Generator Bangladesh

Call Directions Website Contact the business

Generator Bangladesh Truson Power Tech Bangladesh established in 2014. A bunch of well experienced technical people works together for the company.

16/09/2026
04/09/2026

পর্ব - ১ -লোভ থেকেই জন্ম নেয় বিভাজন

পর্ব –২ -অহংকারই অপমানের বীজ বোনে

পর্ব –৩ -ত্যাগ ছাড়া প্রকৃত শক্তি আসে না

পর্ব –৪ -নম্রতা ও বুদ্ধিই আসল রক্ষাকবচ

পর্ব - ৫ -অন্যায়ের সঙ্গে আপোস নয় প্রতিবাদই ধর্ম

পর্ব -৬-নিজেকে চেনো,দ্বিধা কাটিয়ে কর্তব্যে স্থিরহও

পর্ব –৭-প্রতিশোধ নয়, সত্য রক্ষাই প্রকৃত বীরত্ব

পর্ব - ৮-বন্ধুত্ব তখনই পূর্ণ, যখন তা আত্মত্যাগে প্রকাশ পায়

পর্ব –৯-ঘৃণা আর হিংসা শেষ করে সব সম্পর্ক

পর্ব - ১০-রাতের আধারেই সত্যের আলো দেখা যায়।।

পর্ব – ১১ -বেদনার মধ্যেই নিহিত থাকে জাগরণ

পর্ব - ১২-নেতৃত্ব মানে শুধু রাজত্ব নয়, নৈতিকতা রক্ষা

পর্ব - ১৩ -প্রজ্ঞা ও নীতিই সুশাসনের মূল

পর্ব -১৪-জীবন বড় যজ্ঞ ত্যাগ আর সেবাই তারমানে

পর্ব - ১৫-প্রকৃত শান্তি আসে নির্জনেআত্মজিজ্ঞাসায়

পর্ব -১৬ অহংকারের ভিত যত বড়ই হোক,পতন নিশ্চিত

পর্ব –১৭-মৃত্যুর পথেই অনন্ত জীবনের শুরু।

পর্ব -১৮-শেষে সত্য, ন্যায় আর ঈশ্বরের সঙ্গই চূড়ান্ত মুক্তি

হযরত রাসূল পাক সঃ ছিলেন দোজাহানের ধনী। রাসূল পাক সঃ কে নিয়ে সমাজের প্রচলিত কথা মিথ্যা।আসুন কোরআন ও হাদিসের আলোকে জেনে নি...
04/09/2026

হযরত রাসূল পাক সঃ ছিলেন দোজাহানের ধনী। রাসূল পাক সঃ কে নিয়ে সমাজের প্রচলিত কথা মিথ্যা।

আসুন কোরআন ও হাদিসের আলোকে জেনে নিন।

" আমি আপনাকে জগৎ সমূহের রহমত হিসেবে প্রেরণ করেছি "। ( সূরা আম্বিয়া, আয়াত নং ১০৭ ) ।

" ( হে রাসূল আপনি ) নামাজ কায়েম কর ও যাকাত দাও "। ( সূরা বাকারা, আয়াত নং ১১০ )।

" ( হে রাসূল ) আমি আপনাকে অসহায় অবস্থায় পেলাম, অতঃপর আপনাকে সম্পদশালী করলাম "। ( সূরা দু'হা, আয়াত নং ৮ ) ।

রাসূল পাক সঃ বলেন,

" ( হে হাবীব ) আমি আপনাকে সৃষ্টি না করলে কোন কিছুই সৃষ্টি করতাম না "। ( সিররুল আসরার, পৃষ্ঠা - ৭০ ) ।
" আমার উপরে কোরবানী ফরজ করা হয়েছে, আর তোমাদের উপর ফরজ করা হয়নি এবং আমাকে চাশতের নামাজের নির্দেশ দেয়া হয়েছে আর তোমাদেরকে এর নির্দেশ দেয়া হয়নি "।

হযরত জাবের (রাঃ) বলেন,
হযরত রাসূল পাক সঃ, হযরত আবু তালিবের পুত্র হযরত আলী (রাঃ) ও তার সাথে ইয়েমেন থেকে যে দল এসেছিল তাদেরকে এবং রাসূল পাক সঃ এর সঙ্গে যারা আগমন করেছিলেন, তাদেরকে নিয়ে ১০০টি উট কোরবানী করেন। রাসূল পাক সঃ এর স্বহস্ত মোবারকে ৬৩টি উট যবেহ করেন। বাকী ৩৭টি উট হযরত আলী (রাঃ) জবেহ করেন। ( আল বেদায়া ওয়ান নেহায়া, ৫-৬ খন্ড, পৃষ্ঠা, ১৬৭ ) ।

" একরাতে আমি যখন নিদ্রিত অবস্থায় ছিলাম, এ সময় আমার নিকট পৃথিবীর যাবতীয় ধন-ভান্ডারের চাবিসমূহ আনা হয়, অতঃপর তা আমার হাতে অর্পণ করা হয় "। ( বোখারী ও মুসলিম শরীফ ) ।

হযরত রাসূল পাক সঃ আরবের সবচেয়ে সম্ভ্রান্ত ও প্রভাব - প্রতিপত্তিশীল কোরাইশ বংশের হাশেমী গোত্রে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতা হযরত আব্দুল্লাহ আঃ ছিলেন, তৎকালীন মক্কা নগরীর শাসনকর্তা ও পবিত্র ক্বাবা শরীফের হেফাজতকারী সর্বজন শ্রদ্ধেয় আব্দুল মু্ত্তালিবের সবচেয়ে আদরের সন্তান। আর রাসূল পাক সঃ এর মাতা মা আমিনা ছিলেন মদীনার বনু যুহরা গোত্রের খ্যাতনামা, সম্মানিত এবং হিরা - যহরের আন্তর্জাতিক ব্যবসায়ী যুহরা গোত্রের নেতা আব্দুল ওয়াহাব এর কন্যা।

রাসূল পাক সঃ এর মাতা মা আমিনা মানসিক পবিত্রতায়, বংশীয় আভিজাত্যে,সম্মান ও মর্যাদায়,চরিত্র ও সততায় অতুলনীয় ছিলেন বলেই স্বীয় গোত্রের মাঝে তিনি " সায়্যিদাতুন - নিসা " উপাধিতে ভূষিত ছিলেন। সুতরাং দেখা যায় যে, হযরত রাসূল পাক সঃ এর পিতৃকুল ও মাতৃকুল উভয় দিক থেকেই আরবের সবচেয়ে ধনী, সম্মানিত ও শ্রেষ্ঠ পরিবারের লোক ছিলেন।

আরবরা বিশেষ করে মক্কার কোরাইশদের মাঝে হযরত ইব্রাহীম আঃ এর সুন্নত মোতাবেক আকীকা করার রেওয়াজ ছিল। সে অনুযায়ী আব্দুল মুত্তালিব হযরত রাসূল পাক সঃ এর শুভজন্মের সপ্তম দিবসে প্রাণপ্রিয় নাতীর আকিকার আয়োজন করে বহু পশু যবেহ করে, কোরায়শ বংশের সমস্ত লোকদের খাবারের ব্যবস্হা করেন।

আহার শেষে নেতৃস্থানীয় কোরায়শগণ জিঙ্গেস করেছিলেন, আব্দুল মুত্তালিব ! আপনি আপনার যেই নাতীর জন্য আমাদের দাওয়াত করেছেন, তার কি নাম রেখেছেন ? উত্তরে তিনি বললেন, " আমি তার নাম রেখেছি ' মুহাম্মদ '। " আর আমি চাই আসমানে আল্লাহ ও জমিনে তার মাখলুক সমস্তই এর প্রশংসা ও গুণকীর্তন করুক । এমনিভাবে মহাধুমধামের সাথে হযরত রাসূল পাক সঃ এর শুভজন্ম ও আকীকা অনুষ্ঠিত হয়।

হযরত রাসূল পাক সঃ এর চার কি পাঁচ বছর হলে বিবি হালিমা তাকে তার মায়ের কাছে ফিরিয়ে দেয়ার জন্য মক্কায় নিয়ে আসেন। ফিরার পথে মক্কার কাছাকাছি কোন এক জায়গায় তিনি হারিয়ে যান। সংবাদ শুনে দাদা আব্দুল মুত্তালিব তাকে খোঁজ করেন। কিন্তু কোথাও খুঁজে না পেয়ে তিনি একটি মানত করেন, যাতে তাকে আল্লাহ মিলিয়ে দেন।

অবশেষে একটি গাছের নীচে সুস্থ অবস্থায় তাকে পাওয়া যায়। আব্দুল মুত্তালিব তাকে গৃহে নিয়ে আসেন এবং পাওয়ার আনন্দে বহু স্বর্ণ ও কয়েকটি উট সাদকাহ দিয়ে মানত আদায় করেন এবং বিবি হালিমাকেও বিপুল পরিমাণে পুরস্কৃত করে বিদায় দিলেন।

হযরত রাসূল পাক সঃ এর মাতা সৈয়দা আমিনার আঃ কাজকর্মের সহযোগিতা করার জন্য উম্মে আয়মন নামে এক দাসী ছিল। হযরত রাসূল পাক সঃ এর বয়স যখন ছয় বছর তখন মা আমিনা তাকে পিতা হযরত আব্দুল্লাহ আঃ এর রওজা মোবারক জিয়ারত করানোর জন্য মদীনায় নিয়ে যান।

দাসী উম্মে আয়মনও তাদের সঙ্গী ছিলেন। ফিরার পথে মা আমিনা আঃ অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং অকালেই ওফাত লাভ করেন। অতঃপর উম্মে আয়মন হযরত রাসূল পাক সঃ কে নিয়ে বাড়ী ফিরে আসেন। সঙ্গত কারণেই বলতে হয়, হযরত রাসূল পাক সঃ যদি সত্যিই গরীব হতেন, তবে তার মায়ের তো দাসী থাকার কথা না।

