Signature International Design & Construction

Signature International Design & Construction Signature International design & Construction works on a wide range; starting from small interior re

Signature International Design & Construction is offering a wide range of Industrial Services -  🔖 Fire Detection, Prote...
24/10/2022

Signature International Design & Construction is offering a wide range of Industrial Services -
🔖 Fire Detection, Protection & Hydrant Design Solutions
🔖 Fire Safety Plan & NOC
🔖 Industrial Solar EPC
🔖 Industrial Electrical Single Line Drawing , Thermal Scanning , Cable Insulation Test , Earthing Resistance Test
🔖 Architectural Master Plan
🔖 Structural Design
🔖 New Factory Setup Consultancy
🔖 USGBC LEED Green Certification Consultancy

Pls feel free to knock us for any Query -

10/04/2022

-: ফায়ার এলার্ম ও ডিটেকশন সিস্টেম :-

১। সংজ্ঞা : কোথাও আগুন লাগলে যে পদ্ধতির মাধ্যমে সতর্ক করা হয় তাকে ফায়ার এলার্ম সিস্টেম বলে। এটা এমন সিস্টেম যা স্বয়ংক্রিয়ভাবে আগুন নির্ণয় করবে ও এলার্ম দিবে এবং অন্য কোন ব্যবস্থা থাকলে তারও সংকেত দিবে ( অডিও সিস্টেম) ফায়ার সার্ভিসের সাথে ফোন সংযোগ থাকতে পারে বা ফায়ার সার্ভিসকেও সংকেত দিতে পারে।

২। প্রকারভেদ : (ক) অটোমেটিক, (খ) ইলেকট্রিক।

৩। যন্ত্রপাতি :

(ক) কন্ট্রোল প্যানেল, (খ) স্ট্যান্ড বাই ব্যাটারি (বিদ্যুৎ কাজ না করলে), (গ) ডিটেকটর (Smoke & Heat Detector, Amplifier etc), (ঘ) বেল- ৬", (ঙ) সাইরেন, (চ) ব্রেক গ্লাস/Manual call point. (ছ) (এ্যানানসিয়েটর প্যানেল) C.P. যে যা দেখা যাাবে Repeater প্যানেলেও উহা Show হবে। তবে C.P. এবং R.P. একই স্থানে বা একই ফ্লোরে হবে না। উহার অবস্থান হবে আলাদা আলাদা। (একটি জোনে সর্বাধিক ২০টির বেশি Detector দেওয়া যাবে না) C.P. সাথে Audio System additional হিসেবে সংযোজন করা যেতে পারে। কেননা এটা দিয়ে স্পীকারে অগ্নি দুর্ঘটনায় কি করনীয় প্রত্যেক ফ্লোরে অবস্থানকারী ব্যক্তিদের অবগত করানো যাবে।

৪। ডিটেক্টরের অন্ত:ক্রিয়া:

৫। বিভিন্ন প্রকার ডিটেক্টরসমূহ : 90% followed by Fire goods আগুনের প্রাথমিক অবস্থায় ধোয়া তাপ ও আলোর উদ্ভব হয়। সে জন্য Sub Heat প্রভৃতি detector ব্যবহার করা হয় কিন্তু Light detector বলতে কোন ডিটেক্টরেরর ব্যবহার নেই।

(ক) Light Emission Detector(L.E.D), (খ) Addressable Smoke Detector, (গ) Air Duct (নল) Detector, (ঘ) Optical Smoke Detector, (ঙ) Infrared Radiation Detector (I.R.D), (চ) Ultraviolet Radiation Detector (U.R.D),

(ছ) Heat detector : হিট ডিটেক্টর আগুনের প্রথম পর্যায়ে উৎপাদিত তাপই ঘন্টা বাজে। Heat detector এ তাপকে ৩ ভাগে ব্যবহার করা হয়: (১) নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় স্থাপিত Metal গলিয়ে দেয়। (২) Gas (Solid Liquid) পদার্থকে বৃদ্ধি করে বৈদ্যুতিক সংযোগ ঘটায়। (৩) বৈদ্যুতিক প্রতিবন্ধকতার মধ্যে তাপ প্রয়োগ।

(জ) লেসার বীম:

৬। ডিটেক্টর fall Alarm এর করন:

(ক) এটাতে ধুলিকনা (Dust Paricle) বালু প্রবেশ করলে। (খ) আবহাওয়ার অকস্মাৎ পরিবর্তন ঘটলে (হটাৎ গরম/বৃষ্টি/শীত প্রভূতি)। (গ) ডিটেক্টর নিকটবর্তী স্থানে স্যাঁতস্যাঁতে (Dump) হলে। (ঘ) ডিটেক্টরের মধ্যে পানি প্রবেশ করলে। (ঙ) ডিটেক্টরেরর ভিতরে Short Circuit হলে।

