আর্কিজ ডিজাইন এন্ড কনসালট্যান্ট

  • Home
  • Bangladesh
  • Dhaka
  • আর্কিজ ডিজাইন এন্ড কনসালট্যান্ট

আর্কিজ ডিজাইন এন্ড কনসালট্যান্ট Arkij Design and Consultant is a CAD and BIM solution provider delivering multiple 3D modeling and drawing services to Architectural & Engineering.

Arkij Design & Consultant is a company that was created with the sole intention of delivering quality Solutions & is a venture by a number of creative, knowledgeable and enthusiastic young engineers to whom designing is an act of pleasure and not just a profession. State of the art customer service and a passion for delivering uncompromised performance that would always uphold the purpose of our i

nception. Arkij Design & Consultant was launched and established in 2012. The company has already earned considerable repute by providing service characterized by quality, professionalism, and reliability. Our team of professionals includes not just draftsmen but qualified engineering analysts who help us evaluate the practicability of designs so that we can truly help you turn what you visualize into reality. We provide services to Architectural, Mechanical, Process Engineers, Designers & Consultants Companies. The company has been in the business of Drafting & Designing Engineering with a host of dynamic professional under its wings including Design Engineers, 3D modelers, & Draughtsman. We added full-time staff for our design services. We provide services to Architectural, Mechanical, Process Engineers, Designers & Consultants Companies and have fully functional offices in Dhaka, Bangladesh.

বাড়ি বানাতে ইচ্ছুক ব্যক্তিদের জন্য একটি পরিপূর্ণ ওয়েব পোর্টাল আর্কিজ ডিজাইন এন্ড কনসালট্যান্ট। একটি বাড়ি নির্মাণের পেছনে জড়িয়ে থাকে হাজারও গল্প। তবে বাড়ি তৈরি করতে গিয়ে পদে পদে নানা ধরণের প্রতিবন্ধকতার মুখোমুখি হই আমরা। এর মূল কারণ হচ্ছে সাধারণ মানুষের মাঝে বাড়ি তৈরির নিয়ম নীতি সম্পর্কে ধারণার অভাব। সেই অভাব পূরণের লক্ষ্যে যাত্রা শুরু করেছে আর্কিজ ডিজাইন এন্ড কনসালট্যান্ট। আমাদের রয়েছে একদল দক্ষ বিশেষজ্ঞ প্যানেল। এখানে আপনি একটি বাড়ি তৈরির যাবতীয় তথ্য, পরামর্শ ও সাহায্য পাবেন।

Unlock the perfect Design solution for your dream home with Arkij Design & Consultant! Crafting architectural practice s...
15/01/2024

Unlock the perfect Design solution for your dream home with Arkij Design & Consultant! Crafting architectural practice since 2015, we offer a comprehensive range of drawings and design services. Let us transform your vision into reality. 🏡✨

25/08/2023

বাড়ি নির্মাণের পূর্বে বাড়ির ড্রইং ডিজাইন এর ভূমিকা সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ। যেমন-

১) আর্কিটেকচারাল ডিজাইন:-
একটি আর্কিটেকচারাল ডিজাইনে সব থেকে গুরুত্ত্বপুর্ণ বিষয় হলো, ফ্লোর প্লান, ফার্নিচার লেআউট, এলিভেশন এন্ড সেকশন, ওয়ার্কিং ডিজাইন, স্লাব এবং লিন্টেল, বিম লেআউট, স্লাব আউট লাইন, ডোর এন্ড উইন্ডো ডিটেইলস ইত্যাদি থাকবে। এই প্রত্যেকটি বিভাগের আলাদা করে পেইজ হবে এবং ডিজাইন গুলো আলাদা আলাদা ভাবে উল্লেখ করে দেয়া থাকবে। আর্কিটেকচারাল ডিজাইন সম্পুর্ন না থাকলে প্রায়ই দেখা যায় মিস্ত্রিরা ইচ্ছেমতন গাথুনি করে ফেলে যা পরবর্তিতে ভাঙতে হয় এবং আবার করতে হয়, এতে অর্থ, সময় এবং শক্তি সবকিছুরই ব্যাপক অপচয় হয়। কন্সট্রাকশন কাজ করার সময় এই ডিজাইন গুলো মিস্ত্রিরা ফলোআপ করবেন।

২) স্ট্রাকচারাল ডিজাইন:-
একটি পরিপুর্ন স্ট্রাকচারাল ডিজাইনের জন্য প্রথমেই লাগবে সয়েলটেস্ট রিপোর্ট। সয়েল টেস্ট ছারা বাড়ি করার মানে হচ্ছে আপনি আপনার কোটি টাকা সম্পুর্ন রুপে জলে ফেলে দিলেন। ডিজাইনে থাকবে লেআউট প্লান এবং ফাউন্ডেশন এর ডিজাইন, যদি পাইলিং হয় তবে পাইলিং ডিটেইলস, সিড়ির ডিটেইলস ডিজাইন থাকবে, সেপটি ট্যাংক, রিজার্ভ ট্যাংক, প্রতিটি ফ্লোরের আলাদা বিম সেকশন এবং ছাদের ডিটেইলিং, ছাদ এর রড এর ডিটেইলস এবং কলাম এর রড এর ডিটেইলস। একটা ভালো স্ট্রাকচারাল ডিজাইন কখনোই বেশি রড ব্যাবহার করবে না আবার কম রডও ব্যাবহার করবে না। আপনার ভবিষ্যৎ প্রজন্ম ঠিক কত দিন পর্যন্ত এই ভবন ব্যবহার করতে পারবে, তা নির্ভর করবে স্ট্রাকচার ডিজাইনের উপর। তাই সাবধানতা অবলম্বন করা উচিত।

আমাদের সেবা সমূহ:

১. আর্কিটেকচারাল ডিজাইন,
২. স্ট্রাকচারাল ডিজাইন ,
৩. ইলেক্ট্রিক্যাল ডিজাইন,
৪. প্লাম্বিং ডিজাইন,
৫. ওয়ার্কিং ড্রয়িং,
৬. 3D ডিজাইন, 3D অ্যানিমেশন
৭. ল্যান্ডস্কেপ ডিজাইন,
৮. বাড়ি, মার্কেট, ইন্ডাস্ট্রি ও ফ্যাক্টরির প্ল্যান/মাস্টার প্ল্যান- 2D & 3D
৯. সিটি কর্পোরেশন/ পৌরসভা/ইউনিয়ন অনুমোদন শিট
১০.এস্টিমেট
১১. প্রজেক্ট ম্যানেজমেন্ট, কোয়ালিটি এসুরেন্স/কন্ট্রোল
১২. কন্সট্রাকশন ও সুপারভিশন
১৩. সয়েল টেস্ট ও পাইল
১৪. ডিজিটাল সার্ভে

বাড়িনির্মাণ সংক্রান্ত ব্যাপারে বিস্তারিত কথা বলার জন্য কল করুন আমাদের অফিস নাম্বার +880 1720-005080।

Arkij Design and Consultant is a CAD and BIM solution provider delivering multiple 3D modeling and drawing services to Architectural & Engineering.

বাড়িকে তাপ-নিরোধক করার কিছু উপায়:-বিশ্বের সবচেয়ে উষ্ণ শহরগুলোর তালিকায় সম্প্রতি শুরুর দিকে নাম এসেছে ঢাকার। এতে অবশ্য ...
01/08/2023