হযরত রাসূল পাক সঃ এর স্নেহময়ী মাতা সৈয়দা আমিনার ওফাতের পর দাদা আব্দুল মুত্তালিব নাতীর লালন - পালনের সার্বিক দ্বায়িত্ব গ্রহণ করেন। রাসূল পাক সঃ কে তিনি তার সমস্ত পুত্র অপেক্ষা বেশী আদর করতেন। স্নেহে ও সোহাগে এমনই করতেন যে, তিনি রাসূল পাক সঃ কে ব্যতীত খানা খেতেন না। রাসূল পাক সঃ যখন ইচ্ছা অবাধে দাদার কাছে আসা-যাওয়া করতেন এবং তার আসনের উপর বসে যেতেন।

আব্দুল মুত্তালিবের জন্য ক্বাবার প্রাচীরের কাছে একটি মসনদ পাতা হতো। তার সমস্ত পুত্র এবং কোরায়শ নেতাগণ মসনদের আশে - পাশে উপবেশন করতেন। আর কেবলমাত্র আব্দুল মুত্তালিব আগমন করলে এ মসনদের উপর উপবেশন করতেন। কিন্তু হযরত রাসূল পাক সঃ যখন তশরীফ নিতেন, তখন তিনি দাদার মসনদে বসে পড়তেন।

যদি কেউ তাকে মসনদ হতে নামিয়ে দিতে চাইতো, তখন আব্দুল মুত্তালিব তাকে বলতেন, আমার এ আদরের নাতীকে বসতে দাও। তার মর্যাদাই আলাদা। তার নিজের সম্মান, মর্যাদা ও আভিজাত্যের অনুভুতি রয়েছে এবং আমি আশা করি সে এত সমুন্নত মর্যাদা ও উন্নত আসনের অধিকারী হবে, যা ইতিপূর্বে কোন আরব পায় নাই আর পরেও পাবে না।

হযরত রাসূল পাক সঃ যখন পঁচিশ বছর বয়সে উপনীত হলেন - তখন তার সুন্দর আদর্শ ও চরিত্রে মুগ্ধ হয়ে আরবের সেরা ধনাঢ্য রমণী হযরত মা খাদিজা রাঃ তাকে বিয়ে করার জন্য প্রস্তাব দেন। হযরত রাসূল পাক সঃ স্বীয় অভিভাবক ও পিতৃব্য হযরত আবু তালিবের সম্মতিক্রমে হযরত মা খাদিজা রাঃ কে বিবাহ করেন। বিবাহের পর হযরত মা খাদিজা রাঃ নিজের যাবতীয় সম্পত্তি হযরত রাসূল পাক সঃ এর কদমে উৎসর্গ করে দেন।

নবুওয়াত প্রাপ্তির পূর্বে হযরত রাসূল পাক সঃ এর দুই কন্যা রোকেয়া ও উম্মে কুলসুমের সাথে আরবের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ধনী আবু লাহাবের দুই পুত্র উৎবা ও উতায়বার বিয়ে হয়। এ বিয়ের পিছনেও খ্যাতী ও অর্থলোভী আবু লাহাবের মনে পুত্রহীন হযরত রাসূল পাক সঃ এর বিপুল ধন-সম্পদ এবং খ্যাতীর অংশীদার হওয়ার উদ্দেশ্য নিহিত ছিল। অন্যথায় নিজে বিত্তবান হয়ে কখনো দরিদ্র হযরত রাসূল পাক সঃ এর কন্যাদের পুত্রবধু হিসেবে ঘরে আনতো না।

ইসলাম প্রচারের শুরুতে হযরত রাসূল পাক সঃ কাফেরদের প্রতিবাদের সম্মুখীন হলেও তার বিত্ত, প্রভাব - প্রতিপত্তির কারণে কেউ তাকে আক্রমন করার সাহস পায়নি। এমনকি হিজরতের প্রাক্কালে আরবের কোন গোত্র এককভাবে রাসূল পাক সঃ কে আক্রমন করার সাহস পায়নি। বরং সকল গোত্র সম্মিলিতভাবে আক্রমন করার সংকল্প করে, যাতে কেউ এ অপকর্মের জন্য এককভাবে দোষী সাব্যস্ত না হয়। মক্কার কাফেরদের এ ভীতির পিছনেও হযরত রাসূল পাক সঃ এর প্রভাব - প্রতিপত্তি নিহিত ছিল।

হযরত রাসূল পাক সঃ মক্কায় মুকুটবিহীন সম্রাট হলেও হিজরতের পর মদীনাবাসীরা আনুষ্ঠানিকভাবে মুকুট পরিয়ে তাকে সম্রাটের মর্যাদায় অধিষ্ঠিত করেন। মদীনাবাসী মুসলমান, ইহুদি, খ্রীষ্টান, অগ্নি উপাসক সকলেই মদীনার সনদ - এ স্বাক্ষর করে হযরত রাসূল পাক সঃ কে মদীনার অধিপতি হিসেবে মেনে নেন। ফলে রাসূল পাক সঃ নবগঠিত মদীনা রাষ্ট্রের বাদশাহ হিসেবে স্বীকৃতি পেলেন।

মদীনার জীবনে হযরত রাসূল পাক সঃ রাষ্ট্রপ্রধান হিসেবে মুসলিম জাতি গঠনের কাজে আত্মনিয়োগ করেন। এ সময় রাসূল পাক সঃ ২৭টি যুদ্ধ করেন। আর যুদ্ধের বিপুল ব্যয় তিনি নিজে নির্বাহ করেছেন। তাছাড়া তিনি যুদ্ধে বিপুল পরিমাণে গণিমতের মাল লাভ করেন। তিনি ইসলামী রাষ্ট্রের বায়তুল মাল গড়ে তোলেন। হযরত রাসূল পাক সঃ এর নবুওয়াত ও মদীনার বাদশাহর সংবাদ শুনে অনেক রাষ্ট্রপ্রধান তার কাছে বহু উপঢৌকন প্রেরণ করেন।

হযরত রাসূল পাক সঃ তার বিপুল পরিমাণ সম্পদ হতে তিনি আল্লাহর নির্দেশ মোতাবেক প্রতি বছর প্রচুর অর্থ যাকাত দিতেন। তাছাড়া হযরত রাসূল পাক সঃ এর সাহচর্যে সার্ব ক্ষণিকভাবে প্রায় সাড়ে তিনশ থেকে চারশ আসহাবে সুফফা অবস্থান করতেন। যারা সর্ব ক্ষণ " ইয়া রাসূল আল্লাহ, ইয়া হাবীব আল্লাহ " বলে রাসূল পাক সঃ এর জুতা মোবারক বুকে নিয়ে ইশকে দিওয়ানা হয়ে কান্নাকাটি করত। রাসূল পাক সঃ তাদের সমস্ত খাবার দাবারের ভরণপোষণ করতেন।

তাছাড়া রাসূল পাক সঃ এর খেদমত করার জন্য দশজন খাদেম ও ২৮জন দাস-দাসী ছিল। হযরত রাসূল পাক সঃ এদের সবার জন্য খাবারের ব্যবস্হা করতেন। এখন প্রশ্ন ওঠে, সত্যিই যদি রাসূল পাক সঃ না খেয়ে নিজে ক্ষুধার তাড়নায় পেটে পাথর বাধতেন, তবে প্রতিদিন এত লোকের খাবারের ব্যবস্হা করা কি তার পক্ষে সম্ভব হতো ?

পবিত্র কোরআনে আল্লাহ তায়ালা হযরত রাসূল পাক সঃ এর জন্য যুদ্ধলব্ধ গনিমতের মালের এক - পঞ্চমাংস হালাল বলে ঘোষণা করেছেন। রাসূল পাক সঃ জীবনে সর্বমোট ২৭টি যুদ্ধ করেছেন। বিভিন্ন রাজা - বাদশাহদের সাথে যুদ্ধ করে রাসূল পাক সঃ গনিমতের মালের যে বৃহৎ অংশ লাভ করেছিলেন, তাতে তিনি কয়েক রাজার ধন - সম্পদের অধিকারী হয়েছিলেন। আর হযরত রাসূল পাক সঃ অগাধ সম্পদের অধিকারী ছিলেন বলেই তার পক্ষে রাজা - বাদশাহদের সাথে যুদ্ধ করার মত বিপুল ব্যয় নির্বাহ করা সম্ভব ছিল। কারণ, যেকোন বিচক্ষণ ও বিবেকবান মানুষ সহজেই পারেন যে, একজন গরীবের পক্ষে কখনো রাজা - বাদশাহদের সাথে যুদ্ধ করা সম্ভব নয়।

তাছাড়া হযরত রাসূল পাক সঃ ব্যক্তিগত জীবনেও খুব সৌখিন ছিলেন। ফলে তিনি পরিস্কার - পরিচ্ছন্নতা পছন্দ করতেন ; উন্নতমানের পোশাক পরিধান করতেন এবং সবসময় সুগন্ধি ব্যবহার করতেন। একজন গরীব মানুষের পক্ষে কি দামী পোশাক পরিধান করা ও সুগন্ধি ব্যবহার করা সম্ভব ?

