Engineering topic,,,sd

Engineering topic,,,sd প্রয়োজনের তাগিদে জানতে হবে,

STEEL REBAR GAUGE..
14/05/2023

STEEL REBAR GAUGE..

18/04/2023

💢 ভাইবা বোর্ডে একটি কমন প্রশ্ন থাকেই, সেটি হল “Introduce Yourself”, প্রশ্নটি ইংরেজিতেই করা হয় এবং ইংরেজিতেই এ সম্পর্কে সংক্ষেপে নিজের সম্পর্কে বলতে হয়। নিচে একটি নমুনা প্রদত্ত হল। আশা করি কাজে লাগবে।
✪ Hello Sir/ma’am.
Thank you for giving me the opportunity to introduce myself in front of you.
আমার নিজের সম্পর্কে আপনার সামনে কথা বলতে সুযোগ দেবার জন্য ধন্যবাদ.
✪ I am Md. Saad ahmed, the son of (Father’s name), here to face the viva
আমার নাম সাদ আহম্মেদ। আমার বাবার নাম (————-), ভাইভা তে অংশগ্রহন করতে এসেছি.
✪ I obtained my Bachelor and Master degree in management from (University Name) in 2015 and 2016 respectively
আমি ২০১৫ ও ২০১৬ সালে (ওমুক বিশ্ববিদ্যালয়) থেকে ব্যবস্থাপনা বিষয়ের উপর যথাক্রমে স্নাতক ও স্নাতোকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছি.
✪ I think, I am a handworker, sincere, conscientious, and devoted person who can be relied upon to work to a very high standard.
আমি নিজেকে কঠোর পরিশ্রমি,সৎ এবং বিশ^স্ত ব্যাক্তি হিসেবে মনে করি যার কাছ থেকে খুব ভালো মানের কাজের প্রত্যাশা করা যায়।
✪ I am good at MS Office application which helps me to complete computer related task quickly
আমি এম এস অফিস এপ্লিকেশনের উপর দক্ষ যা আমাকে কম্পিউটার সম্পর্কিত কাজ দ্রুত সম্পাদনে সহায়তা করে.
✪ I am fond of playing Cricket which helps me to keep myself healthy.
আমার কাছে ক্রিকেট খেলা খুবই পছন্দ যেটি আমাকে সুস্বস্থ্যের অধিকারি হতে সাহায্য করে।
✪ As a fresher, I don’t have any work experience regarding this job, but I will prove it once the opportunity comes.
শিক্ষানবিস হিসাবে আমার কোনো অভিজ্ঞতা নেই, কিন্তু আমি বিশ্বাস করি যদি সুযোগ আসে তাহলে অবশ্যই নিজেকে প্রমান করে দেখাবো.
✪ Thank u very much for having patience & giving me such a wonderful opportunity.
ধৈর্য সহকারে আমার কথা শোনার জন্য এবং এমন একটি চমৎকার সুযোগ দেবার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।
সম্পূর্ণ বাক্যঃ
Hello Sir/ma’am.
Thank you for giving me the opportunity to introduce myself in front of you.
I am Md. Saad ahmed, the son of (Father’s name), here to face the viva
I obtained my Bachelor's and Master's degree in management from (University Name) in 2015 and 2016 respectively. I think I am a hard worker, sincere, conscientious, and devoted person who can be relied upon to work to a very high standard. I am good at MS Office applications which helps me to complete computer-related tasks quickly. I am fond of playing Cricket which helps me to keep myself healthy. As a fresher, I don’t have any work experience regarding this job, but I will prove it once the opportunity comes. Thank u very much for having patience & giving me such a wonderful opportunity.
আমার নিজের সম্পর্কে আপনার সামনে কথা বলতে সুযোগ দেবার জন্য ধন্যবাদ. আমার নাম সাদ আহম্মেদ। আমার বাবার নাম (————-), ভাইভা তে অংশগ্রহন করতে এসেছি. আমি ২০১৫ ও ২০১৬ সালে (ওমুক বিশ্ববিদ্যালয়) থেকে ব্যবস্থাপনা বিষয়ের উপর যথাক্রমে স্নাতক ও স্নাতোকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছি. আমি নিজেকে কঠোর পরিশ্রমি,সৎ এবং বিশ^স্ত ব্যাক্তি হিসেবে মনে করি যার কাছ থেকে খুব ভালো মানের কাজের প্রত্যাশা করা যায়। আমি এম এস অফিস এপ্লিকেশনের উপর দক্ষ যা আমাকে কম্পিউটার সম্পর্কিত কাজ দ্রুত সম্পাদনে সহায়তা করে. আমার কাছে ক্রিকেট খেলা খুবই পছন্দ যেটি আমাকে সুস্বস্থ্যের অধিকারি হতে সাহায্য

সময়ের পরিবর্তনের সৌন্দর্য ও দীর্ঘস্থায়িত্বের কথা বিবেচনা করে ম্যাটেরিয়ালসের নতুনত্ব যোগ হচ্ছে দিন দিন। তেমনি একটি ম্যাটে...
12/03/2023

সময়ের পরিবর্তনের সৌন্দর্য ও দীর্ঘস্থায়িত্বের কথা বিবেচনা করে ম্যাটেরিয়ালসের নতুনত্ব যোগ হচ্ছে দিন দিন। তেমনি একটি ম্যাটেরিয়ালস ‘ফেয়ার ফেস প্লাস্টার’। ফেয়ার ফেস প্লাস্টার ইন্টেরিয়র ও এক্সটেরিয়র উভয় জায়াগায়ই ব্যবহার করা যায়। ফেয়ার ফেস প্লাস্টার ব্যবহার করলে আর নতুন করে পেইন্ট করতে হয় না। এটি দেখতে সুন্দর এবং দীর্ঘস্থায়ী।
সংসদ ভবন, মুক্তিযুদ্ধ যাদুঘর, আই ডি বি ভবন, আর্মি গল্ফ ক্লাব ফেয়ার ফেস স্ট্রাকচারের বাস্তব উদাহরণ। সরকারি-বেসরকারি, দেশি-বিদেশি বিভিন্ন স্থাপনাসমূহে ব্যাপকভাবে ফেয়ার ফেস প্লাস্টারের ব্যবহার লক্ষ্যনীয়।
#ফেয়ার_ফেস_প্লাস্টার কি?
ফেয়ার ফেস হচ্ছে, উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন সিমেন্ট বেইজ এক ধরনের প্লাস্টার। এটি মূলত ৬০ শতাংশ হোয়াইট সিমেন্ট ও ৪০ শতাংশ গ্রে-সিমেন্ট এবং প্রয়োজন অনুযায়ী স্টোন চিপসের সমন্বয়।
#ব্যাবহার
ইটের শুকনো দেয়ালে ফেয়ার ফেস প্লাস্টারের আস্তর লাগাতে হয়। সাধারণ প্লাস্টার করার মতোই ফেয়ার ফেস প্লাস্টারের প্লাস্টার করতে হয়।এমনকি সাধারণ প্লাস্টার করার পরও ফেয়ার ফেস প্লাস্টার করা যায়। সে ক্ষেত্রে সাধারণ প্লাস্টারকে রাফ করে নিতে হয়।
#স্পেসিফিকেশন
ফেয়ার ফেস প্লাস্টার দেখতে উজ্জ্বল ছাই রঙা ধরনের। সিমেন্ট বেইজ হওয়ায় এটি অত্যন্ত মসৃণ ও গ্লসি হয়ে থাকে। সাধারণত ২০-৩০ বছরের স্থায়িত্বের গ্যারান্টিতে ফেয়ার ফেস প্লাস্টারের কাজ করা হয়। ইন্টেরিয়র এবং এক্সটেরিয়র উভয় স্থানেই ব্যবহার করা গেলেও এক্সটেরিয়েরই ব্যবহার করা হয় বেশি।
১. #পুরুত্ব
ফেয়ার ফেস প্লাস্টারের পুরুত্ব ৮ মিলিমিটার।

২. #গ্রুভ
ফেয়ার ফেস প্লাস্টারের কাজ করার সময় ইচ্ছে অনুযায়ী গ্রুভ ব্যবহার করা যায়। সাধারণত প্রতি ২ ফিট পর পর ১-২ ইঞ্চি গ্রুভ ব্যবহার করা হয়। ইচ্ছে করলে এর কম-বেশিও করা যায়।

