22/08/2026
বিষয়: রাসুল সা: কে ডাকা শিরক নয় কেন?
মানুষের কাছে সাহায্যে চাওয়া শিরক হলে মসজিদ বানানোর জন্য মানুষের কাছে ভিক্ষা চাওয়া নামাজ পরিয়ে বেতন চেয়ে নেয়াও শিরক ওয়ায মাহফিল করে মানুষের টাকার সাহায্যে নেয়াও শিরক।কারন নামাজ আদায় মসজিদ বানানো ও ওয়াজ সে নিজে খরচ করে ধর্ম করে নাই অন্য জন টাকা দিসে সেটা করে সে টাকা নিছে কিন্তু নিজের টা টাকা ছাড়া যেটা সে আদায় করে নাই আল্লার কাছে সেটার কি হবে?
যারা মদ খায়, নেশা করে, প্রেম করে, যেনা করে, জুয়া খেলে, যারা বাবা মায়ের সাথে খারাপ ব্যবহার করে যারা বেকার বাবা মায়ের ঘারের উপর বসে থেকে খায় তাদের উপর জুলুম করতেছ, অত্যাচার করতেছ, বাবা মাকে না বলে বিয়ে করে ফেলতেছ, ধর্মের নামে প্রেম করে বাবা মায়ের অবাধ্য হয়েছো, অন্যায় অপরাধ এ জরিয়ে আছো, সুদ খাওয়া, ঘুষ খাওয়া, অন্যায় ভাবে দখলদারি করা, মারামারি করা হারাম ভাবে উপার্জন করা,ধর্ম বিমুখী, নামাজ বিমুখী হওয়া, পরকিয়া করা,মেয়েদের সাথে ঘুরাঘুরি করার ইচ্ছা, চুরি করা, তারা আল্লাহর দয়া থেকে নিরাশ হয়োনা। আল্লাহ তাদের ক্ষমা করবেন।
কিন্তু যারা রাসুল কে বিশ্বাস করে তারা নাকি শিরক করতেছে।
তাদের কে আল্লাহ মাফ করবেন না।
যাদের কে বিশ্বাস করলে শিরক করে মুশরিক থেকে বাচা যায়।
যাদের কে বিশ্বাস করলে কুফরি থেকে বেচে কাফের হওয়া থেকে বাচা যায়।
তাদের কে মানলে আল্লাহ মাফ করবে না আর সব অন্যায় আল্লাহ মাফ করবে এই ধরনের কথা যারা বলে তারা কি সুপথ প্রাপ্ত?
যাদের কে বিশ্বাস করলে শিরক থেকে বাচা যায় তাদের কেই বিশ্বাস করাকে যারা মুশরিক বানায় তারা অন্ধ বিশ্বাস কারি ধার্মিক রুপি শয়তান তাদের হাত থেকে তুমি আমাদের রক্ষা কর ।
শয়তান মানুষের প্রকাশ্য শত্রু তাদের হাত থেকে আপনি আমাদের রক্ষা করুন।
যারা নবি রাসুল সাঃ ও আল্লাহর প্রিয় বন্ধুদের কে বাদে আল্লাহকে মানে তারা বিপথগামী।
যিনি তাকে বাদ দিয়ে তার প্রিয় নবি রাসুল দের বন্ধুদের কাউকে মানলে শ্রেষ্ঠত্ব কমেনা তার হৃদয় সন্দেহহীন সংশয় দ্বিধা হীন আর অনেক বড় হৃদয়ের তিনি ন্যায়বিচারক সর্বশক্তিমান এর সর্বশ্রেষ্ঠ।
তার প্রিয় বন্ধুর প্রসংশা তিনি করেন নিজের চেয়ে বেশি তার প্রিয় জন ভালোবাসার প্রশংসা তিনি নিজেই করেন।
যিনি সর্বশক্তিমান তিনি এক লক্ষ চব্বিশ হাযার নবি রাসুল কে বিশ্বাস করার কথা বলেছেন তিনি তাদের কে বাদ দিয়ে শুধু একজন সর্বশক্তিমান কে বিশ্বাস করার ভালোবাসার কথা বলেন নাই তিনি সর্বশক্তিমান সর্বশ্রেষ্ঠ।
শুধু একজন সর্বশক্তিমান কে বিশ্বাস না করলে এক লক্ষ চব্বিশ হাযার নবি রাসুল কে বিশ্বাস করলে শিরক হবে মুশরিক হয়ে যাবে তাদের কে ক্ষমা করা যাবে না হত্যা করে শাস্তি দিতে হবে তাদের কে তিনি জাহান্নামের অগ্নি দিয়ে জালাবেন যতক্ষণ পর্যন্ত না মানে শুধু একজন সর্বশক্তিমান কে এই হুকুম ও তিনি দেন নাই তিনি সর্বশক্তিমান সর্বশ্রেষ্ঠ ।
