16/11/2024
#কাজ_চলাকালীন_সময়_করনীয় :--
১. বালি-সিমেন্ট মিশানোর সময় ইঞ্জিনিয়ার / প্রতিনিধীকে অবশ্যই উপস্থিত থাকতে হবে।
২. বালি মিশানোর স্থান ও আশপাশ অবশ্যই পরিষ্কার থাকতে হবে।
৩. এক ব্যাগ বা তার বেশী সিমেন্টের সাথে বালি মিশাতে হলে ১০/১২” উচ্চতায় বালি সমান করে বিছাতে হবে। এবং বালির উপর সিমেন্ট সমানভাবে বিছাতে হবে। এরপর কোদাল নিয়ে বালি সিমেন্ট মিশাতে হবে যেন মিশ্রন ইউনিফর্ম হয়।
৪. মিশ্রন চালণিতে অবশ্যই চেলে নিতে হবে।
৫. এরপর পানি দেওয়ার জন্য মিশ্রনের মাঝে জায়গা খালি রাখতে হবে এবং ধীরে ধীরে পানি দিতে হবে (অতঃপর পানি ও মিশ্রন ভালোভাবে মিশিয়ে প্লাস্টারের মশলা বানাতে হবে। উল্লেখ্য যে মশলা ১ ঘন্টার মধ্যে ব্যবহার করে ফেলতে হবে।
৬. আরসিসি বা রাফ ওয়ালে সিমেন্ট গ্রাউটিং ব্যবহারের সময় সিলিং বা অন্য কোথাও যেন না লাগে।
৭. প্লাস্টার আরম্ভ করার সময় প্রথমে পায়া করে নিতে হবে, এবং সুতা দিয়ে লেভেল চেক করে নিতে হবে ।
৮. প্লাস্টারের কাজে কোন অবস্থায় গুড়া ব্যবহার করা যাবে না।
৯. সিলিং, কলাম, বীম ও কোবলা অবশ্যই শল ও মাটামে থাকতে হবে। এজন্য প্লাস্টারের পরপরই শল, সুতা ও মাটাম (Tri squire) দিয়ে চেক করতে হবে ।
১০. সিলিং, বীম এর তলা একই লেভেলে থাকতে হবে।
১১. রুমের ওয়াল টু ওয়াল এবং কোনাকুনি মাপ সমান হতে হবে।
১২. কলাম ও ফ্রি ওয়ালের কর্নার ২ সুতা ট্যাপার করতে হবে।
১৩. প্রতিদিন কাজের স্থান অবশ্যই পরিষ্কার রাখতে হবে।
১৪. পরের দিনের কাজের স্থান অবশ্যই আগের দিন ঠিকাদার / ফোর ম্যানকে জানিয়ে দিতে হবে।
১৫. যখন যে জায়গায় কাজ শুরু হবে, সেই জায়গায় কাজ সম্পূর্ন শেষ করতে হবে।
১৬. কাজের শেষে প্রতিটি কাজের জায়গা ফোরম্যান নিজে চেক করে জানাবে এবং ইঞ্জিনিয়ার নিজে চেক করে প্রয়োজনীয় নির্দেশ নিবে।
১৭. চেকিং এর পর যদি কোন রিপেয়ারিং এর কাজ করা লাগে তবে তা সাথে সাথে করতে হবে।
১৮. প্লাস্টারের এর পুরুত্ব ১” এর বেশী হলে সে ক্ষেত্রে রাফ করে রেখে পরবর্তী দিন গ্রাউটিং করে বাকী প্লাস্টার এর কাজ শেষ করতে হবে।
১৯. দুই এর অধিক ইলেকট্রিক পাইপ এর লেয়ার থাকলে অবশ্যই ওয়ার ম্যাশ ব্যবহার করতে হবে।
২০. ২০০ ওয়াট এর লাইট জ্বালিয়ে প্লাস্টার করতে হবে।