Khushbu Building Design & Consultant

Khushbu Building Design & Consultant Plan
Drawing
Drawing
Drawing
Drawing
View
Design

19/10/2025

বিল্ডিং নির্মাণে যে তথ্য গুলো জানা উচিত(সিভিল
ইঞ্জিনিয়ারিং)
→১ ব্যাগ সিমেন্ট এ পানি লাগে ২১ লিটার।
→১০” ওয়াল গাথুনীতে প্রতি ০১ সিএফটি গাথুনীতে
১০ টি ইট লাগে।
→০৫” ওয়াল গাথুনীতে প্রতি ০১’ (স্কয়ার ফিট)
গাথুনীতে ০৫ টি ইট লাগে।
→ ছলিং এ প্রতিস্কয়ার ফুট এর জন্য ০৩ টি ইট লাগে।
→ ০৯ টি পিকেট ইট দিয়ে ১ সিএফটি খোয়া হয়।
→ ১ টি ইটে খোয়া হয় ০.১১ ঘনফুট।
→১ স্কয়ার ফুট গাথুঁনিতে ১:৪ অনুপাতে সিমেন্ট
লাগে ০.০২১ ব্যাগ, বালু লাগে ০.১২ ঘনফুট।
→১ স্কয়ার ফুট ইটের গাথুঁনিতে ১:৫ অনুপাতে
সিমেন্ট লাগে ০.০২০ ব্যাগ, বালু ০.১২৪ ঘনফুট।
→ ১ ঘনফুট ঢালাইয়ের জন্য ১:২:৪ অনুপাতে
সিমেন্ট লাগে ০.১৭২ ব্যাগ,বালু লাগে ০.৪৫ ঘনফুট,
খোয়া লাগে ০.৮৮ ঘনফুট।
* গাথুনীর প্লাষ্টারে ১:৫ অনুপাতে সিমেন্ট
দিতে হয়।
বি.দ্র :- প্লাস্টারের ফ্রেশ সাইডে মসলার পুরুত্ব
আধা ইন্চি এর রাফ সাইডে মসলার পুরুত্ব পনে এক
ইঞ্চি বা ১৫ মিমি . . সিলিং প্লাষ্টারে (১:৩ বা ১:৪)
অনুপাতে সিমেন্ট দেয়া যায় । এবং মসলার পুরুত্ব 6 মিমি বীম এবং কলাম সিলিং এর জন্য ।
→ প্রতি এস,এফ,টি নিট ফিনিশিং করতে =
০.০২৩৫ কেজি সিমেন্ট লাগে।

ইটের মাপ:- প্রচলিত নিয়মে
————++-———++—-—
→ মসলা ছাড়া (৯.৫” x৪.৫” x২.৭৫”)
→ মসলাসহ = (১০” x৫” x ৩”)
কনভার্ট এর জন্য:-
——–++—–——-
10 mm =1 cm
100 cm = 1 m
1″ = 25.4 mm
1″ = 2.54 cm
39.37″ = 1 m
12″ = 1′ Fit
3′ = 1 Yard (গজ)
1 Yard = 36″
72 Fit = 1 bandil.
# রডের হিসাব
———————————————
1″ = 8 suta
1/2″ = 4 suta
1/4″= 2 suta
1/8″ = 1 suta
বি.দ্র:- ১ সুত = ৩.২০ মিলি প্রায়।
# রডের ওজন {(dia x dia) ÷162.2 }÷3.28 = kg
——————————————————–
৮ মিলি মিটার এক ফুট রডের ওজন = ০.১২০ কেজি।
১০ মিলি মিটার এক ফুট রডের ওজন = ০.১৮৮ কেজি।
১২ মিলি মিটার এক ফুট রডের ওজন = ০.২৭০৬ কেজি।
১৬ মিলি মিটার এক ফুট রডের ওজন = ০.৪৮১২ কেজি।
২০ মিলি মিটার এক ফুট রডের ওজন = ০.৭৫১৮ কেজি।
২২ মিলি মিটার এক ফুট রডের ওজন = ০.৯০৯৭ কেজি।

✅ অনেকেই জমি মাপার পদ্ধতি জানি না। তাই, সাধারণত জমি মাপার সময় আমরা একজন আমিন বা সার্ভেয়া্রের শরণাপন্ন হই। এই ব্যাপারে ...
22/06/2025

✅ অনেকেই জমি মাপার পদ্ধতি জানি না। তাই, সাধারণত জমি মাপার সময় আমরা একজন আমিন বা সার্ভেয়া্রের শরণাপন্ন হই। এই ব্যাপারে তখন আমাদের সেই সার্ভেয়ার বা আমিনের উপর চোখ বন্ধ করে বিশ্বাস করতে হয়।

সেক্ষেত্রে, প্রতারিত হবার কিছুটা সম্ভাবনা থেকেই যায়। জমি পরিমাপের ব্যাসিক ধারণা পারে এই সমস্যা থেকে সমাধান দিতে।

এ ছাড়া জমি পরিমাপ জানা থাকলে জমি কেনার সময় জমির পরিমাণ নিজেই মেপে বের করা যায়। এই আর্টিকেলে জমি মাপার বিভিন্ন সূত্র এবং নিয়মগুলো খুব সহজ করে বর্ণনা করা হয়েছে।

সুত্র এবং নিয়ম গুলো জানা থাকলে আশা করি, জমি মাপার বিষয়টি আপনাদের কাছে খুবই স্বচ্ছ হয়ে উঠবে।

জমির মাপের সাথে সম্পৃক্ত বিভিন্ন এককঃ
১ শতাংশ = ১০০০ বর্গলিংক
১ শতাংশ = ৪৩৫.৬০ বর্গ ফুট
১ শতাংশ = ১৯৩.৬০ বর্গহাত
১ শতাংশ = ৪৮.৪০ বর্গগজ
১ শতাংশ = ৪০.৪৭ বর্গ মিটার।

জমি কেনার আগে আপনাকে যা যা জানতে হবে::

বিভিন্ন পরিমানে জমির হিসাবঃ
১ শতক = ৪৩৫.৬০ বর্গফুট
১ শতক = ৪৮.৪০ বর্গগজ
১ শতক ৪০.৪৬ বর্গমিটার
১ শতক = ১৯৪.৬০ বর্গহাত
১ শতক ১০০০ বর্গলিংক
১ কাঠা = ১.৭৫ শতক (৩৫ এর মাপে)
১ কাঠা = ১.৬৫ শতক (৩৩ এর মাপে)
১ কাঠা = ১.৫০ শতক (৩০ এর মাপে)
১ একর = ৬০.৬০ কাঠা
১ একর = ৩.০৩ বিঘা
১ হেক্টর = ২.৪৭ একর
১ একর = ৪৩৫৬০ বর্গফুট
১ একর = ৪৮৪০ বর্গগজ
১ একর = ৪০৪৬ বর্গমিটার
১ একর = ১৯৪৬০ বর্গহাত
১ একর = ১০০০০০ বর্গলিংক।