০৩. #কিউরিং
ফেয়ার ফেস প্লাস্টার কাজ করার পর তিন থেকে সাত দিন কিউরিং করলে ভালো হয়। প্লাস্টারে হেয়ার ক্র্যাক হয় না।
#বাংলাদেশে_কোথায়_পাবেন?
বাংলাদেশে বেশ কয়েকটি দেশের ফেয়ার ফেস প্লাস্টারের প্রিমিক্স পাউডার পাওয়া যায়। দেশগুলো হচ্ছে দুবাইয়ের কনমিক্স, জার্মানির বিএসএফ, ভারতের ড. ফিক্সিট ও ফসরক। টাইলসের বড় শোরুমগুলোতে খোঁজ করলেও ফেয়ার ফেস প্লাস্টার পাওয়া যাবে।
দেখতে অত্যন্ত মসৃণ, আভিজাত্য ও অনন্য সুন্দর হওয়ায় বাংলাদেশে এর চাহিদা দিন দিন বেড়ে যাচ্ছে। ঢাকা শহরের অভিজাত এলাকায় অনেক বিল্ডিংয়েই ব্যবহৃত ফেয়ার ফেস প্লাস্টার আপনার নজর কাড়বে। এটি দেখতে যেমন সুন্দর, তেমনি চলে যুগের পর যুগ।

 #শাটারিং এর পরিমাণ নির্নয় করুন সহজেই। ----------------টাইমলাইনে রাখুন---------------- #শাটারিং  কি--------------------...
25/01/2023

#শাটারিং এর পরিমাণ নির্নয় করুন সহজেই।
----------------টাইমলাইনে রাখুন----------------
#শাটারিং কি
-------------------------
শাটারিং হচ্ছে একটা বিল্ডিং এর বিভিন্ন অংশ কন্সট্রাকশন করার জন্যে নির্মিত অস্থায়ী স্ট্রাকচার।যখন কনক্রিট পরিমিত স্ট্রেন্থ পায় তখন শাটারিং খুলে ফেলা হয় ।
শাটারিং করার জন্য নিম্নোক্ত ম্যাটেরিয়ালগুলো ব্যবহার করা হয়।
-
Plywood (শাটারিং প্লেট হিসেবে )
Nails
wooden battens,
beam bottom plates,
shuttering oil etc.

#শাটারিং এর পরিমান নির্নয়
----------------------------------------

একটি স্ল্যাব এর জন্যে শাটারিং এর পরিমান নির্নয়

শাটারিং এর ধরন – কাঠের শাটারিং

ধরি,
স্ল্যাবের লেন্থ = 50 feet.
স্ল্যাবের প্রস্থ = 30 feet.

টোটাল এরিয়া = Length x Width
= 50 feet x 30 feet.
= 1500 sft.

শাটারিং দরকার
-----------------------------------
১। Plywood:
প্লাই-উডের সাধারন সাইজ= 8’x4′ ও থিকনেস= 12 mm.

প্লাই-উড দরকার = এরিয়া x 0.02 (Thumb rule)
= 1500 x 0.02 = 30 no’s

২.কাঠের কাঠামো

কাঠের কাঠামো সাইজ= 3″x3″

কাঠের কাঠামো দরকার = Covered area x Thumb rule = 1500 x 0.04 = 600 rft

৩. Nails ( তার-কাটা/পেরেক )

তার-কাটা/পেরেক দরকার= এরিয়া x 0.02 = 1500 x 0.02 = 30 kg.

৪। বিম এর নিচের কাঠামো

বিম এর নিচের কাঠামোর থিকনেস= 1.5″

বিম এর নিচের কাঠামোর দরকার= এরিয়াx 0.24 = 1500 x 0.24 = 360 rft.

৫. কাঠের গুড়ি বা বাশ

বিম এর জন্য কাঠের গুড়ি বা বাশ দরকার = বিম এর নিচের কাঠামো এরিয়া x 0.5

= 360 x 0.5 = 180 no’s

ছাদ এর জন্য কাঠের গুড়ি বা বাশ দরকার = ছাদ এর নিচের কাঠামো এরিয়া x 0.16
= 1500 x 0.16 =240 no’s

৬. ক্ল্যাম্প :

ক্ল্যাম্প দরকার = এরিয়া x 0.08
=1500 x 0.08 = 120 no’s

৭। তেল

শাটারিং এর তেল = এরিয়া x 0.006 = 1500 x 0.006 = 9 liters
Engr sharif khan joy
শেয়ার করে পাশে থাকুন।
টাইমলাইনে রাখেন কাজে লাগবে❤️❤️

জায়গার পরিমাপ জেনে নিন (টাইম লাইনে রেখে দিন)  বিভিন্ন আকৃতির জমির পরিমাপ করুন খুব সহজে
20/01/2023

জায়গার পরিমাপ জেনে নিন (টাইম লাইনে রেখে দিন)
বিভিন্ন আকৃতির জমির পরিমাপ করুন খুব সহজে

09/12/2022

কলাম কিকার কি ?
---------------------------------------------
#কিকারঃ ফুটিং,স্ল্যাব ও বিমের উপর একটি কলাম রেডি করার পূর্বে তার নিচে স্বল্প উচ্চতার যে কলামটি ঢালাই করা হয়,তাকে কিকার বলে।

>> মূলত কলাম এর পজিশন,এলাইনমেন্ট,ফর্মওয়ার্ক ঠিক রাখার জন্য কিকার তৈরি করা হয়।
>> কাঠ/স্টিলের সাটারের সাথে ফর্মওয়ার্ক তৈরী করা হয়।

>> কিকারের উচ্চতা 3"-4" হয়।তবে স্টিল সাটার ব্যবহার করলে 6"-9" পর্যন্ত উচ্চতার কিকার তৈরী করা যায়।

>> সাটার লাগানের পূর্বে কলামের মূল রড,টাই ও ভিতরের সকল ময়লা স্টিল ব্রাস ও ফোর্স ওয়াটার দিয়ে পরিস্কার করে নিতে হবে।

>> কিকার তৈরীর স্থানে কোন অবস্থাতেই পানি থাকবে না।

>> কলামের পজিসন ও এলাইনমেন্ট ঠিক রাখার জন্য পূর্ববর্তি ছাদ/বিমের কাষ্টিং এর পূর্বেই যদি কলামের মূল রডগুলোকে ভার্টিক্যাল রেখে পর্যাপ্ত পরিমানে টাই পরিয়ে নেয়া যায়,তবে clear cover সঠিক রাখতে সুবিধা হবে।

>> সাটার পরিস্কার করে সাটারটি 2:1 Ratio ফলো করে ডিজেল:লুব্রিক্যান্ট অয়েল মিশ্রণ দিয়ে মুছে নিতে হবে।এই প্রলেপটি যেনো পুরু না হয়।কারন,তাতে কংক্রিটের গুণগত মাণ নষ্ট হতে পারে।

>> সাটারের সাইটগুলোকে লিকপ্রূফ করতে জুট টেপ ও ফোম ব্যবহার করা হয়।এবং খেয়াল রাখতে হবে যেন, এর Axis ঘুরে না যায়।

>> সাটার স্থাপন হয়ে গেলে Project/Site Engineer দ্বারা অবশ্যই অবশ্যই চেক করতে হবে যেঃ সাটারটি সুদৃঢ় ও ক্লিয়ার কভার ঠিক আছে কি না।

>> সাটার ঠিক রাখার জন্য GI তার & CC Block ব্যবহার করা হয়।

Staircase information 👌❤️❤️
05/11/2022

Staircase information 👌❤️❤️

স্লাম্প টেস্ট কি?এবং কেন করা হয়?  স্লাম্প টেস্টে স্লাম্প এর মান কখন কত হওয়া উচিত?।বিস্তারিত আলোচনা---সদ্য মিশ্রিত কংক্রি...
25/10/2022

স্লাম্প টেস্ট কি?
এবং কেন করা হয়?
স্লাম্প টেস্টে স্লাম্প এর মান কখন কত হওয়া উচিত?