বাড়িকে তাপ-নিরোধক করার কিছু উপায়:-
বিশ্বের সবচেয়ে উষ্ণ শহরগুলোর তালিকায় সম্প্রতি শুরুর দিকে নাম এসেছে ঢাকার। এতে অবশ্য কারো চোখ কপালে ওঠেনি, বরং এটা না হলেই অবাক হতে হতো। ভীষণ ভ্যাপসা গরমের কারণ ঢাকা শহরের অধিকাংশ বাড়িতেই এখন এয়ার কন্ডিশনিং ও ঘর ঠান্ডা রাখার অন্যান্য প্রযুক্তি ব্যবহার করা হচ্ছে। এতে বাড়ছে পরিবেশ দূষণ, সাথে শারীরিক ক্ষতিও হচ্ছে সমানভাবে।
কিন্তু এসি বা অন্যান্য যান্ত্রিক ব্যবস্থা, যেগুলো অতিমাত্রায় পরিবেশ দূষক, সেগুলো ছাড়াই যদি আপনার বসবাসের ঘরখানি ঠান্ডা রাখা যায়, তাহলে কেমন হয় বলুন তো? না, বিস্ময়সূচক কোনো ব্যাপার নয় এটি। অত্যন্ত সাধারণ কিছু প্রক্রিয়া অনুসরণ করে আপনি আপনার বাড়িকে তাপ নিরোধক করতে পারেন, আর যান্ত্রিকতা ছাড়াই মৌসুমভেদে ঘরের ভেতর আরামদায়ক তাপমাত্রা বজায় রাখতে পারেন।
ব্লক ইনসুলেশন
এই ব্লকগুলো সাধারণ উল, কর্কবোর্ড, রাবার, গ্লাস, তুষ, ইত্যাদি উপাদানে তৈরি করা হয়ে থাকে। এগুলো বাড়ির দেয়ালে ও ছাদে লাগানো হয় বাড়িকে তাপ নিরোধক করতে। একটি কার্যকর ব্লক ইনসুলেশন সাধারণত আড়াই সেন্টিমিটার বা তার অধিক পুরু হয়। ব্লক ইনসুলেশন কেবল গরমই ঠেকায় না, বরং শীতকালে ঘরের তাপ ঘরেই আটকে রেখে আরামদায়ক উষ্ণতাও ধরে রাখে।
ব্লাংকেট ইনসুলেশন
পশুর চামড়া, লোম, তুলা কিংবা কাঠের তন্তু দিয়ে তৈরি এই ব্লাংকেট ইনসুলেশনগুলো বড়জোর ৮০ মিলিমিটারের মতো পুরু হয়। ফলে এগুলো ব্যবহার করা সহজ। ব্লক ইনসুলেশনের মতো এটাও সরাসরি দেয়ালে বা ছাদে সেঁটে দেয়া হয়।
লুজ ফিল
নাম থেকে যা অনুধাবন করা যাচ্ছে ঠিক তা-ই। এই প্রক্রিয়ায় দেয়াল তৈরির সময় তাতে ছোট ছোট শূন্যস্থান রাখা হয়। এসব শূন্যস্থানে বিভিন্ন প্রকার তাপ নিরোধক দ্রব্য দিয়ে ওপরে পলেস্তারা দিয়ে দেয়াল নির্মাণ সম্পন্ন করা হয়। এই প্রক্রিয়ায় দেয়াল নির্মাণ করলে সূর্যের তাপ অনেকাংশেই আটকা পড়ে এবং ঘর ঠান্ডা থাকে। একইভাবে শীতকালে বাইরের ঠান্ডা ঘরে প্রবেশ করতে পারে না।
রিফ্লেক্টিভ শিট
আজকাল বাসাবাড়ি তাপ নিরোধক করতে আরেক প্রকার প্রযুক্তির উদ্ভব হয়েছে যাকে বলা হয় রিফ্লেক্টিভ শিট। অ্যালুমিনিয়াম শিট, জিপসাম বোর্ড, স্টেইনলেস স্টিল- অনেক রকমের রিফ্লেক্টিভ শিট বাজারে পাওয়া যায় যেগুলো মূলত সূর্যালোকের একটি বড় অংশই প্রতিফলিত করতে সক্ষম। ফলে বাসা থাকে ঠান্ডা। তবে এই শিট শীতকালে কার্যকর না।
জলছাদ
ঘরের তাপমাত্রা বৃদ্ধির একটি বড় উপকরণ হলো ছাদ। সারাদিনের তাপে গরম হয়ে থাকা ছাদ রাতে তাপ বিকিরণ করে ঠান্ডা হতেও অনেকটা সময় নেয়, আর ঘরের তাপমাত্রা বেশি থাকে। এই বিড়ম্বনা থেকে মুক্তির একটি সহজ উপায় হলো জলছাদ। ছাদের উপর অন্তত ৩ সেন্টিমিটার পুরু করে ইট, সুরকি, চুন আর অন্যান্য উপাদানের যে পুরু ও মসৃণ আস্তরণ দেয়া হয়, তাকে বলে জলছাদ। এটি একে তো ঘরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করবে, পাশাপাশি ছাদ ও শেওলা পড়া থেকে রক্ষা করে।
ভবনের দিক নির্ধারণ
আপনার বাড়ির তাপমাত্রা কতটা নিয়ন্ত্রণে থাকবে তা অনেকাংশে নির্ভর করে আপনি বাড়ি কোনদিকে মুখ করে তৈরি করছেন। পূর্ব কিংবা পশ্চিমমুখী হলে সারাদিন সূর্যালোক জানালা দিয়ে সরাসরি প্রবেশ করবে। আবার উত্তরমুখী করলে শীতকালে প্রচুর ঠান্ডা বাতাস ঘরে প্রবেশের সুযোগ থাকে। সবদিক বিবেচনায় তাই দক্ষিণমুখী করা সবচেয়ে সুবিধাজনক।
ভেন্টিলেশন
আগেকার সময়ে ঘরের দেয়ালে ভেন্টিলেটর দেয়া হতো যা বর্তমানে নেই বললেই চলে। এয়ার কুলার আর এসির বাজারে ভেন্টিলেটর এখন অচল। তবে যারা এসিতে স্বাচ্ছন্দ্য নন, তারা অবশ্য প্রাকৃতিক বাতাসেই ঘর ঠান্ডা রাখতে পারেন, তার জন্য প্রয়োজন একটু কৌশলী হওয়া। মূলত ঘরের জানালা বিপরীতমুখী দেয়ালে থাকলে ক্রস ভেন্টিলেশন করা যায়। মুখোমুখি দুই জানালা খুলে দিলে ঘরে অবাধে বাতাস চলাচল করতে পারে। এতে করে ঘরের তাপমাত্রা কমে।
রঙ
ঘরের দেয়াল রাঙানো নান্দনিকতা আর মানসিক প্রশান্তির জন্য যেমন জরুরি, তেমন জরুরি ঘর ঠান্ডা রাখার জন্যও। কিছুদিন আগেই আমেরিকার পার্ড্যু বিশ্ববিদ্যালয়ের এক প্রফেসর পৃথিবীর সবচেয়ে সাদা রঙ তৈরি করে গিনেজ রেকর্ডসে নাম লেখান। তার এই রঙে বাড়ির বহিরাবরণ রঙ করলে শতকরা ৯৯ ভাগের বেশি সূর্যের আলো প্রতিফলিত হয়ে যাবে। ফলে যান্ত্রিকতা ছাড়া প্রাকৃতিকভাবেই ঘর থাকবে শীতল।
বহিরাবরণ নয়, ঘরের ভেতরের রঙও গুরুত্বপূর্ণ। কালো বা খুব ভারী কোনো রঙ প্রথমেই বাদ। ঘরের ভেতরটা রঙ করতে হবে হালকা, উজ্জ্বল কোনো রঙে যা একই সাথে সুন্দর এবং তাপ প্রতিফলনে সক্ষম। এক্ষেত্রে অধিকাংশের পছন্দ পেস্টেল হলুদ, জলরঙ কিংবা হালকা গোলাপি।
রুফগার্ড
রুফগার্ড, ওয়েদার কোট, রুফকোট, কিংবা অন্য যেকোনো নাম- ছাদকে তাপ নিরোধক এবং সূর্যালোক প্রতিফলনক্ষম করতে এর উপর একপ্রকার বিশেষ রঙ দিয়ে পুরু কোটিং করা হয়। এতে একসাথে দুই কাজ হয়ে যায়। একদিকে এই আস্তরণ ছাদের ওয়াটারপ্রুফিংয়ে সহায়তা করে, ছাদকে রাখে শেওলামুক্ত; অন্যদিকে এর কারণে ছাদ অপেক্ষাকৃত কম তাপ শোষণ করে এবং রাতের বেলা তা দ্রুত বিকিরণ করে ঠান্ডা হয়ে যায়।
সবুজায়ন
বাড়িকে তাপ নিরোধক করার সবচেয়ে ভালো উপায় সম্ভবত গাছ লাগানো। বাড়ির ছাদে টব কিংবা জলছাদ করে তার উপর টবের মতো বেষ্টনি তৈরি করে তাতে সরাসরি মাটি দিয়ে গাছ লাগানো বাড়ি তাপ নিরোধক করার দারুণ উপযোগী একটি উপায়। ছাদে গাছ লাগালে একে তো মন ভালো করার মতো একটি পরিবেশ তৈরি হবে, পাশাপাশি গাছের ছায়ায় ছাদও ঠান্ডা থাকবে। পাম গাছ, এলোভেরা, নানা প্রকারের ফার্ন আর সৌন্দর্য বর্ধনের জন্য কিছু ফুলের গাছ লাগানো যেতে পারে ছাদে। মূলত যেসব গাছের পাতা বড় এবং প্রসারণশীল, সেগুলোই ছাদের জন্য উপযোগী যেন তা অধিক ছায়া দিতে পারে। এছাড়াও গাছের গোড়ার মাটি প্রচুর পরিমাণ পানি ধরে রাখে যা স্বাভাবিকভাবেই ছাদকে ঠান্ডা রাখে। চূড়ান্ত গরমের দিনেও এসির বাতাস ছাড়াই ঘর ঠান্ডা রাখা সম্ভব, কনকনে শীতে রুম হিটার ছাড়াই ঘরে উষ্ণ আবহাওয়া তৈরি করা সম্ভব। এজন্য প্রয়োজন বাড়ির আকার, অবস্থান এবং অন্যান্য আনুষঙ্গিক বিষয়াদির সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ সঠিক তাপ নিরোধক ব্যবস্থা।
বাড়িনির্মাণ সংক্রান্ত ব্যাপারে বিস্তারিত কথা বলার জন্য কল করুন আমাদের অফিস নাম্বার +880 1720-005080 অথবা চলে আসুন আমাদের বনানী অফিসে। অফিসের ঠিকানা - Lift- 3, House- 11, Road- 4, Banani DOHS, Dhaka.