উদাহরণঃ একটি জমির দৈর্ঘ্য উত্তর আইল ৫০ ফুট, দক্ষিণ আইল ৫৪ ফুট, প্রস্থ পশ্চিম আইল ৩০ ফুট, ভিতরে এক অংশে ৩৪ ফুট, এক অংশে ৩৮ ফুট এবং পূর্ব আইল ৪০ ফুট জমিটির পরিমাণ কত ?
জমিটির দৈর্ঘ্য ৫০+৫৪ = ১০৪ (দুই দিকের দৈর্ঘ্য যোগ করা হলে) তাই ২ দিয়ে ভাগ করলে দৈর্ঘ্য পাওয়া যায় (১০৪ ভাগ ২) = ৫২ ফুট।

জমিটি প্রস্থে অসম হওয়ায় এর ২ দিকের বাউন্ডারীর প্রস্থ ছাড়াও ভিতরের দিকে অন্তত ২াট প্রস্থ পরিমাপ এবং তা গড় করে মূল প্রস্থ বের করা যায় ৩০+৪০+৩৪+৩৮ = ১৪২ (ফুট) এর গড় (১২৪ ভাগ ৪) ৩৫.৫ ফুট।

ক্ষেত্রফল = দৈর্ঘ্য x প্রস্থ = ৫২ x ৩৫.৫ = ১৮৪৬ বর্গফুট (জমিটির ক্ষেত্রফল)
সূত্র মতে ৪৩৫.৬০ বর্গফুট = ১ শতাংশ।
অতএব উপরের জমিটির পরিমাণ (১৮৪৬ ভাগ ৪৩৫.৬০) = ৪.২৪ শতাংশ।

পরচা, দাখিলনামা, জমাবন্দি, দাখিলা, দাগ নাম্বার, ছুটদাগ কি?
ক্ষেত্রফল আকৃতির জমির মাপঃ
প্রথমেই সুত্রগুলো জেনে নেয়া যাক-
ক্ষেত্রফল = বাহু X বাহু
কর্ন = ১ বাহু X ১.৪১৪
পরীসিমা= ১ বাহু X ৪
এখন যদি প্রশ্ন হয় একটি বর্গক্ষের বাহুগুলির দৈর্ঘ্য ১২০ লিংক করে হলে উহার ক্ষেত্রফল এবং জমির পরিমাণ বের কর।

তাহলে আমরা জেনেছি যে, ক্ষেত্রফল= বাহু X বাহু = ১২০ X ১২০= ১৪৪০০ বর্গলিংক (যদি ক্ষেত্রফলের একেকটি বাহু ১২০ লিংক হয়)।

এখন আমরা আগেই জেনেছি যে, ১ শতাংশ = ১০০০ বর্গ লিংক তাহলে জমির পরিমান,
১০০০ বর্গ লিংক = ১ শতাংশ
১ বর্গ লিংক = ১০০০ ভাগের ১ ভাগ
১৪৪০০০ বর্গ লিংকে কত হবে?
সুতরাং ১৪৪০০০ বর্গ লিংকে ১০০০ দিয়ে ভাগ দিলে যা হবে তাই হচ্ছে তার ফল অর্থাৎ ১৪.৪০ শতাংশ হবে।

জমি মাপের সহজ পদ্ধতি ও যন্ত্রপাতিঃ
গ্যান্টার জরিপঃ
ইংরেজ বিজ্ঞানী গ্যান্টার জরিপ কাজে ব্যবহৃত চেইন আবিস্কার করেন। তাই তার নামানুসারে এ চেইনের নামকরন করা হয়েছে “গ্যান্টর্র্স চেইন”। এ চেইনের দের্ঘ্য ২২ গজ বা ৬৬ ফুট। এতে ১০০টি লিংক আছে। প্রতি লিংকের দৈর্ঘ্য ৭.৯২ ইঞ্চি এর দু মাথায় দুটো হাতল এবং দশম লিংক একটি করে “পেন্ডিল” বা পুলি আছে।
ইদানিং ফিতা/টেপ ব্যবহার করেও জমি পরিমাপ করা হয়। সার্ভেয়ার বা আমিন সব সময় পাওয়া যায় না। এক্ষেত্রে নিম্নোক্ত হিসাব ও পদ্ধতি প্রয়োগের মাধ্যমে আপনি নিজেই জমি পরিমাপ করতে পারবেন।
হিসাবটি হলোঃ
১০০০ বর্গ লিংক (৩১.৬২x৩১.৬২ লিংক) ১ শতাংশ।
১৯৪.৬ বর্গ হাত (১৩.৯৫x১৩.৯৫ হাত) = ১ শতাংশ।
১০.০০০ বর্গ লিংক (১x১ চেইন) = ১০ শতাংশ।
৩৩.৩ শতাংশ কার্যত ৩৩ শতাংশ = ১ বিঘা। (ষ্টান্ডার্ড বিঘা)
১০০ শতাংশ বা ৪৮৪০ বর্গগজ = ১ একর।
৪৮৪০x৯ (৯ বর্গফুট = ১ বর্গ গজ বলে = ৪৩৫৬০ বর্গফুট।
৪৩৫৬০ ১০০ (১০০ শতাংশ ১ একর বলে)= ৪৩৫.৬ বর্গফুট।
অতএব ১ শতাংশ = ৪৩৫.৬০ বর্গফুট বা ৪০.৪৬ বর্গমিটার (প্রায়)।

আমাদের দেশে কোথাও ৩৫ শতাংশে ১ বিঘা, কোথাও ৩৩ শতাংশে ১ বিঘা আবার ইদানিং ৩০ শতাংশে ১ বিঘা বলা হচ্ছে।
যদিও সরকারি বিঘা ৩৩ শতাংশেই করা হয়। অপরদিকে কাঠার পরিমাণ শতাংশের পরিমাণে স্থান বিশেষ পার্থক্য হলেও ২০ কাঠায় ১ বিঘার হিসেবে সর্বত্র প্রচলিত ও স্বীকৃত আছে।

ডায়াগনাল স্কেলঃ
ডায়াগনাল স্কেল একটি চার কোনা বিশিষ্ট তামা ব্রোঞ্জের তৈরি স্কেল। ইহার চার পাশে ১০ টি ঘর বা কক্ষ থাকে প্রতিটি ঘরের মান ১০০ লিংক। ১৬”=১ মাইল স্কেলে ইহা তৈরি করা হয়। এবং গান্টার চেইনের সাথে মিল আছে বলে একে গান্টার স্কেলও বলা হয়।

আভার অফসেটঃ
এটি একটি প্লাষ্টিকের তৈরি স্কেল এই স্কেলের সাথে গান্টার স্কেলের মিল আছে। ইহার দৈর্ঘ্য ২ ” এবং প্রস্ত .৫” (ইঞ্চি) এই স্কেলের সাহায্যে নকশার সংকোচিত দুরত্ব সহজে মাপা যায়। এটা ছাড়া অফনেট নেয়ার ক্ষেত্রে ইহা বিশেষ সুবিধাজনক। গুনে গুনে সংখ্যা হিসাব করা যায় বলে একে গুনিয়া বলা হয়।

ডিভাইডার বা কাটা কম্পাসঃ
ইহা একটি জ্যামিতিক কম্পাস। ইহার সাহায্যে নকশার সংকোচিত দুরত্ব নিয়ে ডাইগোনাল স্কেলে মাপ নেয়া যায় এবং দুরত্ব গুনিয়া গুনিয়া সংখ্যা বুঝা যায়।