৭। Fall Alarm প্রতিরোধ:

(ক) নিয়মিত রক্ষনাবেক্ষন করা, (খ) মাঝে মাঝে Detector খুলে পরিষ্কার করা (দক্ষ হাতে), (গ) রুম পরিষ্কারের সময় ধুলিবালি না ঢোকে সে দিকে লক্ষ রাখা, (ঘ) পানির প্রবেশ বন্ধ করা এবং Dump এর প্রতিককার করা। উল্লেখ্য যে- ★ Fall Alarm এর সময় Control Panel Reset করতে হবে। ★ Detector এর Life রক্ষনাবেক্ষন, এর উপর নির্ভর করে। ★ Detector এর Base বা মুখ খারাপ হলে উহা Change করতে হবে।

৮। Selection of Detector.

Courtsey : Naim Islam Nahid

24/02/2022

*****খুব গুরুত্বপূর্ণ জানা খুব জরুরী*****
পুরাতন দলিলে ব্যবহৃত ১৩০ টি শব্দের অর্থ
👉দলিলে লিখিত অনেক শব্দ আছে,যার সংক্ষিপ্ত রুপ ব্যবহার করা হয়ে থাকে। এমনও কিছু শব্দ আছে যা খুব কম ব্যবহার হয়। যারা পুরাতন দলিলের ব্যবহৃত শব্দের অর্থ বোঝেন না,তাদের জন্য বিস্তারিত আলোচনা করা হলো।

১) মৌজা 👉 গ্রাম।

২) জে.এল নং 👉 মৌজা নং/গ্রাম নম্বর।

৩) ফর্দ 👉 দলিলের পাতা।

৪) খং 👉 খতিয়ান।

৫) সাবেক 👉 আগের/পূর্বের বুজায়

৬) হাল 👉 বর্তমান।

৭) বং 👉 বাহক, অর্থাৎ যিনি নিরক্ষর ব্যক্তির নাম লিখে।

৮) নিং 👉 নিরক্ষর।

৯) গং 👉 আরো অংশীদার আছে।

১০) সাং 👉 সাকিন/গ্রাম।

১১) তঞ্চকতা 👉 প্রতারণা।

১২) সনাক্তকারী 👉 যিনি বিক্রেতাকে চিনে।

১৩) এজমালী 👉 যৌথ।

১৪) মুসাবিদা 👉 দলিল লেখক।

১৫) পর্চা 👉 বুঝারতের সময় প্রাথমিক খতিয়ানের যে নকল দেওয়া হয় তাকে পর্চা বলে।

১৬) বাস্তু 👉 বসত ভিটা।

১৭) বাটোয়ারা 👉 বন্টন।

১৮) বায়া 👉 বিক্রেতা।

১৯) মং 👉 মবলগ/মোট

২০) মবলক 👉 মোট।

২১) এওয়াজ 👉 সমপরিমাণ কোন কিছু বদলে সমপরিমাণ কোন কিছু বদল করাকে এওয়াজ বলে।

২২) হিস্যা 👉 অংশ।

২৩) একুনে 👉 যোগফল।

২৪) জরিপ 👉 পরিমাণ।

২৫) এজমালী 👉 কোনো ভূমি বা জোতের একাধিক শরীক থাকিলে তাহাকে এজমালী সম্পত্তি বা এজমালী জোত বলে।

২৬) চৌহদ্দি 👉 সীমানা।

২৭) সিট 👉 নকশার অংশ বা মৌজার অংশের নকশাকে সিট বলে।

২৮) দাখিলা 👉 খাজনার রশিদ।

২৯) নক্সা 👉 ম্যাপ।

৩০) নল 👉 জমি পরিমাপের নিমিত্তে তৈরী অংশ দণ্ড।

৩১) নাল 👉 চাষাবাদের উপযোগী ভূমি।

৩২) পিং 👉 পিতা।

৩৩) জং 👉 স্বামী।

৩৪) দাগ নং 👉 জমির নম্বর।

৩৫) এতদ্বার্থে 👉 এতকিছুর পর।

৩৬) স্বজ্ঞানে 👉 নিজের বুঝ মতে।

৩৭) সমূদয় 👉 সব কিছু।

৩৮) ইয়াদিকৃত 👉 পরম করুণাময় সৃষ্টিকর্তার নামে শুরু করিলাম।

৩৯) পত্র মিদং 👉 পত্রের মাধ্যমে।



৪০) বিং 👉 বিস্তারিত।

৪১) দং 👉 দখলকার।

৪২) পত্তন 👉 সাময়িক বন্দোবস্ত।

৪৩) বদল সূত্র 👉 এক জমি দিয়া অন্য জমি গ্রহণ করা।

৪৪) মৌকুফ 👉 মাপ।

৪৫) দিশারী রেখা 👉 দিকনির্দেশনা।

৪৬) হেবা বিল এওয়াজ 👉 কোন জিনিসের পরিবর্তে ভূমি/জমি দান করাকে হেবা বিল এওয়াজ বলে।