হযরত রাসূল পাক সঃ খাবারের পর মিষ্টি খেতে পছন্দ করতেন এবং দুপুরের খাবারের পর তিনি কিছুক্ষণ শুয়ে বিশ্রাম নিতেন। এখন প্রশ্ন হলো - একজন গরীবের পক্ষে কি খাবারের পর রোজ মিষ্টি খাওয়া কিংবা দুপুরে বিশ্রাম নেয়ার সুযোগ থাকে ? সার্বিক বিচার বিশ্লেষণে দেখা যায় - হযরত রাসূল পাক সঃ স্বীয় ধনসম্পদ, মেধা-গরিমা, শক্তি -সাহস দিয়ে সুসভ্য, সমৃদ্ধশালী জাতি হিসেবে মুসলমানদের রেখে গেছেন । আজও সৌদি আরবের দিকে তাকালে স্পষ্ট প্রতীয়মান হয়ে ভেসে ওঠে।

তাছাড়া হযরত আব্দুল্লাহ আঃ এবং হযরত রাসূল পাক সঃ দুজনই ছিলেন আন্তর্জাতিক ব্যবসায়ী। যাকে আল্লাহ তায়ালা জগৎ সমূহে রহমত হিসেবে প্রেরন করেছেন, যিনি রহমতের কান্ডারী সেই দয়াল রাসূল পাক সঃ যখন ব্যবসায়ী তখন তো সে ব্যবসা কেমন লাভজনক হতে পারে আপনারাই চিন্তা করুন। হযরত রাসূল পাক সঃ বাল্যকালে যখন চাচা আবু তালিবের সাথে সিরিয়ায় ব্যবসা কাজে যাইতেন, তখন আবু তালিব ব্যবসায় অধিক পরিমাণে মুনাফা অর্জন করতেন।

হযরত রাসূল পাক সঃ কে ভাল না বাসলে ঈমানদার হওয়া যায় না, রাসূল পাক সঃ কে ভালবাসার নামই ঈমান। সেই রাসূল পাক সঃ থেকে আমাদের বিচ্ছিন্ন করে রাখার জন্যই এজিদ অর্থাৎ উমাইয়া শাসকরা ষড়যন্ত্রমূলকভাবে হযরত রাসূল পাক সঃ কে গরীব বানিয়ে দিয়েছে।

প্রকৃত পক্ষে, উমাইয়ারা গোড়া থেকেই হযরত রাসূল পাক সঃ এর পূর্বপুরুষদের সাথে চরম বিরোধিতা করে আসছিল। মক্কার কুরাইশ বংশের হাশিমী গোত্রের নেতা রাসূল পাক সঃ এর দাদার বাপ হাশিম অত্যন্ত বিচক্ষণ, বুদ্ধিমান, দয়ালু ও পরোপকারী ছিলেন। ফলে তার প্রতি মক্কার আপামর মানুষের আস্হা ছিল। তাকে সবাই নেতা হিসেবে মেনে নেয় এবং ক্বাবাঘরের হেফাজতের দায়িত্বও তার উপর ন্যাস্ত করা হয়।

অপরদিকে উমাইয়া গোত্রের নেতা এজিদের দাদার বাপ অর্থাৎ মাবিয়ার দাদা উমাইয়া হাশিমীদের জনপ্রিয়তায় ঈর্ষান্বিত হয়ে তাদের ক্ষমতা ছিনিয়ে নেয়ার জন্য আপ্রাণ চেষ্টা করে। এ নিয়ে উভয় গোত্রের মধ্যে দাঙ্গা বাঁধে। এতে মাবিয়ার দাদা উমাইয়া পরাজিত হয় এবং বিচারকদের রায় অনুসারে উমাইয়া দশ বছরের জন্য দেশ হতে নির্বাসিত হয়।

পরবর্তীতে উমাইয়ার পুত্র হারব হাশিমী গোত্রের উত্তারাধিকার আব্দুল মুত্তালিবের সাথে যুদ্ধে লিপ্ত হয়ে পরাজিত হয় এবং পিতার মত সেও দশ বছরের জন্য দেশ থেকে নির্বাসিত হয়। এভাবে হাশিম ও উমাইয়া গোত্রের মধ্যে বিদ্বেষের সূচনা হয় এবং পরবর্তীকালে খিলাফতের উত্তারাধিকার লাভের যে সংগ্রাম চলতে থাকে, তার মূল সূত্র এখানেই নিহিত ছিল।

হাশিমীদের সাথে উমাইয়াদের বিরোধিতার কারণেই হযরত রাসূল পাক সঃ সত্য নবী জেনেও তিনি হাশেমী গোত্রের লোক বলে উমাইয়ারা তাকে মেনে নেয়নি। বরং তারা চরম বিরোধিতা করে হযরত রাসূল পাক সঃ ও তার অনুসারীদের নিশ্চিহ্ন করে দিতে চেষ্টা করে। কিন্তু তাদের সকল চেষ্টা ব্যর্থ হওয়ার পর উমাইয়ারা নিরুপায় হয়ে মনে মনে মোনাফেকি রেখে মক্কা বিজয়ের সময় হযরত রাসূল পাক সঃ এর কাছে আত্মসমর্পণ করে। তাদের চক্রান্তের শিকার হয়েই মাওলা আলী, মাওলা ইমাম হাসান, মাওলা ইমাম হোসাইন এবং অনেক বিখ্যাত সাহাবীরা শাহাদাৎ বরণ করতে হয়েছে।

পরবর্তীতে তারা খেলাফতকে জবরদখল করে উমাইয়া শাসন জারি করে। তখন তারা হাশেমীদের অপদস্থ ও হেয় প্রতিপন্ন করার জন্য - হযরত রাসূল পাক সঃ গরীব ছিলেন, তিনি ঠিকমত খাবার জুটাতে পারতেন না, ছেড়া জামা-কাপড় সত্তর তালি দিয়ে পরিধান করতেন, ইত্যাদি মিথ্যা অপপ্রচার ও মিথ্যা জাল হাদিস তৈরী করে। এজিদ অর্থাৎ উমাইয়াদের শাসনামলে সংকলিত জাল হাদিস দিয়ে কিতাব লিখে ঐসব লিপিবদ্ধ করে দেওয়াতে, হযরত রাসূল পাক সঃ সম্পর্কে বিভ্রান্তি সৃষ্টির সূচনা হয়। যা যুগ যুগ ধরে চলে আসছে।

পরবর্তীতে এজিদ কারবালার প্রান্তরে মাওলা ইমাম হোসাইনকে নির্মমভাবে হত্যা করে। মুহাম্মদ সঃ এর নাম বাদ দিয়ে এই উমাইয়ার নামে " উমাইয়া খিলাফত " অর্থাৎ এজিদের মনগড়া ইসলামী শিক্ষা ব্যবস্হা চালু করেন। যা দীর্ঘ ৬০০ বছর সমগ্র আরব জাহানে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত ছিল। আর হযরত রাসূল পাক সঃ এর বংশধর ও রাসূল প্রেমিকরা এজিদ ও তার দোসরদের নির্মম অত্যাচারে বিভিন্ন দেশে গিয়ে বন জঙ্গলে বসবাস শুরু করে। আর এসব ঘটনা ঘটে রাসূল পাক সঃ উফাত হওয়ার মাত্র ৩২ বছর পর । তাই রাসূল পাক সঃ এর শিক্ষা ব্যবস্হা রাষ্টীয়ভাবে কারবালার প্রান্তর থেকেই হারিয়ে যায়।

কিতাব : রাসূল সঃ কি সত্যিই গরীব ছিলেন ? লেখক : সূফী সম্রাট হযরত শাহ দেওয়ানবাগী (রঃ)।

যেকোনো আহলে বায়াত প্রেমিক এই পোকস্ট কপি করার পূর্ণ অধিকার রাখে।

নিবেদক : অধম পাপী মোজাম্মেল পাগলা।

25/08/2026

আল্লাহর কদম(পা) মোবারক।

আল্লাহর পবিত্র কদম বা পা মোবারকের বিষয়ে আসি। দেখি কোরআন এবং হাদীসের আলোকে।
আরবি ক্বাদামুন শব্দ থেকে কদম শব্দটি এসছে। যেটার অর্থ দাঁড়ায় পা। আরবি ভাষায় পা কে ‘রিজলুন‘ এবং ‘ সাক্বুন‘ও বলা হয়। ক্বাদামুন এবং রিজলুন শব্দ দিয়ে পা বা পদ বুঝায় অন্যদিকে পায়ের গোছার ক্ষেত্রে সাক্বুন শব্দটি ব্যবহার করা হয়।

পবিত্র কোরআনের সুরা ক্বালাম(৬৮)র ৪২ নং আয়াতে সুস্পষ্ট ভাবে মহান আল্লাহ বলছেন-
" সেদিন (বিচার দিবসে) মহান আল্লাহ পায়ের গোছা উন্মুক্ত করবেন। অতঃপর হাশরবাসীকে আহ্বান করা হবে আল্লাহর কদম মোবারকে সেজদা করার জন্য।"

আপনি কোরআনের বঙ্গানুবাদ/তাফসীর খুলে দেখতে পারেন ঐ আয়াতে পায়ের গোছা শব্দটা আছে কিনা।
এবার বলেন পায়ের গোছা কিভাবে নিরাকার হয়? যদি আপনি বলেন ওটা হাসরের মাঠের ব্যাপার, তো আমি বলবো আপনি ঐ মাঠে গিয়ে হাদীস কোরআন পড়িয়েন এখানে পড়ার দরকার নাই।

মহান আল্লাহর কদম বা পা মোবারক সংক্রান্ত প্রিয় রাসুল (সাঃ) এর অসংখ্য হাদীস বা বানী মোবারক আছে। কিন্তু সমাজের প্রচলিত ধর্মে সে হাদীস গুলোর প্রকাশ ও প্রচার কিছুই নেই। কারণ সে ক্লাস (আধ্যাত্মিক) পাশ না করেই আমরা চেয়ার বা মঞ্চ দখল করে, মাইক নিয়ে আমজনতাকে হেদায়েতের কাজে নেমে পড়ি!