জোনাল জরিপঃ
ভূমি সংস্কার কমিটির সিদ্ধান্ত মোতাবেক রিভিশনাল সেটেলমেন্ট পদ্ধতির পরিবর্তে ১৯৮৫-৮৬ অর্থ বছরে স্থায়ী পদ্ধতির জোনাল সেটেলমেন্ট আরম্ভ হয়। ১০ টি বৃহত্তর জেলায় জরিপ কাজ হয় এবং এ জরিপে সৃষ্ট খতিয়ানকে বাংলাদেল সার্ভে বা বি. এস. খতিয়ান বলে। কেউ আবার একে আর. এস. খতিয়ান বলে।
দিয়ারা জরিপঃ দরিয়া শব্দ থেকে দিয়ারা শব্দের উদ্ভব। যে সকল এলাকায় নদী বা সাগরের কারনে জমির ভাঙ্গাগড়া বেশী হয় সে অঞ্চলে দিয়ারা জরিপ পরিচালিত হয়।
বিঘা থেকে কাঠা ও শতাংশ বের করার পদ্ধতি :
১ কাঠা = ৪৩৫.৬০ বর্গফুট x৩৫ (৩৫ শতাংশে বিঘা হিসাবে) ২০ (২০ কাঠায় বিঘা বলে)। ১ কাঠা = ১৫২৪৬২০ = ৭৬২.৩ বর্গ ফুট, ১ কাঠা ৭৬২.৩ ৪৩৫.৬ = ১.৭৫ শতাংশ। অনুরুপভাবে ৩০ শতাংশে ১ বিঘা ধরলে ১ কাঠা সমান = ১.৫০ শতাংশ।

#জমিররেকর্ড #ভূমিসেবা #আইনী #ভূমি #খাজনা

একটি বিল্ডিং এর পুরো কাজকে যেভাবে ভাগ করবেন। ১. গঠন = ৩৫%২। ইটের কাজ = 6%৩। কাঠের কাজ = ৫%৪. মেটাল কাজ = 2%৫। প্লাম্বিং ...
17/06/2025

একটি বিল্ডিং এর পুরো কাজকে যেভাবে ভাগ করবেন।

১. গঠন = ৩৫%
২। ইটের কাজ = 6%
৩। কাঠের কাজ = ৫%
৪. মেটাল কাজ = 2%
৫। প্লাম্বিং এবং স্যানিটারি = 6%
৬. বৈদ্যুতিক কাজ = 7%
৭. প্লাস্টারের কাজ = ৪%
৮. সাধারণ ফ্লোরের টাইলসের কাজ = 6%
৯। টয়লেট এবং কিট ওয়াল টাইলস কাজ = 3%
১০। অ্যালুমিনিয়ামের কাজ = ৪%
১১। ইএমই (লিফটের, জেনারেটর, সাবস্টেশন) = 10%
১২. রং এর কাজ = 3%
১৩। অন্যান্য নাগরিক কাজ = 6%
১৪। ইউটিলিটি সংযোগ এবং বিল = 3%
মোট = ১০০%

✪ শক্তি ~ ৩৫%
- ফুটিং এবং কলাম প্যাডেস্টাল = 20%
- গ্রেড বিম, ইউজিডব্লিউআর টপ স্ল্যাব = 5%
- GF কলাম, সিঁড়ি ইত্যাদি = 4%
- 1ম ফ্লোর স্ল্যাব = 9%
- সাধারণ মেঝে কলাম (5x3%) = 15%
- ২য় তলা স্ল্যাব থেকে ছাদ স্ল্যাব (৫x৮) = ৪০%
- ছাদের টপ = ৭%
TOTAL = 100% (৩৫% যেভাবে আসবে।)

✪ ব্রিক ওয়ার্ক ~ 6%
- GF ইটের কাজ = 6%
- ১ম তলা ইটের কাজ = ১৮%
- ২য় তলা ইটের কাজ = ১৮%
- ৩য় তলা ইটের কাজ = ১৮%
- ৪র্থ তলা ইটের কাজ = ১৮%
- ৫ম তলা ইটের কাজ = ১৮%
-ছাদের টপ ইটের কাজ = ৪%
TOTAL = 100% (৬% যেভাবে হবে।)

✪ কাঠের কাজ ~ 5%
- দরজার ফ্রেম = 40%
- প্রধান দরজা শাটার = 15%
- পারটেক্স ডোর শাটার = ৩৫%
- বিড়ালের দরজা এবং আনুষাঙ্গিক = 10%
TOTAL = 100% (৫% যেভাবে হবে)

✪ মেটাল কাজ ~ 2%
- জানালার গ্রিল = ৫৫%
- ভেরান্দা রেলিং = ২০%
- সিঁড়ি রেইলিং = 10%
- প্রধান দরজা, জেন-সাব, সেফটি গ্রিল = 15%
TOTAL = 100% (২% যেভাবে হবে।)

✪ প্লেম্বিং এবং সেনিটারি কাজ~ 6%
- ইউপিভিসি উল্লম্ব লাইন ডাক্ট থেকে = ২৫%
- জিআই লাইনের কাজ = 30%
- ফিক্সচার এবং ফিটিং = 40%
- নিচ তলা = ৫%
TOTAL = 100% (৬% যেভাবে হবে।)

✪ ইলেকট্রিক্যাল~ 7%
- স্ল্যাবের ভিতরে আটকে রাখা = ১০%
- ওয়ালে তৈরি করা হচ্ছে আই/সি এমকে বক্স=১৫%
- ক্যাবলিং এর কাজ = 55%
- সুইচ-সকেট = 20%
TOTAL = 100% (৭% যেভাবে হবে।)

✪ প্লাস্টার ~ ৪%
- সিলিং প্লাস্টার = ২০%
- অভ্যন্তরীণ ওয়াল প্লাস্টার = ৫০%
- বাইরের প্লাস্টার/ইটের মুখোমুখি = 30%
TOTAL = 100% (৪% যেভাবে হবে।)

✪ সাধারণ ফ্লোরের টাইলস ~ 6%
- সাধারণ মেঝে এবং ভেরান্দা = 75%
- সিঁড়ি, সাধারণ লবি এবং লিফট প্রাচীর = 20%
- GF লিফট লবি, দেয়াল, অভ্যর্থনা = 5%
TOTAL = 100% (৬% যেভাবে হবে।)

✪ টয়লেট ও কিট ওয়াল টাইলস ~ 3%
- বাথ ওয়াল = ৬০%
- রান্নাঘরের দেয়াল = ২০%
- বাথ ফ্লোর = 9%
- বাথ কাউন্টার টপ = ৪%
- রান্নাঘরের মেঝে = 3%
- কিচেন কাউন্টার টপ =৪%
TOTAL = 100% (৩% যেভাবে হবে।)

✪ অ্যালুমিনিয়াম কাজ ~ ৪%
- আউটার ফ্রেমিং- উইন্ডো স্লাইডিং = 40%
- গ্লাস শাটার- জানালা স্লাইডিং = 30%
- ভেরান্দা স্লাইডিং = ২০%
- টয়লেট উচ্চ জানালা = 5%
- কমন এলাকা = 5%
TOTAL = 100% (৪% যেভাবে হবে।)