৪৭) বাটা দাগ 👉 কাটা দাগ এটি ভগ্নাংশ আকারে থাকে, যার উপরের সংখ্যা আগের দাগ এবং নিচের সংখ্যা এই দাগের বাটা।

৪৮) অধুনা 👉 বর্তমান।

৪৯) রোক 👉 নগদ।

৫০) ভায়া 👉 বিক্রেতার পূর্বের ক্রয়কৃত দলিল।

৫১) দান সূত্র 👉 কোনো ভূমি দলিল মূলে দান করিলে দান গ্রহণকারী দান সূত্রে ভূমির মালিক বলিয়া গন্য হয়।

৫২) দাখিল খারিজ 👉 কোনো জোতের ভূমি ও জমা হইতে কতেকাংশ ভূমির খরিদ্দার ওয়ারিশ সূত্রে প্রাপ্ত ব্যাক্তিকে পৃথকভাবে নাম জারি করিয়া দিলে তাহাকে দাখিল খারিজ বলে।

৫৩) তফসিল 👉 তালিকা, কোনো দলিলের নিম্নভাগে লিখিত সম্পত্তির তালিকাকে তফসিল বলে।

৫৪) খারিজ 👉 যখন কোনো সরকার বা জমিদার কোনো প্রজাকে তাহার অংশীদারের জমা হইতে পৃথকভাবে খাজনা দিবার অনুমতি দেন তখন তাহাকে খারিজ বলে।

৫৫) খতিয়ান 👉 প্রত্যেক মৌজার এক বা একাধিক ভূমির জন্য একত্রে যে রেকর্ড সৃষ্টি করা হয় তাহাকে খাতিয়ান বলা হয়। খতিয়ানে তৌজি নম্বর, পরগনার নাম, জে.এল বা গ্রামের নাম, খতিয়ান নম্বর, স্বত্ত্বের বিবরণ মালিকের নাম, তাহার পিতা ও গ্রামের নাম, দাগ নম্বর, প্রত্যেক দাগের উত্তর সীমানা, ভূমির প্রকার অর্থাৎ (ডাঙ্গা, ধানী, ডোবা, পতিত, গর্ত, হালট, ইত্যাদি) দখলকারের নাম, ভূমির ষোল আনা পরিমাণ, হিস্যা ও হিস্যা মত পরিমাণ একর লিখিত থাকে।

৫৬) জরিপ 👉 সাধারণত কর নির্ধারণ ভিত্তিতেই এই সার্ভে করা হইয়া থাকে।

৫৭) এওয়াজ সূত্র 👉সমপরিমাণ কোনো ভূমি বা জিনিসের বদলে সমপরিমাণ কোনো ভূমি বা জিনিস প্রাপ্ত হইলে তাহাকে এওয়াজ সূত্রে প্রাপ্ত বলা হয় ইহাকে বদল সূত্রও বলে।

৫৮) অছিয়তনামা 👉 যদি কোনো ব্যাক্তি মৃত্যুর পূর্বে তাহার ওয়ারিশ বা আত্বীয় স্বজনকে তার স্থাবর- অস্থাবর সম্পত্তির বাটোয়ারা সম্পর্কে দলিল মূলে কোনো নির্দেশ দিয়া যান তবে তাহাকে অছিয়তনামা বলে। মৃত্যুর পর উক্ত অছিয়ত প্রবলের জন্য জেলা জজ সাহেব হইতে অনুমতি লইতে হয় হিন্দু ধর্মে উহাকে উইল বলে।

৫৯) তফসিল 👉 বিক্রিত জমির তালিকা।

৬০) নামজারী 👉 অন্যান্য অংশীদার থেকে নিজের নাম খতিয়ানে খোলাকে নামজারী বলে।

৬১) অধীনস্থ স্বত্ত্ব 👉 উপরিস্থিত স্বত্ব বা জমিদারী স্বত্বের অধীনে কোনো স্বত্ত্ব সৃষ্টি করিলে তাহাকে অধীনস্থ স্বত্ত্ব বা নীচস্থ স্বত্ত্ব বলে।

৬২) আলামত 👉 ম্যাপের মধ্যে গাছপালা, বাড়ীঘর, মন্দির, মসজিদ, গোরস্থান, জলভূমি, ইত্যাদি বুঝাইবার জন্য ব্যবহৃত চিহ্নকে আলামত বলে।

৬৩) আমলনামা 👉 কোনো ব্যক্তি অন্যের নিকট হইতে কোনো ভূমি নিলাম বা খোস – খরিদ করিয়া ভূমিতে দখল লওয়ার যে দলিল প্রাপ্ত হয় তাহাকে আমনামা বলে।

