আপন ঠিকানা

আপন ঠিকানা Growing Real Estate & Developer Company of Bangladesh.

সুস্থ্যতার জন্য চাই যেমন আবাসনশুধু থাকার জন্য একটি ফ্লাট আর গ্যারেজ নয়, একটি বাড়িতেই থাকা দরকার মানসিক প্রশান্তির যতকিছু...
27/09/2024

সুস্থ্যতার জন্য চাই যেমন আবাসন

শুধু থাকার জন্য একটি ফ্লাট আর গ্যারেজ নয়, একটি বাড়িতেই থাকা দরকার মানসিক প্রশান্তির যতকিছু।
সবদিকে খোলামেলা আলো-বাতাস চলাচলের সুন্দর বিজ্ঞানসম্মত ব্যবস্থাপনা,
প্রার্থনার জন্য নিরিবিলি প্রেয়ার রুম,
পড়াশোনা আর গবেষণার জন্য কাম এন্ড কোয়াইট নলেজ সেন্টার,
ইনডোর ও আউটডোর গেমস'এর সুব্যবস্থা,
স্বাস্থ্য সচেতন নারী ও পুরুষের জন্য আলাদা আলাদা জিমনেসিয়াম,
জরুরী অবস্থায় স্বাস্থ্যসেবা দেবার জন্য হেলথ সেন্টার,
বাচ্চাদের খেলাধুলার জন্য কিডস প্লে গ্রাউন্ড,
সাতার শেখার জন্য সুইমিংপুল,
কর্মজীবী মায়েদের নিশ্চিন্ত করতে নার্সারী বাচ্চাদের জন্য- ডে কেয়ার সেন্টার,
নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের জন্য কর্নার শপ,
কাপড়-চোপড় পরিস্কারের জন্য অটোমেটেড লন্ড্রি সিস্টেম,
রান্না-বান্নায় সেফটি মেনে রেটিকুলেটেড এলপিজি সিস্টেম,
যে কোন সামাজিক অনুষ্ঠানের জন্য কিচেনসহ বড় হল রুম,
এন্টারটেইনমেন্ট এর জন্য ছাদ-বাগানে কফি-শপ,
পুরা এপার্টমেন্ট এর পরিচালনার জন্য আলাদা অফিস কক্ষ,
সব কিছু মিলে যেন একটি রিসোর্ট।

গতানুগতিক চিন্তার বাইরে ঠিক এমনই স্বপ্নের একটি আবাসন গড়তে যাচ্ছে ক্রিয়েটো বিল্ডার্স লিঃ, যেখানে স্বপ্নের বীজ বুনেছি আমরা ক'জন, ঠিক যেভাবে সবাই মিলে একসাথে বসবাস করতে চাই।
(বিস্তারিত- ১ম কমেন্টস লিংক এ)

09/09/2024

কুইক রেন্টালের ক্যাপাসিটি চার্জের নামে বিলিয়ন ডলার পাচার!

রেন্টাল-কুইক রেন্টাল বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ক্যাপাসিটি চার্জের নামে আওয়ামী লীগ সরকার গত ১৫ বছরেরও বেশি সময় ধরে বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার দেশের বাইরে পাচার করেছে। আর এ কাজটি করেছেন ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থাকা তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ, সাবেক প্রধানমন্ত্রীর বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ উপদেষ্টা ড. তৌফিক-ই-ইলাহী চৌধুরী, বিদ্যুৎ বিভাগের জ্যেষ্ঠ সচিব আহমদ কায়কাউসসহ বিদ্যুৎ বিভাগের শীর্ষ কর্মকর্তাদের সিন্ডিকেট।

এ সিন্ডিকেট বিশেষ আইনে, বিনা দরপত্রে প্রতিযোগিতা ছাড়াই তৎকালীন সরকারের ঘনিষ্ঠ ও আওয়ামী সমর্থক ব্যবসায়ীদের রেন্টাল-কুইক রেন্টাল বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপনের সুবিধা দেয়। বছরের পর বছর এই বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলো গড়ে ২৫ থেকে ৩০ শতাংশ চালানো হলেও ক্যাপাসিটি চার্জের নামে এগুলোর মালিকরা হাজার হাজার কোটি টাকা পকেটে ভরেন।