আল্লাহর কদম মোবারক সংক্রান্ত দয়াল রাসুলের অসংখ্য বানী মোবারক থেকে একটি বানী মোবারক দিচ্ছি। ঐ হাদীসের কিতাব থেকেই দিচ্ছি যে কিতাব আমাদের সমাজে বহুল প্রচলিত।

মুসলিম শরীফের ২য় খন্ডের ৩৮১ পৃষ্ঠায় হযরত আবু হুরায়রা (রা:) হতে বর্ণনা করা হয়েছে।প্রিয় রাসুল মুহাম্মদ (সাঃ) বলছেন-

" যখন কোন ভাবেই জাহান্নাম পরিপূর্ণ হবেনা তখন ‘আল্লাহ তায়ালা স্বীয় ডান কদম মোবারক‘ জাহান্নামে রাখবেন।ফলে জাহান্নাম বলবে-যথেষ্ট হয়েছে, যথেষ্ট হয়েছে। অতঃপর জাহান্নাম পরিপূর্ণ এবং সংকুচিত হয়ে যাবে।"

জ্বী জনাব, আপনার আমার জ্ঞানের সীমাবদ্ধতা থাকতে পারে। সীমাবদ্ধতার কারণে মালিকের দর্শণ নাও হতে পারে, উপলব্ধি এবং অনুধাবন নাও হতে পারে কিন্তু আপনার আমার কোন ক্ষমতা বা অধিকার নেই মহান প্রভুকে নিরাকার বলার।

আসুন নিজেদের সুষ্ঠ, সুন্দর বিবেককে প্রশ্ন করি নিরাকার শব্দের অর্থ কি?

কিছু দিন আগে মহান আল্লাহর আকারের উপরে কয়েকটি পোস্ট করেছিলাম। কোরআন এবং হাদীস থেকেই করেছি, আমার মনগড়া কোন কথা বলিনি।
কিন্তু ঐ পোস্ট গুলোতে কয়েকজন ফেইসবুক বন্ধুর গাত্রদাহ হয়েছে! মনে হয়েছে আল্লাহর আকারের কথা বলা মানে তাঁর বাড়া ভাতে ছাই দেয়ার মত ব্যাপার! আল্লাহ যদি আকার হন সেটা মনে হয় তাঁর বড় ধরনের সমস্যা!
কি আশ্চর্য,বলি সৃষ্টিকর্তা।তো ‘কর্তা‘ নিরাকার হয় কেমনে?

পবিত্র কোরআনের সুরা ক্বালাম(৬৮)র ৪২ নং আয়াতে সুস্পষ্ট ভাবে মহান আল্লাহ বলছেন-
" সেদিন (বিচার দিবসে) মহান আল্লাহ পায়ের গোছা উন্মুক্ত করবেন। অতঃপর হাশরবাসীকে আহ্বান করা হবে আল্লাহর কদম মোবারকে সেজদা করার জন্য।"

অর্থঃ গোছা পর্যন্ত পা খোলার দিনের কথা স্মরণ কর, সেদিন তাদেরকে সেজদা করতে আহবান জানানো হবে, অতঃপর তারা সক্ষম হবে না।

💌সূরা আল-কলম (القلم), আয়াত: ৪২

অর্থঃ তাদের দৃষ্টি অবনত থাকবে; তারা লাঞ্ছনাগ্রস্ত হবে, অথচ যখন তারা সুস্থ ও স্বাভাবিক অবস্থায় ছিল, তখন তাদেরকে সেজদা করতে আহবান জানানো হত।

💌সূরা আল-কলম (القلم), আয়াত: ৪৩

অর্থঃ অতএব, যারা এই কালামকে মিথ্যা বলে, তাদেরকে আমার হাতে ছেড়ে দিন, আমি এমন ধীরে ধীরে তাদেরকে জাহান্নামের দিকে নিয়ে যাব যে, তারা জানতে পারবে না।

💌 সূরা আল-কলম (القلم), আয়াত: ৪৪

মুসলিম শরীফের ২য় খন্ডের ৩৮১ পৃষ্ঠায় হযরত আবু হুরায়রা (রা:) হতে বর্ণনা করা হয়েছে।প্রিয় রাসুল মুহাম্মদ (সাঃ) বলছেন-

" যখন কোন ভাবেই জাহান্নাম পরিপূর্ণ হবেনা তখন ‘আল্লাহ তায়ালা স্বীয় ডান কদম মোবারক‘ জাহান্নামে রাখবেন।ফলে জাহান্নাম বলবে-যথেষ্ট হয়েছে, যথেষ্ট হয়েছে। অতঃপর জাহান্নাম পরিপূর্ণ এবং সংকুচিত হয়ে যাবে।"

নিম্নে এই সেই দয়াল রাসুলের মহা পবিত্র কদম মোবারক এর ছাপ যে কদম মোবারক এর স্পর্শ উছিলায় যার কলিজায় হ্রদয়ে পরবে আল্লাহ তার কদম মোবারক এর দাঁড়া জাহান্নাম পরিবর্তন করে জান্নাত করে দিবে।

আল্লাহ হচ্ছে জান্নাত জাহান্নামের স্রোষ্টা উনি আইয়ামে জাহালিয়াত এর যুগে বর্বর আরব জাতি কে উনার রাসুল কে পাঠিয়ে অসভ্য মানুষের নগরী কে সভ্য মানুষের নগরীতে পরিবর্তন করেছিলেন।
এই ভাবে আল্লাহ জাহান্নাম কে জান্নাত এ পরিনত করেন। উনি যা ইচ্ছা তা করতে পারে। আমাদের কে যেখানেই রাখুন মাফ করুন দয়া করুন ক্ষমা করুন।🙏🙏🙏🙏🙏🙏

দয়াল নবীজির পরশময় কদম মোবারকের ছাপ । মহান দয়াল রাসুলের কদম মোবারক এর উসিলাই মহান প্রভু আমাদের উনার কদম মোবারক এ আশ্রয় ভিক্ষা দিন ক্ষমা করে দিন মাফ কপ্রে দিন।

24/08/2026

কোন সৃষ্টিশীলতা নেই।
আনন্দ নেই। উচ্ছ্বাস নেই।
কবিতা পড়ে না, সাহিত্য চর্চা করে না।
সিনেমা দেখে না, গান শোনে না, বই পড়ে না।
প্রেম করে না—প্রেমকে বরং সন্দেহের চোখে দেখে।
উৎসবের রঙে মেশে না, নাচে না, গায় না, প্রাণ খুলে হাসে না।

ফুলের ঘ্রাণ নেওয়ার অবসর নেই।
ভোরের শিশিরে ভেজা সবুজ ঘাসে খালি পায়ে হাঁটার আনন্দ জানে না।
নদীর ধারে বসে সূর্য ডুবে যেতে দেখে না।
পাখির ডাক শুনে থমকে দাঁড়ায় না।
পূর্ণিমার চাঁদ কিংবা বৃষ্টির শব্দ তাদের মনে কোনো কবিতা জাগায় না।
একটি শিশুর হাসি, একজন বৃদ্ধের নিঃসঙ্গতা কিংবা একজন নারীর চোখের জল—কোনোটাই তাদের হৃদয়কে খুব বেশি স্পর্শ করে না।

জীবন যে শুধু জন্ম, নিয়ম, নিষেধ আর মৃত্যুর মাঝখানের একটি পরীক্ষাকেন্দ্র নয়—জীবন যে নিজেই এক আশ্চর্য অভিজ্ঞতা, সেটাই যেন তারা ভুলে গেছে।

দিনরাত শুধু হিংসা আর বিদ্বেষ।
নারীবিদ্বেষ। জাতিবিদ্বেষ। ভিন্নমতবিদ্বেষ।
ভিন্ন ধর্মের মানুষকে সন্দেহ, ভিন্ন সংস্কৃতিকে ঘৃণা, ভিন্ন জীবনযাপনকে পাপ বলে দাগিয়ে দেওয়া।
কে কী পোশাক পরল, কে কার সঙ্গে প্রেম করল, কে গান গাইল, কে ছবি আঁকল, কে কোন বই পড়ল, কে বিশ্বাস করল আর কে করল না—সবকিছুতেই তাদের অসীম আগ্রহ। অথচ নিজের ভেতরের অন্ধকারটুকু দেখার সময় নেই।

একটুতেই রাগ।
একটুতেই গালাগাল।
একটুতেই মারামারি, কাটাকাটি।
যুক্তির বদলে হুমকি, আলোচনার বদলে ফতোয়া, প্রশ্নের বদলে শাস্তি।
ন্যূনতম সহিষ্ণুতা নেই। ভিন্নমত শোনার ধৈর্য নেই। নিজের বিশ্বাস নিয়ে এতটাই অনিশ্চয়তা যে অন্যের একটি প্রশ্নেও যেন তাদের পুরো পৃথিবী কেঁপে ওঠে।

সংবেদনশীল মন নেই—অথচ মুখে সারাক্ষণ শান্তির কথা।

পৃথিবীতে শান্তি প্রতিষ্ঠার নামে পৃথিবীটাকেই তারা বসবাসের অযোগ্য করে তুলতে চায়। মানুষের বর্তমান জীবনকে আনন্দহীন করে, শিল্পকে সন্দেহ করে, প্রেমকে অপরাধ বানিয়ে, নারীকে ভয় ও প্রলোভনের বস্তুতে নামিয়ে এনে, চিন্তার স্বাধীনতাকে শত্রু বানিয়ে তারা অপেক্ষা করে আরেক পৃথিবীর জন্য।

কী অদ্ভুত বৈপরীত্য!