যিনি সর্বশক্তিমান তাকে ভয় ও ভালোবাসার জন্য নামাজ রোযা হজ্জ যাকাত কালেমা দিয়েছেন বেহেশত হুর এর লোভ আর দোযখ এর এর ভয় এর জন্য নয় কালেমা শাহাদাত এক সর্বশক্তিমান এর সাথে তার প্রিয় রাসুল কে মানার বিধান দিয়েছেন তিনি সর্বশক্তিমান সর্বশ্রেষ্ঠ।
এক সর্বশক্তিমান কে না মানলে যিহাদ করে সবাইকে হত্যা করার নির্দেশ হুকুম তিনি দেন নাই তিনি করুনাময় দয়াময় ন্যায় বিচারক সর্বশক্তিমান।
মুহাম্মদ ﷺ আল্লাহর সর্বশেষ রাসূল। প্রতিটি মানুষ যাঁকে ভালোবাসেন । যার সুপারিশ ছাড়া জান্নাতে যাওয়া যাবেনা এবং আল্লাহ তায়ালা বলেন আমাকে ভালোবাসার জন্য আমার রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর অনুসরণ করতে হবে। ‘যদি তোমরা আমাকে ভালোবাসো, তবে আমার নবী (সা.)-এর অনুসরণ করো; তাহলে আমি তোমাদের ভালোবাসবো এবং তোমাদের পাপসমূহ মার্জনা করবো।’ (আলে ইমরান: ৩১) । যিনি পৃথিবীকে উপহার দিয়েছিলেন একটি পরিপূর্ন সুন্দর জীবনব্যবস্থা। যাঁকে ভালোবাসা ঈমানের অংশ।
যতকিছু করি এই পৃথিবীর মানুষের পায়ের নিচে আমাদের শরিরের শেষ গন্তব্য স্থান ইচ্ছায় হোক অনিচ্ছায় হোক। যেহেতু মাটির নিচে যেতেই হবে তবে এই পৃথিবীর মানুষের মালিক এর কদম মোবারক এর জন্যই হোক না সেটা। ওই মোহান মালিক দয়া করে মাটি থেকে তুলে মায়ের পেটে মায়ের কোলে যেহেতু দিয়েছে তার জন্যই হোক সবকিছু।
মৃত্যুর সময় ছেলে-মেয়ে, আপনজন, বাড়ি-গাড়ি, অর্থ-সম্পদ কিছুই সাথে যাবে না সংগে যাবে গোলামের মোর্শেদ উনি গিয়ে রাসুল সাঃ কে নিয়ে আসবে এসে বলবে এ আমার গোলাম ছিল একে আমার কদম এর নিচে ঠায় দিলাম।
অর্থ: নিশ্চয়ই তোমাদের নিকট তাশরীফ এনেছেন একজন রাসূল, তোমাদের মধ্যে হইতে। তোমাদের যা কন্ঠ(ক্লেশ) দেয় তার নিকটও তা কষ্টদায়ক, তিনি তোমাদের প্রতি অতিমাত্রায় কল্যাণকামী। মোমিনগণের উপর তিনি দয়া বিগলিত রহিম (দয়ালু)। (সুরা তাওবা, আয়াত ১২৮)
আমি কি তোমাদের বলে দিব ? শয়তান কাদের নিকট আসে? তারা আসে প্রত্যেক চরম মিথ্যুক, পাপিষ্ঠ, মিথ্যাশ্রয়ী জুলুমকারীদের নিকট। সূরা শো'আরা-২২১-২২২
নিজেকে কুরবান করে নানাজির ইসলামকে পূর্নজীবিত করে গেলাম। কারবালার মাটির কসম আমি শেরে আলীর সন্তান, নবীজীর কলিজা, বিশ্ব মাতার নয়নের মনি, ইমাম হাসান আমার ভাই, বেহেশতে তামাম যুবকদের সরদার,পঞ্চশক্তি আমার বাহুতে, যদি র্গজে উঠি শুধু মুনাফিক মুয়াবিয়া এয়াজিদেরাই নয় সকল সৃষ্টিই ভয়ে নিশ্চুপ হয়ে যাবে "★★ ❤️★★
😢🙏★ --- ইমাম হুসাইন (রাঃ)--- ★🙏😢
"ইমাম হুসাইন (আঃ) বলেন:
একদল জান্নাতের লোভে আল্লাহর ইবাদত করে থাকে। তাদের ইবাদত ব্যবসায়িক ইবাদত। অন্য একদল লোক জাহান্নামের ভয়ে ইবাদত করে থাকে। তাদের ইবাদত দাসত্বের ইবাদত। অপর একদল আল্লাহর শোকর প্রেম এবং দর্শন ল্যাব আদায়ের লক্ষ্যে ইবাদত করে থাকে। তাদের ইবাদত মুক্ত মানুষের ইবাদত। এটাই সর্বত্তোম ইবাদত।”
সমস্ত ক্ষমতার একছত্র অধিপত্যে সার্বভৌমত্ব একমাত্র আল্লাহর ।মানুষের কোনও ক্ষমতা নাই।আল্লাহর ক্ষমতা থাকা সত্ত্বেও মানুষ কত অসহায়?
