/01/2023
Retrofitting
02/12/2022

Retrofitting

Retrofitting
02/12/2022

Retrofitting

রেট্রোফিটিং কি ??>>>>>পূর্বে নির্মিত বিল্ডিং বা স্ট্রাকচার এ নুতন কিছু সংযোগ করে , বিল্ডিং এর স্ট্রেন্থ বাড়ানোর বা শক্তি...
10/09/2022

রেট্রোফিটিং কি ??
>>>>>
পূর্বে নির্মিত বিল্ডিং বা স্ট্রাকচার এ নুতন কিছু সংযোগ করে , বিল্ডিং এর স্ট্রেন্থ বাড়ানোর বা শক্তিশালী করার প্রক্রিয়াকে সাধারনত রেট্রোফিটিং বলা হয়ে থাকে

বিল্ডিং এ রেট্রোফিটিং কেন করা হয় ?
>>>>>
অনেক গুলো কারণে রেট্রোফিটিং করা হয়ে থাকে , তার মধ্যে প্রধান প্রধান কিছু কারণ নিন্মে তুলে ধরা হয়ঃ
১. বিল্ডিং কোড সঠিকভাবে না মেনে বিল্ডিং নির্মাণ করা হলে ।
২. অনেক সময় ডিজাইন এ ত্রুটির কারণেও রেট্রোফিটিং এর দরকার হয় ।
৩. দীর্ঘদিন ব্যবহারে ও অপ্রত্যাশিত প্রাকৃতিক দুর্যোগ এ ক্ষতিগ্রস্থ হলে বিল্ডিং এর স্ট্রেংথ বাড়াতে হয় ।
৪. ব্যবহৃত বিল্ডিং এর মূল ডিজাইনের বাহিরে ‍গিয়ে অনেক ধরণের পরিবর্তন করা হলে ।(উদাহরণস্বরুপ বলতে পারিঃ কোন ধরনের প্রভিশন না থাকা সত্বেও বিল্ডিংটিকে উপরের দিকে বা যেকোন পাশে বর্ধিতকরণ ইত্যাদি )
৫. বিল্ডিং এ ব্যবহারের ধরন পরিবর্তন করা । ( যেমনঃ রেসিডেনসিয়াল বিল্ডিং করে ইন্ডাস্ট্রিয়াল অথবা কমার্শিয়াল হিসাবে ব্যবহার করা হলে , বিল্ডিং লোড বিয়ারিং সক্ষমতায় তারতম্য হয় । যার ফলে বিল্ডিংকে পুনরায় শক্তিশালী করার প্রয়োজন পড়ে )
উপরোল্লিখিত কারণে মূলত বিল্ডিং এ রেট্রোফিটিং বা স্ট্রেনথিনিং বা শক্তিশালী করার দরকার হয় ।

বিল্ডিং এ সাধারত কি ধরনের রেট্রোফিটিং করা হয় .............
>>>>>>>>>>>>>>>
১.রিনফোর্স স্ট্রেন্থনিং
এটা সাধারনত রিনফোর্স দিয়ে কলাম কে জেকেটিং করা হয়
2.এক্সটারনালি বন্ডেড প্লেট
এক্ষেত্রে স্টিল প্লেট দিয়ে পুরো কলাম কে জেকেটিং করা হয়
৩.শিয়ার বা কম্প্রেশন স্ট্রেন্থনিং
এক্ষেত্রে ফাইবার রিনফোরস পলিমার ব্যাবহার করা হয়

রেট্রোফিটিং এ সবচেয়ে বেশি প্রচলিত রেট্রোফিটিং কিছু পদ্ধতি আছে।
>>>>>
1.Concrete Jacketing of Columns