✪ EME ~ 10%
- লিফট = ৫০%
- জেনারেটর = ২৫%
- সাবস্টেশন = ২০%
- PABX, অগ্নিনির্বাপক যন্ত্র ইত্যাদি = 5%
TOTAL = 100% (১০% যেভাবে হবে।)

✪ পেইন্টের কাজ ~ 3%
- পুটি পর্যন্ত = 40%
- অভ্যন্তরীণ দেয়াল এবং সিলিং 1ম কোট = 20%
- অভ্যন্তরীণ দেয়াল এবং সিলিং ২য় কোট = 15%
- বাইরের রঙ/সিরামিক টাইটস = ২৫%
TOTAL = 100% (৩% যেভাবে হবে।)

✪ অন্য পৌর কাজ ~ 6%
- সীমানা প্রাচীর = 30%
- লাইন টেরেসিং/ ছাদ টপ পেভার = 15%
- লোগো, বাগান পরিচর্যা এবং অন্যান্য = ৪%
- GF BBC = 14%
- জিএফ পেভমেন্ট এবং ফুটপাথ দেব = ১০%
- লিন্টেল, এফ/ স্ল্যাব, ড্রপ ওয়াল, কাউন্টার ল্যাব = ২০%
- কেবল ট্রে = 1%
- স্যানিটারি ডাক্ট কভার, সিলিং ইত্যাদি = ৪%
- রিসেপশন ডেস্ক, লেটার বক্স = 2%
TOTAL = 100% (৬% যেভাবে হবে।)

✪ ইউটিলিটি সংযোগ এবং বিল ~ 3%
- ডেসা/ডিসকো = ৩৫%
- তিতাস = ২০
- ওয়াসা = 15%
- ইউটিলিটি বিল = 30%
TOTAL = 100% (৩% যেভাবে হবে।)

মাটি পরীক্ষা নির্মাণের একটি মৌলিক দিক যার মধ্যে রয়েছে সেতু, ভবন এবং বাঁধের মতো কাঠামোর নিরাপত্তা এবং স্থায়িত্ব নিশ্চিত...
21/05/2025

মাটি পরীক্ষা নির্মাণের একটি মৌলিক দিক যার মধ্যে রয়েছে সেতু, ভবন এবং বাঁধের মতো কাঠামোর নিরাপত্তা এবং স্থায়িত্ব নিশ্চিত করার জন্য মাটির বৈশিষ্ট্য বিশ্লেষণ করা। বিভিন্ন পরিস্থিতিতে মাটির আচরণ বোঝার জন্য এবং নির্মাণ পদ্ধতি এবং উপকরণ সম্পর্কে সচেতন সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য এই প্রক্রিয়াটি অপরিহার্য। পুঙ্খানুপুঙ্খ মাটি বিশ্লেষণ ছাড়া, কাঠামোগত ব্যর্থতার ঝুঁকি বৃদ্ধি পায়, যা সম্ভাব্যভাবে বিপর্যয়কর পরিণতির দিকে পরিচালিত করে। এই ব্লগে, আমরা মাটি পরীক্ষার গুরুত্ব , পরিচালিত বিভিন্ন পরীক্ষার গুরুত্ব এবং এই পরীক্ষাগুলি বিভিন্ন ধরণের নির্মাণ প্রকল্পের উপর কীভাবে প্রভাব ফেলে তা অন্বেষণ করব। G3SoilWorks-এ আমাদের দক্ষতা নিশ্চিত করে যে প্রতিটি প্রকল্প ব্যাপক মাটি পরীক্ষার মাধ্যমে একটি শক্ত ভিত্তি দিয়ে শুরু হয়।

মাটি পরীক্ষার মূলনীতি
মাটি পরীক্ষা কী ? নির্মাণ কাজে মাটি পরীক্ষার মধ্যে মাটির ভৌত ও রাসায়নিক বৈশিষ্ট্য মূল্যায়নের জন্য একাধিক পরীক্ষা করা হয়। এর মূল উদ্দেশ্য হল নির্মাণের জন্য মাটির উপযুক্ততা নির্ধারণ করা এবং কাঠামোর স্থায়িত্ব এবং দীর্ঘায়ুকে প্রভাবিত করতে পারে এমন সম্ভাব্য সমস্যাগুলি চিহ্নিত করা।

মাটি পরীক্ষার মূল প্রকারগুলি:
আর্দ্রতা পরীক্ষা: মাটিতে পানির পরিমাণ পরিমাপ করে, যা এর শক্তি এবং সংকোচনের উপর প্রভাব ফেলে।
অ্যাটারবার্গ সীমা পরীক্ষা: এই পরীক্ষা মাটির নমনীয়তা এবং ধারাবাহিকতা নির্ধারণ করে, যা বিভিন্ন আর্দ্রতার পরিস্থিতিতে এর আচরণ বোঝার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
কম্প্যাকশন পরীক্ষা: মাটির কম্প্যাক্ট করার ক্ষমতা মূল্যায়ন করে, যা একটি স্থিতিশীল ভিত্তি নিশ্চিত করার জন্য অপরিহার্য।
ব্যাপ্তিযোগ্যতা পরীক্ষা: এই পরীক্ষাটি মাটির মধ্য দিয়ে জল প্রবেশের ক্ষমতা মূল্যায়ন করে, যা নিষ্কাশন এবং জল-সম্পর্কিত সমস্যা প্রতিরোধের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
এই পরীক্ষাগুলি মাটির বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে মূল্যবান তথ্য সরবরাহ করে, যা ইঞ্জিনিয়ারদের নির্মাণ কৌশল এবং উপকরণ সম্পর্কে সচেতন সিদ্ধান্ত নিতে সহায়তা করে।

সেতু নির্মাণের জন্য মাটি পরীক্ষা
সেতু নির্মাণের জন্য মাটি পরীক্ষা বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ কারণ সেতুগুলিকে প্রচুর পরিমাণে বোঝা এবং গতিশীল শক্তি সহ্য করতে হয়। সেতুর স্থায়িত্ব মাটির ভার বহন ক্ষমতা এবং অন্যান্য বৈশিষ্ট্যের উপর উল্লেখযোগ্যভাবে নির্ভর করে। কাঠামোগত ব্যর্থতা রোধ করার জন্য মাটি সেতুর ওজন এবং গতিশীল শক্তিকে সমর্থন করতে পারে তা নিশ্চিত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