আপনি বাড়ি করবেন, নির্মান মালামালের হিসাব  আপনি নিজেই বের করুন সহজে।১৫০০ বর্গ ফিট একটি ছাদ ঢালাই এর ইট, বালু, সিমেন্ট এবং...
27/07/2023

আপনি বাড়ি করবেন, নির্মান মালামালের হিসাব আপনি নিজেই বের করুন সহজে।
১৫০০ বর্গ ফিট একটি ছাদ ঢালাই এর ইট, বালু, সিমেন্ট এবং রড এর পরিমান বের করার হিসাব
মনেকরি ছাদের দৈর্ঘ্য = ৫০ ফিট
এবং ছাদের প্রস্থ = ৩০ ফিট
ছাদের পুরুত্ব= ৫ ইঞ্চি
তাহলে ছাদের ক্ষেত্রফল = দৈর্ঘ্য X প্রস্থ = ৫০ X ৩০ = ১৫০০ বর্গ ফিট
এবং ছাদের আয়তন = দৈর্ঘ্য X প্রস্থ X পুরুত্ব = ৫০ X ৩০ X ০.৪১৬৬ (৫/১২ ইঞ্চি কে ফিট হিসেবে)
= ৬২৪.৯ বা ৬২৫ ঘনফিট/সিএফটি
আদ্র অবস্থায় আয়তন মোট আয়তনের চেয়ে দেড়গুন বেড়ে যায় তাই
আদ্র আবস্থায় আয়তন = ৬২৫ X ১.৫ = ৯৩৭.৫ বা ৯৩৮ ঘনফিট/সিএফটি
সিমেন্ট বালু ও খোয়ার অনুপাত = সিমেন্ট: বালু: খোয়া = ১: ২: ৪
অনুপাতের যোগফল = ১+২+৪ = ৭
সিমেন্ট এর পরিমান = (আদ্র অবস্থায় আয়তন X সিমেন্ট অনুপাত) ÷ অনুপাতের যোগফল
= (৯৩৮ X ১) ÷ ৭ = ১৩৪ ঘনফিট/সিএফটি
= ১০৮ ব্যাগ (১.২৫ ঘনফিট/সিএফটি = ১ ব্যাগ)
বালু এর পরিমান = (আদ্র অবস্থায় আয়তন X বালুর অনুপাত) ÷ অনুপাতের যোগফল
= (৯৩৮ X ২) ÷ ৭ = ২৬৮ ঘনফিট/সিএফটি
খোয়া এর পরিমান = (আদ্র অবস্থায় আয়তন X খোয়ার অনুপাত) ÷ অনুপাতের যোগফল
= (৯৩৮ X ৪) ÷ ৭ = ৫৩৬ ঘনফিট/সিএফটি
= ৭৮৮২.৩ বা ৭৮৮৩ টি ইট থেকে তৈরি খোয়া (১ টি ইট = ০.০৬৮ ঘনফিট/সিএফটি)
রড এর পরিমান = শুকনো অবস্থায় আয়তন X ২২২ X ১.৫% (রডের একক ওজন ২২২কেজি/ সিএফটি)
= ৬২৫ X ২২২ X (১.৫ ÷ ১০০)
= ২০৮১.২৫ বা ২০৮২ কেজি
= ২.০৮২ টন
আয়তন, রড বসানোর দুরত্ব ও রডের মিলিমিটার অনুসারে রডের হিসাব
ছাদে সাধারনত ১০ মিলিমিটার, ১২ মিলিমিটার, ১৬ মিলিমিটার রড ব্যবহার করা হয়
এবং ছাদে রড থেকে রডের দুরত্ব ৫ ইঞ্চি থেকে ৭ ইঞ্চি হয়ে থাকে
মনেকরি ছাদের দৈর্ঘ্য = ৫০ ফিট
এবং ছাদের প্রস্থ = ৩০ ফিট
আমরা যদি ৫ ইঞ্চি পর পর রড বসাই তাহলে
৫০ ফিট এ মোট রডের পরিমান
= ৫০ফিট/ ৫ ইঞ্চি +১
= ৬০০ ইঞ্চি / ৫ ইঞ্চি +১
= ১২০+১
= ১২১ পিস (প্রতি পিস ৩০ ফিট দৈর্ঘের)
= ৩৬৩০ ফিট
৩০ ফিট এ মোট রডের পরিমান
= ৩০ফিট/ ৫ ইঞ্চি +১
= ৩৬০ ইঞ্চি / ৫ ইঞ্চি +১
= ৭২+১
= ৭৩ পিস (প্রতি পিস ৫০ ফিট দৈর্ঘের)
= ৩৬৫০ ফিট
মোট রডের পরিমান = ৩৬৩০ ফিট+ ৩৬৫০ ফিট
=৭২৮০ ফিট
রডের ওজন = D²/৫৩২.২ কেজি (D হল রডের ডায়া বা মিলিমিটার)
= ১২²/ ৫৩২.২ কেজি (১২ মিলিমিটার রড এর ক্ষেত্রে)
= ০.২৭ কেজি (প্রতি ফিট এ)
মোট ওজন= ৭২৮০ X ০.২৭ কেজি
= ১৯৬৫.৬ বা ১৯৬৬ কেজি
= ১.৯৬৬ টন (আরও ৫-১০% অপচয় এর জন্য বাড়তি রডের দরকার হবে)
= ২০৬৪.৩ বা ২০৬৫ কেজি(৫% বাড়তি ধরে)
সবাইকে ধন্যবাদ।
এই রকম আরো গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পেতে পেইজে ফলো দিয়ে রাখতে পারেন। আশা করি আপনার উপকারে আসবে।

বাড়িনির্মাণ সংক্রান্ত ব্যাপারে বিস্তারিত কথা বলার জন্য কল করুন আমাদের অফিস নাম্বার +880 1720-005080 অথবা চলে আসুন আমাদের বনানী অফিসে। অফিসের ঠিকানা - Lift- 3, House- 11, Road- 4, Banani DOHS, Dhaka.

বাড়ি নির্মাণ করার কথা ভাবছেন??তাহলে প্রথমে কোন বিষয়টি নিয়ে ভাবছেন? একটি বাড়ি নির্মাণ করার বেশ কয়েকটি ধাপ আছে। সর্ব প্রথম...
26/07/2023

বাড়ি নির্মাণ করার কথা ভাবছেন??

তাহলে প্রথমে কোন বিষয়টি নিয়ে ভাবছেন? একটি বাড়ি নির্মাণ করার বেশ কয়েকটি ধাপ আছে। সর্ব প্রথম ধাপ হচ্ছে ডিজাইন করানো। একটি পরিপূর্ণ ডিজাইন না করানো পর্যন্ত আপনি বাড়ির কাজের প্রথম ধাপ সম্পন্ন করতে পারবেন না। পরিপূর্ণ ডিজাইন ছাড়া আপনার কাজের শুরুটাই খারাপ হবে এবং পুরো কাজটিই আপনার মনের মতন করে হবে না।

ঢাকার বাইরে এখন ব্যাপক হারে দেখাে যাচ্ছে অসম্পূর্ণ ডিজাইন দিয়ে কাজ করাতে । এর মূল কারন হচ্ছে অনভিজ্ঞ নির্মাণ প্রকৌশলি প্রতিষ্ঠান দ্বারা ডিজাইন করানো। দেখা যায় ১০ থেকে ১৫ টি A4 সাইজের কাগজে কিছু লাইন টেনে দিয়ে ডিজাইন এর কাজ সম্পন্ন করা হয়। এই কাগজগুলো খুবই অল্প টাকায় পাওয়া যায় বলে ভূমি মালিকরা এদের পেছনে ছোটেন।

