Green Peace

Green Peace Its a Trusted Real Estate Company

আপনি কি এখনো ভাড়া দিচ্ছেন? 🤔নিজের ফ্ল্যাটে থাকার সময় এসে গেছে!শহরের গুরুত্বপূর্ণ প্রাইম লোকেশনেআধুনিক সুযোগ–সুবিধাসহ স...
28/01/2026

আপনি কি এখনো ভাড়া দিচ্ছেন? 🤔
নিজের ফ্ল্যাটে থাকার সময় এসে গেছে!
শহরের গুরুত্বপূর্ণ প্রাইম লোকেশনে
আধুনিক সুযোগ–সুবিধাসহ সুন্দর ফ্ল্যাট বিক্রয়যোগ্য।
🔥 লিমিটেড সময়ের সুযোগ 🔥
দাম আলোচনা সাপেক্ষে।
সিরিয়াস বায়ারদের জন্য দারুণ ডিল!

"মাটির সাথে সম্পর্কের শুরু, স্বপ্নের নীড় গড়ার প্রথম ধাপ।" 🏡✨"নিজের জায়গা, নিজের ঠিকানা—ভবিষ্যতের সবচেয়ে নিরাপদ বিনিয়োগ।"...
28/01/2026

"মাটির সাথে সম্পর্কের শুরু, স্বপ্নের নীড় গড়ার প্রথম ধাপ।" 🏡✨

"নিজের জায়গা, নিজের ঠিকানা—ভবিষ্যতের সবচেয়ে নিরাপদ বিনিয়োগ।" 📈🔑

"সবুজের মাঝে নতুন ঠিকানা, ব্যস্ত শহরের কোলাহল থেকে কিছুটা দূরে।" 🌿🌳

"ছাদ তো অনেকেই দেয়, কিন্তু স্বপ্নের জায়গাটা নিজের হওয়াই আসল।" 🏠❤️

পরিবারের জন্য একটি নিরাপদ ঠিকানা চাই? ❤️কেরানীগঞ্জে নির্ভরযোগ্য হাউজিং প্রজেক্টযেখানে শান্তি, নিরাপত্তা আর ভবিষ্যৎ একসাথ...
10/01/2026

পরিবারের জন্য একটি নিরাপদ ঠিকানা চাই? ❤️
কেরানীগঞ্জে নির্ভরযোগ্য হাউজিং প্রজেক্ট
যেখানে শান্তি, নিরাপত্তা আর ভবিষ্যৎ একসাথে

🏠 নিজের বাড়ির প্রথম ধাপ আজই নিন
📩 ইনবক্সে মেসেজ দিন।

আজ ছিল ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট তৌকিরের সলো ফ্লাইট ট্রেনিং (Solo Flight Training) সলো ফ্লাইট ট্রেনিং হলো একজন পাইলটের ট্রেনিং...
21/07/2025

আজ ছিল ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট তৌকিরের সলো ফ্লাইট ট্রেনিং (Solo Flight Training)

সলো ফ্লাইট ট্রেনিং হলো একজন পাইলটের ট্রেনিংয়ের সর্বশেষ ধাপ। ফাইটার জেট অপারেট করার জন্য একজন পাইলট যে হাই স্কিল্ড, সেটি'ই প্রমাণিত হয় সোলো ফ্লাইটের মাধ্যমে। ট্রেনিং-এর এপর্যায়ে পাইলটকে নেভিগেটর বা কো-পাইলট বা কোনো প্রকার ইন্সট্রাক্টর ব্যতীত একাই ফ্লাইট অপারেট করতে হয়। ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট তৌকির আজ সেরকমই একটি ট্রেনিং ফ্লাইট অপারেট করছিলেন।

যেকোনো প্রকার ট্রেনিং ফ্লাইট সিভিলিয়ান এরিয়া থেকে দূরেই হয়ে থাকে, তবে সলো ফ্লাইট সাধারণত আর্বান এরিয়াতেই হয়ে থাকে৷ আর আর্বান এরিয়াতে এধরণের সেন্সিটিভ ফ্লাইট অপারেট করার জন্য পাইলটকে যথেষ্ট কোয়ালিফাইড হতে হয়। ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট তৌকির তেমনই একজন পাইলট।