সেতু স্থানের জন্য নির্দিষ্ট মাটি পরীক্ষা:
লোড বহন ক্ষমতা পরীক্ষা: এই পরীক্ষাগুলি অগ্রহণযোগ্য স্থিরকরণ ছাড়াই মাটি সর্বোচ্চ কত লোড সহ্য করতে পারে তা নির্ধারণ করে। ইঞ্জিনিয়াররা এই তথ্য ব্যবহার করে ভিত্তি ডিজাইন করেন যা সেতুর ওজন এবং যানবাহন এবং পরিবেশগত শক্তির বোঝা সহ্য করতে পারে। উদাহরণস্বরূপ, একটি লোড বহন পরীক্ষায় মাটির নমুনায় একটি নিয়ন্ত্রিত লোড প্রয়োগ করা এবং এর বিকৃতি পরিমাপ করা জড়িত থাকতে পারে, যা ইঞ্জিনিয়ারদের বুঝতে সাহায্য করে যে মাটি স্থির হওয়া বা ব্যর্থ হওয়ার আগে মাটি কতটা ওজন সহ্য করতে পারে।
ভিত্তি তদন্ত: উপযুক্ত ভিত্তি ব্যবস্থা ডিজাইন করার জন্য মাটির স্তরগুলির একটি বিশদ বিশ্লেষণ জড়িত। ইঞ্জিনিয়াররা মাটির স্তরবিন্যাস, শক্তি এবং গঠন অধ্যয়ন করে সর্বোত্তম ধরণের ভিত্তি নির্ধারণ করেন, যেমন গভীর ভিত্তি (স্তূপ) বা অগভীর ভিত্তি (প্রসারিত ভিত্তি)। উদাহরণস্বরূপ, বিভিন্ন গভীরতায় মাটির নমুনা সংগ্রহ করার জন্য বোরিং এবং পরীক্ষার গর্ত ব্যবহার করা হয়, যা পরে মাটির বৈশিষ্ট্য এবং ভিত্তি বা স্থিতিশীল স্তরের গভীরতা নির্ধারণের জন্য বিশ্লেষণ করা হয়।
উদাহরণ: একটি প্রধান ঝুলন্ত সেতু নির্মাণের কথা বিবেচনা করুন। মাটি দূষণ পরীক্ষা , ভার বহন ক্ষমতা এবং ভিত্তি পরীক্ষা সহ ব্যাপক মাটি পরীক্ষা নিশ্চিত করেছে যে সেতুর ভিত্তিগুলি প্রত্যাশিত বোঝা সহ্য করার জন্য ডিজাইন করা হয়েছে, যা এর দীর্ঘমেয়াদী স্থিতিশীলতা এবং সুরক্ষায় অবদান রাখে। উদাহরণস্বরূপ, গোল্ডেন গেট সেতুর নির্মাণে বিস্তারিত মাটি পরীক্ষা জড়িত ছিল যাতে নিশ্চিত করা যায় যে এর বিশাল টাওয়ারগুলি উপসাগরের বৈচিত্র্যময় এবং চ্যালেঞ্জিং মাটির পরিস্থিতিতে নিরাপদে নোঙর করা হবে।

ভবন নির্মাণে মাটি পরীক্ষা
মাটি পরীক্ষা প্রয়োজনীয় ভিত্তির ধরণ নির্ধারণে সাহায্য করে এবং বিভিন্ন নকশা ও নির্মাণ সিদ্ধান্তকে প্রভাবিত করে। মাটির ধরণ ভবনের স্থায়িত্ব, স্থায়িত্ব এবং সামগ্রিক নিরাপত্তার উপর প্রভাব ফেলতে পারে, যার ফলে যেকোনো নির্মাণ শুরুর আগে মাটি পরীক্ষা একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হয়ে ওঠে।

নির্মাণ সাইটের জন্য নির্দিষ্ট পরীক্ষা
১. নির্মাণের জন্য মাটির সংকোচন পরীক্ষা
এই পরীক্ষা নিশ্চিত করে যে মাটি প্রয়োজনীয় ঘনত্বে সংকুচিত হতে পারে, যা ভবনের জন্য একটি স্থিতিশীল ভিত্তি প্রদান করে। সঠিক সংকোচন মাটির ভার বহন ক্ষমতা বৃদ্ধি করে এবং বসতি স্থাপনের ঝুঁকি হ্রাস করে। উদাহরণস্বরূপ, একটি প্রক্টর পরীক্ষায় সর্বাধিক ঘনত্বের জন্য সর্বোত্তম আর্দ্রতা নির্ধারণের জন্য বিভিন্ন আর্দ্রতা স্তরে মাটির নমুনা সংকুচিত করা জড়িত।

২. এসপিটি (স্ট্যান্ডার্ড পেনিট্রেশন টেস্ট)
মাটির অনুপ্রবেশের প্রতিরোধ ক্ষমতা পরিমাপ করে, মাটির শক্তি এবং ঘনত্ব সম্পর্কে তথ্য প্রদান করে। SPT-তে নিয়মিত বিরতিতে মাটিতে একটি ফাঁপা নল চালানো এবং মাটিতে প্রবেশের জন্য প্রয়োজনীয় আঘাতের সংখ্যা রেকর্ড করা জড়িত। এই তথ্য ইঞ্জিনিয়ারদের মাটির কাঠামোকে সমর্থন করার ক্ষমতা মূল্যায়ন করতে এবং বিশেষ মনোযোগের প্রয়োজন হতে পারে এমন কোনও দুর্বল স্তর সনাক্ত করতে সহায়তা করে।

বিভিন্ন কংক্রিট মিশনের জন্য অনুমোদিত নতির মান নির্মাণকাজের ধরন  অনুযায়ী কেমন হবে আসুন দেখে নিই......🔹রাস্তা তৈরিতে কংক্র...
09/12/2024

বিভিন্ন কংক্রিট মিশনের জন্য অনুমোদিত নতির মান নির্মাণকাজের ধরন অনুযায়ী কেমন হবে আসুন দেখে নিই......
🔹রাস্তা তৈরিতে কংক্রিক স্ল্যাম্প মান, ২০ মিমি- ৩০ মিমি
🔹আরসিসি স্ল্যাব, বিম এবং দেওয়াল ৫০ মিমি - ১০০ মিমি
🔹 কলাম, রিটেইনিং ওয়াল এবং পাতলা মেম্বার ইত্যাদি ৭৫ মিমি - ১৫০ মিমি
🔹পানিরোধী নির্মাণকাজ ৭৫ মিমি -১২০ মিমি
🔹সাধারণ কংক্রিট ফুটিং, কেইশন এবং উপরিকাঠামো ২৫ মিমি- ৭৫ মিমি
🔹আরসিসি বুনিয়াদ দেওয়াল এবং ফুটিং ৫০ মিমি - ১০০ মিমি

আরসিসি ও প্রি- স্ট্রেসড কংক্রিটের মাঝে খুব-ই গুরুত্বপূর্ণ কিছু পার্থক্য রয়েছে। চলুন দেখিক
আরসিসি (Reinforced cement concrete)ঃ
কংক্রিটে টান পীড়ন প্রতিরোধক হিসেবে লোহার রড ব্যবহার করতে হয়। অর্থাৎ কাঠামোতে চাপ পীড়ন, টান পীড়ন কলাম, ঠেস এবং শিয়ার পীড়ন প্রতিরোধ করার গুণসম্পন্ন কংক্রিটই আরসিসি (RCC) নামে পরিচিত। দীর্ঘ স্প্যান, দেওয়াল, ছাদ, লিন্টেল, যেখানে চাপ, টান ও শিয়ার বল সহ্য করতে হয় সেখানে আরসিসি ব্যবহৃত হয়।
প্রি-স্ট্রেসড কংক্রিট (Pre-stressed concrete) :
Pre অর্থ পূর্বে। অর্থাৎ, ঢালাইয়ের পূর্বেই নির্মাণ কংক্রিটের অতি উচ্চ শক্তিসম্পন্ন কংক্রিট ও স্টিল ব্যবহারের মাধ্যমে নির্মিত বিশেষ ধরনের কংক্রিটকে প্রি-স্ট্রেসড কংক্রিট বলা হয়। প্রি-স্ট্রেসিং প্রক্রিয়ায় কাঠামোর স্বাভাবিকভাবে সৃষ্ট ঝুলন এবং টানজনিত চিড় (Cracks) বহুল পরিমাণে কমায়, যার জন্য অনায়াসে উচ্চ শক্তিসম্পন্ন উপাদানসমূহের ব্যবহার হয়।
# ্ষেত্রেই যদি স্ল্যাম্প এর নতির মান টেস্ট করে নেয়া যায় সেক্ষেত্রে কংক্রিট এর সঠিক কার্যকারীতে পাওয়া সম্ভব।