৬৪) আসলি 👉 মূল ভূমি।

৬৫) আধি 👉 উৎপন্ন ফসলের অর্ধেক ভূমির মালিক, অর্ধেক প্রজায় রাখিলে তাহাকে আধি বা বর্গ বলে।

৬৬) ইজারা 👉 ঠিকা। নির্দিষ্ট খাজনায় নির্দিষ্ট সময়ের জন্য তালুক বা মহলাদির বন্দোবস্ত দেওয়া বা নেওয়া।

৬৭) ইয়াদদন্ত 👉 স্মারকলিপি।

৬৮) ইন্তেহার 👉 ঘোষণাপত্র।

৬৯) এস্টেট 👉 ১৭৯৩ সালে সরকার বাহাদুর যে সমস্ত মহাল স্থায়ীভাবে বন্দোবস্ত দিয়াছেন তাহাদিগকে জমিদারী বা এস্টেট বলে।

৭০) ওয়াকফ 👉 ধর্মীয় কাজের উদ্দেশ্যে আল্লাহর নামে উৎসর্গকৃত সম্পত্তি।

৭১) কিত্তা 👉 চারিটি আইন দ্বারা বেষ্টিত ভূমি খন্ডকে এক একটি কিত্তা বা পট বলে।

৭২) কিস্তোয়ার জরিপ 👉 গ্রামের অন্তর্গত জমিগুলো কিত্তা কিত্তা করে জরিপ করার নাম কিস্তোয়ার

৭৩) কিস্তি 👉 নির্দিষ্ট তারিখ অনুযায়ী টাকা দিবার অঙ্গীকার বা ব্যবস্থা।

৭৪) কায়েম স্বত্ত্ব 👉 চিরস্থায়ীভাবে বন্দোবস্ত দেওয়া ভূমিকে কায়েম স্বত্ত্ব বলে।

৭৫) কবুলিয়ত 👉 মালিকের বরাবরে স্বীকারোক্তি করিয়া কোনো দলিল দিলে তাহাকে বকুলিয়ত বলে। কবুলিয়াত নানা প্রকার। যথা- রায়তি, দর রায়তি, কোর্ফা ও আদি বর্গা কবুলিয়াত।

৭৬) কটকোবালা 👉 সুদের পরিবর্তে মহাজনের দখলে জমি দিয়া টাকা কর্জ করত: যে দলিল দেওয়া হয় তাহাকে কটকোবালা বল।

৭৭) কান্দা 👉 উচ্চ ভূমি। গোবামের সন্নিকটস্থ ভূমিকেও কান্দা বলে।

৭৮) কিসমত 👉 মৌজার অংশকে কিসমত বলে।

৭৯) কোলা ভূমি 👉 বসত বাড়ীর সংলগ্ন নাল জমিকে কোলা ভূমি বলে।

৮০) কোল 👉 নদীর কোনো ছোট অংশ তাহার প্রধান স্রোতের সহিত বা হইতে সংযুক্ত হইয়া গেলে তাহাকে কোল বলে।

৮১) খানাপুরী 👉 প্রাথমিক স্বত্ত্ব লিপি। ইহা রেকর্ড অব রাইটস তৈরির ধাপ। খসড়া ও খতিয়ানের কলাম বা ঘর পূরণ করাই ইহার কাজ।

৮২) খামার 👉 ভূম্যধিকারী খাস দখলীয় ভূমিকে খামার, খাস-খামার, নিজ জোত বা কমত বলে।

৮৩) খাইখন্দক 👉 ডোবগর্ত, খাল, নালা ইত্যাদি চাষের অযোগ্য ভূমিকে খাইখন্দক বলে।

৮৪) খিরাজ 👉 কর, খাজনা।

৮৫) খানে খোদাঃ মসজিদ।

৮৬) খসড়াঃ জমির মোটামুটি বর্ণনা।

৮৭) গর বন্দোবস্তিঃ যে জমির কোনো বন্দোবস্ত দেওয়া হয় নাই।

৮৮) গরলায়েক পতিতঃ খাল, নালা, তীরচর, ঝাড়, জঙ্গল ইত্যাদি অনাবাদি ভূমিকে গরলায়েক পতিত বলে।

৮৯) গির্বিঃ বন্ধক।

৯০) চক 👉 থক বসত ম্যাপের এক একটি পটকে চক বলে।

৯১) জমা বন্দী 👉 খাজনার তালিকা।

৯২) চাকরাণ 👉 জমিদার বাড়ীর কাজ-কর্ম নির্বাহ করণার্থে ভোগ-দখল করিবার নিমিত্তে যে জমি দেওয়া হয় তাহাকে চাকরাণ বলে।