কিন্তু আসল সমস্যা শুরু হয় বাড়ি নির্মাণ করা শুরু হলে। ডিজাইন অসম্পূর্ণতার কারনে বার বার উক্ত প্রকৌশলিকে প্রজেক্টে ডাকতে হয় এবং তাকে আলাদা ভাবে টাকা দিতে হয়, এছাড়া প্রায় মিস্ত্রিরা ভুল ভাল কাজ করে চলে যায় ডিজাইনে সবকিছু না থাকার কারনে। এসব সমস্যার কারনে আমরা আজকে জানাবো একটি পরিপূর্ণ ডিজাইন এ কি কি থাকা উচিত।

১) আর্কিটেকচারাল ডিজাইন
একটি আর্কিটেকচারাল ডিজাইনে ফ্লোর প্লান, ফার্নিচার লেআউট, এলিভেশন এন্ড সেকশন, ওয়ার্কিং ডিজাইন, ফলস স্লাব এবং লিন্টেল, বিম লেআউট, স্লাব আউট লাইন, ডোর এন্ড উইন্ডো ডিটেইলস ইত্যাদি থাকবে। এই প্রত্যেকটি বিভাগে আলাদা করে পেইজ হবে এবং ডিজাইন গুলো আলাদা আলাদা ভাবে উল্লেখ করে দেয়া থাকবে। কন্সট্রাকশন কাজ করার সময় মিস্ত্রিরা এগুলোকে ফলোআপ করবেন। আর্কিটেকচারাল ডিজাইন সম্পূর্ণ না থাকলে প্রায়ই দেখা যায় মিস্ত্রিরা ইচ্ছেমতন গাথুনি করে ফেলে যা পরবর্তিতে ভাঙতে হয় এবং আবার করতে হয়, এতে অর্থ, সময় এবং শক্তি সবকিছুরই ব্যাপক অপচয় হয়।

২) স্ট্রাকচারাল ডিজাইন
একটি পরিপূর্ণ স্ট্রাকচারাল ডিজাইনের জন্য প্রথমেই লাগবে সয়েলটেস্ট এর রিপোর্ট। রিপোর্ট ছাড়া যদি কোন ডিজাইন করা হয় তবে তা হবে সম্পূর্ণ বাস্তবতা বিবর্জিত একটা কাল্পনিক ডিজাইন। সয়েল টেস্ট ছাড়া বাড়ি করার মানে হচ্ছে আপনি আপনার কোটি টাকা সম্পূর্ণ রুপে পানিতে ফেলে দিলেন। ডিজাইনে থাকবে লেআউট প্লান এবং ফাউন্ডেশন এর ডিজাইন, যদি পাইলিং হয় তবে তার ডিটেইলস, সিড়ির ডিজাইন থাকবে, সেপটি ট্যাংক, রিজার্ভ ট্যাংক, প্রতিটি ফ্লোরের আলাদা বিম সেকশন এবং ডিটেইলিং, ছাদ এর রড এর ডিটেইলস এবং কলাম এর রড এর ডিটেইলস। একটা ভালো স্ট্রাকচারাল ডিজাইন কখনোই বেশি রড ব্যবহার করবে না আবার কম রডও ব্যবহার করবে না। আপনার ভবিষ্যৎ প্রজন্ম ঠিক কত দিন পর্যন্ত এই ভবন ব্যবহার করতে পারবেন তা নির্ভর করবে এই ডিজাইনের উপরে তাই খুব সাবধানতা অবলম্বন করা উচিত এই ডিজাইনটি নিয়ে।

৩) থ্রিডি ডিজাইন
বিল্ডিং ডিজাইন এর একটি গুরুত্ব পূর্ণ পার্ট হচ্ছে থ্রিডি ডিজাইন। বিল্ডিংটি দেখতে ঠিক কেমন হবে , বাস্তবে কতটুকু ভালো লাগবে তার নিশ্চয়তা দেয় এই থ্রিডি ডিজাইন। আর্কিটেক্ট যিনি ডিজাইন করেছেন তিনি এই কাজটি করে থাকেন। থ্রিডি ডিজাইনে আর্কিটেক্ট সম্পূর্ণ ডিজাইনটির একটি বাস্তবতার রুপ দেন। থ্রিডি ডিজাইন ছাড়া দেখা যায় মিস্ত্রি তার মনের ইচ্ছে মতন ফিনিশিং করে যা আপনার কোটি টাকার কাজকে একটা কদর্য রুপ দেয়।

৪) ইলেকট্রিক্যাল ডিজাইন
প্রায়ই মফস্বলে দেখা যায় ইলেকট্রিক্যাল ডিজাইন ছাড়াই বিল্ডিং এর কাজ শুরু হয়। পরে যখন ছাদ ঢালাই করা হয় তখন ইলেকট্রিক্যাল মিস্ত্রি তার ইচ্ছে মতন পাইপ ফেলে। পরবর্তিতে যখন সুইচ করার দরকার হয় তখন শুরু হয় কাটাকাটি, এমনও হয় বীম কাটা হয়, কলামের সাইড কাটা হয়। এটা বিল্ডিং এর স্ট্রাকচারাল নিরাপত্তার জন্য অত্যান্ত ঝুকিপূর্ণ একটি কাজ । পুরো ভবনটিকে ঝুকির মুখে ফেলে ইলেকট্রিকের তার টানা হয়। অথচ ইলেকট্রিক্যাল ডিজাইন থাকলে এগুলোর কিছুই করার প্রয়োজন হয় না।

৫) প্লাম্বিং ডিজাইন
একই ব্যাপার ঘটে এই ক্ষেত্রেও। বাড়ি করার পরে বাথরুমের পাইপ টানার জন্য যদি সেই বাড়ির ফ্লোর হাতুড়ি মেরে ভাঙ্গা লাগে তবে সেই বাড়ি না বানিয়ে কুঁড়ে ঘর বানানোই তো ভালো তাই নয় কি?? প্রায়ই দেখা যায় এই কাজটা করতে হয় মিস্ত্রিদের। এতে সদ্য বানানো বাড়িটিতে প্রচুর ক্রাক তৈরি হয় যা বাড়ির স্থায়িত্ব অনেকটা কমিয়ে দেয়। এছারা আগুন থেকে সেফটির জন্য প্লাম্বিং ডিজাইনের সাথে ফায়ার সেইফটি ডিজাইন প্রয়োজন পরে। এতে বড় ধরনের ঝুকি এরানো যায়।

৬) এস্টিমেট এন্ড কস্টিং
আপনি বাড়ি বানাবেন তাই জমি রেডি করলেন, ডিজাইন করলেন, মিস্ত্রি ঠিক করলেন, সব কিছু রেড এখন মালামাল কিনবেন। কিন্তু আপনি জানেনই না কি পরিমাণ মালামাল কিনবনে। ইঞ্জিনিয়ারকে জিজ্ঞেস করলেন সে বললো ৫ টন রড কিনেন, মিস্ত্রি বললো না ৭ টন কেনেন। দেখা গেল আপনি কিনলেন ৬ টন রড লাগলো ৪.৫ টন , মিস্ত্রি ভাবলো এত রড যখন সেভ হইলো তাইলে কিছু রড বেশি করে পরের ছাদে দিয়ে দেই। আপনার পুরো দুই টন রডের টাকা জলে গেলো। এভাবে শুধু মাত্র এস্টিমেট না করার কারনে অনেক বাড়ির মালিকে লক্ষ লক্ষ টাকা নস্ট হচ্ছে কিন্তু যদি তারা ডিজাইনের সাথে এস্টিমেট করিয়ে নিতো তবে অনেকটাই সেইভ করতে পারতো। এছারা বাজেট সম্পর্কে একেবারে জাস্ট একটা আইডিয়া দেবে এই এস্টিমেট এন্ড কস্টিং

৭) গভরমেন্ট অথরিটি এপরোভাল ডিজাইন
এটার জন্য প্রায়ই যাওয়া হয় পৌরসভা বা সিটিকর্পরেশন এর ইঞ্জিনিয়ারদের কাছে। দেখা যায় তারা তাদের মন মতন করে একটা ডিজাইন করে সাবমিট করে দেয় এবং সেটাই পাশ করিয়ে নিয়ে আসে । . দেখা যায় ওয়ার্কিং এর সাথে সেই ডিজাইনের কোন মিল থাকে না। অথচ এটা দায়িত্ব থাকে যারা ভবনের ডিজাইন করবে তারাই এটা করে দেবে। এরকম অসাঞ্জস্য ডিজাইনের জন্য হয়তো পৌরসভার বর্তমান ইঞ্জিনিয়ার আপনাকে কিছু বললোনা কারন তার সাথে আপনি লেনদেন করেছেন, কিন্তু যদি সে বদলি হয়ে (যেটা অবশ্যই হবে) অন্য কোন ইঞ্জিনিয়ার আসে এবং সে যদি লেনদেন না করে তবে আপনি কি করবেন, বাড়ি ভেঙ্গে ফেলবেন??