এই পৃথিবীর ফুলের ঘ্রাণ নেবে না,
কিন্তু মৃত্যুর পরের বাগানের স্বপ্ন দেখবে।

এই পৃথিবীর নারীকে সম্মান ও সমান মানুষ হিসেবে দেখতে শিখবে না,
কিন্তু পরকালে অগণিত নারীর পুরস্কারের কল্পনায় বিভোর থাকবে।

এই পৃথিবীর খাবার ভাগ করে ক্ষুধার্ত মানুষকে খাওয়ানোর চেয়ে
মৃত্যুর পর অঢেল খাবারের বর্ণনা তাদের বেশি আকৃষ্ট করবে।

এই পৃথিবীর মানুষকে ভালোবাসতে শিখবে না,
অথচ পরের পৃথিবীতে অনন্ত সুখের নিশ্চয়তা চাইবে।

কিন্তু মানুষ যদি এই জীবনটাকেই ভালোবাসতে না শেখে, তবে পরের জীবনের স্বপ্ন তাকে কতটা মানবিক করবে?

ধর্ম মানুষের হৃদয়কে কোমল করার কথা, নিষ্ঠুর করার নয়। বিশ্বাস মানুষকে বিনয়ী করার কথা, উদ্ধত করার নয়। আধ্যাত্মিকতা মানুষের মধ্যে মমতা, ক্ষমা, সৌন্দর্যবোধ ও সহিষ্ণুতা বাড়ানোর কথা—মানুষে মানুষে দেয়াল তোলার নয়।

একজন মানুষ কবিতা পড়ুক, গান শুনুক, প্রেমে পড়ুক, ছবি আঁকুক, সিনেমা দেখুক, গাছ লাগাক, ফুলের ঘ্রাণ নিক, সন্তানের সঙ্গে হাসুক, বৃদ্ধ বাবা-মায়ের পাশে বসুক, ভিন্নমতের মানুষের সঙ্গে চা খেতে খেতে তর্ক করুক—তারপর সন্ধ্যায় নিজের বিশ্বাস অনুযায়ী প্রার্থনাও করুক। একটির সঙ্গে অন্যটির শত্রুতা কোথায়?

পৃথিবীকে ঘৃণা করে স্বর্গের সন্ধান করার মধ্যে কোনো মহত্ত্ব দেখি না।

বরং আমার কাছে স্বর্গের শুরু এখানেই—
যেদিন একজন মানুষ আরেকজন মানুষকে তার ধর্ম, জাতি, লিঙ্গ, পোশাক, প্রেম কিংবা মতাদর্শের আগে মানুষ হিসেবে দেখতে শেখে।

কারণ পৃথিবীটা নোংরা হয় গান গাইলে নয়,
কবিতা লিখলে নয়, প্রেম করলে নয়, ফুলের ঘ্রাণ নিলে নয়।

পৃথিবী নোংরা হয় তখনই—
যখন মানুষের হৃদয়ে ভালোবাসার জায়গাটা
ধীরে ধীরে দখল করে নেয় ঘৃণা।

সংগৃহীত

22/08/2026

বিষয়: রাসুল সা: কে ডাকা শিরক নয় কেন?

মানুষের কাছে সাহায্যে চাওয়া শিরক হলে মসজিদ বানানোর জন্য মানুষের কাছে ভিক্ষা চাওয়া নামাজ পরিয়ে বেতন চেয়ে নেয়াও শিরক ওয়ায মাহফিল করে মানুষের টাকার সাহায্যে নেয়াও শিরক।কারন নামাজ আদায় মসজিদ বানানো ও ওয়াজ সে নিজে খরচ করে ধর্ম করে নাই অন্য জন টাকা দিসে সেটা করে সে টাকা নিছে কিন্তু নিজের টা টাকা ছাড়া যেটা সে আদায় করে নাই আল্লার কাছে সেটার কি হবে?

যারা মদ খায়, নেশা করে, প্রেম করে, যেনা করে, জুয়া খেলে, যারা বাবা মায়ের সাথে খারাপ ব্যবহার করে যারা বেকার বাবা মায়ের ঘারের উপর বসে থেকে খায় তাদের উপর জুলুম করতেছ, অত্যাচার করতেছ, বাবা মাকে না বলে বিয়ে করে ফেলতেছ, ধর্মের নামে প্রেম করে বাবা মায়ের অবাধ্য হয়েছো, অন্যায় অপরাধ এ জরিয়ে আছো, সুদ খাওয়া, ঘুষ খাওয়া, অন্যায় ভাবে দখলদারি করা, মারামারি করা হারাম ভাবে উপার্জন করা,ধর্ম বিমুখী, নামাজ বিমুখী হওয়া, পরকিয়া করা,মেয়েদের সাথে ঘুরাঘুরি করার ইচ্ছা, চুরি করা, তারা আল্লাহর দয়া থেকে নিরাশ হয়োনা। আল্লাহ তাদের ক্ষমা করবেন।
কিন্তু যারা রাসুল কে বিশ্বাস করে তারা নাকি শিরক করতেছে।
তাদের কে আল্লাহ মাফ করবেন না।
যাদের কে বিশ্বাস করলে শিরক করে মুশরিক থেকে বাচা যায়।
যাদের কে বিশ্বাস করলে কুফরি থেকে বেচে কাফের হওয়া থেকে বাচা যায়।
তাদের কে মানলে আল্লাহ মাফ করবে না আর সব অন্যায় আল্লাহ মাফ করবে এই ধরনের কথা যারা বলে তারা কি সুপথ প্রাপ্ত?
যাদের কে বিশ্বাস করলে শিরক থেকে বাচা যায় তাদের কেই বিশ্বাস করাকে যারা মুশরিক বানায় তারা অন্ধ বিশ্বাস কারি ধার্মিক রুপি শয়তান তাদের হাত থেকে তুমি আমাদের রক্ষা কর ।
শয়তান মানুষের প্রকাশ্য শত্রু তাদের হাত থেকে আপনি আমাদের রক্ষা করুন।
যারা নবি রাসুল সাঃ ও আল্লাহর প্রিয় বন্ধুদের কে বাদে আল্লাহকে মানে তারা বিপথগামী।

যিনি তাকে বাদ দিয়ে তার প্রিয় নবি রাসুল দের বন্ধুদের কাউকে মানলে শ্রেষ্ঠত্ব কমেনা তার হৃদয় সন্দেহহীন সংশয় দ্বিধা হীন আর অনেক বড় হৃদয়ের তিনি ন্যায়বিচারক সর্বশক্তিমান এর সর্বশ্রেষ্ঠ।

তার প্রিয় বন্ধুর প্রসংশা তিনি করেন নিজের চেয়ে বেশি তার প্রিয় জন ভালোবাসার প্রশংসা তিনি নিজেই করেন।

যিনি সর্বশক্তিমান তিনি এক লক্ষ চব্বিশ হাযার নবি রাসুল কে বিশ্বাস করার কথা বলেছেন তিনি তাদের কে বাদ দিয়ে শুধু একজন সর্বশক্তিমান কে বিশ্বাস করার ভালোবাসার কথা বলেন নাই তিনি সর্বশক্তিমান সর্বশ্রেষ্ঠ।
শুধু একজন সর্বশক্তিমান কে বিশ্বাস না করলে এক লক্ষ চব্বিশ হাযার নবি রাসুল কে বিশ্বাস করলে শিরক হবে মুশরিক হয়ে যাবে তাদের কে ক্ষমা করা যাবে না হত্যা করে শাস্তি দিতে হবে তাদের কে তিনি জাহান্নামের অগ্নি দিয়ে জালাবেন যতক্ষণ পর্যন্ত না মানে শুধু একজন সর্বশক্তিমান কে এই হুকুম ও তিনি দেন নাই তিনি সর্বশক্তিমান সর্বশ্রেষ্ঠ ।

যিনি সর্বশক্তিমান তাকে ভয় ও ভালোবাসার জন্য নামাজ রোযা হজ্জ যাকাত কালেমা দিয়েছেন বেহেশত হুর এর লোভ আর দোযখ এর এর ভয় এর জন্য নয় কালেমা শাহাদাত এক সর্বশক্তিমান এর সাথে তার প্রিয় রাসুল কে মানার বিধান দিয়েছেন তিনি সর্বশক্তিমান সর্বশ্রেষ্ঠ।

এক সর্বশক্তিমান কে না মানলে যিহাদ করে সবাইকে হত্যা করার নির্দেশ হুকুম তিনি দেন নাই তিনি করুনাময় দয়াময় ন্যায় বিচারক সর্বশক্তিমান।

মুহাম্মদ ﷺ আল্লাহর সর্বশেষ রাসূল। প্রতিটি মানুষ যাঁকে ভালোবাসেন । যার সুপারিশ ছাড়া জান্নাতে যাওয়া যাবেনা এবং আল্লাহ তায়ালা বলেন আমাকে ভালোবাসার জন্য আমার রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর অনুসরণ করতে হবে। ‘যদি তোমরা আমাকে ভালোবাসো, তবে আমার নবী (সা.)-এর অনুসরণ করো; তাহলে আমি তোমাদের ভালোবাসবো এবং তোমাদের পাপসমূহ মার্জনা করবো।’ (আলে ইমরান: ৩১) । যিনি পৃথিবীকে উপহার দিয়েছিলেন একটি পরিপূর্ন সুন্দর জীবনব্যবস্থা। যাঁকে ভালোবাসা ঈমানের অংশ।

যতকিছু করি এই পৃথিবীর মানুষের পায়ের নিচে আমাদের শরিরের শেষ গন্তব্য স্থান ইচ্ছায় হোক অনিচ্ছায় হোক। যেহেতু মাটির নিচে যেতেই হবে তবে এই পৃথিবীর মানুষের মালিক এর কদম মোবারক এর জন্যই হোক না সেটা। ওই মোহান মালিক দয়া করে মাটি থেকে তুলে মায়ের পেটে মায়ের কোলে যেহেতু দিয়েছে তার জন্যই হোক সবকিছু।