বিস্তারিত আলোচনা---

সদ্য মিশ্রিত কংক্রিট এমন হওয়া উচিৎ যাতে করে সহজে নাড়াচাড়া এবং ফর্মার মধ্যে ঢালাই করা যায়। কংক্রিট মিশ্রণের এই গুনটিকে কার্যোপযোগীতা বলে। মিশ্রণে পানির পরিমাণ বেশি হলে, মিশ্রণ নরম হয়। ফলে নাড়াচাড়া ও ঢালাই সহজ হয়। আবার পানির পরিমাণ কম হলে নাড়াচাড়া ও ঢালাই করা কষ্টসাধ্য হয়ে দাঁড়ায়। মিশ্রণে পানির পরিমাণ কম বা বেশি করে কার্যোপযোগীতা পরিবর্তন করা যায়। তবে ঢালাইয়ের প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত কার্যোপযোগীতা একই থাকা উচিৎ। এই কার্যোপযোগীতা পরীক্ষা করার জন্য খুবই জনপ্রিয় পদ্ধতি হলো স্ল্যাম টেস্ট। সুতরাং ঢালাই কাজে ব্যবহত কংক্রিট মিশ্রণের কার্যোপযোগীতা যাচাইয়ের করার জন্য যে পরীক্ষা করা হয়, তাকে কংক্রিটের স্ল্যাম টেস্ট বা নতি পরীক্ষা বলা হয়।

কংক্রিটের স্ল্যাম টেস্টের জন্য দু'দিকে হাতল যুক্ত লোহার চোঙ বা সিলিন্ডার ব্যবহার করা হয়। এর উচ্চতা ৩০ সেমি এবং নিচের প্রান্তের ব্যাস ২০ সেমি এবং ক্রমশঃ সরু হয়ে উপরের প্রান্তের ব্যাস হবে ১০ সেমি।

কাঠামোর গুণগত মান সঠিক রাখার জন্য কংক্রিট মিশ্রণের উপযোগিতা বজায় রাখা হয়। এ জন্য যে কোন স্পেসিফিকেশনে স্ল্যাম্পের মান দেওয়া থাকে। কংক্রিট মিশ্রণে স্ল্যাম্পের মান গুলো মেনে চললে কংক্রিটের মান উন্নত ও পীড়ন বৃদ্ধি পায়। নিম্নে বিভিন্ন কাজে ব্যবহত কংক্রিটের স্ল্যাম্পের পরিমাণ উল্লেখ করা হলো।

১) রাস্তা তৈরিতে কংক্রিট = ২০-৩০ মিমি।
২) আরসিসি স্ল্যাব, বীম ও দেওয়াল = ৫০-১০০ মিমি।
৩) কলাম, রিটেইনিং ওয়াল এবং পাতলা খাড়া মেম্বার = ৭৫-১৫০ মিমি।
৪) পানি রোধী নির্মাণ কাজ = ৭৫-১২০ মিমি।
৫) ভাইব্রেটেড কংক্রিট = ১২-২৫ মিমি।
৬) পুরু কংক্রিট = ২৫-৫০ মিমি।
৭) সাধারণ কংক্রিট ফুটিং, কেইশন এবং উপরি কাঠামো = ২৫-৭৫ মিমি।
৮) আরসিসি ভিত্তি দেওয়াল এবং ফুটিং = ৫০-১০০ মিমি।
৯) ব্রিজ ডেক = ২৫-৭৫ মিমি।

Very Important Post
22/10/2022

Very Important Post

সিভিল ইঞ্জিনিয়ারদের যে বিষয়গুলো জানা থাকা জরুরী। সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বেসিক নলেজ।সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বেসিক নলেজ: Topics:   ...
21/10/2022

সিভিল ইঞ্জিনিয়ারদের যে বিষয়গুলো জানা থাকা জরুরী।
সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বেসিক নলেজ।

সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বেসিক নলেজ: Topics:
of Concrete, of Steel, Strength Test, Block, Slump & Quake.
==============================================
Grade of Concrete:
Internationally ড্রইং এ সচরাচর কংক্রিটের Mixing Ratio উল্লেখ থাকেনা, Grade উল্লেখ থাকে। আর এই Grade অনুযায়ী কংক্রিটের Ultimate Strength পেতে Trial Basis Mix Design এর মাধ্যমে Ratio ফাইনাল করা হয়। জেনে নেয়া যাক কংক্রিটের বিভিন্ন গ্রেড সমূহ সম্পর্কে-
Ordinary Concrete:
√ M 5 বা 5 N/mm 2 বা 725 PSI, Ratio 1:5:10
√ M 7.5 বা 7.5 N/mm 2 বা 1087.5 PSI, Ratio 1:4:8
√ M 10 বা 10 N/mm 2 বা 1450 PSI, Ratio 1:3:6
√ M 15 বা 15 N/mm 2 বা 2175 PSI, Ratio 1:2:4
√ M 20 বা 20 N/mm 2 বা 2900 PSI, Ratio 1:1.5:3

Standard Concrete:
√ M 25 বা 25 N/mm 2 বা 3525 PSI, Ratio 1:1:2
√ M 30 বা 30 N/mm 2 বা 4350 PSI, Mix Design [1:0.75:1.5]
√ M 35 বা 35 N/mm 2 বা 5075 PSI, Mix Design [1:0.5:1]
√ M 40 বা 40 N/mm 2 বা 5800 PSI, Mix Design [1:0.25:0.5]

Note:[1M সমান 145 PSI, M25 থেকে M70 পর্যন্ত Mix Design আবশ্যক]

কংক্রিটে ফাইন এগ্রিগেট বা বালির 1.5 থেকে 2 গুণ কোর্স এগ্রিগেট বা খোয়া দিতে হয় এবং কোর্স এগ্রিগেটের মধ্যে 70% হবে 20 mm down graded ও 30% হবে 12 mm down graded.

Standard Graded Concrete এর ক্ষেত্রে প্রতি Cum কংক্রিটের জন্য 350-400 kg Cement ব্যবহৃত হয়ে থাকে, সেই সাথে Admixture। পানি সিমেন্ট রেশিও 0.42 থেকে 0.45 হয়ে থাকে, তবে কখনোই 0.5 এর বেশি হতে পারবে না।

Gradation of Rebar:

ভাইভাতে অনেক সময়ই প্রশ্ন করে 500W TMT Bar বলতে কি বুঝায়? চলুন জেনে নেওয়া যাক ইহা আসলেই কি?

500W বা 500MPA বলতে ইহার Yield স্ট্রেন্থ কে বুঝায়, অর্থাৎ এই ধরনের স্টীল স্থিতিস্থাপক সীমার মধ্যে 72500 PSI Stress নিরাপদে বহন করতে সক্ষম।

এখানে W বলতে Weldable বা স্টীলের Weld ability কে বুঝায় অর্থাৎ ইহা জোড় যোগ্য পদার্থ বুঝায়, পৃথিবীতে কাস্ট আয়রনের মত অনেক মেটা্লই আছে যাদের কে জোড়া বা Joint দেওয়া যায়না।

TMT বলতে Thermo Mechanically Treated কে বুঝায়। এক কথায় TMT bar হচ্ছে Thermo Mechanically process এর সমন্বয়ে সৃষ্ট High-Strength Reinforcement।

Note:মনে রাখতে হবে 1W সমান 1Mpa বা 145 Psi, তার মানে 500W = 500x145 Psi = 72500 Psi = 72.5 Ksi বা 72 Grade।

একই ভাবে 400W = 400x145 Psi = 58000 Psi= 58 Ksi বা 60 Grade রড, এবং 275W = 40 Grade Rebar.

Compressive Strength Test:
Concrete এর কম্প্রেসিভ স্ট্রেন্থ টেস্ট সাধারনত দুই ভাবে করা হয়।
√ Cylinder Test, Module Size 4”x8” or 6”x12”
√ Cube Test, Module Size 6”x6”x6”

মনে রাখবেন কংক্রিটের টেস্ট সাধারনত 3, 7, 14, 21 & 28 days এর হয়ে থাকে। তো এবার জেনে নেয়া যাক কত দিনে কংক্রিট কতটুকু শক্তি অর্জন করে।

Age vs Strength percent
1 day vs 16%
3 days vs 40%
7 days vs 65%
14 days vs 90%
28 days vs 99%

Note:[ বিভিন্ন গবেষণায় প্রমাণিত যে, Cube Test এ Cylinder Test অপেক্ষা 15% to 20% অধিক রেজাল্ট আসে, সুতরাং নিরাপত্তার স্বার্থে Cube Test অপেক্ষা Cylinder Test ই উত্তম

Block by Cement Sand Mortar:

RCC মেম্বারের ক্লিয়ার কাভার সুরক্ষার জন্য ব্লক অপরিহার্য, মনে রাখতে হবে ব্লকের স্ট্রেন্থ কিন্তু কংক্রিটের ডিজাইন স্ট্রেন্থের সমান হওয়া জরুরী। ব্লকের জন্য কিছু নির্দেশনা।

√ ব্লকের রেশিও হবে 1:1 [Cement: Sand], 100% Sylhet Sand ব্যবহার করতে হবে।
√ কমপক্ষে ৭ দিন কিউরিং করতে হবে।