🌩🌩⚡ বজ্রপাত রোধে বিল্ডিং এ বজ্র নিরোধক দণ্ডঃ-বজ্রপাতের উচ্চ মাত্রার বিদ্যুৎ প্রবাহ অনেক সময় ৪০০ কিলো অ্যাম্পিয়ার ছাড়িয়ে ...
30/10/2024

🌩🌩⚡ বজ্রপাত রোধে বিল্ডিং এ বজ্র নিরোধক দণ্ডঃ-
বজ্রপাতের উচ্চ মাত্রার বিদ্যুৎ প্রবাহ অনেক সময় ৪০০ কিলো অ্যাম্পিয়ার ছাড়িয়ে যায়। এত উচ্চমাত্রার বিদ্যুৎ প্রবহের ফলে তাপমাত্রা ৫০,০০০ ডিগ্রি ফারেনহাইট বা ২৭,৭৬০ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছাতে পারে। এই প্রচণ্ড উত্তাপে আগুন ধরে যেতে পারে, মানুষসহ জীবজন্তু মারা যেতে পারে। বাড়িঘরের বৈদ্যুতিক সরঞ্জামও বজ্রপাতের ফলে নষ্ট হয়ে যেতে পারে।
বজ্রপাত থেকে বাড়ি-ঘর সুরক্ষিত রাখতে যে ব্যবস্থাগুলো নেয়া হয় তার মধ্যে বজ্র নিরোধক দণ্ড অন্যতম।

⚡কি এই বজ্র নিরোধকঃ
==================
দালানের সর্বোচ্চ বিন্দু থেকে মাটি পর্যন্ত বৈদ্যুতিক পথ তৈরী করাই বজ্রনিরোধক ব্যবস্থার উদ্দেশ্য। একটি দালানের বজ্র প্রতিরোধ ব্যবস্থায় থাকে একটি এয়ারটার্মিনাল বা লাইটনিং রড যা দালানের সর্বোচ্চ বিন্দু যথা-সাইলো, ছাদ বা চিমনিতে স্থাপন করা হয়।
এছাড়া থাকে সংযোগ তার ও গ্রাউন্ডিং ইলেকট্রোড। বজ্র প্রতিরোধের জন্য দালানের বৈদ্যুতিক ব্যবস্থায় অবশ্যই ভাল গ্রাউন্ডিং থাকতে হবে এবং তা আলাদা গ্রাউন্ড সিস্টেমের সাথে যুক্ত হতে হবে।
বজ্রপাতে কোন বিল্ডিংয়ের ক্ষতির সম্ভাব্যতা কমিয়ে আনা যায় যদি উপযুক্ত বজ্রনিরোধক যন্ত্রপাতি স্থাপন করা হয়।

⚡কি দিয়ে তৈরি হয়?
================
তামা, অ্যালুমিনিয়াম প্রভৃতি ধাতুর বৈদ্যুতিক রোধের মাত্রা অনেক কম। তাই সাধারণত এসব ধাতু দিয়েই বজ্র নিরোধক দণ্ড তৈরি করা হয়। মোটামুটিভাবে দুই সেন্টিমিটার ব্যাসের তামা বা অ্যালুমিনিয়ামের তৈরি ধাতব দণ্ড ভবনের ওপর খাড়াভাবে বসিয়ে দেয়া হয়। আর সেটি এক ইঞ্চি বা কাছাকাছি ব্যাসের পরিবাহী তারের মাধ্যমে ভূমিতে সংযুক্ত রাখা হয়।

⚡বজ্র নিরোধক দণ্ড যেভাবে কাজ করেঃ
===============================
প্রচলিত একটি ধারণা হচ্ছে বজ্র নিরোধক দণ্ড বজ্রপাত আকর্ষণ করে। আসলে বিষয়টি সেরকম নয়। বজ্র নিরোধক দণ্ড দূর থেকে বজ্র বিদ্যুৎ টেনে আনে না। এটি থাকুক আর নাই থাকুক বজ্র বিদ্যুৎ যেখানে আঘাত করার যেখানেই আঘাত করবে। বজ্র নিরোধক দণ্ডের কাজ হচ্ছে উচ্চমাত্রার বিদ্যুতকে সহজে নিরাপদে মাটিতে পৌঁছানোর সুযোগ করে দেয়া।
প্রবাহের সময় বাধা না পেলে বিদ্যুৎ প্রবাহের ফলে পরিবাহী উত্তপ্ত হয় না, ফলে আগুন ধরার ঝুঁকিও থাকে না। বজ্র নিরোধক দণ্ড এ কাজটিই করে দেয়। বজ্র বিদ্যুৎ সরাসরি বজ্র নিরোধক দণ্ডে আঘাত করলে তো সমস্যাই নেই আর কাছাকাছি আঘাত করলেও কম রোধের পথ পাওয়ার কারণে (বজ্র নিরোধক দণ্ডের কারণে) সে বিদ্যুৎ লাফিয়ে বজ্র নিরোধক দণ্ড পর্যন্ত পৌঁছায় এবং সেখান থেকে মাটিতে চলে যায়।

⚡কিভাবে বিদ্যুৎ নিরোধক স্থাপন করতে হবে?
=================================
দালানের ছাদে দৈর্ঘ্য বরাবর ২৫ ফুট পর পর লাইটনিং রড স্থাপন করতে হবে। লাইটনিং রড এর ব্যাস সাধারণত ৫/৮" এবং উচ্চতা ১-২ ফুট পর্যন্ত হয়। দালানের প্রত্যেক কর্ণারে আর্থিং সিস্টেমের সংযোগ থাকা আবশ্যক। বড় দালানের ক্ষেত্রে (পরিধি ২৫০ ফুট এর বেশি) অতিরিক্ত গ্রাউন্ডিং সিস্টেম থাকলে ভাল হয়। মাটিতে ১০০ ফুট পর একটি গ্রাউন্ডিং সিস্টেম থাকা দরকার।
প্রধান তার একটি আর্থিং থেকে শুরু করে প্রত্যেক লাইটনিং রড এর সাথে সংযোগ শেষে অন্য কর্ণারের আর্থিংয়ে গিয়ে শেষ হবে। বৈদ্যুতিক গ্রাউন্ড সিস্টেম ও লাইটনিং গ্রাউন্ড সিস্টেম পরস্পরের সাথে সংযুক্ত থাকা প্রয়োজন। দালানের ভূ-গর্ভস্থ ধাতব পাইপ লাইন থাকলে গ্রাউন্ড সিস্টেমের সাথে সংযুক্ত করতে হবে। গ্রাউন্ড এর সাথে সংযোগ দেয়ার জন্য গ্রাউন্ড রড ব্যবহার করা হলে গ্রাউন্ড রডগুলো পুরোপুরি মাটির ভিতর ঢুকিয়ে উপযুক্ত ক্লাম্প দিয়ে তারের সংযোগ দিতে হবে।