মৃত্যুর সময় ছেলে-মেয়ে, আপনজন, বাড়ি-গাড়ি, অর্থ-সম্পদ কিছুই সাথে যাবে না সংগে যাবে গোলামের মোর্শেদ উনি গিয়ে রাসুল সাঃ কে নিয়ে আসবে এসে বলবে এ আমার গোলাম ছিল একে আমার কদম এর নিচে ঠায় দিলাম।

অর্থ: নিশ্চয়ই তোমাদের নিকট তাশরীফ এনেছেন একজন রাসূল, তোমাদের মধ্যে হইতে। তোমাদের যা কন্ঠ(ক্লেশ) দেয় তার নিকটও তা কষ্টদায়ক, তিনি তোমাদের প্রতি অতিমাত্রায় কল্যাণকামী। মোমিনগণের উপর তিনি দয়া বিগলিত রহিম (দয়ালু)। (সুরা তাওবা, আয়াত ১২৮)

আমি কি তোমাদের বলে দিব ? শয়তান কাদের নিকট আসে? তারা আসে প্রত্যেক চরম মিথ্যুক, পাপিষ্ঠ, মিথ্যাশ্রয়ী জুলুমকারীদের নিকট। সূরা শো'আরা-২২১-২২২

নিজেকে কুরবান করে নানাজির ইসলামকে পূর্নজীবিত করে গেলাম। কারবালার মাটির কসম আমি শেরে আলীর সন্তান, নবীজীর কলিজা, বিশ্ব মাতার নয়নের মনি, ইমাম হাসান আমার ভাই, বেহেশতে তামাম যুবকদের সরদার,পঞ্চশক্তি আমার বাহুতে, যদি র্গজে উঠি শুধু মুনাফিক মুয়াবিয়া এয়াজিদেরাই নয় সকল সৃষ্টিই ভয়ে নিশ্চুপ হয়ে যাবে "★★ ❤️★★
😢🙏★ --- ইমাম হুসাইন (রাঃ)--- ★🙏😢

"ইমাম হুসাইন (আঃ) বলেন:

একদল জান্নাতের লোভে আল্লাহর ইবাদত করে থাকে। তাদের ইবাদত ব্যবসায়িক ইবাদত। অন্য একদল লোক জাহান্নামের ভয়ে ইবাদত করে থাকে। তাদের ইবাদত দাসত্বের ইবাদত। অপর একদল আল্লাহর শোকর প্রেম এবং দর্শন ল্যাব আদায়ের লক্ষ্যে ইবাদত করে থাকে। তাদের ইবাদত মুক্ত মানুষের ইবাদত। এটাই সর্বত্তোম ইবাদত।”

সমস্ত ক্ষমতার একছত্র অধিপত্যে সার্বভৌমত্ব একমাত্র আল্লাহর ।মানুষের কোনও ক্ষমতা নাই।আল্লাহর ক্ষমতা থাকা সত্ত্বেও মানুষ কত অসহায়?

মানুষের পিতা,মাতা,স্বামী,স্ত্রী,সন্তান,সন্তুতি,আত্মিয়,সজন তার জন্য ভালো কিছু চাইলেও আল্লাহর ইচ্ছা বা খুশি না হয়লেও কিছু হবে না। মানুশের কষ্টে আল্লাহর ক্ষমতা থাকা সত্ত্বেও সাহায্য না করে আল্লাহ কি খুশি?

মানুষ তো তোমার সৃষ্টি বন্দি তার কি তোমাকে বিশ্বাস করার ক্ষমতা আছে ভালোবাসার ক্ষমতা আছে শয়তান কে মানুষ কে ভুল পথে নেবার ক্ষমতা তো তোমার ই দেওয়া। আদম আঃ কে ভুল করার ক্ষমতা তো তুমি দিয়েছো। মাফ করার ক্ষমতা তোমার মাফ করে দিয়েছ।

ক্ষমতা হিনের কি ক্ষমতা আছে ক্ষমতাবান কে ভালোবাসার।তবে ক্ষমতা বানের তো ক্ষমতা আছে?

কোরানে আল্লাহর বানি অনুযায়ী আল্লাহ কে বাদে আদম আ: কে বিশ্বাস করলে শিরিক হবে আপনি মুশরিক হয়ে যাবেন। আর আদম আ: কে অবিশ্বাস করলে কাফির হয়ে যাবেন। মানুষের মুশরিক কাফের হওয়ার পথ ছাড়া আর কোন পথ নাই।আল্লাহর বানানো পথ দুইটা আদম আ: বাদে আল্লাহ কে মানলে হয় কাফের আর আদম আ: কে মানলে মুশরিক। যে রাস্তাই যান এই দুটার একটা হতেই হবে।তাই ভয়ের কিছু নাই এই দুইটা ছাড়া আর কিচ্ছু হওয়ার নাই।

যিনি শিরক করার কারনে শাস্তি দিবেন
শিরক করা যিনি ক্ষমা করবেন না
তিনি কি শিরক করার হুকুম দিতে পারেন
আদম আ: কে ভালোবাসা শ্রোদ্ধা বিশ্বাস শিরক না
তার হুকুম তো খোদ খোদা তায়ালা নির্দেশ দিয়েছেন

সেই রকম নিজ দেশ নিজের ভাষা গুরু জন কে
শ্রোদ্ধা বিশ্বাস ভালোবাসা শিরক হতে পারে না।

তোবে শয়তান দের কে শ্রোদ্ধা বিশ্বাস ভালোবাসা শিরক হতে পারে।

আল্লাহর হুকুম অমান্য করে আদম কে সেজদা না করে ইবলিশ জিন ফেরেস্তাদের সরদার শয়তান কাফির হয়ছে বিতাড়িত হয়েছে।
আল্লাহ বাদে আল্লাহর অংশিদার স্থাপন করলে শিরক হবে যার ক্ষমা আল্লাহ করবেন না মুশরিক হয়ে যাবে।

পরিক্ষায় আল্লাহর হুকুম অমান্য করলে কাফির আল্লাহ বাদে আল্লাহর অংশিদার স্থাপন করলে শিরক।

আল্লাহ বাদে আদম কে সেজদা করলে কি শিরক?নাকি আবার আল্লাহই হুকুম দিয়েছে শিরক করার? নাকি আবার আল্লাহ নিশেধ করেছেন শিরক না করে মুশরিক হইতে?

আল্লাহ যাকে খুশি তাকে কাফির মুশরিক যাকে খুশি তাকে ইমামদার মুমিন বানিয়ে দিতে পারেন। মানুষের কোন ক্ষমতা নাই।

আল্লাহ শয়তান এর ইচ্ছার গোলাম নয়,শয়তান যতই তার বাদসাহি দেখাক।
আল্লাহ তার বান্দার মালিক গোলাম এর বাদসাহ
তার প্রতিনিধির সৃষ্টিকর্তা পালনকর্তা ধংসকর্তা

শয়তান অহংকার করেও আদম আঃ কে ভালোবাসার শিক্ষা কে থামায়ে দিতে পারে নাই।

শয়তান আদম আঃ কে ভালোবাসা শিরক মনে করে মুশরিক হওয়ার ভয়ে আদম আঃ কে মানা কে থামাতে পারে নাই।

শয়তান আল্লাহ বাদে আদম আঃ সেজদা করলে মুশরিক হবে এই জন্য শিরক করে নাই কিন্তু আল্লাহ বাদে তিনটি শর্ত চেয়ে নেয়ার কারনে পথভ্রষ্ট হয়েছে। সে আল্লাহ অংশ স্থির না করে ক্ষমতাকে অংশ স্থির করেছে।

শয়তান কাফের দের অন্তর্ভুক্ত হয়েছে আল্লাহর হুকুম অমান্য করার কারনে। আদম আঃ কে না ভালোবাসার কারনে।সে ক্ষমতা কে ভালোবাসল আল্লাহর কাছ ক্ষমতা চেয়ে নিল।

ইমাম হোসেন আঃ কে এজিদ নামাজ পরে কোরআন বর্সায় নিয়ে আল্লাহ কে ডেকে রাসুল সঃ কে ভালোবাসা থামিয়ে দিতে পারে নাই।

ইমাম হোসেনকে এজিদ থামায়ে দিতে পেরেছে কিন্তু ইমাম হোসেন আঃ এর রাসুল সাঃ এর প্রতি ভালোবাসা ফু দিয়ে থামিয়ে দিতে পারে নাই।কোন দিন পারবেও না।

না পেরেছে নুহ আঃ থামিয়ে দিতে।

না পেরেছে ইব্রাহিম আঃ থামিয়ে দিতে।

না পেরেছে ইউসুফ আঃ থামিয়ে দিতে।

না পেরেছে মুসা আঃ থামিয়ে দিতে।

না পেরেছে ইসা আঃ থামিয়ে দিতে।

শয়তান যুগে যুগে বলেছে নবি রাসুল ইমাম দের কে ভালোবাসা বিশ্বাস শিরক আল্লাহ এই গুনা মাফ করবে না।

আল্লাহ বলেছে নবি রাসুল ইমাম রা আমার নিদর্শন চিহ্ন
তাদের কে বিশ্বাস ভালোবাসতে না পারলে পথভ্রষ্ট বিপথগামী কাফির। তাদের কে বিশ্বাস ভালোবাসা পার্থক্য না করা আমার নির্দেশ।

আল্লাহ ই শিরক করতে নিষেধ করেছে শিরক শাস্তি যগ্য ক্ষমার অযগ্য। কিন্তু যারা অংশিদার করে বা পুর্বে করত না জেনে তারা আল্লাহতে ও আল্লাহর নবি রাসুল ইমাম দের কে বিশ্বাস করবে তাদের কে আল্লাহ মাফ করে দিবেন।

