Karikuri

Karikuri Page for Art, Craft & Culture Karikuri - The house of various type and size of Glass / Mirror etching painting and wall decoration.

Interior and exterior glass decoration of Home, Office, Hotel, Campus etc.

দেশের প্রখ্যাত চিত্র শিল্পী ও জাতীয় পুরষ্কার প্রাপ্ত শিল্প নির্দেশক তরুন ঘোষ আর নেই।  মহান এই শিল্পীর প্রতি জানাই গভীর শ...
09/04/2026

দেশের প্রখ্যাত চিত্র শিল্পী ও জাতীয় পুরষ্কার প্রাপ্ত শিল্প নির্দেশক তরুন ঘোষ আর নেই। মহান এই শিল্পীর প্রতি জানাই গভীর শ্রদ্ধা ও তার পরিবারের প্রতি সমবেদনা 🙏

বুধবার (৮ এপ্রিল) দিবাগত রাতে শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। এজমা থেকে সৃষ্ট জটিলতায় হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করেন এই গুণী শিল্পী। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল প্রায় ৭৩ বছর।

১৯৫৩ সালের ২০ আগস্ট রাজবাড়ীতে জন্মগ্রহণ করেন তরুণ ঘোষ। তিনি ১৯৭৭ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা ইনস্টিটিউট (বর্তমান চারুকলা অনুষদ) থেকে স্নাতক সম্পন্ন করেন। পরবর্তীতে ভারতের বরোদার এম এস বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১৯৮৬ সালে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন।

মানুষের মনস্তাত্ত্বিক দিক ও এর পৌরাণিক প্রকাশ প্রাধান্য পেয়েছে তার আঁকায়। মানুষের মন ধরা থাকে চোখে, ধরা থাকে মুখের অভিব্যক্তিতে। অভিব্যক্তিপূর্ণ মুখ অমূল্য। মুখকে শিল্পরূপ দেওয়ার প্রবণতা থেকে তার ক্যানভাসে, বেহুলায়, সবচেয়ে বেশি উঠে এসেছে মুখের ছবি; চেনা-অচেনা মুখ, স্বপ্নে দেখা মুখ।

তরুণ ঘোষ চিত্রশিল্পী হিসেবে যেমন স্বনামধন্য, তেমনি তার উজ্জ্বল পরিচিতি রয়েছে শিল্প নির্দেশক হিসেবেও। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা ইনস্টিটিউটের প্রতিষ্ঠাতা শিক্ষকদের তিনিও একজন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা ইনস্টিটিউটে শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিনের শিষ্যত্বের পাট শেষের পর, বৃত্তি নিয়ে ভারতের বরোদায় বিখ্যাত মহারাজা সায়াজিরাও বিশ্ববিদ্যালয়ে গিয়ে পান খ্যাতিমান শিল্পী কে জি সুব্রহ্মণ্যনের সান্নিধ্য। ক্রমশ সম্পূর্ণ দেশীয় সভ্যতা ও সংস্কৃতির গড়ে দেওয়া ধাঁচে তৈরি তার শিল্পশৈলী। বিচিত্র তার কর্মপরিসর।

দেশে আবু সাইয়ীদ পরিচালিত ‘কিত্তনখোলা’ চলচ্চিত্রের শিল্প নির্দেশনার জন্য পান শ্রেষ্ঠ শিল্প নির্দেশকের রাষ্ট্রীয় সম্মান। কাজী রকিব, সিলভেইন নাহমিয়াসের সঙ্গে শিল্প নির্দেশনা দিয়েছেন তারেক মাসুদ পরিচালিত বিখ্যাত ‘মাটির ময়না’ চলচ্চিত্রেও। দর্শনগত দিক থেকে তরুণ ঘোষ লৌকিক পুরাণঘেঁষা শিল্পী। মূলত মানুষই তার শিল্পের উপজীব্য। ধারাবাহিক চিত্র ‘বেহুলা’কে তার শ্রেষ্ঠ কাজগুলোর একটি হিসেবে গণ্য। এ ছাড়া ‘১৯৭১’ ধারাচিত্র সৃষ্টি করেছেন; যা বোদ্ধামহলে প্রশংসিত হয়েছে। মনে করিয়ে দেওয়া যেতে পারে,

এমনকি১৯৮৯ সালে অনুষ্ঠিত প্রথম মঙ্গল শোভাযাত্রায় জাতীয় প্রতীক বাঘের পোস্টারটি শিল্পী তরুণ ঘোষের আঁকা।