⚡ #প্রাকৃতিক_সুরক্ষাঃ
গ্রামাঞ্চলের ছোট ছোট বাড়ি-ঘরকে সুরক্ষা দেয়ার ক্ষেত্রে তালগাছের মত উঁচু গাছ বেশ কাজে আসে। কাছাকাছি পরিবাহী পদার্থ পাওয়ার কারণে বজ্র বিদ্যুৎ বাড়ি-ঘরের বদলে গাছকে আঘাত করে।

কংক্রিটের চারটি উপাদান যেমনঃ পাথর,বালি,সিমেন্ট,ইট এর পরীক্ষা সহজেই কিভাবে করতে পারেন!! চলুন একসাথে দেখে নিই.....>>>>  #প...
12/10/2024

কংক্রিটের চারটি উপাদান যেমনঃ পাথর,বালি,সিমেন্ট,ইট এর পরীক্ষা সহজেই কিভাবে করতে পারেন!! চলুন একসাথে দেখে নিই.....
>>>> #পাথর_পরীক্ষা
🔸 ৩/৪ ডাউন সাইজ ঠিক আছে কিনা।
ওয়েল গ্রেডেড কিনা (ইন্টারমেডিয়েট সাইজ আছে কিনা) অর্থাৎ ৬০% হবে ৩/৪", ৩০% হবে ১/২" এবং পাই ১০%
🔸 এক ঘনফুট পাথরের ওজন ১৬০ পাউন্ড হতে ১৭০ পাউন্ড হবে
🔸মরা পাথর থাকবে না (অপেক্ষাকৃত কম হালকা পাথর মরা পাথর)
🔸 সিঙ্গেল থাকবে না বা সিঙ্গেল হতে পাথর ভাংগা হবে না।
🔸কাদা মুক্ত পাথর হতে হবে।
🔸বোল্ডার হতে পাথর ভাঙ্গা কিনা।
>>>> #বালি_পরীক্ষাঃ
🔸 কাঁচের গ্লাসে এক ভাগ বালি ও তিন ভাগ পানি মিশালে যদি ৩০ সেকেন্ডের মধ্যে সব বালি নীচে পড়ে যায় এবং উপরে সচ্ছ পানি থাকে তবে বালি ভাল।
🔸শুকনা বার্লি এক হাতের তালুতে রেখে অন্য হাতের বৃদ্ধা আঙ্গুল দিয়ে কয়েকবার ঘষে হাতের বালি ফেলে দেয়া। যদি হাতের তালুতে বালি লেগে থাকে তবে বালিতে মাটির উপস্থিতি বুঝা যাবে।
🔸 বালির স্তুপের উপরে পানি স্প্রে করলে কাদা বা জৈব বস্তুর উপস্থিতি বুঝা যায়।
🔸 প্রথমে ৩% সোডিয়াম হাইড্ৰ অক্সাইড (৩ গ্রাম সোডিয়াম হাইড অক্সাইড কাঁচের গ্লাসে রেখে পানি দিতে দিতে ১০০ মি.লি. দাগ পর্যন্ত) এর সলিউশন ও বালি নিয়ে উত্তমরুপে মিশিয়ে ২৪ ঘন্টা রেখে দিতে হবে। যদি পানির রং গাঢ় হলুদ বর্ণ হয় তবে বালিতে জৈব পদার্থের উপস্থিতি বুঝতে হবে।
>>>> #সিমেন্ট_পরীক্ষাঃ
🔸এক মুঠ সিমেন্ট দিয়ে যদি পিত্ত বানানো যায় তবে সিমেন্ট ভাল।
🔸 সিমেন্ট ব্যাগে দুই আঙ্গুল ঢুকাইলে যদি ঠাণ্ডা অনুভব হয় তবে সিমেন্ট ভাল।
🔸 এক গ্লাস পানিতে এক মুঠো সিমেন্ট ছেড়ে দেই যদি ডুবে যায় তাহলে সিমেন্ট ভাল।
🔸 এক মুষ্ঠি সিমেন্ট পানির মধ্যে ধরি, যদি কিছুক্ষনের মধ্যে গরম অনুভব হয় তবে সিমেন্ট ভাল।
>>>> ীক্ষাঃ
🔸 দুইটি ইট পরস্পর আঘাত করলে মেটালিক সাউন্ড হবে।
🔸 একটি ইট পানিতে ভিজালে তা তার নিজস্থ ওজনের সবোর্চ্চ ১৫% পানি শোষন করবে।
🔸 দুটি ইটের সাহায্যে টি (T) গঠন করে (T গঠনের সময় গ্রুপ মার্ক একই দিকে থাকবে) ১.২০ মিটার উপর হতে সমতল ও শক্ত ভূমির উপর ফেলে দিলে যদি না ভাঙ্গে তবে ইট ভাল।
🔸ভাল ইট ৯ (১/২)" x ৪ (১/২)" x ২ (৩/৪)" আদর্শ সাইজের হবে, ধার গুলো তীক্ষ্ণ হবে এবং রং সমসত্ব হবে।
ধন্যবাদ

এই ভিডিওটি সবার দেখা জরুরী।
04/09/2024

এই ভিডিওটি সবার দেখা জরুরী।

আরও তথ্যপূর্ণ ভিডিও পেতে আমাদের চ্যানেলটি সাবস্ক্রাইব করুন এবং ভিডিওটি শেয়ার করতে ভুলবেন না! #সয়েলটেস....

06/02/2024

রডের ল্যাপিং দেওয়ার নিয়ম:-
1️⃣ কলামের ল্যাপিং:- কলামের ল্যাপিং জোন L/3 হতে L/2 বা Middle Portion এর মধ্যে বা কাছাকাছি ল্যাপ দিতে হবে, L/4 এর ভিতরে সর্বাধিক Stress উৎপন্ন হয় বলে এই Zone পরিহার করা উচিত।
#কলামে সাধারনত 16, 20, 22, 25 ও 32 mm রড ব্যবহার হয়ে থাকে।

2️⃣ বীম (সকল বীম):- এর বটম রডের ল্যাপিও স্প্যান এর L/3 এর কলাম সংলগ্ন অংশে অর্থাৎ বীমের দুই সাইডের অংশে ল্যাপিং নিতে হবে।
বীমের টপ রডের ল্যাপিং:- স্প্যান দৈর্ঘ্যের 1/3 এর পরে অর্থাৎ বীম এর মধ্য স্প্যানে ল্যাপিং নিতে হবে।
#বীমে সাধারনত 16, 20, 22 ও 25 mm রড ব্যবহার হয়ে থাকে।

3️⃣ স্লাব এর ল্যাপিং:- বটম রডে ল্যাপিং দিতে হবে L/3 এর মধ্যে এবং টপ রড বা ক্রাংক রডের ল্যাপিং দিতে হবে মিডল ট্রিপের মধ্যে ।
#স্ল্যাবে সাধারনত 10 ও 12 mm রড ব্যবহার হয়ে থাকে।