ক্যাপাসিটি চার্জের টাকায় ফুলে-ফেঁপে ওঠা এই বিদ্যুৎ ব্যবসায়ীরা বিপুল পরিমাণ অর্থ দেশের বাইরে পাচার করে দেন।
যারা এ কাজে তাদের সহযোগিতা করেন সেই সিন্ডিকেটের প্রভাবশালীরাও বিপুল পরিমাণ অর্থ দেশের বাইরে পাচার করে দিয়েছেন। এ প্রেক্ষাপটে দুর্নীতি দমন কমিশন এরই মধ্যে সাবেক প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদের দুর্নীতি অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

বিদ্যুৎ বিভাগের তথ্য বলছে, ক্যাপাসিটি চার্জের বিলের নামে গত ১৫ বছরে আওয়ামী লীগ সরকার বিদ্যুৎ ব্যবসায়ীদের ১ লাখ ৬ হাজার কোটি টাকা দিয়েছে।

যার উল্লেখযোগ্য পরিমাণ অর্থ তৎকালীন সরকারের বিদ্যুৎ বিভাগের নীতিনির্ধারক এবং সুবিধাভোগী ব্যক্তিদের পকেটে চলে যায়। ঠিক কী পরিমাণ অর্থ এখন পর্যন্ত এ কাজে বিদেশে পাচার হয়েছে এ নিয়ে সুনির্দিষ্ট তথ্য পাওয়া যায়নি।
তবে বিশেষজ্ঞরা আশঙ্কা করছেন, ক্যাপাসিটি চার্জ বাবদ বাংলাদেশ থেকে বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার বিদেশে পাচার হয়ে গেছে।
বিশেষজ্ঞরা বলেন, ‘নো ইলেকট্রিসিটি নো পেমেন্ট’ হচ্ছে আন্তর্জাতিক স্ট্যান্ডার্ড।

কিন্তু এত দিন আওয়ামী লীগ সরকার তাদের প্রিয় লোকদের আবদার পূরণে বিদ্যুৎ না নিয়েও ক্যাপাসিটি চার্জ দিয়েছে। এর বিনিময়ে তৎকালীন সরকারের দায়িত্বপ্রাপ্তদের সুবিধাভোগী বিদ্যুৎ ব্যবসায়ীরা অর্থ সুবিধা দিয়েছেন। তাদের মতে, বিদ্যুৎ দেওয়া ছাড়াই ক্যাপাসিটি চার্জের নামে বিল নেওয়ার মতো মারাত্মক অনিয়ম আর কিছু নেই।
ক্যাপাসিটি চার্জের নামে যে বিপুল পরিামণ অর্থ বিদেশে পাচার হয়ে গেছে তা ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ নিতে হবে। কারণ, এ টাকা দেশের নাগরিকদের।

তারা আরও বলেন, কোনো ধরনের টেন্ডার ছাড়া এসব রেন্টাল আর কুইক রেন্টালের লাইসেন্স তুলে দেওয়া হয় দেশের প্রভাবশালী কোম্পানিগুলোর কাছে। এর মধ্যে ছিল সামিট গ্রুপ, এস আলম গ্রুপ, ইউনাইটেড গ্রুপ, কনফিডেন্স গ্রুপ, সিকদার গ্রুপ, ইউনিক গ্রুপ, বারাকাসহ অন্যান্য কোম্পানি।

মূলত আওয়ামী লীগ সরকার বিনা টেন্ডারে দায়মুক্তি আইনের আওতায় একসময়ে উচ্চমূল্যের রেন্টাল ও কুইক রেন্টাল বিদ্যুৎ কেন্দ্রের অনুমোদন দিয়েছিল। ২০১০ সালে বলা হয়েছিল, এসব বিদ্যুৎ কেন্দ্র আপৎকালীন চাহিদা মেটানোর জন্য। কিন্তু গত দেড় দশকেও এগুলো আর বন্ধ করা যায়নি।