Note: কাস্টিং চলাকালে ব্লকের প্লেসমেন্ট ঠিক রাখার জন্য সম্ভব হলে ব্লকের ভিতরে কিছুটা #24 SWG G.I Wire ঢুকিয়ে দিতে হবে যাতে করে ব্লকগুলোকে রডের সাথে বেধে দেওয়া যায়।

তাছাড়া বাজারে এখন খুবই উন্নত মানের Ready Made Block পাওয়া যায়, যা ব্যবহার করলে এই সমস্যা থেকে খুব সহজেই পরিত্রান পাওয়া যাবে।

Slump Test of Concrete:

সদ্য মিশ্রিত কংক্রিটের কার্যোপযোগীতা যাচাই এর জন্য স্ল্যাম্প টেস্ট করা হয়। কংক্রিট মিশ্রনে পানি বেশি দিলে যেমন সেগ্রিগেশন হতে পারে, তেমনি প্রয়োজনের তুলনায় কম দিলে ভয়েড থাকতে পারে, যার কোনটাই কংক্রিটের জন্য ভাল নয়।

স্ল্যাম্প মূলত: তিন প্রকার:
(i) True Slump
(ii) Shear Slump
(iii) Collapse Slump
এ ছাড়াও Zero Slump নামে আরো এক ধরনের স্ল্যাম্প রয়েছে।

Range of Slump:
(i) Very Low Slump [0-25 mm], ইহা সাধারনত Dry Mix Type এর হয়ে থাকে যা Road এর কংক্রিট হিসেবে ব্যবহৃত হয়, যেখানে মেশিনের সাহায্যে Vibrating করা হয়।

(ii) Low Slump [25-50 mm], যা পুরু কংক্রিট বা হালকা রিইনফোর্সমেন্ট সমেত ফাউন্ডেশন বা ব্রিজের ডেক বা কেইশনের উপরি কাঠামোর কাজে ব্যবহার করা হয়, যেখানে হাতে চালিত ভাইব্রেটর মেশিনের সাহায্যে Vibrating করা হয়।

(iii) Medium Slump [50-100 mm], সাধারনত RCC বিম, স্ল্যাব, দেওয়ালের জন্য প্রস্তুতকৃত কংক্রিটের স্ল্যাম্প ৫০-১০০মি.মি হয়ে থাকে। ইহা Manually কিংবা Vi****or Machine এর সাহায্যে ভাইব্রেটিং করা হয়।

(iv) High Slump [100-150 mm], সাধারনত RCC Column, Retaining Wall এর কংক্রিটের স্ল্যাম্প ১০০mm এর উপরে হয়ে থাকে। বিশেষ করে Pile, Pier এর মত কাঠামে যেখানে Vi****or মেশিন ব্যবহারের সুযোগ থাকেনা সেখানকার কংক্রিটের স্ল্যাম্পের মান সচরাচর 140-150 থেকেও বেশি থাকে।

Note:[ High Slump কংক্রিটে যেহেতু পানি বাড়িয়ে স্ল্যাম্পের মান বৃদ্ধি করা হয় সেহেতু Concrete এর Work ability/ Density/ Consistency ঠিক রাখার জন্য অবশ্যই Admixture ব্যবহার করতে হবে।]

সব শেষে জেনে নেওয়া যাক Earth Quake এর তীব্রতা ও প্রভাব সম্পর্কে; রিকটার স্কেলের মাত্রা vs তীব্রতা

১. রিকটার স্কেল মাত্রা ০-১.৯ - যান্ত্রিক বা Instrumental.
২. রিকটার স্কেল মাত্রা ২-২.৯ - খুবই কম বা Very Minor.
৩. রিকটার স্কেল মাত্রা ৩-৩.৯ - মৃদু বা Minor.
৪. রিকটার স্কেল মাত্রা ৪-৪.৯ - হালকা বা Light.
৫. রিকটার স্কেল মাত্রা ৫-৫.৯ - মধ্যম বা Moderate.
৬. রিকটার স্কেল মাত্রা ৬-৬.৯ - শক্তিশালী বা Strong.
৭. রিকটার স্কেল মাত্রা ৭-৭.৯ - ধ্বংসাত্মক বা Destructive.
৮. রিকটার স্কেল মাত্রা ৮ বা তার বেশি - সর্বনাশা বা Catastrophic.

Clear Cover:
ক্লিয়ার কভার বলতে মূলত: স্টিলের বহি:স্থ ফেস থেকে কংক্রিটের বহি:স্থ ফেস পর্যন্ত দূরুত্বকে বুঝায়। আমরা সবাই জানি আবহাওয়ার ক্ষতিকর প্রভাব থেকে স্টিলকে রক্ষা করার জন্য ক্লিয়ার কভারের প্রয়োজন হয়।

তাছাড়া যথাযথ ক্লিয়ার কভার না দিলে বাতাসের মধ্যস্থ অক্সিজেন বা সোডিয়ামের ক্ষতিকর লবনসমূহের রাসায়নিক ক্রিয়ার ফলে স্টিলের Corrosion সৃষ্টির মাধ্যমে কিংবা অগুন বা টেম্পারেচারের সরাসরি হিটের কারণে স্টিলের Expansion এর ফলে Reinforcement বা স্টিল ফেল করতে পারে।

তো জেনে নেওয়া যাক সচরাচর যে রকম Clear Cover রাখা হয়;
√ Pile & Pile Cap: 3” বা 75 mm at all side.
√ Footing: 3” at all side.
√ Mat/ Raft: Bottom & Side 3”, Top 2” বা 50 mm.
√ Short Column/ Pedestal: 3” at all side.
√ Grade Beam: 2.5” to 3” at all sides.
√ Under Ground Water Tank: Outer Side 2.5” to 3” & Inner Side 2”

√ Typical Beam: 1.5”
√ Typical Slab & Stair: Bottom 1” Top ¾” & Side 1.5”
√ Column: 1.5” at all face
√ Over Head Tank: Water Face 2” & Outer Face 1” o 1.5"
√ Lift Core & Shear wall: 1.5” at all face.
Note: সরাসরি মাটিং সংস্পর্শের কাঠামোর ক্ষেত্রে কমপক্ষে 2.5” কাভারিং প্রদান করতে হবে। কোড অনুসারে আপনাকে সর্বনিন্ম 3/4" বা 20 mm দিতেই হবে, কাভারিং এর ক্ষেত্রে +/- 10 mm গ্রহনযোগ্য।

Shutter Removal Time:
আমার মনে আছে, প্রথম জবে এই ব্যাপারটা নিয়ে ঠিকাদারের সাথে আমার মোটামুটি একটা যুদ্ধ হয়েছিল। সে চেয়েছিল কাস্টিং এর পরের দিনই যেন সাটার খোলার অনুমতি দেই, কিন্তু আমি রাজি হচ্ছিলাম না, পরবর্তীতে মালিক পক্ষকে বুঝিয়েছে সকাল সকাল সাটার অপসারণ করতে না দিলে কাজ Delay হবে। কি আর করার! ছোট ইঞ্জিনিয়ার ছিলাম, তাই বড় স্যারদের সাথে কথা বলে ৩৬ ঘন্টা পরে খোলার অনুমতি দিতে বাধ্য হলাম। বাস্তবিক পক্ষে ৩৬ ঘন্টা বললেও ঠিকাদার সাহেব ঠিকই পরের দিন সকাল থেকেই টানা/ জ্যাকিং খোলা শুরু করে দিত।

মনে রাখতে হবে তখনই সাটার খোলার অনুমতি দেওয়া যাবে যখন কংক্রিট তার Dead Load/ Self Weight কে বহন করার মত পূর্ন শক্তি অর্জন করে। আমরা আগের পোষ্টে দেখেছিলাম কংক্রিট কত দিতে কত পার্সেন্ট স্ট্রেন্থ গেইন করে, যদিও ইহা কংক্রিটের গ্রেড, টেম্পারেচার, কিউরিং প্রসিডিউর, ফর্ম ওয়ার্ক ডিজাইন প্রভৃতির উপর নির্ভর করে।

ব্যাপারটা হলো Shutter Removal এর ব্যাপারে Code কি বলে??
√ Column or Vertical Wall: 48 to 72 hours, তবে 24 ঘন্টার পূর্বে কোন ভাবেই কলামে হাত দিতে দিবেন না।
√ Beam or Slab Side [Outer Side of Periphery Beam] : 24 hrs to 48 hrs, খেয়াল রাখতে হবে সাইড খুলতে গিয়ে যেন বটম সাটারিং লুজ বা ডিসপ্লেসমেন্ট না হয়।
√ Bottom of Beam, Slab & Stair : 21 days to 28 days.