মানুষের পিতা,মাতা,স্বামী,স্ত্রী,সন্তান,সন্তুতি,আত্মিয়,সজন তার জন্য ভালো কিছু চাইলেও আল্লাহর ইচ্ছা বা খুশি না হয়লেও কিছু হবে না। মানুশের কষ্টে আল্লাহর ক্ষমতা থাকা সত্ত্বেও সাহায্য না করে আল্লাহ কি খুশি?
মানুষ তো তোমার সৃষ্টি বন্দি তার কি তোমাকে বিশ্বাস করার ক্ষমতা আছে ভালোবাসার ক্ষমতা আছে শয়তান কে মানুষ কে ভুল পথে নেবার ক্ষমতা তো তোমার ই দেওয়া। আদম আঃ কে ভুল করার ক্ষমতা তো তুমি দিয়েছো। মাফ করার ক্ষমতা তোমার মাফ করে দিয়েছ।
ক্ষমতা হিনের কি ক্ষমতা আছে ক্ষমতাবান কে ভালোবাসার।তবে ক্ষমতা বানের তো ক্ষমতা আছে?
কোরানে আল্লাহর বানি অনুযায়ী আল্লাহ কে বাদে আদম আ: কে বিশ্বাস করলে শিরিক হবে আপনি মুশরিক হয়ে যাবেন। আর আদম আ: কে অবিশ্বাস করলে কাফির হয়ে যাবেন। মানুষের মুশরিক কাফের হওয়ার পথ ছাড়া আর কোন পথ নাই।আল্লাহর বানানো পথ দুইটা আদম আ: বাদে আল্লাহ কে মানলে হয় কাফের আর আদম আ: কে মানলে মুশরিক। যে রাস্তাই যান এই দুটার একটা হতেই হবে।তাই ভয়ের কিছু নাই এই দুইটা ছাড়া আর কিচ্ছু হওয়ার নাই।
যিনি শিরক করার কারনে শাস্তি দিবেন
শিরক করা যিনি ক্ষমা করবেন না
তিনি কি শিরক করার হুকুম দিতে পারেন
আদম আ: কে ভালোবাসা শ্রোদ্ধা বিশ্বাস শিরক না
তার হুকুম তো খোদ খোদা তায়ালা নির্দেশ দিয়েছেন
সেই রকম নিজ দেশ নিজের ভাষা গুরু জন কে
শ্রোদ্ধা বিশ্বাস ভালোবাসা শিরক হতে পারে না।
তোবে শয়তান দের কে শ্রোদ্ধা বিশ্বাস ভালোবাসা শিরক হতে পারে।
আল্লাহর হুকুম অমান্য করে আদম কে সেজদা না করে ইবলিশ জিন ফেরেস্তাদের সরদার শয়তান কাফির হয়ছে বিতাড়িত হয়েছে।
আল্লাহ বাদে আল্লাহর অংশিদার স্থাপন করলে শিরক হবে যার ক্ষমা আল্লাহ করবেন না মুশরিক হয়ে যাবে।
পরিক্ষায় আল্লাহর হুকুম অমান্য করলে কাফির আল্লাহ বাদে আল্লাহর অংশিদার স্থাপন করলে শিরক।
আল্লাহ বাদে আদম কে সেজদা করলে কি শিরক?নাকি আবার আল্লাহই হুকুম দিয়েছে শিরক করার? নাকি আবার আল্লাহ নিশেধ করেছেন শিরক না করে মুশরিক হইতে?
