iTEAc Design House

iTEAc Design House A Consortium of design & Construction

08/11/2025
(জি+৮) = ৯ তলা।  প্রতি  ফ্লোরে ২ ইউনিট। ১২৫০ এসএফটি করে  @ মুগদা, ঢাকা।
08/11/2025

(জি+৮) = ৯ তলা। প্রতি ফ্লোরে ২ ইউনিট। ১২৫০ এসএফটি করে @ মুগদা, ঢাকা।

সুলভ মূল্যে ১টি ষটুডিও ফ্ল্যাট  বিক্রি হবে।@ Agargaon. Flat টির মাসিক ভাড়া চলছে ১১,৫০০/=  টাকা। যোগাযোগ : WhatsApp: 0174...
08/11/2025

সুলভ মূল্যে ১টি ষটুডিও ফ্ল্যাট বিক্রি হবে।@ Agargaon.
Flat টির মাসিক ভাড়া চলছে ১১,৫০০/= টাকা।
যোগাযোগ : WhatsApp: 01748320127

কনসিল বীম কি?স্ল্যাবের সমান পুরুত্বের বীমকে কনসীল বীম বলা হয়ে থাকে। কনসীল বীম এর অন্য একটি নাম হলো হিডেন বীম।-----------...
05/11/2025

কনসিল বীম কি?
স্ল্যাবের সমান পুরুত্বের বীমকে কনসীল বীম বলা হয়ে থাকে। কনসীল বীম এর অন্য একটি নাম হলো হিডেন বীম।
---------------------------------------------------------------------
মুলত ফ্লাট স্ল্যাবে কলাম বরাবর যেভাবে স্ট্রীপ চিন্তা করে অতিরিক্ত রিইনফোর্সমেন্ট দেয়া হয়, এমন চিন্তা থেকেই এই কনসীল বীমের ধারণা এসেছে।

200 মিমি এর নিচের পুরত্বের কোন ছাদে এই জাতীয় বীম ব্যবহার করা উচিত না।

কেন কনসিল ছাদ দেওয়া হয়?
১। অনাকাঙ্গিত বীম গভীরতা থাকে না বলে সৌন্দর্য বাড়ে।
২। সাটারিং এবং কাস্টিং এর খরচ কমানো যায়।

সতর্কতাঃ-
১। কনসীল বীম করতে হলে শুধু বীম নয়, পুরো স্ল্যাব সহ মডেলটি এনালাইসিস করতে হবে।

ইঞ্জিনিয়ারিং এ কনসীল বীম বলে তেমন কিছু নেই। মূলত ফ্লাট স্লাবে যেভাবে কলাম টু কলাম বরাবর স্ট্রীপ ধরে এক্সট্রা Reinforcement দেওয়া হয় এটাকে অনুকরন করেই কনসীল বীম ধারনা প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। ২০০মি.মি. বা ৭.৮৫ ইঞ্চি এর কম Thickness এর ছাদে এই জিনিস করা কোন মতেই ঠিক না। যথা সম্ভব তা পরিহার করে চলা উচিত।

কনসিল বীম করার কারনে বিল্ডিং এর কি কি ক্ষতি হবেঃ-
১। স্ট্রাকচার কলাম স্ট্রিপ এ দুর্বল হয়।
২৷ ভুমিকম্পে স্যান্ডউইচ হবার আশঙ্কা থাকে।
৩। কনসীল বীমে Reinforcement টোটাল RCC এর ২% এর অধিক হয়ে পড়ে।
৪। কনসিল বীম স্ট্রাকচার Lateral Load নিতে পারে না।
৫। Normal Beam এর থেকে কনসীল বীম ১০% কম Axial Load নিতে পারে।
৬। কনসীল বীমে Vertical Displacement নরমাল বীমের থেকে ১০% বেশী হয় বলে তা তুলনা মূলক ভাবে দুর্বল হয়।
৭। steel ২% এর বেশী হবার কারনে Concrete সব জায়গায় পৌছাতে পারে না। এতে হানিকম্ব তৈরী হয় ।
৮। এমন সমস্যা থাকার পরেও কেনো কনসিল ছাদ /বিম সম্পর্কে কন্ট্রাক্টর সুপারিশ করে??
৯। কাজ সহজ হয় এবং ওয়ার্কার কম লাগে।
১০। সাটারিং বেঁচে যায়।
১১। রুম ভাগ করতে সুবিধা হয় যেহেতু বিম দেখা যাবে না।

সর্বপরি এই বিম স্ট্যন্ডার্ড বিমের মত কার্যকরী হবে না। আমরা অনেকেই এই বিষয়গুলো সম্পর্কে অবগত নই,তাই না বুঝেই এই ধরনের নির্মানে আগ্রহী হই।

সিঁড়ি নির্মাণে সঠিক মাপ নির্ধারণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, -----------------------------------------------------------------...
02/11/2025

সিঁড়ি নির্মাণে সঠিক মাপ নির্ধারণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ,
-------------------------------------------------------------------------
সিঁড়ি নির্মাণে সঠিক মাপ নির্ধারণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এটি শুধু আরামদায়ক চলাচল নিশ্চিত করে না, বরং সুরক্ষা এবং স্থাপত্যগত সৌন্দর্যও বৃদ্ধি করে।