একটা মানুষ তার জীবনে কয়টি বাড়ি করতে পারে। একটি কি দুইটি। আর সেই বাড়িটিতে জীবনের সমস্ত ইনকাম এবং পরিশ্রম ঢেলে দেয় সেই মানুষটা। এই বাড়িটাতে একটা জীবনের স্বপ্ন থাকে, আশা থাকে এবং ভরসা থাকে। আর আপনার সেই আশা, ভরসা এবং পরিশ্রমের পুরোটুকুই নষ্ট হয়ে যায় যদি সেই বাড়িটি অসম্পূর্ণ ডিজাইনের কারনে খারপ মানের হয়।

তাই অনুগ্রহ করে বাড়ি নির্মাণ করার আগে ডিজাইন করানোর ব্যাপারে অভিজ্ঞ প্রকৌশলি প্রতিষ্ঠানের সাথে কথা বলুন। হয়তো অল্প কিছু টাকা বেশি খরচ হবে সেখানে, কিন্তু সেই টাকার কারনে হয়তো আপনার তার দশ গুন বেশি টাকা অপচয়ের হাত থেকে বেচে যাবেন এবং আপনি অত্যান্ত সুন্দর একটি বাড়ি পাবেন যার স্থায়িত্ব হবে আপনার দুইটি প্রজন্ম সেখানে নিশ্চিন্তে বসবাস করতে পারবে।

বর্ণা ইঞ্জিনিয়ারিং আপনাদের দিচ্ছে উপরোক্ত সবগুলো সার্ভিস একই সাথে এবং আমাদের রয়েছে এখন পর্যন্ত বাংলাদেশের ৪০ টির বেশি জেলায় প্রায় শতাধিক বাড়ি করার অভিজ্ঞতা। আমাদের রয়েছে এক ঝাক অভিজ্ঞ আর্কিটেক্ট, ইঞ্জিনিয়ার দের টিম। আমাদের রয়েছে সব ধরনের কাজের অভিজ্ঞতা । তাই আপনি নিশ্চিন্তে আমাদের উপর আপনার বাড়ির ডিজাইন করার ব্যাপারে নির্ভর করতে পারেন।

বাড়িনির্মাণ সংক্রান্ত ব্যাপারে বিস্তারিত কথা বলার জন্য কল করুন আমাদের অফিস নাম্বার +880 1720-005080 অথবা চলে আসুন আমাদের বনানী অফিসে। অফিসের ঠিকানা - Lift- 3, House- 11, Road- 4, Banani DOHS, Dhaka.

আজকের বিষয় কিউরিং বা পানি ছিটানো।।কিউরিং একটি ইংরেজি শব্দ এর বাংলা শাব্দিক অর্থ হল পানি খাওয়ানো অর্থাৎ এটি একটি পদ্ধতি এ...
25/07/2023

আজকের বিষয় কিউরিং বা পানি ছিটানো।।
কিউরিং একটি ইংরেজি শব্দ এর বাংলা শাব্দিক অর্থ হল পানি খাওয়ানো অর্থাৎ এটি একটি পদ্ধতি এর মাধ্যমে নতুন কংক্রিট পৃষ্ঠে পানির আদ্রতা বজায় রাখা হয়। কিউরিং যদি ভালো না হয় তাহলে কংক্রিট পূর্ণ শক্তি অর্জন করতে পারে না এবং ঢালাই এ ফাটল সৃষ্টি হয়। গাথুনী এবং প্লাস্টার প্রয়োজনীয় শক্তি অর্জন করতে না পারলে দুর্বল গাথুনী হয় এবং প্লাস্টার জ্বরে পড়ে।। অন্যথায় কিউরিং যদি ভালো হয় তবে কংক্রিট পূর্ণ মাত্রায় শক্তি অর্জন করে , স্থাপনার স্থায়িত্ব বৃদ্ধি পায়, ফাটল হয় না এবং প্রতিকুল আবহাওয়ায় স্থাপনা টিকে থাকার শক্তি অর্জন করে।
কিউরিং এর পদ্ধতি সমুহঃ
১। ছায়া পদ্ধতি
এই পদ্ধতিতে কংক্রিট পৃষ্ঠকে সরাসরি সূর্যের তাপ থেকে ডেকে রাখা হয় যাতে করে কংক্রিট এর মধ্যে থাকা পানি গুলো সূর্যের তাপে উড়ে না যায়।
২। ছালা বস্তা আচ্ছাদন পদ্ধতিঃ
এই পদ্ধতিতে কংক্রিটের উলম্ভ মেম্বার যেমন কলাম/পিলার কে ছালার বস্তা দ্বারা আচ্ছাদিত করা করা হয়। এই পদ্ধতিতে অবশ্যই খেয়াল রাখতে হবে যেন ছালার আচ্ছাদন না শুকিয়ে যায় সেই জন্য কিছু সময় পর পর পানি দিয়ে ভিজিয়ে রাখতে হয়।
৩। পানি ছিটানো পদ্ধতিঃ
এই পদ্ধতিতে প্রচুর পরিমাণ পানি দরকার হয়। নিদিষ্ট সময় পর পর পাম্পের সাহায্যে পানি ছিটিয়ে দেওয়া হয়।
৪। পুকুর তৈরি পদ্ধতি ঃ
আনুভুমিক মেম্বার যেমন ফ্লোর, ছাদ, রোড এর জন্য এই পদ্ধতিটি খুব উপযোগী । এই পদ্ধতিতে পুকুরের মত ঘের তৈরি করা হয় যাতে সব সময় পানি ধরে রাখা যায়। কিউরিং এর নিদিষ্ট সময় পর্যন্ত এই ঘের রাখা হয়।
৫। মেমব্রেন /ঝিল্লি /পর্দা কিউরিং পদ্ধতিঃ
মেমব্রেন কিউরিং পদ্ধতিতে কংক্রিট এর স্তরকে আচ্ছাদিত করা হয় পানি রোধী একটি পর্দা দিয়ে যা এক সপ্তাহের জন্য রাখা হয়। এই মেমব্রেন টি কংক্রিট থেকে পানি উবে যাওয়া থেকে রক্ষা করে।
মোম ইমালসন , বিতুমেন ইমালসন, বিতুমেন এর পানি রোধী পেপার, এবং পলিথিন হচ্ছে কমন কিছু মেমব্রেন মেম্বার।
কতো দিন কিউরিং করবেন আপনার বাড়িতেঃ-
১/ ছাদ ঢালাইর ২৪ ঘন্টা পর থেকে ঢালা পানি দিয়ে রাখবেন ১৪ থেকে ২১ দিন পর্যন্ত।
১/ ইটের গাথুনী এবং প্লাস্টার করার ২৪ ঘন্টা পর থেকে ৭ থেকে ১০ দিন পানি ছিটাবেন। প্রতি দিন ২থেকে ৩ বার করে পানি ছিটাবেন।
এই ধরনের আরো গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পেতে পেইজে ফলো দিয়ে রাখতে পারেন। আশা করি উপকারে আসবে আপনাদের।

বাড়িনির্মাণ সংক্রান্ত ব্যাপারে বিস্তারিত কথা বলার জন্য কল করুন আমাদের অফিস নাম্বার +880 1720-005080 অথবা চলে আসুন আমাদের বনানী অফিসে। অফিসের ঠিকানা - Lift- 3, House- 11, Road- 4, Banani DOHS, Dhaka.