তো ট্রেনিংয়ের লক্ষ্যে তৌকির তার এফ-৭ বিমান নিয়ে কুর্মিটোলা পুরাতন এয়ারফোর্স বেস থেকে টেক অফ করেন। এরপর উত্তরা, দিয়াবাড়ি, বাড্ডা, হাতিরঝিল, রামপুরা'র আকাশজুড়ে তিনি উড়তে থাকেন। তবে কিছুক্ষণের মধ্যেই তিনি বিমানে কিছু সমস্যা আঁচ করেন।

কন্ট্রোল রুমে রিপোর্ট করে জানান যে তার বিমান আকাশে ভাসছে না, মনে হচ্ছে বিমান নিচের দিকে পড়ে যাচ্ছে। কন্ট্রোল রুম থেকে ইন্সট্যান্ট রেসপন্স করে ইজেক্ট করার জন্য জানানো হয়। কিন্তু সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সাথে কথা বলে যতটুকু জানা সম্ভব হয়েছে: ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট তৌকির শেষ মুহূর্ত অব্দি চেষ্টা করেছেন বিমান বাচানোর জন্য।

তিনি বিমানটির সর্বোচ্চ ম্যাক স্পিড তুলে বেসের দিকে ছুটতে থাকেন। এর মধ্যেই কন্ট্রোল রুমের সাথে পাইলটের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। তার ঠিক এক থেকে দেড় মিনিটের মধ্যেই বিমানটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে উত্তরা মাইলস্টোন স্কুলে বিধ্বস্ত হয়।

এখন পর্যন্ত এতটুকুই জানা গেছে। তবে বিমানের ঠিক কি ধরণের টেকনিক্যাল ফেইলিওরের জন্য এই দুর্ঘটনা ঘটলো, তা কেবলমাত্র ম্যাসিভ ইনভেস্টিগেশন হলেই জানা সম্ভব।

কপি

একদম লাষ্ট স্টেজে যখন মানুষ আইসিইউ তে এডমিট থাকে 😢তখন এভাবে গ্লোবস এর ভিতরে হালকা উষ্ণ গরম পানি দিয়ে কারো উপস্থিতি অনুভব...
14/07/2025

একদম লাষ্ট স্টেজে যখন মানুষ আইসিইউ তে এডমিট থাকে 😢
তখন এভাবে গ্লোবস এর ভিতরে হালকা উষ্ণ গরম পানি দিয়ে কারো উপস্থিতি অনুভব করানো হয় তাকে!
বোঝানো হয় "সে একা নয় " তার হাত ধরে কেউ আছে পাশে।

একটি নির্মম কথা তাই না?
স্পর্শ অনেক দামী!! 🖤💗

একটুখানি হাসুন মন ভালো হয়ে যাবে সিংহ সিগারেট ধরাচ্ছিলো... হঠাৎ শিয়াল এসে বললো, ভাই, কেন এসব ছাইপাশ খাচ্ছো? ছেড়ে দাও। এসো...
07/10/2024

একটুখানি হাসুন মন ভালো হয়ে যাবে

সিংহ সিগারেট ধরাচ্ছিলো... হঠাৎ শিয়াল এসে বললো, ভাই, কেন এসব ছাইপাশ খাচ্ছো? ছেড়ে দাও। এসো আমার সাথে, দেখো, এই বন কি সুন্দর!

সিংহ শিয়ালের সাথে যাওয়া শুরু করলো। কদ্দুর যাবার পর দেখে হাতি ‘বাবা’ খাচ্ছে।

শিয়াল আবার বললো, কেন ভাই? কি দুঃখ তোমার? এসব ছেড়ে আমার সাথে চলো, দেখো, এই বন কত নাইস!

হাতি তার পিছে পিছে যাওয়া ধরলো। আবার কিছুদূর যাবার পর দেখে বাঘ মদ খেয়ে টাল।

শিয়াল গিয়ে সুন্দর করে বুঝালো, ছাড়ো না এসব নেশা। আমার সাথে চলো। দেখো, বনটা কত্ত বিউটিফুল!

বাঘ উঠে ঠাডায় একটা থাবড়া মারলো। শিয়াল কয়েক গজ দূরে গিয়ে পড়লো।

হাতি বললো, কি হলো ভাই?! বেচারাতো ভালো কথাই বললো।

বাঘ কইলো, এই হারামজাদা ডেইলি গাঁঞ্জা খাইয়া এইভাবে সবাইরে নিয়া রাইত ভর জঙ্গলে ঘুরায় !!!