2.Steel Profile Jacketing of column

3.Addition of Wing Wall

4.Addition of extra structural member

5.Ferro-cement

6.Fiber Reinforced Polymer Wrapping

ফাইবার রিনফোর্স পলিমার দিয়ে রেট্রোফিটিং

ফাইবার রিনফোর্স পলিমার বর্তমানে বহুল প্রচলিত একটি ম্যাটেরিয়াল । ফাইবার রিনফোর্স পলিমার সাধারনত কলামের সিসমিক রেট্রোফিটিং এর জন্যে ব্যাবহার করা হয়। স্টিল ও কনক্রিট এর জ্যাকেটিং এর থেকে ফাইবার রিনফোর্স পলিমার এর অনেক গুলো সুবিধা আছে ।

>ফাইবার রিনফোর্স পলিমার অনেক বেশী স্ট্রেন্থ দেয় এবং খুবই হালকা ওজনে

>হাই মডুলাস অফ ইলাস্টিসিটি

>করোসন রেসিস্টেন্স

ফাইবার হচ্ছে দীর্ঘ filament এর তৈরি একটি উপাদান। একটি একক ফাইবার সাধারণত 15 um ব্যাস পর্যন্ত হয়। ফাইবারগুলির প্রধান ফাংশন হচ্ছে লোড বহন করা, স্থাপত্য বৃদ্ধি করা, এবং অন্যান্য স্ট্রাকচারাল বৈশিষ্ট্যগুলি সরবরাহ করা
বিভিওন্ন রকম ফাইবার রিনফোর্স পলিমার রয়েছে

>কার্বন ফাইবার রিনফোর্স পলিমার

>গ্লাস ফাইবার রিনফোর্স পলিমার

"বিনম্র শ্রদ্ধা”
14/08/2022

"বিনম্র শ্রদ্ধা”

22/05/2022

সদ্য পাশ করা ইঞ্জিনিয়ারদের প্রতি আমার অনুরোধ :
১) তোমরা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে যে ধারণা নিয়ে বের হও,বাংলাদেশে ইঞ্জিনিয়ারদের চাকরির পরিবেশ, বেতন খুব মানসম্মত, বা তোমাদের বড়রা যে সকল গল্প করেন, বাস্তবতা তার উল্টো। এটা মেনে নিও।
২) প্রথম ৩ বছর ভুলে যাও,তুমি ইঞ্জিনিয়ার, কাজ শিখো। বাংলাদেশে কাজ জানা ইঞ্জিনিয়ারের খুব অভাব। ইগো থাকলে কাজ শিখতে পারবে না।
৩) ইঞ্জিনিয়ারের জীবন যেভাবে তুমি কল্পনা করেছো,তার চেয়ে সুন্দর করা সম্ভব তোমার জীবনকে,যদি তুমি কাজ শেখো।
৪) বিএসসি ইঞ্জিনিয়ারদের কাজ করতে হয় না, এটা ভুল কথা।
৫) একই সাথে বিদেশে যাওয়ার প্রিপারেশন, বিসিএস প্রিপারেশন, ব্যাংকের প্রিপারেশন ও বেসরকারি চাকরি কোরো না। জীবনের একটা লক্ষ্য স্থির করে, সেদিকে আগাও।
৬) তোমার বন্ধু ৫০ হাজার টাকার বেতনের চাকরি করছে,এই গল্প শুনে মন খারাপ কোরো না। কাজ শেখো। ৫ বছর অভিজ্ঞতা হলে, তোমার বন্ধুর সাথে ভাল মন্দ মিলিয়ে নিও।
৭) কর্মক্ষেত্রে ফাঁকি দিও না। ফাঁকি দিলে তোমারই ক্ষতি।
৮) দুনিয়াটা পুরোই ম্যানেজমেন্ট। সুতরাং, তোমাকে সবকিছু ম্যানেজ করতে পারতে হবে।
৯) তোমার চাকরির দায়িত্ব সঠিক ভাবে পালন করতে নিজেকে স্কিলড করো।
১০) কোম্পানির জন্য কাজ কোরো না, নিজের জন্য কাজ করো। কোম্পানি তোমাকে বাদ দিতে পারে,২ মাসের বেতন নাও দিতে পারে,তোমার অভিজ্ঞতা আটকে রাখতে পারবে না।
১১) সৎ থেকো। তাহলে শান্তি তে জীবন কাটাতে পারবে।
ভাল থেকো। ধন্যবাদ।