৯৩) চাঁদা 👉 জরিপ কার্যে নির্দিষ্ট করা স্টেশনকে চাঁদা বলে।

৯৪) চটান 👉 বাড়ীর সন্নিকটস্থ উচ্চ পতিত স্থানকে চটান বলে।

৯৫) চালা 👉 উচ্চ আবাদি ভূমি (পুকুরের পাড় ইত্যাদি)

৯৬) চর 👉 পলিমাটি গঠিত ভূমি।

৯৭) জবর-দখল 👉 জোরপূর্বক দখল।

৯৮) জমা 👉 এক বা একাধিক ভূমির জন্য একত্রে যে খাজনা দেওয়া হয় তাহাকে এক একটি জমা বলে।

৯৯) জোত 👉 এক প্রকার প্রজাস্বত্ত্ব।

১০০) জজিরা 👉 নাব্য নদীতে যে দ্বীপ গঠিত হয় তাহাকে জজিরা বলে।

১০১) জায়সুদী 👉 হস্তান্তরকরণ ক্ষমতা ব্যতীত কিয়ং কালের জন্য বন্ধক। অর্থাৎ মহাজনের নিকট বন্ধক দিয়া যদি এই মর্মে টাকা কর্জ করা যায়, যে যতদিন পর্যন্ত আসল টাকা পরিশোধ না হইবে ততদিন পর্যন্ত মহাজন উক্ত জমি ভোগ-দখল করিতে থাকিবেন, তবে তাহাকে জায়সুরি বলে।

১০২) জালি 👉 এক প্রকার ধান যাহা জলাভূমিতে জন্মে।

১০৩) টেক 👉 নদী ভগ্নস্থান ভরাট হইয়া যে পয়স্তি উৎপন্ন হয় তাহাকে টেক বলে।

১০৪) টাভার্স 👉 ঘের জরিপ।

১০৫) ঠিকা রায়ত 👉 নির্দিষ্ট মেয়াদে সাময়িকভাবে দখলকারকে ঠিক রায়ত বলে অথবা যে রায়তের কোনো দখলি স্বত্ত্ব নেই।

১০৬) ঢোল সহরত 👉 কোনো ক্রোক, নিলাম ইস্তেহার বা দখলি পরওয়ানা সরজমিনে ঢোল পিটাইয়া জারি করাকে ঢোল সহরত বলে।

১০৭) তামিল 👉 আদেশ মোতাবেক রেকর্ড সংশোধন করা।

১০৮) তামাদি 👉 খাজনা আদায় করার নির্দিষ্ট সময় অতিক্রম হইলে তাহাকে তামাদি বলে।

১০৯) তুদাবন্দী 👉 সীমানা নির্দেশ।

১১০) তহশিল 👉 খাজনাদি আয়ের নিমিত্ত নির্দিষ্ট এলাকাকে তহশিল বলে।

১১১) তলবানা 👉 সমন জারির সময় পিয়নকে প্রদত্ত ফিস।

১১২) তলববাকী 👉 বকেয়া খাজনা আদায়ের কিস্তি।

১১৩) তালুক 👉 নিম্নস্থ স্বত্ত্ব।

১১৪) তরমিমঃ শুদ্ধকরণ।

১১৫) তরতিব 👉 শৃংখলা।

১১৬) তৌজি 👉 ১৭৯৩ সালে চিরস্থায়ী বন্দোবস্তীয় ভূমির জন্য কালেক্টরীতে যে রেজিষ্ট্রী বই থাকে তাহাকে তৌজি বলে। প্রত্যেক তৌজির ক্রমিক নম্বর থাকে। জমিদারের অধীন প্রজার জোতকেও তৌজি বলা হয়।

🔸১১৭) দিয়ারা 👉 পলিমাটি দ্বারা গঠিত চর।

১১৮) দর পত্তনী 👉 পত্তনীর অধীন।

১১৯) দখলী স্বত্ত্ব বিশিষ্ট প্রজা 👉 দখলদার হিসেবে যে প্রজার স্বত্ত্ব আছে।

১২০) দশসালা বন্দোবস্ত 👉 দশ বৎসরের মেয়াদে বন্দোবস্ত দেওয়াকে দশসালা বন্দোবস্ত বলে।

১২১) দিয়ারা 👉 পলিমাটি দ্বারা গঠিত চর।

১২২) দাগ নম্বর 👉মৌজা নকশায় প্রত্যেক প্লটের যে সিরিয়াল নম্বর বসান হয়,তাহাকে দাগ নম্বর বলে।

১২৩) দরবস্ত 👉 সমুদয়।

১২৪) নথি 👉 রেকর্ড।

১২৫) দেবোত্তর 👉 দেবতাদিগকে প্রদত্ত নিষ্কর ভূমি।

১২৬) দেবিচর 👉 যে সকল বালুচর সাধারণ জোয়ারের পানিতে ডুবিয়া যায় তাহাদিগকে দেবিচর বলে।

