MD.lechu.miha

MD.lechu.miha Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from MD.lechu.miha, Dhaka.

09/03/2023
01/03/2023
16/04/2020

দয়া #করে #একটু #পড়বেন
পাশের বাড়ির আন্টির সাথে একসাথে বসে টিভি দেখছি আর টুকটাক কথা বলছি। এমন সময় মা এসে বললো বাবার প্রেসারের ঔষধ শেষ হয়ে গেছে আমি যেন এখন ফার্মেসিতে গিয়ে ঔষধটা এনে দেই। আমি যখন ঔষধ আনতে যাবো তখনি আমার ছোটবোন বললো,
-ভাই, ফার্মেসি থেকে আসার সময় আমার জন্য একটা সেনোরা প্যাড নিয়ে আসিস তো।
আমার বোনের কথা শুনে পাশের বাসার আন্টি আঁচলে মুখটা ঢেকে বললো,
~ ছিঃ ছিঃ এত বড় মেয়ে হয়েছে তবুও একটু লজ্জা শরম নাই। নিজের ভাইকে বলে এইসব পঁচা জিনিস আনতে...
আমি আন্টিকে কিছু বলতে যাবো তার আগেই আমার বোন আন্টির সামনে বসে হাসতে হাসতে বললো,
- আচ্ছা আন্টি আপনার যখন সন্তান হয়েছিলো সেই কথাটা আপনি আপনার ভাইকে বলতে লজ্জা পেয়েছিলেন?
পাশের বাসার আন্টি অবাক হয়ে বললো,
~আমার সন্তান হয়েছে সেটা আমার ভাইকে বলতে লজ্জা পাবো কেন? সন্তান হওয়া তো আনন্দের ব্যাপার।
- আন্টি পিরিয়ড হওয়াটাও আনন্দের ব্যাপার। একজন মেয়েকে পরবর্তীতে সন্তান সম্ভাবনা হতে সাহায্য করে এই পিরিয়ড প্রক্রিয়া । কিন্তু আপনাদের মত কিছু মানুষ এই নিয়ম চক্রটাকে খারাপ চোখে দেখে...
ফার্মেসি থেকে যখন বাবার ঔষধ আর সেনোরা প্যাড কিনে ঘরে ফিরছি তখন খেয়াল করলাম একটা মেয়ে ফার্মেসি থেকে একটু দূরে চুপচাপ অনেকক্ষণ ধরে দাঁড়িয়ে আছে। আমি মেয়েটার কাছে গিয়ে বললাম,
-- বোন, তোমার কি কিছু দরকার?
আমার মুখ থেকে বোন ডাকাটা শুনে মেয়েটা কিছুটা স্বাভাবিক ভাবে বললো,
~ ভাই একটু ফার্মেসিতে যাওয়া দরকার ছিলো কিন্তু অনেক লোক তো তাই যেতে সংকোচ বোধ করছি। লোক গুলো কমলে যাবো।
আমি মেয়েটার কথা শুনে ওর হাতে সেনোরার প্যাকেটটা দিয়ে বললাম,
-- তোমার যেটা লাগবে সেটা এইখানে আছে। আমি আমার বোনের জন্যই এটা কিনে নিয়ে যাচ্ছিলাম।
মেয়েটা আমতা আমতা করছিলো আমি তখন মেয়েটাকে বললাম,
-- এতে সংকোচ বোধ করার কিছু নেই। নেক্সট টাইম যখন কিনবে তখন মনে কোন সংকোচ না রেখে সরাসরি কিনবে।আর কেউ যদি তোমার এটা নিয়ে হাসাহাসি করে তাহলে ধরে নিবে ও বিকৃত মস্তিষ্কের মানুষ।
পিরিয়ড মেয়েদের জন্য লজ্জা না পিরিয়ড মেয়েদের জন্য অহংকার...
বাস দিয়ে রানাঘাট থেকে দিঘা যাচ্ছি। একটু পর খেয়াল করলাম আমার একটু সামনে বসা একটা মেয়ের জামার ফাঁক দিয়ে ব্রার কালো ফিতাটা দেখা যাচ্ছে। আর আমার পাশে বসা ২টা ছেলে এটা দেখছে আর হাসাহাসি করছে। আমি মিষ্টি হেসে ছেলে দুইটাকে বললাম,
-- কি ভাই, কি দেখে মনে এত আনন্দ পাচ্ছেন??
একটা ছেলে নিজে নিজের ঠোঁট কামড় দিয়ে বললো,