🔴বি: দ্রঃ একই লেভেলে ল্যাপিং দেওয়া যাবে না অর্থাৎ আগে-পিছু করে দিতে হবে।
এছাড়া # রিং, টাই, স্টিরাপ, স্পাইরাল এ সাধারনত 8, 10 ও 12 mm রড ব্যবহার হয়ে থাকে। রিং এর মাথায় ১৩৫° এঙ্গেল হুক দিতে হয়। হুক এর এক পাশের দৈর্ঘ্য 6D

🚧কম্প্রেশন_জোন (কলাম ও শিয়ার ওয়াল)
সাধারনত রডে ল্যাপিং দেওয়া হয় 40D
16 mm রডের ক্ষেত্রে (40 X 16)=640mm= 26"
20 mm রডের ক্ষেত্রে (40 x 20)=800mm= 32"
অথবা,
যত সুতা রড তত 5" ল্যাপিং দেওয়া হয়
16 mm (5 সুতা) এর ক্ষেত্রে= 5 x 5" = 25"
20 mm (6 সুতা) এর ক্ষেত্রে= 6 X 5" = 30"

🚧টেনশন_জোন (বীম ও স্ল্যাব)
বীমের ল্যাপিং এর পরিমান 60D
১৬ মিমি = ৬০x১৬ = ৯৬০ মিমি = ৩৮"
২০ মিমি = ৬০x২০ = ১২০০ মিমি= ৪৮"

স্ল্যাবের ল্যাপিং এর পরিমান 60D
১০ মিমি = ৬০x১০ = ৬০০ মিমি = ২৪"
১২ মিমি = ৬০x১২ = ৭২০ মিমি = ২৮"

🈴 সর্বোপরি বিল্ডিং ডিজাইন ইঞ্জিনিয়ারদের পরামর্শ নিন, স্ট্যান্ডার্ড অনুযায়ী ভবন নির্মাণ করুন, নিরাপদ থাকুন ।

🔰 হানিকম্বের কারণ ও প্রতিকার :- হানিকম্ব যাতে না হয় এর জন্য সাইট ইঞ্জিনিয়ারকে কাস্টিং এর সময় ভালো করে তদারকি করতে হবে । ...
16/01/2024

🔰 হানিকম্বের কারণ ও প্রতিকার :- হানিকম্ব যাতে না হয় এর জন্য সাইট ইঞ্জিনিয়ারকে কাস্টিং এর সময় ভালো করে তদারকি করতে হবে । কংক্রিটে অনেকগুলো কারণে হানিকম্বের সৃষ্টি হতে পারে, তন্মধ্যে উল্লেখযোগ্য কিছু কারণ হলো;
⭕️ লিকেজ/Leakage:-
হানিকম্বের জন্য জন্য যেটা প্রথম কারণ সাটার এর লিকেজ। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই দেখা যায় ভাইব্রেটিং এর ফলে সাটারের লিকেজ বা ফোকর দিয়ে পানি কিংবা বালি সিমেন্টের তরল মর্টার বের হয়ে গিয়ে হানিকম্বের সৃষ্টি করে।
প্রতিকার:-
🔶 স্টিল সাটারের জয়েন্টে Jute Tape / Foam ব্যবহার করে নাট-বোল্টগুলোকে শক্ত করে আটকে দিতে হবে যেন কোন ফাঁকা না থাকে।
🔶 সাটারিং এর সাপোর্ট ঠিকভাবে দেয়া হয়েছে কিনা খেয়াল রাখতে হবে।
🔶 কলামের ক্ষেত্রে কিকার এবং ফাস্ট লিফটের কলামের মাথায় শক্তকরে Jute Tape / Foam বেধে নিতে হবে৷
🔶 এক কথায় সাটারে কোন লিকেজ থাকতে পারবেনা, কাঠ বা স্টিল সাটার যাই ব্যবহার করেন না কেন সাটারকে ভালভাবে এয়ার টাইড করতে হবে, বিশেষ করে ছাদের বিম কলামের কোবলাগুলোকে ভালভাবে লিকপ্রুভ করতে হবে।
🔶 কাঠের সাটারের বড় গ্যাপে রূপভান সিট দিতে হবে, ছোটখাটো গ্যাপগুলো কাগজ দিয়ে আটকে দিতে হবে।
ধন্যবাদ,

♻ Slum Test / স্ল্যাম্প টেস্ট কেন এত গুরুত্বপূর্ণ ঃমূলত বাড়ি নির্মাণে বালি,সিমেন্ট,খোয়ার যে মিশ্রণ আমরা ব্যবহার করে থাকি...
10/01/2024

♻ Slum Test / স্ল্যাম্প টেস্ট কেন এত গুরুত্বপূর্ণ ঃ
মূলত বাড়ি নির্মাণে বালি,সিমেন্ট,খোয়ার যে মিশ্রণ আমরা ব্যবহার করে থাকি সেটি কার্যকারীতা বা ক্ষমতা কিরুপ হবে তা এই টেস্ট এর মাধ্যমে বোঝা যায়।
কংক্রিটের কার্যোপযোগিতা নির্ণয়ের জন্য slump test করা হয়। এই টেস্ট করবেন নিচের ধাপগুলো অনুসরণ করে-
ফ্রাস্টম আকৃতির কোণক ব্যবহার করতে হবে। যার তলার ব্যাস ৮", উপরের ব্যাস ৪" এবং উচ্চতা
১২" হবে। কোণকটিকে একটি স্টীল পাতের উপর বসাতে হবে। তারপর এর মধ্যে তিনস্তরে কংক্রিট ভর্তি করে #৫ রডের সাহায্যে ২৫ বার শিলাতে / গাঁথাতে হবে । তারপর কোণকের হাতল দুইটি ধরে কোণকটি কে আস্তে আস্তে উপরে তুলতে হবে। কোণকটি উপরে তোলার পর কংক্রিট খানিক টা নিচে নেমে যায়। এই পতনের গভীরতার মান টাই স্লাম্প।
কাজের ধরণ অনুযায়ী স্লাম্প এর মান বিভিন্ন রকমের হওয়া উচিত। যেমন-
১. রাস্তা তৈরিতে কংক্রিট এ নতির মান (২০-৩০) মিমি।
২. R.C.C স্ল্যাব, বীম এবং দেওয়াল এ নতির মান (৫০-১০০) মিমি।
৩. কলাম, রিটেইনিং ওয়াল, এবং পাতলা ঘোরা মেম্বার ইত্যাদিতে নতির মান (৭৫-১৫০) মিমি।
৪. পানিরোধী নির্মাণ কাজ এ নতির মান (৭৫-১২০) মিমি।
৫. ভাইব্রেটেড কংক্রিট এ নতির মান (১২-২৫) মিমি।
৬. Mass কংক্রিট এ নতির মান (২৫-৫০) মিমি।
৭. সাধারণ কংক্রিট ফুটিং, কেইশন ও উপরি কাঠামো এ নতির মান (২৫-৭৫) মিমি।
৮. আর.সি.সি. বুনিয়াদ দেয়াল এবং ফুটিং এ নতির মান (৫০-১০০) মিমি।
৯. ব্রিজ ডেক এ নতির মান (২৫-৭৫) মিমি।
ধন্যবাদ,

Address

Zia Sharoni Road. Shonir Akhra
Dhaka
1236

Telephone

+8801919345769

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Khushbu Building Design & Consultant posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Khushbu Building Design & Consultant:

Share