সতর্কতা:
√ সাটারিং প্রথমে মিড স্প্যান বা স্ল্যাবের ঠিক মধ্যখান হতে চতুর্দিকে সমানভাবে খুলে বিম বা সাপোর্টের দিকে আসতে হবে এবং সবার শেষে বিমের ফর্ম ওয়ার্ক অপসারণ করতে হবে।
√ ক্যান্টিলিভার স্ল্যাবের ক্ষেত্রে মুক্তপ্রান্ত হতে সাপোর্টের দিকে আসতে হবে।
√ বিল্ডিং এর চারিপার্শ্বের কলামের সাথে দুই/ তিন লেয়ারে Horizontal Support বেধে দিতে হবে যাতে করে অপসারিত সাটারের কোন অংশে নিচে পড়ে যেতে না পারে।

Note: On emergency! 4.5 m or 14 Feet এর কম স্প্যান দৈর্ঘ্যের ক্ষেত্রে 14 দিন পর খোলার অনুমতি দেওয়া যেতে পারে। বর্তমানে আমি একটা ড্রইং নিয়ে কাজ করছি, যেখানে তিনি প্রতি ফিট Span দৈর্ঘ্যের জন্য কমপক্ষে 1 দিন করে সাটারিং রিমুভাল টাইম Suggest করেছেন, তবে তা 10 দিনের কম হতে পারবেনা।

#ভাইবা_পরীক্ষায় একজন সিভিল ইঞ্জিনিয়ার কে যেসব প্রশ্ন করে থাকেন.....

১। আসুন বসেন আপনার নাম?
উত্তর: ধন্যবাদ স্যার,
মো: -----------
২। এখন কোথায় আছেন?উত্তর: Geo-Science Engineering Inspection Service, Jatrabari,Dhaka
৩। ওখানে আপনার দ্বায়িত্ব কি কি?
উত্তর: প্রজেক্ট সুপারভিশন ও অফিস ম্যানেজমেন্ট
৪। আচ্ছা আপনার সম্পর্কে কিছু বলেন?
উত্তর: স্যার আমার হোম ডিস্ট্রিক্ট চাঁদপুর, আমি ১৯৯৯ সালে এসএসসি, ২০০৩ সালে ডিপ্লোমা, ২০১০ সালে বিএসসি পাশ করি আমি বর্তমানে ঢাকায় থাকি।
৫। আপনি কি কাজ করতে ভাল পারেন?
উত্তর: স্ট্রাকচার ও ফিনিশিং উভয় স্যার
৬। আমরা স্টাকচার এর লোক খুজছি?
উত্তর: ঠিক আছে স্যার
৭। আপনি কি স্ট্রাকচার কাজ করেছেন?
উত্তর: জি স্যার।
৮। লে আউট দিতে পারেন?উত্তর: জি স্যার
৯। একটা বিল্ডিংএ লে- আউট দেওয়া আছে আপনি কি কি চেক করবেন?
উত্তর: লে-আউট চেক করতে গেলে প্রথমে যে লে-আউট দিয়েছে তার সাথে কথা বলতে হবে সে কোন জায়গা থেকে শুরু করেছে, তারপর গ্রীড লাইন মাপ দেখে ডায়াগোনাল মাপ পরীক্ষা করতে হবে তারপর সেট ব্যাক চেক করতে হবে সব কিছু ঠিক থাকলে পাইল থাকলে পাইল পয়েন্ট চেক করতে হবে।
১০। বলুন তো বর্তমানে কোন কোন ফাউন্ডডেশন বেশী ব্যবহার হয়।
উত্তর: বর্তমানে শ্যালো ফাউন্ডডেশন ও ডীপ ফাউন্ডডেশন বেশী ব্যবহার হয়।
১১। ডীপ ফাউন্ডডেশন সম্পর্কে বলতে পারবেন?
উত্তর: জি স্যার
১২। পাইল করেছেন আপনি?
উত্তর: জি স্যার করেছি
১৩।২০" পাইলে কাটার কত থাকে?
উত্তর: ১৯" মিনিমাম
১৪। পাইল করার সকল যন্ত্রপাতির না জানেন বলুন।
উত্তর: রিং বা তেপায়া, চিজেল বা কাটার, ফানেল, হপার বা বাকেট, ড্রিলিং রড, ট্রিমী পাইপ, মিক্সার মেশিন, ওয়েল্ডিং মেশিন, উন্স মেশিন, পানির পাম্প ইত্যাদি
১৫। খাচায় কি চেক করতে হয়?
উত্তর: খাঁচায় দেখার বিষয় ডিজাইন অনুযায়ী ডায়া,রিং,স্পেসিং,জয়েন্ট, ল্যাপিং,উচ্চতা, ওয়েল্ডিং ইত্যাদি।
১৬। আচ্ছা আমরা পাইল কেন করি?
উত্তর: সয়েল টেস্ট অনুযায়ী মাটির ভারবহন ক্ষমতার চেয়ে ভবনের আগত লোড বেশি হলে ডীপ ফাউন্ডেশন করে মাটির শক্ত স্তরে লোড টান্সফেরেন্ট করার জন্য পাইল করি।
১৭। সয়েল টেস্ট রিপোট দেখছেন?
উত্তর: জি স্যার দেখেছি
১৮। কি কি থাকে রিপোটে
উত্তর: মাটির ধরন, পানির লেভেল এসপিটি বলা থাকে।
১৯। এসপিটি কি
উত্তর: SPT=Standard penetation test.
২০। পাইলে ওয়াস কেন দেওয়া হয়?
উত্তর: বোরিং এর ভিতরের কাদা মাটি পরিষ্কার করার জন্য।
২১। কত সময় দেওয়া হয়?
উত্তর: ৩০ মিনিট বলা হয় কিন্তু পানি পরিষ্কার না আসা পর্যন্ত করলে ভাল।
২২। পাইলের মসলায় স্লাম বেশী কেন দেওয়া হয়।
উত্তর: মসলা যেন কোন পানি না টানে কারন বোরিং এর পানি ময়লা থাকে।
২৩। পাইল শেষে কতদিন পরে পাইল ভাঙ্গা যায়?
উত্তর: ২৮ দিন
২৪। কেন ভাঙ্গতে হয় বলতে পারবেন বলেন
উত্তর: ঢালাইয়ের সময় পাইলের নীচের কাদা নরম মাটি পাইল ঢালায় শেষে মাথায় এসে জমা হয় ফলে পাইলের মাথার কংক্রিট দুর্বল হয় সেই জন্য ভাঙ্গা হয় তাছাড়া পাইলের মাথার রড গুলো বাকিয়ে ফাউন্ডেশনের সাথে জয়েন্ট দেওয়ার জন্য। আমরা সাধারনত পাইল ক্যাপের বটম পযর্ন্ত বলি কিন্তু শক্ত ঢালাই ও রড না পাওয়া পযর্ন্ত ভাঙ্গতে হয়।
২৫। পাইলের কাভারিং কত
উত্তর: ৩"
২৬। ফুটিং পাইল ক্যাপ ঢালাইয়ের আগে আপনার দেখার কি কি আছে?
উত্তর: ফুটিং ও পাইল ক্যাপ ঢালাইয়ের আগে করনীয় বিষয় সাটারিং চেক করা ছিদ্র আছে কিনা, ফুটিং সাথে পাইল রড বাইন্ডিং, ফুটিং এ রড স্পেসিং, ডিজাইন অনুযায়ী রডে ডায়া, জয়েন্ট গুলো চেক করা,পাইল ক্যাপের উপর দূর্বল কংক্রিট সড়ানো হয়েছে কিনা ইত্যাদি.
সব থেকে গুরুত্ব পুনো হল কলামের সেন্টার আর পাইল ক্যাপের সিজি মেলানো
২৭। কলাম বীম ছাদে কাভারিং কত
উত্তর: কলাম ১.৫", বীম ১.৫", ছাদে ৩/৪"
২৮। সর্ট ও লং ডিরেকশনের রোড কোনটা আগে দিতে হয়?
উত্তর: ফুটি এ লং রড আগে আর সর্ট রড পরে বসবে, স্লাবে সর্ট রড আগে লং রড পরে বসায়।
২৯। কলাম, বীম, ছাদ ঢালায়ের আগে কি করতে চেক করবেন?
উত্তর: সাটারিং, লেভেলিং সাটারিং বাশ ব্রেসিং কভারিং,ডায়া,স্পেসিং, কোন ছিদ্র আছে কিনা।