~ গুপ্তধন দেখে ফেলেছি ভাই। তাই মনে এত আনন্দ..
আমি হেসে হেসে বললাম,
- ভাইয়ের তো দেখছি সেই রকম ফিলিংস। দেখেই সব মজা নিয়ে নেন। তা ভাইয়ের ঘর কোথায়, ভাই বোন কয়জন?
ছেলেটা মেয়েটার ব্রার ফিতার দিকে তাকিয়ে বললো,
~ ঘর ভাই তাজপুর। আর একজন বড় বোন আছে। আনন্দ মোহন কলেজে পড়ে।
-- তাজপুর থেকে আপনার বোন কি বাস দিয়ে আনাগোনা করে?
~ হাঁ ভাই..
আমি তখন মুচকি হেসে বললাম,
-- আপনার বোনের পিছনে সিটে বসেও মনে হয় কোন না কোন ছেলে আপনার মত আপনার বোনের গুপ্তধন দেখার চেষ্টা করে।
আমার কথাটা শুনে ছেলেটা মাথাটা নিচু করে ফেললো। আর পাশে বসা ছেলেটাকে বললাম,
-- কি ভাই, আপনার বোন কিসে চলাচল করে?
ছেলেটা কিছু না বলে রাগান্বিত হয়ে আমার দিকে তাকিয়ে রইলো।
আমি আর কিছু না বলে শুধু মুচকি হাসলাম। আর একটা চিরকুট মেয়েটার হাতে দিয়ে বাস থেকে নেমে পড়লাম...
রিকশা করে যখন ছোট বোনকে নিয়ে বাসায় ফিরছি। তখন ছোট বোন বললো,
- ভাই কয়েকটা প্যারাসিটামল নিয়ে নে...
রিকসা দাড় করিয়ে আমি যখন ফার্মেসি থেকে প্যারাসিটামল কিনতে যায় তখন ফার্মেসির ছেলেটা আমাকে প্যারাসিটামলের সাথে একটা প্যাকেট ধরিয়ে দেয়। আমি প্যাকেটা খুলে ছেলেটাকে বললাম,
-- আজকাল প্যারাসিটামলের সাথে কনডমের প্যাকেট ফ্রি দাও না কি?
ছেলেটা মুচকি হেসে বললো,
~ একটু পর তো ভাই আপনাদের লাগবে।
আমিও তখন মুচকি হেসে ছেলেটাকে বললাম,
-- তুমি যখন তোমার বোনের সাথে কোথাও ঘুরতে বের হও তখন কি পকেটে কনডমের প্যাকেট রাখো?
ছেলেটা কিছু বললো না শুধু মাথাটা নিচু করে দাঁড়িয়ে রইলো....
আমরা পুরুষ আজকাল নিজেদেরকে ক্ষুধার্ত বাঘ মনে করি আর আমাদের চোখে নারীরা হলো একটা টগবগে হরিণের বাচ্চা...
রাস্তায় চলার সময় যখন কোন নারীর সাদা জামাতে রক্তের দাগ দেখতে পাই তখন পাশে থাকা বন্ধুটাকে সেই দাগটা দেখিয়ে মনে একটা পিশাচিক আনন্দ পাই। অথচ আমরা ভুলে যায় নারীর যদি পিরিয়ড না হতো তাহলে আমাদের জন্মই হতো না...
নারীর ওড়নার ফাঁক দিয়ে দেখা এক টুকরো নরম মাংস পিন্ড দেখে আমাদের পুরুষদন্ড দাঁড়িয়ে যায়। অথচ আমরা ভুলে যায় জন্মের পর আমরা নারীর এই নরম মাংসপিণ্ড থেকেই দুধ পান করেছি...
রিকশায় ছেলে মেয়েকে একসাথে দেখলেই আমাদের মনে একটা খারাপ চিন্তা এসে যায় অথচ আমরা ভুলে যায় ওরা তো ভাই বোন হতে পারে, বন্ধু হতে পারে, মামা ভাগ্নি হতে পারে...
আমরা সবসময় বলি নারীজাতি খারাপ অথচ আমরা এটা ভুলে যায় আমাদের জন্ম কোন না কোন নারীর গর্ভে...
আমাদের চোখে নারীজাতি যতই খারাপ হোক না কেন তাদের সম্মান করতে হবে কারণ সৃষ্টির শুরু থেকে ওরা সেই সম্মান পেয়ে এসেছে।সেই নারীই হলো আমাদের মা, আমাদের বোন, আমাদের অর্ধাঙ্গিনী
#নারী
কিছু ভুল থাকলে ক্ষমা করবেন 😊