জমির পরিমাণ সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন ধারনা১ কাঠা = ৭২০ বর্গফুট = ৮০ বর্গগজ১ কাঠা = ৬৬.৮৯ বর্গমিটার১ কাঠা = ১.৬৫ শতা...
20/07/2023

জমির পরিমাণ সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন ধারনা
১ কাঠা = ৭২০ বর্গফুট = ৮০ বর্গগজ
১ কাঠা = ৬৬.৮৯ বর্গমিটার
১ কাঠা = ১.৬৫ শতাংশ
১ কাঠা = ১৬ ছটাক
১ কাঠা = ৩২০ বর্গহাত
২০ কাঠা = ১ বিঘা
৬০ কাঠা = ১ একর
১৪৮২০ কাঠা = ১ বর্গকিলোমিটার
১৪৮.২ কাঠা = ১ হেক্টর
কানি পরিমাপক
১ কানি = ১৭২৮০ বর্গফুট = ১৬১৯ বর্গমিটার = ৪০০০০ বর্গলিংক = ৮০ করা
১ কানি = ৭৬৮০ বর্গহাত = ১৯৩৬ বর্গগজ = ১২০ শতাংশ
১ কানি = ২০ গন্ডা = ৪০ শতাংশ
১ কানি = ২০ গন্ডা = ৪০০০০ বর্গলিংক
১ কানি = ২৪ কাঠা
বিঘা পরিমাপক
১ বিঘা = ৩৩ শতাংশ = ১ পাকি
১ বিঘা = ২০ কাঠা
১ বিঘা = ৬৪০০ বর্গহাত
১ বিঘা = ৩৩০০০ বর্গলিংক
১ বিঘা = ১৬০০ বর্গগজ
১ বিঘা = ১৪৪০০ বর্গফুট = ১৩৩৮ বর্গ মিটার
১ বিঘা = ১৬ গন্ডা ২ করা ২ ক্রান্তি
৩ বিঘা = ১ একর (মোটামুটি) = ১৬০০ বর্গইয়ার্ড
৭৪১ বিঘা = ১৪৮২০ কাঠা = ১০৬৭০৪০০ বর্গফুট = ৯৯১৬৭২ বর্গমিটার = ১ বর্গকিলোমিটার =
২৪৭একর
৭.৪১বিঘা = ১৪৮.২কাঠা = ১০৬৭০৪ বর্গফুট = ৯৯১৩ বর্গমিটার = ১ হেক্টর = ২.৪৭ একর
জেনে নিন
খতিয়ান, পর্চা, চিটা, দখলনামা, বয়নামা, জমাবন্দি, দাখিলা, হুকুমনামা, জমা খারিজ, মৌজা কি?
পাকি পরিমাপক
১ পাকি = ১ বিঘা = ৩৩ শতাংশ
১ পাকি = ২০ কাঠা = ৩৩ শতাংশ
শতাংশ নির্ণয়ের সুত্র
১.৬৫ শতাংশ = ১ কাঠা = ১৬৫ অযুতাংশ = ৭২০ বর্গফুট (মোটামুটি)
১ শতাংশ = ১ শতক = ৪৩৫.৬ বর্গফুট (মোটামুটি)
১ শতাংশ = ১০০ অযুতাংশ = ১০০০ বর্গলিংক
৩৩ শতাংশ = ১ পাকি = ১ বিঘা = ২০ কাঠা
১ শতাংশ = ১৯৩.৬ বর্গহাত
২৪৭.১০৫ শতাংশ = ১ আয়ের
একর পরিমাপক
১ একর = ১০ বর্গচেইন = (৬৬*৬৬০) = ৪৩৫৬০ বর্গফুট
১ একর = ১০০ শতক = ৪৩৫৬৯ বর্গফুট
১ একর = ১০০ শতক = ১০০০০০ বর্গলিংক
১ একর = ১৯৩৬০ বর্গহাত
১ একর = ৪৮৪০ বর্গগজ
১ একর = ৪০৪৭ বর্গ মিটার = ০.৬৮০ হেক্টর
৬৪০ একর = ১ বর্গমাইল
১ একর = ৩ বিঘা ৮ ছটাক
১ একর = ৬০.৫ কাঠা
১ একর = ২ কানি ১০ গন্ডা ( ৪০ শতক কানি অনুসারে)
২৪৭ একর = ১ বর্গকিলোমিটার
হেক্টর পরিমাপক
১ হেক্টর = ২.৪৭ একর
১ হেক্টর = ৭.৪১ বিঘা
১ হেক্টর = ১৪৮.২ কাঠা
১ হেক্টর = ১০৬৭০৪ বর্গফুট
১ হেক্টর = ১০০০০ বর্গমিটার = ৯৯১৩ বর্গমিটার
১ হেক্টর = ১১৯৬০ বর্গগজ
১ হেক্টর = ১.৪৭ একর
১ আয়ের = ২৮.৯ বিঘা
১ হেক্টর = ২৪৭.১০৫ শতক
১ হেক্টর = ৪৭৮৯.৫২৮ বর্গহাত
১ হেক্টর = ১০৭৬৩৯ বর্গফুট
১ হেক্টর = ১১৯৫৯.৮৮২ বর্গগজ
১ হেক্টর = ৭.৪৭৪ বিঘা
১ হেক্টর = ১০০ আয়ের গন্ডা পরিমাপক ১ গন।

বাড়িনির্মাণ সংক্রান্ত ব্যাপারে বিস্তারিত কথা বলার জন্য কল করুন আমাদের অফিস নাম্বার +880 1720-005080 অথবা চলে আসুন আমাদের বনানী অফিসে। অফিসের ঠিকানা - Lift- 3, House- 11, Road- 4, Banani DOHS, Dhaka.

নির্মান কাজে কংক্রিট মিক্স ডিজাইন একটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। কারন সঠিকভাবে মশলা মিক্সিং না হলে, শক্তিশালী ঢালাই স্ট্রেন্থ প...
19/07/2023

নির্মান কাজে কংক্রিট মিক্স ডিজাইন একটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।
কারন সঠিকভাবে মশলা মিক্সিং না হলে, শক্তিশালী ঢালাই স্ট্রেন্থ পাওয়া যায় না।
বেশিরভাগ সাইটে কংক্রিট মিক্স করা হয় সনাতন পদ্ধতিতে।
মূলত কংক্রিট মিক্সিং ২টা মেথডে করা হয়
১) ভলিয়াম বেসিস
২) ওয়েট বেসিস
এর মধ্যে ছোটখাটো নির্মাণ কাজে ভলিয়াম বেসিসে বেশী কাজ করা হয়।
ভলিয়াম বেসিসে কাজ করলে ১ ব্যাগ সিমেন্টের আয়তন মাপে সকল মশলা পরিমাপ করতে হবে।
সাইটে সাধারণত, টুকরি, ঝুড়ি, কড়াই, বোল বা এজাতীয় কোন পাত্রে ঢালাই এর মালামাল মিক্সচার মেশিনে দেয়া হয়।
এক্ষেত্রে যে ভুলটা সবচেয়ে বেশী হয় সেটা হলো ডিজাইনে উল্লেখিত রেশিও এর চেয়ে বেশী বালি বা পাথর ১ ব্যাগ সিমেন্টের সাথে মিক্সিং করা হয়, এতে মিক্সচারে সিমেন্টের পরিমান কমে যায় এবং কংক্রিটের শক্তিশালী ঢালাই স্ট্রেন্থ পাওয়া যায় না।
এখন করনীয় কি ?
১ ব্যাগ সিমেন্টের আয়তনের মাপে ফেরা বানিয়ে নিতে হবে।
আমরা জানি ১ ব্যাগ সিমেন্ট এর আয়তন ১.২৫ cft
একটা কড়াই এতো বেশী খোয়া বা বালি নেয়া অসুবিধা জনক তাই ১.২৫ এর অর্ধেক মাপে ফেরা বানিয়ে নিতে হবে, এবং ঐ ফেরাতে যতটুকু বালি বা খোয়া ধরবে সেটা টুকরি বা ঝুড়িতে মাপ দিয়ে মার্ক করে দিতে হবে।
খেয়াল রাখতে হবে যেন মার্ককরা মাপের চেয়ে বেশী মালামাল কখনও দেয়া না হয়।
এবং মিক্সচারে মশলা দেয়ার সময় অবশ্যই একজন টালি মেইনটেইন করবেন।
ছবিতে ফেরার মাপ সম্পর্কে বিস্তারিত ইনফরমেশন দেয়া আছে।
ফেরা অনুযায়ী একটা বাস্তব উদাহরণ দেখলে ব্যাপারটা আরও সহজে বোঝা যাবে।
মিক্সিং রেশিও ১ঃ১.৫ঃ৩
অর্থাৎ ১ ব্যাগ সিমেন্ট এর সাথে, ১.৫ ব্যাগ বালি, ৩ ব্যাগ পাথর
যেহেতু ১ ব্যাগ সিমেন্ট = ২ টুকরি পাথর
তাহলে
১ লোড মিক্সিং এ
সিমেন্ট যাবে = ১ব্যাগ
বালি যাবে = ৩ টুকরি
পাথর যাবে = ৬ টুকরি
সবার জন্য শুভকামনা।
ধন্যবাদ সবাইকে,
পোস্ট টি ভালো লাগলে শেয়ার করে টাইমলাইনে রাখতে পারেন।
এই রকম আরো গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পেতে পেইজে ফলো দিয়ে রাখতে পারেন। আশা করি আপনার উপকারে আসবে।