পর্ব =১: (প্রথমে নিজে চেষ্টা করুন । তারপর উত্তর দেখুন)
১. সিমেন্টে জিপসাম কেন ব্যবহার করা হয়?
২.কংক্রিটের শক্তি পরীক্ষার জন্য যে কিউব ব্যবহার করা হয় তার সাইজ কত?
৩. ০.৪৫ ওয়াটার সিমেন্ট রেশিওতে প্রতি ব্যাগ সিমেন্টে কত লিটার পানি লাগে?
৪. লেইটেন্স কি?
৫.স্লাম্প টেস্ট করা হয় কিসের সাহায্যে?
৬. স্লাম্প কোণের উপরের ও নিচের ব্যাস কত?
৭. স্লাম্প কোণের উচ্চতা কত?
৮. কংক্রিটে ৫% ভয়েড থাকলে তার শক্তি কত % হ্রাস পায়?
৯. কংক্রিটের শক্তি পরীক্ষার জন্য ব্যবহ্রত সিলিন্ডারের উচ্চতা ব্যাসের কত গুন?
১০. কংক্রিটের শক্তি পরীক্ষার জন্য সিলিন্ডারের মাপ কত?
উত্তর:
১.সিমেন্টের সেটিং টাইম বিলম্বিত করার জন্য জিপসাম ব্যবহার করা হয়।
২. ১৫ সেমি. * ১৫ সেমি. * ১৫ সেমি.
৩. ২২.৫ লিটার।
৪. কংক্রিটে পানির পরিমান বেশি হলে বাঁধুনীগুণ সম্পন্ন পদার্থ কংক্রিটের উপরিভাগে জমিয়া এক প্রকার সাদা স্তরের সৃষ্টি করে, তাকে লেইটেন্স বলে।
৫. স্লাম্প কোণের সাহায্যে।
৬. উপরের ব্যাস ১০ সেমি. ও নিচের ব্যাস ২০ সেমি.
৭. ৩০ সেমি.
৮. ৩০%
৯. দ্বিগুন
১০. ব্যাস ১৫ সেমি. ও উচ্চতা ৩০ সেমি.

পর্ব -২
১.লিন্টেলের পুরুত্ব কত?
২. পেরাপেট ওয়ালের উচ্চতা কত?
৩. ডিপিসি এর পুরুত্ব কত?
৪. সিলিং এ প্লাস্টারের পুরুত্ব কত?
৫.এক ব্যাগ সিমেন্ট সমান কত ঘনমিটার?
৬. এক ব্যাগ সিমেন্ট কতটুকু জায়গা দখল করে?
৭.জলছাদের পুরুত্ব কত সেমি?
৮. চৌকাঠের সাইজ কত?
৯. এম.এস রডের ওজন বের করার সূত্র কি?
১০. এক ঘনমিটার এম.এস রডের ওজন কত?
উত্তর:
১. ১৫ সেমি.
২. এক মিটার।
৩. ২.৫ সেমি.
৪. ৬ মিমি.
৫. ০.০৩৩ ঘনমিটার (১.২৫ ঘনফুট)
৬. ০.৩ বর্গমিটার।
৭. ৭.৫ সেমি.
৮. ১০*৮ সেমি
৯. D2/162.2 ( D= রডের ব্যাস)
১০. ৭৮৫০ কেজি অথবা ৭৮.৫০ কুইন্টাল

পর্ব -৩
সড়কের ক্ষেত্রে এই প্রশ্নগুলা পড়েন।
১। রাইট অব ওয়ে কাকে বলে?
২। রাইট অব ওয়ে নির্ধারনে বিবেচ্য বিষয়গুলো কি কি?
৩। রাস্তার ক্ষেত্রে পার্শ্বঢাল কত ধরা হয়?
৪।বার্ম কি?
৫। শোল্ডার কাকে বলে? এর বিস্তার কত?
৬। ফুটপথের সর্বনিম্ন প্রশস্ততা কত?
৭।গাড়ি পার্কি এর জন্য কত মিটার জায়গা রাখা হয়।
৮।মেডিয়ান স্ট্রিপ কি?
৯। বরোপিট কাকে বলে?রাস্তা থেকে বরোপিটের দুরত্ব কত হওয়া উচিত?
১০। স্পয়েল ব্যাংক কাকে বলে?
১১। সাবগ্রেড দৃঢ়াবদ্ধ করার জন্য যে রোলার ব্যবহার করা হয় তার ওজন কত?
১২। সাবগ্রেডে যে বালির স্তর প্রয়োগ করা হয় তার পুরুত্ব কত?
১৩। সাববেসের পুরুত্ব কত?
১৪। ঢালাই করার সময় ব্যবহ্রত ফর্মার পুরুত্ব কত?
১৫. ঢালাই করার কত সময় পরে ফর্মা অপসারন করতে হবে।
১৬। ঢালাইয়ে কংক্রিট মিশ্রনের অনুপাত কত?
১৭। কংক্রিট ঢালাইয়ের পর কত ঘন্টা কিউরিং করতে হবে?
১৮। বিটুমিন রাস্তা কাকে বলে?
১৯। প্রাইমকোটে কত উচ্চতায় পাথরকুচি বিছাতে হবে এবং পাথরকুচির সাইজ কত?
২০. প্রাইমকোটে প্রতি ১০০ বর্গমিটারে কত কেজি বিটুমিন বিছাতে হবে?
২১। বিটুমিন পোড়ানোর তাপমাত্রা কত?
২২। ট্যাককোটে প্রতি ১০০ বর্গমিটারে কত কেজি বিটুমিন বিছাতে হবে?
২৩। সিলকোট কি?
২৪। সিলকোটে কত আকারের পাথরকুচি বিছানো হয়?
২৫। সিলকোটে প্রতি ১০০ বর্গমিটারে কত কেজি বিটুমিন বিছাতে হবে?

পর্ব -৪
১. দালানের কয়টি অংশ ও কি কি? (২ টি অংশ। সাব স্ট্রাকচার ও সুপার স্ট্রাকচার)
২. সাব স্ট্রাকচার ও সুপার স্ট্রাকচারের অংশ সমূহ কি কি?
৩. প্লিন্থের উচ্চতা কত রাখা উচিত? (৪৫ সেমি – ৬০ সেমি.)
৪. জানালা কত উচ্চতায় হওয়া উচিত?(৭০ সেমি. -৮০ সেমি.)
৫. স্কাইলাইট, ফ্যানলাইট, সানলাইট, সানসেড ও কার্নিশ কোথায় ব্যবহ্রত হয়?
৬. ভেন্টিলেটর কি? কেন ব্যবহার করা হয়?
৭. সিল ও জ্যাম্ব কি?
৮. লিন্টেলের বিয়ারিং এবং গভীরতা কত? (বিয়ারিং ১০ সেমি. ও গভীরতা ১৫ সেমি.)
৯. সানসেড ও কার্নিশের মাপ কত? ( সানসেড ৩০ সেমি. -৪৫ সেমি., ও কার্নিশ ৪৫ সেমি. - ৬০ সেমি.)
১০. জলছাদ কি? এর পুরুত্ব কত? (পুরুত্ব ৭.৫ সেমি.)
১১. প্যারাপেট ওয়াল কি? এটি কোথায় নির্মান করা হয়? (ছাদের চারদিকে উচু করে যে ওয়াল তৈরি করা হয়)
১২. প্যারাপেট ওয়াল কত উচ্চতায় নির্মাণ করা হয়? (৭৫ সেমি. – ৯০ সেমি.)
১৩. কোপিং কি? কোথায় নির্মাণ করা হয়? (প্যারাপেট ওয়ালের উপরে।