ডুপ্লেক্স বা ট্রিপলেক্স..কেন নিজ গ্রামে একটা বাড়ি বানাবেন..?A.আভিজাত্য:ডুপ্লেক্স বাড়ি মুলত একটি পরিবারের আভিজাত্যের প্রত...
19/05/2021

ডুপ্লেক্স বা ট্রিপলেক্স..কেন নিজ গ্রামে একটা বাড়ি বানাবেন..?

A.আভিজাত্য:
ডুপ্লেক্স বাড়ি মুলত একটি পরিবারের আভিজাত্যের প্রতিক ।গ্রামে এবং এলাকাতে এই বিষয়গুলো বেশ সিরিয়াসলি দেখা হয়।একটা ডুপ্লেক্স বাড়ি রুচি এবং পছন্দের বহিপ্রকাশ ।
B.পরিবারের সন্তুষ্টি:
পরিবারের মুরুব্বিদের(বাবা,মা) আবদার থাকে তাদের শেষ দিনগুলো তারা সুন্দর একটি বাড়িতে কাটাতে চান। তাদের এই মানসিক শান্তির জন্য হলেও সুন্দর একটি ডুপ্লেক্স বাড়ি তৈরি করা প্রয়োজন গ্রামে।
C.ভবিষ্যৎ প্রজন্ম :
গ্রাম মানেই অন্যরকম কিছু বাচ্চাদের জন্য। শহরের ব্যাস্ততা, জায়গার স্বল্পতা এবং কোলাহল গ্রামে নেই। তাই বাচ্চাদের রিফ্রেশমেন্ট এর জন্য গ্রামে নিয়মিত যাওয়া উচিত প্রতিটি বাবা মায়ের।
ঢাকায় ফ্লাটে থাকা বাচ্চারা গ্রামে থাকতে গেলে তাদের জন্য ভালো একটা থাকার ব্যাবস্থা থাকাটা অত্যান্ত জরুরি।
বাচ্চাদের যদি গ্রামে যেতে ইন্টারেস্টেড না করা যায় তবে পরবর্তি প্রজন্মে তারা সম্পুর্ন ভুলে যাবে যে আপনার একটা স্থায়ি ঠিকানা ছিলো কোন এক যায়গায়। আর সুন্দর একটা বাড়ি তাদের এই ইন্টারেস্ট আরো বাড়িয়ে তুলতে পারে।
D.যোগাযোগ:
বর্তমানে দেশের প্রতিটি অঞ্চলের সাথে ঢাকার যোগাযোগ ব্যাবস্থা আগের চেয়ে অনেক ভালো। আপনি যদি ময়মনসিংহ এলাকার হয়ে থাকেন তবে একটি চারলেনের রাস্তার কাজ সম্পন্ন হয়েছে। চট্টগ্রামরে সাথে চারলেন রয়েছে। বরিশালের রাস্তায় পদ্মা সেতু সহ অসাধারন একটি চারলেনের কাজ চলমান এবং উত্তরাঞ্চলের সাথে যোগাযোগ আরো ভালো করার জন্য টাঙ্গাইল পর্যন্ত একটা চারলেন এর কাজ প্রায় সমাপ্ত্। তাই খুব সহজে এখন আগের চেয়ে দ্রুত গতিতে গ্রামের যাওয়া যাবে।
E.আত্মার বন্ধন:
আপনার ঢাকাতে বাড়ি, গাড়ি যতই থাকু সব সময়ই এখানে নিজেকে ভাসমান মনে হবে।শহর আপনাকে আপন করে নিলেও আপনি কখনোই মন থেকে শহরকে আপন করতে পারবেন না। শহরের ইটের দালান আর বালুর ডিবির মধ্যে আত্মার বন্ধন খুজে পাওয়া যায় না। পাওয়া যায় শুধু ব্যাস্ততা, ব্যাস্ততা আর ব্যাস্ততা। আত্মার শান্তি একমাত্র গ্রামের বাড়িতেই পাওয়া সম্ভব।
ডুপ্লেক্স একটি স্বপ্নের নীড় :
নিচের ফ্লোরে কিচেন, লিভিং রুম, গেস্ট রুম, ডাইনিং, বাবুর্চি বা কাজের লোক যেইটাই হোক- সার্ভেন্ট রুম, আর লাইব্রেরি, এবং টুকটাক অফিসিয়াল কাজ বা ডিজাইন এর কাজের জন্য লাইব্রেরির লাগোয়া একটা ওয়ার্কশপ।