সিঁড়ির ডিজাইন করতে গেলে ট্রেড (Tread), রাইজার (Riser), এবং অন্যান্য উপাদানের স্ট্যান্ডার্ড মাপ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে হবে। নিচে সিঁড়ি ডিজাইন এবং নির্মাণের ক্ষেত্রে স্ট্যান্ডার্ড নির্দেশিকা দেওয়া হলো।

সিঁড়ির গুরুত্বপূর্ণ অংশগুলো:

১.রাইজার (Riser):
রাইজার হলো সিঁড়ির প্রতিটি ধাপের উল্লম্ব উচ্চতা। এটি মানুষের আরামদায়ক চলাচল নিশ্চিত করে।

স্ট্যান্ডার্ড মাপ:
গৃহস্থালী সিঁড়ি: ৬ ইঞ্চি (১৫০ মিমি) থেকে ৭ ইঞ্চি (১৭৫ মিমি)।
বাণিজ্যিক সিঁড়ি: ৬ ইঞ্চি বা এর কম।
বাহিরের সিঁড়ি: ৫ ইঞ্চি থেকে ৬ ইঞ্চি।

২. ট্রেড (Tread):
ট্রেড হলো সিঁড়ির প্রতিটি ধাপের অনুভূমিক প্রস্থ, যেখানে পা রাখা হয়।

স্ট্যান্ডার্ড মাপ:
গৃহস্থালী সিঁড়ি: ১০ ইঞ্চি (২৫০ মিমি) থেকে ১২ ইঞ্চি (৩০০ মিমি)।
বাণিজ্যিক সিঁড়ি: ১২ ইঞ্চি বা এর বেশি।
বাহিরের সিঁড়ি: ১২ ইঞ্চি থেকে ১৪ ইঞ্চি।

৩. নোজিং (Nosing):
এটি ট্রেডের প্রান্তের বাড়তি অংশ, যা সিঁড়ির সৌন্দর্য ও নিরাপত্তা বৃদ্ধি করে।
সাধারণত ০.৫ ইঞ্চি থেকে ১ ইঞ্চি (১৫ থেকে ২৫ মিমি)।

৪. সিঁড়ির চওড়াই (Width):
গৃহস্থালী সিঁড়ি: ৩ ফুট (৯০০ মিমি) বা তার বেশি।
বাণিজ্যিক সিঁড়ি: ৪ থেকে ৫ ফুট (১২০০ থেকে ১৫০০ মিমি)।
বহিরঙ্গন সিঁড়ি: ৪ ফুট বা এর বেশি।

২. ডিজাইন ফর্মুলা:
স্ট্যান্ডার্ড মাপ নিশ্চিত করতে "২R + T = ২৪ থেকে ২৬ ইঞ্চি" ফর্মুলা অনুসরণ করা হয়।

ফর্মুলার ব্যাখ্যা:
= রাইজারের উচ্চতা।
= ট্রেডের প্রস্থ।

ফলাফল: দুই রাইজারের সমষ্টি এবং এক ট্রেডের সমষ্টি ২৪ থেকে
২৬ ইঞ্চির মধ্যে থাকতে হবে।

উদাহরণ:
রাইজার ৭ ইঞ্চি হলে,
রাইজার ৬ ইঞ্চি হলে,

৩. বিভিন্ন প্রকার সিঁড়ির জন্য প্রস্তাবিত মাপ:

৪. সিঁড়ির ঢাল (Slope):
সিঁড়ির ঢাল বা ইনক্লাইন কোণ ৩০° থেকে ৩৭° এর মধ্যে রাখাই আদর্শ। এটি মানুষের আরামদায়ক চলাচলের জন্য সেরা।

৫. সিঁড়ির নিরাপত্তা ও সৌন্দর্য:
১. হ্যান্ড্রেইল (Handrail):
উচ্চতা: ৩৪ থেকে ৩৮ ইঞ্চি (৮৫০ থেকে ১০০০ মিমি)।
হ্যান্ড্রেইল ডিজাইনে সুরক্ষা নিশ্চিত করতে হবে।

২. হেডরুম (Headroom):
সিঁড়ির উপরের অংশে মাথার জন্য।

বিয়ারিং প্যাড (Bearing Pad) হলো নির্মাণ কাজে ব্যবহৃত একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান, যা সাধারণত রাবার বা রাবার ও ইস্পাতের মিশ্...
28/10/2025