পলাশীর যুদ্ধ যখন হয় সিরাজ উদ দৌলার তখন মাত্র 24 বছর বয়স , এবার পুরোটা পড়ুনবাঙালি জাতির আয়নাঃনবাব সিরাজউদ্দৌলাকে যখন ...
07/08/2024

পলাশীর যুদ্ধ যখন হয় সিরাজ উদ দৌলার তখন মাত্র 24 বছর বয়স , এবার পুরোটা পড়ুন
বাঙালি জাতির আয়নাঃ
নবাব সিরাজউদ্দৌলাকে যখন গ্রেফতার করে টেনে হিচঁড়ে নিয়ে যাওয়া হয়, তখন অসংখ্য মানুষ হা করে নীরব দর্শকের মতো সেই দৃশ্য উপভোগ করেছিলো। শুধু তাই নয়, পিঠে ছুরিকাঘাত করার পূর্বে নবাবকে কাঁটাওয়ালা সিংহাসন ও ছেঁড়া জুতা দিয়ে যখন অপমান করা হচ্ছিলো,তখন শত শত মানুষ সেই কৌতুকে ব্যাপক বিনোদিত হয়েছিলো!

মাস সাইকোলজিটা একটু খেয়াল করে দেখুন, এই জাতি দুই'শ বছরের গোলামী সাদরে গ্রহণ করেছিলো ওভাবেই।একটি মজার তথ্য দেই। লর্ড ক্লাইভ তার ব্যক্তিগত ডায়েরীতে লিখেছিল নবাব কে যখন ধরে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিলো অপমান করতে করতে তখন দাঁড়িয়ে থেকে যারা এসব প্রত্যক্ষ করেছিল তারা যদি একটি করেও ঢিল ছুঁড়ত তবে ক্লাইভ কে করুণ পরাজয় বরণ করতে হতো।

আরো চমকপ্রদ তথ্য হচ্ছে প্রায় ১০ হাজার অশ্বারোহী, ৩০ হাজার পদাতিক এবং অসংখ্য কামান-গোলাবারুদসহ বিশাল সুসজ্জিত সৈন্যবাহিনী নিয়েই পলাশীর ময়দানে এসেছিলেন নবাব সিরাজউদ্দৌলা।
কিন্তু তার বিপরীতে রবার্ট ক্লাইভের সৈন্যসংখ্যা ছিলো মাত্র ৩ হাজার, যার মধ্যে ৯শ জনই ছিলো হাতে পায়ে ধরে নিয়ে আসা ব্রিটিশ সেনাবাহিনীর শৌখিন অফিসিয়াল সদস্য যাদের অধিকাংশেরই তলোয়ার ধরার মতো সুপ্রশিক্ষণ ছিলো না, কোন দিন যুদ্ধ করেনি। এতো কিছু জেনেও রবার্ট ক্লাইভ যুদ্ধে নেমেছিলো এবং জিতবে জেনেই নেমেছিলো। কারণ, রবার্ট ক্লাইভ খুব ভালো করেই জানতেন একটি হীনমন্য ব্যক্তিস্বার্থলোভী দ্বিধাগ্রস্ত জাতিকে পরাস্হ করতে খুব বেশি আয়োজনের প্রয়োজন নেই ; রক্ত-যুদ্ধ এইসব এদের জন্য মশা মারতে কামান দাগার মতো অবস্থা।যাদেরকে সামান্য দাবার চালেই মাত করে দেয়া যায়, তাদের জন্য হাজার হাজার সৈন্যের জীবনের ঝুঁকি তিনি কেনো নিবেন?

এছাড়াও, মীরজাফরকে যখন নবাবীর টোপ গেলানো হয়, রবার্ট ক্লাইভ তখনো জানতো যে, সিরাজকে পরাজিত করার পর এই বদমাশটিসহ বাকিগুলোর পিছনে ও লাথি দেয়া হবে এবং হয়েছেও তাই। মীরজাফর, উমিচাঁদ, রায়বল্লভ, ঘষেটি বেগম সহ সবগুলোরই করুণ মৃত্যু হয়েছিলো।