পর্ব -৫
১. ট্রেড ও রাইজার কাকে বলে?
২. ফ্লাইট কাকে বলে? একটি ফ্লাইটে সর্বনিম্ন ও সর্বোচ্চ ধাপের সংখ্যা কত?(সর্বনিম্ন ৩ টি এবং সর্বোচ্চ ১৫ টি)
৩. ট্রেড ও রাইজারের মাপ কত? ( ট্রেড ২২.৫ সেমি. – ৩০ সেমি. এবং রাইজার ১২-১৯ সেমি)
৪. নোজিং কি এবং এর মাপ কত? ( ১ ইঞ্চি থেকে ১.৫ ইঞ্চি)
৫. সফিট কাকে বলে? (সিড়ির স্লাবকে সফিট বলে)
৬. হেডরুম কাকে বলে এবং এর উচ্চতা কত? (২.১০ মিটার)
৭. সিড়ির ঢাল কত ডিগ্রির মধ্যে হওয়া উচিত?( ২৫° -৪০° এর মধ্যে)
৮. সিড়ির প্রস্থ বাসভবন ও গনভবনের জন্য কত হওয়া উচিত? ( ৯০ সেমি. ও ১.৫ মিটার)
৯. কোয়ার্টার টার্ন সিড়ি ও ডগলেগড সিড়ি কাকে বলে?
১০. ট্রেড ও রাইজারের সংখ্যা বের করার নিয়ম কি?
১১. ট্রেড ও রাইাজারের মধ্যে সম্পর্ক কি?
১২. ভিত্তি কাকে বলে? ভিত্তির কাজ কি?
১৩. অগভীর ভিত্তি ও গভীর ভিত্তি কাকে বলে? কত প্রকার ও কি কি?
১৪. ভিত্তির গভীরতা নির্ণয়ে রেংঙ্কিন এর সূত্রটি লেখ।

১৫.1.ডিপিসি এ পাডলোর পরিমাণ
সিমেন্টের ওজনের ৫% অর্থাৎ প্রতি
ব্যাগ সিমেন্টের জন্য ২.৫ কেজি।
১৫.2. এক ঘনমিটার এম,এস রডের ওজন =৭৮৫০
কেজি বা ৭৮.৫০ কুইন্টাল
১৫.3. এক ব্যাগ সিমেন্টের ওজন=৫০ কেজি
এবং আয়তন=০.০৩৪৭ ঘনমিটার
১৫.4. এক ব্যাগ হোয়াইট সিমেন্টের
ওজন=৪০ কেজি
১৬. আবাসিক দালানের জন্য বাসযোগ্য
ক্ষেত্রফল প্লিন্থ ক্ষেত্রফলের ৫০%-৫৬%
হওয়া উচিত।
১৭. রানিং মিটার দৈর্ঘে এন্ড এজিং
এ ইটের পরিমাণ=১/.১২৭=৮ টি।
১৮. এক ঘনমিটার ছোট সাইজের খোয়ার
জন্য ইটের প্রয়োজন ৩২০ টি এবং বড়
সাইজের খোয়ার জন্য ৩০০ টি।
১৯. নির্মাণ সামগ্রী বহনের জন্য চালনা
দুরুত্ব ৩০ মিটার এবং উত্তোলন দুরুত্ব ১.৫
মিটার।
২০. কম্প্রেশন বারে হুক ছাড়া ল্যাপিং
২৪D এবং হুকসহ ৪৪D আবার, টেনশনে হুক
ছাড়া ল্যাপিং ৩০D এবং হুকসহ ৬০D.
২১. জলছাদের কাজে খোয়া,চুন,সুরকির
অনুপাত=৭:২:২
২২. সেপটিক ট্যাংক এর নুন্যতম প্রস্থ
৬০সেমি এবং তরলের নুন্যতম গভীরতা ১
মিটার।
২৩. সোক ওয়েলের নুন্যতম ব্যাস ৯০
সেমি এবং গভীরতা ইনভার্ট সমতল হতে
১.৫ মিটার।
২৪. কালভার্ট এর স্প্যান ৬ মিটারের কম
এবং ব্রিজের স্প্যান ৬ মিটারের বেশি
২৫. ব্রিজ এর স্ল্যাবকে ডেকস স্ল্যাব
বলে।
২৬. ঢেউটিনের প্রমাণ দৈর্ঘ্য:
(১.৮০,২.২০,২.৫০,২.৮০,৩.২০)মিটার এবং
প্রস্থ ০.৮০মিটার এবং ঢেউয়ের গভীরতা
১৮ মি.মি
২৭. এক মিটার এম.এস অ্যাঙ্গেলের
ওজন=০.০০৭৮৫A কেজি
২৮. একটি এক টনি ট্রাক পাকা রাস্তায়
সিমেন্ট বহন করে ২০ ব্যাগ
২৯. একটি এক টনি ট্রাক পাকা রাস্তায় ইট
বহন করে 333 টি
৩০. একটি এক টনি ট্রাক কাঁচা রাস্তায়
সিমেন্ট বহন করে ১৩.৩৩ ব্যাগ।

পর্ব: ৬
ক্লিয়ার কভার মেইন (রড) বারের জন্য:
১.ফুটিং:৫০ মি মি
২.রেফট ফাউন্ডেশন.(টপ):৫০ মি মি
৩.রেফট ফাউন্ডেশন.(বটম/সাইড):৭৫ মি মি
৪.স্ট্রাপ বিম:৫০ মি মি
৫.গ্রেড স্লাব:২০ মি মি
৬.কলাম:৪০ মি মি
৭.শিয়ার ওয়াল:২৫ মি মি
৮.বিম:২৫ মি মি
৯.স্লাব:১৫ মি মি
১০.ফ্লাট স্লাব:২০ মি মি
১১.স্টেয়ার কেস:১৫ মি মি
১২.রিটেইনিং ওয়াল:২০/২৫ মি মি অন আর্থ
১৩.ওয়াটার রিটেইনিং স্ট্রাকচার:২০/৩০ মি মি
১৪.কাস্ট ইন সিটু পাইল :৪৫০/৫০০ ডায়া মি,৫০ মি মি,৬০০ মি মি ডায়ামিটরি

রেট্রোফিটিং কি ??পূর্বে নির্মিত বিল্ডিং বা স্ট্রাকচার এ নুতন কিছু সংযোগ করে , বিল্ডিং এর স্ট্রেনথ বাড়ানোর বা শক্তিশালী ...
21/10/2022

রেট্রোফিটিং কি ??

পূর্বে নির্মিত বিল্ডিং বা স্ট্রাকচার এ নুতন কিছু সংযোগ করে , বিল্ডিং এর স্ট্রেনথ বাড়ানোর বা শক্তিশালী করার প্রক্রিয়াকে রেট্রোফিটিং বলা হয়ে থাকে।

বিল্ডিং এ রেট্রোফিটিং কেন করা হয় ?

বিভিন্ন কারণে রেট্রোফিটিং করা হয়ে থাকে , তার মধ্যে প্রধান প্রধান কিছু কারণ নিন্মে তুলে ধরা হয়ঃ

১. বিল্ডিং কোড সঠিকভাবে না মেনে বিল্ডিং নির্মাণ করা হলে ।
২. অনেক সময় ডিজাইন এ ত্রুটির কারণেও রেট্রোফিটিং এর দরকার হয় ।
৩. দীর্ঘদিন ব্যবহারে ও অপ্রত্যাশিত প্রাকৃতিক দুর্যোগ এ ক্ষতিগ্রস্থ হলে বিল্ডিং এর স্ট্রেনথ বাড়াতে হয় ।
৪. ব্যবহৃত বিল্ডিং এর মূল ডিজাইনের বাহিরে ‍গিয়ে অনেক ধরণের পরিবর্তন করা হলে ।(উদাহরণস্বরুপ – কোন ধরনের প্রভিশন না থাকা সত্বেও বিল্ডিংটিকে উপরের দিকে বা যেকোন পাশে বর্ধিতকরণ ইত্যাদি )
৫. বিল্ডিং এ ব্যবহারের ধরন পরিবর্তন করা । ( যেমনঃ রেসিডেনসিয়াল বিল্ডিং করে ইন্ডাস্ট্রিয়াল অথবা কমার্শিয়াল হিসাবে ব্যবহার করা হলে , বিল্ডিং লোড বিয়ারিং সক্ষমতায় তারতম্য হয় । যার ফলে বিল্ডিংকে পুনরায় শক্তিশালী করার প্রয়োজন পড়ে )
উপরোল্লিখিত কারণে মূলত বিল্ডিং এ রেট্রোফিটিং , স্ট্রেনথিনিং বা শক্তিশালী করার দরকার হয় ।

কংক্রিট টেম্পারেচার, কি ভাবছেন কংক্রিটের আবার কিসের টেম্পারেচারের হিসাব, পরিমাণ মতো মিক্সি করবো আর ঢালাই দিবো বাস্।আরে ভ...
18/10/2022