16/04/2020

পুরোটাই_না_পড়ে_কেও_বাজে_কমেন্ট_করবেন_না_প্লিজ
দোস্ত মালটা কে রে?
রাফি:জানিনা। এলাকায় নতুন মনে হয়....
-আরে বাল রোজই তো ব্রীজে বসে কলেজ ছুটির টাইমে আড্ডা দেই। কিন্তু এই কালারের বোরকা পরা কোনো মেয়েকে তো দেখিনি, আজই প্রথম দেখলাম।
রাফি:যাই বল মালটা কিন্তু খাসা।
-মামা ফিগার দেখছিস? একদম উপরে ৩২ মাঝখানে ৩০ নিচে ৩৪।
রাফি: বলিসনা রে খাইতে ইচ্ছে করতেছে।
-এইযে সেক্সি ফিগারটা কে বানাইছে বয়ফ্রেন্ড? আমরা এলাকার ভাই আছি তো। আমাদের দিকে একটু নজর দাও। তুমি চাইলেই ৩২ কে ৩৬ করে দিতে পারবো।
সারাদিন বন্ধুদের সাথে আড্ডাবাজি করে ছেলেটা। স্কুল, কলেজের মেয়েদের ইভটিজিং করে। যাইহোক যে মেয়েগুলোকে একটু আগে ইভটিজিং করলো
তারা চলে যাওয়ার ১ ঘণ্টা পর রাজের ফোনে কল আসলো....
রাজের মা:বাবা তুই কই?
-কি হইছে মা? তোমার গলা এমন শোনাচ্ছে কেন, কান্না করছো কেন?
রাজের মা:রোজা আর নেই। -মানে....
ফোনের ওপাশ থেকে মায়ের মুখে কথাটা শোনার পরে আকাশ ভেঙ্গে পরে রাজের মাথায়। রোজা তার একমাত্র আদরের ছোট বোন। রোজা ওর কলিজার টুকরা। সেই রোজা নাকি মারা গেছে। রাজ এটা কেমনে মানবে? এক দৌড়ে বাসায় আসে রাজ। পুরো আঙ্গিনা লোকজনে ভর্তি। কান্নার রোল পরে গেছে। রাজ নিজেও কাঁদছে। হঠাৎ পাশে থাকা রাজের বন্ধু রাফি জিজ্ঞেস করে....
রাফি:এ্যান্টি কিভাবে কি হলো?
-জানিনা বাবা। কলেজ থেকে একটু আগে ফিরলো। কান্না করতে করতে ঘরে ঢুকে আর বের হলোনা আমার রোজা।
রাফি:রাজ ভেঙ্গে পরিসনা। রোজার ঘরে চল তো। নিশ্চয় কোনো ক্লু পাওয়া যাবে। রাফি আর রাজ সোজা রোজার ঘরে যায়। ঘরে গিয়ে দেখতে পায় রোজার পড়ার টেবিলে একটা চিরকুট বই চাপা দেয়া। রাজ সেটা হাতে নিয়ে পড়তে থাকে। চিরকুটে লেখা ছিল....
জানিস ভাইয়া আমাকে অনেকে তোর বিরুদ্ধে রিপোর্ট দিতো তুই নাকি খারাপ। তুই নাকি মেয়েদের ডিস্টার্ব করিস। জানিস সেদিন আমার বান্ধবী তন্নীর সাথে এটা নিয়ে ঝগড়া হইছিল। তন্নী আমার সাথে কথা বলেনা। কথা না বললে আমার