রবার্ট ক্লাইভ মীরজাফরের বেঈমানীর উপর ভরসা করে যুদ্ধে আসেনি। সে যুদ্ধে এসেছিলো বাঙালির মানসিকতা ও ভূত-ভবিষ্যতসহ বহুদূর পর্যন্ত নিখুঁতভাবে আন্দাজ করে। সে জানতো, মীরজাফরকে টোপ দিলে গিলবে এবং কাজ শেষ হলে লাথি দিবে। সে জানতো, যুদ্ধশেষে জনসম্মুখে নবাবের পাছায় লাথি দিলেও এই জাতি বিনোদনে দাঁতকেলাবে, অথবা হা করে সব চেয়ে চেয়ে দেখবে। বিনা দ্বিধায়ই সার্টিফিকেট দেয়া যায়, বাঙালি জাতির কদাকার মানসিকতা সবচেয়ে নিখুঁতভাবে মাপতে পারা ইতিহাসের প্রথম ব্যক্তিটির নাম রবার্ট ক্লাইভ.

আসলে আমাদের রক্ত দূষিত, সমাজে ভাল লোকের সংখ্যাই বেশি। খারাপ মানুষ খুব অল্প, তারপরও আমরা পুরা জাতি এই গুটিকয়েক খারাপ মানুষের কাছে জিম্মি । কারণ একটাই, আমাদের প্রতিবাদ করার মত সৎ সাহস নেই।।
#কালেক্টেড

যারা ভাবেন পরউপকার  করে কি লাভ?ওসব করে নিজের স্বাভাবিক জীবন ব্যাহত করা তাদের জন্যে এই সুন্দর গল্পটি।  সুপ্রিয় বাবু প্রাই...
21/06/2024

যারা ভাবেন পরউপকার করে কি লাভ?ওসব করে নিজের স্বাভাবিক জীবন ব্যাহত করা তাদের জন্যে এই সুন্দর গল্পটি।
সুপ্রিয় বাবু প্রাইমারি স্কুলের শিক্ষক।।
বাড়ি থেকে বিদ্যালয়ের দূরত্ব পাঁচ কিলোমিটার।।
একদম নির্জন রাস্তার উপর দিয়ে যেতে হয়, তার স্কুলে।।
বাড়ি থেকে স্কুলে যাওয়ার রাস্তায়,, কোনোরকম যানবাহন ছিলো না।। সুপ্রিয় বাবু ভালো মানুষ,, প্রায় প্রতিদিন ওনাকে কেউ না কেউ,, বাইক অথবা সাইকেলে লিফট দিয়ে দিতেন।। ভাগ্য খারাপ হলে,, সেদিন দুই-পায়ের উপর ভরসা ছাড়া কোনো উপায় থাকে না।।

"এত নির্জন জায়গায় কেনো যে সরকার স্কুল খোলে ?" রোজ সকালে স্কুলে বের হওয়ার আগে,সুপ্রিয় বাবু এটাই মনে করেন।।

একটু একটু করে পরিশ্রমের টাকা জমিয়ে ,, সুপ্রিয় বাবু একটা বেটারী সাইকেল কেনেন।।

সাইকেল কেনার পরেই তিনি শপথ নিলেন,, প্রতিদিন কাউকে না কাউকে লিফট দেবেন।। কাউকে মানা করবেন না।। কারণ,, তিনি জানতেন,, যখন কেউ লিফট দিতে মানা করে,, তখন ভীষণ লজ্জায় পড়ে যেতে হয়।।

সুপ্রিয় বাবু যখনই স্কুলে যেতেন,, কাউকে না কাউকে পিছনে বসিয়ে নিতেন।। ফেরার সময় ও যে কোনো মানুষকে লিফট দিতেন।।

একদিন স্কুল থেকে ফেরার পথে,, একজন অচেনা ব্যাক্তি হাত দেখান।। সুপ্রিয় বাবু সাইকেল থামিয়ে,, তাকে পিছনে বসিয়ে নেন।।

কিছুদুর যাওয়ার পর,, অজ্ঞাত পরিচয় মানুষটি সুপ্রিয় বাবু পিঠে ছুরি ঠেকিয়ে বলে -- "কাছে যতো টাকা আছে,, আর এই সাইকেল আমাকে দিয়ে দাও।। নাহলে তোমাকে মেরে ফেলবো।।"