শিল্পী কাজী রকিবের  শিল্পকর্ম
19/03/2025

শিল্পী কাজী রকিবের শিল্পকর্ম

Watercolor on paper 56x76 cmArtist- Ruhiye Yalgin (Turkey)
18/03/2025

Watercolor on paper 56x76 cm
Artist- Ruhiye Yalgin (Turkey)

18/03/2025

শিল্পকলা চর্চার গুরুত্ব✔️

ভূমিকাঃ
যেকোনো সহজ-সরল ও সুন্দর জিনিসই শিল্পকলা। বিশেষ কতগুলো নিয়ম অনুসরণ করে সুন্দর ও সুশৃঙ্খলভাবে কোনো কিছু তৈরি করাকে শিল্পকলা বলা হয়। অন্যভাবে বলা যায় যে, যা কিছু সুন্দর, নান্দনিক, আরামদায়ক ও ত্রুটিমুক্ত তাই শিল্পকলা।

শিল্পকলা
মানুষ প্রকৃতি ও পরিবেশকে তার আয়ত্তে এনে নিজের জীবনযাপনকে অনেক সহজ, সুন্দর ও সমৃদ্ধশালী করেছে। এভাবে যখন মানুষের জীবনের মৌলিক চাহিদাগুলো পূরণ করা অনেক সহজ হলাে তখন তার মনের কিছু কিছু অনুভূতি ও কল্পনা শক্তি একত্রিত হয়ে শিল্পিত রূপ নিল। যেমন ভাষা আবিষ্কারের সাথে সাথে কবিতা, গল্প এসেছে। পরে উদ্ভব হয়েছে সংগীতের।

এই যে মানুষের মনের কল্পনা ও সৃজনশীলতার মিশ্রণে যা তৈরি হলাে-ছবি, কবিতা, গান এ সবকে আমরা নাম দিয়েছি শিল্পকলা।

শিল্পকলার প্রকারভেদ
শিল্পকলা কে প্রধানত দুই ভাগে ভাগ করা যায় –

চারুশিল্প, ও কারুশিল্প
চারুশিল্পঃ যে শিল্পকলা পরিবেশকে সুন্দর করে, মনে আনন্দ দান করে তাকে চারুশিল্প বলে। যেমন -চিত্রকলা, সংগীতকলা, নৃত্যকলা ইত্যাদি। অন্যদিকে,

কারুশিল্পঃ কারুশিল্প পরিবেশকে সুন্দর করে, মনে আনন্দ দান করে। সেই সাথে আমাদের দৈনন্দিন প্রয়োজনও মিটিয়ে থাকে। যেমন- বয়ন শিল্প, কাঠ শিল্প, মৃৎশিল্প ইত্যাদি। পোশাক তৈরি কারুশিল্পের অন্তর্গত একটি শিল্প।

শিল্পকলার শ্রেণীবিভাগ ও শিল্প চর্চার গুরুত্ব 〰️

হাজার হাজার বছর আগে তারা পৃথিবী থেকে বিদায় নিয়েছে। কিন্তু তাদের আঁকা ছবিগুলাে এখনাে টিকে আছে। সেই সব ছবিগুলাে, আদিম মানুষদের তৈরি বিভিন্ন মূর্তি, পাত্র ও হাতিয়ার আমাদের সামনে মেলে ধরে আছে ইতিহাসের এক অজানা অধ্যায়। তখন ভাষা পর্যন্ত আবিষ্কার হয়নি, লিপি আবিষ্কার তাে দূরের কথা। সুতরাং তখনকার কোনাে লিখিত ইতিহাস তাে আর পাওয়া যাবে না। কিন্তু আদিম গুহাবাসী সে সব মানুষদের জীবনযাপন, আচার ব্যবহার, পােশাক-পরিচ্ছদ এ সব কিছু না জানলে তাে মানব জাতির ইতিহাস অসম্পূর্ণ থেকে যেত। লিখিত ইতিহাস আমরা পাইনি বটে, কিন্তু তাদের করা ঐসব শিল্পকর্মগুলােই আজ ইতিহাসের সাক্ষী। শিল্পকর্মগুলাে দেখে, ছবি দেখে আমরা আদিম মানুষের জীবন সগ্রাম, পােশাক-পরিচ্ছদ, তাদের চিন্তা, বিশ্বাস সবই জানতে পেরেছি।তাই আমাদের শিল্প চর্চা করা উচিত।

আমাদের সমাজ জীবনের বিভিন্ন ক্ষেত্রে শিল্পকলার অসীম গুরুত্ব রয়েছে। সমাজের বিভিন্ন কর্মক্ষেত্রে চিত্রশিল্পী ও কারুশিল্পীরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। যেসব কর্মক্ষেত্রে শিল্পীরা পেশা হিসেবে শিল্প কর্ম করে যাচ্ছেন তা হলো গ্রামের পেশাজীবী কারুশিল্পের কাজ যেমন- কামার, কুমার, তাঁতি, স্বর্ণকার, সুতার ও বাঁশ-বেতের কারুশিল্পী।