আল্লাহ যাকে খুশি তাকে কাফির মুশরিক যাকে খুশি তাকে ইমামদার মুমিন বানিয়ে দিতে পারেন। মানুষের কোন ক্ষমতা নাই।
আল্লাহ শয়তান এর ইচ্ছার গোলাম নয়,শয়তান যতই তার বাদসাহি দেখাক।
আল্লাহ তার বান্দার মালিক গোলাম এর বাদসাহ
তার প্রতিনিধির সৃষ্টিকর্তা পালনকর্তা ধংসকর্তা
শয়তান অহংকার করেও আদম আঃ কে ভালোবাসার শিক্ষা কে থামায়ে দিতে পারে নাই।
শয়তান আদম আঃ কে ভালোবাসা শিরক মনে করে মুশরিক হওয়ার ভয়ে আদম আঃ কে মানা কে থামাতে পারে নাই।
শয়তান আল্লাহ বাদে আদম আঃ সেজদা করলে মুশরিক হবে এই জন্য শিরক করে নাই কিন্তু আল্লাহ বাদে তিনটি শর্ত চেয়ে নেয়ার কারনে পথভ্রষ্ট হয়েছে। সে আল্লাহ অংশ স্থির না করে ক্ষমতাকে অংশ স্থির করেছে।
শয়তান কাফের দের অন্তর্ভুক্ত হয়েছে আল্লাহর হুকুম অমান্য করার কারনে। আদম আঃ কে না ভালোবাসার কারনে।সে ক্ষমতা কে ভালোবাসল আল্লাহর কাছ ক্ষমতা চেয়ে নিল।
ইমাম হোসেন আঃ কে এজিদ নামাজ পরে কোরআন বর্সায় নিয়ে আল্লাহ কে ডেকে রাসুল সঃ কে ভালোবাসা থামিয়ে দিতে পারে নাই।
ইমাম হোসেনকে এজিদ থামায়ে দিতে পেরেছে কিন্তু ইমাম হোসেন আঃ এর রাসুল সাঃ এর প্রতি ভালোবাসা ফু দিয়ে থামিয়ে দিতে পারে নাই।কোন দিন পারবেও না।
না পেরেছে নুহ আঃ থামিয়ে দিতে।
না পেরেছে ইব্রাহিম আঃ থামিয়ে দিতে।
না পেরেছে ইউসুফ আঃ থামিয়ে দিতে।
না পেরেছে মুসা আঃ থামিয়ে দিতে।
না পেরেছে ইসা আঃ থামিয়ে দিতে।
শয়তান যুগে যুগে বলেছে নবি রাসুল ইমাম দের কে ভালোবাসা বিশ্বাস শিরক আল্লাহ এই গুনা মাফ করবে না।
আল্লাহ বলেছে নবি রাসুল ইমাম রা আমার নিদর্শন চিহ্ন
তাদের কে বিশ্বাস ভালোবাসতে না পারলে পথভ্রষ্ট বিপথগামী কাফির। তাদের কে বিশ্বাস ভালোবাসা পার্থক্য না করা আমার নির্দেশ।
আল্লাহ ই শিরক করতে নিষেধ করেছে শিরক শাস্তি যগ্য ক্ষমার অযগ্য। কিন্তু যারা অংশিদার করে বা পুর্বে করত না জেনে তারা আল্লাহতে ও আল্লাহর নবি রাসুল ইমাম দের কে বিশ্বাস করবে তাদের কে আল্লাহ মাফ করে দিবেন।
নবি রাসুল ইমাম তারা আল্লাহর অংশিদার নয় অংশ নয় সরাসরি নিদর্শন চিহ্ন যা আল্লাহই বলেছেন তাদের মাঝে অংশ বলে পার্থক্য করা যাবে না। পার্থক্য করলেই শিরক হয়ে যাবে কাফির হয়ে যাবে।
যেটা শয়তান করেছিল সে পার্থক্য করে গোটা পৃথিবীর ক্ষমতা পাইল কিন্তু আল্লাহ নবি রাসুল ইমাম দের কে বিশ্বাস ভালোবাসতে পারল না তিনটি ইচ্ছা পুরনের ক্ষমতাকেই ভালোবাসলো।