সুপ্রিয় বাবু ভীষণ ভয় পেয়ে গেলেন।। টাকা পয়সা তেমন কিছু ছিলো না।। কিন্তু,, অনেক কষ্ট করে সাইকেল তা কিনেছিলো শেষে ওটা দিয়ে দিতে হল।

যাইহোক,, নিরুপায় সুপ্রিয় বাবু,, অজ্ঞাত পরিচয় মানুষটিকে সাইকেল দিয়ে বললেন - "সাইকেল নিয়ে যান,, কিন্তু,, আমার একটা অনুরোধ রইলো।।"

চোর বলে - "বলুন।।"

সুপ্রিয় বাবু বললেন - "তুমি কোনদিন কাউকে বলবেনা,, এই সাইকেল কোথা থেকে,, এবং,, কিভাবে তুমি পেয়েছো।। আমিও থানায় রিপোর্ট করবো না।।"

চোর আশ্চর্য হয়ে বললো - "কিন্তু কেনো ?? "

সুপ্রিয় বাবু বললেন - "দেখো,, এই রাস্তা নির্জন।। এমনিতেই সবাই ভয়ে ভয়ে চলাফেরা করে।। তারপর,, সবাই যদি জানতে পারে,, এই রাস্তায় সাইকেল ছিনতাই হয়েছে,, তাহলে কেউ আর কাউকে লিফট দেবে না।। "

চোরের মায়া হলো।। ভাবলো সুপ্রিয় বাবু সৎ এবং সজ্জন মানুষ।। কিন্তু,, পেট তো আর শুনবে না।। সাইকেল করে চোর চম্পট দিলো।।

পরেরদিন সকালে,, সুপ্রিয় বাবু দরজা খুলে দেখেন,, দরজার সামনে তার সাইকেল রয়েছে।।

সুপ্রিয় বাবু খুশী হয়ে গেলেন।। কিছুটা আশ্চর্য হয়ে সাইকেলের কাছে গিয়ে দেখেন--- .

সাইকেলের ক্যারিয়ার এ একটা কাগজ রয়েছে।।

কাগজে লেখা------
"মাষ্টারমশাই,, এটা ভাববেন না যে,, আপনার জ্ঞানগর্ভ কথা শুনে,, আমার মন বিগলিত হয়ে পড়েছে।।"

" আপনার সাইকেল নিয়ে প্রথমে চোরাই মাল খরিদকারীর কাছে গেলাম।। উনি দেখেই বললেন - "আরে,, এটা তো মাষ্টার মশাইয়ের সাইকেল না ??"

" বললাম,, হ্যাঁ,, ঠিক বলেছেন,, মাষ্টার মশাই আমাকে বিশেষ কাজে বাজারে পাঠিয়েছেন,, বলে ,, ততক্ষণাৎ সেখান থেকে চম্পট দিলাম।।"

" সারাদিন কিছু খাওয়া হয়নি,, মিষ্টির দোকানে কিছু খেতে গেলাম।। দোকানদার বললো -- "আরে মাষ্টার মশাইয়ের সাইকেল নিয়ে কোথায় ঘুরছো??"

-- "বললাম,, হ্যাঁ,, মাষ্টার মশাইয়ের বাড়িতে অতিথি এসেছে,, তাই মিষ্টি কিনতে এলাম।।"

-- "রাস্তায় যার সঙ্গে দেখা,, সেই বলছে,, মাষ্টার মশাইয়ের সাইকেল দেখ দেখ ......"

"ভাবলাম এলাকার বাইরে কোথাও গিয়ে বিক্রি করতে হবে।। এলাকার বর্ডারে পুলিশ চেকিং চলছিলো।।
পুলিশ বললো - "আরে,, মাষ্টার মশাইয়ের সাইকেলটা নিয়ে কোথায় চলেছো ??"