নবি রাসুল ইমাম তারা আল্লাহর অংশিদার নয় অংশ নয় সরাসরি নিদর্শন চিহ্ন যা আল্লাহই বলেছেন তাদের মাঝে অংশ বলে পার্থক্য করা যাবে না। পার্থক্য করলেই শিরক হয়ে যাবে কাফির হয়ে যাবে।
যেটা শয়তান করেছিল সে পার্থক্য করে গোটা পৃথিবীর ক্ষমতা পাইল কিন্তু আল্লাহ নবি রাসুল ইমাম দের কে বিশ্বাস ভালোবাসতে পারল না তিনটি ইচ্ছা পুরনের ক্ষমতাকেই ভালোবাসলো।

দোয়া পরে ফু দিয়ে দুনিয়ার ক্ষমতা দিয়ে আল্লাহ নবি রাসুল ইমাম দের কে ভালোবাসার প্রজ্বলিত প্রদিপ কে সৃষ্টির শুরু থেকে আজ পর্যন্ত কেও থামিয়ে দিতে পারে নাই সামরিক ক্ষতিগ্রস্ত করতে পেরেছে থামিয়ে দিতে পারে নাই।

মহানবী সাঃ কে উম্মত এর মধ্যে উনার পরিবার পরিজন জীবনের চেয়েও বেশি ভালোবাসতো বিশ্বাস করত কারবালায় বাহাত্তর জন তার প্রমান দিয়েছেন।

আমরা রাসুল সাঃ বিশ্বাস ভালোবাসার প্রমাণ দিতে পারি নাই বরং রাসুল সাঃ ও তার পরিবার পরিজন এর যারা শত্রুদের এখনো বিশ্বাস করি তাদের মতে এখনো চলি।

এটাই কি উম্মত এ মোহাম্মদ সঃ চরিত্র হওয়া উচিৎ।

প্রতিশোধ না কি ক্ষমা! কোনটিকে বেছে নিবেন?🙂

শয়তান প্রতিশোধ পরায়ন সে ক্ষমা করতে পারে নাই।

সে আল্লাহর হুকুম কে ক্ষমা করে আদম আঃ কে ভালোবাসতে পারে নাই।

কারো ভালোর দিকে সৎ ভাবে। কেও অনিয়ম করে নিয়ম এর বাহিরে।

অনিয়ম মেনে নিয়ম পাওয়ার আশা টা বোকামী।

সে অনিয়ম করে ক্ষমতা কে ভালোবেসেছিল।

অনিয়ম কে ক্ষমা নিয়ম এর সাথে জুলুম করার মত।

সে নবি রাসুল ইমাম দের উপর জুলুম করেছিল।

এজিদ নামাজী ছিলেন
কিন্তু মানুষ ছিলেন না।
জান্নাত জাহান্নামের গল্প বলে মানুষকে নামাজি বানানো যায় কিন্তু মানুষ বানানো যায় না।

আহলে বাইতের(আঃ)সাথে যারা দুষমোনি করেছে ও রাখে। তারা কুল্লে হারামি।।

মুসলমানদেরকে 'হোসাইনি' হতে হবে,
নামাজী' তো শীমারও ছিলো,
যে 'হোসাইনি' হবে সেই প্রকৃত 'নামাজী'

কতোটা আশ্চর্যের ঘৃণ্য ঠাট্টা হয়ে গেল ইসলামের তক্বদিরের সাথে, ইমাম হুসাইনের মাথাটাও কাটা হলো নারায়ে তাক্ববিরের সাথে,,,,!
(আল্লামা ইক্ববাল)

যদি তোমরা মুনাফিক চিনতে চাও
তাহলে হজরত মুহাম্মদ (সাঃ) ও তার প্রিয় পরিবার পরিজনদের ও ইমাম হোসাইন (আঃ) পাকের প্রশংসা কর। দেখবে তারা মুখ ফিরিয়ে নিবে!

নামাজ রোযা আল্লাহু আকবর তাকবির দিয়ে শুধু ঘৃণা না হত্যা করা মুহাম্মদি ইসলাম ধর্ম কে এটাই কি মুহাম্মদি ইসলাম ধর্মের আল্লাহর দেয়া শিক্ষা ছিল?

এজিদি ইসলাম বনাম মোহাম্মদী ইসলাম

এজিদি ইসলাম শিক্ষা দেয় - রাসুল সঃ এর মা বাবা মুসলমান নয় এরা দোজখবাসী
মোহাম্মদী ইসলাম শিক্ষা দেয় - রাসুল সঃ এর মা বাবা উত্তম শ্রেণীর মোমেন
এজিদি ইসলাম শিক্ষা দেয় - রাসুল সঃ মাটির তৈরি
মোহাম্মদী ইসলাম শিক্ষা দেয় - রাসুল সঃ নূরের তৈরি
এজিদি ইসলাম শিক্ষা দেয় - রাসুল সঃ গায়েব জানতেন না
মোহাম্মদী ইসলাম শিক্ষা দেয় - রাসুল সঃ গায়েব জানতেন
এজিদি ইসলাম শিক্ষা দেয় - রাসুল সঃ এর শানে মিলাদ পড়া শিরিক বেদাত
মোহাম্মদী ইসলাম শিক্ষা দেয় - রাসুল সঃ এর শানে মিলাদ পড়া ফরজ
এজিদি ইসলাম শিক্ষা দেয় - রাসুল সঃ গরীব ছিলেন
মোহাম্মদী ইসলাম শিক্ষা দেয় - রাসুল সঃ বাদশাহর বাদশাহ কামলে ওয়ালা
এজিদি ইসলাম শিক্ষা দেয় - রাসুল সঃ ৭০ তালী ওয়ালা জামা পরতেন
মোহাম্মদী ইসলাম শিক্ষা দেয় - রাসুল সঃ স্বর্ণ খচিত জুব্বা মোবারক পরতেন
এজিদি ইসলাম শিক্ষা দেয় - রাসুল সঃ ক্ষুধার জ্বালায় ইহুদির বাগানে কাজ করতেন
মোহাম্মদী ইসলাম শিক্ষা দেয় - রাসুল সঃবিদায় হজে ১০০ উট কোরবানি করেছেন
এজিদি ইসলাম শিক্ষা দেয় - রাসুল সঃ জীর্ণ কুটীরে জন্ম গ্রহণ করেছেন
মোহাম্মদী ইসলাম শিক্ষা দেয় - রাসুল সঃ শাহী প্রাসাদে জন্ম গ্রহণ করেছেন
এজিদি ইসলাম শিক্ষা দেয় - রাসুল সঃ আসার পর সব নবী রাসুলগন বাতিল
মোহাম্মদী ইসলাম শিক্ষা দেয় - রাসুল সঃ সহ কোন নবী রাসুলগনই বাতিল নয়

এজিদি ইসলাম শিক্ষা দেয় - আল্লাহ্‌ নিরাকার
মোহাম্মদী ইসলাম শিক্ষা দেয় - আল্লাহ্‌র আকার আছে
এজিদি ইসলাম শিক্ষা দেয় - আরবি ভাষা আল্লাহ্‌র
মোহাম্মদী ইসলাম শিক্ষা দেয় - সকল ভাষাই আল্লাহ্‌র
এজিদি ইসলাম শিক্ষা দেয় - সকল ইবাদত বেহেস্তে গিয়ে হুরের সাথে মেলামেশা করার
মোহাম্মদী ইসলাম শিক্ষা দেয় - সকল ইবাদতই আল্লাহ্‌ এবং রাসুলকে পাওয়ার
এজিদি ইসলাম শিক্ষা দেয় - এক মুসলমান আর এক মুসলমানের সাথে যুদ্ধে লিপ্ত থাকার
মোহাম্মদী ইসলাম শিক্ষা দেয় - নিজের নফসের সাথে নিজে যুদ্ধে লিপ্ত থাকার
এজিদি ইসলাম শিক্ষা দেয় - শরীয়তই হল আসল ধর্ম
মোহাম্মদী ইসলাম শিক্ষা দেয় -শরীয়ত,তরীকত,হাকীকত,মারেফতের সমন্বয়ে ধর্ম
এজিদি ইসলাম শিক্ষা দেয় - মসজিদ হল আল্লাহ্‌র ঘর
মোহাম্মদী ইসলাম শিক্ষা দেয় - মানুষের কালব হল আল্লাহ্‌র ঘর
এজিদি ইসলাম শিক্ষা দেয় - আল্লাহ্‌ থাকেন ৭ আসমানের উপরে
মোহাম্মদী ইসলাম শিক্ষা দেয় - আল্লাহ্‌ থাকেন মানুষের কালবে নাফসির মোকামে
এজিদি ইসলাম শিক্ষা দেয় - কালির অক্ষরে লিখা কোরানের বিদ্যা
মোহাম্মদী ইসলাম শিক্ষা দেয় - নূরের অক্ষরের লিখা কোরানের বিদ্যা।

যে মুসলিম জাতি তার পূবপুরুষ দের শ্রদ্ধা করাকে শিরক করা পাপ করা মনে করে ভালোবাসতে পারে না তারা মুসলমান নামের কলংক। যাদের মাধ্যমে তোমার জন্ম তাদের কে তোমরা শ্রদ্ধা সন্মান বিশ্বাস ভালো বাসতে তোমরা পারো না। যারা তোমাদের কে কে জন্ম দেওয়ার জন্য রাসুল সাঃ কে ভালোবেসে জীবন দিলেন তোমরা তাদের স্মৃতি কে ভেঙে গুরিয়া দিলা।এই কি মুসলিম এর চরিত্র হওয়া উচিৎ?
এজিদ এর বংশধর দের কাছে বলাৎকার হচ্ছে পুন্য আর একুশে ফেব্রুআরি তে খালি পায়ে ফুল নিয়ে শহিদ মিনারে শ্রোদ্ধা জানানো শিরিক।