পাওয়ার সেলের সাবেক ডিজি বিডি রহমতুল্লাহ বলেন, শেখ হাসিনা ছিলেন তৎকালীন সরকারের বিদ্যুৎ মন্ত্রী আর নসরুল হামিদ বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী। গত কয়েকটি মেয়াদে তারা এ মন্ত্রণালয় হাতছাড়া করেননি। কারণ, এ মন্ত্রণালয়ে বিভিন্ন প্রকল্প বাস্তবায়নে প্রচুর টাকা বরাদ্দ হয়। আর এ টাকার ভাগ শেখ হাসিনা ও নসরুল হামিদ যেভাবেই হোক বিদেশে পাচার করে দিয়েছেন। দেশের অ্যাকাউন্টে তারা এ অর্থ রাখেননি। তারা বেশির ভাগ অর্থই বিদেশে পাচার করে দিয়েছেন।

একইভাবে সামিট গ্রুপের আজিজ খানের মতো ব্যবসায়ী যারা এসব ভাড়াভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলো থেকে সুবিধা নিয়েছেন তারাও সিঙ্গাপুরসহ বিভিন্ন জায়গায় এ বিপুল অর্থ পাচার করে দিয়েছেন। এর সঙ্গে আরও জড়িত ছিলেন সাবেক প্রধানমন্ত্রীর বিদ্যুৎ ও জ্বালানি উপদেষ্টা, পিডিবির শীর্ষ কর্মকর্তারাও। এ ছাড়া যে বিদ্যুৎ ব্যবসায়ীরা জেনেশুনে এ অবৈধ কাজ করেছেন তাদের উৎসাহেই শেখ হাসিনা ও নসরুল হামিদরা দুর্নীতি করেছেন।

এজন্য এই দুর্নীতিমূলক কর্মকান্ডে এ ব্যবসায়ীরাও সমানভাবে দায়ী। এদের অনেকেই এখন পলাতক। তারা অন্যায় করেছেন বলেই পালিয়ে গেছেন, তারা অবৈধভাবে বাংলাদেশ থেকে লুট করে এ অর্থ বিদেশে পাচার করেছেন, নিশ্চয়ই তারা ধরাও পড়বেন। আমি আশঙ্কা করছি, ক্যাপাসিটি চার্জের নামে বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার দেশ থেকে পাচার হয়ে গেছে।

বিল পরিশোধ হয় ডলারে : ২০১০-১১ অর্থবছর থেকে ২০২১-২২ অর্থবছরে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (পিডিবি)-কে যে ক্যাপাসিটি চার্জ পরিশোধ করতে হয়েছে এ বিলের পুরোটাই ডলারে দিতে হয়েছে। রেন্টাল বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলোকে ডলারেই ক্যাপাসিটি চার্জ দিতে হচ্ছে। রেন্টাল-কুইক রেন্টালের পর বেসরকারি খাতে বেশকিছু বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপনের অনুমোদন দেওয়া হয়। ইন্ডিপেনডেন্ট পাওয়ার প্রডিউসার (আইপিপি) নামক এসব কেন্দ্রের ক্যাপসিটি চার্জ সরাসরি ডলারে পরিশোধ করা হয় না।

তবে আইপিপিগুলোর ক্যাপাসিটি চার্জ ডলারের বিনিময় হার ধরে টাকায় পরিশোধ করতে হয়। এক্ষেত্রে বিনিময় হার নির্ধারিত হয় সোনালী ব্যাংকের বিনিময় হারে। ফলে সরাসরি ডলার না পেলেও বিপুল পরিমাণ অর্থ এখানে ক্যাপাসিটি চার্জ বাবদ দিতে হয়। রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ শুরুর পর থেকে টাকার অবমূল্যায়নে ক্যাপাসিটি চার্জ পরিশোধের ব্যয়ও বেড়ে গেছে। আশঙ্কা করা হচ্ছে, অসাধু ব্যবসায়ীরা ডলারে পাওয়া এই বিল বিদেশে পাচার করে দিয়েছেন।