দোয়া পরে ফু দিয়ে দুনিয়ার ক্ষমতা দিয়ে আল্লাহ নবি রাসুল ইমাম দের কে ভালোবাসার প্রজ্বলিত প্রদিপ কে সৃষ্টির শুরু থেকে আজ পর্যন্ত কেও থামিয়ে দিতে পারে নাই সামরিক ক্ষতিগ্রস্ত করতে পেরেছে থামিয়ে দিতে পারে নাই।
মহানবী সাঃ কে উম্মত এর মধ্যে উনার পরিবার পরিজন জীবনের চেয়েও বেশি ভালোবাসতো বিশ্বাস করত কারবালায় বাহাত্তর জন তার প্রমান দিয়েছেন।
আমরা রাসুল সাঃ বিশ্বাস ভালোবাসার প্রমাণ দিতে পারি নাই বরং রাসুল সাঃ ও তার পরিবার পরিজন এর যারা শত্রুদের এখনো বিশ্বাস করি তাদের মতে এখনো চলি।
এটাই কি উম্মত এ মোহাম্মদ সঃ চরিত্র হওয়া উচিৎ।
প্রতিশোধ না কি ক্ষমা! কোনটিকে বেছে নিবেন?🙂
শয়তান প্রতিশোধ পরায়ন সে ক্ষমা করতে পারে নাই।
সে আল্লাহর হুকুম কে ক্ষমা করে আদম আঃ কে ভালোবাসতে পারে নাই।
কারো ভালোর দিকে সৎ ভাবে। কেও অনিয়ম করে নিয়ম এর বাহিরে।
অনিয়ম মেনে নিয়ম পাওয়ার আশা টা বোকামী।
সে অনিয়ম করে ক্ষমতা কে ভালোবেসেছিল।
অনিয়ম কে ক্ষমা নিয়ম এর সাথে জুলুম করার মত।
সে নবি রাসুল ইমাম দের উপর জুলুম করেছিল।
এজিদ নামাজী ছিলেন
কিন্তু মানুষ ছিলেন না।
জান্নাত জাহান্নামের গল্প বলে মানুষকে নামাজি বানানো যায় কিন্তু মানুষ বানানো যায় না।
আহলে বাইতের(আঃ)সাথে যারা দুষমোনি করেছে ও রাখে। তারা কুল্লে হারামি।।
মুসলমানদেরকে 'হোসাইনি' হতে হবে,
নামাজী' তো শীমারও ছিলো,
যে 'হোসাইনি' হবে সেই প্রকৃত 'নামাজী'
কতোটা আশ্চর্যের ঘৃণ্য ঠাট্টা হয়ে গেল ইসলামের তক্বদিরের সাথে, ইমাম হুসাইনের মাথাটাও কাটা হলো নারায়ে তাক্ববিরের সাথে,,,,!
(আল্লামা ইক্ববাল)
যদি তোমরা মুনাফিক চিনতে চাও
তাহলে হজরত মুহাম্মদ (সাঃ) ও তার প্রিয় পরিবার পরিজনদের ও ইমাম হোসাইন (আঃ) পাকের প্রশংসা কর। দেখবে তারা মুখ ফিরিয়ে নিবে!
নামাজ রোযা আল্লাহু আকবর তাকবির দিয়ে শুধু ঘৃণা না হত্যা করা মুহাম্মদি ইসলাম ধর্ম কে এটাই কি মুহাম্মদি ইসলাম ধর্মের আল্লাহর দেয়া শিক্ষা ছিল?
এজিদি ইসলাম বনাম মোহাম্মদী ইসলাম
এজিদি ইসলাম শিক্ষা দেয় - রাসুল সঃ এর মা বাবা মুসলমান নয় এরা দোজখবাসী
মোহাম্মদী ইসলাম শিক্ষা দেয় - রাসুল সঃ এর মা বাবা উত্তম শ্রেণীর মোমেন
এজিদি ইসলাম শিক্ষা দেয় - রাসুল সঃ মাটির তৈরি
মোহাম্মদী ইসলাম শিক্ষা দেয় - রাসুল সঃ নূরের তৈরি
এজিদি ইসলাম শিক্ষা দেয় - রাসুল সঃ গায়েব জানতেন না
মোহাম্মদী ইসলাম শিক্ষা দেয় - রাসুল সঃ গায়েব জানতেন
এজিদি ইসলাম শিক্ষা দেয় - রাসুল সঃ এর শানে মিলাদ পড়া শিরিক বেদাত