বাড়িনির্মাণ সংক্রান্ত ব্যাপারে বিস্তারিত কথা বলার জন্য কল করুন আমাদের অফিস নাম্বার +880 1720-005080 অথবা চলে আসুন আমাদের বনানী অফিসে। অফিসের ঠিকানা - Lift- 3, House- 11, Road- 4, Banani DOHS, Dhaka

বাড়ি নির্মান করবেন, ক্লিয়ার কভার সম্পর্কে জানুন।।*** Topics:- Clear Cover ক্লিয়ার কভার বলতে মূলত: স্টিলের বহি:স্থ ফেস থে...
17/07/2023

বাড়ি নির্মান করবেন, ক্লিয়ার কভার সম্পর্কে জানুন।।
*** Topics:- Clear Cover
ক্লিয়ার কভার বলতে মূলত: স্টিলের বহি:স্থ ফেস থেকে কংক্রিটের বহি:স্থ ফেস পর্যন্ত দূরুত্বকে বুঝায়। আমরা সবাই জানি আবহাওয়ার ক্ষতিকর প্রভাব থেকে স্টিলকে রক্ষা করার জন্য ক্লিয়ার কভারের প্রয়োজন হয়।
তাছাড়া যথাযথ ক্লিয়ার কভার না দিলে বাতাসের মধ্যস্থ অক্সিজেন বা সোডিয়ামের ক্ষতিকর লবনসমূহের রাসায়নিক ক্রিয়ার ফলে স্টিলের Corrosion সৃষ্টির মাধ্যমে কিংবা অগুন বা টেম্পারেচারের সরাসরি হিটের কারণে স্টিলের Expansion এর ফলে Reinforcement বা স্টিল ফেল করতে পারে।
তো জেনে নেওয়া যাক সচরাচর যে রকম Clear Cover রাখা হয়;
√ Pile & Pile Cap: 3” বা 75mm at all side.
√ Footing: 3” at all side.
√ Mat/ Raft: Bottom & Side 3”, Top 2” বা 50mm.
√ Short Column/ Pedestal: 3” at all side.
√ Grade Beam: 2.5” to 3” at all sides.
√ Under Ground Water Tank: Outer Side 2.5” to 3” & Inner Side 2”
√ Typical Beam: 1.5”
√ Typical Slab & Stair: Bottom 1” Top ¾” & Side 1.5”
√ Column: 1.5” at all face
√ Over Head Tank: Water Face 2” & Outer Face 1” o 1.5"
√ Lift Core & Shear wall: 1.5” at all face.
Note: সরাসরি মাটিং সংস্পর্শের কাঠামোর ক্ষেত্রে কমপক্ষে 2.5” কাভারিং প্রদান করতে হবে। কোড অনুসারে আপনাকে সর্বনিন্ম 3/4" বা 20mm দিতেই হবে, কাভারিং এর ক্ষেত্রে +/- 10mm গ্রহনযোগ্য

এই রকম আরো গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পেতে পেইজে ফলো দিয়ে রাখতে পারেন।

বাড়িনির্মাণ সংক্রান্ত ব্যাপারে বিস্তারিত কথা বলার জন্য কল করুন আমাদের অফিস নাম্বার +880 1720-005080 অথবা চলে আসুন আমাদের বনানী অফিসে। অফিসের ঠিকানা - Lift- 3, House- 11, Road- 4, Banani DOHS, Dhaka.

কলামের ল্যাপিং কোন পজিশনে দেয়া যৌক্তিক?একতলা কিংবা হাইরাইজ যে কোন ধরনের ভবনেই রড টু রডের সংযোগ করাকে ইঞ্জিনিয়ারিং ভাষায় ...
13/07/2023

কলামের ল্যাপিং কোন পজিশনে দেয়া যৌক্তিক?
একতলা কিংবা হাইরাইজ যে কোন ধরনের ভবনেই রড টু রডের সংযোগ করাকে ইঞ্জিনিয়ারিং ভাষায় ল্যাপিং বলা হয়।
অধিকাংশ ক্ষেত্রেই দেখা যায়, রডের ল্যাপিং পজিশন নিয়ে বেশির ভাগ ইঞ্জিনিয়ার বা ভবনের মালিক পক্ষ অতটা গুরুত্ব প্রদান করেন না। তাদের ধারনা, ল্যাপিং যেখানে ইচ্ছে পড়ুক সমস্যা কি? কিন্তু অগোছালোভাবে প্রদানকৃত ল্যাপিং দ্বারা আপনি নিম্নোক্ত সমস্যার মুখোমুখি হতে পারেন। যেমনঃ
১। ফ্লোর বীমের সাথে কলামের রডের ল্যাপিং চলে আসলে কিংবা কলামের রডের সবগুলো ল্যাপিং একই স্থানে পড়লে, রডের পজিশনগুলো ঠিক রাখাটা দূরহ হয়। আবার, এই ক্ষেত্রে কনক্রিট সঠিকভাবে ভাইব্রেটিং করাও সম্ভব হয় না এবং যার ফলে কলামে ভয়েড থাকার সম্ভবনা থেকে যায়। ভয়েড দূরীকরণে যদি মাইক্রো কনক্রিট ব্যবহার করি সেটা হবে প্রচন্ড ব্যয়বহুল।
২। মাঝে মাঝে ছাদ ঢালাইয়ের পরে দেখা যায়, কিছু কিছু কলামের রডের ক্ষেত্রে পর্যাপ্ত ল্যাপিং লেন্থ নেই। তখন টানা ওয়েল্ডিং করে ল্যাপিং দিতে হয়, যেটা আবার রডের টান শক্তিকে অনেকটা হ্রাস করে।
৩। ল্যাপিং কলামের টেনশন জোন বাদ না দিয়ে প্রদান করলে স্ট্রাকচারালভাবে ভবনের ক্ষতি হয়।
৪। যথাযথভাবে এস্টিমেট বা বিল করা সম্ভব হয়না।
৫। কাজ চলাকালীন প্রজেক্টের সৌন্দর্য ও মান উভয়ই নষ্ট হয়।
৬। দ্রুত কাজের ক্ষেত্রে রডের অপচয় রোধ করা সম্ভব হয়না।
তাই, সার্বিক বিষয়গুলো নিয়ে ইঞ্জিনিয়ারিং গাইড লাইন ও আমার অভিজ্ঞতা থেকে রডের ল্যাপিং পজিশন নিয়ে আজকে আলোচনা করবো। আর, আপনারা রডের ল্যাপিং লেন্থ বের করতে ৫*সুতা বা 40D বা 60D বা ডিজাইনারের গাইডলাইন অনুসরন করুন।
পজিশন অনুযায়ী রডের ল্যাপিং দিতে হবে মূলত কলামের মিড জোনে। কারন, কলামের ক্ষেত্রে মিড জোনে বেন্ডিং মোমেন্ট শূণ্য। তবে, অধিক সূক্ষ্মতার জন্য আপনি ডায়াগ্রাম অংকন করে নিতে পারেন। কিন্তু, সাইট পর্যায়ে সেটা মোটামোটি অসম্ভব।
তাই, সচারচর হিসেবে আপনি কলামের প্রতিটি ফ্লোরের উচ্চতাকে সমান চারটি ভাগে ভাগ করুন। এক্ষেত্রে, উচ্চতা হবে ঢালাইকৃত একটি ছাদের টপ থেকে, যে ছাদ পরবর্তীতে ঢালাই হবে সেই ছাদের বীমের বটম পর্যন্ত। ফ্ল্যাট প্লেট ছাদ হলে একটি ছাদের টপ টু আরেকটি ছাদের বটম পর্যন্ত উচ্চতা হিসেবে ধরতে হবে।
আমরা উদাহরন হিসেবে, ১০ ফুট উচ্চতার একটি বীম ছাদ বিবেচনা করবো, যেখানে বীমের ডেপথ ২ ফুট। তাহলে এখানে কলামের উচ্চতা হবে ৮ ফুট। এবার ৮ ফুটকে ৪ দ্বারা ভাগ করলে ফলাফল আসবে ২ ফুট। এবার, সবচেয়ে নিচের এবং সবচেয়ে উপরের ২ ফুট + ২ ফুট= ৪ ফুট হবে টেনশন জোন।
এই, টেনশন জোনে কোন প্রকার ল্যাপিং দিলে সেটা হবে স্ট্রাকচারাল ক্ষতি। ল্যাপিং দিতে হবে, মাঝের ৪ ফুটের ভিতরে।
একটি কলামে যতগুলো রড আছে তার অর্ধেক রডের ল্যাপিং এক ছাদে রেখে, বাকি অর্ধেক রড পরের ছাদে মাঝের ৪ ফুটে রাখুন। প্রতিটি ফ্লোরে, প্রতিটি কলামের প্রতিটি রড, ল্যাপিং দিতে যে অতিরিক্ত রড অপচয় হয়, সেটা থেকে রক্ষা পাবেন এবং কনক্রিটে ভয়েড আসবে না। তাছাড়া, কোন ডিপার্টমেন্ট থেকে আপনি গড় হিসেবে প্রতি ফ্লোর থেকে ল্যাপিং বিল পাবেন কিন্তু বাস্তবে ল্যাপিং অর্ধেক হচ্ছে, যেখানে আর্থিকভাবে আপনাকে লাভবান করবে। আবার, বিভিন্ন সাইজের জন্য রডের যে অপচয়গুলো আসে সেখান থেকে কিছুটা হলেও সেভিংস হবে।
রড কাটিং ও হিসেবের ক্ষেত্রেও সুবিধা পাবেন এবং প্রজেক্টের সৌন্দর্যও বৃদ্ধি করবে। যেমনঃ এ পদ্ধতিতে আপনি একটি ১২ মিটারের রড মাঝ বরাবর কাটলেই হবে এবং ধাপে ধাপে প্রতিটি ফ্লোরে রডের ল্যাপিং মাঝ বরাবর অর্ধ সংখ্যাই থাকবে।
এছাড়াও, বীম ও কলামের সংযোগস্থলে ল্যাপিং আসার কোন সম্ভবনাই থাকবে না, যথাযথভাবে এস্টিমেট করতে পারবেন এবং পুরোপুরি ইঞ্জিনিয়ারিং নিয়ম মেনেই ভবন বানানো সম্ভব।
আরও, কিছু বিষয় লক্ষ্য রাখতে হবে যেমন ডভটেইল(Dovetail) 6D করা, নিচের রডের চেয়ে উপরের রডের ডায়া কমলে কম ডায়ার রডকে ল্যাপিং লেন্থ বিবেচনা করা, ১০ ফুটের অধিক উচ্চতার ফ্লোরের ক্ষেত্রে ল্যাপিং জোনে ১ টি ল্যাপিং সেন্টার থেকে আরেকটি ল্যাপিং সেন্টার Lap Length*1.33 দূরত্বে রাখা, ইমিডিয়েট পাশাপাশি রডে ল্যাপিং না দেয়া ইত্যাদি।
তবে, ফুটিং থেকে এই পদ্ধতি অনুসরন না করলে পরবর্তীতে মিড জোনে ল্যাপিং কনফার্ম করাটা একটু কষ্টকর।
ছবিতে সংযুক্ত ল্যাপিং টেনশন জোনে, বীমের সাথে যেটা পুরোপুরি ভুল পজিশন।
সর্বোপরি, সকলের একটু সচেতনতায় আমাদের দেশের কনষ্ট্রাকশন কাজের মান বহুগুণ বাড়িয়ে নেয়া সম্ভব।