কি? কেন ও আমার ভাইয়ার নামে মিথ্যে বদনাম করবে? আমার ভাইয়া কি সেরকম নাকি? আমার ভাইয়া ভাল ভাইয়া। আমার ভাইয়া পৃথিবীর সেরা ভাইয়া। ভাইয়া বিশ্বাস কর উপরের এই কথাগুলো এখন থেকে ১ ঘণ্টা আগেও আমি মনেপ্রাণে বিশ্বাস করতাম। কিন্তু আমি ভুল ছিলাম রে ভাইয়া। ভাইয়া জানিস তোর দেয়া আমার জন্মদিনের সেদিনের ট্রিটের টাকাটা আমি নষ্ট করিনি। তোর জন্য একটা ঘড়ি কিনেছিলাম। ড্রেসিংটেবিলের ড্রয়ারে রাখা আছে। কিন্তু প্লিজ এটা পরিসনা। আমার হাতে কেনা কিছু পরার অধিকার তুই হারিয়ে ফেলছিস ১ ঘণ্টা আগে। ও হ্যাঁ আসল কথাই তো বলিনি আমি সেই টাকা দিয়ে একটা নতুন বোরকা কিনেছিলাম। তুই তো জানিস বোরকা আমি অনেক পছন্দ করি যাই হোক এসব কথা তোকে বলে আর লাভ নাই।
কলেজ থেকে আসার সময় ব্রীজের উপর নতুন যে, মেয়েকে দেখে তুই মাল, সেক্সি বলেছিলি সেটা আমি ছিলাম রে ভাইয়া। তোর দেয়া টাকা দিয়ে কেনা নতুন বোরকা পরেছিলাম বলে তুই আমাকে চিনতে পারিসনি। কিন্তু আমি তোকে আজ চিনতে পেরেছি রে ভাইয়া। খুব ভাল করে চিনতে পেরেছি। ভাইয়া বিশ্বাস কর আমি মানতে পারতেছিনা রে। আমার ভাইয়া এমন? আমি তোর মুখের দিকে কিভাবে তাকাবো বল ভাইয়া? তুই ঐ মুখ দিয়ে কি কি বলছিস আমায়। ভাইয়া রে আমি পারবনা রে। আমি এই মুখ তোকে দেখাতে পারবনা রে ভাইয়া। আমি সেজন্য চলে যাচ্ছি অনেক দূরে চলে যাচ্ছি। তুই বলতিস না আমি তোর কলিজার টুকরা।
ভাইয়া রে আমি তোর বোন তাই তোর কাছে আমি কলিজার টুকরা। কিন্তু আর যাদের ইভটিজিং করিস তারাও তাদের ভাইয়ের কাছে কলিজার টুকরা। ভাইয়া আমি জানি তুই আমাকে না চিনে এসব বলেছিস। প্লিজ ভাইয়া আর কোনদিন কাউকে এসব বলবিনা। আমি তো চলেই যাচ্ছি আমাকে আর ফিরে পাবিনা। সব
মেয়েদের মাঝে আমাকে খুজে নিস তোর বোন হিসেবে। জানি এখন তুই কাঁদতেছিস। কাঁদিসনা ভাইয়া। আমিও সারা রাস্তা কান্না করছি। ভাল থাকিস ভাইয়া, আমাকে ক্ষমা করে দিস।.......শিক্ষা.........
নিজের বোন কলিজার টুকরা অন্যের বোন মাল। এমনটা নয় রে ভাই, চলেন দৃষ্টিভঙ্গি পাল্টাই। বোন তো বোনই হোক সেটা অন্যকারো বোন। ভাই হিসেবে আমাদের দায়িত্ব প্রতিটা বোনের নিরাপত্তা দেয়া।আর এখন উপলব্ধি করতে পারি ফেসবুকে কুড়িয়ে পাওয়া ছোট বড় দুই-একটা বোনের জন্য। নিরাপদ থাকুক প্রতিটি বোন..

12/04/2020
10/04/2020

MONTA.BALONA

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when MD.lechu.miha posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share