26/11/2025
#জমি_ক্রয়_করছেন_নাকি_প্রতারণার_ফাঁদে পড়ছেন?
ঢাকায় জমি ক্রয় করে প্রতারণার ফাঁদে পড়ার সম্ভাবনা প্রায় 50% থেকে কখনো কখনো ১০০%।
কেনো জমি ক্রয় করতে গিয়ে ক্রেতা ফাঁদে পড়েন তার কিছু স্পেসিফিক কারণ উল্লেখ করবো :
#অধিকাংশ_ক্রেতা_রাজউক_ড্যাপ সর্ম্পকে বিস্তারিত তথ্য জানেন না । রাজউক প্ল্যান পাশ পেতে গেলে ঠিক কোন কোন ধরনের প্লটে প্ল্যান পাবে এটা ভবন নির্মাণ করতে প্লট ক্রয় করার পূর্বে জানতে হবে।
রাজউক ড্যাপ অনুসারে ৩ শ্রেনীর জমি তে প্ল্যান পাশ দেয়া হয় না।
১. ওয়াটার বডি
২. কৃষি জমি
৩. ওপেন স্পেস।
প্রথম ২ শ্রেনী অর্থাৎ waterbody ও agricultural জমিতে বর্তমানে প্ল্যান পাশ ১০০% নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।
তবে ওপেন স্পেস হলে , রাজউক থেকে আবেদন করে আগে প্লট কে ওপেন স্পেস থেকে রেসিডেনসিয়াল স্পেস করতে পারলে তবে প্ল্যান পাশ পাবে।
ওপেন স্পেস কাটানো কিছুটা জটিল প্রক্রিয়া।
তাই ভবন নির্মাণ করার উদ্দেশ্যে যদি কেউ জমি ক্রয় করতে চায় তবে উক্ত ৩ শ্রেনীর জমি ক্রয় করা থেকে বিরত থাকতে হবে।
#এবার_আসি_ভিন্ন_আলোচনায়:
প্লট ক্রয় করার পূর্বে আপনাকে আগে সিদ্ধান্ত নিতে হবে আপনি কোন উদ্দেশ্য নিয়া প্লট ক্রয় করছেন।
#প্লটের_শ্রেনী:
১. ১০০%রেসিডেনসিয়াল প্লট,
এটি তে শুধু আবাসিক ফ্ল্যাট নির্মাণ করা যাবে।
২. মিক্সড ইউজড জোন প্রেডোমিনান্টলি রেসিডেনসিয়াল ৭০%
এমন হলে ৭০% আবাসিক এবং ৩০% কমার্শিয়াল স্পেস নির্মাণ করা যাবে।
৩. ইন্ডাস্ট্রিয়াল জোন, এমন হলে উক্ত প্লটে আপনি শিল্প ও বানিজ্য কাজে ব্যবহার করতে পারবেন।
এখন দেখা গেলো আপনি প্লট ক্রয় করেছেন রেসিডেনসিয়াল কিন্তু প্ল্যান পাশ চান কমার্শিয়াল তাহলে আপনি ব্যর্থ হবেন।
আমার কাছে এমন অনেক ফাইল আসছে যেগুলা পরে এনালাইসিস করে দেখা গেছে মালিক যে উদ্দেশ্য নিয়া প্লট ক্রয় করছেন কিন্তু পরে সে কাজের জন্য প্ল্যান পাশ পাচ্ছেন না।
আবার এমন কিছু রাজউক ফাইল আসছে যারা প্লট ক্রয় করেছেন কিন্তু ড্যাপ থেকে দেখা যাচ্ছে তার প্লট ওয়াটার বডি।
আবার এমন কিছু ফাইল পাওয়া যায় তাদের প্লটের হয়তো ৩০% থেকে ৪০% ওয়াটার বডি।
এমন অবস্থায় তারা না পারছেন প্ল্যান পাশ করতে আবার না পারছেন প্লট বিক্রয় করতে ।
অনেক গ্রাহক কোটি কোটি টাকা বিনিয়োগ করার পর
যখন জানতে পারেন ড্যাপ অনুসারে তার জমি সঠিক শ্রেনীর না ,তখন তাদের মাথায় হাত এবং চোখে সরষের ফুল দেখেন।
যেমন গত কাল একজন ক্রেতা জমি ক্রয় করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন, দাম ও মোটামুটি ফাইনাল কিন্তু
যখন আমাকে তার ফাইল দেন, আমি ড্যাপ এনালাইসিস করে দেখতে পারি জায়গা টা ১০০%
ওয়াটার বডি ও সরকারী খাস জায়গা।
আমার রিপোর্ট পাওয়ার পর সে উক্ত জায়গা ক্রয় থেকে বিরত হন। উক্ত ব্যক্তি যদি ঐ জমি প্রতারণার ফাঁদে পড়ে ক্রয় করতেন তবে তার সম্পূর্ণ বিনিয়োগ ক্ষতির সম্মুখীন হতো।
তাই যে কোন জায়গায় বিনিয়োগ করার পূর্বে আপনি যদি ক্ষতির সম্মুখীন হতে না চান তবে আপনাকে ভালো একজন টেকনিক্যাল এক্সপার্ট থেকে জমির শ্রেনী ও দলিল সহ যাবতীয় তথ্য এনালাইসিস করে নিতে পারেন।
আমাদের থেকে নিতে পারেন যে সকল গাইড লাইন:
১.রাজউক ড্যাপ অনুসারে জমির শ্রেনী নির্ণয়।
২.পেন্টাগ্রাফ করে জমির পজিশন যাচাই ।
৩. জমির দলিল এনালাইসিস রিপোর্ট।
৪. রাজউক প্ল্যান পাশ।
৫. ড্রয়িং ডিজাইন এবং কনসালটেশন সুবিধা।
৬. মাটি পরীক্ষা।
৭. ডিজিটাল সার্ভে সুবিধা।
আপনার জমিতে সর্বোচ্চ কত তলা বিল্ডিং নির্মাণ করতে পারবেন জানতে চাইলে ফোন করুন 01794-468209 নির্বাহী প্রকৌশলী (দূর্জয় মোস্তফা কামাল)