কিন্তু বলাৎকার শিরিক না এই জন্য তাদের কোন প্রতিবাদ নাই বলাৎকার করলে ইমান বারে এবং বেহেস্তে এরা এদের ইমান দিয়ে এগুলাই চায়।

দেশের বীর শহিদ শ্রোদ্ধা সন্মান ভালোবাসা হচ্ছে শিরিক এদের কাছে।
নিজের মায়ের ভাষার শ্রোদ্ধা সন্মান ভালোবাসা নেই আরবি পরে বলাৎকারি হয়ে ইমান বারাতে চায় এরা।
এরা আরবিতে ইমান বোঝে বাংলায় বিশ্বাস ভালবাসা বোঝেনা।

এজিদের বাচ্চা গুলো নিজের বউ বাচ্চারে দাস দাসি মনে করে আর কাজের মানুষ কে স্ত্রীর মত মনে করে কোন এজিদের বাচ্চার পরিবার এ পাইলাম না এদের উপর এদের বাপ মা ভাই বোন স্ত্রী সন্তান অফিসের অধিনস্ত কেউ এদের উপর সন্তুষ্ট খুশি এজিদ গুলোও বেহেস্তের লোভে এদের বাপ মা ভাই বোন স্ত্রী সন্তান অফিসের অধিনস্ত দের পৃথিবিতেই জাহান্নামে রাখে অত্যাচার করে বেহেস্তের লোভে ছাগলামি করতে থাকে।

এজিদের বাচ্চ!রাই রাসুলুল্লাহ সা: এর জন্মে খুশি না এরা নিজের জন্মে খুশি না এদের পিতা মাতা ভাই বোন সন্তান সন্তুতি আত্মিয় সজন কোন সম্পর্কে খুশি না এরা সম্পর্ক ছাড়া ৭০ খান হুর আর মদ ছাড়া তাদের আনন্দের আর খুশির কিছু নাই।

পারলে রাসুলের নাম আযান থেকে বাদ দিয়ে দেখাও পারলে রাসুলের নাম নামাজ থেকে বাদ দিয়ে দেখাও।

যার নামে আল্লাহ প্রসংশা করে নিজে একা করে না ফেরেস্তাদের নিয়ে করে এবং নির্দেশ দিয়েছে ইমানদার দের তার উপর দুরুদ ও শ্রোদ্ধার সাথে সালাম দিতে।

একমাত্র শয়তান তার নাম নিতে শ্রোদ্ধার সাথে সালাম দিতে চায় না।

ওগো দয়াময় প্রভু তুমি মুক্ত স্বাধীন নিঃস্বার্থ ভালো বাসা দিয়ে আমাদের সৃষ্টি করেছো।তুমি তো স্রষ্টা নির্শর্ত ভাবে তোমার বান্দা কে সৃষ্টিকে ভালোবাসো।

কিন্তু তোমার সৃষ্টি তো শর্তের মধ্যে বন্দি তাকে সৃষ্টি আর ধ্বংস জন্ম আর মৃত্যু শর্তে মুখাপেক্ষী নির্ভরশীল করে পৃথিবীতে পাঠিয়েছেন। শর্তযুক্ত মুখাপেক্ষী নির্ভরশীল ক্ষুদ্র বন্দী সৃষ্টি কি করে শর্তমুক্ত অমুখাপেক্ষী স্বনির্ভর স্বাধীন স্রষ্টার প্রতি বিশ্বাস ও ভালবাসতে পারে?কি ক্ষমতা আছে তোমার সেই ক্ষুদ্র বন্দি সৃষ্টির?

প্রভু আপনি আমাদের কে প্রকৃতির ওপরে নির্ভরশীল, ধর্মের ওপরে নির্ভরশীল,সমাজের ওপরে নির্ভরশীল, স্বপ্নের ওপরে নির্ভরশীল, জন্মের আগেও তার পিতা মাতার ভালোবাসার ওপরে নির্ভরশীল,জন্মের জন্য তার মার ওপরে নির্ভরশীল, ছাত্র তার গুরু বা শিক্ষকের ওপরে নির্ভরশীল,চাকরী বা ব্যবসার ওপরে নির্ভরশীল,বৃদ্ধ হলে তাদের সন্তানদের ওপরে নির্ভরশীল, করে পৃথিবীতে পাঠিয়েছেন। শুধু তোমাকে মানার কথা বলে

আমি যদি কাওকে না মানি আমি নিজেকে স্বাধীন মনে করি, স্বাধীন হওয়া সহজ - মানলাম না কারও কথা, চললাম না নিয়মমতো,এই ধরণের ভাবনাগুলো রাখলে - আসলে একজন মানুষ স্বাধীন হয়ে যায়, দায়িত্ব কমে যায়। শুধু আল্লাহ আপনাকে মানার নামে কোন কিছুই না মানি

যে সৃষ্টিকে তুমি এত কিছুর উপর নির্ভরশীল করে প্রকৃতি,ধর্ম,সমাজ,স্বপ্ন,মা,বাবা,গুরু,শিক্ষক, চাকুরী, ব্যাবসা, সন্তান সন্তুতি,স্ত্রী, পরিবার, পরিজন, ধন,সম্পদ ব্যতিরেখে আপনার উপর নির্ভরশীল হই তা কিভাবে হবে? ক্ষুদ্র বন্দী সৃষ্টির কি সরাসরি স্রষ্টার উপর নির্ভরশীল হওয়ার কোন ক্ষমতা আছে?

ওগো মহান প্রভু আমাদের আসে পাসে প্রতিটি তোমার সৃষ্টির উপর আমার নির্ভরশীল যেগুলোর ভিতর দিয়ে ই আপনি আমাদের এতো দূর নিয়ে এসেছেন। আবার এগুলো সবকিছু ছেড়ে আমরা একদিন চলে যাব যা আমাদের না চিরকাল। এখানে আমরা কিছুই নিয়ে আসিনাই যা হারিয়েছি বা পেয়েছি। কিছুই নিয়ে যেতে পারব না যা আমরা নিজের মনে করি।যা কিছু দিয়েছো তা সব তোমার অবদান যা কিছু হারিয়েছি নিজের ভুলে আমাদের কে তুমি ক্ষমা কর মাফ করে দাও।

ওগো মহান প্রভু আপনার এই ধ্বংসশীল মৃত্যুমুখী ক্ষুদ্র বন্দী সৃষ্টিকে কেও যদি ভালোবাসি বলে তাও সে চিরকাল বেচে থাকবে না যা ইচ্ছে তা লাভ করবে না কেও যদি না বলে তারই বা কি ক্ষতি হইলো।

ধ্বংসশীল মৃত্যুমুখী ক্ষুদ্র বন্দী সৃষ্টির তো কোন ক্ষমতা রাখে না তোমার প্রিয় সৃষ্টিকে ভালোবাসার তাদের জন্য কিছু করার।তবে আপনার ক্ষমতা আছে আপনি মাফ করে দিতে পারেন ক্ষমা করে দিতে পারেন। দয়া করে মাফ করেন ক্ষমা করেন।

প্রভুব এই পৃথিবীতে আমি কি নিয়ে এসেছ যা আমি হারিয়েছ'!
বিবস্ত্র একটা শরীর, কিছু অসহায় কান্না,
আর জন্মদাতা- জন্মদাত্রী মুখে কিছু গুরুত্বহীন খুশী দেওয়া ছাড়া আর কিছু আননি।
তাহলে জীবন জুড়ে কেন এত হারানোর ব্যথা?
কেন এত পাওয়ার আকুলতা।
জীবন জুড়ে এই বিশ্বাভ্রমন কালে সবি আপাত কিছু পাওয়া আর হারানোর সহজ সরল সমাধান।
কিছু পেলে আমাদের অতি খুশি হওয়ার কিছু নেই,
হারালে আমাদের তেমন কষ্ট পাওয়ারও কিছু নেই।

প্রভু আপনি যাদের মাধ্যমে পৃথিবীতে পাঠালেন তাদের সুখের জন্য আমার সুখ কে কম করলেন। তাদের পাওনা তৃপ্তির জন্য তাদের সন্তানের পাওনা কে তাদের মাধ্যমে পুরন করান নাই।আপনি আমাদেরকে যাদের কে দিয়ে যাদের পাসে দারানোর সুযোগ দিয়েছেন তাদের কে আমাদের উপর অসন্তুষ্ট রেখেছেন। যাদের জন্য আমরা কিছু করার সুযোগ পাই নাই তাদেরকে আমাদের উপর সন্তুষ্ট রেখেছেন।

আপনি যদি আমাদের দাঁড়া আপনার প্রিয় মানুষের মুখে হাসি না ফুটাতে চান আমরা সারা জীবন গোলামির মাধ্যমে তা করতে সক্ষম হব না।আমাদের কে ভালোবাসার সুযোগ ভিক্ষা না দেন আমরা সারা জীবন গোলামির মাধ্যমে তা করতে সক্ষম হব না।কিন্তু আপনার দয়া যার উপর এ আছে তার উপর কিছু না করার পর ও আপনি সন্তুষ্ট থাকার জন্য যদি আপনার প্রিয় মানুষকে পাঠান তাদের কে আপনি আমাদের উপর সন্তুষ্ট রাখতে পারেন। আপনি দয়া করে মাফ করুন ক্ষমা করুন।

Address

H# 03, R# 05, Nobodoy Housing Society, Adabor
Dhaka
1207

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Generator Bangladesh posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Generator Bangladesh:

Shortcuts

Share