১২৭) দিঘলি 👉 নির্দিষ্ট পরিমাণ খাজনা আদায়কারী একপ্রকার প্রজা।

১২৮) নক্সা ভাওড়ন 👉 পূর্ব জরিপ অনুসারে গ্রামের সীমাগুলো এখন আর ঠিক মতো পাওয়া যায় না। ফলে সীমানা লইয়া প্রায়ই জমিদারের মধ্যে ঝগড়া বাঁধে। পূর্বের ফিল্ডবুক অনুসারে প্রত্যেক লাইনের মাপ ও বিয়ারিং লইয়া, লাইনটি প্রথমে যেখানে যেভাবে ছিল, তা চিহ্নিত করিয়া, কোন জমি কোন মৌজার অন্তর্গত,তাহা ঠিক করার নামই,নক্সা ভাওড়ান বা রিলেইং বাউন্ডারীজ।

১২৯) নামজারী 👉 ভূম্যধিকারী সরকারের সাবেক নামের পরিবর্তে খরিদ্দার অথবা ওয়ারিশ সূত্রে প্রাপ্ত ব্যক্তির নাম রেজিস্ট্রী করাকে নামজারী বলে।

🔸১৩০) নাম খারিজ বা জমা খারিজ 👉 ১৬ আনা জোতার মোট জমা হইতে নামজারীকৃত ওয়ারিশ বা খরিদ্দারের দখলীয় জমির জমা ১৬ আনা জোতার জমার হার অনুসারে জাম ভাগ করিয়া দিয়া পৃথক জমা সৃষ্টি করাকে নাম খারিজ বা জাম খারিজ বলে।
"সংগৃহীত"

05/06/2021


 #বাড়ি নির্মাণ করার আগে মাটি পরিক্ষা কেনো করবেন-?🏚️‘ #সয়েল_টেস্ট’ কথাটির শাব্দিক অর্থ হলো মাটি পরীক্ষা।যে কোন ধরনের স্থা...
31/05/2021

#বাড়ি নির্মাণ করার আগে মাটি পরিক্ষা কেনো করবেন-?🏚️

‘ #সয়েল_টেস্ট’ কথাটির শাব্দিক অর্থ হলো মাটি পরীক্ষা।যে কোন ধরনের স্থাপনা যেমন, আবাসিক ভবন, বাণিজ্যিক ভবন, স্কুল-কলেজ, মসজিদ-মন্দির, হাসপাতাল, শপিং কমপ্লেক্স, মার্কেট, কারখানা, গার্মেন্টস, গুদাম ঘর ইত্যাদির জন্য সয়েল টেস্ট করা অপরিহার্য।
নির্মানকাজ এবং ডিজাইন করার আগেই মাটি পরিক্ষা করতে হয়। কারন ফাউন্ডেশন ডিজাইন এর জন্য এটি একটি অপরিহার্য পূর্বশর্ত। এটার মুল উদ্দেশ্য হলো মাটির ‘বিয়ারিং ক্যাপাসিটি’ বা ‘ভারবহন ক্ষমতা’ নির্ণয় করা। আবার, ফাউন্ডেশনের ধরন সম্পর্কেও সয়েল টেস্ট এর মাধ্যমে ধারণা পাওয়া যায়। অর্থাৎ, ফাউন্ডেশন শ্যালো বা অগভীর হবে ( যেমনঃ ফুটিং ) নাকি ডিপ বা গভীর হবে ( যেমনঃ পাইলিং ) তা বোঝা যায়।
এই ‘বিয়ারিং ক্যাপাসিটি’ এবং ‘ফাউন্ডেশন টাইপ’ সয়েল টেস্ট রিপোর্টে উল্লেখ থাকে। সয়েল টেস্ট রিপোর্ট অনুযায়ী ফাউন্ডেশন ডিজাইন করা হয়ে থাকে। এছাড়াও এস.পি.টি., সয়েল টাইপ, স্ট্রাটিফিকেশন, বিভিন্ন টেস্ট রেজাল্ট, বোরিং পয়েন্ট লেআউট ইত্যাদি রিপোর্টে অন্তর্ভুক্ত থাকে।
সয়েল টেস্ট না করলে ফাউন্ডেশন ডিজাইন অসম্ভব। সঠিক ফাউন্ডেশন ডিজাইন না থাকলে স্থাপনা সেটেল করা বা দেবে যাবার সম্ভাবনা থাকে যা পরবর্তিতে ক্র্যাক বা ফাটল সৃষ্টি করে স্থাপনার জন্য ক্ষতি বা হুমকিস্বরূপ হয়ে দাড়াতে পারে। আবার যে সব এলাকায় মাটি দুর্বল সেখানে সঠিকভাবে পাইলিং ডিজাইন করার জন্য সয়েল টেস্ট প্রয়োজন। ভূমিকম্পের প্রভাব প্রতিরোধে সঠিকভাবে পাইলিং করতে হয়।( এই জন্য soill test বা মাটি পরিক্ষা খুবই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়)
#সংগ্রহ