আর ডুপ্লেক্স এর উপরের ফ্লোরটা শুধু নিজেদের থাকার ঘর এটাচড বাথ সহ, ড্রেসিংরুম, কিডস রুম, এক্সট্রা আরেকটা রুম যেটা পরে বাচ্চারা বড় হয়ে গেলে লাগবে, একটা ড্রাই ওপেন কিচেন (যেখানে গ্যাসের নয় অনলি ওভেন এন্ড ইলেকট্রিক্যাল রান্নার এক্সেসরিজ থাকবে কারন ভারি রান্নাগুলো নিচতলায় হবে), ছোট একটা ফ্যামিলি লিভিং।
ছাদে বাগান হবে, গ্রীনহাউজ। সেখানে একটা স্টুডিও রুম যেখানে ছবি আকা যাবে। ছাদের একপাশে কফি খাওয়ার জন্য বা বসে জোছনা দেখার মতো ছোট একটা স্পেস থাকবে, শুধু ছাউনি দেয়া, সেখানে দোলনাও থাকতে পারে এবং ছাদের আরেকপাশে ছোট একটি ফোয়ারা।
একেবারে গ্রাউন্ড ফ্লোরে গ্যারেজের পাশে যেন জেনারেটর রাখা যায়, লিফট, গার্ড রুম, বোর্ড রুম অফিস, সার্ভেন্ট কোয়ার্টার উইথ টয়লেট, মোটর এন্ড মিটার।প্লাম্বিং এর সময় পর্যাপ্ত ডাক্ট, ভেন্টিলেশন নিশ্চিত করতে হবে।
ডুপ্লেক্স এর জন্য নিজেদের সিঁড়িটা হবে লিভিং রুমের একপাশে, লিভিং রুম থেকে উপরের রুমের দরজা দেখা যাবেনা, সিঁড়ি দিয়ে উঠলেই একটা খোলা ব্যালকনি পড়বে, শুটিং ইউনিটের ডুপ্লেক্স বাড়িতে যেমন হয়।আর ভাড়াটিয়াদের সিঁড়ি হবে আলাদা, যেটা গ্রাউন্ড ফ্লোর থেকে একেবারে ছাদ পর্যন্ত।
ডুপ্লেক্স বাড়িতে সবসময় কমন স্পেস গুলো নিচ তলাতে থাকবে। যেমন ড্রইংরুম, ডাইনিং রুম, কিচেন, গেস্টবেড এবং স্টোর সহ অন্যান্য যাবতিয় কমন রুম গুলো থাকবে। কখনোই রুম হিসেব করে ডুপ্লেক্স বাড়ি করবেন না। জায়গা হিসাবে করে করুন। জায়গার পরিমান এবং আপনার বাজেট নিয়ে ইঞ্জিনিয়ার এর সাথে আলাপ করুন তারাই আপনাকে রুম এর সুন্দর হিসাব করে দিতে পারবে।
দোতলাতে আপনার পারিবারের সমস্যদের ব্যাক্তিগত বেডরুমগুলো থাকবে। এবং পরিবারের সবাই প্রত্যেকের বেডরুম থেকে বের হয়ে একটু একত্রে সময় কাটানোর জন্য ছোট একটা লিভিং রুম থাকবে। বেডরুম গুলোর সাথে এটাচ বাথরুম এবং বারান্দা থাকাটা বাঞ্চনিয়।
ডুপ্লেক্স এর ছাদটি সবুজ গাছগাছালি দিয়ে পুর্ন করে রাখুন। হয়ত ইনডোর গেমস এর জন্য এবং ব্যায়াম এর জন্য একটি রুম রাখতে পারেন।
বাকি ছাদটুকুন রাখুন আপনার এবং আপনার বাচ্চাদের জন্য একটি অসাধারন গ্রিন এরিয়ার জন্য। বৃস্টি উপভোগ করার জন্য বা শীতের বিকালের মিস্টি রোদে বসে আড্ডা দেয়ার জন্য স্থানটি ডিজাইন করুন।
বাড়ির সামনে একটি বাগান করুন ,সেখালে ফুলের গাছ লাগাতে পারে অথবা একটি ছোট সুইমিং পুল করতে পারেন। সুইমিং পুল নির্মান খরচ আসলেডিজাইন এর নির্ভর করে।