মোহাম্মদী ইসলাম শিক্ষা দেয় - রাসুল সঃ এর শানে মিলাদ পড়া ফরজ
এজিদি ইসলাম শিক্ষা দেয় - রাসুল সঃ গরীব ছিলেন
মোহাম্মদী ইসলাম শিক্ষা দেয় - রাসুল সঃ বাদশাহর বাদশাহ কামলে ওয়ালা
এজিদি ইসলাম শিক্ষা দেয় - রাসুল সঃ ৭০ তালী ওয়ালা জামা পরতেন
মোহাম্মদী ইসলাম শিক্ষা দেয় - রাসুল সঃ স্বর্ণ খচিত জুব্বা মোবারক পরতেন
এজিদি ইসলাম শিক্ষা দেয় - রাসুল সঃ ক্ষুধার জ্বালায় ইহুদির বাগানে কাজ করতেন
মোহাম্মদী ইসলাম শিক্ষা দেয় - রাসুল সঃবিদায় হজে ১০০ উট কোরবানি করেছেন
এজিদি ইসলাম শিক্ষা দেয় - রাসুল সঃ জীর্ণ কুটীরে জন্ম গ্রহণ করেছেন
মোহাম্মদী ইসলাম শিক্ষা দেয় - রাসুল সঃ শাহী প্রাসাদে জন্ম গ্রহণ করেছেন
এজিদি ইসলাম শিক্ষা দেয় - রাসুল সঃ আসার পর সব নবী রাসুলগন বাতিল
মোহাম্মদী ইসলাম শিক্ষা দেয় - রাসুল সঃ সহ কোন নবী রাসুলগনই বাতিল নয়
এজিদি ইসলাম শিক্ষা দেয় - আল্লাহ্ নিরাকার
মোহাম্মদী ইসলাম শিক্ষা দেয় - আল্লাহ্র আকার আছে
এজিদি ইসলাম শিক্ষা দেয় - আরবি ভাষা আল্লাহ্র
মোহাম্মদী ইসলাম শিক্ষা দেয় - সকল ভাষাই আল্লাহ্র
এজিদি ইসলাম শিক্ষা দেয় - সকল ইবাদত বেহেস্তে গিয়ে হুরের সাথে মেলামেশা করার
মোহাম্মদী ইসলাম শিক্ষা দেয় - সকল ইবাদতই আল্লাহ্ এবং রাসুলকে পাওয়ার
এজিদি ইসলাম শিক্ষা দেয় - এক মুসলমান আর এক মুসলমানের সাথে যুদ্ধে লিপ্ত থাকার
মোহাম্মদী ইসলাম শিক্ষা দেয় - নিজের নফসের সাথে নিজে যুদ্ধে লিপ্ত থাকার
এজিদি ইসলাম শিক্ষা দেয় - শরীয়তই হল আসল ধর্ম
মোহাম্মদী ইসলাম শিক্ষা দেয় -শরীয়ত,তরীকত,হাকীকত,মারেফতের সমন্বয়ে ধর্ম
এজিদি ইসলাম শিক্ষা দেয় - মসজিদ হল আল্লাহ্র ঘর
মোহাম্মদী ইসলাম শিক্ষা দেয় - মানুষের কালব হল আল্লাহ্র ঘর
এজিদি ইসলাম শিক্ষা দেয় - আল্লাহ্ থাকেন ৭ আসমানের উপরে
মোহাম্মদী ইসলাম শিক্ষা দেয় - আল্লাহ্ থাকেন মানুষের কালবে নাফসির মোকামে
এজিদি ইসলাম শিক্ষা দেয় - কালির অক্ষরে লিখা কোরানের বিদ্যা
মোহাম্মদী ইসলাম শিক্ষা দেয় - নূরের অক্ষরের লিখা কোরানের বিদ্যা।
যে মুসলিম জাতি তার পূবপুরুষ দের শ্রদ্ধা করাকে শিরক করা পাপ করা মনে করে ভালোবাসতে পারে না তারা মুসলমান নামের কলংক। যাদের মাধ্যমে তোমার জন্ম তাদের কে তোমরা শ্রদ্ধা সন্মান বিশ্বাস ভালো বাসতে তোমরা পারো না। যারা তোমাদের কে কে জন্ম দেওয়ার জন্য রাসুল সাঃ কে ভালোবেসে জীবন দিলেন তোমরা তাদের স্মৃতি কে ভেঙে গুরিয়া দিলা।এই কি মুসলিম এর চরিত্র হওয়া উচিৎ?