যেভাবে দুর্নীতি : দেশে ক্যাপাসিটি চার্জ নির্ধারণে নির্দিষ্ট কোনো পদ্ধতি নেই। তবে ক্যাপাসিটি চার্জের হার নির্ধারণে বিভিন্ন বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণে জড়িত উদ্যোক্তাদের প্রস্তাবের পরিপ্রেক্ষিতে দরকষাকষির ভিত্তিতে বছরভিত্তিক ক্যাপাসিটি চার্জ নির্ধারণ করা হয়। কোনো ধরনের দরপত্র ছাড়া সরাসরি লাইসেন্স দেওয়ায় এমনিতেই বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলোর নির্মাণ ব্যয় অনেক বেশি ধরা হয়েছে। ফলে ক্যাপাসিটি চার্জের হারও অনেক বেশি। তবে এসব কেন্দ্রের চুক্তি বারবার নবায়ন করে ক্যাপাসিটি চার্জ দিয়ে তাদের মূলধনি ব্যয়ের কয়েকগুণ অর্থ পরিশোধ করা হয়েছে।

এ সুযোগে বিদ্যুৎ খাতের কোম্পানিগুলো সব ফুলে-ফেঁপে উঠেছে। বিদ্যুৎ বিভাগের কর্মকর্তারা জানান, রেন্টাল ও কুইক রেন্টাল কেন্দ্রগুলো একাধিকবার সরকারের কাছে বিক্রি করেছেন মালিকরা। ক্যাপাসিটি চার্জের নামে হাজার হাজার কোটি টাকা নিয়ে গেছে বেশ কিছু কোম্পানি। অন্যদিকে শুরুতে তিন বছর মেয়াদে রেন্টাল ও কুইক রেন্টাল বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপন করা হলেও দফায় দফায় বাড়ানো হয়েছে এগুলোর মেয়াদ।

সংশ্লিষ্টরা বলেন, এসব কেন্দ্রের মোট বিনিয়োগের ২৫ থেকে ৩০ শতাংশ বিনিয়োগকারী দেয়, বাকিটা ব্যাংক ঋণের মাধ্যমে মেটানো হয়। পিডিবি তথা সরকার সুদসহ সেই ঋণ (চুক্তি অনুযায়ী) তিন বছরে শোধ করে দেয়। পাশাপাশি ইক্যুইটি ইনভেস্টমেন্টের ওপর দেওয়া হয় মুনাফা (রিটার্ন অব ইক্যুইটি)। সরকার বিদ্যুৎ কেন্দ্রের নির্মাণ ব্যয় শোধ করে দিলেও বিদ্যুৎ কেন্দ্রটা ওই কোম্পানিরই রয়ে যায়। পরে মেয়াদ বাড়ানো হলেও একই বিদ্যুৎ কেন্দ্রের বিপরীতে ফের নির্মাণ ব্যয় পরিশোধ করা হয়। তা আগের চেয়ে কিছুটা কম। এভাবেই রেন্টাল ও কুইক রেন্টালের মাধ্যমে লুটপাট করা হয়।

22/01/2024

উত্তরা ৩য় প্রকল্পে ৫ কাঠার দক্ষিনমুখী/পূর্বমুখী প্লট জয়েন্ট ভেঞ্চারে নিতে আগ্রহী। সরাসরি যোগাযোগ করুন:
০১৭৯১০৪৮১২২, ০১৯৭৮৮৫২২৩৪

11/11/2023
ডিয়াবাড়ী মেট্রোরেলের মেইন ডিপো ও মাইলস্টোন স্কুল এন্ড কলেজের মেইন ক্যাম্পাসের কাছেই মাত্র ১৩(তের) লক্ষ টাকায় জমির শেয়ারে...
13/02/2022

ডিয়াবাড়ী মেট্রোরেলের মেইন ডিপো ও মাইলস্টোন স্কুল এন্ড কলেজের মেইন ক্যাম্পাসের কাছেই মাত্র ১৩(তের) লক্ষ টাকায় জমির শেয়ারে ক্রয় করে ৫ কাঠা জমির উপর ৯০০ (+-) বর্গফুট ফ্লাটের মালিক হউন ।

"স্বপ্ন পূরণে 'আপন ঠিকানা বিল্ডার্স' আপনার সাথে"

প্রজেক্টের নাম: "জাস টাওয়ার" ।
🔸জমির পরিমান= ৫ কাঠা।
🔸বিল্ডিং : জি + ৮ = ৯ তলা।(প্রস্তাবিত)
🔸প্রতি ফ্লোরে ইউনিট সংখ্যা= ৩ টি, (তবে বড় ফ্ল্যাট চাইলে প্রতি ফ্লোরে ২ টি/১টি ফ্ল্যাট করা যাবে, সেক্ষেত্রে শেয়ারের মূল্য আনুপাতিক হারে বেড়ে যাবে)
🔸মোট শেয়ার সংখ্যা= ২৪(+-) টি।
🔸ফ্ল্যাট সাইজ= ৯০০ বর্গফুট। (কম/ বেশি)
🔸ঠিকানা = শুক্রভাংগা মোড়, নয়ানগর, দিয়াবাড়ী, উত্তরা, ঢাকা-১২৩০।