ডুপ্লেক্স বাড়ির সিঁড়ি :
বাড়ির দুটি ভিন্ন তলার মাঝে সংযোগ স্থাপন করে সিঁড়ি। ডুপ্লেক্স বাড়ির সিঁড়ির নিচের জায়গায় যদি একটু নান্দনিকতার ছোঁয়া এনে দেন তাহলে পুরো ঘরের চেহারা পাল্টে যাবে। ঘরটাও হয়ে উঠবে দৃষ্টিনন্দন। আপনার সিঁড়ির এই ছোট জায়গাটির ডেকোরেশন কতটা সুন্দর হবে তা নির্ভর করছে আপনার শৈল্পিক রুচিবোধের ওপর। যদিও আমরা অনেকেই বুঝতে পারি না কেমন আলো বা কী রঙ ব্যবহার করলে সিঁড়ি ও বাসার দৃশ্যপট পাল্টাবে অথবা কোন আসবাব ব্যবহারে ঘরের সাথে এর সামঞ্জস্য রক্ষা হবে।
সিঁড়ির অনুষঙ্গ:
সিঁড়িকে হাইলাইট করতে এর প্রতিটি পদে ধাতব বা কাচের গ্লাসের ড্রয়ার করতে পারেন। যা আপনার প্রয়োজনে কাজে লাগবে আবার দেখতেও সুন্দর লাগবে। সিঁড়ি যদি সোজা হয় তাহলে এর সামনে দুটি পটারি ব্যবহার করতে পারেন। আর সিঁড়ি যদি বাঁকা বা সর্পিল আকারে হয় তাহলে এর পাশের দেয়ালে দুটি বা একটি বড় পেইন্টিং ব্যবহার করুন। অথবা ওয়াল পেপার দিয়েও সিঁড়ির উপরের আর নিচের দেয়াল সাজিয়ে নিতে পারেন। পিছনের দেয়ালের কিছুটা অংশে কাচ দিতে পারেন। যাতে বাইরের আলোতে জায়গাটি দিনের বেলা আরো নান্দনিক দেখা যায়। ফ্লোরে শতরঞ্জি বা কার্পেট ব্যবহার করে তার ওপর রঙ-বেরঙের কুশন রাখতে পারেন। বড় সাইজের একটি গোলাকার মাটির পটারির মধ্যে পানি রেখে তার ওপর ফুলের পাপড়ি আর মোম রাখতে পারেন। ছোট ছোট ফুলের টব জায়গাটিকে আরো প্রাণবন্ত করে তুলবে।

