05/06/2026
Offer Price
Colposcopy
wa.me/+8801750219100
Colposcopy (কলপোস্কোপি) হলো এমন এক ধরনের পরীক্ষা যার মাধ্যমে জরায়ুমুখ (Cervix), যোনি (Va**na) বা ভালভাকে (V***a) খুব কাছ থেকে এবং বড় আকারে পর্যবেক্ষণ করা হয়। এটি সাধারণত ক্যান্সার বা ক্যান্সারের পূর্ববর্তী কোনো অস্বাভাবিক কোষ শনাক্ত করতে ব্যবহৃত হয়।
এর প্রধান কাজগুলো নিচে সহজভাবে তুলে ধরা হলো:
১. অস্বাভাবিক কোষ শনাক্ত করা
যখন জরায়ুমুখের প্রাথমিক পরীক্ষা যেমন— Pap smear বা HPV test-এর রিপোর্টে কোনো অস্বাভাবিকতা দেখা যায়, তখন ডাক্তাররা নিশ্চিত হওয়ার জন্য কলপোস্কোপি করার পরামর্শ দেন। কলপোস্কোপ যন্ত্রটির মাধ্যমে সাধারণ চোখের তুলনায় অনেক বড় এবং স্পষ্টভাবে জরায়ুমুখের টিস্যু দেখা যায়।
২. জরায়ুমুখের ক্যান্সার প্রতিরোধ
এই পরীক্ষার মাধ্যমে জরায়ুমুখের কোষে এমন কোনো পরিবর্তন লক্ষ্য করা যায় কি না যা ভবিষ্যতে ক্যান্সারে রূপ নিতে পারে, তা যাচাই করা হয়। সময়মতো এই পরিবর্তনগুলো ধরা পড়লে ক্যান্সারের ঝুঁকি অনেকটাই কমানো সম্ভব।
৩. বায়োপসি (Biopsy) নিতে সাহায্য করা
পরীক্ষার সময় যদি ডাক্তার কোনো সন্দেহজনক এলাকা বা ক্ষত দেখতে পান, তবে সেখান থেকে খুব সামান্য পরিমাণ টিস্যু বা কোষ সংগ্রহ করেন। একে বায়োপসি বলে। ল্যাবে এই টিস্যু পরীক্ষা করে নিশ্চিত হওয়া যায় সেখানে কোনো সমস্যা আছে কি না।
৪. অন্যান্য সমস্যা পরীক্ষা করা
ক্যান্সার ছাড়াও কলপোস্কোপির মাধ্যমে আরও কিছু বিষয় দেখা হয়:
• জরায়ুমুখের প্রদাহ বা প্রদাহজনিত সমস্যা।
• জরায়ুমুখে কোনো পলি্প (Polyp) বা মাংসপিণ্ড থাকলে।
• যৌনাঙ্গের আঁচিল (Ge***al warts) পরীক্ষা করতে।
পরীক্ষাটি কীভাবে করা হয়?
• এটি অনেকটা সাধারণ পেলভিক পরীক্ষার মতোই। রোগী শুয়ে থাকার পর ডাক্তার যোনিপথে একটি স্পেকুলাম (Speculum) প্রবেশ করান।
• এরপর জরায়ুমুখে ভিনেগারের মতো এক ধরনের দ্রবণ (Acetic acid) লাগানো হয়, যা অস্বাভাবিক কোষগুলোকে সাদা বা ভিন্ন রঙের করে তোলে যাতে সহজে চেনা যায়।
• সবশেষে কলপোস্কোপ (এটি একটি বড় লেন্সযুক্ত অণুবীক্ষণ যন্ত্রের মতো) জরায়ুমুখের সামনে রেখে পরীক্ষা করা হয়। এই যন্ত্রটি শরীরের ভেতরে প্রবেশ করানো হয় না, এটি বাইরে থেকেই আলো ফেলে পর্যবেক্ষণ করে।