কংক্রিট টেম্পারেচার,
কি ভাবছেন কংক্রিটের আবার কিসের টেম্পারেচারের হিসাব, পরিমাণ মতো মিক্সি করবো আর ঢালাই দিবো বাস্।
আরে ভাই একটু ধৈর্য ধরেন কংক্রিটের টেম্পারেচার টি কি তা বুঝে নিন।
সাধারণ কংক্রিটের গড় সংকোচন শক্তি 245.58 কেজি/বর্গ সেমি, যখন 20°C তাপমাত্রায় তখন কংক্রিটের শক্তি স্বাভাবিক কংক্রিটের সংকোচন শক্তির 85.83% হয়ে যায়।
যখন 25°C তাপমাত্রায় তখন কংক্রিটের শক্তি স্বাভাবিক কংক্রিটের সংকোচন শক্তির 64.92% হয়ে যায়।
যখন 30°C তাপমাত্রায় তখন কংক্রিটের শক্তি স্বাভাবিক কংক্রিটের সংকোচন শক্তির 62.67% হয়ে যায়।
যখন 35°C তাপমাত্রায় তখন কংক্রিটের শক্তি স্বাভাবিক কংক্রিটের সংকোচন শক্তির 60.00% হয়ে যায়।
যখন 40°C তাপমাত্রায় তখন কংক্রিটের শক্তি স্বাভাবিক কংক্রিটের সংকোচন শক্তির 58.40% হয়ে যায়।

যেমনঃ
কংক্রিট ঢালাই ও তাপমাত্রার প্রভাব

তাপমাত্রা কংক্রিটের মধ্যে পানি ও সিমেন্টের বিক্রিয়া তে প্রভাব ফেলে এবং কনক্রিটের কম্প্রেসিভ স্ট্রেনথ ও অন্যান্য বৈশিষ্ট্যতে ও প্রভাব ফেলে।

#কংক্রিটের ঢালাইয়ে তাপমাত্রার প্রভাব-

#কংক্রিটে w/c রেশিওঃ-

তাপমাত্রা বেশি হওয়ায় বাস্পীভবনের মাধ্যমে কংক্রিট থেকে পানি বের হয়ে যায়, যা সদ্য প্রস্তুতকৃত কংক্রিটের কার্যোপযোগিতা কমিয়ে দেয়, এ অবস্থায় কংক্রিটকে কার্যোপযোগী করতে অতিরিক্ত পানি যোগ করতে হয় যা কংক্রিটের শক্তি হ্রাস করে।

#কংক্রিটের কার্যোপযোগীতা দ্রুত কমে যায়ঃ-

গরম আবহাওয়ায় কংক্রিট তৈরি,পরিবহন এবং প্রতিস্থাপন কালীন সময় কংক্রিট থেকে পানি বাষ্পীভবন হয়ে চলে যায় যা কংক্রিটের কার্যোপযোগীতা নষ্ট করে কংক্রিট কে ব্যবহার অনুপযোগী করে।

#কংক্রিটের সেটিং টাইম কমে যায়ঃ-

গরম আবহাওয়ায় কনক্রিটের হাইড্রেশন প্রক্রিয়া দ্রুত হওয়ায় কারণে কনক্রিটের প্রাথমিক সেটিং টাইম কমে যায়, যা কনক্রিট পরিবহন,প্রতিস্থাপন এবং ফিনিশিংয়ে প্রতিবন্ধকতার সৃষ্টি করে এবং কোনো কোনো সময় কংক্রিট ফল সেটিং( ব্যবহারের পূর্বেই জমে যাওয়া) ও হতে দেখা যায়।

#কংক্রিটের সংকোচন জনিত ফাটলের সৃষ্টি করেঃ-

গরম আবহাওয়ায় তাপমাত্রা বৃদ্ধিজনিত কারণে কংক্রিট প্রতিস্থাপনের পরে কংক্রিটের মধ্য থেকে পানি বাষ্পীভবন হয়ে বের হয়ে যাওয়ার প্রবণতা থাকে, যা কংক্রিটে সংকোচন জনিত ফাটল তৈরি করে।

#কংক্রিটের দীর্ঘ মেয়াদি শক্তি অর্জন কমে যায়ঃ-

তাপমাত্রা বৃদ্ধির সাথে সাথে কংক্রিটের হাইড্রেশন বিক্রিয়া দ্রুত হয়, যা কংক্রিটে প্রাথমিকভাবে দ্রুত শক্তি অর্জন বৃদ্ধি করে কিন্তু এর ফলে কংক্রিটের দীর্ঘ মেয়াদি শক্তি অর্জন হ্রাস পায়।

#কংক্রিটের দীর্ঘস্থায়িত্বতা কমে যাওয়া-

উপরে যা আলোচনা করা হয়েছে তাতে তাপমাত্রা বৃদ্ধির সাথে সাথে কংক্রিটে পানি শূন্যতার কারনে কংক্রিটের কার্যপোযোগীতা কমতে থাকে এবং কংক্রিট কার্যোপযোগী হিসেবে তৈরি করতে অতিরিক্ত পানি যোগ করতে হয় যা কংক্রিটকে পোরাস করে তোলে, কারণ পানি কংক্রিটের মধ্যে দ্রুত শুকিয়ে যায় এবং ওই স্থানে ভয়েডের সৃষ্টি করে কংক্রিট কে পোরাস করে তোলে, যার ফলে কনক্রিটের দীর্ঘস্থায়িত্বতা হ্রাস পায়।

াওয়ায়_কনক্রিট_স্থাপনের_নির্দেশিকাঃ

১.প্রথমেই পরিকল্পনায় এগিয়ে থাকতে হবে, তথা ঢালাই শুরু করার জন্য প্রয়োজনীয় ম্যাটেরিয়ালস,যন্ত্রপাতি লোকবল এমনকি মিক্সার মেশিন টি কোথায় স্থাপন করা হবে এ সকল বিষয়ে আগের দিনই সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত করতে হবে, যাতে করে ঢালাই শুরু করতে সময়ের অপচয় না হয়।

২.যথা সম্ভব খুব সকালেই কনক্রিট স্থাপনের কাজ শুরু করতে হবে, কারণ এই সময়টায় তাপমাত্রা কংক্রিটের অনুকূলে থাকে।

৩. ডিপটিউবলের পানি ব্যবহার করার চেষ্টা করতে হবে কারণ গরম আবহাওয়ায় ডিপটিউবলের পানি অপেক্ষাকৃত ঠান্ডা থাকে, সেই পানি ব্যবহার করা গেলে কনক্রিটও ঠান্ডা থাকবে।

৪.কনক্রিট ফেলে রাখা যাবে না, যথাসম্ভব কনক্রিট তাড়াতাড়ি ব্যবহার করে ফেলতে হবে।

৫.যথাসম্ভব ছায়াযুক্ত স্থানে কংক্রিট মিক্সিং এর কাজ করতে হবে।

৬.গরম আবহাওয়ায় বাতাসে অপেক্ষাকৃত আদ্রতা অনেক কম থাকে, যার কারণে এটা কনক্রিটের পানি দ্রুত শুকাতে সাহায্য করে সুতরাং যে দিক থেকে বাতাস প্রবাহিত হয় ওই দিকে পলিথিন বা অন্য কিছুর মাধ্যমে বাতাসের জন্য প্রতিবন্ধকতা তৈরি করতে পারলে ভালো ফল পাওয়া যাবে।

৭.কনক্রিট প্লেসমেন্ট হয়ে গেলে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব কনক্রিট ফিনিশিং দিয়ে কনক্রিট পৃষ্ঠে পলিথিন বা অন্যকিছুর মাধ্যমে ঢেকে দেওয়া যেতে পারে, যাতে করে তাপ এবং বাতাসের কারনে পানি বের হতে না পারে।

৮.রেডিমিক্স ঢালাইয়ের ক্ষেত্রে ট্র্যাক সাইটে আসার পূর্বেই ঢালাই শুরু করার জন্য প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি সম্পন্ন করতে হবে যাতে ট্রাক সাইটে আসা মাত্রই ঢালাই শুরু করা যায়,বিলম্বিত না হয়।

৯.কংক্রিট ঢালাইয়ের সময় যাতে কোনো প্রতিবন্ধকতা তৈরি না হয় সে দিকে লক্ষ্য রাখতে হবে, অবিরতভাবে কনক্রিট স্থাপন করতে হবে।

১০.কনক্রিট স্থাপনের দুই থেকে তিন ঘণ্টা পরে কনক্রিট পৃষ্ঠে সামান্য পরিমাণে পানি ছিটিয়ে দেওয়া যেতে পারে।

১১.কনক্রিটে বাষ্পীভবন প্রতিরোধ কেমিক্যাল ব্যবহার করা যেতে পারে।

Address

Dhaka

Telephone

+8801831535965

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Engineering topic,,,sd posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Engineering topic,,,sd:

Share