পরামর্শ
• ধাতুর বা কাচের গ্লাসের ড্রয়ার যেন মজবুত হয়। অন্যথায় দুর্ঘটনা ঘটার সম্ভাবনা থাকবে।
• পটারিগুলো মাটির না হওয়াই ভালো। অসাবধানবশত ভেঙে যেতে পারে। ধাতুর বা তামার পটারি ব্যবহার করুন।
• দেয়ালের রঙের সাথে মিলিয়ে ওয়াল পেপারের রং বাছাই করুন।
• পেইন্টিং বড় হলে একটাই ব্যবহার করুন। আর ছোট হলে দুটো বা তিনটি ব্যবহার করতে পারেন।
• শতরঞ্জি বা কার্পেট যেন খুব বড় না হয়। দেখতে বেমানান লাগবে। আর কুশন তিনটির বেশি ব্যবহার না করাই ভালো। কুশন মাঝারি সাইজের হলে দেখতে ভালো লাগবে।
• দেয়ালে ছোট ছোট শোপিস ঝুলিয়ে রাখতে পারেন।

আলোর সামঞ্জস্য:
আলো যেকোনো জায়গাকে হাইলাইট করে খুব সহজে। সিঁড়িকে স্পট লাইটের সাহায্যে হাইলাইট করুন। খুব বেশি লাইট ব্যবহার করবেন না। প্রতিটি সিঁড়ির নিচে সাইট থেকে একটি করে স্পট লাইট দেওয়া যেতে পারে। পেইন্টিঙের ওপর একটি ছোট স্পটলাইট ব্যবহার করুন। এতে ছবিটি দূর থেকে ফোকাস হবে। পটারির মধ্যে চাইলে হালকা আলোর স্পটলাইট ব্যবহার করতে পারেন। খেয়াল রাখবেন ঘরের অন্য জায়গার সাথে এই আলোর যেন সামঞ্জস্য থাকে।

পরামর্শ:
• বিভিন্ন রঙের স্পটলাইট ব্যবহার করবেন না। যেকোনো এক রঙের লাইট ব্যবহার করুন।
• কোথাও হালকা আলো আবার কোথাও বেশি আলোর লাইট ব্যবহার করতে পারেন। এতে কিছু কিছু জায়গা হাইলাইট হবে।
• সিঁড়ির স্পট লাইটগুলো সব একসাথে জ্বালিয়ে রাখবেন না। একটা করে সিঁড়ি বাদ দিয়ে লাইট জ্বালাতে পারেন।
• উপর থেকে নিচ পর্যন্ত ঝুলে থাকবে এমন কিছু স্পট লাইট সাজিয়ে তৈরি করুন আলো-ছায়ার ছায়াপথ।
• মাটির গোল পটারির মধ্যে ওপর থেকে স্পট লাইট দিতে পারেন। এতে পানির ভিতর এর প্রতিফলন ভালো লাগবে।
সিঁড়ির জন্য আসবাব
সিঁড়ির নিচে আপনি চাইলে একটা ছোটখাটো পাঠাগার বানাতে পারেন। সেলফের মধ্যে পছন্দের বই রাখুন। আবার শোকেসও বানাতে পারেন। এ ক্ষেত্রে শোপিস রাখার শোকেস রাখুন। আর শোকেসের মধ্যে স্পটলাইট লাগাতে পারেন। এতে শোপিসগুলো আরো ফুটে উঠবে এবং জায়গাটি কালারফুল মনে হবে। এ ছাড়া চাইলে আপনি সেখানে ডিভানও রাখতে পারেন। ছোটছোট সোফা সাজিয়ে দিতে পারেন বিভিন্ন রঙের কুশন দিয়ে। অথবা সিঁড়ির নিচের অংশে স্টোরেজ ব্যবস্থা করা যেতে পারে। কাঠ বা বোর্ডের তাক বানিয়ে স্টোরেজ বানিয়ে নিন। স্টোরেজ না বোঝাতে চাইলে এর দরজায় আয়না ব্যবহার করতে পারেন। রঙও করে দিতে পারেন।
পরামর্শ
• বইয়ের তাক খুব বেশি বড় হলে দেখতে বেমানান লাগবে। তিন তাক বিশিষ্ট তাক বানাতে পারেন। এতে বেশি উঁচু লাগবে না।
• কংক্রিটের সেলফও সিঁড়ি অনুযায়ী বানিয়ে নিতে পারেন। এতে জায়গা নষ্ট হওয়ার সম্ভাবনা কম থাকে।
• শোকেসে কালারফুল শোপিস রাখার চেষ্টা করুন। যাতে স্পটলাইটে জিনিসগুলো আরো হাইলাইট হতে পারে।
• ডিভান বা সোফা রাখলে নিচে কার্পেটে কুশন রাখার প্রয়োজন নেই।
শিল্প এবং স্থাপত্যকে নতুন আঙ্গিকে মানুষের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে অসংখ্য ধ্বংসোন্মুখ অমূল্য ঐতিহাসিক নিদর্শনের মূল আদিষ রূপ পুনরুদ্ধার করা সম্ভব হলে বদলে যতে পারে বাংলাদেশ