বিয়ারিং প্যাড (Bearing Pad) হলো নির্মাণ কাজে ব্যবহৃত একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান, যা সাধারণত রাবার বা রাবার ও ইস্পাতের মিশ্রণে তৈরি একটি পুরু অংশ। এটি প্রধানত উড়ালসেতু, উড়ালপথ, সেতু বা মেট্রো রেলের মতো স্থাপনাগুলোতে ব্যবহার করা হয়।
বিয়ারিং প্যাড কেন ব্যবহার করা হয় এবং এর কাজ কী:
➤ ভার বহন ও সমবন্টন: এটি সেতুর স্ল্যাব বা রেললাইন (সুপারস্ট্রাকচার) এবং পিলারের (সাবস্ট্রাকচার) সংযোগস্থলে স্থাপন করা হয়। এর প্রধান কাজ হলো ট্রেনের বা গাড়ির ভার বহন করা এবং সেই চাপকে সরাসরি পিলারে না ফেলে সমভাবে মাটির দিকে সঞ্চারিত করে দেওয়া।
➤কম্পন ও শক শোষণ (Vibration and Shock Absorption): এটি গাড়ির চলাচল বা ট্রেনের ধাক্কা ও কম্পন শোষণ করে, ফলে পুরো কাঠামোতে সৃষ্ট ঝাঁকুনি বা আঘাতের ক্ষতিকর প্রভাব কমে যায়।
➤কাঠামোর স্থিতিস্থাপকতা ও নড়াচড়ায় সহায়তা: সেতু বা উড়ালপথ তাপমাত্রার পরিবর্তন, বাতাসের চাপ বা অন্যান্য কারণে প্রসারিত বা সংকুচিত হয় (থার্মাল এক্সপানশন ও কনট্রাকশন)। বিয়ারিং প্যাড এই আড়াআড়ি নড়াচড়ায় সহায়তা করে এবং কাঠামোতে অতিরিক্ত চাপ তৈরি হওয়া প্রতিরোধ করে। এটি কাঠামোতে এক ধরনের স্থিতিস্থাপকতা বজায় রাখে।
➤ ঘর্ষণ ও ক্ষয় হ্রাস: এটি কংক্রিটের দুটি অংশের মধ্যে সরাসরি ঘর্ষণ হওয়া রোধ করে, যার ফলে ক্ষয়ক্ষতি কমে এবং স্থাপনার স্থায়িত্ব বাড়ে।
সংক্ষেপে, বিয়ারিং প্যাড স্থাপনার নিরাপত্তা, স্থিতিশীলতা এবং দীর্ঘায়ু নিশ্চিত করার জন্য একটি নিরবচ্ছিন্ন রক্ষাকবচ হিসেবে কাজ করে।

19/10/2025

1️⃣ Main Bar (মেইন বার)

এটি হলো প্রধান রিইনফোর্সমেন্ট, যা সরাসরি লোড (Dead Load + Live Load) বহন করে।

বেশি টেনশন যেখানে পড়ে (যেমন স্ল্যাবের নিচের দিকে, বিমের নিচের ফাইবারে), সেখানে মেইন বার বসানো হয়।

সাধারণত দীর্ঘদিক (Long Span) বরাবর মেইন বার দেওয়া হয়, কারণ সেই দিকেই সর্বোচ্চ বেন্ডিং মোমেন্ট কাজ করে।

2️⃣ Distribution Bar (ডিস্ট্রিবিউশন বার)

এটি মেইন বারগুলিকে তাদের নির্দিষ্ট পজিশনে ধরে রাখে।

স্ল্যাবের জুড়ে তাপ, সঙ্কোচন (Shrinkage), এবং ছোট ছোট ফাটল (Minor Cracks) নিয়ন্ত্রণ করে।

সাধারণত ছোট দিক (Short Span) বরাবর দেওয়া হয় এবং ব্যাস কম হয় মেইন বারের তুলনায়।

3️⃣ Crank Bar (Hooked/ Bent Bar / Cranked / Bent-up Bar)

এটি লোডকে সাপোর্টে সঠিকভাবে বিতরণ (Load Distribution to Supports) করতে সাহায্য করে।

স্ল্যাব বা বিমের ওপরে সাপোর্টের কাছে নেগেটিভ বেন্ডিং মোমেন্ট বেশি থাকে—সে জায়গায় ক্র্যাঙ্ক বার উপরে উঠে টেনশন ধরে।

এর ফলে স্ট্রাকচারের ডিফ্লেকশন ও ফাটল কমে।

সাধারণত 45° বা 60° অ্যাঙ্গেলে বাঁকানো হয়, এবং L/4 দূরত্বে ক্র্যাঙ্কিং শুরু হয়।

4️⃣ Extra Top Bar (অতিরিক্ত টপ বার)

Beam-column junction, সাপোর্ট, বা ক্যান্টিলিভারের কাছে নেগেটিভ মোমেন্ট বেশি থাকে।

সেই জায়গায় উপরের দিকে টেনশন রোধ করার জন্য অতিরিক্ত রড দেওয়া হয়।

সাপোর্টে চাকা ওঠা/নামা, ওয়াল লোড, বা অন্য পয়েন্ট লোড থেকে যে Stress Concentration হয়, তা নিয়ন্ত্রণ করে।

0042
13/10/2025

0042

০০২৩
13/10/2025

০০২৩

২৭/০৯/২৫
27/09/2025

২৭/০৯/২৫

Address

9/1-D, West Agargaon, Dhaka-1207
Dhaka

Telephone

+8801748320127

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when iTEAc Design House posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to iTEAc Design House:

Share