বাড়ির মালিকরা সাবধান  # এনায়েতপুর, Sirajganj৪/৫ হাজার টাকায় ডিজাইন...!মিস্ত্রির পরামর্শে রড দিয়ে বিল্ডিং বানাবেন।কখনো...
10/05/2021

বাড়ির মালিকরা সাবধান
# এনায়েতপুর, Sirajganj
৪/৫ হাজার টাকায় ডিজাইন...!
মিস্ত্রির পরামর্শে রড দিয়ে বিল্ডিং বানাবেন।
কখনো কখনো স্ট্রাকচারাল ইঞ্জিনিয়ার এর ডিজাইন পরিবর্তন করে নিজের ইচ্ছেমতো রড দিবেন, কলাম সাইজ দিবেন। তো এমন হবে এটাই স্বাভাবিক। এটা সিরাজগঞ্জে আজ সকালের ঘটনা।

Collected Post for Information Only

09/12/2020

রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন

** She advocated for men and women to be treated equally as rational beings, noting that the lack of education for women was responsible for their inferior economic position.

** Rokeya held education to be the central precondition of women's liberation, establishing the first school aimed primarily at Muslim girls in Kolkata. She is said to have gone from house to house persuading the parents to send their girls to her school in Nisha. Until her death, she ran the school despite facing hostile criticism and social obstacles.

** Rokeya founded the Anjuman-e-Khawateen-e-Islam (Islamic Women's Association), which was active in holding debates and conferences regarding the status of women and education. She advocated reform, particularly for women, and believed that parochialism and excessive conservatism were principally responsible for the relatively slow development of Muslims in British India. Anjuman-e-Khawateen-e-Islam organised events for social reforms based on the original teachings of Islam that, according to her, were lost.

She is a Big Pride for Rangpur People and the overall Country.

29/09/2020
23/07/2020

Britto Residence
Our project from 2019!
Small Home 😍 Big Dreams!

16/07/2020

"হতাশ হয়ো না, উঠো! সিজদাহ করো এবং কাঁদো!"🌺
-- সূরা ইউসুফ : ৮৬
-
"আল্লাহ কষ্টের পর সুখ দিবেন।"🙂
-- সূরা ত্বলাক : ৭
-
"নিশ্চয়ই কষ্টের সাথে রয়েছে স্বস্তি।"🌸
-- সূরা ইনশিরাহ : ৬
-
"আমি তো আমার দুঃখ ও অস্থিরতাগুলো আল্লাহর সমীপেই নিবেদন করছি।"🍀
-- সূরা ইউসুফ : ৮৬
-
"জেনে রেখো, আল্লাহর সাহায্য নিকটে।"🌼
-- সূরা বাক্বারা : ২১৪
-
"একমাত্র কাফির ছাড়া অন্য কেউ আল্লাহর রহমত থেকে নিরাশ হয় না।"🍁🍁
-- সূরা ইউসুফ : ৮৭
-
"আল্লাহ কোনো ব্যক্তির উপর তার সাধ্যের চাইতে বেশী, এমন বোঝা চাপিয়ে দেন না।"💮
-- সূরা বাক্বারা : ২৮৬
-
"এবং অবশ্যই আমি তোমাদের পরীক্ষা করব কিছুটা ভয়, ক্ষুধা, মাল ও জানের ক্ষতি ও ফল-ফসল বিনষ্টের মাধ্যমে। তবে সুসংবাদ দাও সবরকারীদের।"🌼
- সূরা বাক্বারা : ১৫৫

"হে ঈমানদারগণ, তোমরা সবর ও নামাজের মাধ্যমে সাহায্য প্রার্থনা কর। নিশ্চয়ই আল্লাহ ধৈর্যশীলদের সঙ্গে রয়েছেন।"🍀
‌‌ -- সূরা বাক্বারা : ১৫৩
-
"হে আল্লাহ, আমি তো কখনো আপনাকে ডেকে ব্যর্থ হইনি।"
-- সূরা মারইয়াম : ৪🌿

13/06/2020

ভ্যাকসিন না আশা পর্যন্ত আমাদের শরীরের করোনা এন্টিবডি তৈরী করতে হবে। তাই সবাই প্রস্তত হই শারিরীক ও মানসিক ভাবে।

পজিটিভ হলে যা জানা জরুরি:

1. ভিটামিন সি (যথাসম্ভব)
2. ভিটামিন ই (ট্যাবলেট পাওয়া যায়)
3. প্রতিদিন সকাল ১১টার মধ্যে ১৫ থেকে ২০ মিনিট রোদ পোহানো.
4. কমপক্ষে একটি করে ডিম প্রতিদিন।
5. প্রতিদিন কমপক্ষে ৭-৮ ঘন্টা ঘুম।
6. প্রতিদিন কমপক্ষে ১.৫ লিটার জল পান এবং প্রতি বেলায় গরম খাবার খাওয়া.
এই কাজ গুলোই হাসপাতালে করা হয়।

•• করোনা ভাইরাসের দেহের pH এর মান 5.5 থেকে 8.5

•• তাই এর চেয়ে বেশি pH level এর খাবার গ্রহনের মাধ্যমে আমরা এর রাসায়নিক গঠন ভেংগে দিতে পারি।

•• 5.5 থেকে 8.5 এর থেকে বেশি pH level এর কিছু খাবার হল :
* লেবু - 9.9 pH
* পাতিলেবু - 8.2 pH
*এভোকাডো - 15.6 pH
* রসুন- 13.2 pH *
* আম- 8.7pH
* ছোট কমলা - 8.5pH
* আনারস- 12.7 pH
* কমলালেবু - 9.2 pH
* তারই সাথে জিংক ট্যাবলেট খেতে পারি।

এর বাহিরেও চীন যে ভাবে করেনা ভাইরাস প্রতিহত করেছে তাও নেওয়া যেতে পারে।

চীনের প্রতিটি বাড়িতেই করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রুগী আছে।কিন্তু সেখানকার বাসিন্দারা এই ভাইরাস এর জন্য কোনো ওষুধ বা ভ্যাকসিন নিচ্ছেন না।তারা এর চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে যাওয়া বন্ধ করে দিয়েছেন।এর পরিবর্তে তারা গরম পানির ভাপ দিয়ে ভাইরাসকে বিনাশ করছেন।এর জন্য তারা মাত্র ৩টি কাজ করছেন।
সেগুলো হলোঃ

১. তারা দিনে চারবার কেটলি থেকে গরম পানির ভাপ নিচ্ছেন।

২. দিনে চারবার গরম পানি দিয়ে গড়গড়া করছেন।

৩. আর দিনে চারবার গরম চা পান করছেন।
এভাবে টানা চারদিন এই ৩টি কাজ করেই ভাইরাসটিকে দমন করছেন তারা।
এভাবেই পঞ্চম দিনে হচ্ছেন করোনা নেগেটিভ।

সুত্র: বাংলাদেশ প্রতিদিন।

•• আপনি কিভাবে বুঝবেন যে আপনি করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত?

1. গলা চুলকাবে
2. গলা শুকিয়ে আসবে
3. শুকনা কাশি হবে
4. তীব্র জ্বর
5. শ্বাস ছোট হয়ে আসবে
6. গন্ধ ও স্বাদের অনুভুতি চলে যাবে

•• তাই এই লক্ষনগুলো দেখার সাথে সাথে গরম জল ও লেবুর রস খেতে শুরু করুন। এবং ডাক্তারের পরামর্শ নিন।
সুস্হ থাকুন,
সাবধানে থাকুন।

.

06/06/2020

✍ একটি বাসা শুধুমাত্র কলাম বিম ইট বালু পাথরের দ্বারা তৈরী
হয়না- তৈরী হয় মালিকের সুন্দর ইচ্ছায় - গোছালো কিছু কাজ
এবং ভালো একজন নির্মাণ সহযোগী কোম্পানির হাতে -

⚠ যেখানেই কাজ করবেন অবস্যই ভালো মানের ডিজাইন
নিশ্চিত করুন- কোম্পানি যাচাই করুন -

👓 আমরা সাধারণত ক্লায়েন্ট এর ডিজাইন দেইনা পেজে কিন্তু
এই ডিজাইন টি একটু ভিন্নভাবে করা তাই ভালোলাগার উৎস
থেকেই দেয়া-

✔ এখানে জাস্ট একটা বেসিক 3D আপলোড করা হলো -
ইন্টেরিয়র বাদে -

✌ আপনাদের যদি ডিজাইন দ্রুত দরকার হয় - আমাদের ইনবক্স
করুন -

🅲🅾🅽🆃🅰🅲🆃 @ 01972270227

Address

Plot 208, Road-1, Uttara Sector 10
Dhaka

Opening Hours

Monday 09:00 - 17:00
Tuesday 09:00 - 17:00
Wednesday 09:00 - 17:00
Thursday 09:00 - 17:00
Sunday 09:00 - 17:00

Telephone

+8801701030252

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Signature International Design & Construction posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Signature International Design & Construction:

Share