সবাই বলে যাচ্ছি মিস্ত্রি ডিজাইনে বিল্ডিং করলে এরকম হয় । আসল কাহিনী কেউ কি জানি ?আর ছবি দেখে কি শুধু মিস্ত্রিকে দোষ দেওয়া...
09/05/2021

সবাই বলে যাচ্ছি মিস্ত্রি ডিজাইনে বিল্ডিং করলে এরকম হয় । আসল কাহিনী কেউ কি জানি ?
আর ছবি দেখে কি শুধু মিস্ত্রিকে দোষ দেওয়া যায় ? তবে যেসকল প্রকৌশলী ২/৪ হাজার টাকায় ডিজাইন আবার সুপারভিশন সাভিস দিতে রাজী হয়ে থাকেন তাদের জন্য একটি সতর্কবার্তা ।

আর বাড়ির মালিক যারা কনট্রাকটর বা মিস্ত্রির সকল কথা আপন মনে বিশ্বাস করে প্রকৌশলী নিয়ে বাজে মন্তব্য করতেও দ্বিধা করেন না ।

06/05/2021

ইঞ্জিনিয়ার্স ডে-তে সভ্যতা বিনির্মানের কারিগরদের জানাই শুভেচ্ছা
Happy Engineer's Day

পরিবেশ বান্ধব ইন্টেরিয়র  কাজ করার লক্ষ্যেই আমাদের রয়েছে এক ঝাঁক অভিজ্ঞ আর্কিটেক্ট ৷যেকোন পরামর্শের জন্য যোগাযোগ করতে প...
06/05/2021

পরিবেশ বান্ধব ইন্টেরিয়র কাজ করার লক্ষ্যেই আমাদের রয়েছে এক ঝাঁক অভিজ্ঞ আর্কিটেক্ট ৷
যেকোন পরামর্শের জন্য যোগাযোগ করতে পারেন।

Project No: 07 (4 storied Building) Project Name: Administrative Building,Cortex Appeal Ltd Location : Jirani Bazar, Sav...
30/04/2021

Project No: 07 (4 storied Building)
Project Name: Administrative Building,
Cortex Appeal Ltd
Location : Jirani Bazar, Savar.

আপনার স্বপ্নকে বাস্তবে রুপান্তরিত করতেআমরা আছি আপনার পাশে।
26/04/2021

আপনার স্বপ্নকে বাস্তবে রুপান্তরিত করতে
আমরা আছি আপনার পাশে।

Address

Gha-185/1, Mohakhali
Dhaka
1230

Opening Hours

Monday 09:00 - 21:00
Tuesday 09:00 - 21:00
Wednesday 09:00 - 21:00
Thursday 09:00 - 21:00
Friday 14:00 - 22:00
Saturday 09:00 - 21:00
Sunday 09:00 - 21:00

Telephone

+8801511111735

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Ahnaf Builders Limited posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Ahnaf Builders Limited:

Share