- "পুলিশ আমার দিকে তেড়ে আসছে দেখে,, কোনো রকমে সাইকেল নিয়ে চলে এলাম।। পুলিশের হাতে ধরা পড়লে,, আমার বারোটা বাজিয়ে দিতো।।"

-" মহাশয়,, এটা আপনার সাইকেল নাকি,, মুকেশ আম্বানির ফরচুনার সেটাই বুঝতে পারলাম না।। গোটা এলাকার মানুষ চেনে,, এটা মাষ্টার মশাইয়ের সাইকেল ।।"

-- "আপনার জিনিস,, আপনার কাছেই রেখে গেলাম।। এটা চুরি করে,, কতো মারাত্মক ভুল করে ফেলেছি,, আপনাকে বোঝাতে পারবো না।।"

-- "এই ভুলের খেসারত বাবদ,, আপনার সাইকেল এ একটা বেটারী টর্চ লাগিয়ে দিলাম আপনার রাত হলে আস্তে আর অসুবিধা হবেনা।"

চিঠিটা পড়ে সুপ্রিয় বাবু হেসে উঠলেন।। বললেন - "ভালো কাজ করলে,, অবশ্যই ভালো প্রতিদান পাওয়া যাবে, সাময়িক কালের জন্যে খারাপ কাটলেও সেই খারাপ দীর্ঘস্থায়ী কখনোই হবেনা। অপর কেউ খারাপ করছে বলে আপনিও করবেন তাহলে আপনার আর ওনার মধ্যে তফাৎ কি রইবে বলুন।
সৃষ্টি কর্তার শ্রেষ্ট জীব হলো মানুষ তাই প্রতিটা মানুষের সামাজিক দায়বদ্ধতা রাখা উচিত তাহলেই সমাজ ভালো থাকবে আমাদের এই ধরণী ভালো থাকবে। ভালো কাজ করুন সব ভালোই হবে।
🙏🙏🙏

“গুনে গুনে ৮টা চুল ওয়ালা একটা লোককে গতকাল সেলুনে দেখলাম। সেলুনে যেহেতু মোটামুটি কাস্টমার ছিল তাই নাপিত মহাশয়ের তখন মেজাজ...
07/06/2024

“গুনে গুনে ৮টা চুল ওয়ালা একটা লোককে গতকাল সেলুনে দেখলাম। সেলুনে যেহেতু মোটামুটি কাস্টমার ছিল তাই নাপিত মহাশয়ের তখন মেজাজ খারাপ। লোকটি চুলের দিকে ইঙ্গিত করতেই নাপিত জানতে চাইলেন, কী ভাই, কাটবো না গুনবো?
লোকটি তখন হেসে উত্তর দিলেন, নারে ভাই ওইসব না, চুলগুলো রাঙ্গিয়ে দিন প্লিজ।

সেলুনের সবাই একটু মজা নিলেও আমি মোটেও মজা পাইলাম না কারন আমার কাছে '"জীবন উপভোগ করার বিষয়'"। তাই জীবনে যতটুকু আছে তা নিয়েই হাসিমুখে উপভোগ করতে হয়। কোন একটা ক্লাসে আমার শিক্ষক একবার বলেছিল যাদের মাথায় চুল কম তাদের পকেটে চিরুনি থাকে কেননা "" হারিয়ে খুঁজি তাকে" ছন্দটি ওনার জন্যই প্রযোজ্য।

আসল কথায় আসি, যদি আপনি কখনো STRESSED ফিল করেন তবে সবকিছু থেকে সাময়িক বিরতি নিবেন, আইস্ক্রিম, চকলেট, মিস্টি, বগুড়ার দই, টাঙ্গাইলের চমচম, পেস্ট্রি বা ফালুদা দিয়ে নিজেকে আপ্যায়িত করবেন।

এখন জানতে চাইতে পারেন কেন?

STRESSED শব্দটাকে উল্টো করে লিখে দেখুন উত্তরটা পেয়ে যাবেন, STRESSED কে উল্টো করে লিখলে সেটা DESSERTS ই হয়।

আপনি কি কখনও ইংরেজি বর্ণমালা নিয়ে ভেবে দেখেছেন, যদি না ভাবেন তবে দেখে নিন ইংরেজি বর্ণমালা আপনাকে কী পরামর্শ দিচ্ছেঃ