মেয়েদের তৈরি নকশি কাঁথা, শীতলপাটি, জায়নামাজ, শতরঞ্জি, পাখা ইত্যাদি ছাড়াও বুনন ও সূচিশিল্পের মাধ্যমে যুগ যুগ ধরে বংশপরম্পরায় গ্রামের সাধারণ মানুষের মধ্যে এসব শিল্পকর্মের চর্চা আছে। যাকে আমরা নাম দিয়েছি লোকশিল্প, কারুশিল্প ও কুটির শিল্প। বর্তমান আধুনিক জীবন যাপনে লোকশিল্প, কারুশিল্প ও কুটির শিল্পের প্রতি মানুষের আগ্রহ বেড়েছে। আধুনিক জীবনযাপনে ও বিভিন্ন কর্মক্ষেত্রের শিল্পীরা দায়িত্বপূর্ণ কাজ করে যাচ্ছেন । বই-পুস্তক ও পত্র-পত্রিকার জন্য শিল্পী প্রয়োজন ।

শিল্পকলা ও সাহিত্য পরস্পর একই সূত্রে গাঁথা। শিল্প চর্চার মাধ্যমে আমরা আমাদের সংস্কৃতির বিভিন্ন দিক সম্পর্কে জানতে পারি। তাই বলা যায়, সংস্কৃতিকে সমৃদ্ধ করতে শিল্পকলা চর্চার গুরুত্ব অপরিসীম।

18/03/2025

শিল্পকলা চর্চার গুরুত্বঃ🔰

ভূমিকাঃ
যেকোনো সহজ-সরল ও সুন্দর জিনিসই শিল্পকলা। বিশেষ কতগুলো নিয়ম অনুসরণ করে সুন্দর ও সুশৃঙ্খলভাবে কোনো কিছু তৈরি করাকে শিল্পকলা বলা হয়। অন্যভাবে বলা যায় যে, যা কিছু সুন্দর, নান্দনিক, আরামদায়ক ও ত্রুটিমুক্ত তাই শিল্পকলা।

শিল্পকলা
মানুষ প্রকৃতি ও পরিবেশকে তার আয়ত্তে এনে নিজের জীবনযাপনকে অনেক সহজ, সুন্দর ও সমৃদ্ধশালী করেছে। এভাবে যখন মানুষের জীবনের মৌলিক চাহিদাগুলো পূরণ করা অনেক সহজ হলাে তখন তার মনের কিছু কিছু অনুভূতি ও কল্পনা শক্তি একত্রিত হয়ে শিল্পিত রূপ নিল। যেমন ভাষা আবিষ্কারের সাথে সাথে কবিতা, গল্প এসেছে। পরে উদ্ভব হয়েছে সংগীতের।

এই যে মানুষের মনের কল্পনা ও সৃজনশীলতার মিশ্রণে যা তৈরি হলাে-ছবি, কবিতা, গান এ সবকে আমরা নাম দিয়েছি শিল্পকলা।

শিল্পকলার প্রকারভেদ
শিল্পকলা কে প্রধানত দুই ভাগে ভাগ করা যায় –

চারুশিল্প, ও কারুশিল্প
চারুশিল্পঃ যে শিল্পকলা পরিবেশকে সুন্দর করে, মনে আনন্দ দান করে তাকে চারুশিল্প বলে। যেমন -চিত্রকলা, সংগীতকলা, নৃত্যকলা ইত্যাদি। অন্যদিকে,

কারুশিল্পঃ কারুশিল্প পরিবেশকে সুন্দর করে, মনে আনন্দ দান করে। সেই সাথে আমাদের দৈনন্দিন প্রয়োজনও মিটিয়ে থাকে। যেমন- বয়ন শিল্প, কাঠ শিল্প, মৃৎশিল্প ইত্যাদি। পোশাক তৈরি কারুশিল্পের অন্তর্গত একটি শিল্প।

Watercolor on paper11x15 inches 2025. NYArist: Kazi Rakib
18/03/2025

Watercolor on paper
11x15 inches
2025. NY
Arist: Kazi Rakib

Watercolor on paper12x9 inch2025  New YorkArtist:  Kazi Rakib
18/03/2025

Watercolor on paper
12x9 inch
2025 New York
Artist: Kazi Rakib

Address

Dhaka

Telephone

+15165908540

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Karikuri posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Karikuri:

Share