★প্রকল্পটি নিণ্মলিখিত ৬টি ধাপে নির্মাণ করা হবে।

(1) প্রতিটি ফ্ল্যাটের জমির শেয়ার মূল্য = ১৩ (তের) লক্ষ টাকা।

*সরাসরি প্রস্তাবিত জমির মালিকানা সাফ কাবলা রেজিষ্ট্রি করে দেয়া হবে*।
(2) অত্র প্রকল্পের ২৪ জন মালিক হতে নির্বাচিত ৪ জন মালিকদ্বারা ব্যবস্থাপনা কমিটি গঠন করা হবে।
(3) সকল সদস্যদের মধ্য থেকে ৩ সদস্য বিশিষ্ট একটি অডিট কমিটি গঠন করা হবে। উক্ত কমিটি প্রতি ৩ মাসে একবার সদস্যদের নিকট অডিট রিপোর্ট উপস্থাপনা করবেন।
(4) ব্যবস্থাপনা কমিটি রাজউক এর তালিকাভুক্ত একজন সিনিয়র স্থাপত্য প্রকৌশলীর মাধ্যমে একটি আধুনিক ও দৃষ্টিনন্দন ভবনের নকশা প্রণয়ন করে সকল সদস্যদের নিকট অনুমোদনের জন্য পেশ করবেন ।
(5) নির্মানকালীন সময়ে ৩ বছর এবং নির্মাণ ব্যয় ২০ লক্ষ টাকা (+/-) কিস্তির মাধ্যমে ধাপে ধাপে পরিশোধ করবেন ।
(6) আগে আসলে আগে পাবেন ভিত্তিতে শেয়ার বিক্রি হবে।

★সকল কাজ দক্ষতা ও নিষ্ঠার সাথে পরিচালনা করবে "আপন ঠিকানা বিল্ডার্স লি:" ।

জমির লোকেশন ভিজিট করে, কাগজ-পত্র যাচাই - বাছাই করে, তারপর বুকিং দিন।

বিস্তারিত জানতে যোগাযোগ করুনঃ
01978 85 22 34
APON THIKANA BUILDERS LTD.

থিওরিটিক্যালি নবায়ন যোগ্য সৌরবিদ্যুতই একমাত্র আশার আলো।
16/01/2022

থিওরিটিক্যালি নবায়ন যোগ্য সৌরবিদ্যুতই একমাত্র আশার আলো।

একদিন হয়তো মাটির নিচের মজুদ তেল, গ্যাস, কয়লা, পেট্রলসহ সব জ্বালানি শেষ হয়ে যাবে...

07/01/2022

ইউটিউবে বাংলা ভিডিও বিশেষ করে লেকচার, টিউটোরিয়াল, টকশো দেখার সময়ে প্লেব্যাক স্পিড বাড়িয়ে সময় বাঁচাতে পারেন সহজেই।
এক ঘন্টার একটি ভিডিও তে প্লেব্যাক স্পিড 1.50 করে দিলে ভিডিওটি ৪৫ মিনিটে শেষ হয়ে যাবে, আর আপনার সময় বাঁচবে ১৫ মিনিট।

শাহবাগ, ঢাকা। নব্বইয়ের দশক।  Shahbagh, Dhaka. 1990'sকোথায় গেলো সেই ঢাকা শহর?
06/01/2022

শাহবাগ, ঢাকা। নব্বইয়ের দশক। Shahbagh, Dhaka. 1990's
কোথায় গেলো সেই ঢাকা শহর?

শাহবাগ, ঢাকা। নব্বইয়ের দশক। Shahbagh, Dhaka. 1990's

Address

Lake Circus, Kalabagan
Dhaka
1205

Telephone

+8801978852234

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when আপন ঠিকানা posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to আপন ঠিকানা:

Share