১. A B C = Avoid Boring Company =বিরক্তিকর সহচার্য এড়িয়ে চলুন।

২. D E F =Don't Entertain Fools = মূর্খদের গুরুত্ব দিবেন না।

৩. G H I = Go for a High Idea = উচ্চ ধারণার খোঁজ করুন ।

৪. J K L M = Just keep a friend like Me = নিজের মতো বন্ধু বানান।

৫. N O P = Never Overlook the Poor= দরিদ্র এবং পীড়িতদের কখনো অবজ্ঞা করবেন না।

৬. Q R S = Quit Reacting to Silly tales= অযথা বাজে কথায় প্রতিক্রিয়া দেখাবেন না।

৭. T U V = Tune Yourself (Urself) for your Victory = নিজেকে বিজয়ের জন্য প্রস্তুত করুন।

৮. W X Y Z = We Expect (Xpect) You to Zoom ahead in life = আমরা আশা করি তুমি জীবনে এগিয়ে যাবে।

চাঁদের দিকে তাকালে আপনি স্রষ্টার তৈরী সৌন্দর্য দেখতে পাবেন। সুর্যের দিকে তাকালে আপনি স্রষ্টার শক্তিমত্তা দেখতে পাবেন। আর আয়নার দিকে তাকালে আপনি স্রষ্টার সর্বশ্রেষ্ঠ সৃষ্টি দেখতে পাবেন। তাই সবসময় নিজের উপরে আস্থা এবং বিশ্বাস রাখবেন।

জীবনের লক্ষ যদি এমন হয় তবে কেমন হবে ৯৮৭৬৫৪৩২১০

৯ = প্রতিদিন ৯ গ্লাস পানি পান করুন।
৮ = প্রতিদিন ৮ ঘন্টা ঘুমান।
৭ = পরিবার নিয়ে ৭ আশ্চর্য ঘুরে আসুন।
৬ = ৬ ডিজিটের আয় রোজগার করুন।
৫ = ৫ কর্ম দিবসের সপ্তাহ তৈরি করুন।
৪ = ৪ চাকার একটি গাড়ি কিনুন।
৩ = ৩ বেড রুমের একটা ফ্লাট কিনুন।
২ = ২ টা ফুটফুটে বাচ্চার অভিভাবক হন।
১ = ১ প্রেয়সী গড়ুন।
০ = দুশ্চিন্তাকে শুন্যের কোটায় নামিয়ে ফলুন।

#সংগৃহীত

২ মিনিট মনোযোগ দিয়ে পড়লে অনেক কাজে আসবেএক কোম্পানীতে ছিলো এক পিপড়া। সে প্রতিদিন ৯টায় অফিসে ঢুকতো। তারপর কারো সঙ্গে সময় ন...
30/05/2024

২ মিনিট মনোযোগ দিয়ে পড়লে অনেক কাজে আসবে

এক কোম্পানীতে ছিলো এক পিপড়া। সে প্রতিদিন ৯টায় অফিসে ঢুকতো। তারপর কারো সঙ্গে সময় নষ্ট না করে সঙ্গে সঙ্গে কাজে বসে যেত।

সে যে পরিমাণ কাজ করত, তাতে কোম্পানির উৎপাদন হতো প্রচুর এবং এর ফলে সে আনন্দের সঙ্গেই জীবন নির্বাহ করত।

ওই অফিসের সিইও সিংহ অবাক হয়ে দেখত, এই পিঁপড়াটি কোনো ধরনের সুপারভিশন ছাড়াই প্রচুর কাজ করছে। সিংহ ভাবল, পিঁপড়াকে যদি কারও সুপারভিশনে দেওয়া হয়, তাহলে সে আরও বেশি কাজ করতে পারবে।

কয়েক দিনের মধ্যেই সিংহ একটি তেলাপোকাকে পিঁপড়ার সুপারভাইজার হিসেবে নিয়োগ দিল। সুপারভাইজার হিসেবে এই তেলাপোকাটির ছিল দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতা, আর সে দুর্দান্ত রিপোর্ট লিখতে পারত।

তেলাপোকাটি প্রথমেই সিদ্ধান্ত নিল, এই অফিসে একটি অ্যাটেনডেন্স সিস্টেম থাকা উচিত।

কয়েক দিনের মধ্যেই তেলাপোকার মনে হলো, তার একজন সেক্রেটারি দরকার, যে তাকে রিপোর্ট লিখতে সাহায্য করবে। … সে একটা মাকড়সাকে নিয়োগ দিল এই কাজে যে সব ফোনকল মনিটর করবে, আর নথিপত্র রাখবে।

সিংহ খুব আনন্দ নিয়ে দেখল যে তেলাপোকা তাকে প্রতিদিনের কাজের হিসাব দিচ্ছে আর সেগুলো বিশ্লেষণ করছে গ্রাফের মাধ্যমে। ফলে খুব সহজেই উৎপাদনের ধারা সম্পর্কে ধারণা নেওয়া যাচ্ছে এবং সিংহ সেগুলো বোর্ড মিটিংয়ে ‘প্রেজেন্টেশন’ আকারে পেশ করে বাহবা পাচ্ছে।