এজিদ এর বংশধর দের কাছে বলাৎকার হচ্ছে পুন্য আর একুশে ফেব্রুআরি তে খালি পায়ে ফুল নিয়ে শহিদ মিনারে শ্রোদ্ধা জানানো শিরিক।
কিন্তু বলাৎকার শিরিক না এই জন্য তাদের কোন প্রতিবাদ নাই বলাৎকার করলে ইমান বারে এবং বেহেস্তে এরা এদের ইমান দিয়ে এগুলাই চায়।
দেশের বীর শহিদ শ্রোদ্ধা সন্মান ভালোবাসা হচ্ছে শিরিক এদের কাছে।
নিজের মায়ের ভাষার শ্রোদ্ধা সন্মান ভালোবাসা নেই আরবি পরে বলাৎকারি হয়ে ইমান বারাতে চায় এরা।
এরা আরবিতে ইমান বোঝে বাংলায় বিশ্বাস ভালবাসা বোঝেনা।
এজিদের বাচ্চা গুলো নিজের বউ বাচ্চারে দাস দাসি মনে করে আর কাজের মানুষ কে স্ত্রীর মত মনে করে কোন এজিদের বাচ্চার পরিবার এ পাইলাম না এদের উপর এদের বাপ মা ভাই বোন স্ত্রী সন্তান অফিসের অধিনস্ত কেউ এদের উপর সন্তুষ্ট খুশি এজিদ গুলোও বেহেস্তের লোভে এদের বাপ মা ভাই বোন স্ত্রী সন্তান অফিসের অধিনস্ত দের পৃথিবিতেই জাহান্নামে রাখে অত্যাচার করে বেহেস্তের লোভে ছাগলামি করতে থাকে।
এজিদের বাচ্চ!রাই রাসুলুল্লাহ সা: এর জন্মে খুশি না এরা নিজের জন্মে খুশি না এদের পিতা মাতা ভাই বোন সন্তান সন্তুতি আত্মিয় সজন কোন সম্পর্কে খুশি না এরা সম্পর্ক ছাড়া ৭০ খান হুর আর মদ ছাড়া তাদের আনন্দের আর খুশির কিছু নাই।
পারলে রাসুলের নাম আযান থেকে বাদ দিয়ে দেখাও পারলে রাসুলের নাম নামাজ থেকে বাদ দিয়ে দেখাও।
যার নামে আল্লাহ প্রসংশা করে নিজে একা করে না ফেরেস্তাদের নিয়ে করে এবং নির্দেশ দিয়েছে ইমানদার দের তার উপর দুরুদ ও শ্রোদ্ধার সাথে সালাম দিতে।
একমাত্র শয়তান তার নাম নিতে শ্রোদ্ধার সাথে সালাম দিতে চায় না।
ওগো দয়াময় প্রভু তুমি মুক্ত স্বাধীন নিঃস্বার্থ ভালো বাসা দিয়ে আমাদের সৃষ্টি করেছো।তুমি তো স্রষ্টা নির্শর্ত ভাবে তোমার বান্দা কে সৃষ্টিকে ভালোবাসো।
কিন্তু তোমার সৃষ্টি তো শর্তের মধ্যে বন্দি তাকে সৃষ্টি আর ধ্বংস জন্ম আর মৃত্যু শর্তে মুখাপেক্ষী নির্ভরশীল করে পৃথিবীতে পাঠিয়েছেন। শর্তযুক্ত মুখাপেক্ষী নির্ভরশীল ক্ষুদ্র বন্দী সৃষ্টি কি করে শর্তমুক্ত অমুখাপেক্ষী স্বনির্ভর স্বাধীন স্রষ্টার প্রতি বিশ্বাস ও ভালবাসতে পারে?কি ক্ষমতা আছে তোমার সেই ক্ষুদ্র বন্দি সৃষ্টির?
প্রভু আপনি আমাদের কে প্রকৃতির ওপরে নির্ভরশীল, ধর্মের ওপরে নির্ভরশীল,সমাজের ওপরে নির্ভরশীল, স্বপ্নের ওপরে নির্ভরশীল, জন্মের আগেও তার পিতা মাতার ভালোবাসার ওপরে নির্ভরশীল,জন্মের জন্য তার মার ওপরে নির্ভরশীল, ছাত্র তার গুরু বা শিক্ষকের ওপরে নির্ভরশীল,চাকরী বা ব্যবসার ওপরে নির্ভরশীল,বৃদ্ধ হলে তাদের সন্তানদের ওপরে নির্ভরশীল, করে পৃথিবীতে পাঠিয়েছেন। শুধু তোমাকে মানার কথা বলে
আমি যদি কাওকে না মানি আমি নিজেকে স্বাধীন মনে করি, স্বাধীন হওয়া সহজ - মানলাম না কারও কথা, চললাম না নিয়মমতো,এই ধরণের ভাবনাগুলো রাখলে - আসলে একজন মানুষ স্বাধীন হয়ে যায়, দায়িত্ব কমে যায়। শুধু আল্লাহ আপনাকে মানার নামে কোন কিছুই না মানি
যে সৃষ্টিকে তুমি এত কিছুর উপর নির্ভরশীল করে প্রকৃতি,ধর্ম,সমাজ,স্বপ্ন,মা,বাবা,গুরু,শিক্ষক, চাকুরী, ব্যাবসা, সন্তান সন্তুতি,স্ত্রী, পরিবার, পরিজন, ধন,সম্পদ ব্যতিরেখে আপনার উপর নির্ভরশীল হই তা কিভাবে হবে? ক্ষুদ্র বন্দী সৃষ্টির কি সরাসরি স্রষ্টার উপর নির্ভরশীল হওয়ার কোন ক্ষমতা আছে?