বাড়িনির্মাণ সংক্রান্ত ব্যাপারে বিস্তারিত কথা বলার জন্য কল করুন আমাদের অফিস নাম্বার +880 1720-005080 অথবা চলে আসুন আমাদের বনানী অফিসে। অফিসের ঠিকানা - Lift- 3, House- 11, Road- 4, Banani DOHS, Dhaka.

বৃষ্টির সময় নির্মাণ কাজের সতর্কতা ও করণীয়নির্মাণ কাজ চলাকালীন সময় বৃষ্টি হলে বৃষ্টির পানির কারণে পানি ও সিমেন্টের অনুপাত...
06/07/2023

বৃষ্টির সময় নির্মাণ কাজের সতর্কতা ও করণীয়
নির্মাণ কাজ চলাকালীন সময় বৃষ্টি হলে বৃষ্টির পানির কারণে পানি ও সিমেন্টের অনুপাতের হার কোনো ভাবেই বজায় রাখা যায় না.. যদি এটা বজায় রাখা যায়ও তদুপরি বৃষ্টির পানির ফলে সিমেন্ট ভেসে যায় এবং কংক্রিটের গুণগত মান নষ্ট হয় ও কংক্রিটের কাঙ্ক্ষিত শক্তি পাওয়া যায় না এবং কংক্রিট এর স্থায়ীত্ব ও বেশি হয় না.. যার দরুন ঢালাই সারফেস এ ক্রেকিং, লেটেন্স, ডাস্টিং, হানিকম্ব ইত্যাদি দেখা দেয়.. যা আপনার স্থাপনার জন্য ক্ষতিকর..
করণীয়:
==========
১ #এমন অবস্থা এড়ানোর জন্য বৃষ্টির সময় অবশ্যই ঢালাই বন্ধ রাখতে হবে..
২ #বেজমেন্ট এর কাজের সময় পুরো জায়গাটি ত্রিপোলি দিয়ে ঢেকে কাজ করতে হবে…
৩ #নির্মাণ কাজে ব্যবহৃত সিমেন্ট ব্যাগ বৃষ্টির পানি থেকে দূরে রাখতে হবে। ঘরের ভিতর রাখলেও পাটাতনের উপর এবং দেয়াল থেকে ১০"-১২" দূরে ব্যাগ রাখা উচিত।
৪ #ইটের গাথুনি ও প্লাস্টার করার সময়ও বিশেষ ভাবে লক্ষ্য রাখতে হবে যেন বৃষ্টির পানি দেয়ালে না লাগে..
৫ #ঢালাইয়ের মাঝখানে বৃষ্টি শুরু হলে ঢালাই বন্ধ করতে হবে এবং এক ঘন্টার বেশি সময় অতিবাহিত হলে পূর্বের মিশ্ৰিত মালামাল ফেলে দিয়ে নতুন ভাবে মিশ্ৰিত মালামাল ব্যবহার করতে হবে...
৬ #নির্মাণ শ্রমিক ও সাইট এ কর্মরত সবাইকে সেফটি পোশাক পরিধান করা উচিত, যেমন - গাম বুট, রেইন কোট ইত্যাদি.. বৃষ্টির সময় ইলেকট্রিক লাইন ও মেশিন ভালোভাবে চেক করা উচিত..

বাড়িনির্মাণ সংক্রান্ত ব্যাপারে বিস্তারিত কথা বলার জন্য কল করুন আমাদের অফিস নাম্বার +880 1720-005080 অথবা চলে আসুন আমাদের বনানী অফিসে। অফিসের ঠিকানা - Lift- 3, House- 11, Road- 4, Banani DOHS, Dhaka.

স্বপ্ন যখন একটি সুন্দর বাড়ির......তখন স্বপ্নের বাড়ির ডিজাইনের জন্য, যোগাযোগ আমাদের সাথে।আমাদের সৃজনশীল ও দক্ষ ডিজাইন টিম...
04/07/2023

স্বপ্ন যখন একটি সুন্দর বাড়ির......
তখন স্বপ্নের বাড়ির ডিজাইনের জন্য, যোগাযোগ আমাদের সাথে।
আমাদের সৃজনশীল ও দক্ষ ডিজাইন টিম সদা প্রস্তুত........
আমাদের সেবাসমূহঃ
১. আর্কিটেকচারাল ডিজাইন,
২. স্ট্রাকচারাল ডিজাইন ,
৩. ইলেক্ট্রিক্যাল ডিজাইন,
৪. প্লাম্বিং ডিজাইন,
৫. ওয়ার্কিং ড্রয়িং,
৬. 3D ডিজাইন, 3D অ্যানিমেশন
৭. ল্যান্ডস্কেপ ডিজাইন,
৮. বাড়ি, মার্কেট, ইন্ডাস্ট্রি ও ফ্যাক্টরির প্ল্যান/মাস্টার প্ল্যান- 2D & 3D
৯. সিটি কর্পোরেশন/ পৌরসভা/ইউনিয়ন অনুমোদন শিট
১০.এস্টিমেট
১১. প্রজেক্ট ম্যানেজমেন্ট, কোয়ালিটি এসুরেন্স/কন্ট্রোল
১২. কন্সট্রাকশন ও সুপারভিশন

বাড়িনির্মাণ সংক্রান্ত ব্যাপারে বিস্তারিত কথা বলার জন্য কল করুন আমাদের অফিস নাম্বার +880 1720-005080 অথবা চলে আসুন আমাদের বনানী অফিসে। অফিসের ঠিকানা - Lift- 3, House- 11, Road- 4, Banani DOHS, Dhaka.

Address

Lift/3, House/11, Road/4, Banani DOHS Division
Dhaka
1213

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when আর্কিজ ডিজাইন এন্ড কনসালট্যান্ট posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to আর্কিজ ডিজাইন এন্ড কনসালট্যান্ট:

Share