কিছুদিনের মধ্যেই তেলাপোকার একটি কম্পিউটার ও লেজার প্রিন্টার প্রয়োজন হলো এবং এগুলো দেখভালের জন্য আইটি ডিপার্টমেন্ট গঠন করল। আইটি বিশেষজ্ঞ হিসেবে নিয়োগ পেল মাছি।

আমাদের কর্মী পিঁপড়া, যে প্রতিদিন অফিসে এসে প্রচুর কাজ করে মনের সুখে গান গাইতে গাইতে বাসায় ফিরত, তাকে এখন প্রচুর পেপার ওয়ার্ক করতে হয়, সপ্তাহের চার দিনই নানা মিটিংয়ে হাজিরা দিতে হয়।

নিত্যদিন এসব ঝামেলার কারণে কাজে ব্যাঘাত ঘটায় উৎপাদন কমতে লাগল, আর সে বিরক্ত হতে লাগল।

সিংহ সিদ্ধান্ত নিল, পিঁপড়া যে বিভাগে কাজ করে, সেটাকে একটা আলাদা ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করে সেটার একজন ডিপার্টমেন্ট প্রধান নিয়োগ দেওয়ার এটাই উপযুক্ত সময়।

সিংহ ঝিঁঝিপোকাকে ওই ডিপার্টমেন্টের প্রধান হিসেবে নিয়োগ দিল। ঝিঁঝিপোকা প্রথম দিন এসেই তার রুমের জন্য একটা আরামদায়ক কার্পেট ও চেয়ারের অর্ডার দিল।

কয়েক দিনের মধ্যেই অফিসের জন্য স্ট্র্যাটেজিক প্ল্যান তৈরি করতে ঝিঁঝি পোকার একটি কম্পিউটার ও ব্যক্তিগত সহকারীর প্রয়োজন হলো। কম্পিউটার নতুন কেনা হলেও ব্যক্তিগত সহকারী হিসেবে ঝিঁঝিপোকা নিয়োগ দিল তার পুরোনো অফিসের একজনকে।

পিঁপড়া যেখানে কাজ করে, সেখানে আগে ছিল চমৎকার একটা পরিবেশ। এখন সেখানে কেউ কথা বলে না, হাসে না। সবাই খুব মনমরা হয়ে কাজ করে।

ঝিঁঝিপোকা পরিস্থিতি উন্নয়নে সিংহকে বোঝাল, ‘অফিসে কাজের পরিবেশ’ শীর্ষক একটা স্টাডি খুব জরুরি হয়ে পড়েছে।

পর্যালোচনা করে সিংহ দেখতে পেল, পিঁপড়ার বিভাগে উৎপাদন আগের তুলনায় অনেক কমে গেছে।

কাজেই সিংহ কয়েক দিনের মধ্যেই স্বনামখ্যাত কনসালট্যান্ট পেঁচাকে অডিট রিপোর্ট এবং উৎপাদন বাড়ানোর উপায় বাতলে দেওয়ার জন্য নিয়োগ দিল।

পেঁচা তিন মাস পিঁপড়ার ডিপার্টমেন্ট মনিটর করল, সবার সঙ্গে ওয়ান টু ওয়ান কথা বলল। তারপর বেশ মোটাসোটা একটা রিপোর্ট পেশ করল সিংহের কাছে। ওই রিপোর্টের সারমর্ম হলো, এই অফিসে প্রয়োজনের তুলনায় কর্মী বেশি। কর্মী ছাঁটাই করা হোক।

পরের সপ্তাহেই বেশ কয়েকজন কর্মী ছাঁটাই করা হলো। বলুন তো, কে সর্বপ্রথম চাকরি হারাল?

ওই হতভাগ্য পিঁপড়া। কারণ, পেঁচার রিপোর্টে লেখা ছিল, ‘এই কর্মীর মোটিভেশনের ব্যাপক অভাব রয়েছে এবং সর্বদাই নেতিবাচক আচরণ করছে, যা অফিসের কর্মপরিবেশ নষ্ট করছে,,,,,,,,,

Address

Dhaka.
Dhaka
1000

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Green Peace posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share