ওগো মহান প্রভু আমাদের আসে পাসে প্রতিটি তোমার সৃষ্টির উপর আমার নির্ভরশীল যেগুলোর ভিতর দিয়ে ই আপনি আমাদের এতো দূর নিয়ে এসেছেন। আবার এগুলো সবকিছু ছেড়ে আমরা একদিন চলে যাব যা আমাদের না চিরকাল। এখানে আমরা কিছুই নিয়ে আসিনাই যা হারিয়েছি বা পেয়েছি। কিছুই নিয়ে যেতে পারব না যা আমরা নিজের মনে করি।যা কিছু দিয়েছো তা সব তোমার অবদান যা কিছু হারিয়েছি নিজের ভুলে আমাদের কে তুমি ক্ষমা কর মাফ করে দাও।
ওগো মহান প্রভু আপনার এই ধ্বংসশীল মৃত্যুমুখী ক্ষুদ্র বন্দী সৃষ্টিকে কেও যদি ভালোবাসি বলে তাও সে চিরকাল বেচে থাকবে না যা ইচ্ছে তা লাভ করবে না কেও যদি না বলে তারই বা কি ক্ষতি হইলো।
ধ্বংসশীল মৃত্যুমুখী ক্ষুদ্র বন্দী সৃষ্টির তো কোন ক্ষমতা রাখে না তোমার প্রিয় সৃষ্টিকে ভালোবাসার তাদের জন্য কিছু করার।তবে আপনার ক্ষমতা আছে আপনি মাফ করে দিতে পারেন ক্ষমা করে দিতে পারেন। দয়া করে মাফ করেন ক্ষমা করেন।
প্রভুব এই পৃথিবীতে আমি কি নিয়ে এসেছ যা আমি হারিয়েছ'!
বিবস্ত্র একটা শরীর, কিছু অসহায় কান্না,
আর জন্মদাতা- জন্মদাত্রী মুখে কিছু গুরুত্বহীন খুশী দেওয়া ছাড়া আর কিছু আননি।
তাহলে জীবন জুড়ে কেন এত হারানোর ব্যথা?
কেন এত পাওয়ার আকুলতা।
জীবন জুড়ে এই বিশ্বাভ্রমন কালে সবি আপাত কিছু পাওয়া আর হারানোর সহজ সরল সমাধান।
কিছু পেলে আমাদের অতি খুশি হওয়ার কিছু নেই,
হারালে আমাদের তেমন কষ্ট পাওয়ারও কিছু নেই।
প্রভু আপনি যাদের মাধ্যমে পৃথিবীতে পাঠালেন তাদের সুখের জন্য আমার সুখ কে কম করলেন। তাদের পাওনা তৃপ্তির জন্য তাদের সন্তানের পাওনা কে তাদের মাধ্যমে পুরন করান নাই।আপনি আমাদেরকে যাদের কে দিয়ে যাদের পাসে দারানোর সুযোগ দিয়েছেন তাদের কে আমাদের উপর অসন্তুষ্ট রেখেছেন। যাদের জন্য আমরা কিছু করার সুযোগ পাই নাই তাদেরকে আমাদের উপর সন্তুষ্ট রেখেছেন।
আপনি যদি আমাদের দাঁড়া আপনার প্রিয় মানুষের মুখে হাসি না ফুটাতে চান আমরা সারা জীবন গোলামির মাধ্যমে তা করতে সক্ষম হব না।আমাদের কে ভালোবাসার সুযোগ ভিক্ষা না দেন আমরা সারা জীবন গোলামির মাধ্যমে তা করতে সক্ষম হব না।কিন্তু আপনার দয়া যার উপর এ আছে তার উপর কিছু না করার পর ও আপনি সন্তুষ্ট থাকার জন্য যদি আপনার প্রিয় মানুষকে পাঠান তাদের কে আপনি আমাদের উপর সন্তুষ্ট রাখতে পারেন। আপনি দয়া করে মাফ করুন ক্ষমা করুন।